ফরিদুল আলম সুমন-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

ছেলেটি রাজা হতে চেয়েছিলো
মেয়েটি হতে চেয়েছিলো পরী।
ছেলেটির ছিলো পাথুরে নদী
নদীর পাড়ে দোলনচাঁপার ঝাড়।
ওরা যৌথরাতের স্বপ্নডানায় ভর করে
উড়ে যেতে চেয়েছিলো নাম না-জানা শূণ্যতায়।
ওদের একটি কাঠের বাড়ি ছিলো।
অমরাবতী নামের বাড়িটির ভেতর
ছিলো দিনমান উড়ে বেড়ানো সুখের প্রজাপতি।
ওদের বারান্দাজুড়ে ছিলো জোছনার লুটোপুটি
ওদের দ্বৈতসংগীতে নক্ষত্ররাজির জ্বলে ওঠার কথা ছিলো
প্রতি সন্ধ্যায়, প্রতিরাতের প্রতিটি প্রহরে।
তারপর বুকে পিঠে ছেলেটির ওম মেখে
মেয়েটির ঘুমিয়ে পড়ার কথা ছিলো লজ্জাবতী মৌনতায়।
ওদের কাঠের বাড়ির পেছনে সবুজ বনভূমি ছিলো
ছিলো গাছের সারির ভেতর বেহুলা বাতাস।
মেয়েটির ঠোঁটের নির্যাস পান করে
ছেলেটি অমরত্ব অর্জন করেছিলো।
একবার সে বেখেয়ালে ভেবেছিলো
মেয়েটি রানী হয়ে যাক।
অনেক শতাব্দী পেরিয়ে যাবার পরও
ছেলেটি রাজা হতে পারেনি। সে এখন বটবৃক্ষ।
আকাশের সীমানাবিহীন গন্তব্যে ছুটে বেড়ানো
ছেলেটির ক্লান্ত চোখজোড়া এখনো
পরীমহলে বন্দী মেয়েটির ফিরে আসার অপেক্ষায়।
মন্তব্য
বাহ্ চমৎকার !
সুমন ভাই, আপনার মতো করে একসময় আমিও লিখেছিলাম….।
মেয়েটি বৃষ্টি হতে চেয়েছিল ছেলেটি মেঘ
দুজনের মনে ছিল দূরন্ত আবেগ
অবশেষে মেয়েটির চোখে ছেলেটি হলো জল
সে জলে ভেসে গেল স্বপ্নের কাজল….।
লেখকের মন্তব্য
আপনার কথাগুলো আমার কথার চেয়ে আরো বেশি সুন্দর। পুরো কবিতাটা দিলে আরো খুশি হতাম।
চমৎকার লাগলো, শুভেচ্ছা জানবেন।
লেখকের মন্তব্য
শুভেচ্ছা রইলো আপনার জন্যেও।
চমৎকার কবিতা।
চলতে পথে শুভকামনা।
লেখকের মন্তব্য
শুভকামনা।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ভাই।
ভালো লাগলো সুমন ভাই;-)
লেখকের মন্তব্য
বাহ্,সুন্দর!
লেখকের মন্তব্য
আপনাকে ধন্যবাদ। শুভকামনা
বাহ!চমৎকার লেখা ভাইয়া
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ নৌকা ভাই
সুমন ভাই, আজ এই ইমোটাই দিতে ইচ্ছে করছে!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ নয়ন ভাই।
সুমন ভাই, আপনি কবিতায় বেশী ভাল।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সাহাদাত ভাই।
ফিরে এসে কি লাভ তোমার বিলাসী পরী ?
তুমি বরং পরজন্মে ভিখেড়ি হয়ো।
বটবৃক্ষের ছায়াতলে হবেগো তোমার ঠাঁই হে দাসী!
লেখকের মন্তব্য
বাহ! এটা কি আপনার কবিতা? পুরোটা পড়তে চাই।
বাহ, বেশ সুন্দর
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ নীল বালক।
মন্তব্য করুন