বর্ষার মেঘমালা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

সকাল সাড়ে আটটা বাজে । আমি ধানমন্ডি আট নম্বরে লেকের ধারে বসে আছি । সারাদিন আমার আসলে কিছুই করার থাকে না ।এইরকমভাবে নানান জায়গায় বসে থাকি । ঝিম ধরে থাকি । আশেপাশের লোকজন দেখি ।সকাল সাড়ে আটটায় লেকের এখানে প্রচুর বৃদ্ধ দেখা যাচ্ছে । জীবনের শেষদিকে এসেই মানুষ বুঝে জীবন কত মুল্যবান ।তাইতো এরা সকাল সকাল উঠে পরে । ক্লান্তিহীন ভাবে , অসীম ধৈর্য নিয়ে লেকের আশেপাশে দৌড়াদৌড়ি করে আরো কয়েকটা দিন সুস্থ শরীরে বেচে থাকার জন্য । যৌবনকালে এদের অনেকেই হয়তো দুপুর বারোটা পর্যন্ত ঘুমাতো , সারাদিনই সিগারেট টানত রাতে মদ খেতো আর ভাবত এইতো জীবন ।দিস ইজ লাইফ ! এখন ফুসফুস কিডনিতে অসংখ্য সমস্যা নিয়ে তারা লেকের আশেপাশে রাতদিন জগিং করছে । মেপে মেপে খাওয়াদাওয়া করছে...আসরের নামাযও মসজিদে জামাতে পড়ছে , রাতে নাতি নাতনীকে গল্প শোনাতে শোনাতে এক পর্যায়ে ভাবছে এই তো জীবন । দিস ইজ লাইফ !! সময়ের সাথে সাথে কিভাবেই না মানুষের কাছে জীবনের সংজ্ঞা পাল্টায় ।
লেকে বসে এইসব গভীর দার্শনিক চিন্তা করছি আর সিগারেট টানছি । আমার মাথা সকালের ঘটনায় এখনো সামান্য আউলায়ে আছে । এইজাতীয় ঘটনা কিন্তু এইবারই প্রথম না । এইজাতীয় বিভ্রম , অদ্ভুত জিনিষপত্র দেখা আমার আগেও হয়েছে । তবে আগেরবার দেখার টাইমে নেশামেশা করসিলাম বা এই জাতীয় কিছু । কিন্তু এইবারের ঘটনাটা এত স্পষ্ট । তরুণীর চেহারা এখনও আমার চোখের সামনে ভাসছে । আমি খুব সম্ভবতঃ সিজোফ্রেনিক রুগী । বহুদিনের অস্বাভাবিক জীবন যাপন আমার মাথার ভেতরটা এলোমেলো করে দিয়েছে । খুব দ্রুত একজন ডাক্তারের সাথে দেখা করা দরকার । কিন্তু এখানেও সমস্যা ।সারাদিন আমার কাজকর্ম কিছু না করলেও আমার সর্বক্ষণই ক্লান্ত থাকি ।আমি একজন চরম অলস আর ফালতু মানুষ হয়ে যাচ্ছি।
-ভাই সিগারেট খাইতেসেন যে ?
আমি চোখ তুলে তাকালাম । আমার বয়সী বা আমার থেকে সামান্য বেশী বয়সের এক যুবক কোমরে হাত দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে । তার দৃষ্টি কঠোর । আমি বললাম
-জ্বী..........
-এইখানে সিগারেট খান কি জন্যে ? এইখানে সিগারেট খাওয়া নিষেধ জানেন না ?
- না জানি না । কোথাও নো স্মোকিং লাগানো আছে এরকম তো দেখি নাই ।
-আরে !! আপনে তো বেশী কথা বলেন । ভাল ভাবে কইতাসি সিগারেট ফালায়া উঠে যান.......
আমি কোন জবাব না দিয়ে চোখমুখ শক্ত করে অন্যদিকে তাকিয়ে সিগারেট টানতে লাগলাম । যুবক কিছুক্ষণ স্থির চোখে আমার দিকে তাকিয়ে থেকে “ তুই খালি খাড়া ,আমি আইতাছি “ বলে হনহন করে হেটে চলে গেল । আশেপাশের সবাই এই ঘটনাটা দেখেছে । আমি লক্ষ করলাম লোকজন দ্রুত কিছুই জানেনা এরকম ভাব করে সরে পড়ছে । আমার কাছে যে চাওয়ালা সিগারেট বেচছিল সেও দেখলাম হঠাৎই অতিরিক্ত ব্যাস্ততায় উল্টোদিকে হাটা দিল । পাচ থেকে ছয়মিনিটের মধ্যে আমার আশেপাশের একটা উল্লেখযোগ্য পরিমান জায়গা ফাকা হয়ে গেল । কিছু উৎসাহী লোকজন মুখে একটা দার্শনিক টাইপের ভাব এনে দুরে দাড়িয়ে থাকল মজা দেখার জন্য । তাদের চোখে ভয়াবহ কিছু একটা দেখার অসুস্থ আকাঙক্ষা । কি অস্বাভাবিক বাজে একটা জাতি আল্লাহপাক বানাইসেন !!
আমি নিজেও যথেষ্ট ভয় পাইতেসি । এইজাতীয় পরিস্থিতিতে আমি আগেও পড়েছি । কোনবারই ফলাফল ভাল হয় না । আর আগে যখন পড়েছি তখন আমার দিনকাল একরকম ছিল , আর এখন আমার দিনকাল আরেকরকম । তারপরও আমি এখানে গ্যাট হয়ে বসে রইলাম । ঘাড়ত্যাতামী করা আমার বহু পুরান স্বভাব । এই স্বভাবের জন্যই আমি জীবনে অনেককিছুই করতে পারি নাই ।
-আপনি তো মনে হয় ভাল ঝামেলায় পড়ে গেলেন ।
আমি চমকে উঠলাম । পাশে ফিরে দেখি কটকটা লাল রঙের পান্জাবী পরা এক দীর্ঘদেহী লোক বসে আছে । লোকটার চুল দাড়ি বিশাল লম্বা । ধবধবে সাদা । গলায় রুদ্রাক্ষের মালা । আমার স্পষ্ট খেয়াল আছে আমার চারপাশে কেউ ছিল না । আর এরকম একটা ক্যারেকটার আশেপাশে থাকলে খেয়াল করব না তা হয় না ।
আবার কি শুরু হইল এটা??
আমি ভীত গলায় বললাম
-আপনি কে ? কোত্থেকে আসলেন আপনি ?
-আরে আমাকে চিনেন নাই ? আমি হইলাম গিয়ে আপনার দয়াল গুরু ....
-কে ?
- দয়াল গুরু । সবাই ছাইড়া চলে গেলেও আমি আপনার পাশে থাকি ।
-ভাই আমি আপনার কথাবার্তা কিছুই বুঝতে পারছি না । আমি খুবই কনফিউজড বোধ করছি ।
-বাবারে সব কিছু বোঝা গেলে কি আর হয় । ভাবের দুনিয়ার ব্যপার স্যাপার খালি অবাক হয়ে দেখবা ....দেখার ভিতরেই আনন্দ । বুঝার আসলে তেমন কিছু নাই ।.....
আমি বিস্ময় নিয়ে লোকটাকে দেখছি ।লোকটার চোখে কৌতুক ঝিকমিক করছে । আমি হঠাৎ করেই লক্ষ করলাম লোকটার চেহারার সাথে আমার আব্বার চেহারার অদ্ভুত মিল আছে । তবে আমার আব্বা কঠোর টাইপের মানুষ ছিলেন । গানবাজনা সহ্য করতে পারতেন না ।এই লোকের বেলায় উল্টো বলে মনে হচ্ছে । তার বেশভুষা অনেকটা বাউল সাধক টাইপের ।
-আপনাকে ভাল একটা উপদেশ দেই । এখান থেকে উঠেন ।তারপর সোজা একটা দৌড় দেন । মেইনরোড না পৌছানো পর্যন্ত থামবেন না ।
-চুপচাপ থাকেন । বেশী কথা বলবেন না ।
-ঐদিকে তাকায়া দেখেন , এরা কিন্তু চলে আসছে ।
আমি তাকালাম । সেই যুবককে দেখা যাচ্ছে । তার পিছনে দশবারোজনের একটা দল । আমি পা দোলাতে দোলাতে আরেকটা সিগারেট ধরালাম । এখন প্রচুর অভিনয় করতে হবে । ভয় না পাওয়ার অভিনয় করা একটা কষ্টকর ব্যাপার ।
দলটা আমার সামনে এসে থামল । দলের অগ্রভাগের সেই যুবক আমার দিকে হাত উচায়ে বলল ,” এই যে ,এই পোলা....” । মাথায় ক্যাপ পড়া চিকনা বেটে টাইপের একজন আমার পাশে বসতে বসতে বলল , “ কি ভাইয়া , আপনার সমস্যা কি ?”
আমি কোন উত্তর না দিয়ে সিগারেট টান দিলাম । একজন খপ করে আমার হাত থেকে সিগারেট কেড়ে নিল । এই কাজটা করতে গিয়ে সে নিজের হাত পুড়ায়ে ফেলল । এতক্ষন ধরে লক্ষ্য করছিলাম দলের মধ্যে মোটামুটি বয়স্ক একজন লোক তীক্ষ দৃষ্টিতে আমাকে লক্ষ্য করছে । এবার তিনি সামনে এগিয়ে এলেন । সামনে এগিয়ে আসার ভঙ্গি থেকে বুঝলাম সেই দলের নেতা ।
-কে ? মোর্শেদ না ?
আমি বললাম
-জ্বি । আপনাকে তো চিনি নাই ।
-আমারে চেন নাই ! কি কও মিঞা । আমি সাদেক । তোমাগো সাদেক ভাই ।
দলের অন্যদের মাঝে ‘লক’ খাওয়া টাইপের এটিচুড দেখা গেল । সবচেয়ে বেশি লক খেয়েছে সেই যুবক ।আমি অবশ্য এখনো এনাকে চিনতে পারি নাই । আমি বললাম
-সরি ভাই । আমি এখনো আপনাকে চিনতে পারি নাই ।আপনে কোন সাদেকভাই একটু বুঝায়া বলেন তো.....
-কোন সাদেক ভাই মানে? এই পোলা বলে কি ......তুমার মাথা কি পুরাই নষ্ট হয়ে গেছে ?
কথাবার্তার ভঙ্গি থেকেই এবার আমি ইনাকে চিনলাম । সাদেক ভাই আমাদের ইউনিভার্সিটির বড় ভাই । ইউনিভার্সিটিতে আমি যেসব আকাম কুকাম করতাম সেসবের ব্যাকাপ ছিলেন সাদেক ভাই । ওনার সাথে আমার প্রায় একবছরের উপর কোন যোগাযোগ নাই ।উনি যে ধানমন্ডির এদিকে প্রায় জমিয়ে বসেছেন সেই কথা মনে ছিল না ।
আমি মিষ্টি করে হেসে বললাম
-চিনছি । এইবার চিনছি ।আপনে ভালো আছেন তো ?
সাদেক ভাইয়ের সাংগ পাংগরা দিশেহারা ভংগিতে এদিক ওদিক তাকাচ্ছে । সকালের যুবক আর ক্যাপ পড়া বাইট্টা মনে হচ্ছে কেঁদে ফেলবে ।সাদেক ভাই ঝারি দেয়ার মত করে বললেন
-ঐ তোরা কারে ধরস ? এইটাতো আমার আপনা লোক । তোগোরে আমি মোর্শেদের কথা কই নাই ? এইটা সেই মোর্শেদ ।
দলের মধ্যে বাচ্চা মত এক ছেলে মুগ্ধ গলায় বলল
- আপনি সেই মোর্শেদ ??
আমি সামান্য বিচলিত হলাম । আমি সেই মোর্শেদ এই কথার অর্থ কি ? সাদেক ভাই তার স্বভাবমতো নিশ্চয় আমাকে নিয়ে কোন একটা আষাঢ়ে গল্প ফেদেছেন ।সাদেক ভাই বললেন
-এই ফাহিম এইদিকে আয় ।........ এইগুলা সব আমার ছোট ভাই বুঝলা মোর্শেদ । এর নাম হল ফাহিম ।
আমি ফাইমের দিকে তাকালাম ।সকালের যুবকের নাম ফাহিম । সে এখন বোকার মত হাসছে । আমিও বিপদ থেকে অনাকাংক্ষিত ভাবে উদ্ধার পাওয়ায় বোকার মত হাসছি । বোকা বোকা হাসির মধ্য দিয়েই আমরা হ্যান্ডশেক করলাম । হ্যান্ডশেক , ‘ভাই বুঝি নাই’ ....এইসব বালছাল শেষ হওয়ার পর ঐ জায়গা ফাকা হয়ে গেল । সাদেক ভাই খালি বসে রইলেন । একসময় গভীর আবেগ নিয়ে বললেন
- তোমার অবস্থা কি মোর্শেদ ? যোগাযোগ রাখলা কেন ? আমার উপরে রাগ আছে নাকি এখনো ?
- ছিঃ ভাই কি যে কন । আপনার উপরে রাগ থাকবে কি জন্য । ঐ ঘটনার পর থেকে আমি খালি ঘুরতেসি । গত এক বছরে আমি পুরা ঢাকা শহরে ঘোরাঘুরি করছি ।
- এখন কই থাকতেস ?
- এখন আমি ধানমন্ডিতে আছি....
- ধানমন্ডি !!! আররে মিঞা তুমি আমার এলাকায় থাকতেস আর আমি জানি না....একটা কথা হইল নাকী । তুমি আমারে একবার জানাইলাও না ।
- ভাই মোবাইল টোবাইলও নাই । এম্নেতেও আমার কারও সাথে যোগাযোগ নাই ।
- মোবাইল নাই মানে ....আমি আট দশটা সেট নিয়া ঘুরতাসি আর আমার ছোট ভাইয়ের মোবাইল থাকব না । তুমি এই নাও
বলাই তিনি পকেট থেকে মোবাইল বের করলেন । সিম কার্ড শুদ্ধ আমার হাতে গুজে দিলেন
-...না না কোন কথা নাই । নিতেই হইব । তুমি মোবাইলের করণে আমার সাথে যোগাযোগ কর না এই কথা শোনার পর আমি বইসা থাকব । ভয় নাই । এইটা ঠেকের সেট না । এইসব এখন করি না । আমি কন্ট্রাক্টারীর বিজনেস করতেসি । আর সেইটার লগে পলিটিক্স ......
-পলিটিক্স কি এখনও করেন ।
-এখনও করি মানে ? পলিটিক্স কি ছাড়া যায় নাকী ? সারাজীবনই করব ।
আমি চুপ । সাদেক ভাইও চুপ । তিনি সিগারেট ধরালেন । আমাকে একটা দিয়ে বললেন “আরে খা ব্যাটা ...সমস্যা নাই” । তারপর ইতস্তত করে বললেন
-ইয়ে.... তোমার ঐ সমস্যাটা কী কমছে ?
- কোন সমস্যাটা ?
-এইযে কিসব জানি দেখতা তুমি......মাথায় ব্যাথা হইত....
-ভাই কি বলছেন , বুঝতাসি না.....
সাদেক ভাই কিছু একটা বলতে গিয়ে থেমে গেলেন । তারপর হতাশ আর মায়াভরা চোখে আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন । আমি ব্যাপারটা কিছু বুঝলাম না । ইদানীং অধিকাংশ ব্যাপারই আমি বুঝি না । সাদেক উঠে দাড়াতে দাড়াতে বললেন
-তুমি থাকতেস কোথায় ?
- চার নাম্বারে...
-ও আইচ্ছা.....শোন রাতের দিকে চলে আসবা এই আট নাম্বারে । এলাকার সবার আড্ডা দেয় । সবার লগে পরিচিত হবা । একা একা পাগলের মত ঘুরলে আর গান্জা টানলে কি আর চলবে ? সবার লগে মিলেমিশে থাকবা , ভাল থাকবা ...আর চাকরি বাকরি তো কিছু করতেস না .....মনে হয় । সমস্যা নাই আমার লগে থাইক , একটা লাইন করে দিব ।
সাদেক ভাই বিদায় নিলেন । এই লোকটা একটা সোজা হিসেবে খারাপ লোক । প্রচুর অন্যায় সে করেছে । আমি শুনেছি ইউনিভার্সিটির একটা ছাত্রহত্যার সাথেও সে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত । চাতুর্য আর লিংকাপের কারণে তিনি বরাবরই নিজেকে রক্ষা করে চলেছেন । অথচ আমার জন্য তার যে আবেগ তাতে কিন্তু কোন খাদ নেই । সাদেক ভাই টাইপের লোক আমি বেশ কিছু দেখেছি । এরা নিজেদের আবেগ প্রকাশ করে খুবই আয়োজন করে । যে মানুষ অন্যকে ভালবাসতে পারে , নিঃস্বার্থ ভাবে উপকার করতে পারে সেই কিভাবে যে ভয়াবহ সব অপরাধ করে আমি ভেবে পাই না । মানুষের সমীকরণটা আসলেই জটিল ।
-বাইচা গেলেন এইবার
আমি হতাশ চোখে তাকালাম । লাল পান্জাবি পরা লোকটা আবার এসেছে । এইবার ব্যপারটা বুঝতে পারছি । এইটা স্পষ্টতই সিজোফ্রেনিয়া । সাদেক একটা বাস্তব চরিত্র । সে চলে যাওয়া মাত্রই আমার মস্তিষ্ক একটা কাল্পনিক চরিত্র হাজির করেছে আমাকে সঙ্গ দেয়ার জন্য । হেলাফেলা না করে চিকিৎসা করানো দরকার । না হলে একসময় বাস্তব আর অবাস্তবের সীমারেখা আমি হয়তো হারায়ে ফেলব । সেটাও অবশ্য একটা অভিজ্ঞতা হবে ।
আমি লাল পান্জাবীর দিকে তাকিয়ে বললাম
- হ্যা ভাই বাইচা গেলাম , বাপ মার দোয়া ছিল মনে হয় ।
লাল পান্জাবি কি কারনে জানি আমার কথায় খুব মজা পেল । সে হো হো করে হাসতে লাগল । লেকের পানিতে রোদ পরে সোনালী আলো ঝলমল করতে লাগল ।
। চলব ।
মন্তব্য
জীবনের শেষদিকে এসেই মানুষ বুঝে জীবন কত মুল্যবান ।তাইতো এরা সকাল সকাল উঠে পরে
মজা পাইলাম
লেখকের মন্তব্য
পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে ।
লেখাটা খুব ভাল লাগলো। লেখটা অনেক সাবলীল।আপনি কি হুমায়্ন আহমেদ খুব পড়তেন?
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আপনাকে । হুমায়ুন সাহিত্য কম পড়ি নাই । লেখার ভিতরে হালকা ছায়া চলে আসা বিচিত্র নয় :ডি :ডি
ছায়া আসলে সমস্যআ নেই। হুমায়নের লেখার ভাল দিকটি আপনার লেখার মধ্য আছে যেটা ভাল লেগেছে।
পড়তে বেশ লাগছে। পুরোটা না পড়ে বুঝতে পারছি না, আসলেই গাঁজা নাকি ভেজাল কিছু!
বড় প্লট মনে হচ্ছে, বিস্তৃতি ঘটবে হয়তো আরো অনেক দূর!! ঠিক আছে, সঙ্গে আছি, চালিয়ে যান।
সত্যিই আমি খুব আশ্চর্য হয়েছি। কোথায় যেন একটা বিস্ময়কর স্বচ্ছতা, একটা বিরল সততা রয়েছে আপনার আঙুলে! অনেক অনেক অনেক অভিনন্দন।
মন্তব্য করুন