সদর দরজা

সমুদ্র কন্যা-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হাওয়া ঘর

সূর্যের সোনালী স্বপ্নময় আলোটা এসে দোলনচাঁপার গায়ের ফোঁটা ফোঁটা শিশিরে পড়েছে। বিন্দু বিন্দু জলকণা সাতরঙে জলছে টুকরো প্রিজমের মত। টুইইইই...করে কি একটা নীল ডানা পাখি উড়ে গেল কাঠগোলাপের ডাল ছেড়ে। ভীষণ মিষ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রিয় অনুজেরা, শুনতে পাচ্ছো?

প্রতিদিন যখন ক্লাসে ঢুকি শুনি বাচ্চারা ক্রমাগতই হিন্দী সিনেমা, নায়ক-নায়িকা, কার্টুন ক্যারেক্টার নিয়ে গল্প করে যাচ্ছে। এমনকি খুব সাবলীলভাবে হিন্দী বলেও তারা। ১৪ই ডিসেম্বর ক্লাসে ঢুকে বাচ্চাদের নাম ডাকল


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিষাদের ক্ষরণ অথবা জীবন

কাঁচভাঙার মত ঝনঝনে উচ্ছসিত হাসির শব্দে মনযোগ টুটে গেল প্রলয়ের। অনেক কষ্টে ঘুরে তাকানো থেকে নিজেকে সংযত করল। গোধূলি, নামটা ওকে মানায় না। মেয়েটা এত উচ্ছল, প্রাণ-চাঞ্চল্যে ভরপুর, জীবন ওর প্রতি পদক্ষেপে ছ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কবি, অথবা পাগলামি, কিংবা শুধুই ভালবাসা

তুমি পাগল!

কেন বলছি! তুমি যে কবি! কবিদের পাগল হতে হয়...
সৃষ্টিছাড়া, নিয়ম ভাঙা, শেকল ছেঁড়া....


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটি ইনসমনিয়াক্রান্ত ব্যর্থ চুরি

অনেক কায়দা করে বারান্দার রেলিং বেয়ে দেলু উপরে। আজকালের বাড়িগুলোর এইটা একটা বাড়তি সুবিধা, বারান্দায় গ্রীল লাগায় না। আর ঘরে ঢোকার জন্য স্লাইডিং ডোর। আহা, আরাম আর আরাম!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বই এর পাতার স্বপ্নপুরুষেরা

স্কুলের পড়া আর সারা বিকেল হই হই খেলার মাঝে যদি আরো কিছু বিনোদনের ব্যবস্থা থাকতে হয়, তাহলে সেই সময় সেটা ছিল বিটিভি'র বিভিন্ন অনুষ্ঠান। তবে টিভি দেখার, এবং টিভিতে নিজের পছন্দের অনুষ্ঠান দেখার সময়টা ছিল


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটি বুড়ো গাছ এবং একজন মানুষ

(১)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মরন্তের বিপন্নতা

রেশমার মুখটা কেমন তেতো হয়ে আছে, খিচড়ে আছে মেজাজ আর কেমন ভাঙচুর একটা রাগ হচ্ছে। মনে হচ্ছে এক্ষুণি কিছু ভেঙে একাকার করে ফেলে। ভীষণ নিশপিশ করছে হাত। দাঁতে ঠোঁট কামড়ে সারা ঘরে আতি পাতি করে খোঁজে রেশমা, যদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দীপ্তিমান ছায়ামানুষেরা

আমি বসেছিলাম একা...অন্ধকার একটি ঘরের মাঝখানে...যেখানে জ্বলে আছে এক চিলতে আলো.......আর ছিল তারা, সবাই.......একসাথে......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কুহক

আমি জানি ও আমাকে ছেড়ে চলে যাবে, সবসময় জানতাম। সে প্রস্তুতি আমার মনে মনে নেয়াই ছিল। আমি জানতাম কারণ আমি কখনো কাউকে ধরে রাখতে পারি না। কিংবা আমি নিজেই হয়ে উঠতে পারি না কারো অবিচ্ছেদ্য অংশ। আজ সারারাত আমার সেই বিদায়ের প্রস্তুতিই নেয়া।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শৈশব রঙ মেলুক প্রজাপতির ডানায়

.............................................আজ এখানে বসে যখন বহু পিছনে ফিরে তাকাই, ছোট্ট পুতুলের মত একটা মেয়েকে চোখে পড়ে। কতই বা বয়স!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উড়তে উড়তে উড়িয়ে নিল

হঠাৎ করেই কোত্থেকে পাগলা একটা ঝড় এল,

উথাল পাথাল

দমকা ভীষণ বাতাস

উড়তে উড়তে এসে উড়িয়ে নিয়ে গেল।

উড়িয়ে নিয়ে গেল

আমার জানালার পর্দা,

বিছানার চাদর,

বারান্দার কাপড়,

উড়িয়ে নিল আমার ভেজা চুল-

টবের ফুল,

কানের দুল,

তুচ্ছ কত ভুল!

বইয়ের খোলা পাতার শব্দরা সব

ঘূর্ণি হয়ে উড়াল দিল,

জানলা গলে আকাশ বেয়ে

পাগল হয়ে হারিয়ে গেল।

সাগর পাড়ে বসে থাকা


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রোজ রাতে শয়তান আসে আমার কাছে

রোজ রাতে আমার কাছে শয়তান আসে। ঘুমের মাঝেই প্রচন্ড ভয়ে আমি ছটফট করে উঠি, অনেকক্ষণ হাস ফাস করে হয়তো আমার ঘুম ভেঙে যায়। কিন্তু তারপরও বহুক্ষণ তার উপস্থিতি আমি টের পাই আমার আশেপাশে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কবিতার দাহে ওড়ে ভালবাসার ভস্ম

সামনে খোলা জানালা, মুখ তুলে তাকালেই চোখে পড়ে আকাশের গায়ে ঝুলে থাকা থালার মত চাঁদটা। উথাল পাথাল জোছনায় ভেসে যাচ্ছে আজকের রাত। জানালার এপাশে ঘুণে খাওয়া নড়বড়ে একটা টেবিল, আর তার সামনে তারচেয়েও নড়বড়ে বহু পুরনো হাতল ভাঙা একটা চেয়ার। চেয়ারে ঘাড় গুজে বসে আছে মানুষটা। দু'আঙুলে সর্বশক্তিতে আকড়ে ধরা কলম, কখনো কামড়ে ধরছে ঠোঁট, কখনো বাঁ হাতের অস্থির আঙুল চলছে চুলে, চেপে ধরছে কপাল, মাথা, কখনো হাল ছেড়ে দিয়ে চোয়


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তুমি আসবে বলে আমার এ অপেক্ষা

সূচী দাঁড়িয়ে আছে। বিব্রত চেহারা, ভিতরের উত্তেজনা ওর প্রতিটা নড়াচড়ায় টের পাওয়া যাচ্ছে। এক মূহুর্তের জন্যও স্থির হতে পারছে না। একবার ডান পায়ে তো একটু পরেই বাম পায়ের ওপর ভর দিয়ে দাঁড়াচ্ছে। বারবার তাকাচ্ছে ডানে-বামে, সামনে-দূরে... । অস্থির হাতে চুল ঠিক করছে, টিস্যু দিয়ে মুছছে নাকের ডগাটা, বারবার মুছতে মুছতে লাল হওয়ার জোগাড়!