সাকিবা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

উৎসর্গ: ফজলে হাসান জামি, ঈশান মাহমুদ, আমিন শিমুল, আচার্যদা, নয়ন, উদারাজি ভাই, মেঘ রোদ্দুর এবং চতুরের বাকি সবাই ।
চতুরে আমার বয়স মাত্র ২ সপ্তাহ। ছোটো শিশু, হাঁটতে শেখা হয়নি, বলতে না ভালমতো লিখতে, কিন্তু বুকে জমে গেছে অনেক কথা। এত দ্রুত হয়তো লেখা ঠিকও না। কি বলতে কি বলি। কি বোঝাতে গিয়ে কি বিপদে পড়ে যাই। কিন্তু এই ঝকঝকে কাচা সোনার মত হলদে রঙা বিকেলে ল্যাপটপ হাতে নিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে যখন আমার প্রিয় লেখার জায়গা, ইউনিভার্সিটির মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া চমৎকার লেকটির পাশের ঘাসে ছাওয়া, হাজার ফুলের গন্ধে ভরা, পায়ে চলা পথটির বেঞ্চিতে বসি, দেখি আমার মাথায় কোন গল্প নেই। মেঘ রোদ্দুর, ঈশান ভাই, আচার্যদা বা জামীর কথামত একটা রোদেলা দিনের গল্প লিখতে ভাবলেও বাস্তবে দেখি , আমি এমনকি একটি বিশেষ কোন কেন্দ্রীয় চরিত্র যাকে ঘিরে বিস্তৃত হবে কথকতা, তাও খুঁজে পাচ্ছিনা। তার বদলে অনেক কটা অদেখা মুখ মনের পাতায়। এভাবেই বসে থাকতে একসময় বিকেল গড়িয়ে যায়, সূর্যের গাঢ় সোনালী আলো লালচে আভায় মেখে যায়, দেখি পাহাড় এর পেছনে হারিয়ে যাচ্ছে সূর্য, জ্বলে উঠেছে প্রিয় ক্যাম্পাস জুড়ে লক্ষ আলো। অনেকক’টা হাঁস ভেসে বেড়াচ্ছিল এতক্ষন স্বচ্ছ গহীন জলে, তারাও ফিরবে ঘরে। পাশের মসজিদে শুরু হচ্ছে সান্ধ্য প্রার্থনা। অগত্যা আমি রুমে ফিরি। আমি বুঝে যাই এবার গল্প লেখা কঠিন হবে আমার, আগে আমার আরেকটা গল্প লিখতে হবে। লিখতে হবে আমার গল্প লেখার ইতিবৃত্ত । বলতে হবে কিছু জনের কথা। শুধতে হবে মমতার ঋণ। দেরি হয়তো করা যায়, কিন্তু শঙ্কা জাগে মনের কোথাও। কাল ক্ষেপণ করতে ভয় পাই। জানি এই পৃথিবীর সবি ক্ষণিকের । কে জানে যা জেনেছি তা বদলে যায় কিনা, আমি পর হয়ে যাই কিনা, এই অসম্ভব কঠিন বাস্তবে এখন যা বলছি তা পরে বলার মত মনে হয় কিনা!। তাই ভাবলাম বাদ থাক গল্প আপাতত, আমি গল্পের পিছনের গল্প বলি। কিছু মানুষের কথা বলি। আমি আমার মনের কিছু কথা বলি।
এই লেখাটা হয়ত তেমন ভালো কিছু হবেনা, আমি যখন লিখি খুব ভেবে ভেবে লিখি, চরিত্রের ভেতরে ঢুকে যাই, ছবির মত করে আঁকি মানুষ ও এই পৃথিবীতে তার অসহায়তা, রঙে রাঙিয়ে দেই তাদের ভুবন- মূলত নীল আর কালোতে, আমার লেখায় আমি মিলেমিশে যাই, আমার স্বপ্ন কল্পনা, দুঃখ সব তাতে একাকার হয়ে যায়। কিন্তু এই লেখাটা হয়তো তেমন হবেনা, অগোছালো হবে, কিন্তু আমি তা গুরুত্বপূর্ণ মনে করিনা, কেউ এই লেখাকে ভালো বলবে তাও আশা করিনা, শুধু ভাবি এ আমার নিজস্ব কথকতা, এই লেখায় আমি আছি, আমার আবেগ আছে, আমার প্রিয় কিছু মানুষ আছে, আমার নতুন একটা পরিবারের গল্প আছে। এখানে আমার আমি আছি। এই গল্পে আমার খুব সংবেদনশীল মনটাও আছে। এই অনেক কিছু। আমার একান্ত জস্ব।
এখানে বন্ধু নেই বললে ভুল হবে। মিথ্যা বলা হবে। মালয়েশিয়ার ফিওনা আর পল, কাজাকিস্তান এর কেট , ঘানার পমা, ইংল্যান্ডের সায়মন আর মার্ক। এখানে আছে বিভিন্ন ক্লাব, ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল , তাতে উদ্দাম হৈ চৈ, ট্যুর কিন্তু মন ভরেনা। নিখুঁত ইংরেজি বলতে বলতে অনেক সময় মনে হয় এ যেন কোন অভিনয়, একটু পরেই পড়বে পর্দা, সাঙ্গ হবে এই অর্থহীন মঞ্চনাটক। ইচ্ছে হয় ফিরব ঘরে। জমিয়ে বাংলায় আড্ডা হবে। প্রাণের সাথে প্রাণ মিলে যাবে। কিন্তু তা মেলেনা। দীর্ঘশ্বাস গহীন হয়। এই নিস্তব্ধ নিস্তরঙ্গ জীবনে চতুর হটাত। প্রথমে কুটুম, কারো কারো লেখায় মুগ্ধতা, তারপর একজন হয়ে যাওয়া। কি ভীষণ দ্রুত, আমি বিস্ময়ে দেখি একসাথে অনেক বাংলা লেখা পাচ্ছি, কথা বলতে পারছি বাংলায়। আমি বুঝে যাই সারাজীবন ইংরেজি পড়েও সে আমার কতো দূরের, বাংলাকে আমি কতো ভালবাসি, কি ভীষণ হৃদ্যতার সম্পর্ক তার সাথে আমার, কি দারুণ মায়ার। আমি দ্রুত চতুরের ভালবাসায় পড়ে যাই, এত সহজে প্রেম আমার ধাতে নেই, আমি হয়ত পরিবার বাইরে কাউকে ভালবাসতেই জানিনা, কি এক বাঁধনে বাধা পড়ি আমি তার সাথে। দেখি আমি কত দ্রুত বদলে যাচ্ছি, সারা জীবন সবার কাছ থেকে শোনা চুপচাপ শান্ত আমি কি দ্রুত নিজেকে একজন বাচাল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলছি। বরাবরই সিরিয়াস আমি কেমন ফান করতে শিখছি। আমার পরিবর্তন আমকে আনন্দিত করে। নিজেকে নিজের অচেনা মনে হয়।
এবার আসল কথায় আসি। কয়েকজন বিশেষ চতুরের কথা বলি যাদেরকে চিনেছি এই গত কয়েকটি দিনে। নামগুলো সাজিয়েছি ইংলিশ বর্ণমালার অক্ষর অনুযায়ী। কেউ যেন ভেবে না বসেন প্রিয় চতুরের তালিকা করছি, যার প্রতি বেশি মুগ্ধতা তাকে সামনে এনেছি। প্রথমেই আসে আমিন শিমুল ভাইয়ের নাম। প্রথম থেকে আমার প্রতিটি লেখার সাথে আছেন এই ভাষার জাদুকর। মুগ্ধ হই তার আন্তরিকতায়, অভিভূত হই তার উৎসাহে, নতুন যারা আমরা এই চতুরের চত্বরে, তিনি ভাল হোক খারাপ হোক উৎসাহিত করেন, নিঃশব্দে শিখিয়ে যান ভাল লেখার খুঁটিনাটি, আমরা ভরসা পাই, একটু সাহসী হই, ভাবি খুব একটা খারাপ লিখিনাতো। নতুন লেখায় হাত দেই, পুরানোদের অধিকাংশই যখন নিজের ঘরে বন্দি, সেখানে তিনি নেমে আসেন আমাদের কাতারে, আমি তাকে কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা পাইনা। ভালো থাকুন তিনি । অনুক্ষণ , প্রতি পল।
আচার্যদা আমকে প্রতিনিয়ত আশ্চর্য করে যান। এত মজার একজন মানুষ। আমি যখন ক্লান্ত হই, বিষণ্ণ হই আচার্য দা চলে আসেন। তার কবিতা ভাল লাগে। তার কথা ভালো লাগে, আমার বিষণ্ণতা গুলো তুলার মত উড়ে উড়ে যায় , এই বৃষ্টি ভেজা দিনে রোদেলা দিনের গল্প লিখতে ইচ্ছে করে।
ঈশান মাহমুদ ভাইয়াও খুব প্রিয় হয়ে যান হটাতি। এত দুর্দান্ত তার রম্য রচনা, জীবন খুড়ে পাওয়া কষ্টগুলি কতো সহজে আনন্দে আর মজায় উপস্থাপন করেন, আমি অবাক হয়ে যাই। প্রিয় লেখার সিন্দুকে জমা করি তার লেখা, বারবার পড়ি আর ভাবি, জীবনের জটিলতা গুলোতো আসলে এত জটিল না। তিনি আমাকে নিরন্তর উৎসাহিত করে যান। আমার বিকেলগুলোতে রঙ লাগে, জীবনকে অনেক নির্ভার মনে হয়। আরও বেশী বেশী গল্প লিখতে ইচ্ছে করে।
এবার জামীর কথা বলি। আমার আদরের দুষ্টু মিষ্টি ছোট ভাই। চতুরে পাওয়া। দারুণ মজার এই ভাইটি ঈশান ভাইকে নিয়ে লিখে সাড়া ফেলে দিয়েছে। সে আছে সবসময় সবার পাশে, তার নিজস্ব সমস্যা ছাপিয়ে, সবাইকে আনন্দ দিতে। তার মন আলোয় আলোয় ভরা, সে আমকে সাহস দেয়, ভরসা দেয়। বলে আপু চালিয়ে যান। পাহাড়ে উঠতে হবে, তাহলেই না মেঘ ছুঁতে পারবেন। আমি ভরসা পাই। বন্ধ খাতা বই আবার খুলি। জামিকে ধন্যবাদ দিতে ভুলে যাই, কারন জামি তো ধন্যবাদের কাঙাল নয়। ও চায় সবাই ভালো থাকুক। আমি চাই ও ভাল থাকুক। ওর সমস্ত প্রার্থনা পূর্ণ হোক ।
নয়ন ভাই শুধু আমার না সবার প্রিয় একজন প্রিয় মানুষ । নয়ন ভাই আর জামিকে আমার মনে হয় চতুরের সুপার গ্লু যা ছাড়া আড্ডা জমে না। নয়ন ভাই হয়ত তার প্রিয় কাউকে নিয়ে বা প্রিয় কিছুতে মগ্ন কিন্তু আমদের তাকে ছাড়া চতুর অসহনীয় বোধ হয়, আমাদের ভাবনায় উঠে আসে তার শুভকামনা। প্রার্থনায় মিশে থাকে তার মঙ্গল আকুতি। ভাল থাকুন তিনি। ফিরে আসুন তাড়াতাড়ি।
উদারাজি ভাইয়া কিভাবে বড় ভাইয়া হয়ে গেছেন বুঝতে পারিনি। তার হটাত উপস্থিতি আমাদের আনন্দিত করে, দারুন আড্ডা জমে, কথায় কথা বাড়ে, মনে হয় কবে ফিরব বাড়ি । তার রান্না খাবো , বড় ভাইয়ার মত বলবেন বোন রান্না করতে পারা তো অহংকার এর বেপার। শিখে ফেলুন।
আর জুড়ে গেছে কত নাম। মেঘ রোদ্দুর ভাই আমার অচেনা প্রতিবশী। তার কবিতা মনে রোদ্দুর আনে । আইটি মানবের মনের বসন্ত বাতাস ফুরায়না, ফুরায়না তার অসম্ভব সুন্দর কবিতার ঝুড়ি। আমি তার কবিতার ভক্ত হয়ে যাই।
নিরন্তর ভালবাসা আর শ্রদ্ধায় আরও কিছু নাম বলছি, চতুরের হুদা ভাই, শিপন ভাই, জলরঙ, সুরঞ্জনা, নম্রতা, নুশেরাপুর মত দুর্দান্ত লেখকদের যারা পাশে আছেন। তাদেরকে জানতে ইচ্ছে করে । তাদের লেখা পড়ছি, তাদেরকে জানছি। শিখছি অনেক।
বৃষ্টি নেমেছে মালেয়শিয়ার আকাশ জুড়ে। আমি বসে আছি এক কাপ কফি আর প্রিয় ল্যাপটপ নিয়ে। নাইবা পেলাম আর কিছু, নাইবা হল সবার কাছাকাছি যাওয়া। যা পেয়েছি তাতেই আমি আনন্দিত। একা নই আমি আর। বিষণ্ণ নই।
চতুর পরিবারের সবার প্রতি আবার আমার অশেষ কৃতজ্ঞতা রইলো।
(শেষ কথাঃ এই লেখায় যারা নেই যাদেরকে এই মাত্র ২ সপ্তাহে জেনে উঠেতে পারিনি, তাদেরকে বলছি, চতুরের সবাই ভাল থাকুন, সবার প্রতি আমার নিরন্তর শুভকামনা। )
মন্তব্য
মেয়ে , খুব মিষ্টি করে লিখেছেন , চতুর আমারো প্রিয় প্রাঙ্গন। দেখা হবে , কথা হবে বন্ধু।
লেখকের মন্তব্য
ভালো লাগলো

লেখকের মন্তব্য
kothay amar priyo chatur ra?
আমরা সবাই চলে এসেছি, এখনি কমেন্ট দিচ্ছি...
লেখকের মন্তব্য
বেশি জানা হয়নি, তাই বেশি লিখতে পারিনি
বলা হয়নি যদিও, চতুর পরিবারে কিন্তু আপনিও আমার একজন প্রিয় সদস্য।
আপনার লেখার ভীষণ ভক্ত আমি..
লেখকের মন্তব্য
নাম নাই। খেলুম না!
বাংলা ফিল্মের প্রচারণার মতো, অভিনয় করেছেন অমুক, অমুক, অমুক... এবং আরো অনেকে। এই আরো অনেকের কাতারে আমরা!
লেখকের মন্তব্য
kheletei hobe, tahole porer poste apni ekdom shamne, ki bolen?
ঠিকাছে, ঠিকাছে; ওইটা কথার কথা!
দুই সপ্তাহেই চতুরকে বেশ আপন করে নিয়েছেন। আশাকরি এই আপনতা আরো মজবুত হবে। ওখানে ভালো থাকুন; এখানে ভালো থাকুন। শুভকামনা সবসময়।
লেখকের মন্তব্য
ভালো লাগলো।
আপু,
অপেক্ষা কি আসলেই মধুর, না তেতো?
লেখকের মন্তব্য
ভয়াবহ

স্ট্যাটাসটা কি চোখে পড়েছে?
লেখকের মন্তব্য
তুমি স্ট্যাটাসটা দেখ।
সামনে আমরা আপনার গল্প পড়ার অপেক্ষায়
হাফিজ ভাই, এই মন্তব্যটা আপনার ১০০ তম মন্তব্য।
১ বছর ২৬ সপ্তাহ কেটে গেলো, আপনার লিখা নেই কেনো?
হাফিজ ভ্রাতা একটা পরতিভা, জামি। ভ্রাতার পরতিভা খুইলা গ্যাছে।
লেখকের মন্তব্য
৪ টা গল্প লিখেছি কিন্তু,

দুই সপ্তাহেই এত? আমার তো প্রথম দুই সপ্তায় সবার সাথে সেরকম পরিচয় বা সখ্যতা-ও তৈরী হয় নাই! যাক, বুঝলাম, আমরা আগামীতে একজন মহা-বাচালিনী পাইতে যাচ্ছি।
অনেক অনেক ভাল থাকুন।
শব্দ ভাই, উনি ইতিমধ্যেই বাচালিনী
[বিগত ৭ দিনের] বাচালশ্রেষ্ঠ
ফজলে হাসান জামি ( ৫০৫)
নয়ন ( ৩৩০)
আচার্য ( ২৫৯)
সাকিবা ফেরদৌসী ( ২৩৭)
ঈশান মাহমুদ ( ১৮৯)
নাজমুল হুদা ( ১৭৮)
তন্ময় ( ১৬২)
হা হা হা! ফয়সল ভাইয়া, আপনি সবসময়ে এত মজা করে কথা বলেন কিভাবে?
লেখকের মন্তব্য
বুঝছি , এইবার আপুর দৃষ্টি আকর্ষন করতে হবে ! দেখি কি ভাবে করা যায়
যাঁদের নামে উৎসর্গ করেছেন তাঁরা সত্যিই উৎসর্গের যোগ্য । আমিও তাঁদের মাঝে মাঝে উৎসর্গ করি 

ভাল লিখেছেন আপু
আপনাকেও করব আমার আগামী ২য় পোস্ট
আগামী ২য় পোস্ট
তন্ময় ভাই এই কথাটার মানে একটু বুঝিয়ে দিবেন প্লীজ।
যখন আগামী ২য় পোস্ট পাবে তখন দেখলেই বুঝে যাবেন

লেখকের মন্তব্য
অনেক খুশি হলাম তন্ময় ভাই । আমি কিন্তু আপনার ফান পোস্ট এর দারুন ভক্ত।
তাই নাকি
জেনে পুলক বোধ করে পুলকিত হলাম

হুম ভালো। আপনার লেখার হাত অনেক ভালো।
পরিচয় হবে হয়ে যাবে আছি সাথে পাশে পাশে।
ধন্যবাদ আপু।
লেখকের মন্তব্য
অনেক ভাল লাগলো ভাইয়া।
স্বাগতম জানাচ্ছি আরও একবার...সকাল থেকেই ভাবছিলাম কোথায় হারিয়ে গেলেন।
আমার কবিতা যদি একটুকুও রোদ এনে থাকে তাহলেই আমার লেখার সার্থকতা... অনেক বেশি ভাললাগলো আপনার অনুভূতি জেনে। 
আপনার প্রিয় চতুর পরিবারের একজন প্রিয় সদস্য হয়েছি জেনে খুবই খুশি হলাম। আমাদের চতুর পরিবার দীর্ঘজীবী হোক, এই কামনা করছি।
সত্যি আপনার মনোমুগ্ধকর লেখাটা একটানে পড়ে শেষ করলাম। খুব সুন্দর করে লিখেছেন। আপনার ক্যাম্পাস এর জায়গাটা দৃশ্যায়ন করতে পারছি আপনার লেখা পড়ে। চমৎকার বর্ণনা দিয়েছেন। আর আসলে কেএল এ বসে এই বৃষ্টি খুব উপভোগ করছি, কাজের শত চাপের মাঝেও। গতকাল তো রোদের চেহারারাই দেখা যায়নি। আর তার আগের কয়েকদিন কি ভীষণ গরম গেল। সব মিলিয়ে আজকের বৃষ্টি নতুন একটা লেখার দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছিলো।
আমার কিছু কথাও আপনার এই পোস্টের মাঝেই বলে দিতে চাই, জানিনা ক্ষণিকের এই জীবনে, কখনো বলা হয় কিনা, আর কোনোদিন লিখতে পারি কিনা।
কাজের পাশে পাশে চতুরে ঢু মারাটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে এই কয় দিনেই। চতুরের পোস্ট, মজার আড্ডা, সবার সাবলীলতা সব কিছুর একটা টানে পড়ে গেছি। আসলে, চতুরে আমিও খুব বেশী পুরনো নই। যাদের নাম উল্লেখ করলেন (আমি বাদে) তারা সবাই চতুরে আমারও খুবই প্রিয়জন হয়েছেন ইতিমধ্যেই। একটু একটু করে চতুর পরিবারের অংশ হচ্ছি, সবাই খুবই আন্তরিকতার সাথে আপন করে নিচ্ছে, আমার লেখাগুলোকে গ্রহণ করছে। খুব বেশি ভাললাগে যখন আমার লেখা গুলো কারো ভালো লাগে, যখন কেও মন্তব্য দেয়। চতুরে সবার একটা করে বড় বড় ধন্যবাদ প্রাপ্য, নিঃসন্দেহে।
আপনার অনবদ্য লেখাটা খুব খুব খুব ভালো লাগলো। আপনি অনুমতি দিলে আমিও আপনার সাথে একই কথা বাকি সবার উদ্দেশ্যেও বলতে চাই, আর আপনার উদ্দেশ্যেও। অসাধারণ বর্ণনাময় লেখাগুলো চালিয়ে যান, মনের খোরাক জোগান, আর সবসময় অনেক ভালো থাকেন এই কামনা করছি... শুভেচ্ছা ও শুভকামনা...
লেখকের মন্তব্য
আপনি না বললে এই লেখাটা হতোনা । আপনি সেদিন বলেছিলেন একটা রোদেলা দিনের গল্প বলতে। তাই বসেছিলাম লিখতে।
আপনি ভালো থাকুন। আরও বেশি বেশি লিখুন।
বলার কিছু নাই, কি লিখব ভাবছি!

আলুর চপ।
সাহাদাত উদরাজী ভাই, আপনার সাথে সরাসরি কথা না হলেও আপনার পোস্টের কুটুম পাঠক আমি। আপনার রান্নার পোস্টগুলা অ সা ধা র ন...

আলুর চপ আপনার বানানো নিশ্চয়ই...
টমাটুর সস কোথায়?

লেখকের মন্তব্য
ঠিক বলেছেন।

লেখকের মন্তব্য
দাদা শুধু আলুর চপে হবেনা। আরও কিছু, মিষ্টি জাতীয় কিছু নাই?
আমার পোস্টে মিষ্টি দিছিলাম, না কাইয়া চলে আসছেন। আর এইখানে আইসা মিষ্টি মিষ্টি কইরা কাঁদেন!! হায়রে কি দুনিয়া!!


-------
একটা স্ট্যাটাস আছে।
লেখকের মন্তব্য
আমিতো দেখি নাই । আগে বল্বা না ?
ভাই , আলুর চপের সাথে আপনের ছবি দিলেন না কেন ?? আপনারেও খাইতাম !!

মিঞা আপনে খালি জ্বিভে জল আনানোর কাম করেন !!
লেখকের মন্তব্য
উদারাজি ভাইয়া আপনি কই ? দেখেন তন্ময় ভাই কি বলে ।
তন্ময় ভায়াকে জাপানি ফুড খাওয়াতে হবে!

কবে খাওয়াবেন ভাই ???

চমৎকার পোস্টটির জন্য আপনাকে অভিনন্দন, প্রিয় সাকিবা! যাদের নামোল্লেখ করলেন, তাঁরা আমারও খুব প্রিয় চতুর!
দারুণ লাগলো আপনার পোস্ট। অনেক ভালবাসা!
লেখকের মন্তব্য
আপু আপনাকে পোস্ট এ পেয়ে অনেক ভাল লাগলো । পাশে থাকবেন এভাবে। অনেক খুশি হব।
দু দিন ব্লগেই ঢুকেই বুঝেছি, আপনি মাত্র দুই সপ্তাহে সবাইকে কত আপন করে নিয়েছেন।
লেখায় কতটা যাদু আপনার আছে---- এসব দেখলে খুব ঈর্ষা হয়---নিজের সীমাবদ্ধতা মনে পড়ে যায়।
এই ঈর্ষা করেও সুখ।
অনেক অনেক ভালো থাকুন।
লেখকের মন্তব্য
আপনি কিন্তু অসম্ভব ভাল লিখেন। লাস্ট পোস্ট টা অনেক দারুন। পড়ার চাপ থাকায় সবার ব্লগে ঢোকা হয়না।
দোয়া করবেন।
অংশগ্রহন করলাম। শুভকামনা।
লেখকের মন্তব্য
Thanks.

অনেক দেরী করে ফেললাম। সারাদিন চতুরে আসা হয়নি। সামাজিকতা রক্ষায় ব্যস্ত থাকতে হয়েছে। খুব ভাল লাগছে পোস্টটা পড়ে। শুধু আপনার প্রিয় চতুরদের মধ্যে আমার নামটা আছে সেজন্যে নয় আমি আগেও বলেছি আপনার লেখার ধরনটা সত্যিই চমকপ্রদ। আর এই কথাগুলো আমার সাথেও ভীষণ মিলে যায়- "আমি দ্রুত চতুরের ভালবাসায় পড়ে যাই, এত সহজে প্রেম আমার ধাতে নেই, আমি হয়ত পরিবার বাইরে কাউকে ভালবাসতেই জানিনা, কি এক বাঁধনে বাধা পড়ি আমি তার সাথে। দেখি আমি কত দ্রুত বদলে যাচ্ছি, সারা জীবন সবার কাছ থেকে শোনা চুপচাপ শান্ত আমি কি দ্রুত নিজেকে একজন বাচাল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলছি। বরাবরই সিরিয়াস আমি কেমন ফান করতে শিখছি। আমার পরিবর্তন আমকে আনন্দিত করে। নিজেকে নিজের অচেনা মনে হয়।"
লেখকের মন্তব্য
আপনি আসলেই আমার অনেক প্রিয়, আবারো বলছি।
লেখকের মন্তব্য
আপ্নিও । আমার পোস্টে প্রথম এলেন। ধন্যবাদ ।
প্রবাসে ভাল থাকুন সবসময়।
চতুর্মাত্রিকে এসে এই শান্ত-শিষ্ট মেয়েটা কেমন চতুর হয়ে উঠেছে! হয়েছে বাচালও!! কী সুন্দর করে তার মনের কথাগুলোকে সবার সামনে অবলীলায় মার্জিত ভাবে প্রকাশ করেছে!! অন্যদের যে প্রিয় ভাবে, নিজের প্রিয় করে নিতে পারে এত সহজে, সে সবার প্রিয় হয়ে ওঠে অচিরেই। এর একেবারে চাক্ষুষ দৃষ্টান্ত এই মেয়েটি, সাকিবা ফেরদৌসী।
পোস্টের শেষ দিকে এসে আমার নিজের নামটা দেখে একটু অবাকই হয়েছি, সাকিবার ভালো লাগাদের দলে থাকবার মত তেমন কোন কিছুই করেছি বলে মনে পড়ে না! আমাকে স্মরণ করার জন্য ধন্যবাদ।
অনেক শুভ কামনা।
লেখকের মন্তব্য
দাদা,আপনি কত ভালো তা সবাই জানে। আমিতো জানলাম অনেক পরে। ভালো থাকবেন।
লেখকের মন্তব্য
আপনার মন্তব্য টা পড়ে ভালো লাগায় মন আর চোখ দুই ই ভিজে গেল।
চোখ মোছার জন্য টিস্যু দিতে পারি কিন্তু মন মোছার জন্য কি দেওয়া যায় বুঝতে পারছি না!
আমার পোস্টে মিষ্টি দিছিলাম, না কাইয়া চলে আসছেন। আর এইখানে আইসা মিষ্টি মিষ্টি কইরা কাঁদেন!! হায়রে কি দুনিয়া!!


-------
একটা স্ট্যাটাস আছে।
কোনটা? ঐ চিনিবিহীন মিষ্টি?
লেখকের মন্তব্য
চিনিবিহীন মিষ্টি : দাদা ঘটনা কি ?
আপনার ছোট ভাই জামি তার শেষ পোস্টে চিনিবিহীন মিষ্টি দিসিলো। আপনি গেলে দেখতে পাবেন।
লেখকের মন্তব্য
তাই নাকি !!!!!!
শেষ পোস্ট মানে ?? জামি ভাই কি আর পোস্ট দিবে না ??

লেখকের মন্তব্য
পোস্ট দিবে না মানে? ওর ঘাড়ে কয়টা মাথা?
শেষ পোস্ট মানে এই পর্যন্ত শেষ পোস্ট। পরের পোস্ট না দেওযা পর্যন্ত তো এটাই শেষ, তাই না?
লেখকের মন্তব্য
জামি তুমি না আমার ভাই? আসল রসালো মিষ্টি নিয়ে চলে আসো । নাহলে খবর আছে।
আমি কাচাগোল্লা ছানা খাবো

কাচা গোল্লা ছানা একসাথে দেওয়া গেল না। প্রথমে দিলাম গোল্লা (জাভেদ ওমর বেলিম)। নিজ দায়িত্বে কেচে নিন। তারপর দিলাম ছানা(মুরগীর)। নিজ দায়িত্বে খেয়ে নিন।
লেখকের মন্তব্য
লেখকের মন্তব্য
আমিও । কতদিন খাইনা।
আপনার পছন্দের সাদা মিষ্টি আপু
একেবারে ময়দার মত সাদা।
লেখকের মন্তব্য
লেখকের মন্তব্য
এই লেখা যাদের উৎসর্গ করলাম, সবার উচিত আমারে কিছু খাওয়ানো ।
কি দুনিয়া!!!! সবাই এতো নিষ্ঠুর কেন ?
আগামী এক মাসের জন্য আপনাকে ধইন্না সাপ্লাই দিলাম এই লেখা আমাকেও উৎসর্গ করায়।

ভাই কি ধইন্যাপাতার চাষ শুরু করছেন নাকি?

না চাষ করি নাই। আমাকে যারা যারা ধইন্নাপাতা দিয়েছিল সব জমা কইরা রাখছিলাম আর কি।
সাকিবা, আচার্যদার ধনে পাতা গুলো একটি বাটিতে নিন। তারপর পোড়া মরিচ, পেঁয়াজ আর লবন দিয়ে…।
লেখকের মন্তব্য
তারপর?
লেখকের মন্তব্য
পুরা ফাঁকি দিলেন দাদা?
খাওয়া কই ?
না না। ছি ছি। ফাঁকি দেওয়া চলবে না কিছুতেই। হুদা ভাইয়ের দেওয়া মিষ্টি শেষ করেন তারপরে আমিও কিছু নিয়ে আসব।
বেশী ধনিয়া পাতা হয়ে গেছে!
আচার্য ভাই, আমাকে মাঝে মাঝে আমাকেও ধন্যেপাতা সাপ্লাই দিয়েন , ধন্যেপাতার ভর্তা আমার অতি প্রিয়
ভর্তা মাখানো ভাতের প্রতি লোকমার সাথে সামান্য লবণের ছিটা স্বাদ আরও বাড়িয়ে দেয় 
ওরে! কে কোথায়? শাইখ আঙ্খলকে খবর দিতে হবে - কি বিশাল ধইন্যা ক্ষেত!
চলবে।।।।।
আক্টোপাসের আইটেম চলবে। মিষ্টি ভাল নয়!

লেখকের মন্তব্য
দাদা ছবি টা আসে নাই কিন্তু
অনেক ভেবে পোষ্টের মর্মকথা বের করলাম!
"ভালবাসা পেতে আগে ভালবাসা দিতে হয়"
লেখকের মন্তব্য
খুব ভালো লাগলো কথাটা ।
সবাই দেখি মিষ্টির ভক্ত। আমিই খাওয়াই তা'হলে! বেশি তো নেই, ভাগাভাগি করে খেয়ে নাও সকলে মিলেমিশে। মিষ্টি নয় শুধু, সাথে দইও আছে!!
লেখকের মন্তব্য
ভাইরা আপুরা সবাই আসেন
মিষ্টি নয় শুধু, সাথে দই ।
অনেক ধন্যবাদ দাদা

কাউরে দিমু না


সবগুলা আমি খামু
হুম, এটাই আপনার বিশেষত্ব। তুলির আচঁড়ে মানুষের অবয়ব আঁকা যায়, কিন্তু শব্দের বুননে মানুষের চরিত্রের ছবি আঁকা খুবই কঠিন কাজ। এ জিনিসটি সবাই পারফেক্ট ভাবে করতে পারে না, আপনি পারেন। আমার ধারনা মানুষকে আপনি খুব সুক্ষ ভাবে পর্যবেক্ষন করেন। আর সেই পর্যবেক্ষনই সুন্দর ভাবে প্রতিফলিত হয় আপনার লেখায়। সাকিবা প্রত্যাশা করি, আপনার লেখনি যেন কখনোই না থামে।
চতুর্মাত্রিক সত্যি একটি পরিবার। এখানে সবাই অদৃশ্য এক আত্মিক বন্ধনে আবদ্ধ। এই বন্ধন ভালোবাসার, আন্তরিকতার এবং সহমর্মিতার। সারাদিনের নানা সমস্যা-সংকট অতিক্রম করে যখন চতুরে এসে বসি, এক নিমিষেই মন ভালো হয়ে যায়। তাই ইদানীং আমার অবসর মুহূর্ত গুলোর অনেকটাই চতুর কেড়ে নিচ্ছে। সত্যি চতুর ধীরে ধীরে যেন আমার দ্বিতীয় বসতি হয়ে উঠছে। সাকিবা, চতুর এবং চতুরের মানুষগুলো খুব অল্প সময়ের মধ্যে আপনাকেও আবিষ্ট করেছে জেনে ভালো লাগলো। ভালো থাকুন এবং চতুরের সঙ্গেই থাকুন। শুভেচ্ছা নিরন্তর।

লেখকের মন্তব্য
এতো পরে আসলেন!!!
এখন তো আমরা আপনাকে বেঁধে রাখবো । জামি দড়ি আছে?
নেন আপু
লেখকের মন্তব্য
ঈশান ভাই ভয় পাচ্ছে জামি ।।।।
দেখেন উনি না আবার দা নিয়ে আসেন।
লেখকের মন্তব্য
নয়ন ভাই কই ? দেখছিনা কেন? আমাদের দল ভারী হতো ।
লক্ষীচাঁদ নয়ন ভাই মনে হয় চাঁদপুর গেছেন।
অসুবিধা নাই, নয়নের প্রক্সি দেয়ার জন্য আমি ভূঁড়ি চাগায়া হাজির!
আপ্নের জন্য কাবার আন্তে গেছিলাম সেই পুরান ঢাকায়, তাই দেরী হইছে। এই নেন গরম গরম কাবাব। আপনি একা খাবেন। অবশ্য আপনি খাবার পর বাকিটা অন্যদের দিতে পারেন। তবে দঁড়িওয়ালা জামি ভাইকে দেবেন শুধু হাড্ডি।
লেখকের মন্তব্য
এই নিন শিক কাবাব । এবার কান্দাকাটি থামান।
লেখকের মন্তব্য
ঈমা ভাইতো কাবাব আনতে গিয়া নিজেই কাবার করে দিলেন।
আরে এই দড়িতে হবে না। আমি আনছি আসল দড়ি।
দাদা দঁড়ি আন্ছেন একটা, মানুষ আমরা দুজন, আপনি সিনিয়র মানুষ, তাই আপনিই আগে…..।
ঈমা ভাই, আমি সিনিয়র হইলাম কোন দুঃখে!

আর সাকিবা আপা দড়ি আনতে বলছে আমি একটা দড়ি আনছি। এখন উনিই জানেন এই দড়ি দিয়া কারে বানবে (মানে কার গলায় পরাবে আর কি)।
দড়ি দিয়ে বাধার আগে আপনাদের জন্য, শক্তি যোগাবে।।।

মেক্সিকোর সেরা খাবার। জরিপে প্রথম স্থানে আছে!
লেখকের মন্তব্য
দাদা শিক কাবাব দেন। এখানে নাই। আছে সাতে (sate) । মিষ্টি কাবাব । এত খারাপ।
shik kabab khaite mon chay.
হা হা হা দোস্ত তুমি একখান দারুন কাজ করছো। এই জিনিস জামি ভাইকে দাও, উনি নাকি চিকা ফ্রাই দারুন পছন্দ করেন।
ওটা ছিল সিষ্টার সাকিবার জন্য! হা হা হা।।।

জামি ভাইয়ের জন্য, এই নাও!
ঘোড়া মাছ ফ্রাই!
দোস্ত উদরাজী, এই জন্যই বলি, তোমার দিন দিন এতো নাদুস নুদুস হওয়ার রহস্য কি !
লেখকের মন্তব্য
ঈশান খাবে! আমি রোজ খাই!

স্নেক ফ্রাই!
তোমার খাওয়া জিনিস আমি ক্যাম্নে খাই দোস্ত ! নো থ্যাংকস্।
ছিহ! রান্নাতো ভাই! এইগুলা কিসব দিচ্ছেন? আমার তো গা ঘিন ঘিন করছে!
হা হা হা।।।।।।।। গা ঘিন ঘিন ব্যাপার না! ভমি করে না ভাসালেই হবে!
লেখকের মন্তব্য
জামি ভাই, সাকিবা আমাকে বিনি সূতার বন্ধনে বাঁধতে বলেছে, আর আপ্নি নিয়া আসলেন দঁড়ি !

ভাই আমি না হয় দড়ি আনছি। কিন্তু দাদা যে ফাসির দড়ি নিয়া আসছে ঐটা কিছু হইবোনা?

আপু, মেইলের উত্তরটা কৈ?

লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ প্রিয় আপু।
১০০ আমার
লেখকের মন্তব্য
ছোট ভাইয়াকে।
আস সালামু আলাইকুম।
আমার নিক শাওন৩৫০৪।
আমি একজন বিশিষ্ট ব্লগার এবং স্বনামধন্য লেখক ইত্যাদি ইত্যাদি।
আমার সাথে আপনাকে পরিচিত কর্তে পেরে আমি খুশি হলাম।
লেখকের মন্তব্য
পরের লেখায় আপনাকে প্রিয় চতুরে নিলাম , ঠিক আছে

ঠিকাছে, মিলাদ দিয়া নিয়েন, জিলাপি খামু।
লেখকের মন্তব্য
এই দেশে জিলাপি কই পাবো ?
জিলাপি আমার খুব ভালো লাগে। শাওন ভাইকে দিন আপু
লেখকের মন্তব্য
দিলাম।
এই পোস্টে যে কমেন্টের ঝড় উঠবে তা আগেই বুঝেছিলাম...

আমার অনুভূতি আবারো না লিখে পারলামনা। সবাই যেভাবে মিষ্টি, দই, জিলাপি দেয়া শুরু করেছেন, তাতে এখানে থাকা দায় হয়ে যাচ্ছে, কবে যাবো দেশে...?!
লেখকের মন্তব্য
ঈশান ভাই, ভাবির কি হবে?
সাকিবা, সে আমার পাশেই আছে। আজীবন পাশেই থাকবে। হঠাৎ তার জন্য উৎকন্ঠা কেন !
লেখকের মন্তব্য
আচার্যদার দড়ি দেখে চিন্তায় পড়েছিলাম।
সাকিবা কথাটা কিন্তু মোটেও অতিরন্জিত নয়।
দেরি করে ফেললাম। মনে হয়।
বেশ ব্যস্ততারকারণেই চতুরে ঢুকা হচ্ছে না। সাথে পিসির সমস্যা। বেশি কমেন্টওয়ালা পোস্টে পেজ লোড হয় না।
উৎসর্গ লিস্টে আমামর নাম দেখে ভালো লাগলো অনেক। তবে আমার নামের পাশে যেসব বিশেষণ দেয়া হলো এগুলো একটু বেশিই হয়ে গেছে।
চতুর একটি পরিবার। সাথে থাকুন। অনেকের সাথে আপনার পরিচয় হয়নি হয়তো। তবে সময়ের সাথে সাথে হয়ে যাবে। যাদের নাম নিয়েছেন (আমি ছাড়া) সবাই খুবই শ্রদ্ধার যোগ্য এবং (আমি সহ) সবাই আন্তরিক।
আপনি তো রকেটের গতিতে যাচ্ছেন দুই সপ্তাহে চার পোস্ট!!! চার পোস্ট দিতে আমার এক বছর লাগছে!!!
যা হোক চতুরের সাথেই থাকুন।
ধন্যবাদ।
কমেন্টের তোড়ে ভাসতে ভাসতে হারিয়ে যাচ্ছিলাম আর কি!
ভালো থাকুন সাকিবা।
সাকিবা চলেন তর্কাতর্কি করি। এমনেই ইতিমইধ্যে আমার নাম হয়ে গেছে ফাইটার। ব্যাপার্না। ফাইটার যেহেতু হইয়াই গেছি, মুখ লুকাইয়া লাভ কি!
ঘটনা হইলো, এই পোষ্টের আগে আপনার দুইটা গল্প আছে মনে হয়। সেই সাথে পয়লাডা (এইডাতে আমার কমেন্ট আছে, তাই, বাদ দিয়া কইলাম, আর কী)। তাই পোষ্ট সংখ্যা দাঁড়ায় ৪ডা। এর মধ্যে মনে হয় ৩ডা ই গল্প। তো কথা হইলো, সকল পোষ্টকে আলুছানা (আলোচনা) পোষ্ট বানাই ফেললে নির্দিষ্ট কয়েকজন ছাড়া অন্যরা যাওয়ার ইন্টেরেস্ট হারায় যাওয়ার একটা সমভাবনা লুকাইয়া থাকতে পারে। মানে আলোচনা/আড্ডা পোষ্টে আলোচনা ঠিকাছে, কিন্তু গল্প/কবিতা যদি আড্ডা ট্যাগ না হয়, সেডা আড্ডা পোষ্ট না হওয়াই ভাল।
ধরেন, কেউ কোন কমেন্ট দিল, উক্ত গল্পের সঙ্গে অনীল সাঙ্গোপাধ্যায় এর এই এই লাইনে মিল পাওয়া যায়, অতএব আপনের গল্প কমিক হইছে, নকল। ভাল হয় নাই। (এডা একটা গঠনমূলক কমেন্ট)। আর তার ঠিক নিচেত্তে শুরু হইলো, আজকে আমার ক্ষেতের পেয়াঁজ পাতায় ইন্দুরে আক্রমন করছে। এখন এডা ইন্দুর/বিলাই/খরগোশ কর্তে কর্তে ধরেন, কোন জেলায় কি ইন্দুর, ইন্দুরের কি রঙ, কয়ডা কান, নাক-----------------------------------------------কমেন্ট নামতে নামতে ধরেন বেইসমেন্ট পার হয়ে বাড়ীর পাশের খাল ধইরা আগাইতে থাকলো। তো, ঘটনাটা হইলো, এই আলোচনা ঠিক আছে, এক/দুই কিংবা আড্ডা পোষ্টের জন্য। কারন, ইনদুর আলোচনা দর্কার আছে, তাই বলে প্রতিদিন কিন্তু ইন্দুর মারা ঠিক হইবো? তারপর ধরেন, আপনি একটা সিরিয়াস, বিয়োগান্তক পোষ্ট দিলেন, সেখানে গিয়া কেউ একজন একটা হাসির ইমো, বা, নাচানাচির ইমো দিয়া কমেন্ট দেয়া শুরু করলো। হয়তো আপনার চেনাজানা তাই হয়ত আপনি কিছু মনে করলেন না। কিন্তু সেডা ওভারল পোষ্টের থিমের সাথে বেমানান লাগে আর কী!
এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, আর এক বছর দুই বছর বইলা কোনু কতা নাই। কমেন্টে রাগ লাগলে ডাইরেক্ট একষন শুরু করেন। হেইয়ো!
======================
@ অন্যান্য: আমার এই মতের সাথে দ্বিমত থাকলে (মানে আমার ব্লগ আমি লিখমু, যেডা খুশি হেইডা করমু, আপনের হিংসা লাগলে পিছাইয়া থাকেন) আপনারাও জানাতে পারেন। কারন আমার মনে হয় এগুলো তো আর নিয়মাবলী দিয়ে বাঁধার জিনিস না। নিজ থেকে বুঝার ব্যাপার। এরকম আরো কিছু থাকলে যোগ করতে পারেন, যাতে নতুনদের আসলেই হেল্প হয়।
--------------------
শেষমেষ, টাকা পয়সা ছাড়া পরামর্শ দেয়া ঠিক না। আগের টেকাও পরিশোধ করেন নাই।
লেখকের মন্তব্য
দাদা আপনি এতদিন কোথায় ছিলেন?????
রিঙ্গিট খরচ করে এখানে আসেন। সব দেনা পাওনার হিশাব হবে।
সাথে গিফট । ভাইয়া বলে কথা।
ধুত! পুরা কমেন্টই লস। টেকা ডাবল।
লেখকের মন্তব্য
কেন? কি হলো ?
আমার গ্যালারির টিকেটের খরচাও লস।
পুরা ধরা!!
পদম ভাই (মতান্তরে আফু) দেখি পুরা ধরা'র উপ্রে আছেন! কয়দিন আগে ডিটেক্টিভ প্রজেক্টে লস খাইলেন, অক্ষণ এ্যাডভাইজরি বোর্ডেও ধরা! ভাইজান কি ডেসটিনি কত্তেন নি???
সাকিবা আপু, নাহ কিছু হয় নাই। দেখেন না, দুষ্ট ব্লগাপাইন ক্যাম্নে আমারে উস্কানী দিতেছে, আমি সব সময় ভালু। রুটি নিয়া ছানাছানি করলেও চেতি না।
---------------------
শিমুল ভাই: কার্তে টিকেট কিনলেন? কমিশন পাই নাই।
বিলাই দা: রিপোর্টে রেজাল্ট ভাল আসছে। রুটি বানাইতে বানাইতে ডাক্তার সাব নিজে দেইখা দিছে।
শব্দপান্ডব: এরপরে আপনের উপ্রে প্রজেক্ট চালানো হবে। এডা সাকসেসফুল করার জন্য ছারখার রকমের টার্গেট আছে।
অ! এইবার বুচ্চি! ইহান থিক্কা প্ল্যান কইরা বিলাইদার কান্ধে বন্দুক রাইখ্যা আমার দিকে তাক কর্সেন? ঠিকাছে, দেখুম নে, কত ধানে কত চাল, কত চালে কত রসমালাই! হুহ!!!
ভ্যাইয়াআআআআ, দারুণ তর্কাতর্কি শুরু করছেন দেখি।
আমি গ্যালারিতে বসলাম।
তর্ক শেষে বইলেন কে জিতলো।
আমি তার দলে।
লেখকের মন্তব্য
আমি তো ভয় পাচ্ছি। কি করি ?
কমেন্ট রিপোর্ট কর্লাম আপনের।
রিপোর্টে রেজাল্ট ত ফাটাফাটি রকমের ভাল আসছে।
গোল্ডেন এ প্লাস!
পদম আপা, আপনার কমেন্ট পছন্দ হৈসে।
লেখকের মন্তব্য
আপনি আমার ব্লগে?
হে হে, কোনডা, পইলা ডা না ২ নম্বরডা?

লেখকের মন্তব্য
মেঘাপু, এতদিনে আমার পোস্টে এলেন। অনেক ধন্যবাদ প্রিয় আপুকে।
খুব সুন্দর, মায়া-মমতার পরশ মাখিয়ে লিখেছ সাকিবা। তুমি তো অনেক ভালো লিখতে পারো! গল্প লেখা শুরু করে দাও। চতুর এমনি এক পরিবার যে পরিবারের মায়া কাটানো বড়ই কঠিন। এই যে দেখনা আমি মাথা ব্যাথা নিয়েও একবার হলেও চতুরে ঢু না দিয়ে পারিনা।
অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো।
লেখকের মন্তব্য
গল্প আছে তো আপু। একটু দেখবেন টাইম পেলে।
অনেক ধন্যবাদ ।
আপনার লেখা এই প্রথম পড়লাম। খুবই গোছালো এবং আবেগময় লেখা।
খুব ভালো লাগলো।
অটঃ পোস্টে কিন্তু আমার নাম নাই, এর মানে বুঝছেন তো? সাবধানে থাইকেন---
লেখকের মন্তব্য
দাদা , চোখ টা বন্ধ করেন। আপনার নাম ঢুকিয়ে দেই।

আপনার গত পোস্টে আমার কমেন্টের উত্তরে আপনি মন খারাপের ইমু দিয়েছিলেন, তখনি বুঝছিলাম আমার কমেন্ট আপনার আশাতীত হয়নি! তাই ঠিক করেছিলাম আপনার পোস্ট পড়ব কিন্তু আর কমেন্ট করব না ! কারন খামোকা একজনের মন খারাপ করে দেয়ার মানে হয় না! কিন্তূ এই পোস্ট পড়ে কেন কমেন্ট করলাম সেটা বলি, আমি যখন ব্লগিং শুরু করি, শুরুর কিছুদিনের মধ্যে ঠিক এরকম একটা পোষ্ট আমিও দিয়েছিলাম! আপনার পোস্ট পড়ে আমার সেই পোস্টের কথা মনে পড়ে গেল !
শিমুল ভাইয়ের গল্প আমারও ভাল লাগে! নয়ন আর উদরাজি ভাই দারুণ ফেন্ডলি মানুষ। আর বাকিদের তেমন জানা হয়ে উঠেনি, তবে তাদের আড্ডা মাঝেমাঝে গ্যালারিতে বসে উপভোগ করি।
আপনার গল্প লেখার ইতিবৃত্ত , নতুন নতুন গল্প পড়ার অপেক্ষায় রইলাম ! শুভ কামনা সব সময়
লজ্জা পাইলাম। আপনে আমার পছন্দের ব্লগার মাসুম ভাই। আপনার কমেন্টে সম্মানিতও বোধ করলাম।
লেখকের মন্তব্য
অনেক আবেগ দিয়ে লেখা।
ভালো লাগলো পড়তে।
শুভকামনা।
লেখকের মন্তব্য
ব্লগে আসিনি দুইদিন। আজ আপনার কমেন্ট দেখলাম।
ধন্যবাদ আপু।
ঘুম থেকে উইঠা পর্থম আপনের পুস্ট পড়লাম, খুব তরতাজা লাগতেসে
শুভ ব্লগিং। 
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনি এমন সময়ই পোস্ট দিলেন, যখন আমি ঢাকার বাইরে, নেটে সময় দিতে পারছিনা। শীত উপভোগ করতে এসেছিলাম গ্রামে, এই মুহূর্তে আছি চাঁদপুর শহরে। এখানে নেট ইউজ করতে সমস্যা হচ্ছে না। গ্রামেও ইউজ করা যায়, কিন্তু নেটওয়ার্কের অবস্হা দুর্বল।
যাই হোক, কেমন আছেন? থিসিসের কাজ কতদূর?
লেখকের মন্তব্য
আপনি না এলে ব্লগ খুব পান্সে লাগে।
ফিরে আসুন। শুভেচ্ছা রইল।
হাহাহা
পানসে লাগার কিছু নাই। বাচাল আছেনা আরো!! হিহিহি।
আপনার আগের গল্পটায় কিছু ভুল ধরে দিসি, টেকা দ্যান।
লেখকের মন্তব্য
কত?????
প্রত্যেকটা ভুলের জন্যে ১০০০ ইউএস ডলার! এবার গুণে দেখুন।
লেখকের মন্তব্য
আমি শুধু চোখ বুলিয়ে গেলাম আজকে
কোন বড় লেখাতেই মন দিতে পারা যাচ্ছেনা আপাতত
আবার কখনো পড়বো
লিখতে থাকেন
ভালো লাগে আপনার লেখা
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ আপু।
ব্লগ সত্যিই এক অদ্ভূত জায়গা। এত সুন্দর সম্পর্কগুলো যে তৈরি হয় এখানে। ভালো লাগল আপনার সরল মনের সাদা-সিধা কথাগুলো।
লেখকের মন্তব্য
ভালো লাগলো আপনার কথাগুলো ।
অনেক ধন্যবাদ।
পড়লাম। মন্তব্য করলাম। ধুমায়া ব্লগিং করুন।
লেখকের মন্তব্য
আমার ব্লগে আপনাকে পেয়ে ভালো লাগলো ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
আমার আসতে লেট হয়ে গেলো!


আপু লিখতে থাকুন।
ভালো থাকবেন
লেখকের মন্তব্য
অনেক ধন্যবাদ আপু।
কত কমেন্টরে! পড়ে শেষ করা যায় না। আড্ডা রে আড্ডা!! আড্ডা শুরু করলে কারো আর কোন হুশ থাকে না!! চলতেই থাকে, চলতেই থাকে।
সাকিবা এত অল্প দিনে সবার প্রিয় হয়ে উঠেছে আর সকলের সাথে চুটিয়ে আড্ডা দিয়ে যাচ্ছে সমান তালে, দেখে ভালো লাগলো। চতুরের আড্ডা সব সময়ই আকর্ষণীয় এবং শিক্ষণীয়।
আড্ডা চলুক, তবে নতুন পোস্ট দেবার কথা যেন মনে থাকে।
লেখকের মন্তব্য
হুদা ভাই, আপনাকে পেয়ে ভালো লাগলো । ব্লগে একটু অনিয়মিত হব কিছুদিন। বেশ জ্বর আর তার সাথে পড়ার প্রচণ্ড চাপ। আর মাত্র ৩ টা মাস। তারপর ফিরবো বাড়ি । অন্তহীন আড্ডা দিব আপনাদের সাথে।
আপনি কেমন আছেন? আপনাকে কতটুকু শ্রদ্ধা করি তা জানানোর ভাষা নেই।
দোয়া করবেন আমার জন্য।
সব কিছুর আগে নিজের শরীর। তারপরে পড়াশুনা। আর আড্ডা? অবসর পেলে ভালো, না পেলে ভুলে যাও চতুরের কথা। অবসর বিনোদনের জন্য আড্ডার বিকল্প নেই, কিন্তু সময়ের অপচয় মোটেই কাম্য নয়।
দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।
ফিরে এসো সফল হয়ে, আড্ডা জমবে তখন।
আমি তোমাদের পানে চেয়েই ভালো থাকি ভাই।
শুভ কামনা।
আপু?
মন্তব্য করুন