বর্ষার মেঘমালা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

থামিয়ে দিলাম শহরের সব গতি ,
তারপর রাস্তার পাশে নীল বেগুনী হোটেলে বসলাম
আর ওখানের মেয়েটা বলল , “ তোমার ঠোঁট দুটো সুন্দর ,
বললাম , “ তোমারও , নাকি শুধু ভলাবাসাই সব ?”
আর আমি ক্লান্ত জিরাফ হয়ে ফিরলাম
রাস্তায় , ঘুমন্ত কাকের বাসার কাছাকাছি ।
তখন আমার দিকে নদী এগিয়ে এল
মেঘ আর কুয়াশাও নেমে এল
আমার নিজস্ব বিস্ময়ের সঙ্গী হতে ,
যেভাবে বাধ্য হয়ে শহরের বিরক্ত দালানগুলো হয়
আর অর্ধেক চাঁদ এঁকে সেও চলে যায় -
বৃষ্টি আর গোলাপী বর্ণের আশ্বাস দিয়ে ।
টুং টাং শব্দে পরাবাস্তবতার কমলা বাদামী জাল ছিড়ে
একটা রিক্সা চলে গেল ,
খালি রিক্সা থেকেও কে জানি ঘুরে তাকাল
বলল , “ আপনাকে চেনা চেনা লাগে ...”
আমি দৌড়াতে দৌড়াতে বাসায় এলাম
পথে দুজন লোকের বুকে গোপনে ছুড়িকাঘাত করে
আর কয়েকটা জোনাকী পোকাকে বিস্মিত করে ।
তারপর মেঘ নেমে এল আমার হাতের কছে
আমি ছুঁয়ে দেখি ,
প্রতিটা পূর্নিমা কত স্মৃতি রেখে গেছে
কত প্রেমিক কত অশ্রু রেখে গেছে
ওর কাছে ,
আমি বললাম , “ হে মেঘ ,
কেমন আছেন আপনি ?”
সে জবাব দিল না ,
রক্তাক্ত মেঘেরা কথা বলে না -
আমি ভুলে গিয়েছিলাম আবেগের বশে ।
তারপর মেঘ নেমে আসে আমাদের শহরের কাছাকাছি ,
আর শীত শীত ভাব নিয়ে আমরা উষ্ণতার জন্যে
বারুদ আর রক্ত খুঁজে বেড়াই ,
আমরা অরণ্যে বেঁচে থাকার জন্যেই পশু হয়ে গেলাম
আমরা শিরশির করে কেঁপে উঠলাম
আর তারপরে অহংকার ভুলে ,
অনেকদিন পর হাত বাড়িয়ে দেখি
মেঘ আর কুয়াশা একসাথে নেমে আসে
আমাদের হাতের কাছে ।
মন্তব্য
চমৎকার লাগল লাইনটা!
---
আপনার লেখাটেখায় ইদানিং জিরাফ আসছে খুব, ব্যাপারস্যাপার কি?
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ পড়ার জন্যে ব্রাদার । জিরাফরা ইদানীং আমারে বেশ ডিস্টার্ব দিচ্ছে , এজন্যেই মনে হয়

জিরাফ পালা শুরু কইরা দ্যান!
অসম্ভব ভালো লাগলো কবিতা
লেখকের মন্তব্য
বেশ লাগলো। তবে মাঝে মাঝে বানান-বিভ্রাটে একটু হোঁচট খেয়েছি।
ভালো লাগা প্রকাশের যুতসই ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। এক শব্দে যদি বলি, চমৎকার।
মেঘ আর কুয়াশা একসাথে নেমে আসে
আমাদের হাতের কাছে ।
খুব খুব ভালো লাগলো।
ভালো থাকুন।
হুমমম
আমি বললাম , “ হে মেঘ ,
কেমন আছেন আপনি ?”
সে জবাব দিল না ,
রক্তাক্ত মেঘেরা কথা বলে না -
আমি ভুলে গিয়েছিলাম আবেগের বশে ।
আরেকবার পড়তে ইচ্ছে করছে কবিতা টা!
জলভরা এক আশ্বিন ৪" কবে লিখবেন!
খুব পড়তে ইচ্ছে হচ্ছে!
খুব জানতে ইচ্ছে হচ্ছে!
মন্তব্য করুন