শূন্য আরণ্যক-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

রোবোটনানার বাঁশবাগান ব্লগে আমার নামে অপবাদ রটানো হয়েছে - আমি নাকি এমন কোন বিষয় বাদ নাই যেটা নিয়া লিখি না ।
সেটার স্বার্থকতা রাখতে গিয়া লেখা শুরু করসিলাম - যে সব বিষয়ে ব্লগ লিখি না । কিছু দূর লিখার পর মনে হয় - মানুষ হাই তুলে গালি দিবে তাই ক্ষান্ত দিলাম ।
এখন আপনাদের সামনে নিয়া আসলাম আমার নামকরনের স্বার্থকতা প্রমান করার ব্লগ।
===
আমার রুমমেট ভাগ্য খারাপ না । ইউনি থাকতে প্রথম রুমমেট সবার সাথেই ভালো যোগাযোগ আছে ।
তবে আমার সবচে নতুন রুমমেট - অনেক সারপ্রাইজ করসে আমাকে । সেই দিন গাড়ীর চাবি খুজে পাচ্ছিলাম না - সারাঘরের কোনাকোনা সার্চ করেও পাই না । রুমমেটের সাথে পরিচয় ১০ দিন আগে । দুবার কথা হয়েছে।
সে কিছুক্ষন খুজলো এরপর বল্লো আমার গাড়ী নিয়ে যাও। তবে একসিডেন্ট করো না - নতুন একটা ঝকঝকে গাড়ীর জন্য আমি রেকর্ড ক্লিন রাখছি ।
ওর পিচকি গাড়ী নিয়ে কোনমতে অফিসে গেলাম । - আর সবচে মজার ব্যাপার হলো চাবি নিজের প্যান্টের পকেটে খুজে পেলাম 
ওর নাম হলো বেন । নতুন পরিচয়ে এমন স্বার্থহীন উপকার করতে খুব কম মানুষকে দেখেছি আমি ।
জুইশ ছেলে। ওর সাথে কথা বলে জানতে পারলাম - কোশার মাংস ছাড়া খায় না সে। সে আমাদের হালাল মাংসের চেয়ে বড়ো কেতা। ইসলাম ধর্ম যে জুইশধর্মের ভার্শন থ্রী আবারো মাথা চাড়া দিলো প্রশ্নটা। আমাদেরকে জিউ দের ঘৃনা করতে বলা হয়েছে কি এই কারণেই ?
যা হোক - ওকে বল্লাম তোমাকে খাওয়াতে নিয়ে যাবো -
তো পিজা হাটে খেতে খেতে এই পোষ্টের অবতারনা।

===
বেন সিরিয়াস পড়ুয়া টাইপের ছেলে - লইয়ার ডিগ্রী নিচ্ছে । বিশাল বিশাল আইনের বই পড়তে হয় - সেদিন ওর সাথে কথা বলতে বলতে টের পেলাম - সে সাইন্স ফিকশন আর সাইকোললজি আর সোস্যাল ফেনমেনন এর বিরাট ভক্ত । তাবৎ ক্লাসিক তার পড়া । আমিও একটু বই পড়ুয়া টাইপের । ব্যস ঝাড়া ২ ঘন্টা আড্ডা দিয়ে ফেল্লাম বইয়ের উপরেরই ।
খুব আশ্চর্যের ব্যাপার এই ধরনের পড়ুয়া মানুষ পাওয়া যায় না সাধারনত - আর দুজন পড়ুয়া একই বাড়ীতে ভাড়া থাকছে এই বিষয়টা আরো আশ্চর্যজনক ।
তো সেদিন বেন বলছিলো - ইষ্টার দ্বীপের কাহিনী।

যেটা আমরা অনেকেই জানি ইষ্টার দ্বীপের মুর্তির রহস্য পৃথিবীর সবচে জনপ্রিয় রহস্য গুলো একটা।
ছোটবেলায় সেবার বইয়ে আর রহস্য পত্রিকায় পড়েছি - ইস্টার দ্বীপের মূর্তি গুলো কে এনেছে কেউ জানে না ।
একটা থিওরীতে এও বল্লো - পৃথিবির বাইরে থেকে ভীনগ্রহের প্রাণীরা এসে মুর্তি বানিয়ে দিয়ে গেছে।
৮০র দশকে এইধরনের ভীনগ্রহের প্রাণীর কাহিনী ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলো । একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে এখন আর সেই ট্রেন্ডটা নাই ।
আরো অনেক থিওরী আছে ইষ্টার দ্বীপের মুর্তি নিয়ে ।

তো বেন বলছিলো - ইষ্টারদ্বীপ পৃথিবীর সবচে রিমোট জায়গা গুলোর একটা । হাজার মাইলের মধ্যে মানববসতি নেই । ইষ্টারদ্বীপের আরেক রহস্য হলো ৬৬ বর্গ মাইলের এই দ্বীপে বারো হাজার মানুষ বসতি করতো একসময় । হঠাৎ করে সেখান থেকে মানুষ সব উধাও হয়ে গিয়েছিলো।
মহাকাশ থিওরীকে বাতিলের খাতায় ফেলে এখন একটা নতুন থিওরী আসছে । আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে অনেক গ্রহনযোগ্য ।
সেটা হলো - মাওয়ি মুর্তিগুলোকে ঈশ্বরের প্রতিরুপ মনে করতো ইষ্টারদ্বীপবাসীরা । দ্বীপের জনসংখ্যা যখন বেড়ে গেলো রিসোর্স(খাবার ও অন্যান্য) তখন আশংকাজনক ভাবে কমে যেতে লাগলো । সেটা দৈবদূর্যোগ ভেবে - পুরোহিতরা সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে সর্বোচ্চ রিসোর্স নিয়ে আরো মুর্তি নির্মানে লোকজনকে নিয়োগ করলো।
শেষে রিসোর্স যখন একবারে শেষ হয়ে গেলো - মানুষ ক্যানিবাল হয়ে গেলো । নিজেদের খুন করলো - সাথে পুরোহিতদের এবং মুর্তি গুলোকে ধ্বংস করাতে চাইলো ।
এভাবে এরা নিজেদের শেষ করে দিয়েছিলো ।
এই থিওরীটা প্রমানিত কিনা সেটা আমি জানি না।
কিন্তু বিচিত্রভাবে বর্তমান পৃথিবীর সাথে ইষ্টারদ্বীপের অবস্থার দারুন মিল পাওয়া যায় ।
মুর্তির বদলে এখন তার স্থান নিয়েছে কনসুমারিজম আর তেলের প্রতি ডিপেন্ডেসী।
পৃথিবীর রিসোর্সের যে পরিসংখ্যান দেখায় তারা সেসব আসলে আরো ৩০ বছর আগের। প্রতিবছর আমরা নতুন করে রিসোর্স নষ্ট করছি ।
আমাদের জেনারেশন আর তার আগের জেনারেশন অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনার মচ্ছব করেছি ।
তেল পুড়িয়ে চলছি আনলিমেটেড ভাবে । জনসংখ্যা বেড়ে চলছে নিয়ন্ত্রনহীন ভাবে ।
অচিরে এসব কন্ট্রোল করা না গেলে ইষ্টার দ্বীপের বেশ বড়ো সংস্করন আমাদের চোখের সামনেই দেখবো।
যখন মানুষ মানুষকে হত্যা করবে মাংসের জন্যে ।
ফুটনোট: লেখাটা না পড়লেও এই ভিডিওটা দেখেন সবাই -
অবশ্যই দেখতব্য
জ্যারেড ডায়মন্ডের হোয়াই সোসাইটি কোলাপ্স ।
এটা দেখলে ইষ্টার দ্বীপ সম্পর্কে দারুন আইডিয়া পাওয়া যাবে।
http://sacredsites.com/americas/chile/easter_island.html
মন্তব্য
প্রথম মন্তব্য দিলাম। জানিনা এর মাঝে আর কেউ দিয়ে দিল কিনা!!!!!
আরণ্যক , আরো কি একটু তথ্য দেয়া যায় ? জানতে ইচ্ছে করছে।
লেখকের মন্তব্য
কোন ব্যাপারে তথ্য ?
জুউস --> জুইশ
মুসা নবী, ঈসা নবী যে মুসলমানদের নবী, জানতেন না আগে?
কুরআন থেকে উদ্ধৃতি দেই?
"Surely, those who believe, those who are the Jews and the Sabians and the Christians – whosoever believed in Allah and the Last Day, and worked righteousness, on them shall be no fear, nor shall they grieve."
[আল কুরআন; ৫:৬৯]
ধর্ম সম্পর্কে উড়াধুরা কমেন্ট ভাল পাই না। কুরআন আর ইহুদীদের নিয়ে এর আগেও আপনার উদ্দেশ্যে এই পোস্টে লিখছিলাম (পোস্টের ৫৪ নম্বর মন্তব্য দ্রষ্টব্য)।
এই পোস্টে এটাই আমার শেষ কমেন্ট।
লেখকের মন্তব্য
নবী কেন ? কারন তাদের অন্তর্ভূক্ত না করতে পারলে ধর্মটার খুটি গাড়া যায় না ভালো ভাবে ।
মুহাম্মদ (সঃ) শেষ নবী কেন ? তারচে ভালো মানুষ পরবর্তীতে জন্ম নেয়া পসিবল ছিলো না ?
আমাদের মাঝে এখনো নেতা প্রয়োজন । শেষনবীর ধারনাটা ভন্ডামি ছাড়া আর কিছু না ।
==
জিউদের কোরানে ঘৃণা করতে বলা হয় নাই ? বলা হয় নাই তাদের অনেকবার অনেককিছু দেয়া হইসে তারপরো তারা পথে আসে নাই ?
আহমেদদিনেজাদের মতো আপনেও কী বিশ্বাস করেন - হলোকাষ্টের ঘটনা কাল্পনিক ?
==
হাসতেই আছি আপনার দৌড়াদৌড়ি দেখে
কমেন্ট কমেন্ট খেলবেন না ?? এই পোস্টে এটাই লাষ্ট কমেন্ট
কিসের মধ্যে কি, পান্তা ভাতে ঘি!
প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সেক্যুলার ওয়র ছিলো, জানা নেই আপনার???
গেট ইয়র ফিগারস কারেক্ট, ফার্স্ট অব অল।
কুরআনের কোথায় লেখা আছে নেতা আসবে না???
ধর্ম নিয়ে আজাইরা, উড়াধুরা, বেইযলেস, মানুষের মুখে শোনা কথাকে বেইয করে 'ধর্মের বাণী' শোনানো, কমপ্লিটলি আউট অব কনটেক্সট রেফারেন্স টানা, কুযুক্তির আলাপের মধ্যে আমি নাই।
এই পোস্টে দ্বিতীয়বারের মত মন্তব্য করে নিজের উপরই প্রচন্ড বিরক্তবোধ করছি আমি।
------------------------------
উইকএন্ড ভাল কাটুক আপনাদের তিনজনের।
আমার লেখা উপরের মন্তব্যে একটা নেগেটিভ রেটিং দেখছি।
যিনি নেগেটিভ রেটিং দিয়েছেন, তিনি যদি সামনে এগিয়ে এসে আমাকে নেগেটিভ রেটিং দেবার কারণটা ব্যাখ্যা করেন, তবে খুব খুশী হব।
আমার জেন্যুইনলি কৌতুহল হচ্ছে নেগেটিভ রেটিংয়ের কারণ জানবার জন্য।
অনেক ধন্যবাদ।
ইনফ্যাক্ট, আমারো খুব কৌতুহল হচ্ছে।
অনামিকা আপু, আপনার কথাগুলোর সাথে আমিও একমত। আমরা অনেকেই ধর্ম সম্পর্কে ভালোভাবে না জেনে অনেক কথা হুট করে বলে ফেলি।
কোরআনের একেকটা আয়াত একেক সময় নাযিল হইয়েছে, এগুলোর প্রকৃত অর্থ জানতে হলে আয়াতের শানে নুযূল, ওই সময়ের আরবের অবস্থা এবং ক্রনোলজিক্যাল ব্যাপারটাও খেয়াল করতে হবে। আমরা অনেক সময় হুট করে কোরানের একতা আয়াতের কিছু অংশ কোট করি (নিজেদের সুবিধামতো), এর আগে পিছে দেখি না, এতে পুরো অর্থটাই চেইঞ্জ হয়ে যায়।
আমি কোরানের কোথাও এই কথা লেখা দেখেনি যে, আল্লাহ বলেছেন তোমরা ইহুদীদের ঘৃনা করো। কোনো কোনো আয়াতে, যতটুকু জানি, সেই সমইয়ের ইহুদীদের কথা নেগেটিভলি এসেছি (আমি খুব দুঃখিত, সময়ের কারণে রেফারেন্স দিতে পারছি না), কিন্তু সামগ্রিকভাবে কখনোই তা বলা হয় নি। একজন মুসলিম হিসেবে কিন্তু আমি একজন ইহুদীকে বিয়ে করতে পারবো (আহলে কিতাবধারী হিসেবে), কিন্তু একজন হিন্দুকে পারবো না (আমি জানি না, হিন্দুরা আহলে কিতাবধারী কিনা, কোরানে উল্লেখ নেই। হিন্দুদের কোন নেতা নবী ছিলেন কিনা, তাও জানি না, তবে জানি নবীদের সংখ্যা ছিলেন এক লক্ষ্ বা দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার, আমরা মাত্র ৪০ এর মতো নবীদের নাম জানি), তাহলে কীভাবে কোরানে বলা হলো ইহুদীদের ঘৃনা করতে।
আমরাতো মুসাকে নবী মানি, ইহুদীরা কিনা মুহাম্মদকে নবী মানে? কারা বেশি এগ্রেসিভ? আমি নাস্তিক- আস্তিক প্রশ্নে কারো সাথে বিতর্কে যাই না, কারণ, নাস্তিকরা খণ্ডিত আয়াত ব্যবহার করে নিজেদের সার্থে।
যাহোক, অনেক কথা বলে ফেলেছি, কেউ মনে কষ্ট পেলে দুঃখিত।
প্রিয় নিয়াজ ভাইয়া,
আপনার মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ!

আপাতত 'ফুল' (মতান্তরে 'ইট') রাখলাম।
পরে বিশদভাবে মন্তব্য করবার ইচ্ছা রইল।
খুব ভাল থাকবেন, ভাইয়া!
লেখকের মন্তব্য
এটা খুব চমৎকার একটা অজুহাত । আপনার কী মনে হয় না - যে সময়ে কনটেস্কটে এই আয়াত নাজিল হলো সেটা যদি শুধু সেই সময়ের কনটেক্সটে নাজিল হয়ে থাকে তাহলে
এখন সেটা পড়ার দরকার কী ?
তাহলে আউট কনটেক্সট জিনিস পড়ার আর ফলো করারই বা দরকার কী ।
আমার ধর্মের প্রতি কোন বিদ্বেষ নেই - বরং সহমর্মিতা অনেক বেশী ।
হতে পারে ইহুদীরা সে সময় বিট্রে করেছিলো - তাই বলে পুড়ো একটা জাতে খারাপ বলা
- রেসিজম ছাড়া অন্য কিছু নয় ।
এই পোস্ট যারা জিউদের সম্পর্কে মন্তব্য করতে আসবেন - তারা দয়া করে পরিস্কার করবেন - তার জিউদের সম্পর্কে কী মনে করেন । আর তাদের ধর্মে তাদের সম্পর্কে কী বলা আছে।
গোড়ামি মনে রেখে কখনো আলোকিত মানুষ হওয়া যায় না ।
লেখকের মন্তব্য
আপনি এতো রেগে যান কেন - ধার্মিকদের রাগ দেখলে আরো খোচাতে ইচ্ছে করে ।
যারা যুক্তি খুজে পায় না - তারা রেগে গিয়ে তর্কে জিততে চায়
===
হলোকাষ্ট নিয়ে আপনাকে যেটা জিজ্ঞেস করেছি সেটার উত্তর দিন আগে । তাহলেই দুধ কা দুধ পানি কা পানি হয়ে যাবে ।
সেক্যুলার ওয়ার ছিলো না কী সেটা পরে যানলেও চলবে।
===
ফালতু কথা বলার আগে - মগজের মধ্যে দশবার চিন্তা করে নিবেন ।
আপনি উড়াধুরা , বেইজলেস কথা বলে অভ্যস্ত হয়তো । আমি না ।
আমি ভুল করি না এমন না - তবে ভুল করলে স্বীকার করতে যানি।
এই খানে উড়াধুরা ফালতু কথা কোনটা বলা হয়েছে পয়েন্ট আউট করেন - এর পর কথা হবে ।
৬০ লক্ষ জিউ মারাকে কোন ভাবে হালাল করেন দেখার খুব ইচ্ছে হচ্ছে ।
ভাই শূন্য আরণ্যক, কেন ধর্ম নিয়ে কথা বলতে যান? ধর্মকে যারা বর্ম হিসেবে আঁকড়ে ধরে রেখেছে তারা খুব সহজেই ক্ষেপে টেপে যাচ্ছে-তাই ঘটিয়ে ফেলতে পারে। যে সব কথায় ধর্মের 'ধ'ও নেই, তেমন কথা বলবেন আর লিখবেন শুধু। দূরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন।
প্রিয় নাজমুল ভাই,
মাত্র কিছুদিন আগেই একজন সহব্লগার আপনাকে উদ্দেশ্য করে ভিত্তিহীন কিছু উপহাসমূলক মন্তব্য করেছেন চতুর্মাত্রিকেরই একটা পোস্টে।
সেই পোস্ট পড়ে আপনাকে যারা গভীরভাবে ভালবাসেন, তাঁদের প্রতিক্রিয়া তো আপনি দেখছেন, দেখেননি কি?
তবে, আমি যে মতাদর্শকে গভীরভাবে ভালবাসি, তার বিরুদ্ধে যদি ভিত্তিহীন অপবাদ দেওয়া হয়, আমার কোনরকম প্রতিক্রিয়া হবে না, তা আশা করাটা কি অযৌক্তিক হয়ে যায় না?
ধর্ম ধর্ম করে যারা জান-প্রাণ দিয়ে ফেলে, তারা বড্ড বেশি অসহিষ্ণু আর ধৈর্যহীন। ধর্ম নিয়ে কিছু জানতে চাইলেই তারা মনে করে যে, ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করা হলো। সব কিছুই সবাই জানে বা বোঝে, তা কখনোই হতে পারে না। না বুঝে একটা কথা , সেটা হতে পারে ভুল, বলে ফেললেই ক্রোধে অন্ধ হয়ে তাকে আক্রমণ করে বসতে হবে, এটা নিশ্চয়ই কোন ভাবেই সমর্থনযোগ্য হতে পারে না। যে বা যারা জানে না, তাদের জানাবার শিক্ষা কী ধর্ম দেয় না? উপযুক্ত জ্ঞান বা শিক্ষার অভাবে কোন বিষয় যদি কারো কাছে অসঙ্গত মনে হয়, আর সেটা সে প্রকাশ করে, তাকে না বুঝিয়ে মারমুখী হলে কারো জন্য কী মঙ্গলজনক হতে পারে তা? যে অপবাদ ভিত্তিহীন, তা কেন ভিত্তিহীন, সেটা জানা থাকলে কেউ তো অপবাদ দিত না। তাকে জানানো উচিত যে সে অপবাদ কেন ভিত্তিহীন।
এটার উত্তর নিয়াজ ভাইয়ের পোস্টের #২১৩৮৯৬(১) এখানে দিলাম।
পড়লাম-মজা পাইলাম।
ভিডিওটা দেখে আরও বেশী মজা পাবো মনে হয়।
লেখকের মন্তব্য
দেখার আগেই দেখি নাচ শুরু করে দিয়েছেন ?
কদিন আগে একটা মুভিতে (HOP) শুরুতেই এই দ্বীপটা দেখেছিলাম।
আপনার পোষ্ট থেকে অনেককিছু জানলাম।... তবে আরও জানার আগ্রহ রহিয়াছে।
++
লেখকের মন্তব্য
http://www.sachalayatan.com/taxonomy/term/1521
জারেড ডাইমন্ড এর কলাপ্স এর মাধ্যমে প্রথম এই দ্বীপ সম্পর্কে জানতে পারি। অদ্ভুত। আমি তার যুক্তিতে কনভিন্সড।
তবে আমার সোজাসুজি মতামত হল, আপনি যাই করেন না কেনো ইষ্টার আইল্যাণ্ড এর পরিনতি ঠেকাতে পারবেন না। এবং এটা সভ্যতার একটা পর্যায়ে আসবেই। পৃথিবী সীমিত সম্পদ উতপাদন করছে। আমাদের খাদ্য, পানি, জ্বালানী এবং জমি সবই নির্দিষ্ট। সুতরাং পৃথিবীর প্রতিটি জনসঙ্খ্যা বাড়ার সাথে সাথে আমরা সীমিত সম্পদকে আরেকটু সীমিত করে দিচ্ছি। আর ১০০ বছর পরে অধিকাংশ এশিয়ান দেশের মানুষ বেচে থাকার খাদ্য, পানি, জ্বালানীর জন্য অন্যজঙ্কে খুন করবে। বাংলাদেশে ইতিমধ্যিই কিন্তু প্রয়োজনের জন্য আমরা মারামারি করছি (অতিরিক্ত ভোগের জন্য না, নেহাত দরকারেই মারামারি করছি)।
শেষ কথা হলো আমরা ইষ্টার আইল্যান্ড থেকে কিছুই শিখিনি। শুধুমাত্র ধংশ হবার শিক্ষাটা ছাড়া।
ডকুমেন্টারি টি দেখতে পারেন। ভালো লাগবে।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ লিংকটার জন্য ।
আমি যদিও হতাশাবাদি নই - তারপরো মনে হচ্ছে আপনার কথা ঠিক
The only thing we learn from history is that we learn nothing from history. - by Hegel, Friedrich.
লেখকের মন্তব্য
চিন্তার বিষয়! আর চিন্তাই বা কিসের? সব কিছুই তো মিশে যাবে ধুলায়!
লেখকের মন্তব্য
ছাই থেকে ছাই - ধুলা থেকে ধুলা
পড়লাম।
লেখকের মন্তব্য
হুমম
এরকম বিষয় নিয়া লেখা পড়তে মুঞ্চায়। লিখতে থাকেন। সভ্যতাকে রক্ষা করবে সভ্যতাই।
লেখকের মন্তব্য
করতে পারবে না মনে হয়
পোস্ট সেরাম হইছে। আপনে লোক বেশি ভালো না হইলেও পোস্ট মাঝেমইধ্যে সেরাম বিষয় নিয়া দেন। এগুলি নিয়া একটু পড়তে হবে ভালু মত ভাবতাছি।
লেখকের মন্তব্য
হিমুর লিংকটা ফলো করো
হা হা , ইস্টারদ্বীপ নিয়ে মুসলমানরা বলে জীবরাইল আর আজরাইল এইখানে মারামারি করসিলো তাই সব হাওয়া হয়ে গেসে - "সহীহ মুস্লিম - ১৩০/১১"
বৃশ্চিক,
কেমন আছেন?
আপনার স্টেইটমেন্টের সমস্যা যেটা, সেটা হল-
ইসলাম ধর্মানুযায়ী, জীবরাইল আর আজরাইল হল ফেরেশতা - ফেরেশতাদেরকে কোন free will দেওয়া হয়নি। কাজেই তারা নিজেদের মধ্যে মারামারি করবে - এটা অবান্তর। ওকে?
আরও বড় যেই সমস্যা, সেটা হল, আপনি যে রেফারেন্স দিলেন:-
এটা যে পুরো চাপাবাজি, সেটা আমি বুঝতে পারলেও চতুর্মাত্রিকের সকলেই, কিংবা আর যারা ফেইসবুকের কল্যাণে আপনার মন্তব্য পড়বে, তারা কিন্তু সবাই ধরতে পারবে না। হয়তো কেউ কেউ আপনার মন্তব্য পড়ে বিভ্রান্ত হবে। আপনার চাপাবাজিকে 'সত্যি' ভেবে নিয়ে ঠিক আরণ্যকের মতই 'ধর্মের বাণী' নিয়ে কনফিউশনে থাকবে।
এখন যেমন আরণ্যকের ধারণা, যে ইসলামে ইহুদীদেরকে ঘৃণা করতে শেখানো হয় - আপনাদের মতই মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত চাপাবাজিকে সত্য ধরে নিয়ে মানুষ কনফিউজড থাকে।
------------------------
এই সবের কারণেই ধর্ম নিয়ে বেইযলেস মন্তব্যের প্রত্যুত্তর দেওয়া থেকে সাধারণত দূরে থাকি।
মিথ্যা তথ্য ও রেফারেন্স দেবার জন্য আপনার কমেন্টে মাইনাস দিচ্ছি - কারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা ঠিক না (তা আপনি যতই ফান করেই করুন না কেন - আর ফান করে কোন মন্তব্য করে থাকলে, তা স্পষ্টভাবে আপনাকে উল্লেখ করতে হত)।
মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন ।
তবে এটুকু নিশ্চিত ব্লগ দেখে কেউ বিভ্রান্ত হবে সেই যুগ শেষ , এত দূর্বল ঈমান নিয়ে মুস্লিম হলে তো সমস্যা !
প্লাস মাইনাস নিয়ে মাথাব্যাথা নাই , মোহাম্মদপুরে হায়দার বাবা নামের বিশাল আলেম দেখা গেসে যে রাস্তা ঘাটে শুধু হেঁটে বেড়ায় আর জ্যাম সৃষ্টি করে । এইখানে অফটপিক নিয়ে আলোচনার কোন দর্কার নাই, এসব বিরক্তিরই উদ্রেক করবে ।
কথাটা যৌক্তিক হল না, বৃশ্চিক।
ধর্ম নিয়ে আপনি একটা মিথ্যা রেফারেন্স দেখিয়েছেন, যেটা কোনভাবেই কাম্য নয় - এটা হল আমার পয়েন্ট। আপনার রেফারেন্সটা অবশ্যই বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করবে তাদের জন্য, যারা আপনার রেফারেন্সের সত্যতা যাচাই করবে না - অধিকাংশ মানুষই রেফারেন্স যাচাই করার মত ধৈর্য রাখে না।
--------------------------------------------
অফটপিক উত্থাপন না করলে, অফটপিক নিয়ে আলোচনার প্রশ্নও আসতো না।
অনামিকা আপু, আপনার কমেন্টে ভোট আপ, আর বৃশ্চিকের দুটো কমেন্টেই মাইনাস-- ভুল তথ্য রেফারেন্স আকারে উথথাপন করার জন্য।
অছাম
লেখকের মন্তব্য
ধার্মিকদের নিয়ে রসিকতা করতে গেলে পিঠে কুলা বাধা ফরজ কাজ
হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন আপনি, ঠিক যেভাবে জাতীয় সঙ্গীত কিংবা দেশের মানচিত্র নিয়ে রসিকতা করতে গেলেও পিঠে কুলা বাঁধা ফরজ কাজ!
অনেক কিছু জানালাম।
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ । আমার ব্লগে স্বাগতম
পোস্ট টা পড়লাম।
খুব চমৎকার ভাবে উপস্থাপন করেছেন কিছু জিনিস। যেইসব ব্লগার রা কিছু পাইলেই কপি পেস্ট মারে এই লেখাটা পড়ে তারা শিখতে পারে কীভাবে ব্লগ লিখতে হয়।
যাউকগা টপিকে বলি, সব সভ্যতা ছোট হোক কিংবা বড় হোক ঠিক একই পরিণতি নিয়েছে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে ঐ ইস্টার দ্বীপের মতো। ডকুটা ভালো পাইলাম। আমরা নিশ্চিতভাবেই ইস্টার দ্বীপের পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। সেটা ঠিক কয় বছরের মাঝে হবে সেটা বুঝাই হলো দরকারী। আমাদের ভোগবাদের মাত্রাই হয়তো নির্ধারণ করে দেবে আমাদের বিলুপ্তির সময়কাল।
ভালো থাকবেন।
লেখকের মন্তব্য
জ্যারেড ডায়মন্ডের ভিডিওটা দেখো পোস্টে - অনেক ইন্টারেষ্টিং তথ্য আছে সেখানে ।
আরন্যক ভাইয়া, আপনার পোস্টটা ভালো লাগলো। বিশেষ করে থিওরীটা (আমি আগে জানতাম না) এবং অবশ্যই অবশ্যই ভিডিও দুটা।
আপনার লেখার যে অংশে আমার আপত্তি ছিলো, দেখতে পেলাম, আমার আগেই অনামিকা আপু সেটা নিয়ে বলেছেন, তাই আমি ওই মন্তব্যের থ্রেডেই আমার কথাও লিখেছি।
ভাইয়া, আপনার কাছ হতে এই রকম আরো পোস্ট আশা করছি।
খুব ভালো থাকুন।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ
ভালো কথা, আপনি আরণ্যক থেকে শূণ্য আরণ্যক কবে থেকে হলেন? খেয়ালই করিনি আমি
লেখকের মন্তব্য
শূন্য আরণ্যক করলাম অথেনটিসিটির জন্য ।
ব্লগে ব্লগে আরণ্যক ছড়িয়ে গেছে।
সামুতে শূন্য আরন্যকই ছিলো আমার একাউন্ট ।
দেখি কতোদিন ভালো লাগে এটা
" শেষনবীর ধারনাটা ভন্ডামি ছাড়া আর কিছু না ।"
- এই স্টেইটমেন্টটাতে বিশ্বাসীদের কারও অনুভূতি আঘাতপ্রাপ্ত হবেনা, আরণ্যক? ইসলাম বিশ্বাসের একেবারে গোড়ায় আছে কিন্তু বিষয়টা।
- ধর্ম নিয়ে তর্কে আমি কখনোই জড়াইনা। মুখ্য কারন জ্ঞানের অভাব, গৌণ কারন, সেইসব তর্ক আল্টিমেইটলি কোথাও পৌঁছায় বলে মনে করি না। আত্মতৃপ্তিলাভ তার রঙ ও জৌলুশ দিয়ে, এই একটা বিষয়ে অন্তত, আমাকে আকর্ষণ করে না। চতুর্মাত্রিকে ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করাকে তীব্র ভাবে নিরুৎসাহিত করা হয় বলেই জানি।
- শুভ কামনা রইলো।
লেখকের মন্তব্য
ধর্মীয় অনুভূতি কিভাবে আঘাত প্রাপ্ত হলো - আমার মনের সন্দের কথা আমি প্রকাশ করেছি ।
মুহাম্মদ (সঃ) মতো সেই সময়ের হিসাবে "আলোকিত" মানুষ কিভাবে বলেন - নবী আসবে না ?
দুনিয়াতে সব সময়ই উজ্জল মানুষ আসছেন । মানবজাতিকে উজ্জলতার পথ দেখাচ্ছেন । নবী আসতে পারবে না - এই জিনিসটা আমি খুব ছোট মনের চিন্তাভাবনার প্রকাশ বলে মনে হয় ।
এটলিষ্ট মুহাম্মদ (সঃ) কে ইসলাম ধর্মে যেভাবে চিত্রিত করা হয়েছে তার সাথে কোন ভাবেই যায় না এটা।
একটু চিন্তা করে দেখবেন । কেন শেষ নবী - আর নবী আসলে সমস্যা কী ?
পীরদের ব্যবসা ।
তবে ভেবেন না আমি মনে করি ইসলাম কোন ভাবেই ক্ষতিকারক - সেসময়ের হিসাবে অনেক এ্যাডভান্সড ছিলো ইসলাম । যদি কোন ভুল তারা করে থাকেন - সেটা প্যাশনেটলী করেছেন এটা আমি বিশ্বাস করি ।
'আলোকিত' মুহাম্মদ (সঃ) তো নিজের কথা নিজে বানিয়ে বলেননি । আপনি হয়তো জেনে থাকবেন, ওহীতে পাওয়া তথ্য যা কুরাআনের আয়াত হিসেবে অবতীর্ণ হতো, সেই তথ্য তিনি প্রচার করতেন । মুহাম্মদ (সঃ) শেষ নবী এটা আল্লাহর ইচ্ছা, কুরআনের কথা ।
নবী কেন আর আসবে না এই প্রসঙ্গটাও আপনি আরেকটু বিশদ জানতে পারবেন এ বিষয়ে একটু খোঁজ খবর করলে । মহাপুরুষ আসছেন, আসবেন তাও কিন্তু বলা আছে । তবে নবীরূপে নয় ।
ভুটাপ বাপী ভাইয়া।
প্রিয় আরণ্যক,
পুরো পোস্টটা এইমাত্র পড়লাম।

গুগল প্লাসের কল্যাণে ভিডিও ক্লিপগুলো আগেই দেখা ছিলো - ক্লিপগুলোর বক্তব্য কমবেশী আগেই জানা ছিলো। Paper currency জনিত ভয়াবহ সমস্যা নিয়ে
আপনার আর মাহফুজ ভাইয়ের সাথে আইডিয়া শেয়ার করার ইচ্ছা ছিলো। অবশ্য তার আগে আমাকে নড়ে চড়ে বসে পড়াশোনা শুরু করতে হবে সিরিয়াসলি।
- আপনার উপস্থাপনাটা চমৎকার লেগেছে, বরাবরের মতই (এক্কেবারে অ্যাডভ্যান্সড, অ্যাডভ্যান্সড ক্যাটাগরিতে)!

অফ টপিক:
সেদিন আবু ধাবীর উল্টো লেইনে (আমেরিকার সিস্টেম ফলো করে এরা) গাড়ি ড্রাইভিং করতে গিয়ে একটা ইয়া বড় মার্সিডিসের সাথে অ্যাক্সিডেন্ট করে ফেললাম। মুখ কাঁচুমাচু করে মাফ চাইতে গিয়ে দেখি, গাড়ির মালিক স্বয়ং চতুর্মাত্রিকের মডু ভাই!!! আমার তো প্রথমে ভয়েই মূর্ছা যাবার মত অবস্থা। পরে দেখি মনে মনে মডু ভাইয়ের যে ভয়ঙ্কর মূর্তি এঁকে রেখেছিলাম, তার সাথে একেবারেই মেলে না সামনে দাঁড়ানো সৌম্য, হৃদয়বান মানুষটার সাথে!!
নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে আপনার বিরুদ্ধে মডু ভাইয়ের কাছে নালিশ করতেই তিনি মিষ্টি হেসে আমাকে বোঝালেন, "অহিংসা পরম ধর্ম"!
আর কানের কাছে ফিসফিসিয়ে কি যেন বললেন:- "কুমির, কুমির" জাতীয়.......শুনে ছোটবেলার ঐ খেলার কথা মনে পড়ে গেল.....ঐ যে, "ও কুমির, আপনার জলে নেমেছি.....!" কুমিরের জলে নামার মাজেযা অবশ্য আমার ছোট্ট মস্তিষ্কে ঢোকেনি। (হা হা হা হা হা, রসিকতা করলাম, আবারও চিরিকাসলি নেবেন না, এই অনুরোধ রইল।।)
নাঈফাপু আপনার এই কমেন্টে মাইনাস।
এই পোস্টে আপনার চমৎকার আলোচনা উপভোগ করছিলাম।
ব্যাক্তিগত অবসাদগ্রস্থতায় আলোচনায় অংশ নেয়া হয় নি। তবে এই রসিকতাটা কেন যেন আমার কাছে ুটকো মনে হলো।
ধন্যবাদ।
শিমুল ভাইয়া,
আপনার কমেন্টে আমি নিজেই ভোট দিলাম।
তার কারণটা হল আমার নিজের কাছেই এই মন্তব্যটা 'অ্যাপ্রোপ্রিয়েট' হবে কি না, এই নিয়ে দ্বিধা ছিলো মনে। সেই জন্য একবার ডিলিটও করে দিয়েছিলাম মন্তব্যটা। আপনার কমেন্ট পেয়ে ক্লিয়ার হলাম যে, আমার সংশয়টাই ঠিক ছিলো। সেই জন্য আপনার কমেন্টে ভোট দিলাম। এই মন্তব্যটা উটকো মনেই হতে পারে। এজন্য আমি অ্যাপোলজি জানাচ্ছি আপনার কাছে।
আর আরণ্যকও যদি মনে করেন যে এই মন্তব্যটা উটকো, তবে উনার কাছেও অ্যাপোলজি জানাবো। তবে এই মন্তব্যটা আসলে উনার সাথে ব্যক্তিগত কথোপকথনের (হাল্কা রসিকতা) কন্টিনিউয়েশন।
অনিঃশেষ ধন্যবাদ শিমুল ভাইয়া আপনার সৎ মন্তব্যের জন্য।
লেখকের মন্তব্য
হাহাহ - আর ইউ ক্রেইজি ?!
নাউ ইউ ক্রসড দ্য লিমিট ।
আমি রসিকতা শুরু করলে তো দৌড়েও কূল পাবেন না - তাই কি করছেন যেনে বুঝে করেন ।
আরণ্যক,
সর্বসমক্ষে অ্যাপোলজি জানালাম লিমিট ক্রস করার জন্য।
১. পোস্ট প্রসঙ্গে: শিমুলের কথাটা আমারও মনে হয়েছিল, কপিপেস্ট ব্লগারদের জন্য শিক্ষণীয় পোস্ট। অবশ্য তারা মনে হয় নিজেরটা ছাড়া আর কারো পোস্ট পড়েন না
এটার কি রেফারেন্স আছে? তবে সামহাও এই ধারণাটা বোধহয় পপুলার। দেশে শীতকালীন ওয়াজ মৌসুমে ইহুদিদের প্রতি বিস্তর গালমন্দ চলে। প্রবাসে নিয়মিত “তালিম”-এ অংশ নেন এমন কয়েকজনের (৩০+, সবাই অন্তত ব্যাচেলর ডিগ্রিধারী ভদ্রমহিলা) আলোচনায় কয়েকবছর আগে এরকম টোনের কিছু শুনেছিলাম। দেশ থেকে পাশ করা চিকিৎসক বিদেশে এসে উচ্চতর শিক্ষা নিচ্ছে একটি মেয়ে, তাকে বোঝানো হচ্ছিল যে পড়াশোনায় সময় নষ্ট না করে ইবাদত করা উত্তম, মুসলমানদের উচিত পড়াশোনার কাজে ইহুদি-নাসারাদের ব্যস্ত রাখা, যাতে ওরা(ই-না) দুনিয়াদারির ধান্দায় ব্যস্ত থেকে আখেরাতে বঞ্চিত হয়!
আশার কথা, সবাই কুযুক্তিতে প্রভাবিত হয় না।
২. মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য প্রসঙ্গে: আমার পর্যবেক্ষণ হলো ধর্ম বিষয়ক তর্কবিতর্ক বরাবরই নিষ্ফল; কারণ বিশ্বাস আর যুক্তির পথ আদতেই আলাদা। তবু তর্ক উঠলে বিশ্বাসীর যতখানি দায় সহনশীলতার; বিপরীতে অবিশ্বাসী বা সংশয়ীর ঠিক ততখানি দায় রেফারেন্সের সুনির্দিষ্টতা বা সঠিকতার।
৩. নম্রতার জন্য-
ঈস্টার দ্বীপ নিয়ে সচলায়তনে সিরিজ ছিল হিমু-র, পড়তে পারো
http://www.sachalayatan.com/taxonomy/term/1521
বরাবরের মতই নুশেরা'র চমৎকার মন্তব্য মুগ্ধ করলো। এই নিয়ে (এবং নিয়াজ ভাইয়ার মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেও) বিশদ আলোচনার ইচ্ছা রইল আজ-কালের মধ্যেই (যখনই সময় মিলবে, যত দ্রুত সম্ভব)।
সহমত।
তবে, যেহেতু, প্রসঙ্গ চলে এসেছেই, সেহেতু, এই পোস্টে যদি আরেকটু আলোচনা চালাই, তবে হয়তো ইনঅ্যাপ্রোপ্রিয়েট দেখাবে না।
নুশেরা'র মন্তব্যেও ভোট দিলাম।
লেখকের মন্তব্য
১। জিউদের প্রসংগে পরের মন্তব্যে বিস্তারিত বলবো।
২। এটা কোন ভাবে ধর্মীয় তর্ক বিতর্ক পোস্ট না - আর হলেও ইষ্টারদ্বীপে ধর্ম কিভাবে ফেইল করেছে সেটা উঠে আসার দরকার ছিলো । জিউদের নিয়ে তর্ক উঠার কোন মানে নাই এই পোস্টে ।
যাকগে - এই অজুহাতে সবাই পড়ছে এটাই বা খারাপ কী
৩। আমার আসলে আরো অনেক খানি লেখার দরকার ছিলো - শেষের প্যারা নিয়ে - কালকে ঘুম এসে গিয়েছিলো তাই লিখতে পারি নাই
হিমুর লিংকটার জন্য ধন্যবাদ - অনেক কিছু কাভার করা আছে সেখানে ।
রিসোর্স শেষ হয়ে গেলে মানুষ কীভাবে ক্যানিবাল হয়ে যায় বা হতে বাধ্য হয়, তার একটা বিখ্যাত উদাহরণ আছে। বোধহয় লেইট সেভেন্টিজ বা আর্লি এইটিজের ঘটনা, প্লেন ক্র্যাশে কিছু মানুষ বেঁচে যায় তারপর ঘটে, নর্থ বা সাউথ আমেরিকার কোথাও। সারভাইভারদের ইন্টারভিউসহ টিভিতে ডকু দেখসিলাম, নার্ভের জোর সুবিধার না, বেশিক্ষণ সহ্য করতে পারি নাই।
==========================
"এই অজুহাতে সবাই পড়ছে---"
কমেন্ট পড়তে এসে অবস্থা দেখে
লেখকের মন্তব্য
মার্ক টোয়েনের একটা বিখ্যাত গল্প আছে এই নিয়ে - ট্রেন জার্নি নিয়ে ।
দারুন ইনটেন্স গল্প।
সাইথ আমেরিকার আন্ডিজ পর্বতমালাতে প্লেন ক্রাশ হয়েছিলো ।
সেবার একটা বইও ছিলো মনে এর উপরের ।
যদি ভুল করে না থাকি মনে হয় একটা মুভিও ছিলো এই নিয়ে ।
মুভিটার নাম Alive
ফুটবল টিমটা মনে হয় উরুগুয়ের টিম ছিলো। সম্ভবত লেইট সেভেনটিজের ঘটনা।
সাপ্তাহিক বিচিত্রায় পড়েছিলাম *জীবন যেখানে যেমন*। পড়তে পড়তে শিউরে উঠেছি বারবার।
নুশেরা, ধর্ম বিষয়ক তর্কবিতর্ক বরাবরই নিষ্ফল! কিন্তু কেন এ নিষ্ফলতা তা কী ভেবেছো কখনও? বিশ্বাস আর যুক্তির পথ কেনইবা আলাদা? আমার তো মনে হয়, যখন দেবার মত আর কোন যুক্তিই থাকে না, তখনই আসে বিশ্বাসের প্রশ্ন! বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহু দূর! এই বহু দূরের দূরত্ব কত, এর কী কোন সীমানা নেই? এমন বিষয় নিয়ে তর্ক করলে তা নিষ্ফল তো হবেই (তর্কের মৌলিক উপাদান যুক্তিই যেখানে অচল!)।
কাকে কী জিজ্ঞেস করেন, মূর্খ মানুষ আমি, তবু উত্তর দেয়ার চেষ্টা করি।
অ্যাজামশান বা অনুমিতি:
১. ঈশ্বর নামক সুপ্রিম বিয়িং থাকতেও পারেন, নাও থাকতে পারেন; সম্ভাবনা ৫০-৫০।
২. “প্রকৃত”/ “অপ্রকৃত” বলে কোন ভেদাভেদ নেই।
A বিশ্বাসী, B অবিশ্বাসী।
1-> ইহকাল, 2-> পরকাল।
A1= ইহকালে বিশ্বাসীর প্রাপ্তি, A2= পরকালে বিশ্বাসীর প্রাপ্তি।
B1= ইহকালে অবিশ্বাসীর প্রাপ্তি, B2= পরকালে অবিশ্বাসীর প্রাপ্তি।
এখন, যদি ঈশ্বর অস্তিত্বমান থাকেন, তাহলে কোনটার ভ্যালু কেমন হবে?
A1: বিশ্বাসী ইহকালে বাড়তি কোন সুবিধা ইন্সট্যান্টলি পাবে না। কারণ দুনিয়াটা স্রেফ একটা পরীক্ষাক্ষেত্র, রেজাল্ট যা হবার হবে পরকালে। ব্রাদারহুড ফিলিংস থেকে বৈষয়িক কিছু প্রাপ্তি হতেও পারে, নাও পারে। বিপরীতে অবিশ্বাসীর যুক্তিতর্ক মতান্তরে উপহাস ইত্যাদি মোকাবেলা করতে হলে সেটা হবে পরকালের জন্য বিনিয়োগ। কাজেই A1>=০; অন্তত নেগেটিভ না।
A2: পরকালে বিশ্বাসীর জন্য আছে অনন্ত বেহেস্ত, স্বর্গ, হেভেন। নিশ্চিতভাবে A2>0
B1: অবিশ্বাসীর ইহকাল বিশ্বাসীর চেয়ে খারাপ। চুপ থাকলে লাভক্ষতি কোনটাই নাই। তবে মুখ খুললে কাঠমোল্লা, চার্চ, ধর্মগুরু ইত্যাদির ফতোয়াবাজির সম্ভাবনা। ব্লাসফেমি, শরিয়া আইন টাইপের সিস্টেমে পড়লে তো খবরই আছে।
B1<=0; অন্তত পজিটিভ না!
B2 পরকালে কঠিন শাস্তি। নিশ্চিতভাবে B2<0
যদি ঈশ্বর না থাকেন, তাহলে A1=0, A2=0, B2=0, তবে আগের মতোই B1<=0.
=============
সিদ্ধান্ত: কস্ট-বেনিফিট তুলনা করলে A তথা বিশ্বাসী হওয়া যুক্তিযুক্ত। অর্থাৎ যুক্তির পক্ষে থাকলে আপনাকে বিশ্বাসী হতেই হবে। কিন্তু সাবধান, ভাইস-ভার্সা ভাববেন না যেন!
উপসংহার: দুনিয়াজুড়া পচুর প্যারাডক্স!
অসাধারণ আপু।
কিন্তু এখানেও সেই পচু? এবার পেচগির জায়গায় প্যারাডক্স!
আমার এ ভোঁতা মগজ দুনিয়াজোড়া প্যারাডক্সের প্রাচুর্যের তাণ্ডব সইতে পারছে না।
অনেক কষ্ট করেছ নুশেরা, ধন্যবাদ এ জন্য।
খাইসে রে! আইনস্টাইনের থিওরী অব রিলেটিভিটি'র পর, এই নুশেরাস্টাইন আপুর থিওরী অব বিলিভিটিসিটি!!! নোবেলে পোষাইত না, যাই, আরেকটা নতুন অ্যাওয়ার্ডের ডিজাইন করিগা!
নুবেল আগে একবার পাইছি, ঝাড়ির নিত্যতার সূত্রের জন্য
ভালৈ হৈল, দুইবার সেইম অ্যাওয়ার্ড পাওয়া ঠিক্না।
লেখকের মন্তব্য
শুণ্য আপনার পোষ্ট টা পড়ে ইস্টার দ্বীপের মূর্তি এবং প্রাসঙ্গিক কিছু ভাবনা সম্পর্কে জানলাম। লেখাটা ইন্টারেস্টিং। ভিডিওগুলো দেখার সুযোগ পেলাম না। দেখে নেব।
তবে একটা কথা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি, যে কোন ধর্ম মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ তৈরী করে অনেক বেশী। আমার আংশিক মন্তব্যটা (আংশিক পড়েছি) হয়ত আপনার লেখার পক্ষেই যাবে।
চিরকালের নি্যম বলে কিছু নেই। হিন্দু ধর্মের মত গো্ঁড়া একটা ধর্মেও সতীদাহ প্রথা উঠে গেছে। এরকম পৃথিবী থেকে অনেক অনাচার উঠে গেছে। ইসলাম ধর্মের প্রচণ্ড গো্ড়ামি নিয়ে মানুষ এখনও এত অনাধুনিক থাকবেন, এটা কাম্য নয়। ধর্মই বিভেদ ঘটিয়ে দুজন ভালো মানুষকে আলাদা করে দিচ্ছে।
যে ধর্ম ভিন্ন ধর্মের মানুষহকে মানুষ হিসেবে ভাবতে শেখায় না, সেসব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা রাখা একটু মুস্কিল।
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ আপা ।
আপনার সাথে একমত ।
জানলাম টুকটাক
ভিডুটা দেখে ডরাইছি একটু
আচ্ছা, এখন শুরু করি। আমি অল্প অল্প করে যখনই সময় পাব লিখতে থাকবো আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে। একবারে বড় করে লিখতে পারবো না - সময়ে কুলোবে না। লেখাও গোছানো হবে না। তবে দেরী করার চেয়ে অগোছালো লেখাই শ্রেয় এই পার্টিকুলার বিষয়ে। 'কুরআন আর ইহুদীদের' টপিকে অবশ্যই আসবো - কিন্তু এই মুহূর্তে নয় - ধীরে ধীরে (ইন কেইস কেউ যদি আমার 'উদ্দেশ্য' নিয়ে সন্দিহান হোন কিংবা ভুল বোঝেন, সে জন্য ক্ল্যারিফাই করে রাখলাম আগেভাগেই)।
কোত্থেকে শুরু করবো, বুঝতে পারছি না।
- মুসলমানদের বিশ্বাস যে, কুরআন শরীফ স্বয়ং আল্লাহ-তায়ালা'র প্রেরিত ঈশীবাণী। কুরআন শরীফের যে কোন আয়াত নিয়ে যদি সন্দিহান কেউ হোন, যে এটা মানুষের লেখা, তিনি কিন্তু আর মুসলমান নন। কারণ এটা ইসলামের আকীদা'র অন্যতম ফান্ডামেন্টাল স্তম্ভ (আমার জগাখিচুড়ী মার্কা ভাষার জন্য দুঃখিত - কিন্তু কিছু করার নাই - তাড়াহুড়োর লেখা এটা)।
- কুরআনের কোন আয়াত পরিমার্জনা করবার প্রশ্ন আসে না (মুসলমানদের জন্য বলছি), কারণ তাতে সর্বশক্তিমান আল্লাহ-তায়ালা'র বৈশিষ্ট্যের (যে তাঁর জ্ঞানের আয়ত্ত্বের বাইরে কিছুই নেই - ভূত-ভবিষ্যত) উপর সন্দেহ প্রকাশ করা হয়। এটা মুসলমান হওয়ার পূর্বশর্ত (স্বতসিদ্ধ টাইপ)।
আচ্ছা। এইবার বলি।
একবার চতুর্মাত্রিকের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড নিয়ে লিখবো ভেবেছিলাম (আমার দৃষ্টিকোন থেকে)। সেটার জন্যও সময় বের করতে পারিনি।
যাই হোক, পয়েন্ট বাই পয়েন্ট লিখি।
১) চতুর্মাত্রিক ব্লগটাকে আমার পক্ষপাতদুষ্ট বলে মনে হয়েছে কিছু কিছু ব্যাপারে (নিরপেক্ষ ভাবে লিখছি আমি, কেউ অনুগ্রহপূর্বক এটাকে পার্সোনাল অ্যাটাক হিসেবে নেবেন না।)
ডাবল স্ট্যান্ডার্ড কেন বললাম?
উদাহরণ দিয়ে বলি।
- কুরআনের আয়াত নিয়ে যদি উপহাসমূলক মন্তব্য করাটা চতুর্মাত্রিকে জায়েজ হয়, অথবা সরাসরি কুরআনের ভণ্ডামি তুলে ধরাটাই যদি জায়েজ হয় চতুর্মাত্রিকে, তবে ডাবল স্ট্যান্ডার্ড রুখতে হলে আমাকেও পূর্ণ স্বাধীনতা দিতে হবে:-
- হিন্দু ধর্ম নিয়ে নিয়মিত হাস্যরসিকতা করবার অধিকার,
- বাইবেল, গীতা, সামস নিয়ে হাস্যরসিকতা করবার অধিকার,
- নাস্তিকরা যে পুরাই পথভ্রষ্ট, সেই নিয়ে স্বাধীনভাবে আলাপ করার অধিকার, এবং
- ইসলামই যে একমাত্র সঠিক পথ, সেই বিষয়ে পোস্ট সহকারে চতুরদের সবাইকে হেদায়াৎ করার অধিকার।
যা বললাম, সেটা হল ডাবল স্ট্যান্ডার্ড প্রতিহত করতে হলে কি করণীয় আমাদের, সেই বিষয়ে আমার যুক্তি।
কাজেই, আমি যেটা বুঝি, সেটা হল, চতুর্মাত্রিক যতক্ষণ না আমার দাবি (কথার কথা - হাইপোথেটিক্যল) মেনে নিচ্ছে, ততক্ষন পর্যন্ত আমার ধর্ম নিয়ে উপহাসমূলক উক্তি, কিংবা আমার নবী একটা ভন্ড (মুসলমান হওয়ার পূর্বশর্ত - ফান্ডামেন্টাল স্তম্ভ - নবী আল্লাহর তরফ থেকে প্রেরিত) - এরকম লেখা ব্লগে প্রকাশ করবার অধিকার রাখেন না।
কোন একটা ব্লগার ছিলো না? ঐ যে মুনাফেকীর বৈশিষ্ট্য নিয়ে লিখতে গিয়ে দৌড়ানি খেল চতুরদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টির অপরাধে (মডারেটর কি স্টেপ নিয়েছিলেন - ব্যান করেছিলেন কি না মনে পড়ছে না), ঠিক একই যুক্তি প্রয়োগে, নবী মুহাম্মাদ ভণ্ড ছিলেন বলে কেউ যদি দাবী করেন, তখন তাকেও মডারেটর কর্তৃক দৌড়ানি যদি না দেওয়ানো হয় - ব্যাপারটা ডাবল স্ট্যান্ডার্ড হয়ে যায়। এটা একটা নিরপেক্ষ মন্তব্য। কোন পার্সোনাল অ্যটাক হিসেবে কেউ নিয়েন না।
এখন ত্রিমাত্রিক জগতে যাচ্ছি। পরে অবশ্যই ফিরবো এবং অন্যান্য যত টপিক মাথায় ঘুরছে, সব বিষয়েই লিখবো, ইনশাল্লাহ।
লেখকের মন্তব্য
১# আপনার কুরআন সম্পর্কিত অ-মুসলমান হবার নিয়মটাই আমার সন্দেহের অন্যতম কারন ?
যুক্তি বলে কোন জিনিস নিজে থেকে স্বত্বসিদ্ধ হতে পারে না । তাই সন্দেহ করলেই যদি মুসলমানের কাতার থেকে নাম বাদ যায় - তাহলে আমি হ্যাপি মুসলমানের কাতার থেকে নাম বাদ দেয়ার জন্য ।
==
==
আপনি একই ভাংগা রেকর্ড আগেই বাজিয়েছেন - এখনো বাজাচ্ছেন । বাংলাব্লগের নাস্তিকদের সুরা পড়া দেখলে - একমাস নেটে বসতে পারতেন না । বেশি না - সামহোয়ার ইন এ যা আছে - সেগুলোই যথেষ্ঠ।
আর আমার খুবই নিরীহ দুইটা কথাতে আপনার সহ্য শক্তি অতিক্রম করে যায় ?
মানুষ বাচ্চাদের দিকে তাকিয়ে যেমন মাথা নারে - আহ ও কিছু বোঝে না - তেমনি আপনার দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়তে ইচ্ছে করছে।
আর হিন্দু ধর্মকে নিয়ে উপহাস করুন না - যদি সেখানে হাস্যকর কিছু পাওয়া যায় কেনো উপহাস করবেন না ।
যদি মানবতা বিরোধি নিয়ম পাওয়া যায় কেন বলবে না ।
মুক্তচিন্তা যদি করি - তাহলে কেন আমরা আটকে রাখবো নিজেদের ।
আপনি কোন বিতর্কিত পোস্ট দেয়ার সাহস অর্জন না করে - শুধু এই পোস্টে সেই পোস্ট বলে বেড়ালেই হবে না ।
ডাবল ষ্টান্ডার্ড । সত্যি কথা হলো - আপনার সেই সাহসটাই নেই ।
আমাকে বলতে পারছেন - কারন জানেন আমার কাছ থেকে বাজে প্রতিক্রিয়া পাবেন না ।
আমার পোস্টে এইসব আলোচনা না করে - নিজের যা মনে হয় সেগুলো লিখে ফেলেন না ।
তখন বোঝা যাবে - কে আসলে প্যাশনেটলি কি বিশ্বাস করে ।
==
আর আজে বাজে কথা বলবেন - আমি গড়পড়তা ছাগল নাস্তিকদের মতো প্রথমে মুহাম্মদ (সঃ) চরিত্র নিয়ে টানাটানি করি নি ।
তার কিছু কিছু ব্যাপার আমার পছন্দ না । একটা মানুষের মধ্যে ভন্ডামি কিছু থাকতেই পারে ।
সেতো মানুষই ছিলো নাকি ?
সুতরাং তিল থেকে তাল বানানোর চিন্তা বাদ দিন ।
আপনি কিছু মনে না করলে ধান ভানতে শীবের গীত গাওয়ার অনুমতি চাইছি (আমার কন্ঠ সুরেলা)।
-----------------
সেদিন (ব্লগের বাইরে কম্যুনিকেইশন) কমা, দাড়ি ছাড়া লেখা আমার একটা বাক্য আপনি ১৮০ অ্যাঙ্গেলে বুঝেছিলেন, মনে আছে?
এখানেও তেমনটি ঘটেছে। আমার কথাটা উল্টোভাবে নিয়েছেন।
আবার ক্ল্যারিফাই ও ব্যাখ্যা করছি। অন্য অ্যাঙ্গেল থেকে দেখবার জন্য অনুরোধ করছি।
- ছোটবেলায় সমকোণী ত্রিভূজের সংজ্ঞা শিখেছিলেন মনে আছে?
- রম্বাস-এর সংজ্ঞা শিখেছিলেন মনে আছে?
-----------
আমি, মুসলমান-এর সংজ্ঞাটা আপনাকে বললাম কেবলমাত্র।
মুসলমান = এক আল্লাহতে বিশ্বাসী + আদম থেকে শুরু করে মুহাম্মাদ (সঃ) সকলেই যে আল্লাহর প্রেরিত নবী ছিলেন সেই তথ্যে বিশ্বাসী + তাওরাত, যবুর, ইঞ্জিল, কুরআন, এগুলো সব যে আল্লাহর ঐশী বাণী (১০০% আল্লাহর বাণী = infallible) সেটাতে বিশ্বাস স্থাপন + blah blah blah.
[মোট ছয়টা কন্ডিশন আছে, আমি ডিটেইলস-এ গেলাম না]।
এটা হল একজন মুসলমানের definition, okay?
---------
এখন কথা হল, আপনাকে কি কেউ জোর-জবরদস্তি করছে মুসলমান হওয়ার জন্য???
উত্তর: একেবারেই না।
রেফারেন্স: "There should be no compulsion in matters of faith". [Qur'an; 2: 256]
এখন (আপনার অবচেতন মনের) রিলেইটেড প্রশ্ন: কিন্তু, মুসলমানদের কাতার থেকে বাদ হওয়ার জন্য তো মুর্তাদ হিসেবে আমার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্য, তাই না?
উত্তর: (মন দিয়ে শোনেন) কুরআনের কোথাও একটা single আয়াতও নেই যে মুর্তাদ হওয়াটা এই দুনিয়ায় legally শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধ (মানে কোন legal punishment নেই মুর্তাদের জন্য)।
[এটা আমার তরফ থেকে চ্যালেঞ্জ থাকলো আপনার জন্য - পুরো কুরআন ঘেঁটেও মুর্তাদের কোন লিগ্যাল শাস্তির বিষয়ে আয়াত খুঁজে পাবেন না]
মনে রাখবেন, কুরআনে self-contradictory কোন আয়াত নেই। মুর্তাদ হওয়াটা যদি আইনতঃ শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়, তাহলে উপরোল্লিখিত কুরআনের বানীর সাথে ("There should be no compulsion in matters of faith") স্ববিরোধী স্টেইটমেন্ট হয়ে যায়। বোঝাতে পারলাম কিছু?
--------------
এখন আরেকটা কথা শোনেন। ইসলামে শুধু কুরআনের যাবতীয় বাণীকে infallible হিসেবে ধরা হয়। নবীজীর বাণীকে কুরআনের সাথে মেশানো হয় না - এটা আলাদাভাবে রয়েছে - যার নাম 'হাদীস সংকলন'। কুরআন আর হাদীস দুটো সেপারেট টেকস্ট। কুরআন হল infallible।
[উপরের সব কথাগুলো Islamic point of view থেকে বলা, okay?]
----------------
এবার কথা হল, হাদীস যেহেতু infallible নয়, সেহেতু, হাদীসের কোন বাণী যদি কুরআনের কোন বাণীকে ডিরেক্টলি কন্ট্রাডিক্ট করে, তবে সেটা ডিসকার্ড করতে হবে। কুরআন overrides হাদীস। বুঝাতে পারলাম কিছু?
এখানে হাদীস = মেইনলি fabricated or false হাদীস (মানুষের ইনভেন্টেড হাদীস; কারণ নবীজী মিথ্যা বলার মানুষ নন। কুরআন নবীজীর জীবদ্দশায় compiled হয়েছিলো, হাদীস অনেক অনেক পরে - বুখারী জন্মই নেন হিজরতের ১৯৪ বছর পর। আরও কথা আছে - ডিটেইলে গেলাম না।)
-----------------------
নেকস্ট প্রশ্ন: তাহলে মুর্তাদ হওয়ার শাস্তি যে মৃত্যুদন্ড শুনি হরহামেশাই, এরকম ফতোয়া'র মানে কি?
উত্তর: এই শাস্তির উৎপত্তি: Islamic State-এর নীতি অনুসারে মিলিটারীতে অমুসলিমরা জয়েন করতে বাধ্য না। [রেফারেন্স সময় পেলে দিব।]
ইসলামের ইতিহাসে, বেশ কিছু মিলিটারী সদস্য 'রাজাকার' হয়ে বিট্রে করার উদ্দেশ্যে ইসলামধর্ম ত্যাগ করেছে বলে ঘোষণা দিয়েছিলো
---> যেহেতু তারা তখন অমুসলিম, সেহেতু তাদেরকে বাধ্য করা যাবে না আর মিলিটারীতে থাকার জন্য
---> তারা তখন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে opposition force-এ জয়েন করেছিলো
---> Islamic State-এর সিক্যুরিটি সংশ্লিষ্ট সব তথ্য ফাঁস করে দিয়েছিলো
এই কারণে তাদের ওপর মৃত্যুদন্ড জারি করা হয়।
এখান থেকে শুরু হয়: মুর্তাদ ---> মৃত্যুদন্ড জারি
----------------------------------
উপরের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ফতোয়ার অপব্যবহার করে এখন ইনোসেন্ট অবিশ্বাসী হলেও (যারা traitor নয় দেশের) শুধু মৃত্যুদন্ড দেওয়ার রেওয়াজ চালু হয়ে যায়। [রেফারেন্স দেব জলদি করে, ইনশাল্লাহ]
----------------------------------
সামান্য প্রসঙ্গান্তর কিন্তু রিলেইটেড:
কুরআন, হাদীস, নবীজী :
হিস্টোরিক্যল ফ্যাক্টস:
১) নবীজীর নির্দেশে আল্লাহর বানী আলাদা সংরক্ষণ করা হয় "কুরআন" নামে। কম্পাইলেশন হয় নবীজীর জীবদ্দশায়।
২) নবীজীর বাণী নবীজীর নির্দেশে কুরআনের সাথে না মিশিয়ে আলাদা রাখা হয়। কম্পাইলেইশন হয় নবীজীর মৃত্যুর অনেকগুলো বছর পর।
এখন নবীজী যদি কুরআনের রচয়িতাই হতেন, তবে কুরআন আর হাদীস যেন একসাথে mixed up না হয়ে যায়, সেজন্য উনার উম্মতদের বারবার warning কেন দিয়েছিলেন? ভন্ড ছিলেন দেখে? কমন সেন্স কি বলে?
--------------------------------
একটা চমৎকার হাদীসের অংশবিশেষ বলি (পুরোটা আরও অসম্ভব দারুণ - কিন্ত তার আগে আমাকে ব্যাখ্যা দিতে হবে, কিন্তু আমি শারীরিকভাবে টায়ার্ড ফিল করছি, তাই আর ডিটেইলে গেলাম না।)
নবীজী যে কি পরিমান ফ্র্যাঙ্ক, সিনসিয়্যর, আপরাইট আর অনেস্ট মানুষ ছিলেন তাঁর একটা নমুনা:-
"...if I command you with something from my opinion, then indeed I am only a human being.”
[সহীহ মুসলিম, 30: 5832]
উনার কথাই যে আল্টিমেইট নয়, (কিন্তু কুরআনের বাণী হল infallible) - তাঁর কি সরল, সুন্দর স্বীকারোক্তি!
-----------------
এখন আপনার কাছে ছোট্ট প্রশ্ন:
Do all these make any sense to you? আপনার উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম।
এই পোষ্টে ধর্ম নিয়ে এতী কেচকেচ করার কি আছে? সব জায়গায় এটাকে টেনে এনে দুকথা না বললে, শুনলে কি পেটের ভাত হযম হয়না? এইসব দেখলে প্রায়ই মনে পড়ে মার্ক্স কতটা নির্ভুল ছিলেন।
দয়া করে পোষ্টের মুলকথা নিয়ে আলোচনা করেন নইলে অন্যদের করতে দেন।
রাসেল, ধর্ম নিয়ে কেচকচানি আমি শুরু করিনি। যিনি শুরু করেছেন এবং চার্জ করেছেন আমাকে উত্তর দেবার জন্য, তার রিপ্লাই দিচ্ছি মাত্র আমি। দয়া করে সবগুলো কমেন্ট না পড়ে মন্তব্য করবেন না।
প্রাসাঙ্গিক কথা যদি বলেন তাহলে আলোচনায় আগ্রহি, ধর্ম নিয়ে আলোচনার কোন প্রবৃত্তি আমার নাই।
তবে আপনার কাছে অনুরোধ যদি পোষ্টের প্রসঙ্গে আপনার যোগ করার কিছু না থাকে তবে ক্ষান্ত দিন।
আর আরন্যকঃ
কথাটা পোষ্টের অপ্রোয়জনীয় বাহুল্যতা। চাইলে এক্সপাঞ্জ করতে পারেন।
রাসেলের সাথে শতগুনে সহমত। রাসেলের মন্তব্যে ভোট আপ করলাম।
লেখকের মন্তব্য
এটা পোস্টের অংশ - তবে এটা নিয়ে এতো আলোচনা হবে ভাবি নাই ।
আলোচনাটা গুরুত্বপূর্ন আমার কাছে । এবং এই জিনিসগুলো পরিস্কার হওয়া উচিত ।
আরণ্যক,
এবারে আপনার কিছু প্রশ্নের জবাব দেব। এটা যেহেতু কমিউনিটি ব্লগ, সেহেতু আপনি ব্লগে যেভাবে আমাকে প্রশ্নগুলো করেছেন, সেভাবেই আমাকে উত্তরগুলো দিতে হবে। অনুরোধ করছি পার্সোনাল অ্যাটাক হিসেবে নেবেন না। ব্যক্তিগত জীবনে, আমি আপনাকে শ্রদ্ধা এবং সেই সাথে খুব, খুব পছন্দ করি। কিন্তু, এখানে - এই কমিউনিটি ব্লগে যদি আমি সঠিকভাবে আপনার প্রশ্নের উত্তরগুলো তুলে ধরতে না পারি, তবে সেটা আমার অক্ষমতা হিসেবেই চিহ্নিত হবে।
পয়েন্ট বাই পয়েন্ট বলি।
১) কিছুদিন আগেই নাজমুল হুদা ভাইকে নিয়ে জনৈক ব্লগার ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছিলেন যে, উনার কারণে ব্লগ থেকে বিদায় নিয়েছে মানুষজন, ওকে?
আপনি ওখানে কমেন্ট করেছেন যে, প্রমাণ ছাড়া যেন উড়াধুরা মন্তব্য কেউ না করে, ঠিক আছে? কোন কথা বললে তার রেফারেন্স দিতে হবে, তথ্য উপাত্ত সহ প্রমাণ দিতে হবে।
২) আপনি কি করলেন এই পোস্টে? বললেন যে ইহুদীদেরকে ঘৃণা করার শিক্ষা দেওয়া হয় কুরআনে। এই মন্তব্য যে করলেন, এটার ডেপথ কি আপনি বুঝতে পেরেছেন? জনৈক ব্লগারের চাইতে আপনার মন্তব্য কিন্তু অনেক, অনেক, অনেকগুনে গুরুতর। ভয়াবহ গুরুতর মন্তব্য করলেন কোনরকম রেফারেন্স না দিয়ে।
পয়েন্ট ১ আর পয়েন্ট ২ তে বর্ণিত আপনার আচরণের দ্বৈততা কি ডাবল স্ট্যান্ডার্ডের পরিচয়ই বহন করে না?
৩) এই পোস্টেই দেখেন, সহব্লগার বৃশ্চিক একটা সম্পূর্ণ মিথ্যা রেফারেন্স দিয়েছেন। এই নিয়ে আপনি কিংবা কোন মডারেটররা উচ্চবাচ্য করেননি।
সম্পূর্ণ নীরব শুনসান চারপাশ। অথচ একটা "ছাগু" কিংবা অন্য কেউ যদি আপনার নামে কিংবা নাজমুল ভাইয়ের নামে কিংবা সহব্লগার অনীক, কিংবা শাওন ভাইয়ের নামে (সিম্পল উদাহরণ মাত্র) একটা মিথ্যা রেফারেন্স চতুর্মাত্রিকের মত একটা কম্যুনিটি ব্লগে লিখতেন, আপনারা কি করতেন তাকে? তুলাধুনা করে ছাড়তেন না? সহব্লগার বৃশ্চিকের ক্ষেত্রে তার অন্যথা হল কেন? কারণটা বলি? কারণটা হল, এখানে আমার ধর্মকে জুতার তলার চাইতেও কম মূল্য দেওয়া হয়, সেই জন্য।
৪) চতুর্মাত্রিকে ভুরি ভুরি উদাহরণ আছে - আমি দেখেছি অনেক ইসলামবিদ্বেষী সহব্লগার কোনরকম রেফারেন্স ছাড়া ইসলাম নিয়ে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বেইযলেস ব্যাঙ্গোক্তি, স্রেফ কটূক্তি করেছেন। কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি তাদেরকে। সেই প্রসঙ্গে না যাই। এই পোস্টের কথাই শুধু আলোচনা করি আজ।
৫) আপনি আমাকে চার্জ করেছেন "হলোকাষ্ট নিয়ে আপনাকে যেটা জিজ্ঞেস করেছি সেটার উত্তর দিন আগে । তাহলেই দুধ কা দুধ পানি কা পানি হয়ে যাবে।"
এখন চিন্তা করে দেখুন আপনি কোন রেফারেন্স দেবার তোয়াক্কা না করেই আমার ধর্মকে রেসিজমের গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত করেছেন। উপরন্তু উল্টো আমাকেই চার্জ করছেন যে, "হলোকাষ্ট নিয়ে আপনাকে যেটা জিজ্ঞেস করেছি সেটার উত্তর দিন আগে।" আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে আমি কি বাধ্য? ইহুদিদের নিয়ে আমি কোন বক্রোক্তি করেছি? আমি কি নাৎসীদের অনুচর? আপনার প্রশ্ন কতটা অযৌক্তিক আর rude (আর মাস্তান টাইপ), তা কি আপনি অনুধাবন করতে পারছেন?
৬) যদিও কোনরকম বাধ্যবাধকতা নেই আমার, আপনার সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নগুলোর উত্তর আমি দেব। অবশ্যই উত্তর দেব। কেন জানেন? না মাস্তানের ভয়ে ভীত না আমি। আমি প্রশ্নগুলোর উত্তর দেব আপনার প্রতি আমার ভালবাসার কারণে, সম্মান দেখাবার জন্য, যেন আপনার অবমাননা না হয়, সে জন্য।
আবার ত্রিমাত্রিক জগতে যাচ্ছি। একটু পরেই ফিরে সব লিখবো, ইনশাল্লাহ।
(শোনেন, আরণ্যক। আমি এভাবে লিখতে চাইনি। আমি অসুস্থবোধ করছি। এই মুহূর্তে আমার মাথা বনবন করে ঘুরছে - আক্ষরিক অর্থে। কিন্ত, আপনি যেভাবে কমিউনিটি ব্লগে লিখেছেন, সেভাবেই আলোচনা করাটা আমার জন্য ফরজ হয়ে গেছে - করার কিছু নেই, যতই কষ্ট পাই না কেন আমি।)
লেখকের মন্তব্য
জনাবা নাইফা,
আপনাকে এর আরো বেশি বুদ্ধিমতি বলে জানতাম ।
আপনি এতো গোড়া সেটা আমি ভাবি নাই ।
২# আমার রেফারেন্স দেয়ার সময় কী এখনো শেষ হয়ে গেছে । ইহুদী ঘৃনার ব্যাপারটা অনেক জটিল ,
আলাদা একটা পোস্ট দেয়া যায় এটা নিয়ে - সময় পেলে দিবো ।
আপনার জ্ঞাতর্থে বলি -- আপনি নিজেই ভালো করে জানেন - কুরআন শরীফে ইহুদীদের কথা কী কী লেখা আছে ।
রেফারেন্স গুলো আপনি আরো ভালো দিতে পারবেন আমার থেকে ।
৩#
আপনার বুদ্ধি যদি হাটুতে না থাকে তাহলে আপনার বোঝার কথা - এটা একটা রসিকতা ।
এর অনেক দরকার আছে আমাদের সমাজে । কারন গ্রামের ওয়াজের মোল্লারা এমন ছাগল-পাগলের মতোঅনেক কথা বলেন ।
এখন আপনাকে এই কথা বল্লেই বলবেন - ঐটা প্রকৃত ইসলাম না ।
তো প্রকৃত ইসলাম যদি না হয়ে থাকে - তাহলে আপনার গায়ে লাগার কারন কী ?
একজন শিক্ষিত আলোকিত মানুষ হিসাবে আপনার উচিত না গ্রামের মোল্লা গুলো যখন বাজে কথা বলে - সেগুলোর খন্ডন করা ।
কিন্তু না সেসব আপনি করবেন না - কারন আমার ভাই-বেরাদার তারা - তার চে বড়ো কথা তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলে আপনাকে ধর্ম চ্যুত করতে পারে ।
ধর্মের সবচে ফালতু সিষ্টেমটা হচ্ছে - প্রশ্ন করলেই চোখ রাঙানি । প্রশ্ন করলেই আপনি সমাজচ্যুত ।
নিকুচি করি - এমন ধর্মের ।
৪# যৌক্তিক ভাবে চতুর্মাত্রিকে যদি কোন কথা বলা হয়ে থাকে সেটা বেইজলেস বলার কারনে আপনাকেই বেইজলেস মনে হচ্ছে ।
আপনি উদাহরন দেখান ।
যদি বলেন আমিই এমন ডাবল ষ্টান্ডার্ড কান্ড করেছি - তাহলে তার যুক্তি খন্ডন প্রথম প্যারাতেই আছে ।
৫ আমি যখন ইহুদীদের নিয়ে কথা বলবো তখন হলোকাস্ট প্রাসংগিক ভাবেই আসবে ।
যে কোন রেসকে ঘৃণা করা রেসিজম । এটা ১০ বছরের বাচ্চাও জানে । জানে না আপনার মতো জ্ঞানপাপী রা।
আপনাকে বলি - যে সব ছাগল বলে ইসলাম বর্বরদের ধর্ম - আমি তাদেরও রেসিষ্ট বলি ।
মজার ব্যাপার কী জানেন - রেসিজমের সংজ্ঞা স্থান কাল পাত্র ভেদে ভিন্ন হয়ে যায় না - আপনার কুরআনের ব্যাখার মতো ।
একটা সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা আছে ।
আমি ভাবছিলাম একটা সুন্দর করে কমেন্ট করবো । কিন্তু আপনার আবজাব কমেন্টের তোড়ে সেই ইচ্ছা ভেসে গেলো ।
( তেল নির্ভর সভ্যতার গন্তব্য)ইম্পর্টেন্ট একটা পয়েন্ট। ভিডিওগুলো ডাউনলোড করে দেখি ।।।
লেখকের মন্তব্য
দেখেন - খুব জরুরী ।
আরণ্যক,
আপনার প্রশ্নের উত্তর দেবার আগে আরেকটা জিনিষ বলি। আপনি বড় বড় হরফে লিখেছেন, "এই পোস্ট যারা জিউদের সম্পর্কে মন্তব্য করতে আসবেন - তারা দয়া করে পরিস্কার করবেন - তার জিউদের সম্পর্কে কী মনে করেন । আর তাদের ধর্মে তাদের সম্পর্কে কী বলা আছে।"
আপনাকে অনুরোধ করছি, at least এটুকু বুঝুন যে, কেউ ইহুদীদের নিয়ে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক আলাপ করতে এই পোস্টে আসেনি - আপনি নিজে ছাড়া।
"ইসলামের ইহুদীবিদ্বেষ" (আপনার মতে - উইথ ইনভার্টেড কমা) নিয়ে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক টপিক আপনি নিজেই তুলেছেন এই পোস্টে। ওকে? ফিরছি খুব জলদি আপনার সব প্রশ্নের উত্তর দিতে।
লেখকের মন্তব্য
আমার পোস্টে আমি কী প্রসংগ নিয়ে লিখবো সেটা ডিক্টেট করার আপনি কে ?
আমার প্রসংগ ঠিক করা অধিকার একমাত্র আমি রাখি ।
আমি এই পোস্ট জিউদের নিয়ে দেই নি। কিন্তু আমার ভাবনাটা ছিলো এই বিষয়টা নিয়ে ।
তাই যারা বড়ো বড়ো কথা বলতে আসবে তাদের চেহারাটা আগেই দেখে নিতে চেয়েছি।
আপনার সুবিধার জন্য বলে রাখি - ফিলিস্তিনের যুদ্ধে জন্য আমি ইসরায়েল কে ঘৃণা করি ।
এটা একটা জারজ রাষ্ট্র - তাই বলে হলোকাষ্টকে ঘৃণা করতে আমার বাধে না ।
আপনি সৎ ভাবে এই কথা গুলো বলতে পারবেন ?
আরণ্যক,
"ইহুদী" শুধুমাত্র একটা ধর্মাবলম্বীদের নামই নয় - বরঞ্চ একটা জাতিরও নাম - একটা ethnic গ্রুপের নাম।
আপনার প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি এখন।
- Holocaust একটা হিস্টোরিক্যল ফ্যাক্ট। এটাকে কাল্পনিক ভাবার প্রশ্নই আসে না।
- আমার মনে বিন্দুমাত্র ইহুদীবিদ্বেষ নাই (এখানে আরেকটা অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ তোলা ফরজ মনে করছি:- আপনাকে আমি এখন প্রশ্ন করতে পারি :- আপনি জাতি হিসেবে পাকিস্তানীদের কেমন মনে করেন?? বলেন? জাতি হিসেবে ওরা কেমন?? বলেন, বলেন?
এখন আপনার নিজের কথার উদ্ধৃতি দেই:- "হতে পারে ইহুদীরা সে সময় বিট্রে করেছিলো - তাই বলে পুড়ো একটা জাতে খারাপ বলা - রেসিজম ছাড়া অন্য কিছু নয়।" ----- আপনি কি এখন নিজে নিজেকে এখন কন্ট্রাডিক্ট করছেন না?....)
ইহুদীবিদ্বেষের প্রসঙ্গে ফিরে আসছি। আপনার তো বেনের সাথে এই মাসে পরিচয়, আর আমার আরেক বেনের সাথে পরিচয় হয়েছিলো কুড়ি বছর আগে ১৯৯২ তে। আমার বেস্ট ফ্রেন্ডের নাম হল এরিকা। ও হল একজন উহুদী। আর আমি অস্ট্রেলিয়াতে থাকাকালীন সময়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ইহুদি অধ্যুষিত এলাকাতে বাস করতাম - কেবলমাত্র এই স্টেরিটাইপ'টার প্রতীকী প্রতিবাদ করবার জন্য।
- আপনার যদি আরও ইন্টারোগেশন করবার বাকী থাকে, তো করে ফেলুন। আপনি চাইলে আমি Erika-এর ঠিকানা, যোগাযোগের টেলিফোন নম্বর ইত্যাদির যোগানও দিতে পারি আপনাকে - যাতে আমার কথাগুলোর সত্যতা আপনি যাচাই করে দেখতে পারেন। ঠিক আছে?
এবার আপনার কথার উদ্ধৃতি দিচ্ছি নিচে:-
উপরের কথাগুলো আপনার নিজের উক্তি। ভাল করে পড়ে দেখুন, আপনি নিজেই ডিম্যান্ড করেছেন, কোনটা ফালতু কথা বলা হয়েছে, তা পয়েন্ট আউট করে যেন দেখাই। ওকে?
এখন তাহলে দেখাই, ওকে?
উপরের এই উক্তিটাতো আপনারই, নয় কি? এটাও কিন্তু যথেষ্ট পরিমানে একটা 'ফালতু' উক্তি ('ফালতু' শব্দটা আপনি ব্যবহার করেছেন, আমি না।)
এখন আপনাকে কতগুলো প্রশ্ন করি?
- Holocaust-এ ইসলামের ভূমিকা কি?
উত্তরটা আমি দেই: - কোন ভূমিকা নাই। শূণ্য ভূমিকা।
আপনাকে দ্বিতীয় প্রশ্ন:-
- Holocaust-এর প্রসঙ্গ তুলেছেন কেন?
উত্তরটা আমিই দিচ্ছি: - ধর্মান্ধতার কারণে রেসিজম --> পার্টিকিউলার জাতির প্রতি বিদ্বেষ ---> জেনোসাইড, এইতো!
আমার বক্তব্যটা বলছি, শুনুন। Holocaust হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে, রাইট। প্রথম এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিলো সম্পূর্ণ সেক্যুলার ওয়র - ধর্মযুদ্ধ নয়।
Holocaust- এর (দোহাই দেখিয়ে) জন্য আপনি কোনক্রমেই ধর্মযুদ্ধ কে দায়ী করতে পারেন না। এতে করে আপনার যুক্তির অসারতাই শুধু প্রমাণিত হবে।
এখন ২৪ ঘন্টার বিরতিতে যাচ্ছি। সংসার দেখতে হবে তো। কিন্তু অবশ্যই আমি ফিরবো। আমার টপিক এখনও অনেক বাকী।
লেখকের মন্তব্য
নিজেকে কোথায় টেনে নিয়ে যাচ্ছেন খুব খেয়াল করে দেখেন তো ।
আপনার কথা আমি মেনে নিচ্ছি - হলোকাস্টে ইসলামের কোন ভূমিকা নেই ।
আমার পয়েন্টটা ছিলো - যেসব তথাকথিত আলোকিত মানুষরা যারা মনে করে - ৬০ লক্ষ মরসে- খুব ভালো হৈসে।
ফিলিস্তিনে ওরা যা করসে সেটা উপযুক্ত সাজা আগেই পেয়ে গেছে ।
এই ধরনের মানুষের মুখোশ খোলা ।
আমি জানি আমি আমার পয়েন্ট মেক আউট করতে পারসি ।
====
পাকিস্তানিদের প্রসংগ তুলে নিজের জন্য গর্ত খুড়লেন শুধুই -- পাকিস্তানীরা রেসিষ্ট ছিলো - তারা রেসিজমের কারনে ১৯৭১ বাংগালিদের নির্বিচারে হত্যা করেছে ।
আর কিভাবে করছে জানেন ??
আপনার সুশীতল ইসলামের ছায়ার তলে ।
এখোনো বলবেন - এর সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নাই ?
এটা প্রকৃত ইসলাম না ?
আসলে প্রকৃত ইসলাম কোনটা - এটা মনে হয় আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না

Qur'an (5:51) - "
Qur'an (5:80) -
Those Muslims who befriend unbelievers will abide in hell.
Qur'an (3:28) - "
This last part means that the Muslim is allowed to feign friendship if it is of benefit. Renowned scholar Ibn Kathir states that "believers are allowed to show friendship outwardly, but never inwardly."
Qur'an (3:118)
This verse not only warns Muslims not to take non-Muslims as friends, but it establishes the deep-seated paranoia that the rest of the world is out to get them.
Qur'an (9:23) -
Even family members are not to be taken as friends if they do not accept Islam. (This is the mildest interpretation of this verse from the 9th Sura, which also advocates "slaying the unbeliever wherever ye find them").
Qur'an (53:29) - "Therefore shun those who turn away from Our Message and desire nothing but the life of this world."
Qur'an (3:85) - "And whoever desires a religion other than Islam, it shall not be accepted from him, and in the hereafter he shall be one of the losers."
Qur'an (3:10) - "(As for) those who disbelieve, surely neither their wealth nor their children shall avail them in the least against Allah, and these it is who are the fuel of the fire." Those who do not believe in Muhammad are but fuel for the fire of Hell (also 66:6, 2:24. 21:98).
Qur'an (7:44) - "The Companions of the Garden will call out to the Companions of the Fire: "We have indeed found the promises of our Lord to us true: Have you also found Your Lord's promises true?" They shall say, "Yes"; but a crier shall proclaim between them: "The curse of Allah is on the wrong-doers" Muslims in heaven will amuse themselves by looking down on non-Muslims in Hell and mocking them while they are being tortured (see 22:19-22.
Qur'an (1:5-7) - "Show us the straight path, The path of those whom Thou hast favoured; Not the (path) of those who earn Thine anger nor of those who go astray" This is a prayer that Muslims are supposed to repeat each day. "Those who earn Thine anger" specifically refers to Jews and "those who go astray" refers to Christians (see Bukhari (12:749)).
From the Hadith:
Muslim (1:417) - Taken to mean that one's own relatives should not be taken as friends if they are not Muslim.
Abu Dawud (41:4815) - "The Prophet (peace be upon him) said: A man follows the religion of his friend; so each one should consider whom he makes his friend."
Abu Dawud (41:4832) - The Messenger of Allah [said] "Do not keep company with anyone but a believer and do not let anyone eat your food but one who is pious."
Bukhari (59:572) - "O you who believe! Take not my enemies And your enemies as friends offering them (Your) love even though they have disbelieved in that Truth (i.e. Allah, Prophet Muhammad and this Quran) which has come to you."
Ishaq 262 - "Some Muslims remained friends with the Jews, so Allah sent down a Qur'an forbidding them to take Jews as friends. From their mouths hatred has already shown itself and what they conceal is worse"
Ishaq 252 - The story of a young man who converts to Islam after hearing Muhammad. He then tells his own father that he can no longer have anything to do with him because, "I have become a Muslim and follow the religion of Muhammad." (To maintain a relationship with his son, the father "converts" as well). This is an important passage because it establishes that the principle of shunning is based merely on the status of non-Muslims as unbelievers, not on their relations toward Muslims. In this case, the father desperately loved his son and meant him no harm.
-- তরজমাতে certain- শব্দটি উহ্য রেখেছেন আপনি। কেনো?
-- এখানে who disbelieve- বলতে প্রকৃত ধর্মপ্রাণ ইহুদী এবং খ্রীসটানদের বলা হয় নি। তাদের সাথে যদি বন্ধুত্বও না করা যেতো, তাহলে আল্লাহ কোরানে বলতেন না--
"And (Lawful in marriage are) chaste women from among the believers and chaste women from among those who were given the Scripture before you" [Holy Quran: Surah Al-Maidah 5:5]- এখানে কিন্তু those who were given the Scripture before you- বলতে ইহুদী এবং খ্রীস্টাদেরকেই বোঝানো হইয়েছে। আমি যদি তাদের সাথে বন্ধুত্বই না রাখতে পারি, তাহলে তাদেরকে বিয়ে করার অণুমতি দিলো কেনো কোরানে?
প্রথম কথা কোরানের তরজমা ইচ্ছে মতো করলে হবে না, নিজের স্বার্থের জন্য। আয়াতে বলা হয়ছে--সুবিধা আদায়ের জন্য নয়, যদি বাধ্য হয় তাহলে disbelievers-দের কাছ থেকে নিলে সেটা আল্লাহ ক্ষমা করবেন। আমি আবারো বলছি-- এখানে disbelievers মানে প্রকৃত ধর্মপ্রাণ ইহুদী এবং খ্রীসটানদের বলা হয় নি। আমি এই বিষয়ে আজ একটি পোস্ট দিয়েছি, সেটা পড়লে বুঝতে পারবেন কারা disbelievers আর কারা প্রকৃত ধর্মপ্রাণ ইহুদী এবং খ্রীসটান।
---দেখুন এখানেও কোরানের ভুল অর্থ করেছেন। আয়াতে বলা হয়েছে--do not befriend outsiders who never cease to wish you harm--আপনার ক্ষতি যে করবে, আপনি কি তার কাছ হতে কোনো সাহায্য নিবেন বা তার সাথে বন্ধুত্ব করবেন? এখানে কিন্তু কোনোভাবেই ইহুদীদের কথা বলা হয় নি।
-- আপনি এর পরের আয়াতটি লিখেন নি কেনো? লিখলে পুরোটা পরিস্কার হয়ে যাবে এই ভয়ে? পরের আয়াতেই দেখুন কি বলা হয়েছে--
[9:24] "If your parents, your children, your siblings, your spouses, your family, the money you have earned, a business you worry about, and the homes you cherish are more beloved to you than GOD and His messenger, and the striving in His cause, then just wait until GOD brings His judgment." GOD does not guide the wicked people.
আপনি লিখেছেন--Even family members are not to be taken as friends if they do not accept Islam. (This is the mildest interpretation of this verse from the 9th Sura, which also advocates "slaying the unbeliever wherever ye find them").
-- তাহলে নিচের আয়াতে কি আল্লাহ ভুল বলেছেন, নাকি আপনি ইচ্ছাৃত ভাবে এড়িয়ে গিয়েছেন--
We enjoined man to show kindness to his parents, for with much pain his mother bears him, and he is not weaned before he is two years of age. We said: ‘Give thanks to Me and to your parents. To me shall all things return. But if they press you to serve besides Me deities you know nothing of, do not obey them. Be kind to them in this world, and follow the path of those who turn to Me. To Me you shall return, and I will declare to you all that you have done.’( S. 31:14-15; cf. 29:8)
----প্রথম কথা, প্রসঙ্গ ছিলো কোরান ইহুদীদের ঘৃনা করতে বলেছে কি না। আপনি আয়াত তুলে দিয়েছেন-- অবিশ্বাসীদের কি হবে সেগুলো নিয়ে, আমি ঠিক বুঝতে পারলাম না। আপনি কি প্রকৃত ধর্মপ্রাণ ইহুদী এবং িস্টানদের অবিশ্বাসী বলছেন? আমি কিন্তু তা বলছি না। প্লিজ, আমার পোস্টটি পড়লেই আপনি তা বুঝতে পারবেন। আর কিছুক্ষনের ময়েই আমি তা পোস্ট করছি।
আপনি যে আয়াতগুলো তুলে দিয়েছেন, সেখানের কোথাও প্রকৃত ধর্মপ্রাণ ইহুদী এবং িস্টানদের কথা বলা হয় নি, তাহলে অযথা কেনো বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছেন?
হাদিসগুলো নিয়ে আরেকদিন বলবো।
জলুস্তির মতো ব্লগাই বলে পানির উপরের অনেক বাতাস মিস করি। আফসোস হয়।
==========
মন্তব্য-সংশ্লিষ্ট আলাপঃ এই সপ্তাহে ঢাকায় কেউ বিজয় সরণির মোড়ে গেলে দেখবেন বিশাআআল বড় গেইট বানানো হয়েছে, ওরছ পাক-এ-(....) পীরবাবা -এর জন্য। এই গেটে জ্বলছে কমপক্ষে ৫০-৬০টা টিউব লাইট, যার বিদ্যুতের বিল দিচ্ছে সরকার। এই গেটের উপরে মরিচ বাতি দিয়ে একটা কবরের মডেল বানানো হয়েছে। এই মহা মহা সমাবেশ মনে হয় এই মাসেই উদযাপিত হবে। এই বেদআতি অপচয়ের বিরুদ্ধে একটা কামেল মুমিন বান্দাকেও দেখলাম না প্রতিবাদ করতে। আমি নিজের জীবন খুব ভালোবাসি, না হলে কেরোসিন ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দিতাম। সম্ভবত আমাকে এই পীরের মুরিদানরা পিটিয়েই মেরে ফেলতো। কেউ কিচ্ছু বলতো না। আমি এখন এটার সমালোচনা করছি এবং জোরের সাথে বলছি, যে ধর্মের উপজাত হিসেবে এই বদমায়েশি (শীতে অনেক মানুষ ঠিকভাবে জামাকাপড় পরতে পায় না, বিজয় সরণির একটু দূরে ফার্মগেট গেলে বুঝা যায়) করে, সেই ধর্মের প্রকৃত মুমিনরা আসলে পাজামা-পরা ভণ্ড। খালি দুর্বল, নারী, পশু, শিশু এদেরকে অত্যাচার, নির্যাতন, হত্যা ও ধর্ষণ করতে পারে। এটাই তাদের সবচেয়ে সক্রিয় ক্রিয়া। বাকি সব মনে মনে। যারা ভালু, যারা প্রকৃত, তারা এই ক্রিয়াশীলদের ঠেকাতেও পারে না, নির্মূলও করতে পারে না। যতোদিন তারা এইটা না পারে, ততদিন নিজের চামড়ার পুরুত্ব এই লজ্জাকর কীটগুলোকে দিয়ে তাদের ঢাকতেই হবে। দুনিয়া একটা আনফেয়ার জায়গা।
===============
টু নাঈফা, পুরা পোস্টের একটা লাইন ধরে এত বিতং আলাপ সামহোয়ারিনের ক্যাচালের মতন। কোরানের কথা ভুল বলা হইছে, আপনি সেটা পয়েন্ট আউট করছেন। এইখানেই তো আপনার কথা শেষ হবার কথা ছিল। কিন্তু সেটা চুইংগামের মত টেনে চতুর্মাত্রিকের ল্যাজে এনে সেঁটে দিলেন, যে চতুর্মাত্রিকের আপনিও একজন অংশ। আসলেই, কাম অন, পোস্টে পোস্টে রেফারেন্স-ছাড়া-অভিযোগ করা বাদ দিয়ে নিজের ধর্মানুভূতির সীমারেখার বাইরে পড়ে এমন আলাপ এড়িয়ে চলতে পারেন। "এখানে আমার ধর্মকে জুতার তলার চাইতেও কম মূল্য দেওয়া হয়, সেই জন্য।" - এই বাক্যে যে ক্ষেদ, সেটা খুবই বালখিল্য ক্ষেদ। আপনার সম্পত্তির ব্যাপারে কেউ নাক গলাচ্ছে না। যে ধর্মের রূপ আপনার মনে আছে, সেটাতে কেউ হাতাচ্ছেও না। যদি সত্যিই উপরে আমার কথা বা পোস্টে-কমেন্টে আরণ্যকের কথায় আপনার জ্বলে, তাহলে আপনি এই উপজাতদের ধর্মটাই পালন করছেন। ধর্মের ব্যাপারে নিজের অনুভব প্রকাশে আরেকটু ঠাণ্ডা মাথায় ভাবার অনুরোধ করছি।
============
পোস্টের ব্যাপারেঃ আসলেই খুব পরিশ্রমী একটা ব্লগ হয়েছে। আমি মূর্তিগুলো দেখেছি তবে পেছনের কাহিনী জানতাম না। মজা পেলাম পড়ে।
লেখকের মন্তব্য
কেরোসিন দিয়ে আগুন জ্বালানো সময় আমারেও সাথে নিয়া নিয়েন । এগুলো দেখলে আসলেই গা-জ্বলে যায় ।
তার প্রকৃত মুসলিমরা কোন দিন এসব ভন্ডামির বিরুদ্ধে কথা বলেন না ।
তারা নীরব থাকেন ।
===
নাইফা চৌধুরীকে ব্লগে ব্লগে নাস্তিক আস্তিকের নোংরা ক্যাচাল দেখানো দরকার ।
আমি ভাবতাম উনি ঠিক হয়ে যাবে । কিন্তু বিষয়টা প্রয়োজনীয় হয়ে গেছে।
মানুষ একটা জায়গা থাকলে বুঝতে পারে না - জায়গাটা কেমন - অন্য জায়গা ঘুরলে টের পায় ।
===
পোস্ট খুবই ফাকিবাজি পোস্ট হৈসে - আরো অনেক কিছু লেখার ইচ্ছে ছিলো - পরিশ্রম করতে ইচ্ছা করে নাই ।
শেষের প্যারাটা নিয়ে অনেক অনেক কথা বলার ছিলো - তবে ভিডিওটাতে অনেক কিছুই কাভার করা আছে ।
এখন সবাই দেখলেই হয় ।
ভিডিওটা দেখেই বললাম। খুবই ইনফরমেটিভ আর ইন্টারেস্টিং!
অনীক ভাইয়া, আমার বাসা ফার্মগেটে। আমি জানি ব্যাপারটা কি ভয়ংকর হচ্ছে। ইয়েস, আমি আপনার সাথে সম্পুর্ণ একমত। আমাদের এই সাহস নেই বলেই আজ ইসলামের এই দুর্দশা। ইসলাম বলে না, এভাবে জনগনের টাকা নষ্ট করে ওরস করতে।
আপনার সাথে আমিও আঁচি, যেদোয়াগুণ জ্বালাতে যাবেন, আমাকে ফোন দিবেন, আর কেউ না আসুক, আমি কথা দিচ্ছি, আমি আসবো।
আরেকটা কথা,
এই চতুরে নাস্তক- আস্তিক বিতর্ক আসলেই হয় না বললেই চলে, এর জন্য মডারেটরদের কাছে কৃতজ্ঞ।
আর আমার এই মন্তব্যগুলো অবশ্যই নাস্তিক- আস্তিক নিয়ে নয়।
একটা মুমিন মুসলমান পরিবারে আমার জন্ম, আমাদের পৈতৃক ভিটাবাড়ি এখন বলা যায় আল্লাহর ঘরের দখলে (মসজিদ) আর আমরা ভাইবোনরা বাস্তুহারা, পালা পার্বনে মসজিদে নাইয়র যাইতে মন চায় না। কাহিনীর ব্যাপ্তি দৈর্ঘে প্রস্তে ব্যাপক, স্বল্পমূল্যের জীবনের একটা বিরাট সময় অপচয় হয়ে গেছে নিজের জীবনকে ধর্মের স্বেচ্ছাচারের আওতার বাইরে নিয়ে আসতে গিয়ে, তাই এখন ধর্মের আজাইরা ক্যাচালকে ভয় পাই, তাই আরণ্যকের গুরুত্বপুর্ন পোস্টটিকে প্রিয়তে নিয়ে ছিলাম নিরাপদ দুরত্বে, প্রলম্বিত হতে চাইনি, আপনি যদি কেরোসিন ঢেলে আগুন জ্বালানোর উদ্যোগ নেন তবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমাকে সঙ্গে নিয়েন।
আরণ্যক* আপনার সুন্দর পোস্টটির জন্য আমার এখন সত্যি মায়া লাগতেছে!
ভোট আপ অনীক।
আরণ্যক ভাইয়া,
কেমন আছেন আপনি?
প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, আপনার এবং অনামিকা আপুর এই প্রাণবন্ত যুক্তি-তর্কে মাঝ পথে প্রবেশ করার জন্য, আশা করি আপনারা এটা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আরেকটা ব্যাপার, আমি ব্যক্তিগত ভাবে আপনাদের দুইজনকেই অসম্ভব পছন্দ করি। এবং এটা কোন পার্সোনাল ব্যাপার নয়।
আমি এর আগে এই ধর্ম নিয়ে একটা পোস্টই দিয়েছিলাম, আপনার বোধহয় মনে আছে, সেখানে আপনার এবং অনীক ভাইয়ার সাথেও এই ব্যাপারে ( আস্তিক-নাস্তিক) কথা হয়েছে। আমি ডাক্তারি করতে গিয়ে অনেক কিছুই ভুলে গেছি বা মনে নেই, তবুও চেষ্টা করবো আমার সীমিত জ্ঞান নিয়ে কিছু বলার।
আরেকটি ব্যাপার, আপনি ঠিক কথা বলেছেন, আপনার পোস্টে এইসব লিখতে পাচ্ছি, কারণ আমি জানি, আপনি এটা নির্মল বিতর্ক হিসেবেই দেখবেন।
আপনার এই পোস্টটি ছিলো ইস্টার দ্বীপ নিয়ে চমকপ্রদ এবং তথ্যবহুল পোস্ট। এখানে ধর্ম চলে এসেছে পোস্টে ব্যবহৃত শুধুমাত্র একটি বাক্যের জন্য। বাক্যটি ছিলো--
অর্থাৎ, যদি আপনি আমাদের বলতে ইসলামকে বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে ব্যাপারটা হলো ইসলাম ইহুদীদেরকে ঘৃনা করতে শিখায় কি না? যদি আপনি 'আমাদের' বলতে ইসলামকে না বুঝিয়ে আপনাকে বা যারা ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দেয় তাদেরকে বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে আমার এখানে কিছুই বলার নেই। মোদ্দা কথা, এখানে আলোচনার বিষয় হচ্ছে- ইসলাম ধর্মে ইহুদীদের ঘৃনা করতে বলে কি না, তাই তো?
আমার এবং অনামিকা আপুর কথা ছিলো, ইসলাম ধর্মে ইহুদীদের ঘৃনা করতে বলে নাই। আপনি কিন্তু কোরানের রেফারেন্স দেখাননি, কোথায় বলা আছে ইহুদীদের ঘৃনা করো।
ইহুদীদের প্রতি আল্লাহ কি ধরনের ফেভার করেচেন, সেই আয়াতগুলি হচ্ছে—
O children of Israel, indeed we delivered you from your enemy and made a covenant with you on the right side of the mountain, and we sent down for you manna and quails. (20:80)
Indeed we gave the children of Israel the Book, and wisdom, and the prophecy, and we provided them with good things and favored them above all creation. (45:16)
We made a covenant with the children of Israel: “Serve none except God. Be good to parents, relatives, orphans, and the poor. Speak kindly to people. Establish prayer and give alms.” Afterward, you turned away, except a few of you, and you were averse. (2:83)
কোরান এখানে ইহুদীদের স্পেশাল স্টাটাস এবং ফেভারের কথা বলেছে, ঘৃনার কথা কোন জায়গায় আছে? শেষ আয়াতে বলা হয়েছে, Afterward, you turned away, except a few of you, and you were averse.—সেটা হচ্ছে আল্লাহকে অমান্য করার কথা। একই কথা কিন্তু মুসলমানদের জন্যেও প্রযোজ্য। এই প্রসঙ্গে (আল্লাহ কে অমান্য করা এবং শাস্তির ব্যাপারে) সুরা বাকারাতে আরো আছে—
Moses came to you with clear proofs, yet you took the calf [for worship] in his absence, and you turned wicked. (Qur’an 2:92)
We made a covenant with you, that you not shed each others’ blood, nor evict each other from your homes. You agreed and bore witness. Yet it is you who are killing each other and evicting a group among you from their homes, supporting each other against them unlawfully and aggressively; and if they should come to you as captives you would ransom them—while evicting them was unlawful for you. Do you then believe in a part of the Book and disbelieve in the other? (Qur’an 2:84-85)
You have known those among you who violated the Sabbath, so we said to them: “Be despicable ape.” (Qur’an 2:65)
কোরানের আরেক জায়গায় কিন্তু ‘Apes and swine’ কথাটা এসেছে, কিন্তু সেটা ইহুদীদের সাথে রিলেটেড নয়-
Shall I inform you of something worse in the sight of God: those whom God has cursed and with whom he is angry, and he has made some of them apes and swine and servants of evil. These are in a worse position and more astray from the even path. (5:60)
এই আয়াতটা কিন্তু সামগ্রিকভাবে সবার জন্যই বলা হইয়েছে, এর আগের দুটো আয়াতে ইহুদীদের নিয়ে বলা হয়েছে-
O you who believe, do not befriend those who make a mockery of your religion from among those who were given the Book before you or the disbelievers. Reverence God, if you are truly believers. When you call to prayer they make a mockery and a game of it. This is because they are a people who do not understand. (5:57-58)
লক্ষ্য করুন আরণ্যক ভাইয়া, বলা হইয়েছে, যারা আমাদের আগে আহলে কিতাবধারী (ইহুদী এবং খ্রিস্টান), তারা যদি আমাদেরকে নিয়ে mockery (মানে কি উপহাস, জানি না) করে, তাহলে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করো না, ঘৃনা করতে বলেছে কি? আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।
হ্যাঁ, কোরানে ইহুদীদেরকে ক্রিটিসাইজ করে একটা আয়াত আছে, এটা নাযিল হয়েছিলো, যখন মদীনার ইহুদীরা তৌরাত থাকা সত্বেও নবীজীর কাছে আসে বিচার নিয়ে-
How do they make you a judge while they have the Torah in which is God’s law? Then they turn back after that—these are not believers. (Qur’an 5:43)
লক্ষ্য করুন, এখানে কিন্তু তৌরাতের গুরুত্বই বর্ননা করা হয়েছে, তাই না? এর পরের আয়াতেই আরো পরিস্কার ভাবে বলা হয়েছে—
We sent down the Torah, in which there is guidance and light, by which the prophets who submitted judged the Jews, as did the rabbis and the priests, according to what they were required to observe of God’s Book, and thereunto were they witnesses. So do not fear people, but fear me, and do not sell my signs for minor gain. Whoever does not judge by what God has sent down are disbelievers. (5:44)
দেখা যাচ্ছে, কোন জায়গাতেই as a man হিসেবে কোরানে ইহুদীদেরকে ক্রিটিসাইজ করা হয়নি, ঘৃনা শেখানোর তো প্রশ্নই আসে না।
মন্তব্য বড়ো হচ্ছে বলে আরেকটি মন্তব্য লিখছি---
আরেকটি কথা, ইসলাম যদি ইহুদীদের ঘৃনা করতেই শিখাতো, তাহলে আহলে কিতাবধারীদের বিয়ে করা যাবে, এই কথা বলতো না। (ইয়াসির আরাফাতের স্ত্রী কিন্তু ইহুদী ছিলেন, তাই না?)
এরকম আরো আয়াত তুলে দেওয়া যাবে, আপনি ঠিক বলেছেন, এটা নিয়ে আলাদাভাবেই একটি বিশাল পোস্ট দেওয়া যায়।
আপনার সাথে পোস্টের সম্পর্কিত বাক্য হিসেবে তর্ক করা উচিত ছিলো শুধু এটা নিয়েই। কিন্তু আরো কিছু প্রসংগ চলে এসেছে।
তাই সেগুলো নিয়েও বলছি—
১। আপনি জানতে চেয়েছেন এই পোস্টে ইহুদী নিয়ে কথা বলতে আসলে ইহুদী সম্পর্কে তার ভাবনা কি, সেটা আগে বলতে হবে। বেশ তাই বলছি—
আমার সাথে ব্যাক্তিগত ভাবে কখনো কোনো ইহুদীর পরিচয় হয়নি বা আলাপ নেই, তাই আমার এই ধারনাটা শুধুমাত্র হাইপথেটিক্যল।
ইহুদী সম্পর্কে আমার ধারনা মিশ্র, ২য় বিশ্বযুদ্ধে তাদের বিরুদ্ধে যে হলোকাস্ট চালানো হয়েছে (এর সাথে কিন্তু কোনোক্রমেই ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই) কোনোভাবেই আমি তা মানতে পারি না, যতবারই এই সংক্রান্ত কোনো ঘটনা পরি বা মুভি দেখি, আমার একটাই প্রশ্ন –কেনো? কেনো এই গণহত্যা? কি তাদের অপরাধ? তাদের প্রতি আমার এই সহানুভুতি থাকে না, যখন ফিলিস্তিনের কথা চিন্তা করি। (এখানে বুঝাতে চেয়েছি- হলোকাস্টকে অবশ্যই মনে প্রানে ঘৃনা করি, এবং সেইজন্য তাদের প্রতি যে বিশাল সহানুভুতি ছিল, সেটা ফিলিস্তিনীদের প্রতি তাদের আচরনের কারণে কমে গেছে, হলোকাস্টের প্রতি ঘৃনাটা কমে নি)
দেখুন আরণ্যক ভাইয়া, আমি ইহুদীদেরকে পছন্দ করি না (ঘৃনা বলছি না), কোরান আমাকে এই শিক্ষয়া দেয় নি, আমি পছন্দ করি না- ফিলিস্তিনী জনগনের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে। এখানে কিন্তু কোরানের কোনো ব্যাপারই নেই। আবারো বলছি, ব্যক্তিগতভাবে কোনো ইহুদীকে আমি জানি না বলে আমার এই মনোভাব সম্পূর্নভাবে হাইপোথেটিকয়াল। হয়তোবা, কোন ভালো মনের ইহুদীর সাথে পরিচয় হলে এই ভাবটাও দূর হতো।
২। আপনি হলোকাস্ট সম্পর্কে মনোভাব জানতে চেয়েছেন—আশা করি এটারও উত্তর পেয়ে গেছেন।
আবারো আসছি---------
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ।
আপনার উপলদ্ধি ভালো লাগলো ।
যেকোন মানুষেরই এমনটা হওয়া উচিত । আমি অবশ্য কোন রেইসকেই গড়পড়তা ভাবে ঘৃণা করতে পারি না।
বাপরে, নিরীহ ব্লগ পড়তে এসে পুরাই নাকানি-চুবানি খেয়ে গেলাম।
যাই হোক, আমি নেহায়েতে বোকা-সোকা মানুষ... সমাজের অস্থিরতা, রিসোর্স কমে যাওয়া, ক্যানিবালিজমের উদ্ভব এইসব নিয়ে আমার কিছু আজব কথা মনে হয়। কেন যেন মনে হয় ক্যানিবালিজম হয়ে আমরা মরে টরে গেলে পৃথিবীটা মনে হয় বেঁচে যেতো... কিছু পুরানা পড়াশুনাতে পড়েছিলাম যে যেইসব আদিম সমাজে রিসোর্সের টানাটানি হতো সেইখানেই যুদ্ধ আর ক্যানিবালিজম অনেকটা ইভুলুশান প্রসেসের পার্ট হিসেবে কাজ করতো। সো কিপিং মাই ইমোশানস অ্যাপার্ট ফ্রম দ্য বিটার ফ্যাক্ট... ক্যানিবালিজম কি আসলে খুব ভয়াবহ জিনিস? মানুষই একমাত্র প্রাণী যে ফুড চেইন নিয়ে মনের সুখে নাড়াচাড়া করেছে, মানে অন্যদের পরিবর্তনটা দরকারে হয়েছে, আমাদের অনেকখানিই শখে, তো আমরা যদি প্রাকৃতিক নিয়মের এতো কোটি মাইল বাইরে দিয়ে চলি, আমাদের ধ্বংস হয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। খারাপ লাগে এইটাই যে সাথে এই দুনিয়াটাকে নিয়ে মরবো, আরো কোটি কোটি প্রাণীকে শেষ করে দিয়ে।
নাহ সবাই মরবে না, তেলাপোকা বেঁচে থাকবে।
নাঈফা
১। আপনার সাথে তেমন ইন্টারএ্যাকশান না হলেও আপনাকে ব্লগার হিসাবে পছন্দ করি আপনি ধার্মিক হলেও হেদায়েত করেন না বলে। বরং হেদায়েতী পোস্টকে নিরুৎসাহিত করেন। চতুরের নাস্তিকদেরও একই কারণে পছন্দ, তারা তাদের লাইনে হেদায়েত করেনা।
২। আমার প্রবাস জীবনে দেখি যে কোন দাওয়াতের কমন বিষয় হলো, ইহুদীরা কত খারাপ সেটার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ। আপনি বলছেন, ইসলাম ধর্মে ইহুদীদেরকে ঘৃণা করতে মানা করা হয়েছে। এটা শুনে খুশী হলাম। সময় করে একটা লেখা দেবেন আপনার বক্তব্য দিয়ে, এটা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করবো।
৩। ব্যক্তিগত ভাবে আমি অনলাইন ফোরামে নাস্তিকদের নাস্তিক্য প্রচারে একটু সুযোগ দেবার পক্ষপাতী। তারা কিন্তু ট্র্যাডিশনাল মিডিয়াতে কোন সুযোগ পায়না। এই সুযোগটা আমাদের আসতিকদেরই দিতে হবে। (বিচিত্র হলেও সত্য, এই আমাদের মধ্যে আপনিও আছেন, আরণ্যকও আছে)
৪।
ইসলাম ধর্ম যে জুইশধর্মের ভার্শন থ্রী আবারো মাথা চাড়া দিলো প্রশ্নটা। আমাদেরকে জিউ দের ঘৃনা করতে বলা হয়েছে কি এই কারণেই ?
কথাটা পোষ্টের অপ্রোয়জনীয় বাহুল্যতা। চাইলে এক্সপাঞ্জ করতে পারেন।
- রাসেলের সাথে একমত।
৫। আমার কমেন্টের উত্তর দেবার দরকার নাই।
রোবোট ভাইয়া, আপনার কথা আমার খুব ভালো লেগেছে। এর আগে নাস্তিকদের নিয়ে আমি একটা পোস্ট দিয়েছিলাম, সেখানে আমার সাথে অনীক ভাইয়া আর আরণ্যক ভাইয়ার সাথে কথা হইয়েছে, আমি আমার কথা বলেছিলাম, উনারা উনাদেরটা। আমার যতোদূর মনে পড়ে, আমরা খুব ভালো একটা ডিসিশনে এসে পৌছেছিলাম।
আপনার মন্তব্য পড়ে মনে হলো, নাস্তিকদের সুযোগ দেওয়া যায়, যদি সেটা যুক্তিপূর্ণ হয়। উলটা পালটা কথা লিখে নাস্তিকতা প্রচার করে তো লাভ নেই, তাই না?
রোবোট ভাই,
ক্ষমা করবেন, এত দেরীতে কমেন্টের রিপ্লাই দেবার জন্য।
আপনার আন্তরিক মন্তব্যের জন্য বিনীত কৃতজ্ঞতা!
অনিঃশেষ শুভকামনা!
৩। আপনি শেষ নবীর ভন্ডামির কথা বলেছেন—
শুধুমাত্র কি ইসলামই বলেছে—মুহাম্মদের পরে আর কোনো নবী আসবে না?
একটু লক্ষ্য করুন, মুসার পর কি ইহুদীদের ভাষায় আর কোনো নবী এসেছে? ঈসার পরে খ্রিস্টানদের ভাষায় আর কোনো নবী এসেছে? সেই তুলন্যায়তও মুসলমাদের নবী বেশি পুরানো নয়, মাত্র ১৪০০ বছরের পুরানো, তাই না?
৪। ব্যক্তি মুহাম্মদের কিছু ব্যাপার আপনার ভালো লাগেনা বা আপনি পছন্দ করেন না, এক কমেন্টে বলেছেন। সেই ব্যাপারে আমার কিছু বলার নেই, অনেকের অনেকের ব্যাপারে ভালো নাও লাগতে পারে। এটা যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে এই প্রসঙ্গে আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাসটা আমি বলতে পারি (এটা একান্তই ব্যক্তিগত বিশ্বাস), নবীজীর সব ঘটনারই বা আচরনেরই লজিক্যাল দিক আছে। আপনি কি কারনে পছন্দ করেন না, জানতে পারলে উত্তর দেবার চেষ্টা করতাম। কিন্তু আমি নিজেও এই পোস্টে সেসব চাচ্ছি না।
৫। আপনি জানতে চেয়েছেন, ব্লগে লিখেছেন বলেই আমরা এতো কথা বলতে পারছি, মোল্লারা যেসব ভুল ওয়াজ করে সেগুলো নিয়ে বলি না কেনো?
আগেই বলে নেই, ইসলামে কোনো গোঁড়ামি আছে কি না আমি জানি না, কারণ, আমি জানি, ইসলাম একটি উদার ধর্ম। কিন্তু অনেক মোল্লারা নিজেদের স্বার্থে একে বিকৃত করছে, এটা কিন্তু ইসলামের দোষ না।
যেমন ধরুন, কিছুদিন আগে এই চতুরেই হালিম ভাই ১০ মহরম নিয়ে খুব সুন্দর একটি পোস্ট দিয়েছেন, আমি তাঁর সাথে একমত। আমি মিলাদ বলে কিছু আছে বিশ্বাস করি না, এটা আমি মনে করি বিদআত। কোরানে সবে কদর আছে, সবে বরাত নেই, অথচ আমরা সবে বরাত নিয়ে বেশি লাফালাফি করি। মোল্লারা বলে নারীদের চলাফেরা নিয়ে বা পোশাক নিয়ে অনেক কথা বলে, দেখুন, আলীর খেলাফতের সময় নবীজীর স্ত্রী আয়েশা কিন্তু উটের পিঠে চড়ে যুদ্ধ করেছেন। আরো অনেক গোঁড়ামি ইসলাম অনুসারীদের মধ্যে আছে, সেটা না জানা বা ভুল শিক্ষার জন্য, যার জন্য দায়ী মোল্লারা, ইসলাম নয়।
হ্যাঁ, আমি ব্যক্তিগতভাবে যখনই পারি, এইসব ভুল নিয়ে কথা বলি, তবে এখন ব্লগটাইতো সবচেয়ে সহজলভ্য জিনিস, তাই না?
আমার স্ত্রী ডাক্তার, সে বোরখা পরে না, পুরুষদের সাথে কথা বলে, একসাথে কাজ করে—এতে আমার কোনো সমস্যা হয় না, সমস্যা হয় তথাকথিত ইসলামের লেবাসধারী মোল্লাদের।
ইসলাম জিহাদের কথা বলেছিলো, সেই ১৪০০ বছর আগে বিশেষ পরিপ্রেক্ষয়িতে। সেটাকে যদি ভুল ব্যখ্যা দিয়ে লাদেন ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে হামলা করে নিরীহ ৩০০০ লোক মারে, সেটা অবশ্যই ঘৃনার ব্যাপার এবং সেটা লাদেনের ভুল, এর জন্য ইসলামকে তো দায়ী করা যায় না, তাই না? ঠিক তেমনি, পাকিস্তানীরা ধর্মের নাম করে আমাদের উপর যে গণহত্যা চালিয়েছে, সেটা আমিও জানি, আপনিও জানেন, পাকিদের খাসলত, ওদের ভ্রান্তধারনা, ইসলামের নয়। হযরত আলীর সময়েই কিন্তু মুসলমানদের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছে, তাই না? তাই এই সবের জন্য আমি প্রকৃত ইসলামকে দায়ী করতে পারি না, দায়ী করি, সেই সব জ্ঞান পাপী আর নরপশুদের যারা ইসলামকে বিকৃতভাবে ব্যাবহার করছে, ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে।
অনেক কথা বলে ফেললাম ভাইয়া, প্লিজ প্লিজ প্লিজ কিছু মনে করবেন না। আপনি ছাড়া অন্য কেউ হলে আমি এই লেখাগুলো লিখতাম না, পুরো ব্যাপারটাই এভয়েড করে যেতাম।
ভালো থাকুন খুব।
লেখকের মন্তব্য
খ্রীষ্টান বা ইহুদীদের উদাহরন দিয়ে কোরআন হালাল করা যায় না ।
একটা বুজরুকি হলে অন্যটাও হতে বাধ্য ।
আপনি কি কখনো চিন্তা করেছেন - মধ্যপ্রাচ্যেই কেন ধর্ম গুলোর সৃষ্টি হলো ?
কেন দক্ষিন আমেরিকার কথা উত্তর মেরু বা এ্যান্টার্টিকার কথা বলা হলো না ?
যাক এসব ব্যাপারে অন্য সময় আলাপ হবে - এই পোস্ট অলরেডি ভারী হয়ে গেছে ।
উপরের মন্তব্য হতে বুঝতে পারলাম যে, ইসলাম যতবার ব্যবহার হয়েছে বা হচ্ছে, তা বিকৃত ভাবেই। সঠিক ব্যবহার কবে হয়েছে বা কখন হবে তার কী কোন নিশ্চয়তা পাওয়া যায়, জানতে ইচ্ছে করে।
২০০০ সালে একটা লেখা পড়েছিলাম, ৩য় বিশ্বযুদ্ধ হবে পানি নিয়ে। এখন অবশ্য সেরকম মনে হয়না।
হা হা হা---
আমারো তাই মনে হয়, ভাইয়া। পানি নিয়ে নয়, অন্য কিছু নিয়ে (ইসলামের সাথে!) ৩য় বিশ্বযুদ্ধ হবে।
ইস্লামের সাথে বিশ্বযুদ্ধ? হাহাহা! কোন কায়দায় বস? আল কায়দায়? ইস্লাম্রে চিপায় ফেলানোর বহুৎ উপায় আছে, সেটার অবলম্বনেই কী অস্ত্রবাজী নির্ধারিত হবে? ধরেন একটা কার্টুন আঁকলাম মুহাম্মাদরে নিয়া। এইটা নিয়া ফাইট করতেই পারেন, সংখ্যাগরিষ্ট দেশে ম্যাসাকার কৈরা জয়ী হৈতেই পারেন, কিন্তু বাকি বিশ্বে শুধু ঘৃণা আর হাস্যরসের শিকারই হবেন। রেস্ট অফ দ্যা ওয়ার্লদ ডাজনট গিভ আ শিট এ্যাবাউট ইস্লাম। অবশ্য মডিফাইড ইস্লাম জিনিস্টা খ্রাপ না। দ্বীনে দ্বীনে অথবা দিনে দিনে আরো মডিফাইড করতে থাকেন। বেস্ট অ'লাক!
ক্লাস অফ সিভিলাইজেন নামে হান্টিংটনের একটা খুবই বিখ্যাত বই আছে, সেটা কি পড়েছেন? অন্তত নাম শুনেছেন?
মনে হয় না।
তাহলে এই ধরনের একটা কমেন্ট করতে পারতেন না।
কম্পলিট নতুন একটা জিনিস জানলাম ! আরও জানার ইচ্ছা আছে !
লেখকের মন্তব্য
সচলায়তনের লিংক ফলো করেন - নুশেরা আপার কমেন্টে ।
On Reason and Passion
-Kahlil Gibran
Your soul is oftentimes a battlefield, upon which your reason and your judgment wage war against your passion and your appetite.
Would that I could be the peacemaker in your soul, that I might turn the discord and the rivalry of your elements into oneness and melody.
But how shall I, unless you yourselves be also the peacemakers, nay, the lovers of all your elements?
Your reason and your passion are the rudder and the sails of your seafaring soul. If either your sails or your rudder be broken, you can but toss and drift, or else be held at a standstill in mid-seas.
For reason, ruling alone, is a force confining; and passion, unattended, is a flame that burns to its own destruction.
Therefore let your soul exalt your reason to the height of passion, that it may sing;
And let it direct your passion with reason, that your passion may live through its own daily resurrection, and like the phoenix rise above its own ashes.
I would have you consider your judgment and your appetite even as you would two loved guests in your house.
Surely you would not honour one guest above the other; for he who is more mindful of one loses the love and the faith of both.
Among the hills, when you sit in the cool shade of the white poplars, sharing the peace and serenity of distant fields and meadows -- then let your heart say in silence, "God rests in reason."
And when the storm comes, and the mighty wind shakes the forest, and thunder and lightning proclaim the majesty of the sky -- then let your heart say in awe, "God moves in passion."
And since you are a breath in God's sphere, and a leaf in God's forest, you too should rest in reason and move in passion.
লেখকের মন্তব্য
আহ !! মুগ্ধ হয়ে গেলাম বস

আমরা কী সব লিখি - সব তো আগেই লেখা হয়ে গেছে ।
এত ক্যাচাল পোস্টে
তবে পোস্ট টা ভালা পাইছি
কিশোরীবেলায় ইষ্টারদ্বীপ নিয়ে পড়ে খুবই আগ্রহ জন্মেছিলো সেটা নিয়ে আরো জানার।
এখানে পড়তে এসে মাথা ভনভন করে ঘুরছে।
প্রসঙ্গ: ইসলাম কি ইহুদীদের প্রতি ঘৃণা করতে শিক্ষা দেয়?
এই ব্যাপারে নিয়াজ ভাই অলরেডি একটা পোস্ট দিয়েছেন। তাই আমি আর পোস্ট দিলাম না।
কিন্তু এই বিষয় নিয়েই আমার বক্তব্যগুলো মন্তব্য আকারে পোস্ট করেছি। মন্তব্যগুলো পড়তে হলে ক্লিক করুন এখানে।
ভাল লাগল পোস্ট টা
পড়লাম এবং ইষ্টারদ্বীপ নিয়ে অনেককিছু জানলাম। আপনাকে ধন্যবাদ এরকম একটা পোস্ট দেওয়ার জন্য।
রাপা নুই এক অনন্ত রহস্য
মন্তব্য করুন