বর্ষার মেঘমালা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

শহরে আঁধার নেমে আসে
ধীরে ,
রেশমের মত কোমল নীরবতায়
জন্মান্ধ বাঁদুড়গুলোও ভীত হয়ে যায়
অন্ধকারের এই প্রবল আয়োজন দেখে ।
সুনীল সাহেবের কবিতার মত ,
অন্ধকার হা-হা করে ।
আমি বিস্ময় নিয়ে দেখি ,
আমার মত শহরের আর সব প্রানী
আমরা কিভাবে আধারের গাম্ভীর্যের মাঝে
ডুবতে থাকি ।
অমাবস্যা দেখে
আমি নিজে নিজেই বলি ,
‘উফ , কি গভীর সব কালো....”
কে জানি বলে
শান্ত স্বরে ,
“ কাল না , এ হল গভীর এক নীল....”
আমি চমকে চমকে উঠি ,
আর কারও থাকার কথা না এখানে ,
এখানে চিরকাল একা থেকেছি আমি ,
তারপরও কারা জানি আসে ,
আমার পাশে বসে এক প্রকার অধিকার নিয়ে
আগ্রহ ভরে আমাকে দেখে ,
গভীর আঁধার প্রাণসন্চার করে
আর সব খণ্ড খন্ড অন্ধকারে ।
আমি দেয়াশলাইয়ের পরে দেয়াশলাই জ্বালাই ,
ধুয়া সাথে মিশে মিশে
বাস্তবতা সংজ্ঞা পাল্টাতে থাকে ।
আমার চারপাশে
চোখে কৌতুক আর আগ্রহ নিয়ে ,
অন্ধকারেরা বসে থাকে
আমার ইচ্ছে হয় ,
জীবনের জটিলতা নিয়ে একটা আলাপচারিতা জমাবার ...
কিন্তু কেন জানি হয় না ।
আমি আর অন্ধকার নৈঃশব্দতাকে দেখি মুগ্ধ হয়ে ,
এই অন্ধকারকে আমার বড় আপন মনে হয় ।
মন্তব্য
সুন্দর।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ।
ভালো লেগেছে।
বার-বার দিয়াশলাইয়ের কাঠি ক্ষয় না করে একটা সোডিয়াম বাতির ব্যাবস্থা কি করা যায় না?
সুন্দরের প্রতি শুভেচ্ছা।
চমৎকার! বেশ ভালো লাগলো।
বাই দ্যা ওয়ে, চোখে কৌতুক আর আগ্রহ নিয়ে , অন্ধকারেরা বসে থাকে>> এখানে চোখে কৌতুহল বলতে চেয়েছেন নাকি?
লেখকের মন্তব্য
না ভাইয়া , কৌতুকই বলতে চেয়েছি

টিউনড!
ভাল লিখছেন।
জীবনের জটিলতা থেকেই কি লেখা আসে?
জটিলতার সাথে নীরবতাও জরুরী!
না?
মন্তব্য করুন