লেখকের ক‌থা

সদর দরজা

আজ ও আগামীকালের সব রুমানাদের জন্য বলছি -১

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
এই সামান্য লেখাটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক রুমানা মঞ্জুরকে উৎসর্গ করলাম।
রুমানা আপনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন।

(সংগত কারণেই আমি আমার লেখাটা থেকে আবেগের অংশটুকু বাদ দিলাম, আমার আবেগ অনেকের মনে বিভ্রান্তি তৈরী করছে। লেখাটা শুধু একজন রুমানা মঞ্জুরকে নিয়ে নয়। রুমানা, আমার এই লেখার একজন উপলক্ষ মাত্র।আমার লেখাটি domestic violence এবং আমাদের সমাজে নির্যাতিতা নারীদের অবস্থান নিয়ে লেখা)। লেখা দুটো সবাইকে মনযোগ দিয়ে পড়ে তারপর মন্তব্য করার অনুরোধ রইলো।

UNHCR ২০১১ এর ১৪ জুন সংখ্যার হিসাব অনুযায়ী, নারীর প্রতি অত্যাচার মানে (violence against women)বিশেষ করে, domestic violence এর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পৃথিবীর মধ্যে দ্বিতী্য়তম বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এখানে দেশের ৬৫% পুরুষ মনে করেন, বৌকে পেটানোর মধ্যে কোন অন্যায় নেই।এটি মোটেও অযৌক্তিক নয়। ৩৮% পুরুষের কোন ধারণা নেই, domestic violence বলতে আসলে কি বোঝায়? ৪০% পুরুষ, বাঙ্গালী মহিলারা সামাজিক কঠিন অনুশাসন বা তদের দ্বারা পরিচালিত হবেন, সেটাকে সাপোর্ট করেন।
বিভিন্নভাবে যে সব নারী নির্যাতন হ্য়, তার ধরণ দেখেই বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের এ অবস্থান নির্ণয়।
এই ধরণগুলো হল, নারীকে বিভিন্নভাবে(চড়, থাপ্পর, কিল-ঘুষি, লাত্থি, কোন কিছু দিয়ে প্রহার, ষুরি মারা ইত্যাদি) আঘাত করা (battering), বৌ পেটানো, যৌতুক সংক্রান্ত কারণে নির্যাতন, এসিড নিক্ষেপ, ধর্ষণ, শারিরীক ও মানসিকভাবে নিপীড়ন, ফতোয়া, কাজের জায়গায় যৌন হয়রানি, নারী পাচার, জোর করে নারীদের পতিতালয়ে পাঠানো এবং বহুবিবাহ ।
কেন নারীর প্রতি এ আচরণ?
গবেষণা বলছে, নারীর প্রতি প্রত্যেকটা violence এর মূলে রয়েছে, পুরুষের শক্তি প্রদর্শন এবং তাকে (নারীকে) নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা।
নারীর প্রতি শারিরীক এবং যৌন নির্যাতনের যত কৌশল....।

১। মানসিক ভাবে নিপীড়নঃ যে সব নারীরা শারিরীক নিপীড়নের শিকার হন, তারা অবশ্যই মানসিক নিপীড়নেরও শিকার হন। মানসিক নিপীড়নের সব চেয়ে সাধারণ ধরণটা হল, সব সময় নারীর সমালোচনা করা। কোন কাজের স্বীকৃতি না দেয়া, উপেক্ষা করা, তাকে বুঝিয়ে দেয়া যে তার পার্টনার আর তাকে ভালোবাসে না। সন্দেহ প্রবণতা, নারীকে অন্য একজনের সাথে জড়িয়ে সন্দেহ করা। সব সময় বুঝিয়ে দেয়া যে সে একজন অযোগ্য মা, বউ বা বন্ধু। আসলে মানসিক নিপীড়নকে সজ্ঞায়িত করা খুব কঠিন।
২। নারীকে বিচ্ছিন্ন করে রাখাঃ কিছু নির্যাতনকারী আছে যারা নারীকে সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখে।বন্ধু-বান্ধব আত্মীয়-স্বজন কারো সাথে মিশতে দেয়া হয়না। এমন কি কোন মেয়ের সাথেও নয়। প্রয়োজনে, জায়গা বদল করা হয়ে থাকে।
৩। বিষয়ের গুরুত্ব কমিয়ে আনা, অস্বীকার করা এবং দোষারোপ করাঃ প্রথমেই নির্যাতনকারী দোষারোপ করবে যে, "আমি যত না অত্যাচার করেছি, তার চাইতেও "সে" বাড়িয়ে বলছে।" এর পরে বিষয়টাকে গুরুত্বহীন করার চেষ্টা করা হবে এবং অতঃপর নিজের দোষ স্বীকার না করে আঙ্গুল তুলবে নির্যাতিতার উপর। "নারীর আচরণের জন্যই তাকে নির্যাতন করতে বাধ্য হয়েছে।"
৪। অর্থনৈতিক ভাবে নিপীড়নঃ এ সব ক্ষেত্রে নারীকে কোন ভাবেই অর্থনৈতিক সহায়তা করা হয় না। এমন কি তাকে কাজ করতে দেয়া হয় না, এমন কি যাতে কাজ করতে না পারে, সেই ব্যবস্থাও সুন্দর ভাবে করা হয়।
৫। বাচ্চাকে ব্যবহার করাঃ সন্তানদের সব সময় মা'র সম্পর্কে খারাপ ধারণা দেয়া হয়। মাকে সব সময়ই বলা হয়, তিনি কোনভাবেই সন্তানের জন্য উপযুক্ত মা নন। অথবা মা'কে ভ্য় দেখানো হয় যে, "তার(নির্যাতনকারী) কথা না শুনলে, তার (মা) সন্তানের ক্ষতি করা হবে। অথবা সন্তানকে মা'র কাছে থেকে বিচ্ছিন্ন করার ভয় দেখানো হয়, প্রতিনিয়ত।
৬। বিভিন্ন অস্ত্রের ব্যবহার এবং হুমকি দেয়াঃ যে কোন মূল্যেই নির্যাতনকারীর কথা শুনতে হবে, না হলে ছুরি/বন্দুক নিয়ে ভয় দেখনো, অথবা সন্তানের ক্ষতি করতে চাওয়া অথবা পরিবারের অন্যন্য সদস্যদের ক্ষতি করতে চাওয়া। এসব চলতেই থাকে।
৭। পরিবারের পুরুষ সদস্য হিসেবে সুবিধা নেয়াঃ নারীকে ভাবতে বাধ্য করা, 'হাজার হলেও স্বামী/ পুরুষ সঙ্গী তার ভরসা' সে কিছুটা অন্যায় করলেও এটা ধর্তব্যের মধ্যে পড়ে না। পুরুষরা এই সাম্রাজ্যের/পরিবারের মালিক, নারী সঙ্গীকে সে দাস ভাবতেই ভালোবাসে। অতএব যে কোন কিছু তার উপর যায়েজ।
৮। অন্যভাবে ভয় দেখিয়ে চুপ থাকতে বাধ্য করাঃ জিনস-পত্র ভাঙচুর করা, বিভিন্ন ভাবে ভীতিমূলক আচরণ দেখিয়ে উত্যাক্ত করা, অস্ত্র দেখানো, পোষা পশু-পাখিকে মেরে ফেলা এবং নারী সঙ্গিকে বুঝিয়ে দেয়া যে, তার (পুরুষের) পরবর্তী টার্গেট হচ্ছেন তিনি।
৯। এছাড়াও সরাসরি বিভিন্ন শারীরিক নির্যাতন তো আছেই।
২০০৫ এ বাংলাদেশের নারীদের উপর domestic violence নিয়ে কাজ করেছে আই সি ডি ডি আর বি, তাদের করা একটা গ্রাফ তুলে দিলাম,

একজন অত্যাচারী পুরুষ সাধারণতঃ কি করে?

ক। নানান রকম অত্যাচার করে বুঝিয়ে দেয়, তার নারী সঙ্গীকে- " সেই সর্বেসর্বা।"
খ। নারীকে অত্যাচার করার পর, কিছু সময়ের জন্য হলেও পুরুষ সঙ্গীটি অপরাধ বোধে ভোগে। না, সেটা তার নারী সঙ্গীর দুঃখে নয়, সে ভাবে অন্যেরা তাকে কি বলবে, তার এই আচরণের জন্য। নিজের আচরণ নিয়ে দুঃখিত থাকে।
গ। নিজের নিষ্ঠুর আচরণের দায়ভার না নিয়ে, সঙ্গীকে দোষারোপ করতে থাকে এই বলে যে, "সে (নারী) /তার আচরণ বাধ্য করেছে, আমাকে(পুরুষটিকে) এরকম আচরণ করতে।
ঘ। তারপর কিছুদিন স্বাভাবিক আচরণ করে যেন কিছুই হয় নি। ক'দিন সম্পর্কটা বেশ ভালো যায়। শারীরিক ও মানসিক ভাবে নিগৃহীতা আশা করতে থাকেন, সব বুঝি ঠিক হয়ে যাচ্ছে।।।।।।
ঙ। ঠিক তখুনি পুরুষ সঙ্গীটি জল্পনা কল্পনা করতে থাকে কি করে আবার অত্যাচার করা যাবে। সে লম্বা সময় ধরে ভাববে, সঙ্গীর কি কি ভুল বের করা যায়, সে হয়তো সঙ্গীকে দোকানে পাঠাবে। ট্রাফিক জ্যামে আটকে পড়ে আসতে দেরী হলে, পুরুষ সঙ্গীটি শুরু করবে--"নিশ্চই ঐ দোকানের সেলসম্যানের সাথে কিছু করছিলে।"
চ। তারপর অত্যাচারী পুরুষটি আবার অত্যাচার করার রাস্তা পাকা করে ফেলবে।
এভাবেই ঘুরতে থাকে domestic violence এর চাকা।
domestic violence এর অপকৌশলগুলোঃ
মিথঃ " মেয়েদের আচার-আচরণই ছেলেদেরকে বাধ্য করে অত্যাচার করতে।"
সত্যটা হলঃ নারী অত্যাচারিত হওয়ার পেছনে তাদের ভূমিকা যতটা না থাকে তার চেয়ে অনেক বেশী থাকে পুরুষের নারীকে নিয়ন্ত্রন করবার মানসিকতা, ক্ষমতা দেখানো, শারিরীক শক্তি প্রদর্শন, সমাজে এবং পরিবারে তার অবস্থা এবং অবস্থান প্রদর্শন। এসবই তাকে উদ্বুদ্ধ করে অত্যাচার করতে। তখন নারীকে বুঝিয়ে দেয়া হয়, " আমাকে মান্য না করলে তো শাস্তি পেতেই হবে।"
মিথঃ "domestic violence এর জন্য পারিপার্শ্বিকতা দায়ী, যেমনঃ বেকারত্ব, অর্থনৈতিক সমস্যা, মাদকাসক্তি ইত্যাদি।"
সত্যটা হলঃ সঙ্গীকে অত্যাচারের ক্ষেত্রে এর যে কোন একটা সমস্যা থাকতেও পারে, অথবা সবগুলো সমস্যাই থাকতে পারে। কিন্তু সেটা সঙ্গীকে অত্যাচার করার জন্য কারণ হতে পারে না কখনই। নিজের সমস্যা না মিটিয়ে বউ পেটানো কোন কাজের কথা না।
মিথঃ "রাগের সময় মাথার ঠিক ছিল না তাই মারধোর করেছি, রাগের মাথায় যে কেউ এটা করতেই পারে।"
সত্যটা হলঃ মাঝে মধ্যেই অত্যাচারী পুরুষরা বলে, " হঠাৎ রাগ হয়ে গিয়েছিল, অথবা নিজাকে রাগের সময় কন্ট্রোল করতে পারিনি।"
বাস্তবতা হল, এসব লোকেরা ভালো করেই জানে, কি ভাবে অত্যাচার করতে হয়। নিজের আচরণের কন্ট্রোল তারা ঠিক মতই করতে পারে। পারতপক্ষে তারা বন্ধু-বান্ধব, প্রতিবেশী, আত্মীয় কারো সামনে অত্যাচার করেনা। যখন সঙ্গীকে একা পায়, কিম্বা সন্তানের সামনে, নিজ বাড়িতে এক হাত দেখে নেবার চেষ্টা করে।
মিথঃ এই সব পুরুষরা ভাবে, এভাবে বৌ/সঙ্গীকে পেটালে বুঝি সন্তানের উপর তার কোন প্রভাব পড়ে না।
সত্যটা হলঃ সন্তানের অল্প বয়সে এ জাতী্য ঘটনা তার উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

যে সব মেয়েরা এরকম করুণ অবস্থা শিকার, তাদের অবস্থাটা একজন মেয়ে হয়ে বুঝতে পারি। বিশেষ করে আমাদের দেশে, সমাজ, সংসার, সন্তান, আত্মী্য়-স্বজন সব কিছুকে উপেক্ষা করে মেয়েরা সহজেই জীবনের একটা অধ্যায়ের ইতি ঘটাতে পারেন না। আর আমাদের দেশে সাহায্য করবার মত কোন অর্গানাইজেশন বা বিশ্বস্ত সূত্র নেই যেখানে মেয়েরা নিরাপদ ভাবে আশ্রয় নিতে পারেন বা সামাজিক অবস্থাটা এমন নয় যে তারা সহজেই মাথা উঁচু করে সমাজে চলতে পারেন।

সে ক্ষেত্রে কিছু জিনিষ আমাদের সব মেয়েদের জানা দরকার।
১। যে পুরুষ এ রকম, সে আপনাকে যখন তখন আবার আক্রমণ করতে পারে। মনে করা হয়, দিন দিন এর মাত্রা বাড়তেই থাকবে।
২। এরা "আর এ রকম করবো না বলে," প্রতিজ্ঞা করবে বার বার, একটা কারণেই যাতে আপনি এ পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার পেতে/ বাইরে/ দূরে চলে যেতে না পারেন।
৩। আপনার সঙ্গীকে ভালো কাউন্সেলিং করলেই যে সে ভালো হয়ে যাবে এর কোন গ্যারান্টি নেই।

তাই আপনি যদি এরকম সঙ্গীর সাথে থাকতে বাধ্যই হন, তবে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখুন:-

১। লজ্জা করবেন না প্লীজ, পরিস্থিতিটা বিশ্বস্ত কাউকে জানিয়ে রাখুন। যেন চাইলেই আপনি তার সাহায্য পেতে পারেন।
২। নিজের কথা এবং সন্তানের কথা ভেবেই সব সময় বিকল্প চিন্তা মাথায় রাখুন।
৩। কিভাবে আপনি দ্রুত পালাতে পারেন, এই সম্ভাবনাটাও বিবেচনায় রাখুন।
৪। নিজের জন্য কিছু টাকা জমিয়ে রাখুন, যা অসময়ে আপনাকে সাহায্য করবে।
৫। ঘটনাটা পুলিশকেও জানিয়ে রাখতে পারেন।
৬। আপনি যখুনি বুঝতে পারবেন স্বামী রেগে আছেন খুব, প্লীজ বাইরে বেরিয়ে যান। কোন আত্মী্য বা বাবা-মা'র কাছে সাময়িকভাবে আশ্রয় নিতে পারেন। তাদের সঙ্গে পরামর্শ করতে পারেন।

<b>সংযোজনঃ domestic violence মানেই কিন্তু শুধু পুরুষরাই নারীর উপর আত্যাচার করে, তা নয়। এ ক্ষেত্রে অন্যায়ভাবে মা - মেয়েকে, বাবা- ছেলেকে (same sex) অথবা গৃহ পরিচারক বা পরিচারিকাকে কিম্বা স্ত্রী-স্বামীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে আঘাত করে থাকলে, কিম্বা কোন পক্ষ অপর পক্ষকে যৌন হয়রানি বা শ্লীলতাহানি করে থাকলে, এ সবই domestic violence এর আওতায় পড়ে।
তবে পৃথিবী জুড়ে ও আমাদের দেশে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই কোন না কোন ভাবে নারীরাই পুরুষের (domestic violence)অত্যাচারের শিকার হন।

আরেকটা পর্ব লেখার ইচ্ছা আছে
পরের পর্ব

7
আপনার মূল্যায়ন: আপনি মূল্যায়ন করেন নি। গড় রেটিং: 7 (১৫ জন মূল্যায়ন করেছেন)
শেয়ার করুন » Facebook Twitter Delicious Digg MySpace Google Orkut Blogger Google Buzz Technorati
অথবা এই সংক্ষিপ্ত লিংক শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৭৯৯৬(১)    

তথ্যবহুল পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। একসাথে পুরোটা দিলে অনেক বেশি ভালো হতো।
তবে আমি যতোদূর জানি নারী নির্যাতনের পরিমাণ আমাদের দেশে আগের তুলনায় অনেক কমেছে। এটা ঠিক যে পরিমাণ নারী নির্যাতন হয় তা কখনোই কম না।

পরের পর্বের অপেক্ষায় আছি।
(অফটপিক) আপনি কি ওপেস্টে ব্লগান?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২২৪(২)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ মেকানিক্স।
আমি সময়ের অভাবে ব্লগে ঢুকতে পারি না। লিখতে ঠিক ভালো পারিও না এবং সময়ের অভাবেও লেখা হ্য়না।
একটা ভালো ইনফরমেটিভ লেখায় তথ্য বিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য প্রচুর পড়াশোনা প্রয়োজন,এবং প্রয়োজন মনযোগের। কাল সর্বচ্চো সংক্ষিপ্ত সময়ে, ইংরেজী তথ্যগুলোকে বাংলা করে, কিছু একটা দাঁড় করাবার চেষ্টা করেছি। জানিনা কি করতে পেরেছি। সেই জন্যই পুরোটা শেষ করতে পারিনি।
আশা করছি, কোথাও তথ্য বিভ্রান্তি নেই। তবে কোন ভুল ধরা পড়লে, এটা হবে একেবারেই অনিচ্ছাকৃত।

অফটপিকঃ আমি ওপেস্ট ব্লগের নাম কখনও শুনিনি। আমি ওখানে লিখি না।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২৪৩(৩)    

অনেক কমেছে? মেকানিক্স ভাই তথ্যসূত্র দিন প্লিজ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৭৯৯৯(৪)    

টিভিতে রিপোর্টটা দেখার পর আমার শুধু একটা কথাই মনে হয়েছে, ওনার উচিত হয়নি এতদিন ধরে এমন নির্যাতনের কথা লুকিয়ে রাখা। সবার কাছে (নিদেনপক্ষে আত্মীয়/ বন্ধুবান্ধবের কাছে) বলা উচিত ছিলো, আইনি সাহায্যও অবশ্যই নেয়া উচিত ছিলো। তাহলে হয়তো আজ এই দিন দেখতে হতো না।
------------
নৃশংস পাষণ্ড স্বামীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২২৫(৫)    
লেখকের মন্তব্য

হমম, অধিকাংশ বাঙ্গালী মেয়েরা যারা নির্যাতিতা, তারা এইভাবেই দিনের পর দিন, সব কিছু মুখ বুঁজে সহ্য করে যান। তার অনেক কারণও আছে। সঙ্গীর প্রতি ভালোবাসা,সামাজিক, রাজনৈতিক, পারিবারিক, সব শেষে ধর্মীয়।

তারপরেও বলবো রুমানা অনেক সহ্য করেছেন, এটা হল তার সহ্যের পুরস্কার।
কি পাষণ্ড !!!!!!! বলার কোন ভাষা খুঁজে পাইনা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৭৭২(৬)    

শাপলা, ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে রুমানার এই পাষন্ড স্বামীর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার কোনই অসুবিধা ছিলো না। ইসলামে নারীকে অনেক স্বাধীনতা দিয়েছে সর্ব-ক্ষেত্রেই। কিন্তু সেটা অশিক্ষিত নারীদের জানা না থাকলেও রুমানার মত শিক্ষিত নারীর তো জানার কথা।
আসল কথা হচ্ছে আমাদের সমাজ ব্যাবস্থা। এ সমাজে একজন বিবাহ বিচ্ছিন্ন নারীকে যে চোখে দেখা হয় তা সত্যি খুব দুঃখজনক! আর এটা আমাদের দৃষ্টিভংগীর ক্ষুদ্রতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

আর কোন নারী যেন এমন ভুল না করে, এটাই আমাদের কাম্য।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮০০৪(৭)    

মানুষ এত নৃশংস পাষণ্ড হতে পারে???

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২২৬(৮)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ বৃষ্টি ভেজা সকাল।

শিক্ষা অনেক ক্ষেত্রেই মানুষের ভেতরকার পশুবৃত্তিকে দমিয়ে রাখতে পারেনা। তার প্রমাণ আবার আমরা নতুন করে পেলাম। বৃষ্টি, মানুষও এরকম পাষণ্ড হতে পারে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮০১৩(৯)    

আমরা ভাবি মেয়েদের উচ্চশিক্ষিত করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে দিলে সম্মান নিয়ে বাঁচতে পারবে। এ ঘটনা স্তম্ভিত করে দিয়েছে।
পরের পর্ব আসুক।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৩১৯(১০)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ মেঘ।
মেয়েরা পৃখিবীর যেখানেই থাকুন না কেন, আর যত শিক্ষিতই হোন না কেন, বিশ্বজুড়ে মেয়েরা যখন তখনই পুরুষের অত্যাচারের শিকার হয়ে থাকেন।
তাই বলে তো আর শিক্ষার আলো থেকে নিজেকে বঞ্চিত রাখা যাবে না। শিক্ষা অবশ্যই মেয়েদের আত্মবিশ্বাস ও সচেতনতা বাড়ায়। মেয়েরা শিক্ষিত হলেই এসব ক্ষেত্রে ভালোভাবে বাঁচতে পারবেন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৮৬৩(১১)    

মেয়েদের শিক্ষার হার বাড়লে তাদের উপর নির্যাতন খুব কমবে না, তবে তারা স্বাধীন হতে পারবে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮০৪১(১২)    

এখন পরবর্তীতে কী হবে জানেন, ম্যাডামের চরিত্র নিয়ে আজেবাজে কথা ছড়ানো হবে। মিডিয়া কয়েকদিন লাফাবে, তারপর সব চুপ হয়ে যাবে।

আমরা তা চাই না। এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২২৭(১৩)    
লেখকের মন্তব্য

হমম আমি শুরু থেকেই তাই বলে আসছি। বাংলাদেশ আইনে নারী নির্যাতনের একটা এ্যাক্টে বলা আছে, নির্যাতিতার প্রাইভেসি মিডিয়াকে রক্ষা করতে হবে। প্লীজ, ফেইসবুক স হ সব জায়গায় একটা ভিডিও দেখতে পাচ্ছি, সেটা আপনারা তার ছাত্র/ছাত্রীরা বন্ধ করুন। এটা দেখে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন, শুধু তাই নয়- এটাতে সমাজের অনেক মেয়ে মানসিক ভাবে ভইষন ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বিনা কারণর সঙ্গীর উপর আস্থা হারিয়ে ফেলতে পারেন।
আর রুমানার পাশে দাঁড়ানোর জন্য তাঁর নিউজটাই যথেষ্ট।
পারলে ইতরটাট ছবি দিতে হবে, তার উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থার দাবী করতে হবে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮০৪২(১৪)    

অনেক ধন্যবাদ আপা, লেখাটার জন্য। লেখাটা সারা দেশের মুখ বুজে সহ্য করে যাওয়া মেয়ে/মায়েদের কাছে পৌঁছে যাক, সেই কামনা করছি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২২৯(১৫)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ জ্বিনের বাদশা ভাই। জানিনা লেখাটা দাঁড় করাতে পেরেছি কিনা? হ্যতো কিছু একটা হয়েছে, হয়তো হয়নি।
কিন্তু কামনা একটাই, লেখাটা সারাদেশের মুখ বুঁজে সয়ে যাওয়া সব মা/মেয়েদের কাছে পৌঁছে যাক।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮০৯২(১৬)    

ফেইসবুকে শেয়ার দিলাম। থ্যাংকস ফর ইয়োর এক্টভিজম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২৩০(১৭)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ নরু দা। আমি বিনীত।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮০৯৮(১৮)    

শুধু রেটিং দিয়ে গেলাম আজ। পরে কমেন্ট করবো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২৩১(১৯)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ রোবট। রোবটের আড়ালে সুন্দর মনের মানুষটার জন্য রইল, শুভকামনা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮১০৭(২০)    

চুপচাপ থাকলে নির্যাতন হবে
প্রতিবাদ করলে হবে দ্বিগুণ!
অবিবাহিত নারী নির্যাতিত হন
বিবাহতরাও হন।
বোরখা পরলে নির্যাতিত হবার সম্ভাবনা কমেনা
বিকিনি পরলে বাড়ে আরও বেশি।
ছোট বয়সে নির্যাতিত হয় কন্যা শিশু,
বড় হয়েও রেহাই মেলেনা।
যারা পুরুষদের সাথে হেসে কথা বলে,
তারা খারাপ, অতএব তাদের নির্যাতন হতেই পারে।
যারা হেসে কথা বলেনা, তারা কেন হাসবেনা?
নির্যাতন কর।
চার দেয়ালের ভেতর নির্যাতন হয়,
হয় ঘরের বাইরেও।
রাস্তায় একা হাঁটলে নির্যাতন হয়,
বাসের ভীড়ে তো কথাই নেই!
আত্মীয়রা নির্যাতন করার নজির আছে,
পিছিয়ে নেই অনাত্মীয়রাও...

কি করব? নাই হয়ে যাব?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২৩৩(২১)    
লেখকের মন্তব্য

হমম ক'দিন আগে আমেরিকায় একজন ১১ বছরের মেয়ে গণধর্ষণের শিকার হওয়াতে, ও দেশের অনেকেই বলছে, সে তার বয়স অনুযায়ী পোষাক পড়েনি, তাই ঐ পুরুষগুলো উদ্বুদ্ধ হয়েছিল।
শুধু ও দেশের নারীবাদীরা বলছেন,
"Don't tell me how to dress. tell men not to rape." অথবা "My outfit not a invitation". তারা এটাও বলছেন "A man of quality respect women's equality." আসলে quality মানুষের বড্ড অভাব রে বোন, এই সমাজে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৩২৩(২২)    
লেখকের মন্তব্য

অদিতি উপরের মন্তব্যে একটা ভুল রয়ে গেছে। ঠিক করে দিলাম।

"My outfit is not an invitation."

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৯২২(২৩)    

অদিতি আপু,
পিলাচ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৯৫৮(২৪)    

অদিতি আপু.....
খুব সুন্দর লিখেছেন.....:)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮১২৭(২৫)    

চমৎকার তথ্যবহুল লেখা। পিশাচের বিরুদ্ধে জাগুক মন আর সত্তা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২৩৫(২৬)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ শনিবারের চিঠি।

আমারও সেই কামনা, পিশাচের মনে জাগুক মন ও সত্ত্বা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২২৩(২৭)    

খুব সময়োপযোগী, খুব ভালো লেখা। হ্যাটস অফ! এমন একটা লেখা জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশযোগ্য। ফেইসবুকে শেয়ার করলাম।

শিরোনামটা আরেকটু বড় পরিসরের (শুধু এই রুমানার জন্য না; আজ ও আগামীর সব রুমানার জন্য) করা যায় কিনা ভেবে দেখার অনুরোধ রইলো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২৪৮(২৮)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ বন্ধু। আমি তোমার কাছে সব সময় বিনীত।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২৩৮(২৯)    

এই লেখাটি স্টিকি করা হোক

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২৪৬(৩০)    

এই লেখাটি স্টিকি করা হোক

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৩৫৮(৩১)    

স্টিকি করা হোক।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৩৫৯(৩২)    

অসাধারণ একটা লেখা ভাই। অত্যন্ত সময়োপযোগী। পরের পর্বের অপেক্ষায়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৫৩৬(৩৩)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ অবয়ব। আপনাদের ভালো লাগার কাছে আমি সব সময়ই বিনীত।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২৩৯(৩৪)    

পোষাক, ধর্ম সমাজ, পরিবার কিছুই রক্ষা করতে পারে না নির্যাতনের হাত থেকে যদি না সে মানুষটির বোধদয় হয়। আমাদের দেশে মানুষের অধিকার নানা ভাবে খর্ব করা হয় নারীদের এই জটিলতার ধকল আরো বেশী ভোগ করতে হয় সমাজ, পরিবার, ধর্ম নানান কিছুর কারণে।
পাছে লোকে কি বলে, এই ভয়ে মধ্যবিত্তের এই মুখ বুজে সর্বংসহা হওয়ার চিন্তা চেতনার পরিবর্তন দরকার। মানুষের জীবন একটাই সংঘাতে কাটানোর চেয়ে ভালোবাসায় কাটানোর চেষ্টা করা দরকার। বনিবনা না হলে ভেঙ্গে ফেলা অনেক ভালো।

সামাজিকভাবে অনেক পরিবর্তন দরকার। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দ্বায়িত্ব এ ব্যাপারে যা উন্নতদেশের নারীরা ভোগ করেন। তারপরও পশুবৃত্তির কাছে র্নিযাতিত হয় নারী তবে সংখ্যা খুব কম।
পরিবার প্রথায় ছেলে মেয়েদের সমান দৃষ্টিতে দেখা অত্যন্ত জরুরী।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২৫০(৩৫)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ সমুদ্রজল আপনার গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যের জন্য।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২৫৯(৩৬)    

পৃথিবীর সকল পশুর পক্ষ নিয়ে প্রতিবাদ করছি এই উক্তিটিরঃ

তারপরও পশুবৃত্তির কাছে র্নিযাতিত হয় নারী


এমন করে বলে পশুদের অপমান করবেন না।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২৬০(৩৭)    

পেটাতে ইচ্ছা করে, অন্যদের সাথে কুলিয়ে উঠতে পারার মত শক্তি নাই শরীরে। চাকরিক্ষেত্রে ধমকের পর ধমক খেয়ে মেজাজ খারাপ, সেখানে কথা বলবার মুরোদ হয়নি। রিকসাওয়ালা বা অটোচালকের সাথে দু'টাকা নিয়ে বাকবিতণ্ডায় কুলিয়ে উঠা সম্ভব হয়নি। এমন আরো নানানভাবে অপদস্থ হয়ে নিজেকে একটু শ্রেষ্ঠ করে তুলতে ঘরের বৌয়ের চেয়ে নিরাপদ বস্তু আর কী আছে! অতএব পিটাও বৌরে। বৌ পিটিয়ে পৌরুষ প্রদর্শনের মত এত সুলভ সামগ্রী আর কোথায় পাওয়া যায়!
শাপলা, সচেতনামূলক সুলিখিত পোস্ট অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে। অনেক ধন্যবাদ ভাই।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৩২০(৩৮)    
লেখকের মন্তব্য

নাজমুল ভাই আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২৭৭(৩৯)    

চরম একটা লেখা লিখছেন - লেখাটা নারী পুরুষ সবারই পড়া উচিত -

এফ বিতে শেয়ার করা হল

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৩২১(৪০)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ কবি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮২৮৬(৪১)    
লেখকের মন্তব্য

Aditi I am sorry. There is a typing mistake in your comment.

The right one would be"My outfit is not an invitation"

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৪০৪(৪২)    

অনেক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ, শাপলা। হ্যাঁ, এই লেখাটাও সবার কাছে ছড়িয়ে যাওয়া উচিত।

যারা এখনও শোনেননি, তাদের জন্য উল্লেখ করা উপযোগী মনে করে বলছি- দুপুরবেলা গোয়েন্দারা মুগদাপাড়া থেকে গ্রেফতার করতে পেরেছে হাসান সাঈদকে; জানলাম গ্রামীণফোন-বিডিনিউজ মোবাইল ব্রেকিং-নিউজ অ্যালার্টে।

(_ সাইফুল আকবর খান)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৫৩৯(৪৩)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ কুটুম। কাল রাতেই বিডি ২৪ এ ছবি সহ সাইদের গ্রেপ্তারের খবরটা দেখেছি। লাভ কি??? আজ দেশের দৈনিক গুলো দেখুন, অনেক প্রশ্ন মনে জমবে।।।
১। এরকম একটা আসামীকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে কথা বলার সুযোগ দেয়া হচ্ছে।।।।। এবং সেখানেএকই পুরানো গল্প, রুমানা পরকী্য়ায় জড়িত ছিলেন।
২। ঘটনার ১০ দিন পর তাও হাইকোর্টের রুল জারির পর গোয়েন্দারা ধরতে পারলো?!!!!!
৩। আদৌ কি সঠিক বিচার হবে?
তবুও রুমানা সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর দলে, তিনি চাইলে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন। সে যোগ্যতা তাঁর আছে। গোটা দেশ এমনকি বিশ্বে যারা নারী অধিকার নিয়ে কাজ করছেন তারাও রুমানার পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং দাঁড়াবেন।।
বাকী রুমানাদের জন্য এ রাষ্ট্র বিশেষ কিছু করবে কি?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৬৪৪(৪৪)    

আসামী গ্রেফতার হবার পর তার পক্ষের সাফাই প্রকাশ পাওয়া শুরু হয়ে গেছে। আজকে পত্রিকায় তার কিছু নজির দেখলাম। কয়েকদিন যাবত নতুন নতুন কিছু কুৎসা বেরুবে। যার সবগুলো সত্যি হলেও "হাসাইদ-জানোয়ার"এর অপকর্মকে হালাল বলা যাবে না।

তবু কিছু অতি পুরুষ মানুষ বলবে, এক হাতে তালি বাজে না। মেয়েটারও দোষ আছে।

আসুন এবার ফেসবুক সেঁচে দেখি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৬৬৭(৪৫)    

তথ্যসমৃদ্ধ এই পোস্টের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
সময় এবং পরিস্হিতি বিবেচনায় এই পোস্টটা স্টিকি করা উচিৎ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৭১৮(৪৬)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ নয়ন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৭০২(৪৭)    

ভালো লাগছে / পুরাই একমত / জটিল

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৭১৯(৪৮)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ সুরঞ্জনা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৭১৭(৪৯)    
লেখকের মন্তব্য

একজন abuser এর এটাই সবচেয়ে পুরোনো এবং সাধারণ style. সঙ্গীর প্রতি কুৎসা রটানো এবং বলা, সেই জন্যই সে তাকে অত্যাচার করেছে। এটা উপরের লেখাতেই ভালো করে বলেছি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৭৪৮(৫০)    

দ্বিতীয় পর্ব চলে আসার পর প্রথম পর্ব স্টিকি হলো।

এই পর্বের নীচে দ্বিতীয় পর্বের লিঙ্ক যুক্ত করে দিও, শাপলা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৭৫২(৫১)    
লেখকের মন্তব্য

আমাকে সব সময় উৎসাহিত করার জন্য এবং এই পোষ্ট টা স্টিকি করার প্রথম দাবী তোলার জন্য আমি তোমার কাছে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ।

এছাড়া সব পাঠক এবং চতুর কর্তৃপক্ষকেও জানাই অনেক ধন্যবাদ।

(অফটপিক) বন্ধু কেমন করে লিন্ক দিতে হয়, জানি না যে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৭৫৮(৫২)    

স্টিকি করার জন্য মডারেটরদের ধন্যবাদ।

লেখার এডিট অপশনে গিয়ে উপরে লিংক বাটনে ক্লিক করুন। একটা ডায়লগ বক্স আসবে। ওখানে দ্বিতীয় পর্বের লিংক কপি-পেস্ট করুন। লিংকের শেষে > অংশটি দেখবেন। > এর পর আপনার দ্বিতীয় পর্ব বা যা ইচ্ছা হয় লিখুন। এরপর দেখবেন লিংক হিসেবে চলে এসেছে। :) আমি যেমন করলাম।

পরের পর্ব

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৭৬৫(৫৩)    
লেখকের মন্তব্য

চেষ্টা করলাম দু/তিনবার হচ্ছে না। আবার চেষ্টা করছি। দেখছেন তো আমার বিদ্যার দৌঁড়। শরমিত শরমিত

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৯৯২(৫৪)    

লিংক তো দিয়েছেন। দেখা যাচ্ছে। ভুলটা আমার।
> < / a > লিংকের শেষের অংশ এরকম না?
>পরের পর্ব< / a >
এবার দেখুন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯০২২(৫৫)    
লেখকের মন্তব্য

আন্তরিক ধন্যবাদ মেকানিক্স। শেষ পর্যন্ত পেরেছি। কত কিছু যে শিখি রোজ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৭৭১(৫৬)    

আমআ শুধু একটা প্রশ্ন এখনো মাথায় ঘুরছে, সাইদ কি আসলেই মানুষ????????
আমার মনে হয়না।
তারচেয়েও বড় প্রশ্ন প্রতিবার, প্রতিদিন নারী নিরযাতনের এত নিদরশন শোনা বা দেখার পরেও কেন এর বিরুদ্ধে এখনো যথেষ্ট পরিমাণ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছেনা???? আগে বলা হত নারী দের শিক্ষা গ্রহণ না করাটাই তাদের এভাবে নিরযাতিত হয়ার মূল কারন, এখন তারা কি বলবে???? রুমানার উচ্চ শিক্ষায় শিখখিত হয়ে স্বনিরভর হতে চাওয়া টাই তার অপরাধ ছিল????
সততি অদভুত!!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৭৭৬(৫৭)    
লেখকের মন্তব্য

মেঘলা দ্বিতী্য় পর্বে আপনার প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেবার চেষ্টা করেছি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৭৮১(৫৮)    

ধন্যবাদ আপু।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৮২৮(৫৯)    

তথ্যসমৃদ্ধ এই পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯০২৩(৬০)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ রোমাস।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৮৩৯(৬১)    

ঘটনাটিকে নানাভাবে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। আমার শুধু ছোট্ট মেয়েটির কথা মনে হয় আর কষ্ট হয়। সবচেয়ে ক্ষতি মনে হয় তারই হয়েছে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯০২৪(৬২)    
লেখকের মন্তব্য

হ্যাঁ, সেই জন্যই আমার কষ্ট। প্রথমে সে শিশু। তারপর মেয়ে শিশু। ওর ছোট্ট জীবনটাই এলোমেলো হয়ে গেল, ও কেমন করে এই সমাজকে বিশ্বাস করতে শিখবে? ঐ লোকের শাস্তি হলে ও হবে সিঙ্গেল পেরেন্টের সন্তান। আর এইরকম শিশুদের অনেক মানসিক সমস্যা দেখা দেয়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৮৫১(৬৩)    

পাঁচ বছরের এই মেয়েটির কাছে আজ বাবা ডাকটাই অর্থহীন

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯০২৫(৬৪)    
লেখকের মন্তব্য

হ্যাঁ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৮৯৫৪(৬৫)    

একটি শিশু যখন জৈবিকভাবে স্ত্রী অঙ্গ নিয়ে পৃথিবীতে আসে, তখন সে কি জানে, সে নারী না পুরুষ? না, জানে না। বরং ধর্মীয় আর সামাজিক অনুশাসনের বেড়াজালে তাকে মেয়েলি করে তোলা হয় আর তার ওপর আরোপ করা হয় প্রথা নামক নানান বিধিনিষেধ। আর এই লিঙ্গ বিভাজনের জন্যই নারীদের মেয়েলোক, মেয়েমানুষ, অবলা, সরলা, দুর্বল ইত্যাদি বিশেষণে বিশেষায়িত করা হয়। যার ফলস্বরূপ....নির্যাতন আর বঞ্চনা। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো...নিজ পরিবার বিশেষ করে স্বামীই হলো সবচেয়ে বড় নির্যাতনকারী। সেটা শারীরিক হোক আর মানসিক হোক। স্ত্রীকে মারধর করা স্বামী তার অধিকার মনে করে! আর স্বী তার অসহায়ত্বের কাছে বন্দী হয়ে সব সহ্য করে। এভাবেই রুমানারা নির্যাতিত হয়।
আর মানসিকভাবে নির্যাতিত হওয়া যেন এখন সব নারীর কাছেই সাধারণ ঘটনা। এভাবে সিমি, ইন্দ্রানী, ফাহিমারা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।
কখন এসব মেয়েরা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়? যখন তার সহ্যসীমা অতিক্রম করে, নিজেকে ধরে রাখতে পারে না, নিজেকে মূল্যহীন মনে হয়।
আসলে নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন না করে....কেবল আইন করে নারী নির্যাতন রোধ করা যাবে না। আর আমাদের দেশে নারী নির্যাতনের যেসব কারণ রয়েছে তার ভিত পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যেই রয়েছে।

এমন একটা পোষ্টের জন্য লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ। শেষের পরামর্শগুলো খুব ভালো লাগলো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯০২৬(৬৬)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ মনমোহিনী।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯০০১(৬৭)    

তথ্যবহুল লেখা। প্রিয়তে নিলাম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯০২৭(৬৮)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ রুমান।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯০০৪(৬৯)    

চমৎকার ।ধন্যবাদ এরকম একটা তথ্যমূলক লেখার জন্য।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯০২৮(৭০)    
লেখকের মন্তব্য

আপনাকেও ধন্যবাদ ছেঁড়া ঘুড়ি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯২০১(৭১)    

আমার দেয়া নিম্নোক্ত এই আর্টিকেলটা নিয়ে ও কি আপনার এরকম জ্বালাময়ী কিছু লেখা উচিত না আপু? আমার তো মনে হয় নারীরা প্রয়োজন এর চেয়ে বেশি অধিকার পায় অনেক ক্ষেত্রেই ...এখন যদি সমঅধিকার এর প্রসঙ্গে আসি তাহলে তো মার্টিন ভাই ও আপনার কাছ থেকে একটা লেখা ডিসার্ভ করে রুমানা মাডাম এর মতন ..।।একজন ভদ্রলোক এর লেখা কোট করলাম ...'অধিকার' নামক বস্তুটিকে ২ দিয়ে ভাগ করে নারী ও পুরুষকে দিয়ে দিলেই সম অধিকার হয় না। 'অধিকার' কে ভাগ করতে হবে ভালোবাসা,সম্মান, সততা আর পারস্পরিক বোঝা পড়া দিয়ে, তাহলে হবে " নারী অধিকার" বা "পুরুষ অধিকার ", কোন ৫০-৫০ 'সম অধিকার' টাইপের ক্র্যাপ না।. ..ভেবে দেখবেন আপু...আসসালামু আলাইকুম ...
http://mzamin.com/index.php?option=com_content&view=article&id=11815%3A2011-06-16-16-48-23&catid=48%3A2010-08-31-09-43-22&Itemid=82

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯৩৫২(৭২)    
লেখকের মন্তব্য

সচেতনতামূলক কিছু লিখে, তার মন্তব্য খন্ডন না করা মানে দায় এড়িয়ে যাওয়া। @ তথৈবচ আমি আমার দায় এড়াতে চাইনা।
১। আমার লেখা দুটো আরেকবার মনযোগ দিয়ে পড়ুন।
২। আমি আমার লেখায় বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য তুলে দিয়েছি, চাইলে যার সূত্রগুলো অনায়াসেই দিতে পারি। এগুলো তো আর আমি বানাইনি। আপনাদের এত জ্বলুনি হচ্ছে কেন বুঝতে পারছি না। আর আমি রুমানাকে নিয়ে লেখাটা লিখিনি। সমাজের সকল নির্যাতিতা নারীর কথাই উল্খেখ করেছি। তথ্যগুলো আড়াল করলেই মনে হয় ভালো ছিল। যেহেতু নারীরা বেশী নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, তাই তারা আমার ফোকাল পয়েন্ট। রুমানা একজন উপলক্ষ মাত্র।
৩। আমি কখনই বলিনি, পুরুষরা ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের শিকার হননা। যে সব পুরুষরা প্রতিনিয়ত ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের শিকার হচ্ছেন তাদের প্রত্যেকের প্রতি রইল আমার সমান সমবেদনা। রাষ্ট্রের আইন সমান হলে সব অন্যায়কারীরই (পুরুষ-নারী) সমান বিচার আশা করছি। অন্যায়কারী সবাই সমান সে পুরুষ বা নারী যেই হোন না কেন। আর সবার দায় তো আমার একার না। বরং আপনিও পুরুষ নির্যাতনের তথ্য গুলো দি্যে আমার মত একটা জ্বালামযী লেখা লিখুন। আমি সম্মানের সাথে পড়বো। আপনি কেন পুরুষ নির্যাতনের তথ্যগুলো আমাকে জানতে দিচ্ছেন না? এত রাখ-ঢাকের তো কিছু নেই।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯৩৮১(৭৩)    
লেখকের মন্তব্য

@ তথৈবচ, ভেবেছিলাম আপনার কথার সাথে আর কথা বলবো না, কিন্তু অনেকে মনে করতে পারেন দায় এড়িয়ে যাচ্ছি, তাই প্রথম পাতা্য যুক্তিটা খন্ডালাম, তাতে সবার নজরে আসে।
১। সংসদে যাবার অনুমতিই ছিলনা নারীদের বেশ কিছুদিন আগে পর্যন্ত, তারপর যাবার অনুমতি দেওয়া হল সংরক্ষিত আসনের মাধ্যমে। কেন? এটাও কি নারীর দোষ? এটা রাষ্ট্রের দোষ নয়? মৌলবাদী রাজনৈতিক দলের প্রভাব নয়? যেখানে বলা হচ্ছে নারী নেতৃত্ব হারাম বা ইসলাম পরিপন্থী। অ থচ আপনারা চিলাচ্ছেন নারীর খুব কোঠা দি্যে দিলেন। সব সুবিধা দিয়ে দিলেন।
২। নারীকে উৎসাহিত করার জন্য প্রাইমারী স্কুলে নারীর কোঠায় চাকরী দিলেন। চাকরী দিটে গিয়ে দেখলেন, ইন্টারমিডিয়েট পাশ নারীও কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না, সরকার তড়িঘড়ি করে, এসএসসি পাশ নারীদের শিক্ষকের পদে ঢোকালেন। একজন এসএসসি পাশ নারীর কাছ থেকে আপনারা কত ভালো শিক্সা আশা করেন? রাষ্ট্র কে নারীদের শিক্ষিত করাতে পারলো না? কোঠা দিয়ে সব উদ্ধার করে ফেললেন?
৩। সারাজীবন বাসে দেখে আসলাম ২/৩ সীটের উপর লেখা ,"মহিলা সীট।" কেন মহিলাদের কাজে যাবার জন্য সমান সমান যানবাহন নেই, যাতে তারা স্বাচ্ছন্দে উঠটে পারবে? কেন মহিলারা পুরুষ সহযত্রীর পাশে বসে যেতে এখনও নিরাপদ বোধ করেন না? নিরাপত্তা নেই বলেই সংরক্ষিত াসনে গাদাগাদি ঠাসাঠাসি করে যান। তাই পুরুষ যাত্রিটি অসুস্থ হয়েও যাদি কোন মহিলা আসনে বসে পড়েন, তবে স হ জেই কন্ডাক্টর বলতে পারে, ভাই মহিলা সীট ছেড়ে ওঠেন।মহিলারাও তাতে লজ্জিত হোন না। শুধু ভাই বড়াই করলে তো হবে না। নিজেদেরও বদলাতে হবে।
আমি একটা উন্নত দেশে এখন আছি, এখানকার মেয়েরা আমাদের দেশের মেয়েদের চেয়ে ১০০ গুন পরিশ্রমী। এখনকার মহিলারা বাসে -ট্রামে, কাজের জায়গায় কোথাও এক্সট্রা সুবিধা চান না। কারণ ছোটবেলা থেকে তাদের কে সে ভাবেই মানুষ করা হচ্ছে। এটাকে বলে socialization process.
আমাদের দেশের ক'টা মেয়ে একা চলতে পারেন? কোথাও বেরুতে গেলে লাগেজ টানার জন্য বাবা, স্বামী অথবা বয়সে অনেক ছোটভাই রেডী থাকে। তাকে কখনই শেখানো হয় না, তুমি একাই বাইরে যেতে পার এবং তোমার লাগেজটা তোমাকেই টানতে হবে। এক্সট্রা সুবিধা পাবেনা। মহিলাদের শারীরিক ভাবে যোগ্য করে তোলা হয় না।
কয়টা statistic চান?
এদেশের নারীরা স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়ায়, নিজের কাজ নিজে করে। তিনটা ছোটছোট বাচ্চা, ভারী মাল পত্র নিয়ে বাসে ট্রামে যাতায়ত করে, কোন সুবিধা তারা স হজে নেয় না। শুনে আরও খুশী হবেন যে এরা সন্তান লালন -পালন খুব ভালো ভাবে করে। প্রয়োজন ছাড়া স্বামীর সাহায্য নেয় না। এরা সুন্দর করে সংসার করে। বাবা-মা'র যত্ন নেয়। সবই করে। এরা শার্ট -প্যান্ট পরে। এটা তাদেরকে ব্যাটাছেলে বানয়না। বরং তিন-বাচ্চা মাল-পত্র নিয়ে বাসে-ট্রেনে চলটে সাহায্য করে।
আবার ধরে নেবেন না যে, আমি দেশের সব মেয়েদের শার্ট-প্যান্ট পরতে উৎসাহিত করছি।।।।।মোটেও তা নয়। আমাদের দেশের মেয়েদের পোষাকও অনেক ক্ষেত্রে তাদের কাজের অন্তরায়। একটা মেয়ে শাড়ি সামলিয়ে, একটা আধহাত ঘোমটা সামলিয়ে, কোলে এক বাচ্চা নিয়ে আর দু হাতের দু আঙ্গুলে দুই বাচ্চাকে নিয়ে, কাঁধের ব্যাগ সহ, একজন অফিসের ব্যাগ হাতে ঝাড়া-হাত পা পুরুষের মত কোন সুবিধা না নিয়েই কাকরাইলের মোড় থেকে লাফ দিয়ে পাবলিক বাসে উঠে রওয়ানা দেবে কি ভাবে আশা করেন?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯২৫৭(৭৪)    

খুবই প্রাসঙ্গিক। এই ধরনের পরিসংখ্যান ভিত্তিক লেখা আমি খুঁজে বেড়াচ্ছি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯৩৬৬(৭৫)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ ডাইনোসর।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯২৬৫(৭৬)    

কয়েক দিন হল ব্লগে রুমানাকে নিয়ে লেখা গুলো শুধু পড়ছি। আর এখন প্রথম বারের মত কমেন্ট করতে লগ ইন করলাম। আমি সবার লেখা বা মন্তব্য মনযোগ দিয়ে পড়ার চেষ্টা করেছি। সবার মধ্যে অনেক মতপার্থক্য থাকলেও একটা বিষয়ে সবাই একমত, এধরনের ঘটনা বন্ধ হোক এবং অপরাধীর শাস্তি হোক। কিন্তু এতেই কি সব সমাধান হবে? উত্তর না। কারণ এসবের মূল উৎস নির্ধারন করে তা সমূলে উৎপাটন করতে না পারলে বার বার এসকল ঘটনা ঘটবে আর আমরা বুলি আওরাব। আমি যতটুকু বুঝি এসবের মূল উৎস গুলি হচ্ছে-----

১। ভোগবাদী মানষিকতার বিকাশ ও মিডিয়ার স্বেচ্ছাচারিতা
২। সুস্থ সংস্কৃতির চর্চার অভাব এবং অপসংস্কৃতি-অশ্লীলতার ব্যপক প্রসার ও চর্চা
৩। বৈজ্ঞানীক যুক্তি নির্ভর চিন্তার চর্চার প্রতি রাষ্ট্রীয় উদাসীনতা
৪। সম্পতির উত্তরাধীকারসহ সমাজের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমঅধিকার নিশ্চিত না হওয়া
৫। ধর্মীয় পশ্চাদপদ কূপমুন্ডক চিন্তার কুপ্রভাব

আমরা যদি এসব বিষয়ে সোচ্চার না হই, আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার। কারণ অপরাধীর শাস্তি হলেই শুধু অপরাধ বন্ধ হয় না।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯৩৫৩(৭৭)    
লেখকের মন্তব্য

আমিও সেটাই বলার চেষ্টা করেছি রঞ্জন। আমার লেখাটা মনযোগ দিয়ে পরার অনুরোধ রইল।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯৬২৮(৭৮)    

সময়োপযোগী এবং তথ্যসমৃদ্ধ লেখাটির জন্য শাপলাকে উত্তম জাঝা ভালো লাগছে / পুরাই একমত / জটিল ভালো লাগছে / পুরাই একমত / জটিল ভালো লাগছে / পুরাই একমত / জটিল

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১২৯৮৫০(৭৯)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ বাতিঘর, আমি বিনীত।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৩৪৬(৮০)    

তথ্যপুর্ন লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
সমাজে নারীর অবস্থান সবসময়ই গৌন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৭৩৪(৮১)    
লেখকের মন্তব্য

হ্যাঁ আপানার সঙ্গে একমত। সমাজে নারীর অবস্থান সব সময়ই গৌন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৪৪৯(৮২)    

এরকম একটা পরিসংখ্যান ভিত্তিক লেখার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৭৩৫(৮৩)    
লেখকের মন্তব্য

আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ মায়াবতী।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৮৮৬(৮৪)    

পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার উৎকট প্রকাশে পুরুশ শ্রেণীভুক্ত হওয়াতে নীম্নজাতের প্রাণীর মতো একটা প্রবল লজ্জারবোধ আমার ভেতর কাজ করতে শুরু করে , যখন থেকে বুঝতে শিখেছি । এই লজ্জাটা প্রবলতর হচ্ছে দিনেদিন !

আমি এমন একটা পরিবেশে দিনাতিপাত করছি, যেখানে প্রায় সবরকম মিশ্র মানসিকতার লোকজনের দেখা মেলে । এখানে কিছু লোক বিভ্রান্ত, রোমানাকে অন্ধ করে দেয়ার কারণ নিয়ে । কিছু লোক মনে করেন, রোমানাকে হত্যা করাটাই সঠিক কাজ ছিল । শুধু অন্ধ করে দেয়া আর কামড়ে নাক তুলে ফেলবার কাজটা অতোটা অমানবিক হয়নি , কৃতকর্মের ফলমাত্র । অল্পসংখ্যক মানুষ মনে করেন হাসান সাঈদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া খুব দরকার ।

আমি এদের সঙ্গে বিতর্কে জড়ায় না । আমার ভাবনাও সেই অর্থে প্রকাশীত হয়না । ভাবি,-
১.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা যার স্বামী দেশের আরেক মেধাবীদের প্রতিষ্ঠান বুয়েট থেকে পাশ করা প্রকৌশলী, সেই স্ত্রী যদি স্বামীর হাতে নিরাপদ না হন, তো সাধারণদের অবস্থা কী ?
২. তর্কের খাতিরে ধরে নেই, রোমানার পরকীয়া ছিল, কথিত প্রেমিক এর সঙ্গে তার হয়তো শারীরিক সম্পর্কও হয়েছিল, তাহলেও কি চোখে আঙ্গুল ঢুকিয়ে অন্ধ করে দেয়াটা জায়েজ হয়ে যায় ?

পুরুষতান্ত্রিক

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৮৮৭(৮৫)    

৩.বিবাহ বিচ্ছেদটাই কি সর্ব্বোচ্চ শাস্তি বা সঠিক সিদ্ধান্ত হতে পারতো না ?

পুরুষতান্ত্রিক বিকৃত মানসিকতা নিপাত যাক !

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩০৯৫৪(৮৬)    
লেখকের মন্তব্য

পুরুষতান্ত্রিক বিকৃত মানসিকতা নিপাত যাক!

সাধারণের অবস্থা খুব খারাপ আরাশি।

নারীরাও যদি এমন করে (হাসান সাইদের মত)তবে নিপাত যাক নারীর বিকৃত মানসিকতাও। আমরা মানুষের কাছে এসব আশা করিনা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১০৫৬(৮৭)    

খুব বেশি সুন্দর হয়েছে লেখাটা।
কিন্তু আফসোস আমাদের সমাজে আজও এমন পুরুষ আছে যারা মেয়েদের অত্যাচার করা টা তাদের ধর্ম মনে করে। আর কিছু কিছু অপদার্থ পুরুষ আছে যারা কখনই এটা মেনে নিতে পারেনা যে তার পার্টনার তার চেয়ে ভালো পোস্ট এ চাকরি করতে পারে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১৩১৫৩৬(৮৮)    
লেখকের মন্তব্য

হ্যাঁ ভাই আপনি একদম ঠিক বলেছেন, আর পুরুষের চেয়ে তার নারী সঙ্গী যোগ্য হবে, এটা শুধু বাংলাদেশ নয়,বিশ্ব জুড়েই এখনও অনেক পুরুষ মেনে নিতে পারেনা।

 

মন্তব্য করুন

এই তথ্যটি সর্বদাই গোপন রাখা হবে এবং কোন অবস্থাতেই তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
ছবি যাচাই
আপাতত: শুধু মানুষদের জন্যই আমাদের দুয়ার খোলা। পরে নাহয় রবোট, বায়োবট বা এন্ড্রয়েডদের কথা বিবেচনা করা যাবে।
3 + 0 =
এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করুন এবং সঠিক উত্তরটি উপরের ঘরে লিখুন। যেমনঃ ১+৩ এর জন্য লিখুন ৪।