সাকিবা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি


মামুন যখন নামলো মালয়েশিয়ার KLIA এয়ারপোর্ট এ তখন আকাশে সকাল ছুঁই ছুঁই। ইন্টারন্যাশনাল লাউঞ্জ পার হয়ে সে তার ছোট ট্রলি নিয়ে এগিয়ে আসছিল। ঢাকায় এবার তুমুল শীত পরেছে , কনকনে ঠাণ্ডা, ঝির ঝির কুয়াশা, তাপমাত্রা নেমে গেছে ১০ এর নিচে। মামুনের পরনে ছিল তাই সোয়েটার, গলায় মাফলার। বোর্ডিং এর সময়। বাংলাদেশ বিমানের সেই এসির না গরম না ঠাণ্ডার দমবন্ধ করা পরিবেশে তা খুলে রেখেছে। এখন আবার তার তীব্র শীত লাগে । উপরে উপরে। বাইরে থেকে একটু একটু কাঁপে সে। এমনিতেই তার একটু খুসখুসে কাশি। গায়ে জ্বর জ্বর ভাব। কিন্তু ভেতর তার ধিকি ধিকি জ্বলে। কি এক তুষের আগুনে। এই শেষ রাতের এয়ারপোর্ট এর কনকনে ঠাণ্ডা আর ভেতরের অজানা যন্ত্রণা এই দুই মিলে মামুনের হটাতই কেমন অস্থির লাগতে থাকে। তার গা থেকে সব খুলে ফেলতে ইচ্ছা করে, একটা গভীর শাওয়ার নিতে ইচ্ছে করে ।
অথবা তার বেশি ইচ্ছে করে শৈশবের রূপসা নদীতে ডুব দিয়ে বসে থাকতে। অনবরত জলের সাথে খেলা করতে, মাছের ঝাঁকের সাথে অন্তহীন কথা বলতে, ডুবতে আর ভাসতে। পার হতে এপার ওপার। আশ্লেষে আলিঙ্গন করবে সে সেই জল, তার সর্বাঙ্গে আদর বুলাবে , তাকে স্থিত করবে, তার সাথে ভালবাসার খেলায় মাতবে। অনেকদিন সে কোন খেলায় মাতেনি, না ভালবাসায় না মমতায় না ঘৃণায়। আজকে তার ভেতর আন্দোলিত হয়। কারো জন্য বুকের ভেতরটা পোড়ে। ফেলে আসা দেশ, জন না অন্য বিশেষ কেউ? সে ভাবতে চায়না।
চারপাশে অপেক্ষমাণ কত জনতা। ছোট, বড়, বাচ্চা সব বয়সের, সব জাতির, কিন্তু তাঁর জন্য কেউ অপেক্ষা করে নেই। না থাকারই কথা, সে আসবে কেউ জানেনা, সে নিজেই জানতো না, তার এপ্লাই করার প্রায় সাথে সাথেই সে ডাক পেয়েছে, এখানকার একটি নামকরা ইউনিভার্সিটিতে, বেতন ভালো না খারাপ সে ভাবেনি, সুযোগ সুবিধার ব্যাপারটিও তার মাথায় আসেনি। তার মাথায় শুধু খেলা করছিলো বিচ্ছিন্নতার কথা, সুতা ছিঁড়ে ফেলার চিন্তা, পরিচিত রাস্তাঘাট চেনা দুঃখগুলো ফেলে নতুন পথে হাঁটার গহিন তৃষ্ণা। সে তার ইউনিভার্সিটির কাউকে রিসিভ করতে আসতে বলেনি , সচরাচর যা হয়, শুধু চলে এসেছে । কিন্তু আজকে এই একলা নিভৃতে এক অচেনা দেশের অজানা বন্দরে অচেনা অজানা মানুষের ভিড়ে তার প্রিয় কিছু বা প্রিয় কারোকে পাওয়ার, আলিঙ্গন করার আকাঙ্ক্ষা তাকে কুরে কুরে খায়, তার ভেতরকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে অস্থির করে দেয়, আবার ঘৃণা বোধ হয় এই দুনিয়ার সব মনুষ্য জাতির উপর। আর এই দুই বিপরীতমুখী আবেগে তাঁর চোখে জল আসে। বুকে চাপ চাপ বোধ হয় আর ক্লান্ত লাগে। অসীম ক্লান্তি।
গত অনেকদিন ধরেই তার জীবনের কোন স্থিতি নেই। থেমে নেই, চলছে মারাত্মক গতিতে, এত দ্রুত তার গতি ভয় করে তার । বেশ ছক কষে জীবনটাকে চালাতে চেয়েছিল সে, ছাড়িয়ে যেতে চেয়েছিল তার চারপাশ, বদলে দিতে চেয়েছিল তার ভাগ্যরেখা, ধাপে ধাপে উঠে যেতে চেয়েছিল একদম উপরে, তার জেদ আর একাগ্রতা দিয়ে। তার ভেতরের অনমনীয় জেদ আর স্বপ্নই তাকে প্রতিনিয়ত চালিত করে, স্বপ্ন দেখায় ভাসায় ডোবায়। তা নাহলে নিম্নবিত্ত পরিবারের মামুন, তার জন্য অক্সফোর্ড এর পিএইচডি কোন চাট্টিখানি কথা ছিলোনা। কিন্তু আজকাল ভেতরের আগুনটা নিভে গেছে যেন। এই তিরিশেই মাঝে মাঝে তার নিজেকে জরাগ্রস্ত মনে হয়, সে ক্লান্ত বোধ করে। তাঁর মাপা ছক বাঁধা জীবন। তার একটু বাইরে যাওয়ার ইচ্ছা তাকে উন্মনা করে, পাগল করে, অন্ধ করে দেয়। কোন একটা ভয়ংকর কিছু করে ফেলতে ইচ্ছে করে। কাউকে মারতে বা নিদেনপক্ষে তীব্র আঘাত করতে, রক্তাক্ত করতে অথবা ছোটখাটো অঙ্গহানি। ইচ্ছা তাঁর তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে।
তার জীবনের ছকে প্রেম ভালবাসার কোন স্থান ছিলনা । নারী শরীর ছিল কখনো হয়তো, কোন বিরল মুহূর্তে, কিন্তু কখনো সে সচেতন উঁকি দেয়নি। কেমন অলীক মনে হতো নারী পুরুষের মধ্যকার রহস্যময় জটিল মধুর সম্পর্ক। তার বেড়ে ওঠা বা বড় হওয়ায় সেই সম্পর্কের কোন মহান রূপ সে দেখেনি। মা সারদিন হাজারটা কাজ সামলে তাদের অনেক ক’টা ভাই বোনকে নিয়ে এক ঘরে আর বাবা বাইরের বড় ঘরে। মা বাবাকে সে কখনো নির্জন নিভৃতে, লুকিয়ে চুরিয়ে বা সামনাসামনি নিদেনপক্ষে একটু ছোঁয়াছুঁয়ি করতে দেখেনি। ঘরকুনো, বইপাগল তাকে কেউ শোনায়নি কোন গোপন রহস্য । পাওয়া না পাওয়ার কোন বোধ তাই তাকে তাড়িত করেনি। কেউ তার মত এত নির্বাক, লাজুক, গোবেচারা কাউকে ডেকে শোনায়নি ভালবাসার কথা। গোনার খাতায় নেয়নি কোন অপরূপা তাকে । সে এক ভালই ছিল তার জন্য।
রাত্রি তার প্রথম। তার মন জেগেছিল, সে অধীর হয়েছিল। সে পুড়ে গিয়েছিল। ভালোলাগা ভালবাসায় । কামনা বাসনায়। ইংল্যান্ড থেকে ফিরছিল সে। বাবা মুছে গিয়েছে বা যাচ্ছে। সে আদ্র ছিল। তাঁর বুকের গহিনে তিরতির করে জল পরছিল। তার বাবা, তার সারা জীবনের কষ্ট করা বাবা, পরের জমিতে কাজ করা বাবার জন্য । তখনি দেখা রাত্রির সাথে। এয়ারপোর্ট এ। বেড়াতে এসেছিল বুঝি বোনের কাছে। ভীষণ সুন্দর একটা মুখ, এত সুন্দর বুঝি রূপকথার রাজকন্যারাই হয়। আদুরী, চঞ্চলা, হরিণী চোখা, রেড পুলওভার আর ব্লু জিন্স পরা রাত্রি। অনেকক্ষন বসে থাকতেই দুটো বাঙালি একসাথে থাকলে যা হয়, কথায় কথা বাড়ে, কথার খেলা চলতে থাকে। মামুনের গভীর দৃষ্টি, উদাস বিষণ্ণ মুখ আর তার অক্সফোর্ড এর পিইচডি রাত্রিকে হয়তো দারুণ কোন মায়ায় বেঁধে ফেলে। প্লেন উঠল আকাশে কিন্তু রাত্রি বাঁধা পড়ে যায়। তারপর কাহিনী বিস্তৃত হয়, দেশে দু একবার দেখা কিছু কথাকে ছাড়িয়ে কথা না জানা মামুন দু একটা কথা বলতে আর হাজারটা কথা শুনতে শুনতে কখনো মুঠোফোনে, কখনো স্কাইপে কখনো মেইল এ ভালবাসার তাজমহল বানাতে ব্যাপৃত হয়। তারপরই ঘটে যায় অলৌকিক কিছু।
এই শেষ রাতেও KLIA এয়ারপোর্ট জুড়ে প্রাণের মেলা। ম্যাকডি বা কেএফসি বা কফি ওয়ার্ল্ড। সবখানে। আসছে কফির মনকাড়া গন্ধ। এক কাপ কফি আর একটা সিগারেট ধরানোর প্রাণপণ ইচ্ছা জাগে তার, অগাধ তৃষ্ণা লাগে। অথবা ইচ্ছে করে একটা জ্বলন্ত সিগারেট ঠেসে ধরতে তার বুকের গহীনে, পুরিয়ে দিতে জ্বালিয়ে দিতে সব। নিজেকে অক্ষম লাগে তার। রাত্রি তাকে অক্ষম বলেছিল। এই ভর সকালে মামুন ভাবে, তার সক্ষমতার প্রমান দিতে তার একটা কিছু করা দরকার। একটি রগরগে কিছু। পত্রিকায় ছবি ছাপা হবে, রাত্রি পড়বে আর বুঝবে তাকে বৃথাই অপবাদ দিয়েছে সে।
মামুন এক কাপ কফি নিয়ে বসে। মাত্র ৭/৮ মাস আগেই এমনি আরেক এয়ারপোর্ট এ অপেক্ষায় ছিল সে। সেদিনও সামনে এক কাপ কফি। রাত্রি আসছে। তার রাত্রি। দূরভাষে আবদ্ধ, আইন কানুনে স্বীকৃত। প্রথমবারের মত। এখনো ছবির মত ভাসে সেই কল্পকথা। প্লেন থেকে নেমে এগিয়ে আসছে, পুরো এয়ারপোর্ট আলোকিত করে। সবখানে সব অন্ধকার কোন আলোয় রাঙ্গিয়ে। তার অতীতের অপূর্ণতা, বর্তমানের গহীন নিঃসঙ্গতা, আর ভবিষ্যতকে রাঙিয়ে। তার ভুবন মাতাল করা সৌরভে সিক্ত করে দিয়ে। তিরতির করে কাঁপছিল সে। আবেগে মমতায়, আকাঙ্ক্ষায়, ইচ্ছে করছিল এয়ারপোর্টই জড়িয়ে ধরে ওকে চুমু খায়, ওর রেশম রেশম চুলগুলো এলোমেলো করে দেয় আর আগুন জ্বালিয়ে দেয় ওর সবখানে। কিন্তু বাস্তবে তার অনুভূতির প্রকাশ কম, তার আবেগরা বুকের গহীনে লুকিয়ে থেকে থেকে মরে গেছে, কথা খুঁজে পায়না। তাই সে শুধু নিজেকে বলতে শোনে, পথে কোন কষ্ট হয়নিতো ?
সমস্যাটার শুরু অল্প থেকেই, একটা রুম আর লাগোয়া কিচেন। বারান্দা নাই। একটা বিছানা, দুটা রেক্সিন এর নেড়া সোফা আর একটা আলনা। সেই ঘরে পা দিয়ে রাত্রি হয়ত চমকে উঠেছিলো , রাত্রির আবাল্য বোনা স্বপ্নে দেখা রাজপুত্র আর রাজপ্রাসাদের ছবি তার কাছে কৌতুক মনে হয়েছিল।আর তাই প্রথম কয়েক টা দিন পার হয়েই কেমন অদ্ভুত হয়ে গিয়েছিল রাত্রি। শীতল ও । সেই শীতলাটা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছিল ঘরের কোনে কোনে, বিছানায় বালিশে আর চরম আদরের কাঙ্ক্ষিত পরম মুহূর্তেও। রাত্রি সাড়া দিতনা, হটাতই অভিযোগ করতো শক্ত বিছানা নিয়ে, একটা বারান্দা না থাকা নিয়ে, রান্নাঘরে বাঁকানো মরচে ধরা সিঙ্ক আর বাথরুম নিয়ে। এ সবের মাঝেই সে চেষ্টায় রত হতো, নিজেকে দেয়ার, কিন্তু রাত্রির আবেগহীন অসহ নির্লিপ্ততা তাকে অক্রিয় অসহায় করে দিত। সে পাশ ফিরে ঘুমিয়ে পড়তো একসময়।
তার থিসিস সাবমিশন এর ডেট চলে আসছে , তার খাওয়া দাওয়ার ঠিক নেই, নেই ঘরে ফেরার টাইম টেবিল, ল্যাব এ দিনরাত্রি তার একাকার হয়ে যায়, শেষ বাসে যখন সে ফেরে তখন নিঃসঙ্গ রাত্রি স্তব্ধ, কখনো বিষাক্ত। হুল আর অভিযোগের বন্যা, সেই স্তব্ধতার সামনে সে গুটিয়ে যায় । রাত্রি তার শরীর দাবী করে কখনো, তক্ষুনি চাই তার, কিন্তু রাত্রির গলায় বা আবেদনে না থাকে আকাঙ্ক্ষা, না থাকে মায়া মমতা। সে তাকে জাগাতে চায় হয়তো বা তার অক্ষমতা টুকু দেখতেই, তাকে বিষে জর্জর করতে, লজ্জায় ফেলতে, আর তাকে অক্ষম মনে করিয়ে দিতে। এই অভিযোগের বিষাক্ত হুল তাকে মনঃসংযোগ করতে দেয়না, চরম মুহূর্তে, সে অক্ষম হয়ে অস্থির চিত্তে কাঁপে। তার নিজের মৃত্যু কামনা করে।
একসময় শেষ হয়ে যায় তাঁর থিসিস,ভাবে এইবার সে ঠিক পারবে, রাত্রিকে সুখী করতে, রাত্রি যেমন ভাবে চায়, যা চায়। তার উপরে নির্ভর করে আছে মা আর ভাই বোনগুলো । তারপরও ঘরে আস্তে আস্তে আসে অনেক আসবাব। কিন্তু ততদিনে কি এক দূরত্ব রচিত হয়ে গেছে,অল্পদিনেই বেড়ে গেল সেই দূরত্ব আরও। সে টের পায়নি ততদিনে তার উঠোনে ঢুকেছে ময়াল সাপ, চুপিসারে, হিংস্র ছোবল দিতে। তার জীবনের ছককে আরও উলটে পালটে দিতে। আর তাই হটাতই সাঙ্গ হয় খেলা, রাত্রি পর হয়ে যায়, ইলেকট্রনিক যোগাযোগের এই যুগে সে অন্য কারো হয়ে যায়, শুধু অক্ষম সে লজ্জায় পড়ে থাকে।
সে কখনো তার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চায়নি, বড় যত্নে, মমতায় আর ভালবাসায় একটু একটু করে সাজাতে চেয়েছে তার জীবন, অনেক ধৈর্যে, শ্রমে, মেধায় আর ত্যাগে । এই জীবনটাকে তার আজ ভেঙে গুড়ো গুড়ো করে বাতাসে উড়িয়ে দিতে ইচ্ছে করে। অথবা একটা কোন বড় অন্যায়, তাকে তাড়িত করে। কুয়ালালামপুরের রাস্তায় আজ চমৎকার রোদ। বড় বড় অট্টালিকাগুলোতে পিছলে যাচ্ছে সোনা সোনা সোনা রোদ। কিছু একটা করতে ইচ্ছা করে, রোদ মাখা দিনটিকে কালো মেঘে ঢেকে দিতে বা বুলডজার মেরে সব উড়িয়ে দিতে। সবচেয়ে বেশি ইচ্ছে করে নিজেকে ধ্বংস করে দিতে।
ক্যাবটি চলতে থাকে। মামুনের সংকল্প দৃঢ় হতে থাকে।
মন্তব্য
আমি প্রথম।
আমি তো রক্তাক্ত তাজা হৃদপিন্ড ধরা হাত দেখে যারপর নাই ভীত হলাম। সত্যি
লেখকের মন্তব্য
শুধু ছবিটাই দেখলেন?
কমেন্ট দেন নাই তো । গল্প কেমন লাগলো ।
কমেন্ট দেন নাইলে কিন্তু কান্না চলেতেই থাকবে।
আমার বইন্ডাও দেখি কান্দনকুমারী হইয়া গেলো।
লেখকের মন্তব্য
আগেই তো বলছিলাম, যেমন ভাই তেমন বোন ।
জামি ভাই কি তাইলে কান্দন কুমার??

আপনিই সত্যিই খুব চমৎকার গল্প লিখেছেন। আপনার লেখার স্টাইলটা চমকপ্রদ। আমার খুব ভাল লেগেছে। বাকী কমেন্ট নীচে দিয়েছি। এবার অন্ততঃ কান্না থামান।
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ দাদা।
লেখকের মন্তব্য
তাই তো
আপু, এত সুন্দর করে গুছিয়ে চমৎকার সব লিখা কিভাবে লিখেন?
আমার কাছে অসাধারণ লাগলো গল্পটা। গল্পের চেয়েও সুন্দর গল্পের বর্ণনা।
লেখকের মন্তব্য
ভালো লেগেছে।
মানুষ বড় দূর্বোধ্য। ছক ভেঙ্গে, ছকের বাইরে ধাবিত হয় জীবন! ছক মেলে না; বাস্তবতার হুলের খোঁচায় স্বপ্ন আর স্বপ্ন থাকে না...
লেখকের মন্তব্য
আসলেই জীবন টা বড় জটিল ।
একা অসহায় মানুষের আর্তনাদে পরিপূর্ণ ।
ধন্যবাদ আমার ব্লগে আসার জন্য। গল্প পড়ার জন্য।
ভাল লাগা রেখে যেতে যেতে বলে যাই , ভাল লাগলো গল্পের সাথে ছবিটাও।
লেখকের মন্তব্য
আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম ।
অনেক ধন্যবাদ ।
আহা্ ছবিটা দেখে অন্তত বুঝা যাচ্ছে যে, মেয়েরা কতো 'নিষ্ঠুর' হতে পারে…..।
ভাই দিছেন তো ভীমরুলের ঘরে ঢিলটা মাইরা!!
লেখকের মন্তব্য
মেয়েরা যে কতো 'নিষ্ঠুর' তা আপনার চে ভালো কে জানে ।

তারা প্রয়োজন হলে হৃদয়ও ছিনতাই করতে পারে।
ছবিরটা কিন্তু রীতিমত ডাকাতি।
ভাইজান, এখনও সময় আছে। সাজেশন দেন, বিয়া কি করুম???

ভাই সাজেশান খুঁজেন ভালা কথা। তয় বিয়ার পরেও কি খুঁজবেন নাকি?

বিয়া তো করি নাই


লেখকের মন্তব্য
আমি ভাবলাম আমার গল্প পড়ে আর ঈশান ভাইরে দেখে সবাই বিয়ের চিন্তা বাদ দিবে।

>পাওয়া না পাওয়ার সুন্দর বিবরন। খুব গুছানো একটা লেখা। ভালো লাগলো খুব।
কেন, খালি ঈশান ভাই কেন? আমি কি দোষ করছি?


আমাকে খাওয়াবেন না বিরিয়ানি?
লেখকের মন্তব্য
আহারে
পুরাই ছোট মানুষ ।
কাঁদে না ছোট ভাই ।
আমারও কান্না আসছে।
আচ্ছা আর কাঁদবোনা। আপনেও কাঁইদেন্না।
লেখকের মন্তব্য
জামি তুমি কই?
কি খাবা তাই বল। আর মাত্র ৩ মাস। তারপর আপু আসছে।
এইবার একটু হাসতো আমার সোনা লক্ষ্মী ভাই ।
তাইলে কান্না থামাইলাম।
আপনি যা খাওয়াবেন তাই খামু। কিন্তু ঈশান ভাইয়ের কথায় কান দিয়েন না। কি সব হাবিজাবি রুটির কথা বলে খালি।
লেখকের মন্তব্য
আমার মিষ্টি খাওয়ানো উচিত তোমাকে । এই প্রথম কেঊ আমার লেখা প্রিয়তে নিলো ।
কিন্তু এখানে মিষ্টি নাই । কি করি ।
তুমিই খাওয়াও না হয় এখন । প্লীজ ছোটো ভাই ।
নেন আপু, মিষ্টি খান।
লেখকের মন্তব্য
আমিতো লাল মিষ্টি খাই না ।
সাদা মিষ্টি নাই ? নাকি এখন দোকান বন্ধ ?
প্রিয়তে আমিও নিয়েছি কিন্তু !
লেখকের মন্তব্য
আমি পুরাই সেন্সলেস। ডাক্তার, ডাক্তার ।
আপু আপনি খাইতে চাইলেন, আমি ভাই হইয়া যদি দিতে না পারি এইডাতো লজ্জার বিষয়। নেন আপু
লেখকের মন্তব্য
মিষ্টি দেখে তো আবার কান্না আসলো ।
কতদিন কেউ মিষ্টি খাওয়ায় নাই।
তুমি তো আসল ছোট ভাই ।
এই! এইখানে রস পড়িতেছে কেন? পিঁপড়া আসিয়া সমস্ত পোস্ট খাইয়া ফেলিবে, এমনকি পুরা ব্লগটাই খাইয়া ফেলিতে পারে। সাবধান। রসালো মিষ্টি খাওয়া বন্ধ।
লেখকের মন্তব্য
এই কয় বছর মিষ্টি খাই নাই ।
ভাগ্যিস চতুরে আসলাম। ছোট ভাই এর কল্যাণে মিষ্টি খাইতে পারলাম।
পিঁপড়ারে ডাইকেন না প্লিজ দাদা।
পারলে আপ্নিও কিছু খাওয়ান।
রসের মানুষ রসাচার্য স্বয়ং বসিয়া আছেন, পিপড়া আসে নাই। আর এতো সামান্য মিষ্টির রস। কি বা হবে?
লেখকের মন্তব্য
দারুন বলেছ ।

আমার তো কোন ছোট ভাই ছিলনা।
একটা দারুন মজার ভাই পেলাম।
ভাই বোনের সম্পর্কের আকিকা হোক। আমরা একটু ভালোমন্দ খাই।
লেখকের মন্তব্য
হবে হবে সব হবে।
সহমত। তবে শুধু ভাল খেতে চাই। মন্দ কিছুতেই নহে।
আচার্যদা আপনিও তো নতুন নাম রাখছেন নিজের। আকিকা করাইবেন না?
নতুন কৈ? বোতল তো পুরানোই। খালি ছিপিটা ফেলে দিছি।
ব্যাঙ্গাচি নাকি বড় হইলে লেজ খইসা পড়ে। জানেন নাকি?

(প্লীজ দাদা মাইন্ড খাইয়েন না)
আমার তো মাথাটাই খসে পড়েছে।
কাঁকড়ার স্যুপ হয়ে যাক

ও দাদা, ভোট কই?
দিলাম।
আমিও ভোট দিলাম। জামি
আহা সাকিবা, জামি ভাইতো দেখছি কান্তে কান্তে আপনার ব্লগটাকে ডুবিয়ে ছাড়বে ! বিরিয়ানি না হোক, বাসায় শুকনা রুটি থাকলে এই ক্ষুধার্ত লোকটাকে দিয়ে তাড়াতাড়ি বিদায় করুন।

আহা বুঝলোনারে, বুঝলনা। ভাই, বোনের মন বলে কথা। কান্নাকাটি দেখলে নিজ থেকেই বিরানির সাথে আরো কত কি নিয়ে আসবে। আপ্নারো লাভ হইত।
আর কান্নার পানিগুলো ফোয়ারার পানির মত, এক পানিতে বারবার কান্না। তাই ডুবে যাওয়ার সভাবনা নাই।
জামি ভাই, বিরিয়ানির খোয়াব দেখতে দেখতে রুটি খাইতে থাকেন বেশিক্ষণ ক্ষুধার্ত থাকা ঠিক না।
ভাই এতো দেখি আলুভাজি, ওমাইগড। আপনার মত ঈশান ভাই আর একটা হয়না। অনেক ধন্যবাদ।
রুটি এবং আলু ভাজি উদরাজী ভাইয়ের সৌজন্যে।
উদরাজী ভাইরে রেসিপি দিতে দেখিনা মেলাদিন!
ওনার খোজ জানেন??
উদরাজী ভাইএর দেখা নেই কেনো? ঈশান কিছু জানো নাকি?
ব্যাটারী আর বুলেটের বিরহে উনি কি সন্নাসী হলেন নাকি?
আমি আছি তবে অফিসে বেশী ব্যস্ত। ব্লগে আসতে পারছি না।
যাব কোথায়? যাবার জায়গা কই!
রুটি না! কম তেলে ভাজা পরটা!
মাছ যেমন চিন্তে পার না, দেখছি আরো অনেক কিছুই।।।। !
লেখকের মন্তব্য
আহারে।
লেখকের মন্তব্য
কতদিন রুটি আর আলুভাজি খাইনা। সিরিয়াসলি ।
এই উদীযমান অশ্রুবর্ষী ব্লগারের প্রতি ঈমা ভাই কেন এত রুঢ় আচরণ করছেন বুঝতে পারছি না। মনে রাখবেন এইরকম ক্রন্দনকুমারদেরও মাঝে মাঝে দরকারে লাগে।
ভাগ্যিস অনল বর্ষী না, তাহলে চতুরের চত্বরে আগুন লেগে যেত।

হ্যাঁ এবার বুঝেন অশ্রুবর্ষী কি কাজে লাগতে পারে। যদি চতুরে কোন অনলবর্ষী এসেও পড়ে আর কোন চিন্তা নাই। অশ্রুবর্ষী অশ্রুর বন্যায় অনল নিভিয়ে দিতে পারবে।
কিন্তু অনলবর্ষীর অনলে যদি অশ্রুবর্ষীর অশ্রু বাষ্প হয়ে যায়? তখন?
আরে আপনারা ভাই বোন দুইজনেই তো অশ্রুবর্ষী। আপনারা যে হারে অশ্রু বর্ষন করেন সেই অশ্রুতে দাবানল পর্যন্ত নির্বাপিত হইবে বলিয়া বোধ হয়।
ভাই এই কথাটা আবার আমেরিকা আর অস্ট্রেলিয়া সরকারকে বইলেন না। আমাগোরে তাইলে ধইরা নিয়া দাবানল নিভানোর কাম ধরাইয়া দিবো।
পরীক্ষা করে দেখা দরকার আসলেই আপনারা পারেন কিনা। তাইলে সন্দেহটা দূর হইত। আমরাও নিশ্চিন্ত থাকিতাম।
লেখকের মন্তব্য
আমরা কিন্তু বেপক হাসতেও পারি।
কি জামি পারি না?
পারিনা মানে, বিল্কুল পারি
তাইতো দেখতেছি। বিলেও পারেন কূলেও পারেন। কোন জায়গাই বাদ রাখেন না।
মনে হলো ব্লগারের নয়, কোন লেখকের লেখা পড়লাম। কিছু টাইপো না থাকলে এ বিভ্রান্তির পরিসর আর দৃঢ় হতো। ছোট্ট একটা গল্পকে বর্ণনার ছটায় রঙিন করে পাঠকের হৃদয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিতে পারা কম কথা নয়। লিখতে থাকুন সাকিবা, আগ্রহ নিয়ে আপনার লেখা পড়বার জন্য অপেক্ষা করবো।
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ হুদা ভাই ।
অনেক ভাল লাগলো । এভাবে পাশে থাকবেন।
নিরন্তর।
তাহলে লিখতে ভাল লাগবে। জানবো কেউ অন্তত আমার লেখার অপেক্ষায় আছে।
মানুষের মন বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা সবার থাকে না। সেটা আপনার আছে, প্রখর ভাবেই আছে। একজন ঘর ভাঙ্গা, মন ভাঙ্গা মানুষেরে নিঃসঙ্গতা, একাকিত্ব, মানসিক টানাপোড়ন, ভেতরে ভেতরে তচনছ হয়ে যাওয়া, এই সব খুব সুন্দর ভাবে চিত্রিত হয়েছে আপনার গল্পে। আপনার লেখার একটি দিক আমার খুব ভালো লাগে, আপনি খুব সময় নিয়ে, যত্ন নিয়ে কাহিনী এবং চরিত্র গুলো চিত্রন করেন। ফলে আপনার গল্প সহজেই অন্যের হৃদয় ছুঁয়ে দেয়। অনেক শুভ কামনা।
লেখকের মন্তব্য
নম্বর দেন ঈশান ভাই ।
গতটাতে কত দিছিলেন তাই চল্বে।
আপনার ভাল লাগবে জানতাম। তাই আপনাকে এত ডাকাডাকি করলাম।
ভাল থাকবেন।
আপনার গল্পের বিবরণগুলা এতো কল্পনা আর বাস্তব রুঢ়তার মিশ্রণে হয়, যে আপনার কল্পনার নিখুঁত গাঁথুনিও খুব বেশী রুঢ় হয়ে ক্ষতবিক্ষত করে পাঠকের মন। আপনার তিনটা গল্প পড়লাম, আর সিঁদুরে মেঘের ভয় পেলাম কয়েক ডজন। নানান ক্ষত বিক্ষতের মাঝে, কেন বারে বারে দুঃখ বিলাস? নতুন একটা সূর্যে নতুন একটা সম্ভাবনার গল্প বলেন তো...
বরাবরের মত লেখা খুব বেশী ভালো হয়েছে...
শুভেচ্ছা
লেখকের মন্তব্য
সম্ভাবনার গল্প আসেনা কেন জানিনা।
চেষ্টা করবো লিখতে।
আন্তরিক শুভকামনা রইলো ।
হুম, মেঘ রোদ্দুরের মন্তব্যে সহমত। মন খারাপের গল্প আর নয়, এবার একটি রোদেলা গল্প লিখুন সাকিবা।
লেখকের মন্তব্য
থিসিস শেষ হোক , দেশে ফিরি তারপর হয়তো ।
মন খারাপ থাকলে কি রোদেলা গল্প আসে ?
রোদেলা গল্প চাই। ছেঁড়া কাঁথায় যারা শোয় তারাই লাখ টাকার স্বপ্ন দেখে অন্যদের কাছে তো সেটা বাস্তব। মন খারাপ থাকলেই তো রোদেলা দিনের স্বপ্ন দেখা যায়।
লেখকের মন্তব্য
এই কথাটা ভাবার মত।

কথাটা বেশ মনে ধরেছে। ভুটাপ আচার্যদাকে।
লেখকের মন্তব্য
ভোট up বা down মানে চতুরে কি ?
জানতে মঞ্চায়।
লেখকের মন্তব্য
জামি আজকে নয়ন ভাই কই ?
আমিও নয়ন ভাইকে খুঁজছি। সারাদিন কোন দেখা পেলাম না মানুষটার। কেনো আসলো না বুঝতে পারছিনা।
লেখকের মন্তব্য
অইদিন এর মত helvetia ba KFC তে যায় নাই তো ।
অইদিন লিখলেন্না দেখলে ছবি পাগল হবে ঘরে থাকতে পারবিনা। তাই মনে হয় ঘরে নাই।
আমারো তাই মনে হচ্ছে। কি সহজেই সবগুলো নাম তোতা পাখির মত আউড়েছিলো।
ব্লগারের ছবির পাশে দেখেন। দুইটা এরো আছে, একটা উপরে একটা নিচে। ব্লগারের করা মন্তব্য ভালো লাগ্লে উপরে, খারাপ লাগ্লে নিচের এরোতে ক্লিক করুন।
লেখকের মন্তব্য
হুম।
লেখকের মন্তব্য
আরেকটা কথা জানতে চাই।
কাঊকে যদি কিছু বলতে চাই যেটা অন্যদের কে জানাতে চাইনা , সেটা কেমণে সম্ভব ?
যাকে 'কিছু' বলতে চান, তার নামের ওপর ক্লিক করে সোজা তার ব্লগে চলে যান। তার পর স্ট্যাটাসে বক্তব্যটি লিখে প্রাইভেট লেখা বক্সটিতে টিক চিহ্ণ দিয়ে দিন। ব্যাস হয়ে গেল। আপনার কথা অন্যদের কাছে গোপন থাকবে।
লেখকের মন্তব্য
যে কোন কমেন্টের ডান পাশে ছবির কাছে এ্যারো চিহ্ণিত দুটি জিরো দেয়া অপশন আছে। সেটা দিয়ে আপনি কারো মন্তব্য ভালো লাগলো তার মন্তব্যে সমর্থনসূচক ভোট (উপরের এ্যারোতে ক্লিক করে votu up) অথবা ভালো না লাগলো অসমর্থনসূচক (নিচের এ্যারোতে ক্লিক করে Vote down)ভোট দিতে পারেনI
উপরের এ্যারোতে ক্লিক করে votu up
-এইটা কি জিনিস ঈমা ভাই?
কোন মোটা মানুষরে গুতা মারা মনে হয়
লেখকের মন্তব্য
আসলেই, সবাই যা বলার বলে ফেলেছেন, একই কথা রিপিট করতে চাইনা।
প্রিয়তে নিলাম।
নিজের সাথে বেশ পরিচিত লাগছে!!
লেখকের মন্তব্য
বাকিটা একরকম না হোক । শুভকামনা রইলো ।

লেখকের মন্তব্য
বাহ!!
বেশ লাগলো গল্পটি পড়ে। বিশেষ করে লেখার ধরণটা ভালো লেগেছে। মানুষের মন নিয়ে কাটাছেঁড়া আমার ভালো লাগে বরাবরই।
ভালো থাকবেন।
লেখকের মন্তব্য
আমার আপনার পরামর্শ গুলো ভাল লাগে।
blending কি ঠিক আছে? জানাবেন।
আসলে কি আমি কিন্তু বোদ্ধা নই। আমি মূলত পাঠক। পাঠক হিসাবে আমার ভালো লাগা খারাপ লাগা দিকটা তুলে ধরি।
আপনার আগের গল্প টা বেশি ভালো লেগেছিলো। এটাও ভালো লেগেছে।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ রইল ।
আমরা একটা ভোগবাদী সমাজের দূর্দান্ত ক্রীড়ণক হয়ে গেছি। সাকিবা, আপনার অবজার্ভেশন আমার ভালো লেগেছে। চারিদিকে এত বেশী তুচ্ছ বস্তুগত কারণে ছাড়াছাড়ি দেখি যে ভয় হয়, ভবিষ্যত প্রজন্মকে নি্যে।
গল্পের প্রধান চরিত্রটি যখন একজন নারীর সামান্য বস্তুগত কামনা -বাসনার কাছে একটা সৎ সম্পর্ক মার খায়, তখন মনে হয়, নারীদের এইসব হীনমণ্যতা থেকে বেরিয়ে আসা উচিত। নারীদের আরও সেল্ফলেস হওয়া প্রয়োজন।
লেখকের মন্তব্য
ঠিক বলেছেন আপু।
আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম ।
লেখার ধরণটা বেশ ভাল লেগেছে, গল্পের চরিত্রদের মানস-বিশ্লেষণ সহজ কাজ নয়, আপনি করেছেন চমৎকারভাবে।
নিয়মিত লিখবেন আশা করি।
শুভকামনা, সাকিবা।
লেখকের মন্তব্য
আমি অভিভূত । আপনাকে আমার ব্লগে পেয়ে।
আপনার লেখা বরাবরই আমার খুব পছন্দের । ব্লগ এ আসার আগেই কুটুম হিসেবে পড়েছি।
অনেক খুশী হলাম আপু ।
ভালো থাকবেন ।
এখানে বিশাল খাওয়া খাওয়ি চলতাছে।
লেখকের মন্তব্য
আমার এখানে প্রথম আসলেন ।
শুভেচ্ছা ।
খান ।
সুন্দর লেখা। অনেকটা মনস্ত্বাত্তিক জগতে বিচরণ করা। লেখার ধরন ভালো।
লেখকের মন্তব্য
১০০ আমার
দিলাম।
শুভ রাত্রি। ভালো থাকবেন।
পোস্টে ব্যবহৃত ছবিটা একদম ভাল লাগেনি।
গল্পটাও আমার কাছে তেমন ভাল লাগেনি! তবে যেটা ভাল লাগলো সেটা হল লেখায় কিছুটা রিয়েল ফ্লেভার দিতে চেয়েছেন, এবং দিয়েছেনও।
লেখকের মন্তব্য
আহা! মন খারাপ করছেন কেন? সবার যে ভাল লাগবে তাতো না! কারো কারো তো ভাল নাও লাগতে পারে। প্রশংসাটা যেমন হাসিমুখে গ্রহণ করছেন তেমনি কেউ ভাল না বললে সেটাও হাসিমুখে নেওয়াই তো ভাল মনে হয়।
শুধু ছবির ব্যাপারে আমি একমত। সত্যিই ছবিটা দেখলে গা শিউরে উঠে।
লেখকের মন্তব্য
আপনার মতামত অনেক কিছু আমার জন্য। ছবিটা ডিলিট দিলাম আচার্য দা।
আমার কথা বিবেচনা করে ছবিটা সরিয়ে দিলেন? ছবিটা কারো কারো তো ভালও লাগতে পারে।
লেখকের মন্তব্য
কি জানি!
কিন্তু গল্পটাই তো আসল। ওটা মনে যে ছবি এঁকে দেবে তাই যথেষ্ট । বাড়তি ছবির কি দরকার !
আপু গেলাম।
শুভ রাত্রি। ভালো থাকবেন।
স্ট্যাটাস টা যদি একবার চেক করে দেখতেন? কিছু লিখেছিলাম।
লেখকের মন্তব্য
জবাব পাওনি?
ধন্যবাদ আপু। সব পেয়েছি।
ভালো থাকুন।
কই যান?? সবে তো সন্ধ্যা!

খাইছেরে! আপ্নেতো দেহি দিনকানা!! রাত ২ঘটিকা হইলে উহারে ১২ বিয়োগ করিয়া দুপুর ২টা কহিতে হয়। জানেন না?
লেখকের মন্তব্য
বুঝলাম না ঠিক । ১২ বিয়োগ কেন???
নির্ম ভাই রাত দুটোকে সবে সন্ধ্যা বলল তো, তাই মজা করছিলাম।
আমার কমেন্টটা উপরে গেল কেমনে??? সাকিবা আপু, খুজে নিন দয়া করে
লেখকের মন্তব্য
নিলাম। উত্তর ও দিলাম।
দারুণ লাগলো !
লেখকের মন্তব্য
ভালো লেগেছে
তবে আগের গল্পগুলো কিন্তু আমার প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছে
ছোট ছোট বিষয়গুলো আপনার নজরে বেশ ভালোই ধরা পড়ে
স্টুডেন্টে লাইফের সংসারের শুরু আসলেই এমন হয়
তবে শেষটা এমন না হোক কারো
গল্প আসুক বেশী বেশী

সুপ্রভাত আপু। কেমন আছেন?

আপনার থিসিসের কি অবস্থা আপু? সুপার ভাইজার আঙ্কেলের মতিগতি ভালো আছে তো?
ভালো থাকুন আপু। দোয়া করবেন।
লেখকের মন্তব্য
সুপ্রভাত ভাইয়া।
আমিতো পুরাই চতুর addict হয়ে গেছি।
সুপার ভাইজার এর সাথে কালকে দেখা হবে। মহা চিন্তায় আছি। textbook analysis এর কথা না বলে না চতুর এর কথা বলে ফেলি!!!!
কি করি বলতো ?
আপু আপনার কাজটা হোক আপনার 1st priority। এই তিনটা মাস এটাই মাথায় ঢুকিয়ে নিতে হবে যে। (বেশ উপদেশ দেয়া হয়ে গেলো বোধ'য়
)
লেখকের মন্তব্য
একদম ঠিক বলেছ।
লেখকের মন্তব্য
status দেখেছো?
আপু স্ট্যাটাস চেক করুন।
লেখকের মন্তব্য
পড়লাম । মনটা অনেক ভালো হয়ে গেলো ।
তুমি এখন কোথায় ? কার বাড়িতে ?
sorry , কার ব্লগে?
ডাক্তারের রোজনামচা ভাইয়ের ব্লগে আছি। দেখুন।
মানুষের জটিল মনস্তাত্বিক দিকটি সুন্দর করে তুলে ধরেছেন সাকিবা।
খুব ভালো লাগলো।
লেখকের মন্তব্য
আপনাকে আমার ব্লগে পেয়ে অনেক ভালো লাগছে।
নতুন লিখি। এভাবে পাশে থাকবেন। তাহলে সাহস পাবো।
আন্তরিক শুভকামনা রইলো ।
আজ ইটা রেখে গেলাম।
শেষ সময়ে চোখে পড়ল!
কাল এসে দেখব।
লেখকের মন্তব্য
আর কত ইটা রাখবেন সাহাদাত ভাই । এই বিদেশে আমার বিল্ডিং বানানোর কোন ইচ্ছা আমার নাই।
আপু মেইল্টা কি একটু চেক করবেন?
লেখকের মন্তব্য
উত্তরের অপেক্ষায় আছি ।
পান নি?
লেখকের মন্তব্য
মেইল চেক করে জানাও।
শুভরাত্রি আপু।
ভালো থাকবেন। দোয়া করবেন।
আপনার লেখার হাত বেশ। থামাবেন না। একদিন দেখবেন অনেক কিছু হয়ে গেছে।
চলুক।
আপু, শুভরাত্রি। অনেক অনেক ভালো থাকবেন। আমার প্রত্যাশার চেয়েও বেশি।
আপা
বেয়াদবি মাফ করবেন।
---
ঢাকায় এবার তুমুল শীত পরেছে> পড়েছে
মামুনের গভীর দৃষ্টি, উদাস বিষণ্ণ মুখ আর তার অক্সফোর্ড এর পিইচডি রাত্রিকে হয়তো দারুণ কোন মায়ায় বেঁধে ফেলে> পিএইচডি
পুরিয়ে দিতে জ্বালিয়ে দিতে সব।> পুড়িয়ে
তার সক্ষমতার প্রমান দিতে তার একটা কিছু করা দরকার।> প্রমাণ
ইচ্ছে করছিল এয়ারপোর্টই জড়িয়ে ধরে ওকে চুমু খায়,> এয়ারপোর্টেই
তার আবেগরা বুকের গহীনে লুকিয়ে থেকে থেকে মরে গেছে,> আবেগেরা হবে কি?
সেই শীতলাটা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছিল ঘরের কোনে কোনে,> শীতলতাটা
ময়াল সাপ> ভয়াল সাপ হবে?
বুলডজার> পত্র-পত্রিকায় বুলডোজার লেখা হয়।
সে আদ্র ছিল।> আর্দ্র
---
সব মনুষ্য জাতি হবে? এটা 'পুরো মনুষ্য জাতি' হলে ভাল হতো কি?
================================================
এখনই সময়, মন খারাপ করা গল্পকে না বলার!
অক্সফোর্ড এর > অক্সফোর্ডের
তার সক্ষমতার প্রমান দিতে তার একটা কিছু করা দরকার।> প্রমাণ > একটা 'তার' বাদ
ময়াল এক ধরণের সাপ। এটা ঠিক আছে।
লেখকের মন্তব্য
ঠিক করে দিব ভুল গুলো ।
নাজমুল ভাই, থ্যাংকস আ লট! আমাকে দিয়ে কিছুই হবেনা আসলে!
কে বলেছে কিছুই হবে না? হবে, নিশ্চয়ই অনেক কিছ হবে।
দুঃখিত আপু।
আগে মিস হয়ে গেছিল।
আপু এখন পড়ে ফেললাম।
ভালো লাগছে।
লেখনী চমৎকার।
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ
প্রিয় আপুমণি,
এই গল্পটা এবং 'বুকের মাঝে জোনাক জ্বলে, জোনাক নিভে যায়' - দু'টোই এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম। ছোট ছোট বাক্যগঠনে খুব গতিময় লেখা!
আমার কাছে মনে হয়েছে গল্পের পরিসর (ঘটনার নয়) আরেকটু ছোট করা যেত - এটা অবশ্য একান্তই আমার ব্যক্তিগত অভিমত।
খুব ম্যাচ্যুওরড লেখা, নিঃসন্দেহে! আপনি কি ইউনিভার্সিটির ছাত্রী? পি.এইচ.ডি. ক্যান্ডিডেইট?
'বুকের মাঝে জোনাক জ্বলে, জোনাক নিভে যায়' দারুণ লেগেছে পড়তে!! এটাও খুব ভাল লাগলো!
অভিনন্দন!!

লেখকের মন্তব্য
আপুউউউউউউউউউউ , আপনি বলেছেন ভালো লিখি !!!!!!!!!
আর কিছুই চাওয়ার নেই , মনটা ভরে গেল। ভালোবাসা জানুন । অনেক । ভুলে যাবেন না কিন্তু।
খুব ভাল লেখেন আপনি। মানব চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলোকে নিপুন তুলির আঁচড়ে আঁকতে পারার অসাধারণ দক্ষতায় মুগ্ধ আমি।
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ আপু। পুরানো গল্প খুঁজে পড়ার জন্য। আপনার ব্লগে গেলাম কাল। অনেক ভালো লিখেন আপনি। ভালো থাকবেন। আপনার সোনা মনিদের অনেক আদর দিলাম।
অসাধারণ একটা লেখা।
এতদিন পড়িনি কেন!কই ছিলাম!
আপনার লেখার স্টাইলটা আমার বেশি পছন্দ।আর গল্প?সোজা প্রিয়তে প্রিয় আপু
লেখকের মন্তব্য
আমার গল্প প্রিয়তে? কি করি আর তোমারে কি বলি। আনন্দে চুপ থাকলাম । একটা
আপাতত। বাকিটা ফিরলেই। ভালো থেকো আপুনি।
নিভৃতে প্রিয়তে নিয়েছিলাম।
প্রিয় চতুর।।
ধীরে ধীরে রক্তের অক্ষরে লিখা এক কঠিন সত্য।
লিখাটা পড়লে কোন এক দুঃখের আঁধার রাত্রির কথা মনে পড়ে যায়, পরক্ষনেই আবার সত্ত্বার নতুন আবির্ভাবের প্রথম সূর্য হাতছানি দেয়।
নূপুরের ধ্বনিতে স্বপ্ন ক্ষয়ে যায়,অরুণের আভা লাগে রক্তাক্ত অনুভূতিতে।
ভালো থাকুন।
লেখকের মন্তব্য
আচ্ছা, কোনটা বেশী সুন্দর? আমার গল্প না আপনার কমেন্ট ? ব্যাপক কনফিউশন
শেষ গল্পটা পড়েছেন ? দূর হতে আমি তারে সাধিব । যখন কিছুই করার থাকবেনা, তখন ই পড়বেন পারলে। আর কমেন্ট ও ।
আপনার ভদ্রতা বোধ মুগ্ধ করলো আমাকে।
আপনার ব্যবহারেও আমি মুগ্ধ হলাম, আপি। মন্তব্য করে আসবো সবগুলাতেই।

আমার মন্তব্য ঘুমে কাতর কোন একতারার পুরনো করুন সুর, আর
আপনার লিখা বসন্ত কানন মাঝে শত শত কোকিলের অধরের মিলিত মধুর মন ভোলানো গান।
কনফিউশন আশা করি দূর হয়েছে।
প্রথমতঃ ছবিটা অফেনসিভ। আমার মত দুর্বল হৃৎপন্ডের পাঠকের জন্যে তো বটেই।
KLIA এয়ারপোর্ট মানে কি কুয়ালালামপুর ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট? ওটা বাংলায় পুরোটা লিখলে পাঠকের জন্যে সুবিধা হতো। পাঠক পাঠকই। এয়ারপোর্টের সংক্ষিপ্ত নাম পাঠকের জানা না-ও থাকতে পারে।
মামুনের এয়ারপোর্টে অবতরণের পর থেকে ধীরে ধীরে পাঠককে আপনি নিয়ে গেছেন অতীতে। এক ঘটনা থেকে আরেক ঘটনায় যাবার সময় ট্রানজিশনটা মোটামুটি ভালোই হয়েছে। তবে তারা কোথায় সংসার সাজিয়েছিলো, সেটা ঝরঝরে পরিষ্কার হয়নি। কিছু অভাব অনটনের কারণে রাত্রির এতো নিষ্প্রভ হয়ে পড়া, দু'জনের মধ্যকার আবেগ-অনুভূতিগুলো এতো দ্রুত হারিয়ে যাওয়া কিছুটা ফ্ল্যাট মনে হয়েছে আমার কাছে। এতো সামান্যতেই এমন?
ক্যাবে চড়ে মামুনের এগিয়ে যাবার মধ্য দিয়ে গল্পের সমাপ্তি টেনেছেন, এক ধরণের রহস্য ও প্রশ্ন থেকে গেছে শেষ অব্দি- এটাই সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে।
ভালো থাকুন। আরো লিখুন। অবিরাম শুভকামনা।
লেখকের মন্তব্য
একটু ভয় পেলাম। আপনার কমেন্ট পড়ে । এই না হলে critic ?
আর ভালো লাগছে এই ভেবে যে অনেক কিছুই যা নিয়ে ভাবিনি তা ভাবছি। আসলেই অনেক কিছুই বাকি রয়ে গেছে জানার, বোঝার । এভাবেই থাকুন ভাইয়া পাশাপাশি, প্লিজ ।
ভবিষ্যতের জন্য মনে নিলাম। পরে এ গল্পটি নিয়ে আবার কাজ করার আশা রাখি।
সুমন ভাই, কিছু জায়গায় ঘোলাটে লেগেছে হয়তো,এটার সাথে কিছুটা একমত।
কিন্তু আমরা কোন গল্পেই একদম তৃপ্ত হতে পারি কি?
আপনার দৃষ্টিভঙ্গি ঠিক আছে। শেষটা আমারও ভালো লেগেছে।
আর আরেকটা কথা, এতো সামান্যতেই এমন? এরকম কিছু একটা বলেছেন।
এটা কিন্তু সম্ভব! আমি মনে করি।
ভালো থাকুন।
লেখকের মন্তব্য
এর চেয়ে আরও কত সামান্যতে উল্টে পাল্টে যায় জীবনের ছক !!! দেখেছি অনেকবার , অনেকভাবে । মেনে নিয়েছি, মনে নিতে পারিনি আজ ও
এটাই আমি কিন্তু বলেছি আমার মন্তব্যে,
,একমত আপনার সাথে। ভালো থাকুন।
মন্তব্য করুন