সদর দরজা

বর্ষার মেঘমালা-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটি নারীচরিত্র বিহীন রোমান্টিক সন্ধ্যাকাল

তখন সন্ধ্যাকাল । শহরের ছাদে ছাদে গভীর সব বিরহ আর হাহাকার শুনে লোকজন কাতর হয়ে পড়ছে । আমিও ছাদে যাবার একটা টান অনুভব করছিলাম । আমার ছাদে যাবার সঙ্গী হিসেবে যে যুবকের আসার কথা সে এখনও আসে নাই । আমি তাই র


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চকে আঁকা রাত ( শ্যাষ অংশ )

আমরা ঐ জায়গা থেকে বের হলাম কয়টায় কে জানে । তবে রাত তখনও গভির হয় নাই , এই কথাটা সত্য । দেখলাম রাস্তায় কুয়াশা , ক্লান্ত রিক্সাওয়ালা , বিরক্তিকর ভিক্ষুক পুলিশ সবাই মোটামুটি একটা স্বাভাবিক অবস্থানে আছে ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চকে আঁকা রাত ( পার্ট ওয়ান )

আমি রাস্তায় নেমেই বুঝলাম একটা গভীর সমস্যা আছে । শহরের সব লোক কেমন করে জানি আমাকে দেখছে । আমি সাবধান হয়ে গেলাম । মাথা ঠান্ডা করলাম । আমার মাথা এমনিতে বেশ ঠান্ডা । লোকজন সিগারেট ধরাতে গিয়ে দুটা কাঢি খরচ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রেম মুছে যায় ধীরে.......

লিফটে উঠলাম । দেখলাম সে আছে । আমি রাগ হলাম । সেও কিন্চিত অস্বস্তিতে পড়ল ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মেঘ নেমে আসে , আমার হাতের কাছাকাছি

থামিয়ে দিলাম শহরের সব গতি ,
তারপর রাস্তার পাশে নীল বেগুনী হোটেলে বসলাম
আর ওখানের মেয়েটা বলল , “ তোমার ঠোঁট দুটো সুন্দর ,
বললাম , “ তোমারও , নাকি শুধু ভলাবাসাই সব ?”


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঝিঁঝিঁ পুখা (একটি উত্তরাধুনিক প্রয়াস)

আমি রিক্সা থেকে নামলাম । বললাম
- ভাড়া কত হইসেরে তোর ?
রিক্সাওয়ালা আমার বাপের বয়সী হবে । তাকে তুই করে বলা ঠিক হচ্ছে না । যেকারণেই তাকে তুই করে বলে আমি একটা আনন্দ পেলাম । সে গম্ভীর গলায় বলল


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জলভরা এক আশ্বিনে ৪

আমি টিএসসিতে পৌছালাম সন্ধ্যা ছটায় । দুনিয়ার লোক এখানে এসে জড়ো হয়েছে । রাস্তার পাড় হবার সময় প্রায় দুবার আমার গায়ের উপ্রে রিক্সা উঠে যাওয়ার মত হল । উফ ! এত লোক কেন এখানে ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঘরে আগুন লাগসে

আমার কবিতার খাতাটা ,
একদিন সাবাড় করে ফেলল একজন তেলাপোকা
আর শুকনো গোলাপ ফুল ,
অবশেষে বলল , “আকাশে মেঘ থাকার আসলে কোন অর্থ হয় না..”
ঘরের দেয়ালগুলো চাপাস্বরে হাসতে লাগল,


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জলভরা এক আশ্বিনে ৩

ঐদিন যুথীর ঘর থেকে বের হওয়ার পর আমি একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম । মনে হল বিরাট একটা সমস্যা হয়ে গেল । আমি বের হবার পর বাচ্চু ভাই আমাকে নীচু গলায় বললেন
- জিনিষ ভাল ছিল না ?
আমি খুবই স্বাভাবিক গলায় বললাম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অন্ধকার বারান্দায় বোধসমূহ

শহরে আঁধার নেমে আসে
ধীরে ,
রেশমের মত কোমল নীরবতায়
জন্মান্ধ বাঁদুড়গুলোও ভীত হয়ে যায়
অন্ধকারের এই প্রবল আয়োজন দেখে ।
সুনীল সাহেবের কবিতার মত ,
অন্ধকার হা-হা করে ।

আমি বিস্ময় নিয়ে দেখি ,


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেকদের নদী হওয়া হওয়ি

( তখন পৃথিবী নাচিতেছিল , প্রবল আবেগে..)
আমি এসে বসি লেকের ধারে
অথবা হাটতে হাটতে খাড়ায়ে যাই ,
দেখি
লেকের ধারে শুধু
নৌকা ,নৌকা আর নৌকা
আর দাড়িওয়ালা সব মাঝি ।

- এই , তোমরা নৌকা দিয়ে কি কর ?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইয়ো চেগুয়েভারা , টোমারে ডেখে আমরা বিপ্লব শিখতেশি , দাড়ি রাখতেশি , বিড়ি খাইতেশি......

গতকাল আমড়া এমন মজা করশি । কি আর বলব । হইল কি , তখন দুপুর তিনটা বাজে । আমি ভার্শিটি থেকে এইসে ঘুমাইতেশি । এমন টাইমে আমার সেলটা বাজল । আমি আমাড় নোকিয়া এন এইটটা হাতে নিয়ে ডেখি আদনানের নাম্বার । আমড়া অবশ্


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লাল বর্ষায়

শহরে বিপ্লব হল
হঠাৎ করেই ,
শহরের রাজপথ লাল
বাতাসে ক্ষোভ আর গর্জন
নেতাদের হাতে সিগারেট পুড়ছিল
তাদের চোখের অঙ্গারের মত
লাল হয়ে ।
আমি নিজেকে আবিষ্কার করি রাজপথে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জলভরা এক আশ্বিনে ২

মহাশ্বেতা মেঘের ধারে-ধারে
আকাশ আপন ইন্দ্রনীলের ঝলক পাঠায় কাকে?
ছাদে-ছাদে বাতাস ভাঙে রাঙা বৌ-এর খোঁপা
এই এলো আশ্বিন,
আমার শূন্য হলো দিন
কেন শূন্য হলো দিন?