শূন্য আরণ্যক-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

সে আসে, ধীরে । আলতো তুলোর মতো ভেসে। আমি গভীর ঘুমে মগ্ন ছিলাম । আমার দুঃস্বপ্ন থেকে আমাকে জাগিয়ে তোলে । আমার শরীরে উপর তার স্পর্শ টের পাই আমি । টের পাই চুমুর মিষ্টি অনুভুতি তার সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে । আমি তাকে ধরতে চাই । সে ধরা দেয় না । হাতের মুঠোর ভিতর দক্ষ ম্যাজিশিয়ানের মতো অদৃশ্য হয়ে যায়।
কিন্তু আমার শরীরের উষ্ণ আকর্ষনকে বেশীক্ষন এড়িয়ে থাকতে পারে না । সে সুর তোলে - আমি সতর্ক প্রেমিকের মতো সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকাই তার দিকে । মাঝে মাঝে আমার ভালবাসা নির্মম হয়ে উঠে । আবেগের অতিশায্যে আমি তাকে পিষতে থাকি আমার দুহাতে । তার কোন প্রতিবাদেই আমার আদর থামে না ।
ভালোবাসা বড়ো নির্মম ।
আমার মা-বাবা অনেক চেষ্টা করেও তাকে আমার ঘর থেকে দুরে রাখতে পারে নি। লোক লজ্জা ভয় এড়িয়ে , সমাজের চোখ ফাকি দিয়ে সে প্রতিদিন আমার কাছে এসেছে। অবৈধ সম্পর্কের টান আমরা দুজনেই অস্বীকার করতে পারি নি।
সে এসেছে বিশ্বস্ত সংগীর মতো । আমার সুসময় দুঃসময়ে আমার পাশে থেকেছে।
আমাকে চুষে ছিবরে নেবার পড়ো তার স্বাদ মিটেনি । আমার ঘাড়ে আমার বালিশে তার আলতো রোমে আদরে টইটুম্বর দেহ নিয়ে পড়ে থেকেছে অনেক সময় ।
আমাকে সে জাগিয়েছে সারা রাত কখনো কখনো । 
প্রতিটা ঈর্ষাকাতর প্রেমিকার মতো কাজ করতে দেয়নি আমাকে মনযোগ দিয়ে ।
অপরের স্ত্রী হয়ে তার আমার কাছে লজ্জা করে কিনা জিগ্গেস করেছি মাঝে মাঝে। সে লাজুক হেসে বলেছে আমার বর নিরামিষ!
গতরাতেও সে ছিলো আমার পাশে । দীর্ঘ বিরহের পর - চুমোয় চুমোয় ভরিয়ে দিয়েছে আমার গাল, কপাল , হাত , গলা, ঘাড় , পা ।
নির্ঘুম রাত জাগার এই পাপের চিন্হ নিয়ে আমি কিভাবে দিনের বেলা মুখ দেখাবো বলে তাকে বকছি এখনো ।
বাংলাদেশের স্ত্রী এনোফিলিস মশা - আমাকে বলছে -বেইবী ^_^
, এতদিন পর এসেছো, তোমার দিকে যেন অন্য কোন মেয়ে চোখ দিতে না পারে - সেই জন্য যত্ন করে উজ্জল লাল চিন্হ একে দিয়েছি তোমার শরীরে !!!

মন্তব্য
পাঠক হিসাবে সেন্স অফ হিউমার নেমে যাওয়ার জন্যই হোক কিংবা এই স্টাইলটা বহুল ব্যবহৃত বলেই হোক প্রথম লাইন থেকেই টের পাইছি এইটা মশকের গল্প। যাহোক তারপরেও পরকীয়া প্রেম ভাইবা আবার পড়লাম।
যাক গা বাদ দেন। বহুব্রীহি নাটকে ফিরে যাই। মামা আলী যাকের গভীর মুগ্ধতায় কবিতা পড়ছেন আর তার শ্রোতা চাকর কাদের।
' চারদিকে মশারির ক্ষমাহীন বিরুদ্ধতা
মশা তার অন্ধকার সঙঘারামে জেগে থেকে জীবনের স্রোত ভালোবাসে'
বুঝলি কাদের। এই তুচ্ছ যে মশা সেও বেঁচে থাকতে চায়। বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করে।
কাদের নির্লিপ্ত জবাব, চাইলেই কি আর পারে মামা। একটা কয়েল জ্বালাইয়া দিলেই বাবাজি গো খেল খতম হয়ে যায়।
কি জানি মাঝামাঝি আসার পরই আমার সন্দ আর শেষের লাইন এক জাগাত মিল্মিশ। লেখা চলে আর কী!

লেখকের মন্তব্য
পদম আর কার্পাস তুলারে চতুরের সব কৌতুক পোস্ট থেকে ইহকাল এবং পরকালের জন্য ব্যান করার
জোরালো দাবী জানায় গেলাম
হাহাহাহা - শেষের ২ লাইন না থাকলে পোস্টের কমেন্টগুলো কেমন হত সেটা ভাবতাছি
কমেন্ট একটাও মাডিত পড়ত না। সব পোষ্টেই পরতো আর কী!

শাওন ভাইয়ের কমেন্ট হইত এই রকম
,
,
হুদা ভাইয়ের কমেন্ট হইত এই রকম
এই কমেন্টে ১২/১৫ টা ভোট আপ থাকত
,
,
উদরাজি ভাইয়ের কমেন্ট হইত এই রকম
,
,
নুশেরা বু'র কমেন্ট হইত এই রকম
,
,
নয়ন ভাইয়ের কমেন্ট হইত এই রকম
লেখকের মন্তব্য
কিসুই মিল্লো না
প্রেমের সাগরে ঢেউ উঠলে এমনই হয় । লুলের আমি লুলের তুমি - লুলে ভরা জগৎ সংসার।
---
লুলপুরুষের কমেন্ট :
====
হে হে হে আমি আগেই জানতাম ছেলেটার মধ্যে আমার ছায়া আছে
---
বিলাই এর কমেন্ট:
===
বন্য জংগল ভাই একটা মাল-ই । এখনো কোন অষ্টরম্ভা আমার দিকে ছাম্মাকছাল্লো চোখে তাকাইলো না - আর সে বিয়া কইরা আবার করে পরকীয়া !! কবে যে রুটি আর আটা ছানাছানি করুমু - ভালো লাগে এই জীবন - কেউ আমারে দুই টাকার সুইসাইড দ্যান দেকি - একটু সুইসাইড খাই
---
উদারজী ভাই এর কমেন্ট:
===
নীরবে পড়ে সরবে জানায় গেলাম । আমার হৃদয়ের রান্নাঘরে মাঝেই মাঝেই - মিশরি - ইরানি
- জাপানি রেসিপি ট্রাই করতে মন্চায় । লিমিটেড চাকরী করি বলে কী আমার একটা ইয়ে মানে মন নাই ?
---
ঈশান মাহমুদের কমেন্ট:
===
ইটস দ্য টাইম টু ডিসকো !
---


ওয়েল্খাম ঠু দ্য ক্লাব মেইট !
নাজমুল হুদার কমেন্ট :
===
সেই উনিশ চুয়ান্ন সালের কথা মনে পড়ে গেলো । তবে নতুন যুবকযুবতী বল্গারদের বিভ্রান্ত করতে
এই পোস্ট সাহায্য করবে বলে মডারেটরদের পোস্টটি সরিয়ে দেয়ার দাবী জানালাম ।
---
কার্পাস তুলার কমেন্ট:
============
ইয়ে ভাই এক্সপেরিয়েন্সটা শেয়ার করাতে অনেক উপকার হলো ।
তবে নব্বই দশকে বিটিভিতে একটু আধটু পরকীয়া দেখালেই -ছোট ছিলাম বলে ট্রাই করতে পারি নাই
--
পদমের কমেন্ট:
=========
মোবাইল কিনলে নোকিয়া ; প্রেম করলে পরকীয়া
---
প্রলয় হাসানের কমেন্ট :
=============
কেউ আমাদের ভালোবাসলে সেটা কী আমাদের দোষ ?
বাপ্রে!!!
কবি পদ্ম আর জিরোদার কমেন্টে হাস্তে হাস্তে শ্যাষ।
হুদা ভাইয়েরটা
হইছে 
রাব্বি ভাই, এটা আমার জীবনের সেরা কমেন্ট! শুন্য দার থেকে বের হয়েছে মাত্র!
হৃদয়ের কথা শিল্পীর তুলিতে!
অন্যেরটা কি অবস্থা কইতে পারব না! আমারটা মিলে গেছে! একদম পুরা মনের কথা! ভয়ে লিমিটেড চরিত্র!
ভাগ্যিস আমারে নিয়া কিছু কন নাই - এম্নেই উপন্যাসের নামের কারণে পদম্ভাই পঁচানির উপ্রে রাখসে, জিরোদার দিলে খোদায় রহম কর্সে!
কবি দা, আপনি ভদ্র লোক। আমি আপনার সাফাই গেয়ে গেলাম।
কার্পাস তুলারটা জট্টিল। কথা হইলো আছে নিকি এরাম ইচ্ছা? ইচ্ছি!
খাইছে !!! ডরাইছি !!!!
কিছু বলবো কি হাসতে হাসতে শেষ
বলতে ভুলে গেছিলাম
এতক্ষনে বুঝছি কেন একলাই গেছেন
চরম মজা।
আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। প্রথম দিকে আমি অসম্ভব বিস্ময়ে দেখছিলাম আপনার ভাষার কারুকাজ, বর্ণনার নিখুঁত গাঁথুনি আর ভেসে যাচ্ছিলাম আবেগে। শেষটায় দারুন মজা পেলাম।
সব মিলিয়ে আপনার লেখার ভক্ত হয়ে গেলাম সাথে সাথেই। প্রিয়তে নিলাম এই দুষ্টু মিষ্টি কবিতাটি ।
দুষ্টু মিষ্টি ববিতা মনে পড়ে গেল
এই মেয়ে ভাল না জিরুদা, কাল রাতে আমার সাথেও চালাইছে, কানের কাছে প্যান প্যান, সাবধান হইলেই ভাল করবেন

মজা পাইলাম খুবই!
দেশে আছেন, খুবই ভালো সময় কাটতেসে নিশ্চয়! নদীর এপার ওপারের মতন কেইস আর কি, দীর্ঘশ্বাস ছাড়তেসি!
- খুব ভালো থাইকেন!
হাহাহাহাহা---------
আপনার জন্য তাহলে কয়েল কেনা ১০০% হারাম!!!!
ভাগ্যিস!!! শেষ দুটো লাইন চলবে... বলে পরের পোস্টে দেন নি!!!

পরথম লাইন থেকে টের পাই নাই তবে ''আবেগের অতিশায্যে আমি তাকে পিষতে থাকি আমার দুহাতে ।'' এইডা পড়ে বুইচ্চি। আফনের মইধ্যেও লুলামি আছে দেখে বিয়াপক আনন্দিত হইলাম।
.... তবে পোস্টের চে কমেন্টটা বড়ো মজার হইসে।
লেখকের মন্তব্য
আমার লুলামি আসলো কই থিকা

নেহাৎ মশারে নিয়া যেই প্রণয়োপাখ্যান লিখ্যা ফেল্লেন! জ্বলজ্যান্ত মানবী হইলে লুলামির আর বাকি থাকতো কি?
পোষ্ট কমেন্ট দুইটাই মজারৈছে ।
দক্ষ ম্যাজিশিয়ানের যায়গায় যখন ভুল্কোইরা মিউজিশিয়ান
পর্লাম তক্ষুনি ধর্তারছি
শেষে এম্নে ডাইরেক্ট কৈয়া ফালাইলেন, বাংলাদেশের স্ত্রী এনোফিলিস মশা না কৈয়া শুধু এনোফিলিস কৈতেন ।
ওরে! কেমনে কেমনে কি লিখে!
শেষের দুই লাইন পড়ার আগ পর্যন্ত তো পুরাই বেকুব হইয়া গেছিলাম!


কমেন্ট পইড়া তো আরো বেশি মজা পাইলাম।
অনেক আগে একদিন আপ্নের ফেসবুক প্রোফাইল পৈড়া খুবই মজা পাইসিলাম। About me তে আপনি লিখসিলেন--- আমি ম্যারিড লোক, আমার ৪ বছর বয়সী একটা বাচ্চা আছে, কেউ লুলামি করতে চাইলে কিন্তু সাবধান... আমার বউ খবর করে দিবে! সেই কথা মনে পৈড়া গেলো।
লেখকের মন্তব্য
পোস্ট? নাকি কমেন্ট? নাকি আর কিছু??কোনটা পড়ে না হেসে পারা যায়? সব কৌতুকের সেরা কৌতুক!!
মজার পোস্ট, মজার সব কমেন্ট! 'ধারণা কমেন্ট' তো অতুলনীয়। কারোর ধারণা কারোর চেয়ে কম যায় না।
ধন্যবাদ 'পোস্টার', ধন্যবাদ 'কমেন্টারগণ'।
সকলের জন্য শুভেচ্ছা।
পোস্ট পড়ার আগেই কমেন্ট পড়েছি, তাই হয়তো মজার পরিমাণ গেলো কমে। আর যদি কমেন্ট পড়তাম পরে, তাহলে আরো বেশি মজা পেতাম এবং হয়তো বুঝেই ফেলতাম মশা প্রেমিকার কথা বলা হচ্ছে। এমন একটা এসেমেস(এস এম এস) ছিলো এবং অনেকের কাছেই ছিল।
কবি ভাই আর আরন্যক ভাইয়ের মন্তব্যে ভুট আপ। চরম হইসে। হাস্তেই আছি

মানুষ জন নিজেরা লিখে আবার নিজেরাই ঠিক করে, কে কি কমেন্টাইব।।।
বাপরে!!!
এই লেখার কোথায় (মানে কমেন্টে না মন্তব্যে) কামড় দেব মানে দাঁত/হুল ফোটাবো বুঝতে পারছি না।
তার চেয়ে জান প্রাণ নিয়ে সরে পড়াই ভালো।

আপনিও কামড় দিতে চান, তওবা তওবা

রাব্বি সচলে পড়া একটা গল্পের কথা মনে পড়ে গেল। বাংলা ভাষা একটু সাবধানে ব্যাবহার না করলে, কি কি বিড়ম্বনা হতে পারে, তাই নিয়ে।।।। হা হা হা
মন্তব্যটা করেই ভাবছিলাম, তর্জমাটা কি হ্য় দেখি।।।।
ভালো তর্জমা করেছেন,

শুধুতো মাকড় নয়, দাঁত হূল আর কত কিছু নিয়ে এলেন :ও :ও

রাব্বি আপনার মাথা্য বিস্তর গণ্ডোগোল আছে দেখছি। একটা সরল কথার কু মানর বের করে, আবার জিবলা বের করে হাসতেছেন।
মশা নিয়ে যে এত কাহিনী ফাঁদা যায়, আর তার মন্তব্যও যে এত রকমের হইতে পারে, সেটাতে যে হুল ফোটানো বা দাঁত বসানো আমার কম্মো না , সেটাই বোঝতে চেয়েছি, লেখকরে তো কামড়াইতে চাই নাই।
বুঝছি, বিজ্ঞানের কু-ছাত্র ছিলেন। বাংলা (বাঘ-ধরার)
কিছুই বোঝেন না।

সর্ব প্রথমে বলতে চাই, এই পোষ্ট স্টিকি করা হউক। অন্যথায় আন্না মার্কা অনশনে যাব!
[হেডিং পড়ে ভয়ে হাত পা কাপছিল! আসুম কি আসুম না! শেষে পোষ্টে এসে পড়লাম। চরিত্র বেশী ভাল না আমার! হা হা হা।।।। এই মেয়েদের কারনে আমি নিশ্চিত আগামী নির্বাচনে হাসিনা আপা হেরে যাবেন! এই মেয়েদের তাড়াতে ঢাকা দুই ভাগ করেছেন বটে! গত তিন বছরে এক ফোঁটা মেডিসিন তিনি আমার এলাকা রাম্পুরায় দেন নাই! সন্ধ্যার পর বসা দায়। আর ভোট দিব না! এই সব মেয়েদের থেকে বাঁচতে চাই!]
অথবা হকিস্টিক দিয়া পিটানো হউক - পোস্টদাতাকে নহে, নষ্টা ভ্রষ্টা মশকিনীকে।
লেখকের মন্তব্য
মশা মারতে হকিস্টিক - সাজার্রী করতে লেদমেশিন
লেখকের মন্তব্য
-
ভাল হইছে!!!!!!!!
এই সব লিখলে চলবে না ছেলে ! কি কি বাদরামী করছেন সেগুলো একটু শুনি। পুরো নর্থ আমেরিকা খালি করে দিয়ে চলেই যখন গেলেনতো এবার মজার খবরগুলো শুনতে চাই।
লেখকের মন্তব্য
সেগুলো লবন মাখিয়ে পরিবেশন করা হবে
এমনি এক পরকীয়ায় মজে ২০১০ এর আগস্টে মেয়ে এবং মেয়ের পিতার কাছ থেকে তথা ইহজগৎ থেকে বিদায় প্রায় নিয়েই ফেলেছিলাম, হলিফ্যামিলিতে যারাই দেখতে আসতো তাকেই কাকুতি মিনতি করতাম আমি চলে গেলে আমার বাচ্চাটাকে যেন মানুষ করে মায়ের মমতা দিয়ে, শেষ পর্যন্ত মেয়ের মায়াই জয়ী হয়েছিলো সেতো দেখতেই পাচ্ছেন, পরকীয়া/মশাকিয়া/ডেঙ্গুকিয়া যাই বলেন এ যে কি ভয়াবহ হতে পারে তাতে না মজলে বয়ান করা সম্ভব নয়। নিজে থাকবো না এটা আমার কাছে বিষয় ছিলো না, ভাবতাম আমার মেয়ের কি হবে! মাঝে মাঝে ভাবতাম ওকে সঙ্গে নিয়ে যাবো। বুঝেন অবস্থা।
এদের হেলা করবেন না মোটেও প্লিজ!
চৈতি দি, কোন এক কালে কোন এক ঘটনাচক্রে লিখা তাৎক্ষনিক বোধশোধ (আপনার জন্য):
কালরাতে এক স্বপ্ন দেখেছি
কালরাতে আমি এক স্বপ্ন দেখেছি
আমাকে ছুঁতে এসেছে এক বিপন্ন বিস্ময়
বাতিঘর থেকে উৎসরিত কোন আলোকশিখা নয়।
ভর করেছিলো এক নিকষ কালো মৃত্যু ভয়।
ঘুমে ভেংগে বারংবার ভেবেছি যেন মৃত্যু নয়;
যেন অন্য কিছু হয়। এ যেন অন্য কিছু হয়।
মনে পড়েছিল তখন-
আমার মা
পড়ে থাকা নিঝুম বিছানা
আর মনে পড়ছিলো তোকে!
আমি চলে গেলে
কে দেখাবে তোকে সাদা সকাল?
জোনাকজ্বলা জোছনাকাল?
কে বেঁধে দিবে তোকে চুলের ফিতা
পড়িয়ে দিবে লাল-নীল চুড়ি?
সোনামনি আমার-
তোকে রেখে আমি স্বপ্নেও কি মরতে পারি?
অসাধারণ পদ্ম! আপনার তাৎক্ষনিক শোধবোধ পড়ে আমি কেঁদে ফেললাম! লেখাটি আমার সংগ্রহে নিতে চাই অবশ্যই অনুমতি পেলে।
আবার জিগস। পুরাডাই আপনের দাড়ি কমাগিলি ছাড়া। দাড়ি-কমা থাক, পড়ে কোন কোবেতেতে কাজে লাগলেও লাগতে পারে। আর কান্দাকান্দি কইরেন না ত। মইরা গেলেএ না কানতেন। এখন আর খালি খালি কাইন্দা কি হবে? আজিব লুক, মরণের ঘর থিকা আইয়া পড়ছেন মশার পোষ্টে ব্লগিং করতে! শোঁ শোঁ শোঁ ভন ভন ভন ইমু হবে।
লেখকের মন্তব্য
পরকীয়া/মশাকিয়া/ডেঙ্গুকিয়া

আমিও ইউনিভার্সিটিতে থাকতে একটা কবিতা লেখছিলাম এডা নিয়া, আরেকটা ইয়ে নিয়া!!

যাউক!!
শুরুর দুই প্যারায় বর্ননা একদম আবেগময় হৈছে, সহ্য করা যায়না প্রায়!!!!
========================
যা কমেন্ট কর্তাম, প্রায় কাছাকাছি কৈরা ফেলছেন আপনে নিজেই, এইজন্য এডা ২য় সেট থেইকা বাইর কর্তে হৈছে!!
লেখকের মন্তব্য
সহ্য করতে না পারলে চোখ বন্ধ করে পড়তে শুরু করতা
লেখকের মন্তব্য
পোস্ট পড়ে মন আকুপাকু করা শুরু করসে। মনরে কইলাম- থাম। এখনো বহুত দেরী আছে।
মন আঁকুপাকু কর্ছে কি পরকীয়া করার জন্য?
কি জমানা আসলো হায়!!!
লেখকের মন্তব্য
দেখা হবে আড্ডায় - দেখা না হৌক বাড্ডায়
আরে কিয়ের পরকীয়া? আগেতো বিয়াটা কইরা নেই।
@বিলাই ভাই
হবে না যে দেখা আড্ডাতে
@শূন্যদা
বার বার আড্ডার কথা বলছেন যে-
চান কি আমায় কান্দাতে??
এরকম পরকিয়ার গল্প সামুতে পড়েছিলাম বেশ আগে।
শাওন লিখেছিলো বোধহয়।
যেমন রসে টইটুম্বর পোস্ট তেমনি সব কমেন্ট!
পড়ে তো হাসতে হাসতে শেষ!
সব শাওন যে বিলাই শাওন না, সেডা বলে দিবেন না সাথে?
মশারে সাথে পরকীয়া না থাকলেও আমার নিজের রূমের চে মশারির ভিত্রের রূমটাই বেশী প্রিয় ।
২৭ তারিখে ছদ্মবেশী গোয়েন্দার মতো চা খাবো আপনাদের পাশে । দেখা যাক কী হয়

সূর্যের চেয়ে বালি গরম। পুস্টের চেয়ে কমেন্টগুলা মজাক
হামা ভাই, হানিমুন কোথায় করবেন জানি না। তবে সেন্ট মার্টিন্সের গরম বালুতে কয়েকদিন থেকে আসতে পারেন।
আরন্যকের কমেন্টই একটা পোস্ট হতে পারতো।
হাজিরাসহ কয়েক জায়গায় ভুটায়া গেলাম।
কবি না বুঝলেও জংলি ঠিকই টের পাইছে শেষের দুই লাইন না থাকলে পোস্টে আমার কমেন্ট থাকতো না
জংলি/আপেল্যক জানে আমারও কমেন্ট থাকতো না। তবে রিপোর্ট করার লিস্টে নাম থাকতো।
লেখকের মন্তব্য
ক্ষুদে ব্লগিং এ লেখা হতো
==============
:
মাঝে মাঝে মানুষ চেনা দায় হয়ে যায়
বাংলা ব্লগ গুলো মুল সমস্যা যেটা সর্ষেতে ভুত পাইতে পাইতে আমি ত্যাক্ত
লেখকের মন্তব্য
আর কী খাদ্য রসিকের এডমিন প্যানেল থেকে নাম কাটা যেতো

শ্যাষের দুই লাইন না দিলেই ভালা ছিল!
হে হে
আমারও সেই একই কথা। শেষের দুই লাইন না দিলে কিছু অরিজিনাল কমেন্ট আসত।
বার্টান্ড রাসেলের মতো ক্লাসিক লেখা ।
অনেক মজারু।
অ্যানোফিলিস মশা মানে কি ট্রয়ের হেলেন?( গ্রীক মিথোলোজী পরতেসি।)
ভাইয়া দেশে কেমন লাগছে?!
মন্তব্য করুন