লেখকের ক‌থা

সদর দরজা

কবিতা বিষয়ে মান্যবর কবিবন্ধুদের কাছে একটি জিজ্ঞাসা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি কবিতা ভালোবাসি। সাধারণ শিক্ষিত একজন মনোযোগী পাঠক। আধুনিক কবিতার কিছু জিনিস বুঝিনা। তাই প্রশ্নগুলো উত্থাপন করলাম।

প্রশ্ন ১:
'সান্ধ্যকালীন রক্তিম আলোকচ্ছটায় রঞ্জিত অম্বর' এই কথাটি কয়জন সাধারণ পাঠক বুঝবে? পক্ষান্তরে 'সন্ধ্যের লাল আলোয় রাঙা আকাশ' এই কথাটি কি একজন পাঠকের জন্যে অনেক বেশি সুখপাঠ্য ও সহজবোধ্য নয়?

প্রশ্ন ২:
কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে আমাদের সোনালী
সময়, তবু রয়ে গেছে স্মৃতির সোনারঙ ফ্রেম
- এই লাইন দু'টিতে 'সময়' কথাটিকে পরের লাইনে নিয়ে আসার কোনো মাহাত্ম্য আছে কি?

কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে আমাদের সোনালী সময়
তবু রয়ে গেছে স্মৃতির সোনারঙ ফ্রেম
- এভাবে লিখলে কি লেখার মানক্ষুন্ন হয়? নাকি অন্য কোনো অসুবিধা আছে?

আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে যেটুকু বুঝি- কবিতা হলো সাহিত্যের এমন একটি মাধ্যম যেটি আন্দোলন, সংগ্রাম, দ্রোহ, প্রেম, যুদ্ধ ও শান্তির সময়ে মানুষকে সবচেয়ে বেশি জাগিয়ে তুলেছে। তো, মানুষকে জাগিয়ে তোলার, আন্দোলিত করার সাহিত্যের এমন একটি শক্তিশালী মাধ্যমকে সাধারণ মানুষের অর্থাৎ অধিকাংশ মানুষের নাগালের বাইরে রাখার কি যুৎসই কোনো উদ্দেশ্য আছে?

নাকি প্রচলিত ধারার বাইরে কিছু একটা করে দেখাতে হবে তাই করা? যদি সেটা ধীরে ধীরে পাঠকের বোধের নাগালের বাইরেও চলে যায়, তবুও!

0
আপনার মূল্যায়ন: আপনি মূল্যায়ন করেন নি।
শেয়ার করুন » Facebook Twitter Delicious Digg MySpace Google Orkut Blogger Google Buzz Technorati
অথবা এই সংক্ষিপ্ত লিংক শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৩৯৯(১)    

সুমন ভাইয়া কেমন আছেন? :)

আমিও কবিতা খুব ভালবাসি, কিন্তু আধুনিক কবিতা সব মাথার একশ' হাত উপর দিয়ে যায়! :)
তারপরও আপনার ২ নং প্রশ্নের উত্তরে:- আমার মনে হয় যে (ধারণামাত্র), কবিতার ছন্দোবদ্ধ আবৃত্তি করতে হলে ওভাবে লিখলেই মাত্রা ঠিক থাকে - আপনি নিজে আবৃত্তি করে দেখেন লাইন দু'টো।

শুভকামনা নিরন্তর।। :)
-----------
অট: একটা ভানাম বুল ধরি যদি কিছু মনে না করেন? :)
আলোকছটায় --> আলোকচ্ছটায়

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৪০৪(২)    
লেখকের মন্তব্য

এই শেষরাতে আলোচনায় কাউকে পাবো আশা করিনি। যাহোক, আপনাকে পেলাম।
আমি আবৃত্তি করে দেখেছি। আমার কাছে মনে হয়েছে এরকম-
আপনি কেমন আছেন আপু বাড়ির
সবাই ভালো আছেতো?

বানান ভুল ধরিয়ে দেবার জন্যে ধন্যবাদ। ঠিক করে দিচ্ছি।

অ:ট: আসলে আপনি এবং আপনার বাড়ির সবাই ভালো আছেনতো? এটা তো কখনো জিজ্ঞাসা করা হয়নি। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৪০৮(৩)    

আমি বাংলাদেশের বাইরে থাকি, ভাইয়া। এজন্যেই আমাকে 'বাংলাদেশ-টাইমে' শেষরাতে পেয়েছেন, হাহাহা! :)
আমার বাসার সকলে ভাল আছে, আলহামদুলিল্লাহ, কিন্তু আপনি এখনও জানাননি আপনি কেমন আছেন। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৪১১(৪)    
লেখকের মন্তব্য

ওহ! জানাইনি? আচ্ছা আচ্ছা! আমি ভালো আছি। প্রতিদিনকার মতই। বেশ ভালো। তবে বয়স হচ্ছে তো, তাই শীতের রাতে জেগে থাকতে একটু কষ্ট হয়, এই আর কি :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৪০৬(৫)    

ব্যাপারটা ঠিক তা নয় ভাই।
আমি মনে করি কবিতা ইঞ্জিনিয়ারিং নয় যে এভাবে না লিখে ঐ ভাবে লিখতে হবে। কবিতা লেখায় রুল থাকার কথা নয়।

কবিতা হল কবির ভাবের প্রকাশ। যেভাবে যে করে। সেটার সাথে পাঠকপ্রিয়তার কোন সম্পর্ক নাই।

তারপরেও কেউ যদি আধুনিকতার নামে কবিতাকে অধিক পরিমানে কঠিন শবে ভারাক্রান্ত করে ফেলে কিংবা অযাচিত লাইন ব্রেক দেয় তাহলে সেটা তার নিজের সমস্যা। আধুনিক কবিতার নয়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৪১৬(৬)    
লেখকের মন্তব্য

আলোচনায় আসার জন্যে ধন্যবাদ আকাশগঙ্গা ভাই। 'পাঠকপ্রিয়তার সাথে সম্পর্ক নাই' যদি হয়, তাহলে আমার আর কোনো কথা থাকেনা। আমি চাইলে আমার মত করে লিখে রেখে দিতে পারি। যখন মানুষের হাতে তুলে দিতে যাবো, তখন তো সেই মানুষগুলোর কথা ভাবতে হবে, তাইনা?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৪১৩(৭)    

কবি,

১। আপনি কি জানেন যে আপনি নিজেও আধুনিক কবিতা লিখেন ? আপনার সব কবিতা কি সবাই বোঝে ?
আসলে কবিতা যদিও পাঠকদের জন্যেই লেখা হয় , তবুও লাখো , কোটি ধরনের পাঠক আছেন , আপনি কার কথা ভেবে লিখবেন , বলুন ?

২। পাঠক আছে 'সান্ধ্যকালীন রক্তিম আলোকছটায় রঞ্জিত অম্বর' বোঝার আবার পক্ষান্তরে 'সন্ধ্যের লাল আলোয় রাঙা আকাশ' পড়ার মানুষও আছে।

৩। ভাব ও ভবের সমন্বয় হয় কবিতা। এভাবে আমি ভাবছি , আপনি হয়তো নন। সেটাও ঠিক আছে। প্রণবদা লিখেছেন " কবিতা আত্মার প্রতিধ্বনি" আমি বলেছি , নাহ , কারণ আত্মায় কোন দেয়াল নেই , অদৃশ্য দেয়ালও নেই। আমরা দুজনই হয়তো যার যার মত ঠিক।

৪। আপনার প্রশ্ন দুই এর উত্তর আমার প্রিয় বান্ধবী 'নাইফা' দিয়েছেন , আমি মাঝে মাঝে শখের বশে আবৃতি করি , আমারো তাই মনে হয়। অফ টপিক: আপনি কি আবৃতি করেন সুমনদা ?

৫। নাহ , প্রচলিতের বাইরে লিখতে হবে বলে কথা নেই। তবে হ্যাঁ , সব কথা লেখা ( কবিতা) হয়ে গেছে এই ব্যাপারটা আমার প্রায় হয়। তখন আমি হয়তো অন্যরকম কিছু নিয়ে ভাবি। লিখি।

৬। "আমার চক্ষু নাই" , "ফরাজিকান্দির কসম" , এগুলো আমার কবিতার লাইন। বোঝা যায়না হয়তো, কি আর করি। বিকারহীন আমি, আমরা।

আপনার কবিতা ভাল লাগে , মনের কাছাকাছি সব কবিতাগুলো, কখনো বলিনি আপনাকে হয়তো।

লিখুন আমাদের জন্যে, সবার জন্যে!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬০০(৮)    
লেখকের মন্তব্য

১। আপনি কি জানেন যে আপনি নিজেও আধুনিক কবিতা লিখেন ? আপনার সব কবিতা কি সবাই বোঝে ?

আমি যা লিখি সেগুলো মান বিচারে কবিতা হয় কীনা তা নিয়েই আমি সন্দিহান। আধুনিক, উত্তরাধুনিক কি প্রাচীণ সে-তো পরের কথা। শুধু মনের ভাবগুলোকে সহজ শব্দে সরলভাবে প্রকাশ করার চেষ্টা করি। নিজের ভেতরে জেগে ওঠা সুখ, দুঃখ, অভিমান, দ্রোহ ও প্রেমের অনুভূতিগুলোকে পাঠকের হাতে তুলে দেই। এগুলোকেই কেউ কেউ কবিতা হিসেবে মেনে নেন। আমার ভালো লাগে।
কেউ যখন আমাকে 'কবি' সম্বোধন করেন, তখন এক অন্যরকম ভালোলাগার অনুভূতির সাথে সাথে বিব্রতও হই। কবি হওয়া কি চাট্টিখানি কথা?
সবাই বুঝবেনা এমন কবিতা আমি কখনো লিখেছি কীনা মনে করতে পারছিনা। যদি লিখে থাকি, তাহলে ওটা আমার অনিচ্ছায় হয়েছে। আমার লেখার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে, এবং সেটা সাধারণ মানুষের জন্যেই। অভিধান খুলে বুঝতে হয় এমন কিছু সম্ভবতঃ আমি কখনোই লিখবোনা।

২। পাঠক আছে 'সান্ধ্যকালীন রক্তিম আলোকছটায় রঞ্জিত অম্বর' বোঝার আবার পক্ষান্তরে 'সন্ধ্যের লাল আলোয় রাঙা আকাশ' পড়ার মানুষও আছে।

পাঠক আছে, এটা স্বীকার করি। আসলে অভিমানটা অন্য জায়গায়। আমি কেন বুঝিনা? অথবা আমার মত আরো পাঁচজন কেনো বোঝেনা? আমাদের জ্ঞানের দৌড় সীমাবদ্ধ বলেই কি আমাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে?- এমন মনে হয়।

৩। ভাব ও ভবের সমন্বয় হয় কবিতা। এভাবে আমি ভাবছি , আপনি হয়তো নন। সেটাও ঠিক আছে। প্রণবদা লিখেছেন " কবিতা আত্মার প্রতিধ্বনি" আমি বলেছি , নাহ , কারণ আত্মায় কোন দেয়াল নেই , অদৃশ্য দেয়ালও নেই। আমরা দুজনই হয়তো যার যার মত ঠিক।

এই বিচারে পৃথিবীর সবাই ঠিক। আমি পাঠকপ্রিয়তার প্রশ্ন তুলেছি।

৪। আপনার প্রশ্ন দুই এর উত্তর আমার প্রিয় বান্ধবী 'নাইফা' দিয়েছেন , আমি মাঝে মাঝে শখের বশে আবৃতি করি , আমারো তাই মনে হয়। অফ টপিক: আপনি কি আবৃতি করেন সুমনদা ?

আপনাদের উত্তরগুলোর কথা গুরুত্বের সাথে ভাবছি। এখনো কনভিন্সড হতে পারিনি। না, আমি আবৃত্তি পারিনা। যদি পারতাম ভালো লাগতো।

৫। নাহ , প্রচলিতের বাইরে লিখতে হবে বলে কথা নেই। তবে হ্যাঁ , সব কথা লেখা ( কবিতা) হয়ে গেছে এই ব্যাপারটা আমার প্রায় হয়। তখন আমি হয়তো অন্যরকম কিছু নিয়ে ভাবি। লিখি।

অন্যরকম কিছু নিয়ে ভাবতেই হবে। নাহয় সবকিছু একই বৃত্তে ঘুরপাক খাবে। থেমে যাবে সৃষ্টি। তবে আমি এই 'অন্যরকম কিছু' করাটাকে মানুষের নাগালের ভেতরে রাখার কথা বোঝাতে চেয়েছি। যেমন ধরুন আপনি নতুন একটি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করলেন। মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, গাড়ি কিংবা অন্য কিছু। উদ্ভাবনটা কার জন্যে? যদি শুধু বিজ্ঞানীদের জন্যে হয়, তাহলে সেটি বিজ্ঞানীদের গবেষণাগারে স্থান পাবে। যদি সাধারণ মানুষের জন্যে হয়, তাহলে তারা যেন সেটি ব্যবহার করতে পারে, অতটা সহজ করেই সেটি বানাতে হবে। এটাই বোঝাতে চেয়েছি।

৬। "আমার চক্ষু নাই" , "ফরাজিকান্দির কসম" , এগুলো আমার কবিতার লাইন। বোঝা যায়না হয়তো, কি আর করি। বিকারহীন আমি, আমরা।

বোঝা যায়না বলেই বঞ্চিতবোধ করি।

আমার কবিতা আপনার ভালো লাগে জেনে সুখী হলাম। আমার লেখার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আপনারা মাঝে মাঝে এসে লেখাগুলোকে একটু ছুঁয়ে দিলেই আমার হয়ে যাবে। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৪৬৯(৯)    

পড়লাম!
ভাল লাগল পড়ে, তবে মন্তব্য করার মতন যোগ্য আমি নই!

কবতা লিখতে মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছে করে কিন্তু কিছুই তো পারি না, তাই সাহসও পাই না!

জীবনানন্দের, বনলতা সেন" বার বার পড়ি আর ভাবি যদি এমন একটা কবিতা লিখতে পারতাম!
হাহ!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬০২(১০)    
লেখকের মন্তব্য

আপনার মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ বারীশ। কবি নম্রতার মতন আমারো আপনার নামের অর্থ জানতে ইচ্ছে হয়।
জীবনানন্দের 'বনলতা সেন' লিখতে হবে কেন? নিজে হয়তো তার চেয়েও ভালো কিছু লিখতে পারবেন। হতে পারেনা এমন?
ভালো থাকুন, সাথেই থাকুন। শুভকামনা। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৪৭৪(১১)    

আপনার লেখাগুলোর মজা আমার কাছে কোথায় জানেন? পড়ে কতক্ষণ চুপ করে বসে থাকি। ভাবতে থাকি, আর বুঝি এই প্রশ্নগুলো আমার মাথায়ও ছিল, শুধু গুছিয়ে লিখতে পারিনা বলেই লিখি নাই। এই অনেক আধুনিক কঠিন কবিতার ভিড়ে এখনো আমি ভালবাসি সহজ সরল আবেগি জীবন নির্ভর কবিতা। আর তাই হয়তো লজ্জা পাই, ভাবি আমার কবিতা বোঝার ক্ষমতাই নাই । দূরে থাকি তাই ।

ইংলিশ সাহিত্তে দুই দুইটা এম এ করে আমার এই অবস্থা তাহলে আমজনতার কি অবস্থা?

আপনার আগে একটা লেখায় মন্তব্য রেখে এসেছি। এই ধরনের লেখা চলুক । অপেক্ষায় থাকলাম আগ্রহ নিয়ে।

আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে যেটুকু বুঝি- কবিতা হলো সাহিত্যের এমন একটি মাধ্যম যেটি আন্দোলন, সংগ্রাম, দ্রোহ, প্রেম, যুদ্ধ ও শান্তির সময়ে মানুষকে সবচেয়ে বেশি জাগিয়ে তুলেছে। তো, মানুষকে জাগিয়ে তোলার, আন্দোলিত করার সাহিত্যের এমন একটি শক্তিশালী মাধ্যমকে সাধারণ মানুষের অর্থাৎ অধিকাংশ মানুষের নাগালের বাইরে রাখার কি যুৎসই কোনো উদ্দেশ্য আছে?

আমি সিমপ্লি মুগ্ধ আপনার সত্য কথনে। ভালো থাকুন অবিরত।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬১৪(১২)    
লেখকের মন্তব্য

ইংলিশ সাহিত্যে দুই দুইটা এম.এ. করে আপনার যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে আমার মত বোকাসোকা মানুষের প্রাণান্ত হয়।
সহমত প্রকাশ করার জন্যে ধন্যবাদ। আশা করি সত্য ও সুন্দরের চর্চায় সাথেই থাকবেন।
আমার কোন লেখায় মন্তব্য করেছেন? সেটা খুঁজে পাবো কী করে? আমি এইসব টেকি ব্যাপারস্যাপার একদম বুঝিনা। :(

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৫০৬(১৩)    

কবিতা হলো সাহিত্যের এমন একটি মাধ্যম যেটি আন্দোলন, সংগ্রাম, দ্রোহ, প্রেম, যুদ্ধ ও শান্তির সময়ে মানুষকে সবচেয়ে বেশি জাগিয়ে তুলেছে।

এটা তো কবিতার সংজ্ঞা হলো না, এটা হলো কবিতার প্রভাব। যদিও আমি আপনার সাথে একমত নই, কারণ বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষার সবচেয়ে বড়ো কবিদের লেখায় আন্দোলন ইত্যাদি হয় নি। বাংলা কবিতার উদাহরণ - জীবনানন্দ দাশ এবং রবীন্দ্রনাথ। আরো অনেক কবিই আছেন, যারা বহুল পঠিত এবং নন্দিত, কিন্তু তাঁদের কবিতায় দ্রোহ বা যুদ্ধের ডাক নাই।

এখানে আপনি উদ্দেশ্য বিধেয়ের ভুল করছেন। কবিতা হলো ভাবের প্রকাশের মাধ্যম বা ফর্ম। এখন আপনি যুদ্ধের মধ্যে থাকলে, সেটা কবিতায় আসবে, শান্তির মধ্যে থাকলে সেটা কবিতায় আসবে। যুদ্ধ বা শান্তি- কোনোটাই কবিতা শুরু করছে না। কেবল পরিবেশের প্রতিফলন করছে। শামসুর রাহমান যুদ্ধ নিয়ে লিখেছেন, তার কারণ তিনি যুদ্ধের সময় লিখেছেন, একই কথা খাটে নির্মলেন্দু গুণ বা সত্তুরের দশকের কবিদের বেলায়। কিন্তু তার মানে এই না যে কবিতা এই যুদ্ধের পেছনে প্রেরণা। বুঝাতে পারলাম?

কবিতার পাঠক সাহিত্যের আর দশটা ধারার পাঠকের থেকে আলাদা। অন্য মাধ্যমে পাঠককে একটা ফরম্যাট একটা বক্তব্য দিয়ে দেয়া হয়, পাঠক সেটা ইন্টারপ্রেট করেন। কবিতায় ফরম্যাটের বালাই নাই (কোন ফিক্সড ফর্ম নাই)। তাই পাঠক সরাসরি কবির চিন্তার রূপ দেখতে পাচ্ছেন। যিনি অম্বর লিখবেন, তার চিন্তার রূপ ওটা। আপনি পাঠক হিসেবে তা পছন্দ না করলে সেটা আপনার মতামত, আপনার চিন্তার রূপ। এখানে কারো চিন্তা কারো চাইতে ছোট বা বড় বলা হচ্ছে না। কেবল ভিন্নতাই প্রমাণিত হচ্ছে। একজন কবির লেখা হয়তো কেউ পছন্দই করলো না, কারো ভাল লাগলো না। কিন্তু তাতে কিছু আসে যায় কি? কারণ কবিতা লেখা, আর কমিউনিকেট করা দুটো আলাদা ব্যাপার। কমিউনিকেট করতে চাইলে, আরো হাজারটা ফর্ম আছে সাহিত্যের, সেগুলো ব্যবহার করলেই হয়!

দ্বিতীয় প্রশ্নটি ছন্দের সাথে সম্পর্কিত। এজন্য ওভাবে লেখা হয়ছে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬২৮(১৪)    
লেখকের মন্তব্য

সবচেয়ে বড়ো কবিদের লেখায় আন্দোলন ইত্যাদি হয় নি। বাংলা কবিতার উদাহরণ - জীবনানন্দ দাশ এবং রবীন্দ্রনাথ। আরো অনেক কবিই আছেন, যারা বহুল পঠিত এবং নন্দিত, কিন্তু তাঁদের কবিতায় দ্রোহ বা যুদ্ধের ডাক নাই।

দয়া করে লক্ষ্য করবেন- আমি শুধু যুদ্ধ কিংবা দ্রোহের ডাকের কথা বোঝাইনি। আমি শান্তি ও প্রেমের সময়ের কথাও বলেছি।

কিন্তু তার মানে এই না যে কবিতা এই যুদ্ধের পেছনে প্রেরণা। বুঝাতে পারলাম?

আর, কবিতা যুদ্ধের সময়ে প্রেরণা হয়ে কাজ করেনি, এটা কি ঠিক? তাহলে কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতাগুলো কি শুধুই বিনোদন ছিলো? মানুষের ভেতরের বিদ্রোহী সত্ত্বাটিকে বের করে এনে যুদ্ধের ময়দানে পাঠায়নি?

একজন কবির লেখা হয়তো কেউ পছন্দই করলো না, কারো ভাল লাগলো না। কিন্তু তাতে কিছু আসে যায় কি?

তাতে কবির কিছু যায় আসেনা হয়তো। কিন্তু সেই কবিতা মানুষের ভেতরের মানুষটিকে জাগিয়ে তোলার ক্ষেত্রেও খুব একটা কাজে আসেনা।

কমিউনিকেট করতে চাইলে, আরো হাজারটা ফর্ম আছে সাহিত্যের, সেগুলো ব্যবহার করলেই হয়!

আমার মূল বক্তব্যটা এখানেই। কমিউনিকেট করতে চাইলে সাহিত্যের অন্য হাজারটা ফর্মের মত কবিতাও কেন সমান কিংবা অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেনা? কবিতা কেন ধীরে ধীরে মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে? সাধারণ মানুষ কবিতা পড়ে কেন দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ, ভালোবাসা, রাজনীতি ও বিদ্রোহ শিখতে পারবেনা? কবিতা ভালোবাসি বলেই কবিতার কাছে আমার দাবিটাও বেশি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৫২৫(১৫)    

আমি কবিতা ভালোবাসি। সাধারণ শিক্ষিত একজন মনোযোগী পাঠক। আধুনিক কবিতার কিছু জিনিস বুঝিনা। তাই প্রশ্নগুলো উত্থাপন করলাম।

অনীক অনেকটাই বলে দিয়েছেন।
আপনার মনে প্রশ্নের উদয় হয়েছে, এটা পজেটিভ। কিন্তু আপনি লিখেছেন, "আধুনিক কবিতার কিছু জিনিস বুঝিনা"। সমস্যা হচ্ছে, "আধুনিক কবিতা" নামে কবিতার একটা পর্যায় আছে। যেটি বিশ্বাসাহিত্যে মডার্ণিজম নামে পরিচিত। আমাদের সাহিত্যে সে ধারার কবি বুদ্ধদেব জীবনানন্দরা। বর্তমানে যারা লিখছেন তারা সেই অর্থে আধুনিক ধারার কবি নন। এ ধারার উত্তরাধিকার বড়জোড়। কবিতার কোন ডেফিনেশন না থাকলেও আধুনিক কবিতার কিছু বৈশিষ্ট, চিহ্ন ও উদ্দেশ্য আছে। এ বিষয়গুলো জানা থাকলে আধুনিক কবিতা পড়তে অনেকটা সুবিধা হবে।

আর 'আধুনিক' বলতে আপনি যদি সমকালিন কবিতাকে বোঝান তবে সেই একই কথা প্রজোয্য, কারণ সমাকালিন কবিতা কবিতার বিভিন্ন পর্যায়ের ধারাবাহিক উত্তরাধিকার। ফলে কবিতার এ ধারাবাহিকতাটি জানা প্রয়োজন। যেহেতু কবিতা কোন ইস্তেহার নয়, কিম্বা পরিবেশিত সংবাদ নয় যে একে সকলের বোধগম্য হতে হবে। আর সাহিত্যের অন্যান্য শাখার মতো কবিতার নিজস্ব কোন ফরম্যাট নেই ফলে কবিতাকে কোনকিছু হয়ে উঠতে হয় না। শুধু মাত্র কবিতা হতে হয়।

কবিতার জয় হোক। শুভেচ্ছা জানবেন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬৩০(১৬)    
লেখকের মন্তব্য

সমস্যা হচ্ছে, "আধুনিক কবিতা" নামে কবিতার একটা পর্যায় আছে। যেটি বিশ্বাসাহিত্যে মডার্ণিজম নামে পরিচিত। আমাদের সাহিত্যে সে ধারার কবি বুদ্ধদেব জীবনানন্দরা। বর্তমানে যারা লিখছেন তারা সেই অর্থে আধুনিক ধারার কবি নন। এ ধারার উত্তরাধিকার বড়জোড়। কবিতার কোন ডেফিনেশন না থাকলেও আধুনিক কবিতার কিছু বৈশিষ্ট, চিহ্ন ও উদ্দেশ্য আছে। এ বিষয়গুলো জানা থাকলে আধুনিক কবিতা পড়তে অনেকটা সুবিধা হবে।
আর 'আধুনিক' বলতে আপনি যদি সমকালিন কবিতাকে বোঝান তবে সেই একই কথা প্রজোয্য, কারণ সমাকালিন কবিতা কবিতার বিভিন্ন পর্যায়ের ধারাবাহিক উত্তরাধিকার। ফলে কবিতার এ ধারাবাহিকতাটি জানা প্রয়োজন।

ধারাবাহিকতা জানার চেষ্টা করে যাবো। আপনার কথাগুলো থেকে কিছু জিনিস শিখলাম। :)

যেহেতু কবিতা কোন ইস্তেহার নয়, কিম্বা পরিবেশিত সংবাদ নয় যে একে সকলের বোধগম্য হতে হবে। আর সাহিত্যের অন্যান্য শাখার মতো কবিতার নিজস্ব কোন ফরম্যাট নেই ফলে কবিতাকে কোনকিছু হয়ে উঠতে হয় না। শুধু মাত্র কবিতা হতে হয়।

কবিতার কোনো ফরম্যাট নেই, থাকা উচিতও নয়। কিন্তু যেহেতু মানুষের জন্যে লেখা, সেহেতু নিদেনপক্ষে মানুষের বোধগম্য হওয়া উচিত।

আপনি একজন কবি। আমি যদি এখন অন্য এক কবির একটি লেখা এখানে এনে আপনাকে প্রশ্ন করি- 'এখানে কী বলা হয়েছে একটু বুঝিয়ে দেবেন?' যদি আপনি বুঝিয়ে দিতে না পারেন, তাহলে আমি বলবো, এই কবিতা আমার জন্যে কিংবা আমার মত সাধারণ মানুষের জন্যে নয়। আপনারা কবিরাই এই কবিতার পাঠক। অথবা কোনো বিজ্ঞানী, গবেষক।

আলোচনায় অংশগ্রহণ করার জন্যে আপনাকে ধন্যবাদ প্রণবদা। এমন অবুঝের মত প্রশ্ন করে মাঝেমাঝে আপনাদের বিরক্ত করবো। আশা করি স্নেহ দিয়ে সাথেই রাখবেন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৫৬৮(১৭)    

দেরি করে আলোচনায় আসলাম। দুঃখিত সেই জন্য।
বক্তব্য যুক্তিসংগত মনে হয়েছে।
সহমত।
আমি নিজেও চেষ্টা করি পাঠকের জন্য লিখতে।
বিষয়টা কখনই এমন হওয়া উচিত না যে পাঠক আমার কথা বুঝবে না।
চাইলেই কবিতাকে অনেক জটিল করা যায়। কিন্তু তাতে হয়তো আমার ভাব ঠিকই বাড়বে কিন্তু যেই কারণে লিখা সেটা কখনই পূরণ হবে বলে মনে হয়না ।
তবে হ্যাঁ প্রত্যেক কবিরই একটা নিজস্ব ধরণ থাকে লিখার । আমি বলবনা সেটাকেই পরিবর্তন করতে। তবে যে সব শব্দের ব্যবহার কবিতার অর্থ অনেক বেশী কঠিন করে তুলে, সে সব পরিহার করাই শ্রেয় ।
অনেক সুন্দর একটা পোষ্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬৩৩(১৮)    
লেখকের মন্তব্য

তবে হ্যাঁ প্রত্যেক কবিরই একটা নিজস্ব ধরণ থাকে লিখার । আমি বলবনা সেটাকেই পরিবর্তন করতে। তবে যে সব শব্দের ব্যবহার কবিতার অর্থ অনেক বেশী কঠিন করে তুলে, সে সব পরিহার করাই শ্রেয় ।

আমি এই কথাটাই বলতে চেয়েছি। সহমত প্রকাশের জন্যে ধন্যবাদ। ভালো থাকুন বেশি বেশি। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৫৭২(১৯)    

আমিও কবিতা পড়ি। কিছু বুঝি আর বেশির ভাগই বুঝি না। শুধু পড়ে যাই। পড়তে ভাল লাগলে অন্তর্নিহিত অর্থ না বুঝলেও বলি ভাল লেগেছে। আমার মত নিতান্ত সাধারণ পাঠক এর বেশি আর কিছু বলতে পারি না। যাঁরা কবি এবং যাঁরা কবিতা বোঝেন তারাই এ প্রশ্নগুলোর যথার্থ উত্তর দিতে পারবেন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬৩৮(২০)    
লেখকের মন্তব্য

যাঁরা কবি এবং যাঁরা কবিতা বোঝেন তারাই এ প্রশ্নগুলোর যথার্থ উত্তর দিতে পারবেন।

আমি এই উত্তরগুলোই খুঁজছি। পোস্টের সাথে থাকুন, আশা করি আমার মত আপনিও অনেক কিছু শিখতে পারবেন। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৫৭৩(২১)    

আমি কবি নই!
তাই (মুখবন্ধ)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬৩৯(২২)    
লেখকের মন্তব্য

:)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৫৯৫(২৩)    

সুনীল গাঙ্গুলীকে কেউ একজন বলেছিল- কবিতা কেন সহজ করে লেখা হয়না,তাহলে সবাই বুঝতে পারতো'। তিনি বলছিলেন- কবিতা সবার জন্য নয় যে সবাইকে তা বুঝতে হবে, যারা কবিতা বুঝে তাদের জন্যই কবিতা।
আমার মনে হয় বিমূর্ত ছবির মতই কবিতাও একটা অনুভূতি ছড়িয়ে দেয় মনে মননে মগজে যা খুব অর্থবহ নয় আবার নিরর্থও নয়।
সুমন ভাই, আমাদের যুগটা কবিতায় পোষ্টমডার্ণ/উত্তরাধুনিক।
কবিতা লেখার যদি কোন নিয়ম থাকতো তাহলে স্বতন্ত্র/সেচ্ছাচারী মানুষ কবি হতে পারতনা অথচ ইতিহাসে এমনটাই বেশী দেখা যায়।
কবিতা যেভাবে আসতে চায় সেভাবেই আসতে দিন।
শুভেচ্ছা রইল।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬০৩(২৪)    

ভালো লাগলো।
স্বতন্ত্র/সেচ্ছাচারী মানুষ কবি হতে পারতনা অথচ ইতিহাসে এমনটাই বেশী দেখা যায়!
ঠিকই বলেছেন।
নিজেকে অন্তত তাই মনে হয় ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬০৭(২৫)    

আমার কথা পুরোটাই ভুল হতে পারে। কারণ হিসেবে
উপরের এক মন্তব্য কেই দিয়ে দিলাম
স্বতন্ত্র/সেচ্ছাচারী মানুষ কবি হতে পারতনা অথচ ইতিহাসে এমনটাই বেশী দেখা যায়।

আমি স্বতন্ত্র/সেচ্ছাচারী ।
সবার মতামতের প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা রইলো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬৪০(২৬)    
লেখকের মন্তব্য

কবিতা সবার জন্য নয় যে সবাইকে তা বুঝতে হবে, যারা কবিতা বুঝে তাদের জন্যই কবিতা।

আমার আপত্তি এখানেই। ভালো ভালো কবিদের ভালো ভালো লেখাগুলো আমি বুঝবোনা কেন? এগুলো বুঝতে হলে আমাকে আর কত বড় হতে হবে? আমি কি জীবনে কখনো এত জ্ঞানী হতে পারবো? কবিতা ভালোবাসি তাই কবিতার শরীর ছেনে মুক্তো তুলে আনতে চাই। পারিনা, তাই অভিমান হয়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৫৯৮(২৭)    

এখন আসি উপরের মন্তব্যে।

আমার মন্তব্য পড়ে হয়তো অনীক ভাই হাসছেন ।হাসছেন প্রণব দাও।
হয়তো বলবেন "একজন কবির লেখা হয়তো কেউ পছন্দই করলো না, কারো ভাল লাগলো না। কিন্তু তাতে কিছু আসে যায় কি? কারণ কবিতা লেখা, আর কমিউনিকেট করা দুটো আলাদা ব্যাপার। কমিউনিকেট করতে চাইলে, আরো হাজারটা ফর্ম আছে সাহিত্যের, সেগুলো ব্যবহার করলেই হয়!"
লাইনটা আমি কি দেখি নাই!

উত্তর একটাই ।
কবিদের আপনি কোন ধরা বাধা নিয়মে বাধতে পারবেন না ।
কোন কবি যদি কমিউনিকেট করতে চান আপনি তাকে কি বলবেন?
কবিতা লিখ না যাও সাহিত্যর অন্য কোন রূপের সাহায্য নাও।
এটা কবির ইচ্ছের উপরে নির্ভর করছে যে সে কি চাচ্ছেন।
তাই এটা তার উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত।

আর কবিতা দিয়ে কমিউনিকেট করা যাবেনা এটা কোথায় আছে আমি জানি না।
সেই জন্য আমি দুঃখিত।

কবিতা দিয়ে কবি কমিউনিকেট করতে চান কি না চান সেটা এত নির্দিষ্ট ভাবে বলা সম্ভব, এটা আমি জানতাম না।
তবে হ্যাঁ স্বীকার করি আমার পক্ষে সবাইকে খুশি করা সম্ভব না।
তবে আমি এমন চাইবনা যে আমার কবিতা শুধুই আমার থাকুক।
তবে আপনাদের এই সংজ্ঞায় যদি কবিতাকে বেঁধেই ফেলেন তবে আমার আর কিছুই বলার নেই।

উপরে দেখলাম যে কবিতা পাঠক প্রিয়তার জন্য নয়।
কথাটা কতটা ঠিক?
রবি ঠাকুর বা জীবনানন্দ এরা কেউ কি পাঠকের জন্য লিখেন নাই???
সবাই কি নিজের জন্যই লিখতেন?
তাদের লিখা পড়ে আমি তো এটা বুঝিনি!
আসলেই কম বুঝি।
সেই জন্যও আমি দুঃখিত।

আর বেশী কিছু বললাম না ।
সুমন ভাই এর জবাবের অপেক্ষায় রইলাম ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬৪৮(২৮)    
লেখকের মন্তব্য

উপরে দেখলাম যে কবিতা পাঠক প্রিয়তার জন্য নয়।
কথাটা কতটা ঠিক?
রবি ঠাকুর বা জীবনানন্দ এরা কেউ কি পাঠকের জন্য লিখেন নাই???
সবাই কি নিজের জন্যই লিখতেন?

প্রশ্নগুলো আমারও। আলোচনা থেকে শিখছি। আপনার মনোযোগী মন্তব্যগুলোর জন্যে ধন্যবাদ জনাব রোদ্দুর।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬৯৩(২৯)    

আমিও শিখলাম। ভালো লাগলো।
বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা, মন্তব্য করার সময় মনে হচ্ছিল এটা আমারই পোস্ট ।
আমারও মাঝে মাঝে প্রশ্ন জাগে?
কবিতা কি, কবিতা কেমন হবে? কেন সবাই কবিতাকে এতটা কঠিন ভাববে?

আমার বন্ধুদের কবিতা শব্দটা শুনে দূরে সরে যেতে দেখেছি। একটা অনীহা দেখেছি সব সময় কবিতা পড়াকে ঘিরে। এটা আমার অভিমান ছিল । কেন তারা দূরে সরে যাচ্ছে কবিতা থেকে?
আমিও কি এমনি কবিতা লিখবো যা সবাইকে দূরে সরিয়ে রাখবে!

কবি হিসেবে আমার পাঠকদের ভালো লাগা আমার কাছে গুরুত্ব পাবে, এটুকুই শুধু জানি। লিখার সময় ভাবি পাঠকদের নিয়ে।
হয়তো আপনাদের সংজ্ঞা থেকে আলাদা। তবুও, আমি সরল কবিতা পাঠে এবং লিখায় বিশ্বাসী ।
কারণ আমার কাছে মনে হয় কবিতা ,কবির নিজের জীবনের প্রতি ভালোবাসার অন্য একটি নাম। আর ভালোবাসা !সেটা আমার কাছে দুর্বোধ্য কিছু শব্দ নয়!
এটা সার্বজনীন । সবার জন্য।
হ্যাঁ,মানছি কবিতা আমার মনের ভাব প্রকাশ করে, করবে ।
তবে অতটাও কঠিন আমি সেটাকে করবোনা যাতে সেটা বুঝার জন্য কাউকে অনেক অনেক কঠিন শব্দ শিখে আসতে হবে।

হয়তো আমি ভুল । বাকিরা ঠিক ।
সবার মন্তব্যকে পূর্ণরূপে শ্রদ্ধা আবারো।
এই আলোচনা থেকে অনেক কিছু শিখলাম ।এবং ভালো লাগলো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬০৯(৩০)    

আমার ধৈর্য কম, হাতে সময় আরও কম। তবুও পোস্ট আর মন্তব্যগুলো পড়লাম। মনে আশা ছিল এই যে, কবিতা বুঝবার যদি কোন ফর্মুলা পাওয়া যায়! নজরুলের কবিতা বুঝি, বুঝতে পারি রবি ঠাকুরের আর জীবনানন্দের কবিতা, আমার মত করে, সব বুঝতে না পারলেও অল্প কিছু বুঝি। এ যুগের কবিতা বুঝি না ভালো, মাঝে মাঝে একেবারেই বুঝি না। তখন নিজের উপরে রাগ হয়, কেন বুঝি না? ব্লগের অধিকাংশ কবিতা পোস্ট পড়লেও তাই কোন মন্তব্য করতে পারি না, পাশ কাটিয়ে চলে যাই।
কমেন্টের সাহিত্যালোচনা ভালো লেগেছে, ব্লগে এমন আলোচনা একান্ত কাম্য। যারা কবিতা লেখেন বা লিখতে চান, তাদের জন্য এই আলোচনা অনেক উপকারে আসবে, কবিতা পাঠে পাঠকদের উৎসাহ যোগাবে এই আলোচনা।
পোস্টার ও কমেন্টারদের সকলকেই ধন্যবাদ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬২৫(৩১)    

মনে আশা ছিল এই যে, কবিতা বুঝবার যদি কোন ফর্মুলা পাওয়া যায়!
অসাম হুদা ভাই। :প :p

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬৪৯(৩২)    
লেখকের মন্তব্য

কবিতা বুঝবার যদি কোন ফর্মুলা পাওয়া যায়! নজরুলের কবিতা বুঝি, বুঝতে পারি রবি ঠাকুরের আর জীবনানন্দের কবিতা, আমার মত করে, সব বুঝতে না পারলেও অল্প কিছু বুঝি। এ যুগের কবিতা বুঝি না ভালো, মাঝে মাঝে একেবারেই বুঝি না। তখন নিজের উপরে রাগ হয়, কেন বুঝি না?

এগুলোই আমার অভিমান। আলোচনায় আসার জন্যে ধন্যবাদ হুদা ভাই। ভালো থাকুন প্রতিদিন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬৪৩(৩৩)    

আহা হুম্ পড়ে গেলাম আহা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৬৫২(৩৪)    
লেখকের মন্তব্য

শুধু পড়ে গেলেই হবে? আমার কিছু জানার ছিলো। কিছু বলুন। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৭১১(৩৫)    

কবিতা আমার কাছে হৃদয়ের বোধ, অনুভব, আর অনুভূতির প্রকাশ। এই প্রকাশ টা হতে পারে সহজ অথবা জটিল। আমি সহজিয়া পথটাই পছন্দ করি। কবিতা সাধারনত আবেগ আশ্রিত। যুক্তি এখানে অচল। যুক্তি বা বুদ্ধি দিয়ে কবিতা হয় না। কবিতা হয় ছোট ছোট দুঃখ-ব্যথা, আনন্দ-বেদনা আর ভালোবাসা দিয়ে। একজন কবি মানেই প্রেমিক। যদিও সকল প্রেমিক কবি নয়। কবিতা কবি মনের সুকোমল অনুভূতি, সুকুমার বৃত্তি। তাই কবিতার সহজবোধ্য প্রকাশই আমার কাছে সুন্দর মনে হয়। ধন্যবাদ ফরিদুল আলম সুমন।:)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৮১৫(৩৬)    

ভালো বলেছেন। আমিও একমত।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৯৬৬(৩৭)    

'সান্ধ্যকালীন রক্তিম আলোকচ্ছটায় রঞ্জিত অম্বর' এই কথাটি কয়জন সাধারণ পাঠক বুঝবে? পক্ষান্তরে 'সন্ধ্যের লাল আলোয় রাঙা আকাশ'

আমার কাছে প্রথমটাই বেশি ভালো লাগবে। কেননা, পরের লাইনটি যে কেউ লিখতে পারে। কবিতা আসলে বোঝানোর মতো জিনিষ না। পাঠক, লেখক সবার কাছে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে ধরা দেয়

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৯৭৫(৩৮)    

এখানেই সমস্যা রিশাদ ।
তোমার কাছে যেটা ভালো লাগবে অন্য কারো কাছে সেটা বিরক্তিকর ও হতে পারে। এই বিষয়ে কি অভিমত তোমার?
যাই হোক। এটা অনেক বিতর্কের বিষয় আসলে।
ভালো লাগার সাথে কবিতার সম্পর্ক করা বেশ কঠিন।
কবিতা এমন একটা জিনিস যাকে তুমি কোন মাত্রায় বাঁধতে পারবেনা।
ভালো থেকো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৯৭৬(৩৯)    

আরও অনেক কিছু বলতে ইচ্ছে করছে, কিন্তু এত আপাতত এত সময় নেই। আলোচনা অসমাপ্ত রেখে চলে যাচ্ছি আজকের মত।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৪৯৭৮(৪০)    

বছর সাড়ে তিন আগে সামু ব্লগে ফরহাদউদ্দিন স্বপনের ব্লগে একটা কমেন্ট করেছিলাম, সেটা তুলে দেই

আমি কবিতার বিদগ্ধ পাঠক নই তবে একজন সাধারণ কবিতাপ্রেমী।
কবিতা আমার কাছে মনে হয় প্রবাহমান কুলুকুলু নদীর ধারার মত।এর সৃষ্টি কবির হাতে কিন্তু পাঠকের হাতে যেতে যেতে তা নতুন নতুন অর্থ লাভ করবে।আমি কবিতার দ্ব্যর্থকতা বা বহুর্থকতায় বিশ্বাসী।
তবে কবিতার ভাষার কথায় আমি আপনার সাথে কিছুটা একমত।অনেক লোককে আমি চিনি যারা অযথা কঠিন শব্দের আড়ম্বর করে মানুষের কাছে দুর্বোধ্য করে বড় কবি সাজতে চায়।এদেরকে পরিত্যাগ করা উচিত।
তবে ভুলে গেলে চলবে না এদের সংখ্যা অতি নগন্য।বেশির ভাগ কবি কবিতা লিখেন তার ভেতর থেকে আসা তাড়নায়।তাই তাদের লেখাকে গন্ডিবদ্ধ করার কথা আমার মতো নগন্য লোকের বলা শোভা পায় না।

এবার কবি পাঠক বিষয়ে একটু বলি।কবিতা বইষয়ে আমার ভাবনা হলো কবি কবিতা লেখেন নিজের মনের মাঝেকার যে বোধের প্রকাশ না ঘটিয়ে পারেন না, যে বোধ তাকে অবিরত দগ্ধ করে তাকে নান্দনিক ভাবে প্রকাশ করতে। আধুনিক কবিতার ক্ষেত্রে অন্তত কবিতা পাঠকের চাইটেও অনেক বেশি কবির নিজের জন্য। পাঠক বুঝার জন্য পড়ভে এই আইডিয়াটা আমি নিতে পারলাম না। মানে কবিতা তো লুৎফর রহমানের মহৎ জীবন কিংবা ডেল কার্ণেগী কিংবা ঈশপের গল্পের মত নয়, যে এর বক্তব্য থাকবে আবার সেটা সবাইকে বুঝতে হবে।

এখানে মানসিক উৎকর্সের প্রশ্ন থাকছেই। তবে আপনি যেভাবে সাধারণ মানুষ বুঝে না বলে চাপিয়ে দিলেন, এই সাধারণ মানুষ আসলে কারা? একজনকে কী কী গুণের অধিকারী হতে হলে আসলে সাধারণ মানুষ বলা যায়। পাঠকের কথা ভেবে সাহিত্য সৃষ্টি শুধু কবিতা না কোন ফরম্যাটেই হয় না। অন্তত হওয়া উচিত না বলে আমি মনে করি।

আমি নিতান্তই মূর্খ মানুষ। আমার ভাবনা জানিয়ে গেলাম। সবার মতামত শুনবার আগ্রহে গ্যালারিতে বসলাম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৫০৩৪(৪১)    

মূর্খ কেন হবেন ভাইয়া!! যাই হোক , বিষয়টা আসলেই অনেক জটিল এবং ঘোলাটে হয়ে গেছে।
এখনো আমার কাছে কবিতার সংজ্ঞা পরিস্কার না। তবে না মেনে পারলাম না,
''কবি কবিতা লেখেন নিজের মনের মাঝেকার যে বোধের প্রকাশ না ঘটিয়ে পারেন না, যে বোধ তাকে অবিরত দগ্ধ করে তাকে নান্দনিক ভাবে প্রকাশ করতে'
বিশ্বাস করবেন কি না জানিনা,আমি এই জিনিসটা উপলব্ধি করতে পারলাম মন্তব্য পড়ার সময়।

সর্বোপরি এটুকু বলতে পারি, কবিতা পাঠকের চাইতে বেশিটাই কবির নিজের।
নিজের ক্ষেত্রে ঘটে যাওয়া অনুভুতিগুলি আমাকে এটাই বলছে যে ,
প্রত্যেক কবিরই লিখার নিজস্ব একটা ধরণ আছে এবং যেটা পাঠক প্রিয়তার জগত থেকে অনেক আলাদা।

এটুকুই বললাম ।এই বিষয়ে তর্ক করলে অনেক দূর যাওয়া সম্ভব। আপাতত আর কিছু বললাম না। ভালো থাকুন ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২২৭৩৯৯(৪২)    

আমি যখন পড়ি- কখনোই মনে করি না যে কবি কী বলতে চেয়েছেন তা আমি জানি। সেটা কবিও জানেন কিনা সংশয়। তবে সেটা অবশ্যই সাহিত্যের অধ্যাপক জানেন। কেউ সত্যি সত্যি কবির মনের কথা জানতে চাইলে সাহিত্যের অধ্যাপকের কাছে যান।
আমি সাধারণ পাঠক। আমি কবিতাকে নিজের মতো পাঠ করবো। এবং নিজস্ব ব্যাখ্যান প্রকাশ করবো।

কবিতা কী? কিংবা পদ্য আর কবিতার মধ্যে পার্থক্য কী? এটা সাধারণ প্রশ্ন। এবং আমি কী মনে করি?

আমি মনে করি পদ্য হলো পদ্যকারের সৃষ্টি করে দেয়া একটি জগত। যেখানে পাঠক বিচরণ করবে। বিচরণ করা আর প্রস্তুতকৃত রস আস্বাদন করা ছাড়া পাঠকের আর কোনো কাজ নেই। যেমন, আমাদের ছোটোনদী চলে বাঁকে বাঁকে... শোনার সাথে সাথেই আমরা নদীর বাঁকে চলে যাই এবং পদ্যকারকৃত দৃশ্যে ঘোরাঘুরি করি। নিজে কিছু বানাই না। অন্যেরটা খাই, অন্যেরটা পরি।

কবিতা হলো একটা অন্তহীন অভাবনীয় জগতের দরজা। যেটা কবি তৈরি করেন। তারপর তিনি মৃত। পাঠক সেই দরজা দিয়ে ঢুকে নিজের মতো করে জগতটাকে তৈরি করেন এবং বিরচরণ করেন।

মনে করেন কবিতা একটি, আর দরজাও একটি। কিন্তু পাঠক অনেক। তাহলে কি পাঠক একই জগত তৈরি করবেন? না, পাঠকের অভিজ্ঞতা আর চিন্তার ভিন্নতার কারণেই পাঠক একই দরজা দিয়ে ঢুকে ভিন্ন ভিন্ন জগত তৈরি করবেন। পাঠক বেরিয়ে এসে পুনর্বার প্রবেশে তার জগত পাল্টেও যেতে পারে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু পাঠক জানবেন না, কবি কী বলতে চেয়েছেন। সোনারতরী কবিতা সম্পর্কে রবিঠাকুর কে জিজ্ঞেস করা হলে বলেছিলেন তিনি এইখানে বর্ষার চিত্র ছাড়া কিছুই বিস্তার করেন নি। অথচ সাহিত্যের অধ্যাপকরা এই কবিতা নিয়ে ইহকাল আর পরকাল একাকার করেছেন।

আমি কী লিখেছি সেটা বড় কথা নয়। আপনি যা বুঝবেন তাই-ই সমস্ত। আর যদি কিছুই না বুঝেন, তবে এইটা কিছুই হয় নাই। আমি নিজেই এটাকে এগারো কিংবা তেরোভাবে ব্যাখ্যা করতে পারি। প্রথমে আমার আঁকা একটা পেইন্টিং এর বিবরণ লিখেছিলাম। ছবিটা বেশ কিছুদিন ছিলো আমার দেয়ালে। হঠাৎ একদিন এক সুতীব্র ঘোরের ভিতর খুব নিষ্ঠুরভাবে ছবিটাকে নষ্ট করলাম, ফালি ফালি করে কাটলাম এন্টিকাটার দিয়ে। তারপর লেখাটা আমার কাছে অন্য অর্থ হয়ে গেলো।

মনে করেন আপনার প্রিয়তমনারীটি এসে আপনার ধবধবে বালিশে শুলো। তার দীঘল একটি চুল বালিশে ঝরে পড়লো, গোধূলি দিগন্তরঙ এবং আলোয় পাল্টে দিলো নকশা বর্ণ এবং ঘ্রাণ। এই মহানসৌন্দর্য বুকে ধরে বালিশটি ক্রমে অচেনা হলো...
বাকিটা আপনি ভাবেন।

মূলত নারী এবং রাত্রি বিভিন্ন নয়। রাত্রি যেমন সৃষ্টির আধার তেমন নারীও...

- কবি নির্ঝর নৈঃশব্দ্য

 

মন্তব্য করুন

এই তথ্যটি সর্বদাই গোপন রাখা হবে এবং কোন অবস্থাতেই তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
ছবি যাচাই
আপাতত: শুধু মানুষদের জন্যই আমাদের দুয়ার খোলা। পরে নাহয় রবোট, বায়োবট বা এন্ড্রয়েডদের কথা বিবেচনা করা যাবে।
7 + 8 =
এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করুন এবং সঠিক উত্তরটি উপরের ঘরে লিখুন। যেমনঃ ১+৩ এর জন্য লিখুন ৪।