সাকিবা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

নামিরা বসে ছিল KLCC রেল স্টেশনে।
LRT ট্রেন টা কখন আসবে সেটা লেখা আছে স্টেশনে এর সিগন্যাল পয়েন্টে । আর ও সাত মিনিট । ঘড়ির কাঁটা রাত ১০ টা ছুঁই ছুঁই । এই রাতেও পরিপাটি স্টেশনে গিজ গিজ করছে মানুষ। হরেক রকম মানুষ। হরেক বর্ণের। হরেক পোশাকের। এমনিতেই তিন জাতির বাস এখানে - মালে, তামিল আর চাইনিজ । মালে মেয়েরা জিনস গেঞ্জি পরলেও মাথায় হিযাব , তাদের আলাদা করা সোজা, চাইনিজরা দারুন সাদা ,আর তামিলরা কালো। এই তিন জাতি তিনটি ভিন্ন ভাষায় নিজেদের মধ্যে কথা বলতে মগ্ন।
একটি বাংলাদেশী পরিবারও দেখা যাচ্ছে। মা টি এক অতীব মায়াকাড়া তরুণী। একটা ঘন নীল স্কার্ট আর সাদা টপস পরনে, তার কোলে একটা গুল্লুমুল্লু মেয়ে, আনুমানিক বছর দুয়েক বয়স যার। বাচ্চাটি চুপ করে নেই, সে মায়ের মুখ দু হাতে তার দিকে ফিরিয়ে বক বক করেই চলছে । তার পাশে তার ভাই, ৭/৮ বছরের। একটি লম্বা প্লাস্টিক এর সাপ তার হাতে। সেও বাবার কানে কানে কি বলছে আর খুব হাসছে। বাবাটি ও তরুণ, স্মার্ট একটা ব্লু গেঞ্জি পরনে। অনেকক্ষণ ধরে নামিরা আনমনে ওদের দিকে তাকিয়ে ছিল বলেই হয়ত চোখাচোখি হতেই তরুণী মা টি হাসল। সৌজন্যমূলক হাসি।
অনেক দিন প্রবাসে থাকায় নিজের দেশের মানুষ দেখলে নামিরার বুকে এখন আর আলাদা কোন হিল্লোল জাগেনা, কথা বলার জন্য সে কোন তৃষ্ণা বোধ করেনা। কোন একাত্মতা বোধ তাকে ছুঁয়ে দেয়না। এত বাংলাদেশি এখানে, সব কিসিমের, সব লেভেলের , ওয়ার্কার থেকে শুরু করে টিচার, ঘাস কাটনেওয়ালা থেকে শুরু করে বিজনেস মেগনেট। কি নাই। কিন্তু নামিরা সবার কাছ থেকে নিজেকে একটু গুটিয়ে রাখে। কথা বললেই কথা বাড়বে। কথার খেলা চলতে থাকবে। এই কথার খেলাকে বড় ভয় নামিরার। কোন কথা থেকে কি হয়ে যায়। তার আদি,অন্ত নিয়ে কি প্রশ্নের সম্মুখীন হয়। নামিরা তাই চুপচাপ থাকে। তার বুকটা সবসময়ই ঘন মেঘে ভরা, বর্ষার জলে টলমল করে তার গহিন মায়ার চোখ দুটো , একটু টোকাতেই হয়তো নামবে ভারী বর্ষণ, নামিরা তাই আগ্রহী কোন দৃষ্টির সামনে উদাস হওয়ার ভাব করে। উদাস হয়ে সামনের ট্রেন লাইনের দিকে তাকিয়ে থাকে। তার কাটা কাটা অসম্ভব আবেদনময়ী চেহারাতে বিষণ্ণতা যোগ হয়ে হয়তো তার চেহারাকে এক আশ্চর্য সুষমা দেয়, আর তাই ঘুরে ফিরে অনেকেই তাকে দেখে। ফিরে ফিরে দেখে। তার চোখে চোখ রাখতে চায়। নামিরা অভ্যস্ত হয়ে গেছে তাতে, তার খারাপ লাগে না । সে জানে মানুষের মধ্যে আছে ঈশ্বর , আছে রুপমুগ্ধতা , আর তাই মানুষ খারাপ হয়ে ও কখনো বেশি খারাপ হতে পারেনা। যে যাই বলুক। এই নামিরার বিশ্বাস । তার জীবন চলার পাথেয়। এইত তার জীবন।
নামিরা টাইম দেখে। টাইম হয়ে এসেছে প্রায়। সবাই দাঁড়িয়ে গেছে। নামিরা ও দাঁড়ায় । সাদা সুন্দর সাপের মত ট্রেনটা এঁকেবেঁকে কাছে আসতেই তাতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে মানুষের দল। লেডিস কূপ আলাদা করা থাকলেও তা ঘর ফেরা মানুষের দেখার অবসর কই? আর তাইতো সবাই সামনে যে বগিটা পায় তাতে ই ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাই কিছু কামরা লোকে লোকারণ্য হয়ে যায় আর কিছু কামরা খালি পড়ে থাকে।
মালয়েশিয়ার ট্রেনগুলো অবশ্য ভাল। ঝকঝকে, পরিষ্কার, খোলামেলা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। এই গরমেও একটু একটু কাঁপে নামিরা। তার ভেতরের কষ্টে না এসির বাতাসে বোঝা যায় না । তার গায়ে একটা হরেক রঙের চেক চেক দেয়া পাতলা ফু্ল হাতা টিশার্ট আর আর কালো পা পর্যন্ত জিন্স। মুজা জুতা পরে থাকায় তাও কিছুটা রক্ষা। তার হাল্কা কোঁকড়ানো রেশম কালো চুল গুলো ছড়িয়ে আছে পিঠময়। একটু হেলান দিয়ে বসে নামিরা। একটু ক্লান্ত লাগে, এই ক্লান্তি শরীর ছুঁয়ে নেমে গেছে অনেক গভীরে। একটু চোখ লেগে আসে, ঘুম পায় তার রাতের পর রাত জাগা চোখ দুটিতে। ট্রেনটা একটা টানেলে ঢুকেছে । একটু বেশি খড় খড় শব্দ করে। পাশের সহযাত্রীদের কথায় আবার ঘুমটা একসময় কেটে ও যায়।
দিনটা গিয়েছে পাগলা ঘোড়ার মত। গতিময়, ভাবনাহীন কিন্তু ছন্দহীন। KLCC র একটা সুপার মলে নামিরা কাজ করে। কাউন্টারে। সকাল ৮ থেকে রাত ৮ টা। বার ঘণ্টার টানা কাজ। প্রতিটি আইটেম চেক কর, মেমো কর, পেমেন্ট নাও। মালপত্র গুলো প্যাকেট করে দাও। আবার অপেক্ষমাণ সামনের জনকে দেখ, তার আইটেম গুলো ইলেকট্রিক মেশিনে দাও । মাঝখানে হাফ এন আওয়ার এর লাঞ্চ ব্রেক বাদ দিলে টানা এই কাজ , মাঝে মাঝে একটু কথা পাশের সহকর্মী বু আর ফিওনার সাথে। তাও তেমন জমে না। লাঞ্চে ওরা নুডুলস খায় তারিয়ে তারিয়ে, এখানকার নুডুলস এর অনেক variety , মোটা মোটা বা একদম সুতার মত চিকন। তাতে অনেক সস দিয়ে লাল টুকটুক করে খায় এরা। দেখলেই বমি আসে তার। ভয়াবহ লাগে। সে একটা বিস্কিট খায়, বা দুই টুকরা ব্রেড এর মধ্যে একটুকরা চীজ । একটা আপেল। খাওয়া দাওয়াতে তার চিরকালের আপত্তি আর এখন তো সেটা অনেক বেড়েছে। মাঝে মাঝে সে সারাদিন জুস বা সয়া দুধ খেয়ে পার করে দেয়, চাবাতে হয় না, গলায় টেনে নেয়া যায়। আজকে শুধু একটা বার্গার খেয়েছে সে, সারদিনে। এখন তাই অনেক ক্ষুধা বোধ হয়। বুকটা জ্বলে। গলায় ঝাঁজ উঠে আসে। কিছু খেতে ইচ্ছে করে। একটা বিস্কিট। না খাওয়াই হয়ত ঠিক। বড় বড় করে সামনে লেখা আছে ‘no food and no dinks।
KL central এ এসে আবার ট্রেন বদল । আবারো অপেক্ষা । আবারো ট্রেনে ওঠার চক্কর। তার পোস্ট- গ্রেড এর দেড় বছরের প্রায় বছর খানেক শেষ হয়ে গেছে। আর একটা assignment আর dissertation. এক কালের তুখোড় ছাত্রী রেকর্ড মার্কস পাওয়া নামিরা আজকাল বই নিয়ে বসতে ভয় পায়। তার বুকটা খালি হয়ে গেছে, তার মাথাটা বোধহীন হয়ে গেছে, তার চিন্তাশক্তি কমে গেছে, বই নিয়ে বসলে সে এখন অসহায় ফিল করে, লেখা গুলো বা নেট থেকে নামানো আর্টিকেল গুলো দুর্বোধ্য লাগে, সুপারভাইজর কে অনেক দূরের মানুষ মনে হয়। আর মাত্র কিছুদিন বাকি কিন্তু এখনো সে প্রপোজালটা ও রেডি করতে পারেনি। সে তাই ক্যাম্পাসে থেকেও লুকিয়ে রাখে নিজেকে, যদি হটাতই দেখা হয়ে যায় ডক্টর মারগারিটার সাথে আর তাকে বলে হাই প্রিটি গার্ল, হাউ ফার হেভ উ ডান ?
২/৩ সিট পরেই সেই দম্পতি। পাশাপাশি সিটে মা আর ছেলে। আরেকটায় বাবা মেয়ে। গুল্লুমুল্লু মেয়েটা বাবার কানে কানে গান বলছে, আয়রে পাখি লেজ ঝোলা। আহা কি আনন্দময় শৈশব, চিন্তাহীন, ভাবনাহীন, কষ্টহীন। ছেলেটা মায়ের হাত শক্ত করে ধরে আছে। অন্ধকার নিকষ কাল আঁধারে তার চোখ। খুব মনোযোগ দিয়ে কি দেখছে আর মার সাথে পুটপট করে ইংলিশ এ কথা বলছে। দারুন দুইটা বাচ্চা , বুকের মধ্যে গহীন তৃষ্ণা জাগাবার মত দুটো মুখ। ঈর্ষা হয় ভীষণ নামিরার ওই তরুণী মা টিকে, তার বুক জ্বলে যায়, কপালে ঘাম জমে, মুখটা তেতো হয়ে । ওরা কেন বেছে বেছে এই বগিতেই উঠলো ?
একটার পর একটা ষ্টেশন পেরিয়ে ট্রেনটা একসময় কাজাং আসে । এবার ফিরবে নামিরা তার ঘরে। ঘর না dormitory তে নামিরার একটা রুম আছে , তাই তার নিজস্ব আশ্রয়। তাতে শূন্যতার বাসা। শূন্যতারা তার সাথে খেলা করে, তাকে জড়িয়ে ধরে, তাকে আলিঙ্গন করে অহর্নিশ। তাকে ছেড়ে যায়না। রুমটাতে নিজের ক'টা জামাকাপড়, অনেক বই আর একটা ল্যাপটপ। এইতো তার জগত। এইতো পৃথিবীতে তার একটু জায়গা। আর কয় মাস পরেই শেষ হয়ে যাবে তাও। তারপর কি হবে নামিরা ভাবতে পারেনা। ভাবতে গেলেই তার ক্লান্ত লাগে, চোখে অবাধ্য জল আসে আর আসে ভয়ংকর সব ভাবনা , তাকে তাড়িয়ে বেড়ায়, তাকে ব্যথিত করে, তার শূন্য বুক আর ও শূন্য করে দেয় । সে দেশে ফিরবে কিনা জানেনা, সেখানে কেউ তার জন্য কোল পেতে নেই, ঘরে বাইরে তার জন্য জমে আছে অনেক অভিশাপ আর ঘৃণা । এত ভার সে সইতে পারবে কিনা জানেনা।
মালয়েশিয়াতে খুব বৃষ্টি নামে। বলা নেই কওয়া নেই, পাহাড়ের উপরে যে আকাশ সেই আকাশের মেঘগুলো জল হয়ে যায় , নিরন্তর কাঁদে কারনে অকারনে, সময়ে অসময়ে। এই যে এতক্ষণের শান্ত আকাশ এখন হটাতই অস্থির। নামিরার হাতে ছাতা নেই, আজকেই ভুলে ফেলে এসেছে তার কাউন্টারে ভেবেছিল কালকে নেবে। কিন্তু আজ একি বৃষ্টি। সাথে মেঘের ডাক, বজ্রপাত, আকাশ আজ তার মতই অস্থির । সেই দম্পতি ও অপেক্ষা করছে ট্যাক্সির । মেয়েটা ঘুমিয়ে পড়েছে, বাবার কাঁধে মাথা, তার সুন্দর গোলাপি গাল দুটি টুকটুক করছে। ছেলেটি মগ্ন এখনো হাতের সাপ নিয়ে, কথা বলছে তার সাথে। মা টির মুখ প্রসন্ন, কি এক গভীর তৃপ্তি আর শান্তির খেলা তাতে। বাবাটি ট্যাক্সি পেয়ে গেছে, দরদাম করছে। উঠে যাবে এখনি। ফিরবে ঘরে, ঘর বসত করবে, সোহাগ করবে বউকে, বাচ্চাদের আদর করবে, কখনো রাগ করবে, বলবে বাচ্চাগুলো সব দুষ্ট হয়ে যাচ্ছে, কেন শাসন করনা, পর মুহূর্তেই আবার বাচ্চাদের চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দেবে। অস্থির লাগে নামিরার, অন্ধ ক্রোধে জ্বলে যায় তার শরীর মন, সব জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিতে ইচ্ছে করে। হটাত কি হয়ে যায় তার । এগিয়ে যায় পায়ে পায়ে। ট্যাক্সির পথ আঁটকে দাঁড়ায় । তার সাতাশ বছরের নম্র গলাটি কি এক বিষের আগুনে হিশহিশ করে পোড়ে। দম্পতিকে বলে
বাচ্চারা কি খেলে ? ওরা কি বৃষ্টি ভালবাসে?
তাঁর গলার স্বরে চমকায় তরুণটি । যা বলেছে তা হয়ত শুনেছে কি শোনানি, অগাধ বিস্ময়ে বলে কি বললেন ?
বলেছি বাচ্চারা যদি খেলে তাহলে ব্যথা পেতে পারে, বেশি ব্যথা পেলে মরেও যেতে পারে। বারান্দার গ্রিল আছে তো ? উপর থেকে পড়লে বাচ্চারা কিন্তু বাঁচেনা। মরে গেলে কিন্তু সবই যাবে।
মেয়েটির মুখের লাবণ্য শুকিয়ে গেছে, তাতে তীব্র শঙ্কা । হাত আঁকড়ে ধরেছে শক্ত করে ছেলের।
নামিরা আবার তাঁর নিজের কথাতেই চমকায়। মা টির দিকে তাকিয়ে বলে বিকেলে ঘুমাবেন না। সর্বনাশ হয়ে যাবে।
বাবাটি প্রাথমিক শঙ্কা কাটিয়ে উঠেছে । তীব্র ক্রোধে কাঁপছে তার গলা, কোনমতে বলল আর ইউ ম্যাড ? কি আজেবাজে কথা বলছেন?
নামিরা সামনের অপেক্ষমাণ ট্যাক্সি তে উঠে যায়। তাড়াতাড়ি। বলে গো, সেমিনি, ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস। আই উইল গিভ ইউ থার্টি রিঙ্গিট ।
সে আর ফিরে তাকায় না। তারা কি ভাবছে জানে না। আজকের রাত অন্তত আজকের রাতে তরুণীটি তাঁর মত বিষণ্ণ হবে, হয়ত অমঙ্গল ভাবনায় শঙ্কিত হবে, জেগে থাকবে সারাটি রাত। তা ভেবে কেমন এক শান্তি লাগে তার।
ভীষণ জোরে বাজ পড়ল কোথাও । সেদিনটাও এমন ছিল। বর্ষা মুখর রাত না অবশ্য, বিকেল । রুপম বাসায় ছিলনা। ঘুমন্ত বাইশ বছরের মায়ের পাশ থেকে উঠে গিয়েছিল দুই বছরের ছোট্ট সামিরা। বারান্দায়। তার ছোট্ট দুটি হাতে বৃষ্টি মেখেছিল। গ্রিল বেয়ে উপরে উঠে বৃষ্টিতে ভিজতে চেয়েছিল । যখন ঘুম ভেঙ্গেছিল নামিরার তখন সব শেষ। তখন রুপম ফিরে এসেছে। গেটের কাছে ভিড় দেখে এগিয়ে গিয়েছে । যখন ছোট্ট সামিরা কে কোলে নিয়ে রুপম এল, তখনো নামিরা ঘুমে। বিরতিহীন কলিং বেল এর শব্দে ঘুম ভেঙ্গে দেখেছিল দরজার সামনে অজস্র জনতা, রুপম আর কোলে স্তব্ধ সামিরা। সে ঘটনা গুলো মেলাতে পারছিলনা, সে স্থবির হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু তার ঘুমঘুম চোখ রুপমের মন্তব্য শুনতে পেয়েছিলো ‘ডাইনী’ । খান খান করে ভাঙল সেই সাথে তার জীবনের সব রঙ্গিন কাঁচ , টুকরো টুকরো হয়ে ছড়িয়ে গেল তার ঘর । রুপম স্তব্ধ হল, আত্মীয়রা সরব হল, আর নামিরা চিরকালের মত একা হয়ে গেল।
রাতের আলোতে বড় সুন্দর দেখাচ্ছে ক্যাম্পাস, সামনে লেকের পানিতে ঝলমল করছে সার রাত জ্বলতে থাকা আলোগুলো। সবাই তাকে অমানুষ বলে কিন্তু তার এখনো আকাশ ভাল লাগে, নক্ষত্রের রাত ভাল লাগে, মানুষের মত ঘর বাঁধতে ইচ্ছা করে, রুপমের আদর পেতে ইচ্ছে করে আর সবচে ইচ্ছে করে সামিরা কে কোলে নিয়ে হাঁটতে, সেই আয় আয় চাঁদ মামা বলে ঘুম পাড়াতে। অমানুষের কি এইসব ইচ্ছে করে ? তার জানা নেই। আজকে রাতেও ঘুম হবে না নামিরার। বিনিদ্র রাত কাটবে। সে পালাতে চেয়েছিল। চেনা রাস্তা, চেনা মানুষ, আর চেনা কষ্টগুলো থেকে। কিন্তু নামিরা নিজের কাছেই পালাতে পারল কই? রাত বাড়তে থাকে, বৃষ্টি ধোয়া আকাশে তারাগুলো অহর্নিশ জ্বলতে থাকে, শুধু নামিরা স্তব্ধ হয়ে জানালায় দাঁড়িয়ে থাকে।
নামিরা দাঁড়িয়েই থাকে।
মন্তব্য
প্রথমদিকে কিছুটা সময় নিয়েছে গল্পটি গড়ে উঠবার জন্য। কিছুটা ঠেকেছি। তারপরে , তারপরে মাঝখান থেকে আটকে রইলাম চুম্বকের মতো। শেষের জায়গায় এসে ধাক্কা খেলাম। খুবই চমৎকার উপস্থাপনা। লেখাটা পড়ে চরিত্রগুলোর মাঝে ঢুকে যাওয়া যায়।
ভালো লাগা রেখে গেলাম।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ শিমুল ভাই । আপনার কমেন্ট এর অপেক্ষা ছিল। ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগছে। অনেক। প্রথম দিকটা নিয়ে আপনার কোন suggestion পেলে আর ভাল লাগতো।
হা হা হা। না কোন সাজেশন নেই। এমনকি ব্যাপারটি নিয়ে আমি ঠিক ঋণাত্মক ধারণাও নেই নি। বরং এটা এক ধরণের স্টাইল। তাই এখানে সাজেস্ট করার ব্যাপার নেই। লিখতে থাকুন পড়তে থাকুন। নিজের মত করেই আপনার লেখার স্টাইলের অদল বদল হবে। পাঠক হিসাবে গল্পে আমি আরামবোধ করি যেসব বয়াপারে তার একটি হলো কাহিনীর অভিনবত্ব, সুন্দর উপস্থাপনা, আর শক্তিশালী লেখনী। তিনটার প্রত্যেকটাই কম বেশি এ গল্পে উপস্থিত। তাই ভালো লাগার জানানটা সেভাবেই দিলাম।
কাহিনী ধীরে ধীরে সময় নিয়ে শুরু হওয়ার মাঝে নেতিবাচকতা কিছু নেই। ক্রাইম এন্ড পানিশমেন্ট উপন্যাস যখন পড়া শুরু করি শুরুতে মনে হয়েছিলো বই ছুড়ে ফেলে দেই। হঠাৎ করেই গল্প পেস আপ হয়। আর তারপরে সেটাকে আমার পড়া সেরাদের কাতারেই ফেলি ।
যাহোক অফটপিক কথা অনেক বলে ফেললাম।
ভালো থাকুন।
শুভকামনা।
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ । ভাল থাকবেন।
মাঝে এসে টানছিলোনা আমাকে

কিছুটা এক ঘেয়েমি লাগছিলো তারপরই একটা চমক
সব মিলিয়ে এটাও কিন্তু দারুণ
বলেছিলাম তো আপনার লেখা পড়তে ভালো লাগবে
লেখকের মন্তব্য
সত্য কথা বলার জন্য ধন্যবাদ ।
ভাল থাকবেন।
পড়ে বেশ লাগলো ! শেষের দিকে ফেমেলির সাথে হঠাৎ করে কথা বলাটা বেশ ইন্টারেষ্টিং ছিল। মনে হয়েছিল শেষটুকুও সৈরকম কিছু একটা হবে! বাট সেখানে কিছুটা আশাহত হয়েছি!
লেখকের মন্তব্য
কবি ভাই , কোন ভূতের গল্প বা অপ্রাকৃত গল্প হলে হয়তো তাই লিখতাম। কিন্তু ওই ধরনের লেখা লিখতে পারিনা। অন্তত ট্রাই করিনাই এখনো ।
অনেক ধন্যবাদ । আপনার ব্লগ বাড়িতে যাই নাই এখনো । আশা করছি যাবো।
ভাল থাকবেন।
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ ।
আমি আপনার গল্পের ভাষার সৌন্দর্যে, শব্দের কারুকাজে যখন মুগ্ধ হয়ে ভাবছিলাম,

আত্মকথন টাইপের গতানুগতিক গল্প, তবে মন্দ নয়। ঠিক তখনি গল্পের টুইস্ট'টা এলো।
গল্পটি পড়তে পড়তে, ভালো লাগার আকাশে ভাসতে ভাসতে
আমি যেন হঠাৎ করেই এক গভীর খাদে পড়ে গেলাম।
বুকের খুব গভীর থেকে উঠে এলো এক দলা তাজা কষ্ট।
পাঠককে এভাবে শক্ করে দেয়ার মধ্যেই ছোট গল্পের সার্থকতা।
সাকিবা, নিঃসন্দেহে আপনি অনেক প্রতিভাময়ী লেখক।
আপনার গল্পকে সপ্ত তারকা খচিত করে দিলাম।
আর হা আন্তরিক শুভকামনা এবং শুভেচ্ছা রইল।
লেখকের মন্তব্য
আপনার মন্তব্য আমাকে অনেক আনন্দিত আর অনুপ্রাণিত করলো ।
অনেক শুভকামনা । ভালো থাকবেন।
ষ্টেশনে> স্টেশনে
মায়াকারা? মায়াকাড়া
আবেদনময়ি> আবেদনময়ী
খালি পরে থাকে। > খালি পড়ে থাকে।
কাউনটারে> কাউন্টারে
বুকের মধ্যে গহন তৃষ্ণা জাগাবার মত দুটো মুখ।> এখানে গহন টা কী? গহীন হতো?
ঈর্ষা হয় ভীষণ নামিরার ওই তরুণী মাটিকে,> ওই তরুণী মা'কে হলে ভাল হতো না?
শূন্যতারা তাঁর সাথে খেলা করে,>
রুমটাতে নিজের কটা জামাকাপড়? নিজের ক'টা
এইত পৃথিবীতে তার একটু যায়গা।> এইতো, জায়গা হবে।
এই হলো টাইপোগুলো।
---
× 'হঠাৎ' লিখতে অনেকেরই প্রবলেম হয়, তাই ওটা আলাদাভাবে দেখালাম না।
× কোন একটা বাক্য শেষ হওয়ার পরে যতিচিহ্নের আগে স্পেস দিবেন না, পরে দিবেন। ।
লেখকের মন্তব্য
onek dhonnobad noyon vai. onek. banagulo thik kore dibo ektu time peley, ekta duita korechi. amar avro kaj korchena keno ke jane.
valo thakben
লেখকের মন্তব্য
বানানগুলো সব ঠিক করে দিলাম ।
আচ্ছা ঠিকাছে।
পড়লাম।
কিন্তু কিছু বলে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব হলোনা। তবে এটুকু বলি, জীবনে প্রথমবার কোন লিখা পড়ে, কাউকে জেনে চোখ ছলছল হলো। ভালো থাকবেন আপু।
লেখকের মন্তব্য
আপু ব্লগে জেগে আছেন যারা তে আপনাকে জেগে আছেন বলছিলো। আপনি কি ছিলেন না?
লেখকের মন্তব্য
kokhon ?
আপু সময় করে আমার নতুন পোস্টে আসবেন কিন্তু। আমার বড়াপুকে পোস্টে চাই।
লেখকের মন্তব্য
নতুন post?
আজকেই আসছি ।
অনেক ধন্যবাদ আপু।
কিন্তু এত রাতে জেগে আছেন যে?
লেখকের মন্তব্য
কালকে দেখা হবে তাঁর সাথে , কথা হবে, tensed আছি
অনেক প্রস্তুতি নিতে হবে । অনেক ।
আজকে ঘুম ধরবে কিনা জানিনা।
কে সে? যার জন্য ঘুম হবেনা? জানতে মঞ্চায়।
লেখকের মন্তব্য
ভাবো, ভেবে বল। কে?
হবেন হয়তো আমার হবু দুলাভাই?
লেখকের মন্তব্য
আমার নিদারুন সুপারভাইজর এর সাথে
আমিও জানতাম! তবু বলিনি
লেখকের মন্তব্য
দোয়া করি যেন সবকিছু ঠিকঠাকমতো শেষ হয়।
আপু আমার জন্যও দোয়া করবেন।
ভালো থাকবেন।
শুভরাত্রি।
আপু, আপনার যদি মন্তব্য মুছাটা খুব বেশী জরুরী হয় তবে 'যোগাযোগ' এ লিখে দেখতে পারেন। এটি একেবারে উপরে ব্লগের ব্যানারের নিচেই আছে।
লেখকের মন্তব্য
বুঝলাম। তোমার লেখা তো বেপক হিট ।
আমি কিন্তু পুরাই মুগ্ধ ।
ধন্যবাদ আপু।

সব আপনাদের দোয়া।
আপু আমি প্রথমবারের মতো ৪০০ কমেন্ট করলাম। এটা কিন্তু চতুরের ইতিহাসে ৫ম বার হয়েছে, আর আমি ২য় জন হিসেবে করেছি।

লেখকের মন্তব্য
কোথায় ? দেখতে মন চায় ।
বাচাল লিস্টে দেখুন আপু। আমার নামের পাশে ৪০৯ লিখা আছে।
আপু সালাম। ভালো আছেন তো?
লেখকের মন্তব্য
এইত ভাইয়া চলছে।
-----
জামি ভাই, আপু সালাম মানে?
আপু তো সাকিবা জানতাম!
লেখকের মন্তব্য
দারুন বলেছেন নয়ন ভাই ।
আসসালামু আলাইকুম।
ভাই এইবার হয়ছে?
জ্বি ভাইয়া হয়েছে, আর ভুল ধর্মুনা। (তবে আপ্নি কিন্তু হয়ছে লিখসেন!)
নয়ন ভাইয়া, এইবার কি হয়েছে?
আপু, অত তাড়াহুড়োর কিছু নেই। দেশে এসে খাওয়ালেই চলবে।

আমারেও নিয়েন গো ভাই বইনেরা!
কোথায়? কেএফসিতে যাবো? নাকি হান্ডিতে? নাকি ক্যান্ডিতে? নাকি লালখানবাজারের পিটস্টপে? নাকি ভিআইপি টাওয়ারের হ্যালভেশিয়ায়? নাকি বেইলি রোডের পিৎজা হাটে?
সব দেখি মুখস্থ। হবু ভাবীরে নিয়া কি যাওয়া হয় নাকি নয়ন ব্রাদার?
------
ভাবীর বাড়ি কি চিটাগং নি?
খালি উল্টা বুঝে পোলাপান!
আরে সাকিবাপা আপ্নারে খাওয়াইবে, যেহেতু আপনি ওখানে থাকেন, তাই আপনার প্লেইস কে প্রায়োরিটি দিলাম আর্কি!
তাই তো শেষের ঢাকা'র পিৎজা হাটকে আনলাম।
ভাই সাকিবা আপু থাকে মালেশিয়া। ওখান থেকে আসলে ঢাকা। বরং খাওয়নের জন্য আমারেই ঢাকায় আস্তে হইবো।
তাইলে আম্রা ধানমন্ডির কেএফসি বা পিৎজা হাট, বিএনবি, হ্যালভেশিয়া, গুলশানের টপক্যাপি, বাটন রোউজ(এইটার উচ্চারণ একেকভাবে লেখা হয়!) কোথায় যাচ্ছি?
কেএফসি নাইলে পিতজা হাটে গেলে কেমন হয়?
নয়ন, ভ্রাত আপনার দেখছি ঢাকার সব অভিজাত ফার্স্ট ফুডের দোকানের নামই মুখস্ত। এখন জাতি জানতে চায়, এই সব জায়গায় কি শুধু একজনকে নিয়েই যাওয়া হয় ? নাকি…..। (খুবই নির্দোষ কৌতুহল। আপনি মাইন্ড খাইলে আমি টাসকি খামু
)
লেখকের মন্তব্য
আমার ও তো তাই সন্দেহ ঈশান ভাই ।
ঈশান ভাই জামিরে পাল্টা দেন। তাড়াতাড়ি । গরম গরম।
ঈমা ভাই! নয়ন ভায়া ঢাকায় থেকে চট্টগ্রামের যতগুলো ফার্স্টফুডের দোকানের নাম জানে আমি চট্টগ্রামে থেকেও অতগুলো নাম জানি না! এখন ভাবতেছি নয়ন ভায়া কারে কারে সাথে নিয়া কোথায় কোথায় যায়!
এটার একটা গোপন তদন্ত হওয়া দরকার।

এর জন্য আমার মনে হয় ঢাকা ও চট্টগ্রামে প্রতিটি এক সদস্য বিশিষ্ট দু'টি কমিটি করা দরকার। ঢাকা কমিটির প্রধান ঈমা ভাই আর চট্টগ্রাম কমিটির প্রধান আপনি। এখন আপনাররা গোপনে বা প্রকাশ্যে যেভাবে পারেন অবিলম্বে তদন্ত শুরু করে দিতে পারেন।
ঈমা ভাই রাজি থাকলে কাজ শুরু করা যায়।
এইটাতো বড়ই কনফিডেন্শিয়াল কথা!
লেখকের মন্তব্য
লজ্জার কিছু নাই তো । বলেন । আমরা সবাই কানে কম শুনি।
হু, তাইতো আমিও কথা কম বলতে খুবই পছন্দ করি!
লেখকের মন্তব্য
বছরের সেরা সত্যি কথা।

আমাদের নয়ন ভাই কম কথার মানুষ ।
"বাস্তব জীবনে যারা মাইল্ডস্পোকেন বা মৃদুভাষী, ভার্চুয়ালি তারা অতীব বাচাল"--বাচাল নয়ন!
লেখকের মন্তব্য
নতুন একটা ট্রুথ শিখলাম।
ফেবুতে কপি পেস্ট ।
আমার নামে।
কোটেশন টা যার, তার নামও দিয়া দিসেন্নাকি!!?! হায়হায়!
লেখকের মন্তব্য
জি না। credit আমি ই নিব।
এই কোটেশনটা যে আপনার প্রমান কি?
ইয়াল্লা! আমারে কয় প্রমাণ কী!?!

ক্রেডিট আপ্নিই নেন আপা, আমার নো আপত্তি!
লেখকের মন্তব্য
এখন থেকে কোটেশন দেয়ার আগে সতর্ক থাইকেন। আগে উকিল ডেকে রেজিস্ট্রি ও করাইতে পারেন। যা দিনকাল পড়ছে কেউরে বিশ্বাস নাই। কোটেশন বেহাত হয়ে যাইতে পারে।
সাকিবাপুর মতো মানুষের হাতে বেহাত হয়ে গেলেও গর্ববোধ করবো।
আমাকে ফেলে দেখি সবাই সব খেয়ে ফেলছে।
"বাস্তব জীবনে যারা মাইল্ডস্পোকেন বা মৃদুভাষী, ভার্চুয়ালি তারা অতীব বাচাল"--বাচাল নয়ন!
এই কথাটা নয়ন ভায়ার ক্ষেত্রে কতটুকু সত্য আমি জানি না তবে আমার ক্ষেত্রে পুরাই সত্য। তাই ভোট দিলাম।
লেখকের মন্তব্য
দুইজন মহারথি আমার ব্লগ এ? কি করি কি খাইতে দেই আমিতো পুরাই অস্থির।
খান আর আমি দেখি ।
নয়ন ভাইরে বলছেন ঠিক আছে, তয় আমারে কইলে একটু বেশি কওয়া হইয়া যায় আর কি।


-------
প্রশংসার চোটে আমি কিন্তু আকাশে ভাস্তাছি আপু, আমারে নামান।
সাকিবাপু, শেষ পর্যন্ত আমারে জামিভাই'র সাথে তুলনা কর্লেন??!!
)
কই আগরতলা, কই চই'র তলা!
(কারে কোনটা কইসি বুইঝা নিয়েন জামি ভাই
আমিও তো তাই কইতে চাইছিলাম্রে ভাই।
কানা ছেলের নামও নাকি আজকাল পদ্মলোচন হয়!
লেখকের মন্তব্য
তোমার লাস্ট পোস্ট এর পর তোমারে তো তাই ডাকতে মঞ্চায় ।
এক পোস্টেই ডাকতে চান?
আমি আপু অত ভালো কিছুত লিখি নাই। কপালগুণে হয়ে গেছে, এই যা!
পোস্টতো দেখি ব্যাপক হিটাক্রান্ত হইসে!
এহন সুপার-ডুপার হিটের দিকেইতো মনে অয় যাইতাছে।
অসংখ্যবার ক্লিকানো
যখন যা আসে মনে, বলবো আমি তোমার সনে – ৩
বিলুপ্ত-প্রায় সিলেটের ঐতিহ্যবাহী চুঙ্গাপিঠা।
মজার অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে.........
আগাছা [ছবিব্লগ]
ভালোলাগা ব্যক্তিত্বঃ ১
একটি রাতের গহীনে
২০১২র বইমেলায় ব্লগারদের বই
----------------------------------
আপু দেখেন কি কান্ড হইয়া গেছে!
লেখকের মন্তব্য
আমি দেখি সেলিব্রেটি হওয়ার পথে

তাই তো দেখছি।
লেখকের মন্তব্য
জামির পোস্ট টা প্রিয়তে নিতে মন চায় । কিন্তু ঈশান ভাই এর ভয়ে আছি।
আপু এখনো নেন নাই!!
ঈশান ভাই! আমি কাউরে ডরাই না। তয় সামনে গেলে একটু বুক কাপে, এই আর কি।
লেখকের মন্তব্য
নিলাম। কিছু খাওয়াও।
লেখকের মন্তব্য
জামি খাওয়ানর ভয়ে কই গেলা?
এত বড় অপবাদ? না না, অপবাদের চেষ্টা?, আরে ধুর, এত বড় কথা?
যা মন চায় খায়া ফেলেন আপু।
-----------৪৬ আর ৪৭ নং কমেন্ট ২টা দেখেন আপু।
লেখকের মন্তব্য
কি খাই আর কোনটা না খাই? এম্নিতেই কতদিন এই আজিব দেশে ভাল মন্দ কিছু খাইনা।
লেখকের মন্তব্য
খাওয়াতে বেস্ত । ছোটভাই এর treat বলে kotha...
আপু নেন পিঠা খান-----
লেখকের মন্তব্য
এইবার তো দিলা কান্দাইয়া
কতদিন খাইনা
আপু, নো প্রব্লেম। দেশে আইসাই আমারে মিস্কল দিয়েন। আমি পিঠা নিয়া আপুর সামনে হাজির হইয়া যামু।
বাহ্ এখানে তো বেশ খাওয়া দাওয়া হল। আমার কপালে জুটল না কিছুই!
কি আর করবেন দাদা, দেরীতে আসলে এমনই হয়!!!
কেম্নে যে এতকিছু মিস করলাম সেটাই তো বুঝতে পারছি না!
লেখকের মন্তব্য
নয়ন ভাই আপনার একটা কিন্তু প্রিয়তে আছে
আপনার কাছেও খাওয়া পাওনা থাকল
কোনটা!?! আমার পোস্ট কেউ প্রিয়তে নেয়!!?!?! ইয়াল্লা!
লেখকের মন্তব্য
খাওয়া কই নয়ন ভাই ?
আমি ভার্চুয়াল খাওয়া দাওয়ায় বিশ্বাসী নই!
লেখকের মন্তব্য
তাইলে আসল দেন।
লেখকের মন্তব্য
পোস্ট করেন। মাত্র ৩ ঘণ্টায় পাব।

নয়ন ভাই, আসল্ডাই খাওয়ান না।
আপু কই হারায়া গেছেন?
আবার হারায়া গেলোরে।
লেখকের মন্তব্য
শুভরাত্রি ভাই এরা
আমাদের এখানে সুপ্রভাত হয়ে যাচ্ছে
আপু আজ আসি। কাল সকাল ৮ টায় ক্লাস!

ভালো থাকবেন আপু। দোয়া করবেন। শুভরাত্রি।
-------------
কাল আবার আড্ডা দিতে আসবো আপু।
শুভরাত!
আপু কেমন আছেন?
লেখকের মন্তব্য
তোমার পোস্ট এর কমেন্ট পড়ি । আমার সেলিব্রেটী ভাই ।
লেখকের মন্তব্য
জামি তোমার পরবর্তী প্রিয় বাক্তি কে জানতে মন চায় । কে নেক্সট টারগেট?

আপু আশা করি কিছুদিনের মধ্যেই জানতে পারবেন। সিক্রেট সিক্রেট।
আপু আপনার ই-মেইল একাউন্ট চেক করেন। জানিয়ে দিয়েছি।
লেখকের মন্তব্য
জানলাম।
অপেক্ষায় থাকলাম। পড়াশোনা হবে না। অই পোস্ট এর কথা ভেবে। কি করি !!!!!
আপনার পোস্টে তো দেখি হেভভি ক্রাউড! আর আপ্নি আমাকে বলেন!
আপু পড়াশুনা সামলাইয়া তারপর আইসেন, পরে না আবার আমারে গাইল্লাইতে থাকেন।
লেখকের মন্তব্য
পড়াশোনা জিনিষ টা কি? জিবনে প্রথম শুনলাম !!!!
জিবনে এই প্রথমবার?
লেখকের মন্তব্য
লজ্জা পাইলাম। কার সাথে কার তুলনা।
এইখানেওতো ভীড়ে ভীড়াণ্য
লেখকের মন্তব্য
হারিয়ে যেওনা ভিড়ে ছোট ভাইয়েরা । আর হারাইলে কান্নাকাটি করোনা।
আমি ১০০?
না ১০১
আমিই সেই পাপী! ১০০ আমার!
না, সাকিবা আপু ১০০।

লেখকের মন্তব্য
আমার পোস্ট এ? আমিতো সেন্সলেস হয়ে যাব মনে হচ্ছে।
সেন্সলেস হইয়েন নাগো আপু। আগে খাওয়ান, তারপর সেন্সলেস হইয়া যান

আসি আপু।
ভালো থাকবেন। দোয়া করবেন। শুভরাত্রি।
আপনার লেখার হাত চমৎকার ! লেখালেখির সঙ্গে থাকুন !
শুরুতে একটু সময় নেয়াটা হয়তো গল্প তৈরির প্রক্রিয়াতে ঠিকই আছে ।
শুভ কামনা ।
লেখকের মন্তব্য
আমার ব্লগে আপনার আসা টা আমার জন্য অনেক encouraging .
অনেক অনেক ভালো লাগলো ।
এই কঠিন প্রবাসে লেখালেখিটা আমার জন্য একটা মুক্তি, সীমাহীন আনন্দের আস্বাদ। লেখালেখির সাথে থাকতে চাই।
এভাবে পাশে থাকবেন। খুশি হব।
আপু, আপনিও দেখি বাচাল হয়ে গেলেন!!!
[বিগত ৭ দিনের] বাচালশ্রেষ্ঠ
নয়ন ( ৫২২)
ফজলে হাসান জামি ( ৪৫২)
আচার্য ( ২২৫)
সাহাদাত উদরাজী ( ২০১)
ঈশান মাহমুদ ( ১৩৩)
সুরঞ্জনা ( ১২১)
সাকিবা ফেরদৌসী ( ১২০)
শুভেচ্ছা রইলো------------
লেখকের মন্তব্য
যেমন ভাই তেমন বোন ।
বাচলামি তবে চলুক অবিরত।
লেখকের মন্তব্য
জামি পাশে থাকলে চুপ করার সাধ্য কার।
চলুক।

আর আমার আপুটা দেখি বাচলামির শেষ দেখে নিচ্ছে!!
[বিগত ৭ দিনের] বাচালশ্রেষ্ঠ
নয়ন ( ৪৯৭)
ফজলে হাসান জামি ( ৪৫৬)
আচার্য ( ২৩২)
সাহাদাত উদরাজী ( ১৫১)
সাকিবা ফেরদৌসী ( ১৩৩)
ঈশান মাহমুদ ( ১৩১)
সুরঞ্জনা ( ১২২)
আপু আপনিতো দেখি ৫ম এ এখন। খানিক পরেইতো মনে হয় আমাকেও ডিঙিয়ে যাবেন।
লেখকের মন্তব্য
তোমার পড়া শেষ ? presentation?
কাজ একটু বাকি। কিন্তু চতুরে আসার লোভ সাম্লাতে পারছিলামনা।
এখন যাচ্ছি। একটু পরেই আবার আসছি।
আপনি থাকবেন তো আপু?
লেখকের মন্তব্য
ভবিষ্যতের কথা কে বলতে পারে !!!
আধ্যাত্মিক কথাবার্তা মাথায় ঢুকেনা।
লেখকের মন্তব্য
presentation এর আগে এমনি হয় ভাইয়া।
কিছুই মাথায় ঢুকে না।
জি জি আপু। এইটাই।
সাকিবাপু এখন ফিফথ? আর মাত্র তিনটা হার্ডলস, তার্পরই ছুঁয়ে ফেলতে পারবেন আমাকে! গো অন আপু, গো অন!
লেখকের মন্তব্য
আমি বাচাল !!!!!!!!
আমার স্টুডেন্ট রা শুনলে টাসকি খাবে।
আর বন্ধুরা শুনলে ফিট ।
আমার তো অনেক উন্নতি!!!!!!!!!!
লেখকের মন্তব্য
আমার নাম বাচাল লিস্টে আর উপরে !!!!!!
আমি বিদায় হই।
আপা, যাইয়েন্না, আরেকটু পর জামিভাই নতুন ইতিহাস রচনা করবে।
নয়ন ভাই, দিল্লী এখনো অনেকদূর।
আপু আমাকে বাড়িতে সবাই বকা দেয় কম কথা বলি তাই। সারাদিনে মিলে আমি মনে হয় ১০০ লাইনের বেশি কথায় বলিনা। অথচ এখানে!!!!
লেখকের মন্তব্য
সিক্রেট টা কি ? চতুরের? কিসের রেকর্ড ?
দেখলেন, গরীবের কথা ঠিকই ফলে!
বাস্তবে যারা মৃদুভাষী, ভার্চুয়ালি তারা বাচাল হয়!
এই সত্য তো সেই কবেই বলে গেছেন বাংলা বিহার উড়িষ্যার(এইটারে এখন বলা হয় ওডিশা!) বাচাল,,,,,,,,,,, না থাক!
লেখকের মন্তব্য
এইটা না আমি কালকে আপ্নারে বললাম।
বাংলা বিহার উড়িষ্যার পাইলেন কই?
ওহ হ্যা এইটাতো আপ্নিই বলসেন!
ভাইয়া-আপুরা, নো ঝগ্রাঝগ্রি।
উনি আমার গুরুজন, উনার কথা বিনা বাক্যব্যয়ে মেনে নিচ্ছি।
ভাই মেনে নেয়ার আগে তো ঠিকই বাক্য ব্যয় করলেন।
আমার ৫০০ কমেন্ট হতে পারে। এটাই বলছিলেন নয়ন ভাই।

অসাধারণ গল্প, মন খারাপ করে দেয়ার গল্প।
টুইস্টটা মারাত্মক, আহত হলাম হৃদয়ে...
আপনার দুটি গল্প পড়লাম, দুইটাতেই আপনার প্রতিভার প্রখর প্রমাণ বিদ্যমান।
অনেক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা রইলো...
বিঃ দ্রঃ গল্পটা পড়ে মনে হল মালায়সিয়ার যে সমস্ত বেসিক ইনফর্মেশন দিয়ে কিছু লিখবো বলে ভাবছিলাম, তা সবই দিয়েছেন। ধন্যবাদ...
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
লিখি অনেকটাই নিজের মনের তাগিদে। অনেক আগে বলেছিলাম সাহিত্য আমার খোলা আকাশ । আমার স্বপ্নেরা তাতে নক্ষত্রের মত জ্বলে । আসলেই তাই।
আপনিও লিখুন মালায়শিয়াকে নিয়ে, প্রবাস জীবন নিয়ে।
আপনার কমেন্ট অনেক ভাল লাগলো। ভাল থাকবেন।
সুপ্রভাত আপু।
ভালো আছেন তো?
লেখকের মন্তব্য
এইতো ভাইয়া চলছে।
গল্প না বাস্তব! আগে বলেন!
লেখকের মন্তব্য
আমি খুবই লজ্জিত,আপনার এত দারুণ দারুণ গল্পগুলি আমি মিস করে গেছি।
এখন থেকে আর হবে না।
বরাবরের মতো সেরাম লেখনী।
লেখকের মন্তব্য
দেরি হয়নি তো ভাইয়া গল্প পড়তে,লজ্জা পাওয়ার মতো কিছু তো নয়ই ।আমিতো ব্লগে এলাম মাত্র ৩ সপ্তাহ।
গল্প ভালো লেগেছে যেনে অনেক ভালো লাগছে। আমার শুভেচ্ছা রইলো। অনেক বেশি ভালো থাকুন।
যতবার পরেছি ততবার চোখ ভিজেছে। কিভাবে লিখিশ্ রে আপু? ছোট ছোট কতগুলি লাইনে কেমন করে পারিশ মনের এত কঠিন আবেগ গুলি প্রকাশ করতে? এরকম আরো ভালো ভালো লেখা পাবার আশা্য় রইলাম। শুভ কামনা অনেক।
তানিজা আপুকে চতুর্মাত্রিকে স্বাগতম।
লেখকের মন্তব্য
তুই বাংলা লিখলি কেমন করে !!!!
লেখকের মন্তব্য
ব্লগের ইতিহাসে এই প্রথম আমার পরিবারের কেউ কমেন্ট দিলো
আমার একমাত্র বোন আর সবচে প্রিয় বন্ধু
তুই কি জনিস তোর উৎসাহ নিয়ে এসেছে আমাকে এতদূর ?
অনেক ভালোবাসা। ভালো থাকিস নিরন্তর।
আরেকটি চমৎকার লেখা পড়লাম আপনার। সাদাকালো৯২ মিয়াভাইরে ধন্যবাদ। তিনি বৃষ্টির কথা বলাতেই এই লেখার লিংক, এবং আমার পড়ে ফেলা
আরো লেখুনননন বেশি বেশি,,,,,,,ভালো থাকা হোক।
আপা, লেখাটা পড়েছি বেশ ক'দিন হয়, কিন্তু মন্তব্য করা হয়নি। বাচ্চাটা কে বাঁচিয়ে রাখা যেতনা? উদারজী ভাই'এর প্রশ্নটা আমারও।
আজ আপনার বেশ কয়েকটা গল্পই পড়ে ফেলছি। এটা আগে পড়া ছিলনা।
নামকরণের সাথে কাহিনীর শক্ত একটা সেতুবন্ধন করার চেষ্টা করতে পারেন। কিছু কিছু লাইন এবং পেরা পড়লে সত্যিই এতো ভালো লাগে বলে বুঝাতে পারবোনা। কিছু কিছু লাইন হালকা হয়ে যায় কেন জানি, ওখানে একটু আলসেমি লাগে পড়তে, এটা নিয়ে একটু কাজ করতে পারেন। উপস্থাপনা অনেক চমৎকার আপনার। কাহিনীর প্লট চয়ন করার সময় একটু খেয়াল করবেন।
মন্তব্য করুন