লেখকের ক‌থা

সদর দরজা

নাটক

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সে একটা সময় ছিল। আমরা তখন আনন্দ ফেরি করতাম। প্রকৌশলবিদ্যার জটিল গলিঘুঁজির মাঝে আমরা খুঁজে ফিরতাম একটুকরো সবুজ। স্থাপত্য ভবনের নিচতলায়, ক্যাফেটেরিয়ার উপর, অডিটরিয়ামের সামনে চলতো আমাদের আনন্দ বিতরণের প্রস্তুতি। বিষয়ী মানুষ আমাদের দেখে হাসতো। আমরা তাতে থোড়াই কেয়ার করি, লোকের কথায় কি হয়? আমরা, বুয়েট ড্রামা সোসাইটির কয়েকজন বিষয়বুদ্ধিহীন অকর্মার ঢেঁকি তখন পৃথিবী বদলে দেয়ার স্বপ্ন দেখি, বিপ্লব না হোক নাটক দিয়েই বদলাবো অন্তর্জগৎ। অলস ছুটির দিনে, ব্যস্ত বিকেলে, কখনো বা গভীর রাতেও চলে আমাদের হাঁকডাক। নিজেদের কাঁচা অভিনয় দেখে নিজেরাই তালি দেই, জীবনটা অন্যরকম হয়ে ধরা দেয়।

শুরুটা আমার প্রথম বর্ষে। পড়াশোনা ফাঁকি দেয়া আর আড্ডা দেয়ার জন্য একটা অজুহাত খোঁজার চেষ্টায় আছি। সম্ভবত প্রথম বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীরা ভালভাবে হালচাল বোঝার আগেই সংগঠন গুলো তাদের পাকড়াও করার চেষ্টা করে, রঙবেরঙের ব্যানার নিয়ে বসে থাকা তারচেয়েো রঙিন আপুদের দেখে চোখ টেরিয়ে যাবার অবস্থা। মানুষের সামনে কথা বলতে গেলে তোতলা হয়ে যাই, বিতর্কের চিন্তা বাদ দিলাম। গান-নাচ জাতীয় কালজয়ী প্রতিভা কোনকালেই ছিল না, ঐ লাইনও বাদ। প্রায় খালি দেখলাম ড্রামা সোসাইটির টেবিল, এক আপু মুখ বেজার করে বসে আছেন, সাহস করে সেদিকেই রওনা দিলাম, একটা ফর্ম তুলে জমাও দিয়ে দিলাম।

মাসুদ ভাই আর চপলদা'র সাথে দেখা হলো শুক্রবার, প্রথম সভা সেইদিন। মাসুদ ভাই হাসিখুশি মানুষ, প্রায় মরে যাওয়া ক্লাবটাকে আগলে রেখেছেন পরম মমতায়, রীতিমত নাটক পাগল মানুষ। অস্বাভাবিক রকমের ধৈর্য্য, যেসব জায়গায় আমরা খুনোখুনি করে ফেলতে চাই সেখানেও তার হাসিমুখ। চপলদা বাইরের রিক্রুট, নাটক পরিচালনার জন্য মাসুদ ভাই ধরে এনেছেন। আমরা সবাই আড়ষ্ট, কি না কি হয়, শুরুতেই চপলদা ধরলেন গান, আমাদের উপরও আদেশ হলো, ধরো, গলা খোলো,ডিঙ্গা ভাসাও সাগরে সাথীরে। সবার গলা দিগবিদিক ছুটলো, আর্কি বিল্ডিংয়ের কাকগুলো আঁতকে উঠে উড়াল দিল, কিন্তু ততক্ষণে মজা পেয়ে গেছি। গলায় কি আসে-যায়, আনন্দই বড় কথা, প্রথম দিনেই মাথায় ঢুকে গেল। তবে এটাও বুঝে গেলাম, রিহার্সালের জায়গা পেতে ড্রামা সোসাইটির এত কষ্ট হয় কেন, ক্লাস চলার সময় এই ধরনের হল্লা করলে থানায় খবর চলে যাবে।

শুরু হলো চলা, সাথীদের অনেকেই অবশ্য কেটে পড়লো প্রথম নাটকে সুযোগ না পেয়েই। বাদ পড়ার দলে এই অধমও ছিল, চপলদা'র মত নিজেও ততদিনে বুঝে গেছি আর যাই হোক অভিনয় এই বান্দাকে দিয়ে হবেনা। কিন্তু নেশা ধরে গেছে ততদিনে, রিহার্সালে নানা রকম নিয়মকানুন, নতুন নতুন কত কায়দা, আর একদম আনকোরা ছেলেমেয়েদের সাবলীল অভিনয় দেখে মুগ্ধ হই, মানুষ কিভাবে বদলে যায় আরেকটা মানুষে! কমেডি ধরণের নাটক, নাম "সল্যুশন এক্স", মজার কোন অভাব হয় না রিহার্সালের মাঝে। বৃহস্পতি আর শুক্রবার এমনিতেই কাজকর্ম থাকে না, রিহার্সালের সময় সকাল ১০টা, কিন্তু ১১টায় গিয়েও দেখি চপলদা মুখ হাঁড়ি করে বসে আছেন আর মাসুদ ভাই গেছেন অভিনেতাদের হল থেকে ধরে আনতে, বেশিরভাগই ঘুমের মাঝে ফোন ধরে "আসছি" বলে আবার ঘুমিয়ে গেছে। সান্ত্বনা হিসেবে আমাকে দেয়া হয়েছে লাইট আর সাউন্ড নিয়ে চিন্তাভাবনা করার কাজ, অত ভাবার সময়ও নেই, ছুটির দিনটা ভাল কাটে এইজন্য রিহার্সাল কখনোই বাদ দেই না। পুরো দলে ২ জন মাত্র মেয়ে, তাদেরও সবসময় পাওয়া যায় না, কাজ কোনদিনই হিসেবমত চলে না, তারপরেও মাসুদ ভাইয়ের উৎসাহের অভাব নেই। অডিটরিয়াম বরাদ্দ পাওয়া যায় না, তিনি পেছন দিয়ে ঢোকার ১টা ব্যবস্থা করে রেখেছেন, ধরা পড়ে ২-৩ বার শোকজও খেয়েছেন, নাটকের জন্য শোকজ খাবার ঘটনা মনে হয় বুয়েটে সেই প্রথম আর সেই শেষ।দেখতে দেখতে নাটকটা কিভাবে যেন দাঁড়িয়ে যায়, শো-এর দিন মুখ গোমড়া করে লাইটম্যানের পাশে বসে আছি, সেট টানাটানি করে মেজাজ খারাপ। নাটক শুরু হতেই আস্তে আস্তে মন খারাপ কেটে যায়, রকি ভাই, রোমেল, মাসুদ ভাইয়ের কাজকারবার দেখে দর্শকদের সাথে নিজেও হাততালি দিয়ে হাত ব্যথা করে ফেলি। নাহ, কষ্টটা বৃথা যায়নি।

পরেরবারের নাটকে প্রথমবারের মত মাঠে নামার সুযোগ পেলাম, কিন্তু চরিত্র হলো জুয়াড়ির। নিজের চেহারার উপর সন্দেহ এসে গেল, শেষমেশ জুয়াখোর? সেবারের নাটকে চরিত্র অনেক বেশি, এবং বুয়েটের চরিত্র অনুযায়ী কোন রিহার্সালেই অর্ধেকের বেশি ছেলেমেয়ে থাকে না। এমনকি নাটকের দু'টো মেয়ে চরিত্রকে ছেলে বানিয়ে ফেলতে হলো, শান্তা নামের ১টা নতুন মেয়ে যোগ দিলেও পুরনো দু'জন হাওয়া, গ্রাজুয়েশন শেষ। নাটকের দিন মহা গোলমাল, যে অভিনেতা তাকেই সেট টানতে হয়, নাটক শুরু হয়ে যাবার ১০ মিনিট পরে একজন যোগ দিল স্টেজে, কিন্তু উপরওয়ালার খাস কৃপায় কিভাবে যেন এবারো পার হয়ে গেল।

ততদিনে আমরা বুঝে গেছি, এইভাবেই চলবে। সাথে তখন যোগ দিয়েছে শুভ, অয়ন, তানিম, শামা, সুমন সহ আরো কয়েকজন, মাসুদ ভাইয়ের বিদায়ের পর হাল ধরেছেন হাসিব ভাই, কিন্তু কাজকর্মের ধারায় কোন বদল হয়নি। রিহার্সালে সেই পালা করে অনুপস্থিতি, অডিটরিয়াম পাওয়া নিয়ে টানাহ্যাঁচড়া, স্থানাভাবে সেই আর্কি'র নিচতলা, যথেষ্ট পরিমাণ লোকের অভাবে নাটক কেটেছেঁটে ছোট করা। তারপরেও নাটক হয়ে যায়, শেষবেলায় প্রবল উৎসাহে কিভাবে যেন সবাই চলে আসে। এর মাঝে চলে নতুন আইডিয়া খোঁজা, শুভ আর রাজুর প্রস্তাবে ২১শে ফেব্রুয়ারিতে বুয়েটের শহীদ মিনারে একটা পথনাটক করার জন্যও মাঠে নেমে পড়ি। সময় সংকট, রাত ২টা পর্যন্ত চলে রিহার্সাল, শহীদ মিনারে আমাদের গলা ফাটানো ডায়ালগের গোলার জবাবে যখন তিতুমীর হল থেকে পাল্টা গালিগালাজের বোমা বর্ষিত হয়, আমরা সন্তুষ্ট হয়ে হলে ফিরি। সেবার "কবর" নাটকে আমাদের অভিনয় দেখে শহীদ মুনীর চৌধুরীর আত্মা যদি কিন্ঞ্চিৎ অসন্তুষ্ট হয়েও থাকেন, এই অর্বাচীনদের অকৃত্রিম আবেগ দেখে নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমা করে দিতেন।

দেখতে দেখতে আমারো শেষের সময় চলে আসে। শেষবেলায় একসাথে ৩টা নাটক করার জন্য মাঠে নামি আমরা। লোকজনের তখন আরো সংকট, কাজেই রাস্তাঘাটে বন্ধুবান্ধব পেলে তাদেরো ঘাড়ে ধরে নামিয়ে দেয়া হয় নাটক করতে। স্ক্রিনে দেখা যায় না বলেই কিনা, ব্যাচের সিনেমা বানালে তাতে চেহারা দেখানোর জন্য যট আগ্রহ, নাটকে কাজ করতে লোকজনের ততটাই অনাগ্রহ। এর মাঝেও অবাক হয়েছিলাম তাহেরা আপার একাগ্রতা দেখে, পরবর্তীতে বুয়েটের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেয়া এই সিনিয়রের সময় জ্ঞান আর একাগ্রতা দেখে আমরা রীতিমত লজ্জা পেয়ে যেতাম। টার্মের শেষদিনে নাটকের শো হয়, সেদিন গোলমাল লেগে বুয়েট বন্ধ হয়ে গেল, কিন্তু পরের টার্মেও নিয়মের ব্যতিক্রম করে তিনি হাজিরা দিয়েছেন, কমলাকান্তের জবানবন্দীতে গোয়ালিনীর চরিত্রে দেখে কখনোই মনে হয়নি, জীবনে এই কাজ ছাড়া আর কিছু তিনি করেছেন।

কমলাকান্তের জবানবন্দী দিয়েই মন্ঞ্চের সাথে শেষ যোগাযোগ। শো শেষে যখন বিদায় নিচ্ছি, আমাদেরো বিদায় ঘণ্টা বেজে গেছে বুয়েট থেকে। সবকিছু শূন্য লাগে, মনে হয় নিজের বাড়ি থেকে বিদায় নিচ্ছি। শুধু কমেডি নয়, একটা গভীর কঠিন নাটক করার আশা ছিল, হলো না। ৩ বছর ধরেই চেষ্টা ছিল একটা নাট্যোৎসব করার, সেটা হয়নি, যোগার হয়নি একটা স্থায়ী বসার জায়গাও। বের হবার পরে শুধু দৌড় আর দৌড়, কোনদিনই ডিঙ্গা ভাসানো হয়নি, স্বপ্নবাজ থেকে ইট-পাথরের দালান হয়ে গেছি অনেক আগেই। মাঝে মাঝে এর-ওর কাছ থেকে খবর পাই, কিন্তু কেন যেন আর যেতে পা সরে না, পেছন ফিরে তাকানো সবসময়ই কষ্টের। একদিন শুভর কাছ থেকে শুনি, আমরা যা পারিনি সেটা আর কেউ পেরেছে, নাট্যোৎসব হবে, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় নাট্যোৎসব, ৫-৬টা বিশ্ববিদ্যালয়ের দল আসবে। নিজেদের আমরা অকর্মা বলেছিলাম, বলেছিল অনেকেই, কিচ্ছু পারেনা তাই নাটক করে, কিন্তু এই খবর শোনার পরে মনে হচ্ছে, আসলেই হয়তো অতটা অকর্মারা নাটক করেনা, স্বপ্নের বীজ বোনা হলে কোন শক্ত হাত নিশ্চয়ই সেখান থেকে ফসল বের করে আনে। নাটক দিয়ে পৃথিবী বদলাবে না, কিন্তু বদলের সাহস যদি আসে, তা-ই বা কম কি? আমাদের ভয়কে অমূলক প্রমাণ করে নতুন ছেলেমেয়েরা আমাদের চেয়েও শক্ত হাতে হাল ধরেছে, এখনো কিছু "নিষ্কর্মা" মানুষ নিষ্প্রাণ শহরে আনন্দ ফেরি করে বেড়ায়।আনন্দের এই ফেরিওয়ালাদের জয় হোক, বেঁচে থাকুক এই সংগঠন আরো অনেক অনেকদিন, নাটক হোক সত্য ও সুন্দরের শৈল্পিক হাতিয়ার।

বুয়েট ড্রামা সোসাইটির অতীত ও বর্তমানের সকল সদস্যদের, যারা ছিল, আছে আর ভবিষ্যতে থাকবে, নাম জানা আর নাম ভুলে যাওয়া সবাইকে সশ্রদ্ধ অভিবাদন।

6.804
আপনার মূল্যায়ন: আপনি মূল্যায়ন করেন নি। গড় রেটিং: 6.8 (৫ জন মূল্যায়ন করেছেন)
শেয়ার করুন » Facebook Twitter Delicious Digg MySpace Google Orkut Blogger Google Buzz Technorati
অথবা এই সংক্ষিপ্ত লিংক শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০৯৬৪৭(১)    

শান্তা নামের নতুন মেয়েটি আমার রুমমেট ও ক্লাশমেট হওয়ার সুবাদে মাঝেমাঝে প্লিন্থে নাটকের রিহার্সেলে উকিঁঝুঁকি দিয়েছি, সল্যুশন এক্স টা দেখেছিলাম- আনন্দও পেয়েছিলাম। কিছুদিন আগেই বুয়েটে হয়ে গেলো আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় নাট্যোতসব, শান্তাকে মনে পড়ছিল- স্থাপত্য পড়াশোনার চাপে নাগরিক নাট্যাঙ্গনের সাথে কেবল একটা শো করে যার নাট্যজগতে ঘোরাফেরার সমাপ্তি।

আমাদের ক্লাশমেট সজীবকেও দেখেছিলাম একবার কোন একটা নাটকে, নাম ভুলে গেছি।

আমি কেবলই নীরব দর্শক ছিলাম!!

নস্টালজিয়া জাগানীয়া লেখা পড়ে কিঞ্চিত নস্টালজিক হলাম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০৯৬৫১(২)    
লেখকের মন্তব্য

অনেকবার চেয়েছি, কিন্তু পড়াশোনাটা শেষ করার পরে আর একবারও ফিরতে পারিনি। ঢাকা পদাতিকের ১টা বছরই ছিল শেষ। সজীব ঐ নাটকটাতেই ছিল, যেটাতে আমি জুয়াড়ী হয়েছিলাম। শান্তা মনে হয় ঐ নাটকের পরেও আরো ১টা নাটকে ছিল, ভাল অভিনয় করতো, এরপরে ব্যস্ততা বা যেকোন কারণেই হোক, আর ওকে পাওয়া যায়নি। একসময় আমরা সবাই দর্শক হয়ে গেছি, নাট্যোৎসবে গিয়েও শেষমেশ নিজেকে এলিয়েন মনে হয়েছে, বুঝলাম, অধিকার ছেড়ে দিয়ে সেটা আর ফিরিয়ে নেয়া যায় না।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০৯৬৪৮(৩)    

মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়ো ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০৯৬৫৬(৪)    
লেখকের মন্তব্য

ঐ আশাতেই বেঁচে থাকি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০৯৬৪৯(৫)    

অকপটে স্বীকার করছি যে আপনার স্মৃতিচারণ মুগ্ধ হয়ে পড়েছি। অপূর্ব সুন্দর করে অতীতকে একেবারে সামনে টেনে এনেছেন, আর

বদলের সাহস যদি আসে, তা-ই বা কম কি?

কথাটি বলেছেন যা অতীব মূল্যবান।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০৯৬৫৮(৬)    
লেখকের মন্তব্য

চেষ্টা করে দেখতে তো ক্ষতি নেই, কাউকে না কাউকে পাথর গড়ানো শুরু করতে হবে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০৯৬৫০(৭)    

আসলেই হয়তো অতটা অকর্মারা নাটক করেনা, স্বপ্নের বীজ বোনা হলে কোন শক্ত হাত নিশ্চয়ই সেখান থেকে ফসল বের করে আনে। নাটক দিয়ে পৃথিবী বদলাবে না, কিন্তু বদলের সাহস যদি আসে, তা-ই বা কম কি?

ড্রামা সোসাইটির প্রথম নাটকটা দেখেছিলাম। সুমিতও ছিলো কি ওটাতে? পরেরগুলো আর দেখা হয় নি। এই লেখাটা পড়ে খুব ভালো লাগছে। ফিল্ম সোসাইটি করার কথা মনে পড়ে গেলো। খুঁটিনাটি। স্পন্সর, প্রোজেক্টর, ভেন্যু, অডিটরিয়াম ভাড়া, স্পিকার ভাড়া করা কতোই না হুজ্জত!!!

শেয়ার দিলাম। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০৯৬৬২(৮)    
লেখকের মন্তব্য

সুমিত এরপরেও প্রায় ৩ বছর ছিল, ভাল অভিনয় করতো, একটু ভদ্র পশ চরিত্রগুলোর জন্য অটোমেটিক পছন্দ ছিল, হাহাহাহা। আমাদের স্পন্সর ছিল না, বুয়েট থেকে যা টাকা দিত ঐ দিয়ে ২ টার্ম চালাতে হতো। ঐ সাউন্ড, লাইট আর মেকআপ ভাড়া করা ছিল মহা ঝামেলা, ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো কাকে বলে এইগুলি করলে বুঝা যায়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০৯৬৬৩(৯)    

ভাষাহীন হয়ে গেলাম! নাটক দিয়ে, বিতর্ক দিয়ে পৃথিবী বদলে দেয়ার স্বপ্ন দেখার একটা ঘোরলাগা সময় ফেলে এসেছি - আজ আবার ঠিক সে দিনগুলোর সামনে নিয়ে গেলেন এক লহমায়! বর্ণনাভঙ্গীর সহজ রসবোধ লেখাটাকে অনবদ্য করে তুলেছে। অভিনন্দন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০৯৬৭২(১০)    
লেখকের মন্তব্য

পৃথিবী যে এত সহজে বদলায় না সেটা বুঝতে অনেক সময় লেগেছে, তবুও আমরা স্বপ্ন দেখি, একদিন আমরাও---

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০৯৬৬৫(১১)    

সব স্বপ্ন পূরণ হোক। আহা
লেখাটা পড়ে ভাল লাগল।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০৯৬৭৫(১২)    
লেখকের মন্তব্য

আপনার মুখে ফুলচন্দন পড়ুক। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০৯৮২৪(১৩)    

এতো জীবন্ত একটা লেখা!

জুয়াড়ি ফারহান দাউদ হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা হিঃহিঃহিঃ  হাহাহা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১০১১৭(১৪)    
লেখকের মন্তব্য

আমার চেহারা মোবারকের জন্য জীবনেও কোন ভদ্রলোকের রোল পাই নাই। :( একবার জুয়াড়ী, পরেরবার পুলিশ, এরপরে উকিল, তারপর ভিলেনের চ্যালা আর শেষ করসি গবুচন্দ্র মন্ত্রী দিয়া। :(

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০৯৯৮৮(১৫)    

কি সুন্দর করে গুছায়ে লিখছো
এমন লেখা পড়লে নিজেদের অনেক কথা মনে পড়ে যায়

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১০১১৯(১৬)    
লেখকের মন্তব্য

লিখে ফেলেন। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১০০৬১(১৭)    

আপনার স্মৃতিচারণ খুব ভালো লাগল। আমরাও আমাদের ক্যাম্পাসে এরকম কিছু একটা করার ট্রাই নিয়েছিলাম। কিছু ঝামেলায় হয়ে ওঠে নি। পোস্ট পড়ে মনে হচ্ছে আরেকবার ট্রাই করে দেখা যাক

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১০১২০(১৮)    
লেখকের মন্তব্য

বড় সমস্যাটা হয় টাকার, আর কর্তৃপক্ষের ধারণা এগুলো করা মানে বেহুদা সময় নষ্ট। তারপরেও কিভাবে যেন হয়ে যায়, চেষ্টা করে দেখুন। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১০১৯২(১৯)    

চমৎকার!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১০৩৪৪(২০)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১০৫২৬(২১)    

বড় স্মৃতিময়...........................

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১০৬০২(২২)    
লেখকের মন্তব্য

হ্যাঁ, অনেক বেশি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১০৬৩১(২৩)    

বদলে দেবার ইচ্ছে আর সাহসটাই বড়। নিষ্কর্মা কিছু সবুজ প্রাণ আছে, থাকে সবসময়, থাকে বলেই আমরা বদলের আশায় থাকি।
ভাল লাগল স্মৃতিচারণ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১১১৬২৮(২৪)    
লেখকের মন্তব্য

চেষ্টাটা থাকতে হয়, থাকতে হবে।

 

মন্তব্য করুন

এই তথ্যটি সর্বদাই গোপন রাখা হবে এবং কোন অবস্থাতেই তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
ছবি যাচাই
আপাতত: শুধু মানুষদের জন্যই আমাদের দুয়ার খোলা। পরে নাহয় রবোট, বায়োবট বা এন্ড্রয়েডদের কথা বিবেচনা করা যাবে।
1 + 4 =
এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করুন এবং সঠিক উত্তরটি উপরের ঘরে লিখুন। যেমনঃ ১+৩ এর জন্য লিখুন ৪।