শূন্য আরণ্যক-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

পরোটা কাহিনী পরের পর্বের জন্য তোলা থাকুক। চতুররা সব জানতে ব্যস্ত কারে কতোটুক সুন্দর দেখা গেলো 
৭-৮ দিন কোথায় উড়ে গেলো টেরই পাই নি । ভাই-বোন দোস্তদের সাথে হাহাহিহি করতে করতে দিন শেষ হয়ে গেলো।
বহুল প্রতিক্ষীত চতুরাড্ডার জন্য প্রস্তুতি ঠিক মতোই ছিলো - ভেবেছিলাম বেশ খানিকটা সময় আগেই চলে যাবো। কিন্তু বিধিবাম
বাঙালী অতিথিয়তা আর বামপন্থী মিছিলের খপ্পরে পরে ছবির হাটে পৌছালাম দৌড়াতে দৌড়াতে ৫:০০ - ৫:১৫ এর দিকে।
পৌছেই দেখি সব যাই যাই করছে - তনুজা আর বিলাই পারলে তখনই রওনা দেয় । কোন মতে চকলেটের লোভ দেখিয়ে তাদের পাচ মিনিটের জন্য বিরত করা গেলো । চতুরদের ঠিক মতও দেখার আগেই হুদা ভাই আমাকে মোবাইল ধরিয়ে দিলো -
সামনে সদ্য (নন-ভার্চুয়াল) পরিচিত মানুষজনের সামনে ভ্যাব্দার মতো ফোনে কথা বলা একটা যন্ত্রনার ব্যাপার ।
মোবাইলে যাদের সাথেই কথা হয়েছে তাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করি - আমার মাথায় তখন ১০০০টা জিনিস ঘুরছে - কী বলেছি আমার কিছুই মনে নেই।
হুদা ভাইকে আর রাশভারী কেউ ভেবেছিলাম -
উনি দেখি বেশ মাই ডিয়ার লোক ।
বিলাই পুরাই তুলতুলে মানুষ - ওকে ধরলে টের পাওয়া যায় । 
বিলাই ব্লগে একরকম - ফোনে একরকম - সামনাসামনি একরকম ।
তবে ব্লগাররা গড়পড়তা লাজুক মানুষ ।
তনুজার ছবি সব ইনসমানিয়াকদের মতো দেখা যায় - কিন্তু সামনাসামনি সে পুরাই বাংলা বিজ্ঞাপনের মডেল ।
একধারে পুরুস্কার প্রাপ্ত কবি, জনপ্রিয় ব্লগার আর বাংলা মডেল হবার জৌলুষে ঝলসে যাবার অবস্থা আমার ।
তার স্বভাব অনুযায়ী আমাকে দেখেই ঝাড়ি দেয়া শুরু ।
বৃত্তবন্দীর সাথে অনেক তর্কাতর্কি - ঝগ্গাঝগ্গি হয়েছে সামুতে। কিন্তু সে মনে হয় আমাকে ঠিক মতও চিনতে পেরেছে। অথবা আসলেই উদারমনা মানুষ । তার আড্ডার উপস্থিতি সেটাই প্রমান করে ।
আড্ডায় সে ডিরেকশনদাতার ভূমিকা পালন করেছে ভালো মতো। কেউ আসতে চাইলেই - সোজা সোহরাওয়ার্দি উদ্যান বাথরুম
।
একুয়া পুরাই থান্ডার ক্যাটস
। আগে ছবিতে তাকে একটু কিউটু-টকো লাগতো কিন্তু সে অনেক সপ্রতিভ সামনাসামনি।
সবাই প্রথম প্রথম জড়তায় ভুগছিলো । একুয়া ব্লগে যেমন স্মার্ট - তেমন সামনি সামনি সুন্দরী-স্মার্ট । এই কম্বিনেশন পাওয়া মুশকিল।
নিশুতিরাতের চিঠিকে আমি ভেবেছি - কোন ব্লগারে বোন হবে - - শুনিইনি তার ব্লগ আইডি।
আমি ভেবেছিলাম সে আরো বয়স্ক কেউ হবে - এটলিষ্ট আমার সমান টমান কেউ । সে ব্যাপক রুপসি।
পরের বার তার নিক জিগাতে সে হাসতে হাসতে খুন ।
ঈশান মাহমুদের প্রোপিকের সাথে তার চেহার কোন মিল নেই । তার সাথে কেন জানি খুব কম কথা হয়েছে। ব্লগের মতোই । 
সারপ্রাইজড হয়েছি - ডাক্তারকে দেখে । এতো দারুন মজার পিচ্চি পুলা। খুব মিশুক । আমাকে এসে বলে আমি ঈশান মাহমুদ !
ডাক্তারের ইয়াং ছবি প্রোপিকে দেয়া উচিত - আরো দু তিনটা প্রেম সে খুব সহজেই করতে পারবে । (এই কথার জন্য এখন তার বউ এর কাজ পিট্টি না খেলেই হয় । ডাক্তারের মধ্যে লুলামি নাই - এই সার্টিফিকেট আমি দিলাম
)
আমি ভেবেছিলাম - ৩ মাস ধরে গজানো দাড়ি আর টুপি ছাড়া যাবো প্রথমে । পড়ে ভাবলাম - আমাকে জেএমবি ভেবে চতুরদের পালিয়ে যেতে দেয়া উচিত হবে না । চতুরদের উপর দয়া করে দাড়ি বিসর্জন দিলাম 
যাক একটু পড়ের তনুজা হাওয়া হয়ে গেলো । ছোট বাচ্চার অজুহাত না হলে কোন অজুহাতই মানা যেতো না ।
এর মধ্যে বহুব্রীহি হাজির । চাদর গায়ে ইয়া লম্বা জোয়ান । সে আামকে বল্লো - আপনার স্করসিসি প্রীতির কারন কী ।
আরো অনেক সময় নিয়ে কোশ্চেনটার উত্তরদেয়ার দরকার ছিলো - যাক গে - কোন এক ব্লগ পোস্টেই সেটা দেয়া যাবে ।
ব্লগার আকাশগঙ্গার পোস্ট আমি খুব কম পড়েছি - তবে সে পপুলার ব্লগার এটা জানতাম । তার পা তুলে উঠানো ছবিটা ঝাক্কাস হয়েছে । আফসোস - ব্রেইন ফ্রিজ আড্ডায় কারো সাথে ঠিক মতো কথা হয়নি ।
একটু পর আসলো হামা দম্পতি । লম্বু তালগাছই হামা মিলাতে একটু কষ্ট হয়েছে ।
তালগাছ কোন রা করে না । দশটা কথা জিগালে একটা উত্তর দেয় । সমুদ্রকন্যাও কথা কম বলে ।
ওদের সংসারে কথা বার্তা কে বলে সেটা নিয়ে আমি এখন ব্যাপক টেনশনিত 
কাল্পনিক কথোপকথন -
সমুদ্রকন্যা : ভাত খাবে ?
হামা: (তালগাছ নিশ্চুপ - একপায়ে দাড়িয়ে)
দশমিনিট পর
সমুদ্রকন্যা : ভাত খাবে - ঢেরস ভাজি দিয়ে ?
হামা : উম - ভাত - --- উম ঢেরসের মতো সময়কে কুচি কুচি করে কেটে ফেলা উচিত

---
হামার সাথে কোলাকুলি করতে গেলে সে আমাকে ঝাড়ি দিয়েছি - ঈদের কোলাকোলি শুরু করেছিস নাকি ।
তার মুখ দেখে কোন ভাব বোঝার উপায় নেই ।
এরমধ্যে নিশুতিরাতের চিঠি - আর বিলাই বিদায় নিলো -- আমি আশংকা করছিলাম - এটা একটা ব্যর্থ আড্ডায় পরিণত হবে কিনা ।
সেই আশংকার বৃষ্টি মাথায় নিয়েই আমরা চটপটির দোকানের দিকে হাটতে শুরু করলাম ।
চটপটির দোকানে মোটামুটি আড্ডা জমে গেলো ।
আমি সবাইকে জিগ্গেস করলাম - চতুর্মাত্রিক নিয়ে তাদের অনুভুতি কী?
সবার কাছ থেকে পজিটিভ রেসপন্স পেলাম ।
আমার ভাগের চটপটি আমি অবশ্য খেতে পারি নি । কারন একজনের পর একজন এসে উপস্থিত । ভেবু দম্পতি এসে হাজির হলো ।
ভেবু নিজের কথা নিজেই হেসে খুন হয়ে যায় ।
খুব পরিচিত একটা নায়িকা আছে এইভাবে কথা বলে -
মনে করতে পারছি না কে।
ভেবুরা আসার পর আড্ডায় প্রাণ সন্চার হলো ।
এর পর এলো অন্ধ আগুন্তক । আড্ডার সবচে বড়ো সারপ্রাইজটা মনে হয় সেই ছিলো ।

যাক তার ব্যাপারে বেশি আলাপ করলে সে আবার মাইন্ড করতে পারে । তাই চুপি চুপি আপনাদের জানাবো কোন একসময় ।
এরপর এসেছিলেন - উদারজি ভাই , নয়ন আর পাপতারুয়া ।
উদারজি ভাই - পুরাই তামিল ছবির ভিলেনের মতো । কিন্তু ব্যাপক অমায়িক মানুষ - আমাকে এসে বসা অবস্থা জড়ায় ধরলেন ।
আফসুস কোন রেসিপি নিয়ে আসেন নাই তিনি
নয়ন এসেই তার জনপ্রিয় ডায়লগ দেয়া শুরু করেছে - বিয়ে করেই এসেছি। 
এরপর নিঃসীম স্বপ্ন এসে হাজির - সে আরেক লম্বু ।
খুব ভালো হয়েছে তার সাথে দেখা হয়ে ।
এর পর কথা হলো কাজী সাফায়েত এর সাথে । সে খুবই ভালো ব্লগার । তারিক মাসুদকে নিয়ে তার একটা ষ্টিকি পোস্ট হয়েছিলো । তার সাথে দীর্ঘ আলাপ হলো ।
ততক্ষনে আড্ডা জমে গেছে পুরাই - কেউ কেউ যাচ্ছি যাবো করছে ।
আমি , ভেবু দম্পতি , হামা দম্পতি , অন্ধ আগুন্তুক আরো অনেকক্ষন বসলাম ।
শেষ পর্যন্ত তারা আমাকে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসলো ।
এইভাবেই শেষ হলো আমার প্রথম চতুরাড্ডা । ভালো লাগার রেশটা সত্যি বলতে এখনো আছে সাথে ।
জমে উঠা আড্ডা নিশ্চয় আরো জমতো বইমেলায় ।
সে সুযোগ তো পাওয়া গেলো না ।
আবার দেখা হবে প্রিয় চতুরেরা আরেক চতুরাড্ডায় । 
মন্তব্য
রিয়াল লাইফে লাজুক হামা এবার ভার্চুয়াল তাংফাং করা শুরু করবে। রেডি থাক!
লেখকের মন্তব্য
হ দেখা আছে সব তাংফাং
দারুণ !
পইড়া মজা পাইলাম
শুভেচ্ছা-
স্মৃতি পুষ্টে ২য় কমেন্ট করে আমি ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলাম।
হে হে।
--------------
পড়তেছু। পড়ে আবার কমেন্ট নিয়ে আসতেছু।
------------------
ব্লগে কমেন্টানোর সময় মন কই থাকে? আজিব অবস্থা ডেখি। একবার নিশুতি একটা পোষ্ট দিছিলো, একটা গল্পের প্লট টাইনা লম্বা করন্তি। সেইখানে আপনের অংশটা ভুটাপ পাইয়া কয়দিন সেই পোষ্টসহ সবার সামনে আছিল। আপাতত আর মনে পড়তেছে না, কোথায় ইন্টারেকশান কইছে। নিশুচিরে চিনেন নাই? উনি আমার মাই ফেভ ব্লগার।
-------------------
কাজী সাফায়েত আসছিলো নাকি? ওয়াও! কেউ ত একবারও ওনার কথা বললো না? আমারও খুব ভাললাগে ওনারে।
---------------
হামা দম্পতি'র জন্য আমাদের নয়নকে কিছুদিনের জন্য উপহার দেয়া হৌক। ওনাদের নীরবতা উপাখ্যান ইতিহাস বানিয়ে ২৩টা ভুটাপ নিয়ে বিলকুল শীর্ষে নিয়ে যেতে পারবে। আমিন।
আমি থাড হইলাম কেমনে?


-----------
অ প:
-----------
ধুর! ইতিহাসেও ফেইল!
আমি সেকেন্ড হইয়া গেলাম
চেষ্টা করেন
সামনের বারে পাস করবেন
সব্বাইরে দিয়াতো আর ইতিহাস রচনা হয় না!
একদম ঠিক বলেছেন
সেডাই ত দেখবান্ছি।
লেখকের মন্তব্য
আপনে দেখি আরেক পাগল- তাকে চিনবো না কেন - সে আমার সিয়ামিজ টুইন।
আপনে কোন দুনিয়ায় থাকেন !
সে প্রথমবার তার ব্লগ আইডি বলেছে - সেটা শুনি নাই বল্লাম
হাহাহা হাহা।
যাক, অবশেষে লিখলেন!
ব্যাপক মজা পাইলাম।
হা হা হা।।। তামিল ছবি দেখেই এদেশের সব ছবি তৈরী হয়! বম্বেতেও এক দশা! সুতারাং চিন্তা নাই!
(চান্সে একটা বিজ্ঞাপন দিয়ে দেই এই সুপারহিট পোষ্টে! আগামী বুধবার রাত ৮টা ৩০ মিনিট এবং বৃহস্প্রতিবার ১২টা ৩০মিনিটে আমি, নিয়াজ ভাই ও পলাশকে 'সময় টিভি'তে দেখাবে। তামিল ছবির ভিলেন দেখতে চাইলে দেখতে পারেন! নিজকে আর কত ঢেকে রাখব!)
দাঁড়ান, পোড়ায়ে আনি।
অপেক্ষায় রইলাম "সাহাদত ভাই"
লেখকের মন্তব্য
বাপরে - আপনারা তো বিখ্যাত লোক
চতুর্মাত্রিকের নামটা নিয়েন টিভিতে বেশি বেশি করে
হিহিহি
আমি কথার শুরুটাই করেছি।।।।। আমরা চতুরমার্ত্রিকের ১২ জন ব্লগার বলে।।।।।।
(আর কি কি বলেছি এখন আর মনে নাই!)
আমি সব চেয়ে বড় তব্দা খেয়েছি গলার স্বর শুনে। আমি ভেবেছিলাম আরন্যক ভাইয়ার গলা হবে গমগমে। কিন্তু ভাইয়ার গলা একদম আমাদের সমান কিংবা তার চেয়েও ছোট ছেলেদের মত। আর আমিন শিমুল ভাইয়ার গলা ভেবেছিলাম হালকা হবে কিন্তু উনি গমগমে গলার মানুষ।
তবে ভাইয়া, সামনা সামনি আপনাকে একদমই রাগি মনে হয়নি। অনেক কিউট মনে হয়েছে।

লেখকের মন্তব্য
গলা নিয়ে একটা মজার ঘটনা আছে - ১৩-১৪ বছরে যখন ছেলেদের গলার স্বর পরিবর্তন হয় - আমার হয় নি -
আমার পুরা এক্সটেন্ডেড ফ্যামেলি ঐটা নিয়ে ব্যাপক চিন্তিত ছিলো - শেষ পর্যন্ত মেয়েদের মতো গলা হয়ে থাকবে না কি আমার ।
একদিন ম্যাজিকের মতো গলা পরিবর্তন হয়ে গেলো
তবে এটা আমি অনেককেই বলতে শুনেছি - সবাই ভাবে আমার গলা গমেগমে হবে আর রাশভারী -
জানি না কেন --
আমি তো অলওয়েজ জংলি টাইপ - মানে ফান লাভিং - মজার লোক -
আগি সিরিয়াস ছিলাম কবে ?
তবে আমি রাগি খুব সহজে - যতো ভালো দেখা গেছে ততো ভালো আমি না ।
রাগার কারন না ঘটলে রাগি না কখনো- শো অফ করার জন্য তো নাই ।
নতুন পরিচিত মানুষদের সাথে রাগার কোন প্রশ্নই উঠে না - এতো পাগল আমি না
তবে আমি যেমন ভাবসিলাম আপনার ভয়েস তার সাথে অনেকটাই মিলসে । আপনার যেই চেহারা আমার মাথায় ছিলো , সেইটায় ফ্রেঞ্চ কাট ছিলো না ! ক্যান যেন মনে হইতেসে , আপনার ক্ল্যাসিক ফ্রেঞ্চ কাটের সাথে মিলায়ে সবাই গম গম আওয়াজ খুঁজতেসে !

নয়নসহ কাল্পনিক কথোপকথন -
সমুদ্রকন্যা : ভাত খাবে ?
নয়ন: হামা ভাই, ভাত খাইবেন? ভাত ত গরমই খাওয়া উচিৎ। নয়ত ভাবী একাই খেয়ে ফেলবেন। আপনি আসেন। ভাবী অনেক কষ্ট কইরা রানছে। যান। আসেন। হামা ভাই। পাইজাম চাইলের ভাত খাইয়া ইতিহাসের অংশ হন। হামা ভাই। শুনেন--
হামা: একটা প্যারানয়েড দৃষ্টি। (আজিব গিলটু ত, কথা কইতেই আছে, কইতেই আছে)
দশমিনিট পর
সমুদ্রকন্যা : ভাত খাবে - ঢেরস ভাজি দিয়ে ?
নয়ন: হামা ভাই, ভাত খাইবেন সরিষাবাড়ীর ঢেড়স দিয়া পুরা কটকটি ইস্টালের রান্না করছে। উপ্তানো ঢেড়শ। খাইলেই বুঝবেন হামা ভাই। হামা ভাই, আসেন গরম গরম খান। খাইয়া ইতিহাসের অংশ হইয়া যান। হামা ভাই। শুনেন--
হামা: আবারো প্যারানয়েড দৃষ্টি নয়নের দিকে।
এবার সমুদ্রকন্যা : কটকটি স্টাইল মানে, কি কইতে চান নয়ন?
এবার হামা বুঝতে পারলো সমুদ্র কিছুটা বিরক্ত হইছে। সে এবার মুখ খোললো--
নয়ন, ভাইডি চলেন, আপনারে চতুরে দিয়াসি।
----------
নয়নকে দিয়ে আসার পর:
স ক: ইস, উনি এভাবে আমার রান্নার সমালোচনা করলো, তুমি কিছুই বললা না?
হামা: কি সমালোচনা করছিল নাকি?
স ক: বললো--
হামা: আহ, থাক।
সক:------
হামা:------
------------------
চতুরে এসে নয়নের কমেন্ট:
আজকে হামা ভাই-সক ভাবীকে ঢেড়শ ভাজী সহ গরম ভাতের সামনে বসে থাকতে দেখে এসেছি। (২৫ টা আপ, একটা মাইনাস)
(তন্ময় মনে হয় এখনো লগ ইন করতে পারে।)
পদ্ম ভাইজান, আপনে আইস্যা আড্ডা মাইর্যা আমারে দেইখ্যা কি কইবেন, সেই 'টেনশন' এখন থাইক্যাই পাইয়্যা বইছে!
হা হা। ধুর, আমি অনেক ভালু লুক। কারো নামে প্রশংসা ছাড়া আর অন্যকিছু করি না। হা হা

প্রবাসীদের মনে দেশীদের জন্য দয়ামায়া নাই!
এই নেন আপনার জন্য 'রেড চিলি চিকেন'।
(রেসিপি আসছে!)
জিরো দা'র চককেট ফেরত দেন উদরাজী ভাই। নয়ত কমেন্ট ফেরৎ নেন।
খানাডা থিকা গিয়া চককেট খাওয়াইলো, আবার কইতেছেন, দয়ামায়ানাই!? এডা ত চলপে না। হয় চককেট নয় কমেন্ট। ফেরৎ দেন, নয় ফেরৎ নেন। 
এটা আবার কি বললেন? আহ।।।। এ যে দেখছি হৃদয় নাই! কেমনে কি করব! (চকলেট গুলো বেশ রসালো ছিল, মুখে দিয়েই আহ।। আবার যদি পাইতাম!)
হে হে, আমারে দেখলে বলবেন--- "ও পাশানি বলে যাও, কেনো চকলেট আনোনি। তবে কি তুমি চতুরাড্ডা দেখোনি?" --- হে হে।
--------------
নাহ, ঠিকাছে, থাক। ফিরৎ দিতে হবে না।
পদ্ম ভাই, আজ যাচ্ছি। আগামী কাল সারা রাত আছি, নাইট শিফটে থাকব। দেখা হবে। ভাল থাকুন।
বকবক না হয় এক্টু বেশিই করি, তাই বইলা এইভাবে অপমান?


==========
ভুটাপ!
-----------------
ওই কমেন্টে কি কেউ মাইনাস দিসেনি? হু? তন্ময়ও মাইনাস দেয়ার সাহস রাখেনা!
ধুরো। সবাই সবাইরে নিয়ে কয় নাকি? আপ্নে মাই ডিয়ার লুক বলেই ত চান্সি নেই।

----------
থ্যংকু নয়ম্ভাই।
নয়ন ভাই" গুস..সা কইরেন না"
হামার দাম্পত্য সংলাপে ঝাঝা। হাহাপগে
@তনুজা দি, ঝা ঝা কারে দিলেন?
ঝা ঝা তো সংলাপকাররেই দিলাম, ক্যারেক্টারের মুখে বসায়ে দেখলাম একদম ফিট
লেখকের মন্তব্য
আপনার মৌনব্রত কোন নর্তক এসে নাচলে ভাংগবে বলতে পারেন ???
নর্তক আর আশেপাশে পাই কৈ? সব তো দেখি নন্দী ভৃঙগী
(অট:নন্দী ভৃঙগীর সাথে জানাশোনা আছে কিনা বুঝতেছি না )
তনুজাকে আজকাল পোস্ট লিখার কথা বলতেও ডর লাগে। তবে বাচ্চা ছোট এই অজুহাত দিলে আলাদা কথা।
বিলাই পুরাই তুলতুলে মানুষ - ওকে ধরলে টের পাওয়া যায় । মুহাহা

বিলাই ব্লগে একরকম - ফোনে একরকম - সামনাসামনি একরকম ।
সমুদ্রকন্যা : ভাত খাবে ?

হামা: (তালগাছ নিশ্চুপ - একপায়ে দাড়িয়ে)
দশমিনিট পর
সমুদ্রকন্যা : ভাত খাবে - ঢেরস ভাজি দিয়ে ?
হামা : উম - ভাত - --- উম ঢেরসের মতো সময়কে কুচি কুচি করে কেটে ফেলা উচিত
(মাথা চুলকানোর ইমো)
আসেন কোলাকুলি করি।
আপনার সাথে সামনাসামনি আড্ডা দেয়ার খুব ইচ্ছা ছিলো কিন্তু সেইটা ইচ্ছা পর্যন্তই থেকে গেলো।বইমেলার আড্ডা পর্যন্ত যদি থাকেন থাকেন দেশে তাহলে হয়তো সেই ইচ্ছা পূরণ হবে।
লেখকের মন্তব্য
আমি ব্যাক টু প্যাভিলিয়ন - কিন্তু তোমারে অনেক মিস করি - কই থাকো ভাইজান ?
খুব উপাদেয় এবং পুষ্টিকর পোস্ট।
একটু বেশি মজা পাইলাম হামা দম্পতির কাল্পনিক কথোপকথোনে।
মজার হইছে পোস্ট

আমি যে কবে ব্লগাড্ডা নিয়ে লিখতে পারবো !!
আইডেন্টি ক্রাইসিসে পরলাম, হু এ্যম আই?
যাউক, সবাই সবচাইতে তব্দা খাইছে আপনারে দেইখা, আগেই বলছি। পর্দার আড়ালের আর সাম্নের!!
এই ব্লগীং ব্যাপার্টাই বিষ্ময়কর!! সেই আড্ডা থেইকা ফিরে মোটামুটি কল্লা রক্ষা করা গেছে অল্পের জন্য, সেই আড্ডা মিসানের জন্য যদিও আজকে বিকেলেও একচোট গুড়গুড় কর্লাম বাসায়!!
হে হে হে। এই আইডেনটিটি ক্রাইসিসের কথাই আমি বলছিলাম। আপনেরে ব্লগে দেখি একরকম। কথা বইলা পুরাই আরেকজনের খোঁজ পাইলাম। জিরোদার হিসাব ঠিক হইলে আপনের তিন নাম্বার এনটিটির সাথেও পরিচয় হইয়া যাবো সামনে।
লেখকের মন্তব্য
কেন আমারে দেইখা তব্দা খাবার কী হৈলো ?
ছবি দেখা ছিলো - কথা বলা ছিলো -
তব্দা খাবার কোন কারনই নাই
============================
আড্ডা দিয়ে মনে হৈসে এই মানুষ গুলোরে কতো দিন ধরে চিনি ।
আমার বোন বলতে ছিলো -ভাইয়া তোমরা দেখি অনেক ক্লোজ ।
পরে চিন্তা করে দেখলাম আসলেই তও
আরণ্যক ভাইয়া, নেক্সট টাইম দেশে আসলে আপনাকে বিশাল ট্রিট দিবো। আপনার মুখে (হাতে) ফুল চন্দন পড়ুক।
আরণ্যক দা চলে যাচ্ছেন? এ মাসটা থাকবেন না?

আফসোস!
লেখকের মন্তব্য
চলে গেলেন মানে - আমি তো চলেই গেছি :।
আরণ্যক , আপনার নামের শেষে যে পদবীটা আছে , সেইটার ভয়ে আমি কিঞ্চিত ভীত ছিলাম । আপনার সাথে কথা বলে সেইটা পুরোপুরি কেটে গেসে । সময়ের অভাবে মুভি নিয়ে কথা বলার ইচ্ছা থাকলেও সেইটা হয় নাই , তবে খুব আগ্রহ নিয়া আপনাদের কথা শুনতেসিলাম , দারূণ সব নস্টালজিক আড্ডা ছিলো ।:গুরু:
শেষে আপনার সাথে যেই হাগটা হইলো , আন্তরিকতার সবটা সেখানে ছিলো । আপনাদের সাথে আড্ডায় ছিলাম , এইটা আমার কাছে অনেক প্রেশাস একটা স্মৃতি । সামনের সময়ে আবার এইরকম একটা আড্ডা আসুক । দারূণ হবে , নিশ্চয়ই হবে ।
লেখকের মন্তব্য
হাহাহা ! সেই পদবি উত্তরাধিকার সুত্রে ধার করা । আসল মির্জাদের সাথে কোন সম্পর্ক নাই -সব নকল মির্জা।
==
আড্ডা আসলেই শেষের দিকে দারুন জমতেছিলো - সবার মুখ ফুটে কথা বের হৈতেসিলো মাত্র -
আফসোস - বেশিক্ষন থাকা গেলো না
ভার্চুয়াল জগতের মানুষের যে প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠে তার সাথে বাস্তবের মানুষের আসল চেহারা-আচার-আচরন খুব কমই মিল থাকে। আমার একছাত্রী হুমায়ুন আহমেদের পাগল ছিল, রীতিমত ফ্যানাটিক ফ্যান বলা যায়, যখন আমি ২০০৬ সালের দিকে পড়াতাম তখন, সেই এইসএসসিতে পড়ত। বছরখানেক আগে প্রায় পানণচবছর পর ফেইসবুকে তাকে জিজ্ঞেস করলাম হুমায়ুনের পাগলপারা ফ্যান সে এখনও আছে কিনা। বলল, না নেই, কারন হুমায়ুনের সাক্ষাৎকার নাকি তাকে ক্ষ্যাত মনে হয়েছে! কথাবার্তায় আন্ঞলিকতার টান আছে সেজন্য আর ভাল লাগেনা!
আমার ব্লগের শুরুরদিকে, যখন ফেইসবুকে ব্লগারদের সাথে পরচিয় হয়নি, ২০০৭ এর শেষের দিকে হবে বা ২০০৮ এর শুরুর দিকে, সবাই মনে করত আমি বুইড়া ভাম! অন্তত ৪০-৪৫ বছর বয়স্ক হব! হেহেহে। (মানিসকভাবে আমি মনে হয় বেশ বয়স্কই অবশ্য!)
ভার্চুয়াল জগতে যে বীরপুরুষ সে হয়ত বাস্তবে মিনমিনে তালপাতার সেপাই অথবা চরম ভীতু। যে তেমন সপ্রতিভ না বাস্তবে হয়ত সে খুবই সপ্রতিব এবং ভাইস-ভার্সা। ভার্চুয়াল গালিবাজ হয়ত বাস্তবে চরম ভদ্র-শান্ত-শিষ্ট-ল্যাজবিশিষ্ট। ভার্চুয়াল ইমেজের সাথে বাস্তবের ইমেজের মিল নেই বেশিরভাগেরই। ভার্চুয়াল এবং বাস্তবের মানুষের ইমেজ মিলানোর প্রক্রিয়াটাও বেশ দারুন ব্যাপার।
চতুরদের সাথে বেশ ভালই আড্ডাইছেন মনে হচ্ছে।
নরাধম ভাইয়ের অবজারভেশন চমৎকার ! কমেন্টে ভুটাপ।
লেখকের মন্তব্য
আপনার সেই ছাত্রী ছাগল ছাড়া আর কিছু না ।
আপনার কমেন্ট আমার সেই ছাত্রী পড়ার সম্ভাবনা নেই, তাই যা ইচ্ছে তাই বলেন, হেহে।
লেখকের মন্তব্য
সবাই এই অভিযোগটা বেশ করে - ভার্চুয়াল বীরপুরুষরা সামনি সামনি ননীর পুতুল -
কিন্তু এটা ভুলে যায় - শব্দ গুলো সাজাইয়া যে লোকটা চমৎকার কথা সাজাতে পারে - তারে কৃতিত্ব না দিয়ে কোন উপায় নাই - তাছাড়া এটা বিশেষ একটা গুন - শুধু লেখা দিয়েই কতো মানুষের হৃদয় ছুয়ে যাওয়া যায় - কতো মানুষের জীবন পরিবর্তন করে দেয়া যায়
আবারও একবার বলি
:(
গেসিলাম সোয়া পাচটার সময়, কিন্তু কাউরেই চিনি না, কারও ফোন নাম্বারও ছিল না, কিছুক্ষন এদিক সেদিক ঘুের ফেরত আসলাম।
আরণ্যক কেমন সেইটা দেখার ইচ্ছা ছিল, আপাতত ছবি দেখে সাধ মিটাইছি । মিসড দ্য আড্ডা
ভালো থাকুন ভাইয়া।
লেখকের মন্তব্য
আপনাকে ফেবুতে মেসেজ দিলেন না কেন ?
সিনেমাখোর দের সাথে দেখা হলে দারুন লাগতো
ভাই দারাশিকো, আপনার আর আমার একই কপাল।

হা হা জিরো ভাই, আপনারও কিন্তু প্রোফাইল পিকের সঙ্গে বাস্তবতার মিল নাই।
আমার চেহারা ফটোজনিক না। তবে প্রোপিকের সঙ্গেতো মিল থাকার কথা,
কারন ছবিটা খুব বেশি পুরোনোও নয়। আপনার সঙ্গে কম কথা হয়েছে, তা ঠিক।
তবে সারাক্ষণইতো আপনার আশপাশেই ছিলাম। আসলে আপনার কথা শুনতেই বেশী ভালো লাগছিল।
ভালো থাইকেন।
লেখকের মন্তব্য
প্রোপিক টা তো আর আমার নিজের না -- মিল খুজছিলেন কিসের সাথে ?
সমুদ্র কন্যাকে যতটা চুপচাপ দেখাচ্ছিল, ততটা আসলে সে না। প্রথম কথা হল চতুরদের সঙ্গে আমার তেমন কোন কথা-বার্তা হয় নাই আগে, কাউকেই চিনি না। আর দ্বিতীয়ত প্রথম দিনে আমি শুধু দেখি আর শুনি, তারপরে আস্তে আস্তে বলতে শুরু করি (এইটা আমার ছোটবেলার অভ্যাস)। ইনশাল্লাহ, পরের আড্ডায় অন্তত একুয়া বলতে পারবে সমুদ্র কন্যা কয়টা কথা বলছে গুনতে পারি নাই।
আশ্বস্ত বোধ করছি।
লেখকের মন্তব্য
একুয়া কানে তুলা দিয়া আইসো নেক্সট আড্ডাতে
ফিলম নিয়ে চতুরে কম পোস্ট আসে নাকি আমি মিস করি??? আপনার লেখা সবগুলি পড়েছি। সবাই বিদেশী ছবি নিয়ে লেখা দেয়। সত্যজিতকে নিয়ে লেখা দেন একটা।
লেখকের মন্তব্য
চতুরে আড্ডাবাজি ছাড়া সব কিছু কম কম পোস্ট হয়
আপনার প্রো পিক দেখলেই আমার ভয় ভয় করে। মনে হয় কি জানি কমেন্টের উত্তরে ঝাড়ি দিয়ে দেন যদি!

কিন্তু ব্লগাড্ডার ছবিতে দেখেতো আমিই তব্দা খেয়ে গেলাম। নিপাট শান্ত-শিষ্ট একজন মানুষ। তাই সাহস সঞ্চয় করে কমেন্ট করলাম!
লেখকের মন্তব্য
হুমমম শান্ত শিষ্ট লেজ বিশিষ্ট
এত সুন্দর স্মৃতিকেও ভবঘুরের দলে ফেলে দিলেন? এসব ঠিক না।
লেখকের মন্তব্য
স্মৃতিরা ভবঘুরে হয় বলেই তো লিখে ফেলা - কারন এরা সব প্রিয় স্মৃতি
হুদা ভাইয়ের তো রাশই নেই! তার আবার ভারী আর পাতলা?
আমার কথা মনে রাখার জন্য ধন্যবাদ শূন্য আরণ্যক।
আড্ডা রিভিউ সুন্দর করে দিছেন।
শাওন ভাই, হামা দম্পতি, উদরাজি ভাই আর ভেবুদি'র ব্যাপারে বেশ কিছু মজার তথ্য পাওয়া গেল
তারিক স্বপন!!!
ওটা তো তারিক স্বপন না ভাইডি, তারেক মাসুদ হবে।
লেখকের মন্তব্য
ঠিক করে দিসি - কী লিখতে কি লিখসি - মাথা পুরাই টাল্টিবাল্টি
মজা তো

সিয়ামিজ টুইন নিশুতিরাতের চিঠিকে নিয়ে যা লিখলেন, পড়ে কিঞ্চিত আতঙ্কে আছি। কোন চতুরাড্ডায় কোনদিন হয়ত দেখা হবে, আর শূন্য আরণ্যক বাণী দেবেন, "আপনার ব্লগনিকটা যেন কী বললেন... উঁহুঁ, কখনও দেখেছি বলে মনে পড়ছে না..."
হে হে। কমেন্টে প্লাসিত কর্লাম।
লেখকের মন্তব্য
আরে - পুরাপুরি না লিখলিও মুশকিল - নিশুতিরাতের চিঠি আবার এটা নিয়া মাইন্ড খাইলো কিনা কে জানে -
হুদাভাই সবারে পরিচিত করতেসিলো - আমার ব্রেইন ফ্রিজ হবার কারনে ওর নিক শুনি নাই - সেটা বল্লাম -
সিয়ামিজ টুইন বোন রে কিভাবে ভুলবো আমি !!
আমার তো আর এ্যালঝেইমার ডিজিজ হয় নাই
দেশে গেলে জেটল্যাগ কাটাইতে লাগে ২/৩ দিন। তারপর আত্নীয় স্বজনের সাথে দেখা করা আছে বিশেষত যারা অসুস্থ বা মুরুব্বী। তারপর পোলাপাইনের চ্যা-ভ্যাতো আছেই। সেইসাথে দেখা যায় কিছু না কিছু কাজ পড়ে যায়। সেইসব চিনতা করলে ৮ দিন কেন ২/৩ সপ্তাহও কিছুই না। আরণ্যকের আড্ডা পোস্ট ভালো লাগলো। পদ্ম/নুশেরাকে কমেন্টে ভোটাপ।
অহ !! এই পোস্টেই কমেন্টানো হয় নাই অনেকবার পইড়াও।
আপনেতো ঝড়ের গতিতে ট্যুর দিয়া আড্ডাও দিয়া আইলেন। আপনের সাথে ফোনে কথার সময়ই বুঝতেসিলাম মাজেজা। এখন আরো ক্লিয়ার হইলো। আড্ডায় আইসা বুঝার আগেই তাইলে আমার কল আপনার হাতে পড়ছিলো !! আপনিতো আমিন শিমুল কে এইডা বুঝতেও বেশ টাইম নিতেসিলেন !!
ভারচুয়াল একচুয়াল আর ফোনচুয়াল তিন আইডেনটিটি বেশ ইন্টারেস্টিং। লাজুক হামা তুলতুলে বিলাই মাই ডিয়ার হুদা ভাই নায়ক নিয়াজ ভাইয়ের পরিচয়গুলোও উইঠা আসলো !!!
সামনের আড্ডার আপসুস আরো বাড়াইয়া দিলো । বাংলাদেশ ভ্রমনাভিজ্ঞতা ভালো লাগতাসে । আরো শুনার অপেক্সায় রইলাম।
লেখকের মন্তব্য
কানাডা থাইকাও তোমারে কেন কল দেয়া হয় নাই - সেটা এক রহস্য - কল দিতেই হবে - যে করেই হোক
হা হা হা। আমার ফোন নাই। ফোন ছাড়া থাকি। তাই ওয়ান ওয়ে!!!
আপনে কখণ ফ্রি থাকেন জানাইয়েন । আমি আপনেরে ফোন দিমু নে ।
হা হা হা! ভোর রাতে ঘুম থেকে উইঠা স্বভাবসুলভ ব্লগে ঢুঁ মাইরা দেখলাম আমি বিরাট হট টপিক হইয়া গেসি। হা হা হা! ''সে ব্যাপক রুপসি।''... আপ্নে সবাইরে রূপুসি, মঠেল আর ইশমাট বানাইয়া দিলেন শেষমেষ।
যাই হোক সকলের সদয় অবগতির জন্যে জানানো যাইতেসে যে আমার দুইখান নিক থাকায় সকলে গুলাইসিলো। মানে চতুরে নাই... ফেসবুকে আর চতুরে আর পুরান ব্লগে মিলাইয়া। আরণ্যকদা, আমি মোটেই মাইন্ড খাইনাই... আমি তো ঘটনা তখনই বুচ্ছিলাম। মনে নাই হাসতে হাসতে বিষম খাইলাম যে! সিয়ামিজ টুইন হইয়া এদ্দূর না বুঝলে কেমনে হবে। আর আমার বয়েস মোটেও কম না। আপনার সমান না হইলেও বছর ঘুরতেই ত্রিশে ঝাঁপ দিমু... বুড়াই তো হইয়া গেলাম... কদিন আর বাঁচুম। হাহ!
পদম ঠাকুর আর নুশেরাবু যে আমারে এতো দিল দিয়া দিসেন শুইনা বড়োই খুশ হইলাম।
বাই দ্য ওয়ে জিরোদা আর পদ্ম মিলে যে কথোপকথনটা বানাইসেন হামা ভাই আর ভাবীর সেইটা পইড়া হাসতে হাসতে পেটে খিল ধইরা গেসে। বেচারা দু্ইজন... তারা ঠিকই আলাপা-সারাপ করেন আমার মনে হয়... মানুষের সামনে সব কইয়া দিলে কেমনে হবে। দুই চুপচাপ বান্দা মনে হয় দুইজনরে পাইয়া সারাজীবনের কথা নিজেগো মধ্যেই কয়...
উপকারী পোস্ট !
সবার একটা ইমেজ তৈরি হয়ে গেছে । লিখা পড়তে গেলে মজা পাওয়া যাবে 
** মজায় আছি **
মন্তব্য করুন