মেঘ অদিতি-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

ব্যানার তৈরীর সখ যাদের তাদের জন্য এই পোস্ট।
চতুর্মাত্রিকের ব্যানারের মাপ হচ্ছে ৯৯৯ পিক্সেল এবং প্রস্থে ১৫০ পিক্সেল। ২৪০ রেজ্যুলুশনে ডকুমেন্ট সাইজ হবে ৪.১৬৩ ইঞ্চি এবং ০.৬২৫ ইঞ্চি।
এবার তবে দেখা যাক ধাপগুলো-
১. ফটোশপে মাপ মতো ব্যানারের ডকুমেন্ট নিয়ে দু রঙের গ্র্যাডিয়েন্ট ব্যবহার করুন।

২. খেয়াল করুন ক্লাউড নামের একটি ইমেজ এখানে ব্যবহার করা হয়েছে।

এর কাছাকাছি একটি ইমেজ ওপেন করে এতে ফিল্টার থেকে ফিল্টার > আর্টিস্টিক> ড্রাই ব্রাশ ইফেক্ট দিন।
এবারে ইমেজটি দেখতে এ ধরণের হবে।

৩. এবারে এই ইমেজ থেকে কিছু অংশ আমরা আমাদের ব্যানার ডকুমেন্টে ব্যবহার করব। টুলবক্স থেকে ইমেজ সিলেকশনের জন্য ল্যাসো টুল নিন।
৪. খেয়াল রাখতে হবে যে ইমেজের অংশবিশেষ ডকুমেন্টে ব্যবহার করার জন্য সিলেকশন এমন হতে হবে যাতে তা নতুন ডকুমেন্টে নিয়ে এলে তার ধারগুলো ব্লার হয়ে যায়। এটি করার জন্য ল্যাসো টুল নির্বাচনের পর ফিদার অপশনে গিয়ে তা শূন্য থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়িয়ে দিতে হবে। এখানে ২০ ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাই ডিফল্ট এর মান ০ থাকে।
৫. এবার ইমেজের কিছু অংশ নির্বাচন করুন এবং তা মুভ টুল দিয়ে ড্রাগ করে ব্যানার ডকুমেন্টে নিয়ে প্লেস করুন। এভাবে তিনবারে তিনটে লেয়ারে আমরা তিনবারে কিছু মেঘ ব্যানারে বসাবো।


৬. আরও একটি ইমেজ ওয়াটার ড্রপ থেকেও ফিদার বাড়িয়ে কিছু অংশ এই ব্যানার ইমেজে এনে দুটো আলাদা লেয়ারে বসানো হয়েছে এবং লেয়ার ব্লেন্ডিং অপশনে এই দুটো লেয়ারই কালার বার্ণ করে দেওয়া হয়েছে।

৭. এবারে আমরা টেক্সট বসাবো। বাংলায় চতুর্মাত্রিক লিখে নিন। টেক্টট লেয়ারে ডাবল ক্লিক করে লেয়ার ইফেক্ট এ ড্রপ শ্যাডো, আউটার গ্লো, বেভেল এন্ড এমবোস, কালার ওভারলে, স্ট্রোক অপশন ব্যবহার করে ছবির মতো ইফেক্ট আনবার চেষ্টা করুন।


৮. অদ্ভুত সব জোনাক পোকার ক্ষেত্রেও টেক্সট এ ড্রপ শ্যাডো ব্যবহার করা হয়েছে।


মন্তব্য
মারহাবা!!
দারুন---
এডার সাথে আরেকটা লিংক দেই, সোজা কাজ দিছে, আমার হাতেখড়ি আরকি---
ভাঙ্গা পেন্সিল এর পোষ্টের লিংক, ব্যানার টিউটোরিয়াল
লেখকের মন্তব্য
হুম, ভালো লিঙ্ক এটা।
নিশ্চয় কাজের পোস্ট

গোপন খবর কয়দিন পর আমিও তাক লাগায় দিবো
লেখকের মন্তব্য
কী মজা, জলও ব্যানার বানাবে
ধুন্ধুমার ব্যাপার!
লেখকের মন্তব্য
আমি পোস্ট দিয়েই লগ আউট করেছিলাম বেশ আগে কিন্ত জেগে থাকা লিস্টে আমাকে দেখিয়েই যাচ্ছে দেখছি-- ফের লগইন করে দেখি ধুন্দুমার মন্তব্য। কিন্তু আমি তো কিছু করিনাই ভ্রাতা!!
এবার ধুন্ধুমার লেগে যাবে ব্যানার বানাতে! কেমন উৎসব-উৎসব আমেজ হবে। সবাই বানাবে, চেষ্টা করবে। এই রকম দারুণ পরিবেশ বানিয়ে দিয়ে আপনি কিছু করেননি সেটা কীভাবে বলা যায়!!
লেখকের মন্তব্য
লাগুক দোলা। মাভৈঃ!!
মাভৈঃ!!
লেখকের মন্তব্য
দারুণ!
ওরে কত কিছু। এ কাজ করতেও তো মনে হচ্ছে থ্রি ইয়ারস এক্সপিরিয়ান্স লাগবে।
লেখকের মন্তব্য
হুমম--
কী করন যায় তাইলে
আমার পিসিতে ফটোশপ নেই।
লেখকের মন্তব্য
এই মেয়েটা, শিখতে ইচ্ছা করে কী? যদি করে তাহলে, হার্ডডিস্ক ব্যাক আপে দেখুন ফটোশপ ৫ হলেও আছে। আমি কিন্তু সিএস ভার্সন ছাড়াই ব্যানার বানাই, খুব একটা খারাপ হয়না।
আমার খুব শখ ছিল - ব্যানার বানাবো। জ্ঞানের অভাবে সেই সখ অপূর্ণ মনে হইতো এবার মনে হয় কিছু একটা হইবো।ধন্যবাদ মেঘ আশা করি নিয়মিত এ ধরনের টেকি সাহায্য করবেন।
লেখকের মন্তব্য
এখনও করতে গেলে কিছু সমস্যা আসবে, যেগুলো এই পোস্টে আবার প্রশ্ন রাখলে সমাধান গুলোও আমি দেবার চেষ্টা করব।। দুটো কি তিনটে ইমেজ ব্লেন্ড করে সাধারণত আমি ব্যানার গুলো করি, আপনারা চেষ্টা করে দেখুন, এমনিতে খুব সোজা। ল্যাসো টুলের ব্যবহার, লেয়ার ইফেক্ট, লেয়ার মোড, দু একটা ফিল্টার আর টেক্সট এই তো, এগুলো একটু খেয়াল করুন।
শুভ কামনা জাভেদ।
এইগুলা ধৈর্য্য সহকারে করতে হয়!!এত ধৈর্য্য নাইক্কা
লেখকের মন্তব্য
চমৎকার হৈসে!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ নির্ঝর কিংবা নিনি।
আপা আসসালামুআলাইকুম
... ঈদ মুবারাক .....
ফটোশপের ভাল টিউটোরিয়াল দরকার ... এর পরে আরো কিছু ভালো টিউটোরিয়াল দেন .... যেমন আইকন-টাইকন বানানো .....
ফটোশপ শিখলেন কিভাবে ? আমি তো কিছুই করতে পারতেছি না ... ( অপশনই বুঝি না
)
লেখকের মন্তব্য
ঈদ মুবারক শুভ!! ফটোশপ শিখছি মানে আমার প্রফেশনই এই মানে গ্রাফিক ডিজাইনার আমি।
লাইক্সসসসসসসসসস।
লেখকের মন্তব্য
একু থ্যাংকসসসসসসসসসসস।
হে হে
করে দেখে বলছি

লেখকের মন্তব্য
কই, সেটা দেখলাম না তো কতটা কেমন হলো!!!
ব্যাপক জ্ঞান লাভ করলাম !
যদি ব্যানারের বানানো ব ও জানি না আমি
লেখকের মন্তব্য
সব জানবার দরকার কী!সবাই সব জানলে তাইলে আমি কী করব!!
দারুণ দারুণ! এই পোস্টের অপেক্ষায়ই ছিলো জাতি!
বস, আপনি উপকার করলেন। ল্যাসো টুল না শিখেই ব্যানার বানাইতাম এতোদিন, ধৃষ্টতা! আজকে শিখে ফেললাম। এর পরের বেশ কয়েকটা এই টুল মকশো করে করে বানাবো।
নিজে নিজে শিখি তো, অনেক বেশি 'টেকনিক্যালিটি' শিখতে পারি না একবারে। এভাবে এক একটা টুল শিখলে খুব সুবিধা। কলম্বাসের মতো মজা লাগে, নতুন ভূখণ্ড আবিষ্কারের মজা। অসুবিধা হলো, অনেক সময় আমেরিকা দেখে ওয়েস্ট ইন্ডিজ মনে করি। অর্থাৎ কোনো টুলের সঠিক ব্যবহার না করে ভুল বা উল্টাপাল্টা ব্যবহার করে ফেলি।
সেদিন লেয়ারের উপরে ট্রান্সপারেন্ট লেয়ার বানিয়ে কোনো জায়গা কালো, কোনো জায়গা ফরসা করা, কোনো জায়গার স্যাচুরেশন কমানো বাড়ানো - এগুলো শিখলাম। কয়েকদিন হয়তো সেগুলোর চেষ্টাও চলবে!
এরকম একটা বা দুইটা টুলের নানা রকম ইউজ শিখানোর মতো করে পোস্ট দিতে থাকেন। আপনারও ঝালাই, আমাদেরও বিরাট শিক্ষা!
ইশ, ছেলেপিলে কমেন্ট করতেও শিখেনাই
কি শিখলেন, সেডা জানাইলেই হবে?
কিরাম করে, সেডা কৈতএ হবেনা?
এডা আম্মো শিখুম!
লেখকের মন্তব্য
এই কমেন্ট পইড়া আমি আবার লগাইলাম....
লেখকের মন্তব্য
ল্যাসো টুল দিয়ে কাজ করতে দারুণ লাগে তো। ফিদার বাড়িয়ে কমিয়ে এজগুলোর সাথে মিশিয়ে দেওয়ার টেকনিক টা ভালো।
অনীক, ট্রান্সপারেন্ট লেয়ার নিয়ে কাজ মানে আপনি কি এডজাস্টমেন্ট লেয়ার নিয়ে কাজ করেছেন?
খায়া কাম নাই তো! এগুলা পোস্টে ম্যালা খাটাখাটনি। এখন খুদাপেজ। শুভরাত্রি।
না। যে কোন ছবি বা ফাইল খুলে তার উপরে এমনি এমনি একটা লেয়ার বানাই। সেটার ভেতরে তো কিছু থাকে না, তাই ট্রান্সপারেন্ট বলতেছি। তারপর সেই নিউ লেয়ারটা সিলেক্ট করে, নিচের সাদাকালো গোল্লা থেকে ব্রাইটনেস/কন্ট্রাস্ট অপশনটা সিলেক্ট করি। এই লেয়ারটা ১ম লেয়ারের মাস্ক হিসেবে কাজ করে। এরপরে এটার উপরে ঘষামাজা করা যায় সহজেই। কিছু জায়গা আলো বাড়ালাম, কিছু জায়গা কনট্রাস্ট ঠিক করলাম। কিছু জায়গা ঝলসায় দিলাম, কিছু জায়গা ঢেকে-- এই আর কি।
সুবিধা লাগছে যে আসল ছবির কিছু করা হলো না, কোন লেয়ার দরকার না হলে সরাসরি সেটাকে ডিলিট করে দেয়া যাইতেছে। যে যে জায়গাগুলো এডিট করছি, সেটাকেও চেক করতে পারতেছি ব্রাশের মোড: স্ক্রিন (ডিফল্ট: নরমাল থাকে) করে দিয়ে।
ছবিটা আলাদা উইন্ডোতে খুললে পরিষ্কার বুঝা যাবে।
লেয়ার মাস্ক!! ভয় লাগে!! বুঝিনা, বুঝতে চাই-----
নাহ থাক নাহয়, আমি আর নাই---
(বাহ, ছন্দ মিলছে তো!!)
আরেহ! ভয় লাগার কি আছে! আপনেরে সেইদিন যে গ্র্যাডিয়েন্টের একটা কাজের কথা কৈতে গেসলাম, সেইখানেও লেয়ার মাস্ক ছাড়া উপায় নাই।
লেখকের মন্তব্য
এই ফাঁকা লেয়ারগুলো নিয়ে যখন আমরা কাজ করি সেগুলোকেই এডজাস্টমেন্ট লেয়ার বলা হয়। সুবিধা এই, মেনুবারের ইমেজ এডজাস্টমেন্ট করলে পুরো ছবির ওপর তার প্রভাব পড়ে। আর এগুলো নিয়ে কাজ করলে সেগুলোর লেয়ার কে আমরা কম বেশী করতে পারি, প্রয়োজনে ডিলিট করতে পারি। আবার আমার কাছে এই লেয়ারের অসুবিধা যেটা লাগে, যে লেয়ারের ইমেজ এ এর প্রভাব দেখতে চাই, সেটা হয় কিন্তু আন্ডারনিথ লেয়ারগুলো সবই এই এডজাস্টমেন্টের অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রভাবদুষ্ট হয়ে পড়ে।
বিলাই, ভয় লাগলে চলব ক্যামনে! আমি তো ভাবতেছিলাম থিওরীগুলা নিয়া কচকচানীর সুযোগ পাইলাম একটু।
পোস্টটি প্রিয়তে যুক্ত হয়েছে
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ হে কবি। আপনিও কি ফটোশপ নিয়ে ঘাটাঘাটি করেন?
মাঝে মাঝে !! একসময় একটা ব্লগে রেগুলার মাসিক ইবুক করতাম তখন ইবুকের প্রচ্ছদ করতে হত !!
এখনও মাঝেমঝে ছবিতে কাজ করি-- আপনার পোষ্ট আমার কাজে লাগবে
ধন্যবাদ আপনাকে
লেখকের মন্তব্য
আপনার ইমেল আইডি টা জানাবেন পারলে, ইবুক তৈরী বিষয়ে আমার কিছু প্রশ্ন আছে। অথবা যদি এ বিষয়ে কিছু টিউটোরিয়াল পোস্ট করেন তবে উপকার হত। আমরা যে যা পারি যদি বন্ধুদের কাজে লাগে মন্দ কি!!
আরে এ পোষ্টটি আগে চোখে পড়ে নি কেনো??? পড়লে নিজে নিজে এই যে কয়েকদিন ধরে ফটোশপের কাজে হাতেখড়ি দেওয়ার চেষ্টায় আছি তাতে অনেক লাভ হতো। এ পোষ্ট না দেখে আমার মতো একজন গ্রাফিক্সের ক-খ না জানা মানুষের ব্যানার করার চেষ্টা অপরাধসমতুল্য। সে অনপরাধটুকু ইতিমধ্যে করে ফেলেছি। ৩টি ব্যনার তৈরির চেষ্টা করেছি এবং তা আপলোডও করে দিয়েছি। তবে এ কাজে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে আপনার সুন্দর সব ব্যানার যেগুলো দেখে ব্যানার তৈরির বাসনা এ মনে বাসা বেঁধেছে। ফটোশপে কাজ করার পুর্বভিজ্ঞতা না থাকায় এ কাজে বেশ ধকল গিয়েছে।
আশা করে এ রকম আরও পোষ্ট আপনার কাছ থেকে পাব যা থেকে আমাদের মতো শিক্ষানবীশ যারা নিজে নিজে শিখতে চেষ্টা করছে তাদের অনেক উপকার হবে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা পোষ্টের জন্য।
আর আমার ব্যানারগুলো দেখে আপনার মতামত দিলে ভালো হতো। আপনার মতো একজন প্রফেশনালের কাছ থেকে উপদেশ পেলে নিজের কাজে কিছুটা হলেও ম্যাচুউরিটি আনতে পারপব।
লেখকের মন্তব্য
আপনার ব্যানার তো ভালো হয়েছে।
অনীকও এ বিষয়ে আগে একটা পোস্ট দিয়েছে। দেখে নেবেন।
ফটোশপ নিয়ে পোস্ট দিতে আমার ভালোই লাগে কিন্তু সমস্যা হলো ঠিক আগ্রহটা বুঝে উঠতে পারি না। যদি গুটিকয় ব্লগারও সত্যিকারের অংশগ্রহণ করেন তাহলেও আমি পোস্ট দিতে পারি। শুভেচ্ছা।
আয় হায়! এত্ত অপশন আছে? আমি তো এতদিন Microsoft paint, Microsoft photo editor, MS Word, Microsoft office picture manager - এইগুলা দিয়ে কাজ করতে করতে মাথার কয়টা চুলকে যে অকালে শহীদ কইরা দিসি! চোখের উপরও অতাচার কম হয় নাই! ব্লার করার জন্য ৮০০% জুম করে, ডট বাই ডট কালার চেঞ্জ করসি!!! বোঝেন হ্যাপা!
ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন থ্যাঙ্কু, মেঘাপু!
লেখকের মন্তব্য
কাজে লাগলো এইটাই ভালো লাগা শব্দপুঞ্জ।
এত্ত সব ঝামেলা এরা করে কখন? আমি ভুলেও এ পথে পা বাড়াবো না! কখখোনো না!!!!
লেখকের মন্তব্য
হুদাভাই এগুলা বাচ্চা ছেলেগুলো শখ করে করে আর আমি, আমার কাজই তো এই। আপনার চোখের বারটা বাজাতে এ পথে আসবার কোনো দরকার নেই। ভালো আছেন তো?
মন্তব্য করুন