লেখকের ক‌থা

সদর দরজা

স্পোর্টস মিডিয়া ট্রিকস :: ঘুরে ফিরে খেলার পাতায় একই কুমির ছানা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি


(খেলার পাতায় এই কুমির-ছানাগুলি প্রথম কে দেখিয়েছিল সেটা বের করা দুরূহ)

বিশ্বের সেরা কোচ, কি অসাধারণ তাহার টেকনিক
নতুন কোচ আগমন ঘটলেই সেরেছে , হোক সে ক্রিকেট বা ফুটবলের । ক্রিকেটার বা ফুটবলারের উদ্ধৃতি দিয়ে যা যা ছাপা হয় , তার সারাংশটা নিম্নরুপ :
** কোচের কমিউনিকেশন স্কিল অসাধারণ
** ট্রেনিং স্টাইল একদম অভিনব , বিশ্বে ইউনিক
** খেলোয়াড়দের সাথে বোঝাপড়াটা খুব ভাল
** ফিটনেসের উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন , অতিরিক্ত সেশন করাচ্ছেন ।

একজন কোচ অভিনব হতেই পারেন , হতেই পারেন বিশ্বের সবার চেয়ে আলাদা । কিন্তু প্রশ্ন হল , এই কোচকে এক সময় অপমানজনক কায়দায় কেনই বা বিদায় করা হয় ?
কোচ বিদায় হয়ে যায় , তবে কলম থামে না । পরবর্তী নতুন কোচ আসেন , যথারীতি তিনি হন শ্রেষ্ঠতর কোচ । স্তুতিবাক্য ছিটিয়ে দেয়া হয় নতুন করে ।

প্রতিশোধের আগুন --- কি ভীষণ দাবানল
দুনিয়ার সমস্ত খেলার সমস্ত আবেগ , সব রকমের প্রতিশোধ স্পৃহা কেবল যেন বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদের উপর ভর করে । ১৯০৪ সালে জাপান-রাশিয়া যুদ্ধের দামামা তারাই কেবল এখনও জাপান রাশিয়া ম্যাচের আগে খুঁজে পান । প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে যেসব ঘটনা সেসব জাতি গুলে খেয়ে বসে আছেন , সেসবকে জাগ্রত করতে সাংবাদিকরা ভীষণ ভালবাসেন । আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড লড়াই আগামী শতবর্ষে যতবার হবে , বাংলাদেশী ক্রীড়া-সাংবাদিকরা তাতে ফকল্যান্ড যুদ্ধের গন্ধই পেয়ে যাবেন । পঞ্চাশের বিশ্বকাপে উরুগুয়ে ব্রাজিলকে ছ্যাঁকা দেয়ার যে দাগ , সেটা ব্রাজিল হয়ত ভুলেই বসে আছে , সে দগদঘে ঘা কেবলে বাংলাদেশী সাংবাদিকরাই দেখতে পান।

খেলোয়াড়দের আবেগ--কান্না--আহাজারি:
কথায় কথায় আবেগাপ্লুত হওয়াটা ক্রীড়া-সাংবাদিকদের বাতিক । ইউরোপের প্রোফেশনাল ফুটবল লীগে আবেগের মূল্য অনেক কম , পেশাদারী মনোভাবের কারণে যে কেউ যে কোন ক্লাব ছেড়েই শুধু যায় না , সে ক্লাবের স্মৃ্তি মুছেও ফেলে । কিন্তু বাংলাদেশী পত্রিকার ডটাবেজ থেকে তাকে মুছে ফেলা সাধ্য কার ? সে কারণেই দেখা যায় , বার্সেলোনা-মিউনিক ম্যাচের সময় কবে কোন কুক্ষণে মেসি , মিউনিকের কোন সমর্থকের বাসায় নেমন্তন্ন খেয়েছিলেন , সেটাকে টানাটানি করে মেসিকে আবেগ ভারাক্রান্ত বলে ঘোষনা করে দেয়া হয় ।
আবেগ কান্নার পানি ছেটানো হয় দশদিকে । মার্সেইয়ের সাথে ম্যাচের আগে দ্রগবার হাউ-মাউ কান্নার ভার্চুয়াল খবর ছাপা । মরিনহোদের মত যারা দু-চার-দশটি ক্লাব বদল করেছেন তারা যদি প্রতিবেলায় পুরনো একটা ক্লাবের কথা ভেবে ভারাক্রান্ত হয়ে যান , তখন পরিস্থিতি কি দাঁড়াবে ভাবা যায় ?

বাংলাদেশ বাংলাদেশ :
সম্বোধন , সম্ভাষনের রীতিটা দেশ থেকে দেশে অনেক বদলে যায় । পাশ্চাত্যের দেশগুলির মানুষগুলো যখন জানবে আপনি বাংলাদেশের তখন বাংলাদেশ চিনুক বা না চিনুক , হাত বাড়িয়ে হাসিমুখে খানিক বিস্ময়ভরা কন্ঠে বলে উঠবে , "ওহহহহহ , বাংলাদেশ" । কিন্তু তাই বলে যদি কেউ ভেবে বসেন সাদা চামড়ার মানুষটির সাথে বাংলাদেশের অনেক ঘনিষ্ঠ স্মৃতি জড়িয়ে আছে , তাহলে সেই নির্বুদ্ধিতার জওয়াব কি ?

এসব সম্ভাষণের উপর লিখে লিখে দিস্তা দিস্তা কাগজ ভরিয়ে ফেলায় ক্রীড়া সাংবাদিকদের ক্লান্তি নেই । সে কারণেই বেকেনবাওয়ার , ম্যারাডোনাকে অহরহ দেখা যায় , বাংলাদেশী সাংবাদিকের নাম শুনে প্রায় জ্ঞানহারা হয়ে তাকে জড়িয়ে ধরতে । এসব খবর পড়ে ভক্তরাও ভক্তি-শ্রদ্ধায় আরেক দফা জ্ঞান হারাবার উপক্রম হন। অথচ আদতে ম্যারাডোনারা বাংলাদেশ নামটা জানেন কিনা সেটা খুব বড় একটা প্রশ্ন। প্রসঙ্গক্রমে জানতে ইচ্ছে করে , আরবে যাবার পর অভিবাদন জানানোর কায়দায় আরবরা সাংবাদিকদের যে চুমু খেয়েছেন , সেটাকে প্রেম ভেবেই কি সাংবাদিকরা বেমালুম চেপে গেছেন ?

>বাহারী ডাকনামে , কত রং এ , ঢং এ :
ডাকনামে ডাকাডাকি করে শোরগোল তোলাটা পত্র-পত্রিকায় নিত্ত নৈমিত্তিক ব্যাপার । বিগত দশকে যারা ফুটবল দেখেন , তারা মনে করে দেখুন , পর্তুগাল দলের কথা বলতে গিয়ে কোন ধারাভাষ্যকার "গোল্ডেন জেনারেশন" শব্দটি মুখে এনেছেন কিনা ? কিংবা "ইউরোপের ব্রাজিল" বলতে শুনেছেন কিনা ?

বিপরীতে বাংলাদেশী পত্রিকায় দেখুন , লুই ফিগো বা রুই কস্তার নাম একবার উচ্চারণের বিপরীতে "ইউরোপের ব্রাজিল" , "সোনালী প্রজন্ম" শব্দগুলো উচ্চারিত হয় কমপক্ষে ৬ বার । সাংবাদিকদের দেয়া বাহারী টাইটেল এখানেই শেষ নয় , বাংলাদেশের পত্রিকার পাতা জুড়ে ইউক্রেনের শেভচেঙ্কো নাম ছাপিয়ে হয়ে যান পূর্বাঞ্চলের রোনাল্ডো , কেউবা বসফরাসের ষাঁড় । অদূর ভবিষ্যতে গুয়াংজুর জাভি , অযোদ্ধার শারাপোভা নাম দেখলে কি পাঠক অবাক হবেন ?

6.86
আপনার মূল্যায়ন: আপনি মূল্যায়ন করেন নি। গড় রেটিং: 6.9 (৭ জন মূল্যায়ন করেছেন)
শেয়ার করুন » Facebook Twitter Delicious Digg MySpace Google Orkut Blogger Google Buzz Technorati
অথবা এই সংক্ষিপ্ত লিংক শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৫৬৩(১)    

পাশ্চাত্যের দেশগুলির মানুষগুলো যখন জানবে আপনি বাংলাদেশের তখন বাংলাদেশ চিনুক বা না চিনুক , হাত বাড়িয়ে হাসিমুখে খানিক বিস্ময়ভরা কন্ঠে বলে উঠবে , "ওহহহহহ , বাংলাদেশ" । কিন্তু তাই বলে যদি কেউ ভেবে বসেন সাদা চামড়ার মানুষটির সাথে বাংলাদেশের অনেক ঘনিষ্ঠ স্মৃতি জড়িয়ে আছে , তাহলে সেই নির্বুদ্ধিতার জওয়াব কি ?

বড় সত্যি কথা :)

বিপরীতে বাংলাদেশী পত্রিকায় দেখুন , লুই ফিগো বা রুই কস্তার নাম একবার উচ্চারণের বিপরীতে "ইউরোপের ব্রাজিল" , "সোনালী প্রজন্ম" শব্দগুলো উচ্চারিত হয় কমপক্ষে ৬ বার ।

আমিতো জানি ব্রাজিলকে বলে দক্ষিণ আমেরিকার সৌদি আরব আর পেলেকে বলে ব্রাজিলের সালাউদ্দিন

কয় কি হালায়! / হাসতে হাসতে শ্যাষ হৈয়া গেলাম

সিরিয়াসলি, বলকানের ম্যারাডোনা (হ্যাজি না স্টয়কোভিচ) কথাটা অবশ্য শুনেছি।"ব্ল্যাক ব্র্যাডম্যান" এগুলা কি শুনো নাই।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৬৬১(২)    
লেখকের মন্তব্য

রোবোট ভাই ,
আজকের দিনটা বড়ই খারাপ যাচ্ছে । এর মাঝে আপনি এমন হাসালেন , ল্যাটিন আমেরিকার সৌদি আরব , ব্রাজিলের সালাউদ্দিন ---- হাহাহাহাহা ইয়াহুউউউ!!!

বলকান ম্যারাডোনা ছিলেন গিওর্গি হ্যাজি ।কিন্তু এসব পদবী নিয়ে মাতামাতি বাংলাদেশেই বেশি । খেলার পাতায় আরেকটা ব্যাপার দেখা যায় , একটা ছবি দিয়ে নিচে ক্যাপশন লেখা----- "জগৎ-সংসারের দিগন্ত ছুঁতে হবে তোমাকে , ঐ প্রান্তরে তোমায় কাটতে হবে কীর্তির আঁচড়, পথের কন্টকে হবে রক্তাক্ত , তবুও লক্ষ্যচ্যুত হয়ো না , সেকথাই কি আমিরকে বোঝাচ্ছেন আফ্রিদী?? "

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৫৬৮(৩)    

দুর্দান্ত হইছে। চমৎকার লিখেছো। আসলেই বাংলাদেশী সাংবাদিকরাই এসব নাম দিয়ে দেয়। বিশ্বকাপ আসলে প্রথমালু দেখলে মনে হয় আর্জেন্টিনা ছাড়া আর কেউ বিশ্বকাপে খেলেই না। আমি কিন্তু নিজেও আর্জেন্টিনা ফ্যান, কিন্তু একটা সীমা থাকা উচিত। আলু সাংবাদিকরা জানে বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ আর্জেন্টিনা বইলা গলা ফাটায় তাই বিজনেসের কথা চিন্তা করতে তো হবেই!!
আলুতে খেলার পাতা পড়লে মনে হবে বাংলাদেশের মানুষ ইপিএল, সিরি এ, লা লিগা কিছু দেখে না, জানে ও না। এমন ভুলবাল লিখে একেকটা সাংবাদিক ই হয়ে যায় একেকটা মরিনহো, মেসি, রোনালদা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৬৬২(৪)    
লেখকের মন্তব্য

আমার আর্জেন্টিনা সাপোর্টার রুমমেট তো মহাবিরক্ত । আমরা বের করলাম প্রথম আলুতে আর কিছু না থাক , ৩ টা ফিচার রিপোর্ট থাকবেই :
১। ম্যারাডোনা কি করসে না করসে , হাত কাটবে নাকি পা ফালাবে
২। পাকিস্তানের গেল গেল , সব গেলো রে , সব ক'টা ধরা খেলো রে
৩। ফেডারেশনগুলোতে এসব কি ? বলি হচ্চে টা কি ?

কথা হল যে , নিউজগুলোর ভ্যালু আছে । কিন্তু দিনের পর দিন ---- পাঠকেরও তো বিরক্তি এসে যায়। আর ইউরোপিয়ান লীগ নিয়ে এদের তো যা খুশি তাই লেখে , মনের ভেতর যা যা আসে , সব সব লিখে । স্টিল পিকচার দেখেই মনের অনেক কথা বুঝে ফেলে

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৬৭৬(৫)    

এই কমেন্টে সাত...;-)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৫৮৭(৬)    

সব সাংবাদিকের অন্তরে একজন করে চৌধুরী জাফর উল্লাহ শরাফত ঘুমিয়ে আছেন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৬০৫(৭)    

আকাশ কর্দমাক্ত,
মাঠ মেঘাচ্ছন্ন,
খেলা পরিত্যাক্ত।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৬৩৩(৮)    

হাহাহা
মাটি কামড়ে সোজা চলে বল চলে গেলো সীমানার বাইরে ---
কিন্তু না ব্যাটসম্যান ক্যাচ আউট !!

------কমেন্ট লাইকাইলাম

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৬৬৩(৯)    
লেখকের মন্তব্য

হুদাই সবাই শরাফতকে গালি দেয় :)
চামে অন্যরা পার পেয়ে যায় । শরাফতকে আমি ভালু পাই , ন্যাচারাল বিনোদনের এত ভাল উৎস কোথায় পাব আর ?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৬১৭(১০)    

বিপরীতে বাংলাদেশী পত্রিকায় দেখুন , লুই ফিগো বা রুই কস্তার নাম একবার উচ্চারণের বিপরীতে "ইউরোপের ব্রাজিল" , "সোনালী প্রজন্ম" শব্দগুলো উচ্চারিত হয় কমপক্ষে ৬ বার । সাংবাদিকদের দেয়া বাহারী টাইটেল এখানেই শেষ নয় , বাংলাদেশের পত্রিকার পাতা জুড়ে ইউক্রেনের শেভচেঙ্কো নাম ছাপিয়ে হয়ে যান পূর্বাঞ্চলের রোনাল্ডো , কেউবা বসফরাসের ষাঁড় । অদূর ভবিষ্যতে গুয়াংজুর জাভি , অযোদ্ধার শারাপোভা নাম দেখলে কি পাঠক অবাক হবেন ?

ব্যাপক পুস্ট পিলাচ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৬৬৪(১১)    
লেখকের মন্তব্য

অনেক ধন্যবাদ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৬২৮(১২)    

ব্যাপক! আবার সেই "ডট" গুলো খুঁজে বের করা এবং কানেক্ট করে তাক লাগানো! সাংবাদিকতায় তো নানা প্রশিক্ষণ এর ব্যবস্থা থাকে, আমাদের দেশেও আছে, এরা কোন প্রশিক্ষণ নেন বলে তো মনে হয় না!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৬৬৫(১৩)    
লেখকের মন্তব্য

আরে এখন তো সবাই সাংবাদিক । এখন ফারুকীর যুগ , প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা সেকেলে , অচল । উড়াধুড়া আবেগ আর যা খুশি তাই বলা লেখা , এটাই এখনকার স্টাইল। আর এত এত চ্যানেল , পত্রিকা । প্রশিক্ষিত সাংবাদিক চাইলে কয়েকটা ডেডিকেটেড জার্নালিজম ভার্সিটি লাগবে

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৬৪২(১৪)    

ব্যাপক হৈসে । সব কয়টা সিমটমই কারেক্ট ।
অলওয়েজ পড়ি আর মনে মনে একটা করে গালি দেই।
আপনিই এতো সুন্দর ভাবে তুলে আনলেন।

এনিওয়ে আমার মনে আমাদের ঘাড়ে পশ্চিম বংগের ভূত সওয়ার করে আছে বলে এই অবস্থা।
সেখানকার পেপার পড়লে দেখবেন - আরো তেল চুপচুপে অবস্থা।
খেলোয়ারদের কার ঘরে কি রান্না হয় সেটাও এসে পড়ে।
দাদাকে শচীন কবে কি বলেছিলো হুবহু কোট করা হয়।

ব্যাপক বিনুদুন !
আমার অনুমান মিথ্যা না হৈলে সেখান থেকেই সব কিছু উৎস।

হায়রে বাংগাল ! ১০০ বছর পরও অনুকরণের স্বভাব গেলো না ! কান্নাকাটি হল্লাহাটি

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৬৬৭(১৫)    
লেখকের মন্তব্য

কথা পুরোপুরি ঠিক । আনন্দবাজার না কোন পত্রিকা আছে , সেথায় গৌতম নামের কেউ একজন আছেন । তার লেখা পড়লে আমি তেলে চুপচুপে হয়ে হরদম আছাড় খেতে থাকি । পশ্চিম বাংলার কথা মনে করিয়ে দিয়ে ভাল করলেন , বাংলাদেশে তো তাও অনেক কষ্টে রিপোর্ট থেকে খেলার রেজাল্ট উদ্ধার করা যায় , পশ্চিম বাংলার পত্রিকা থেকে সেটা করার সাধ্য কার ?

বিশ্বকাপের সময় ল্যাটিন ঘরানার ফুটবল নিয়ে একটা বিশ্লেষণ পড়েছিলাম । সেখানে বিশ্বের ফুটবল স্টাইলকে ৭/৮ টা ক্যাটেগরীতে ভাগ করা হয়েছে । কোন স্টাইলে কোন দেশ খেলে সেটাও লেখা ছিল । ইংল্যান্ড , ডেনমার্ক নাকি এক ক্যাটেগরীতে । আবার স্পেন ল্যাটিন ফুটবল খেলে , পর্তুগাল নাকি খেলে মিক্সড । ফ্রান্সের জন্য আলাদা একটা ছিল , যেটা কিনা আবার রাশিয়া না কে যেন খেলে । লেখাটা পড়ার পর আমার মাথার নাট-বল্টু আউলা হয়ে গিয়েছিল

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৬৬৯(১৬)    

নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। এ যেন গোল নামের মরুদ্যানের চারদিকে ছুটে বেড়াচ্ছে ২২ জন খেলোয়াড়(টি উঁট)। দর্শকবৃন্দ দুর দুরান্ত থেকে মন প্রান উজাড় করে যারা আজ খেলা দেখতে এসেছে। এ যেন প্রাণের উৎসব। কানায় কানায় ভরা স্টেডিয়ামে শুধুই যেন মানুষ। ।আর বলতে বলতেই তাদের ভালবাসায় সিক্ত হয়ে গুটি গুটি পায়ে লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ত্যাগ করলেন (ক)। যে খেলা প্রানের খেলা। গোলের খেলা। এই আয়োজন যেন আমার আপনার না খেলাপ্রেমিক প্রতিটি বাংলাদেশীর। যারা এই মাত্র সেটের সামনে বসে আছেন তাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে খেলা ৫-১০-১৫-৫০-৮০ মিনিট পার হয়ে, এখন শেষের পথে। খেলার সমালোচনার জন্য আমি (শ) ভাইকে দিচ্ছি। ধন্যবাদ (ও) ভাই, আপনি ঠিকই বলেছেন, আপনার সঙ্গে একমত। আমার মনে পড়ছে এই সেই স্টেডিয়াম যেখানে মানুষের মন জুড়ানো অনেক খেলা হয়েছে আর বলতে বলতে নীল আকাশে নুয়ে পড়া ফ্লাড লাইটের বাতিগুলো জ্বলে উঠেছে। আজকে যে খেলা হয়েছে তা দর্শকদের মনে চির জাগরুক হয়ে থাকবে।

সেই সাহিত্য - আহা।
ব্যতিক্রমী পোস্ট পড়লাম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৭০৮(১৭)    

সেই রকম। ম্যালাদিন পর লেখা পড়লাম আপনার। ভাল্লাগতেছে D

ভাল থাকবেন
...... আমড়া কাঠের ঢেকি

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৪২৭২৩(১৮)    

হা হা হা... চ্রম হৈসে! D পুষ্ট পৈড়া অনেক মজা পাইসি। তয় এইটাই কঠিন বাস্তব। :( এগুলা দেখতে দেখতে মেজাজটা ত চ্রম খ্রাপ হয়া যায়। দিলটা টুকরা টুকরা হৈয়া গেলো

ভ্রাতা প্রথম আলোর কথা কৈলেন ফুটবল ফেডারেশনের পিছনে লেগে আছে। কিন্তু কালের কণ্ঠের কথা কিছু কৈলেন না? what! বাফুফের সাথে ত কালের কণ্ঠের সাপে-নেউলে সম্পর্ক। বিশ্বকাপের সময় সালাহউদ্দিন কালের কণ্ঠরে মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড দেয় নাই জন্যে এর পরে থেইক্যাই চ্রম অবস্তা!

বাই দ্য অয়ে... পুষ্টে চ্রম ঝাজা। :-b

 

মন্তব্য করুন

এই তথ্যটি সর্বদাই গোপন রাখা হবে এবং কোন অবস্থাতেই তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
ছবি যাচাই
আপাতত: শুধু মানুষদের জন্যই আমাদের দুয়ার খোলা। পরে নাহয় রবোট, বায়োবট বা এন্ড্রয়েডদের কথা বিবেচনা করা যাবে।
2 + 2 =
এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করুন এবং সঠিক উত্তরটি উপরের ঘরে লিখুন। যেমনঃ ১+৩ এর জন্য লিখুন ৪।