ফারহান দাউদ-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

নাও ছাড়িয়া দে, পাল উড়াইয়া দে, ছলছলাইয়া চলুক রে নাও মাঝ দইরা দিয়া। জমাট একঘেয়ে সময়ে নাও চলতে হয়, চলার দরকার, উড়তে হয়, ওড়া প্রয়োজন। কলরব হোক, ফুলগুলো লাল নাকি নীল সে নিয়ে না হোক, মিছিল নিয়ে হোক, পাখি নিয়ে না হোক, ক্যাফেটেরিয়ার চায়ের কাপে হোক। দূষিত রক্তে আগুন ধরুক, পুড়ে সাদা হোক কয়লা হয়ে যাওয়া অন্তর। বিষে নীল হোক মৃত আত্মা, উড়ে যাক ধূসর আকাশে, আরো একবার নামুক হালকা বজ্রপাতসহ ঝড়ো বৃষ্টি। মাটির মানুষ সমতল ছেড়ে পাহাড়ে উঠুক, কোন সন্দেহযুক্ত এভারেস্টে নয়, বরং একবার গারো পাহাড়ের চূড়ায় উঠে দেখে নিক শুষ্ক কংসের শেষ রূপ। তীব্র নীলে নিঃশ্বাস নিয়ে আরেকবার কন্ঠ ছাড়ুক জোরে, অষ্টপ্রহর কার্বনের নির্গমনে রুদ্ধ বায়ুমণ্ডল বিদীর্ণ হোক চিল চিৎকারে। ইঁদুরের দৌড়কে পেছনে ফেলে সিংহচালে চলুক হেলেদুলে, ফিরে এসো আজলান রূপকথার নার্নিয়াতে। একলা কুয়াশার জাল কেটে ফুটে উঠুক প্রজাপতি, শিকারী বাজের চোখে জ্বলুক আগুন। স্বর্গ থেকে ভূমিতে নামুক তরুণের পা, প্রেমিকার ওড়না বাজুক গিটারের তারে, কালপুরুষের তীর-ধনুকের নিশানাতে বিদ্ধ হোক যাযাবরের হৃদয়। গ্রীষ্ম-বর্ষা-শরৎ-হেমন্তে মন বাজুক রুমঝুমঝুম, ফাল্গুনের রঙে রাঙিয়ে যাক চৈত্রের দাবদাহ। সাদাকালো চোখে উঠুক রংধনু চশমা, আজ হোক মেঘে মেঘে রঙ, ঘাসের মাঝে হোক পিপীলিকার ঠাঁই, উঁইপোকা ডানা মেলে উড়ুক ইকারুসের মত, সাগরে ডোবার আগে জীবনকে টেনে নিক জীবনের মাঝে, সূর্যে ছাই হবার আগে আলোর তীব্রতায় ভেসে যাক শুন্যতার বুকে।
মন্তব্য
লেখকের মন্তব্য
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখকের মন্তব্য
হ্যাঁ, আমরা বেঁচে উঠি।
লেখকের মন্তব্য
আরো একবার ঘুম ভাঙুক।
হোক মিছিল, নাহয় ক্যাফেটেরিয়ার চায়ের কাপে।
লেখকের মন্তব্য
হোক, আরেকবার।
ক্যাফেটেরিয়ার চায়ের কাপ। বিষে নীল মৃত আত্মা। শুষ্ক কংসের শেষ রূপ। শিকারী বাজ। পিপীলিকার ঠাঁই। প্রেমিকার ওড়না। সূর্যে ছাই। শুন্যতার বুক।
লেখকের মন্তব্য
ছাই থেকে উঠে আসি আরেকবার।
ঐ মিয়া আপনে না কবিতা লিখেন না -- এসব কি ?? :-b
হোক
এই কমেন্টটা আমি দিতে নিছিলাম
রিদ্মিক এলোমেলোড্রামা! কবিতা হয়ে সেজে ওঠার আগে অলসভঙ্গিতে শুয়ে থাকা গদ্য-কাব্য। ভালো না লেগে কোনো উপায় থাকলো না। শুভেচ্ছা রইলো প্রিয় ফারহান দাউদ।
নার্নিয়া কি?
http://en.wikipedia.org/wiki/The_Chronicles_of_Narnia
আহা এমন যদি হত

মন্তব্য করুন