লেখকের ক‌থা

সদর দরজা

প্রতি, পাঠক ...

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি কি জানেন, আমি কেমন আছি?
জানতে কি চান?
আমার না বড্ড ইচ্ছে হয় আপনাকে জানাতে, আমার সারাদিন-রাত্তিরের খুটি নাটি সাতকাহন সব….. সঅব কিছু।

আমি ভালো আছি। বরাবরই আমি ভালো থাকারি চেষ্টা করি, ভালো না থাকার এ পৃথিবীতে! শুধু ভালো থাকতে হয় বলে। এই তো, বেশ হাসি মুখেই পার করে দিচ্ছি আমার দিন-রাত্তিরগুলো। কিন্তু ভালো থাকার এবং ভালো রাখার চেষ্টারত এই “আমি”র ভেতরে যার বসবাস আপনি কি জানেন, সে “আমি”টা দিনে দিনে কেমোন যেনো শুকিয়ে যাচ্ছে!? একদা এই আমার একটা নিজস্ব নাম ছিলো। সে নাম নিয়ে আমার বাবার গর্বও কম ছিলো না। যদিও সমগ্র বাংলাদেশ এখন আমায় অন্য এক নামে জানে। কিন্তু সে নামের অতলে কবে-কখন চাপা পড়ে গেছে আমার নিজের নামটি তা নিয়ে আজ আর কেউ মাথা ঘামায় না। আপনাদের সে নামের ইতিহাস শোনাতে বড্ড ইচ্ছে হচ্ছে আজ।

শুনবেন কি?
বলি তবে……

শুনেছিলাম পৃথিবীর বুকে আমার আগমনী মূহুর্ত প্রভাতী রোদ্দুর তার নরম আভায় চারপাশ আলোকিত করে আমায় স্বাগত জানিয়েছিলো। বড় বড় চোখ মেলে চারিপাশ পিট পিট করে চাইছিলাম আর ভাবছিলাম, এক দিনেই জেনে নিতে হবে আমার পৃথিবীর সমস্ত রহস্য। বাবা পরম মমতায় দুহাতে আগলে নিয়ে বলেছিলেন, “আমার আলোকিতা মামনি”। সেই থেকে নাম হয়ে গেলো আলোকিতা, সংক্ষেপে আলো। বেড়ে উঠছি বাবার হাত ধরে। একটু একটু জানতে শুরু করেছি পৃথিবীকে। অনুভব করতে শুরু করেছি তার অপার সৌন্দর্য্য। আমাকে নিয়ে বাবার অনেক স্বপ্ন।

আমিও খুব করে চেয়েছিলাম ভুবন আলোকিত করে বাবার দেওয়া নাম স্বার্থক করতে। চারপাশকে অন্য আলোয় রাঙ্গিয়ে তুলতে। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই আমার আলোকিত ভুবন একরাশ আধাঁরে ছেয়ে গেলো। জানলাম আমি ঠিক আর দশজন মানুষের মতোন নই। ঈশ্বর আমার দু’পায়ে পৃথিবীর মাটিতে হেঁটে বেড়াবার সক্ষমতা দেননি। তাই আমি সবারচে’ আলাদা। এবারে সমাজ আমায় নতুন নাম দিলো – “প্রতিবন্ধী”। কেনো যেনো আমার নতুন এই নাম এবং সমাজের কটাক্ষ চাহনী বাবাকে খানিকটা বিব্রত করে তুললো। একটু একটু করে আমি অনুভব করতে শুরু করলাম সমাজের প্রশ্নবোধক দৃষ্টির আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছে বাবার স্বপ্নগুলো। আমার জন্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একে একে সমস্ত দুয়ার। দু’বেণী ঝুলিয়ে স্কুলে যাওয়া, স্কুল থেকে ফিরে এ পাড়া ও পাড়া চষে বেড়ানো, সদলবলে দস্যিপনায় মেতে সকলকে তটস্থ রাখা, প্রাণবন্ত সেই উচ্ছলতা সব- সবই হারিয়ে গেলো এক সময়। দশ ফিট বাই দশ ফিটের ছোট্ট একটি কক্ষে আটকে গেলো আমার পৃথিবী। রোজ সকালে ঘুম ভেঙে বিছানা থেকে চেয়ার, রাতে আবার বিছানা। সারাদিন মান এক ঘেয়ে ক্লান্তিকর বসে থাকা। আর মাঝে সাঝেই অনতিক্রম্য দুঃস্বপ্নের মুহুর্ত গুলো আড়াল করে রাখার জন্যে আকাশ কুসুম কল্পনায় বুঁদ হয়ে থাকা। কখনোবা বিছানার ধারে লাগোয়া জানালাটা দিয়ে নীলাকাশে মেঘ-রোদ্দুরের লুকোচুরি খেলা দেখা। ঐ সুদূরের পানে উড়ে যাওয়া পাখিদের সাথে মনে মনে অনেকটা পথ ঘুরে আসা। ক্লান্ত দুপুর শেষে মিষ্টি এক বিকেল রোজ আমার ঘরে বেড়াতে আসে। ইদানিং যার সাথে আমার দারূন সখ্যতা। যাপিত জীবনের সমস্ত যন্ত্রণা বয়ে বেড়ানোর এই আমার একমাত্র সাথী। নরম সোনালী রোদ্দুরের আলতো পরশে আমার আঁধার কোন খানিকটা সময়ের জন্য হলেও ঝলমলিয়ে ওঠে। আবারো শেষ বিকেল। ঘন সবুজাভের নিবীড় ছায়ায় সিঁদুরে গোলা লালিমাচ্ছন্ন আকাশ। খানিক পরেই ঘরে ফেরা পাখির কলতানের সাথে ঝপ করে নেমে আসে এক রাশ বিষণ্ণ আঁধার। এইটুকুন নিয়েই আমার নিজস্ব জগত। যা নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই কারুরই। সবাই সবার মতোন ব্যস্ত। মা পরিবার সামলাতে, বাবা অফিস সামলাতে। বাবার সার্বক্ষনিক কড়া নজরে ছোট ছোট ভাই বোন গুলো আমারি চোখের সামনে দিয়ে তর তর করে বেড়ে উঠছে। তাদের উজ্বল ভবিষত গঠনে পরিবার-সমাজের মাঝে এক বিশাল আয়োজন। তীব্র প্রতিযোগীতার এই যুগে পিছিয়ে পড়া চলবেনা কোন অবস্থাতেই। নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না এক -একটা দিনও। নির্দিষ্ট এক লক্ষ্য ধরে সামনের দিকে ওদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং এগিয়ে চলা। আর অন্য দিকে আমি… একই পরিবারে হয়েও তাদের আর আমার মাঝেকার দূরত্বটুকু কি ভীষণ! সমাজের হয়েও যেনো ভিন্ন এক জগতের বাসিন্দা আমি। আমারি কোন লক্ষ্য নেই, সমুজ্জল ভবিষ্যতের স্বপ্ন নেই। এমন কোন জায়গা নেই যাবার, যেখানে অন্তত খানিকটা সময় স্বস্থির শ্বাস ফেলা যায়। আর যদিবা কোন এক অলৌকিক উপায়ে কোথাও যাবার সুযোগ হয়, হাজারো প্রতিবন্ধকতার মাঝে মানুষের নানা বিধ প্রশ্নের তোড়ে বাবা মায়ের অসহায় চাহনী, আমার আনন্দ গুলো গুটিয়ে যায়। আমার অধিকারে জায়গা গুলোতে সীল মোহর এটে দিয়েছে ছোট্ট একটি শব্দ — “না”।

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় – “না”।
সাস্কৃতিক কিংবা সামাজিক অনুষ্ঠান – “না”।
বিনোদন কেন্দ্র এবং খেলার মাঠ – “না”।
যাতায়াত ব্যবস্থা – “না”।
“না”। “না”। “না”। “না” ……
চারিদিকেই শুধু “না”।

আপনি কি অনুভব করতে পারছেন, “না” শুনতে শুনতে হাঁপিয়ে উঠেছি “আমি” এবং “আমরা’। এতোটুকুনো ভাবার চেষ্টা করেছেন কি কখনো, আপনিও হতে পারতেন আমারি মতোন একজন। কিংবা হয়তো আপনারি কোন স্বজন!

প্রতিবন্ধিতা বুঝি অভিশাপ!
তাই যদি না হয় তবে এ দেশের নাগরিক হয়েও যা আপনার অধিকার আমি কেনো হবো তা থেকে বঞ্চিত? বলুন না…… হুমম…???

আচ্ছা, এই “না” কে কোনভাবেই কি “হ্যাঁ” তে রুপান্তরিত করা যায় না?
পালটে কি ফেলা যায়না শৃঙ্খলিত এই সমাজ ব্যাবস্থাকে?
আমূলে বদলে কি দেওয়া যায় না মানুষের চিন্তা ধারা গুলো?
আর কতো ঘরের কোনে আবদ্ধ থাকবো “আমি” কিংবা “আমরা”?

আমি প্রতিবন্ধী পরিচয়ে পরিচিত হতে চাই না আর।
পরিবার এবং সমাজের বোঝা হয়ে বাচঁতে চাইনা।
“মানুষ’ হিসেবে নিজেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। আমারও তো অধিকার আছে আপনার -আপনাদের মতোন স্বাভাবিক একটা জীবন যাপনের………………..।
করুনা চাই না। সহমর্মিতা চাই।
বন্দী হয়ে থাকতে চাই না আর ঘরের কোনে। সর্বত্র প্রবেশের সুবিধে চাই।
বাড়িয়ে দেবেন কি সহযোগীতার হাত ?

ইতি __
“আমি একজনা………”

7
আপনার মূল্যায়ন: আপনি মূল্যায়ন করেন নি। গড় রেটিং: 7 (৮ জন মূল্যায়ন করেছেন)
শেয়ার করুন » Facebook Twitter Delicious Digg MySpace Google Orkut Blogger Google Buzz Technorati
অথবা এই সংক্ষিপ্ত লিংক শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৮৯৯৮(১)    

আমি ভালো আছি। বরাবরই আমি ভালো থাকারি চেষ্টা করি, এই কথাটা কিন্তু অনেক শক্তিশালী।
তাই বেঁচে থাকার আনন্দ উপভোগ করার চেষ্টা করুন।
লেখাটা মন ছুঁয়ে গেল।
অনেক শুভকামনা আপনাকে।
(স্বাগতম)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯৪১৭(২)    
লেখকের মন্তব্য

আমার ব্লগবাড়িতে আপনার প্রথম আগমনী বার্তায় কৃতজ্ঞ।
ভালো -তে থাকুন।
ভালো -তে রাখুন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯০০৭(৩)    

এখনকার দিনে, কেউ কারো জন্য খুব একটা আগাইয়া আসার সিস্টেম নাই।
কথা হৈলো, এই "আমি" রা নিজেরাই যদি বসে থাকেন, যে, আমি আটকা পড়ে আছি, তাহলে ব্যাপারটা খুব কষ্ট হয়ে যায়।
যেকেউ, গোত্র ছাড়া বিবেচিত হৈলে, আমার ধারনা, প্রথম তাদের নিজেদের ভেতর থেকেই প্রথম পথ তৈরী করার প্রক্রিয়া চালু করতে হবে, বাইরের সাহায্য আসবে পরে।
আর, এখন মনেও হয়না, পরিস্থিতি এমন অসহায়। লেখটা মনকে সচেতন করার জন্য খুব ভালো, এর সাথে, প্রতিকুলতা থেকে তুলে নেয়া শক্তির একটা রুপ দেখতে পেলে আরো ভালো লাগতো।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯৪২৪(৪)    
লেখকের মন্তব্য

এখনকার দিনে, কেউ কারো জন্য খুব একটা আগাইয়া আসার সিস্টেম নাই।

কথাটা খুব সত্য। আর সে কারণেই আমার অথবা আমাদের এগিয়ে আসা :) তবে এটা ভুল যে এই "আমি"দের অনেকেই অন্যের আশায় বসে নেই। উদাহরণ স্বরূপ এইখানে একটা টোকা দিয়ে দেখতে পারেন

আমার এই লেখাটি যারা সুবিধা বঞ্চিত তাদের নিয়ে। আমি খুব-ই দুঃখিত আমার লেখা পুরোপুরি ভালো লাগা জাগাতে সক্ষম হয়নি আপনার মনে। আগামীতে আশা করছি :)

ভালো -তে থাকুন। ভালো -তে রাখুন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯৪৮৬(৫)    

মনে হয় আমি বুঝাইতে পারিনাই আমার কথা।
আপনার লেখা ভালো লাগেনাই, এমন বলিনাই।
আমি চাইনা, কেউ অসহায়ত্বের অংশটুকু দেখাইয়া আবদার করুক।
আমি চাই, শক্তি'র অংশ (এই শক্তি অবশ্যই পেশি শক্তি বা জোরের শক্তি না) দিয়ে জয় করুক বা দাবী নিয়ে বাঁচুক।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯৫৪২(৬)    

তোমার কথাটা আমিও বুঝি নাই।

পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল ডিজাইনে ডিসএ্যাবল্ড এ্যাকসেস কোন আবদার না এটা অধিকার। তুমি পাবলিক বিল্ডিংএ সিঁড়িতে ডিসএ্যাবল্ড এ্যাকসেস দেয়া; বাসে হুইলচেয়ার এ্যাক্সেস দেয়া; এটিএমে অন্ধদের জন্য ব্রেইল সিস্টেমের কি প্যাড দেয়া; ডিসএ্যাবল্ড পারকিং দেয়া, - এগুলাতো কোন আব্দার না, বরং অধিকার।

মুশকিল হৈলো, আমরা গার্মেন্টসের গেইট আটকায়া আগুনে মানুষ পোড়ায়া উন্নয়নের জোয়ার আনা "মানুষ"। পশ্চিমা বিশ্বের উদাহরণ দিয়া এগুলার কথা কৈলে বড় বড় ব্যক্তিরা বলবে, এগুলা ব্যক্তি খাতে উন্নয়নের জোয়ারে বাধা দেয়ার বিদেশী ষড়যন্ত্র ইত্যাদি, ইত্যাদি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯৫৪৭(৭)    

আপনের কোনো বক্তব্য থাকলে দিবেন, সেইটার জন্য আমার কমেন্ট না বুঝার কি দরকার হৈলো , সেইটা বুঝলাম না।

পাবলিক বিল্ডিংএ সিঁড়িতে ডিসএ্যাবল্ড এ্যাকসেস দেয়া; বাসে হুইলচেয়ার এ্যাক্সেস দেয়া; এটিএমে অন্ধদের জন্য ব্রেইল সিস্টেমের কি প্যাড দেয়া; ডিসএ্যাবল্ড পারকিং দেয়া, - এগুলাতো কোন আব্দার না, বরং অধিকার।

এইগুলারে আব্দার কে কৈলো, ধরতে পারলাম না। কিন্তু, সাহাজ্য চাওয়া কিংনা ডিজএ্যাবিলদের অনেকেই সংহত না হৈয়া সাহায্যবৃত্তি করাটা আমাদের দেশে খুব কমন ঘটনা, সেইটাও আপনে না জানা থাকবে, এমনও মনে হয়না।
এর পরও বুঝতে অসুবিধা হৈলে আবার বলি, আমি চাই, যার যা প্রাপ্য সেইটা সে প্রাপ্য হিসেবেই পাক, সেইটার বন্দোবস্থের মাঝে যেনো করুনা কৈরা দিলাম, কিংবা আরেকজনের দয়ায় পাইলাম, এমন ভাবটা না আসে(যেইটা প্রচুর পরিমানে আসে।)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯৫৫৭(৮)    

আপনের কোনো বক্তব্য থাকলে দিবেন, সেইটার জন্য আমার কমেন্ট না বুঝার কি দরকার হৈলো , সেইটা বুঝলাম না।

আমার কাছে ব্লগের সবচেয়ে পছন্দের ব্যাপার কমেন্ট। সেজন্যই আমি পোস্টের চেয়েও কমেন্ট পড়ি বেশী আগ্রহ নিয়ে। তোমার কমেন্ট বোঝা না বোঝার ব্যাপার আসলো সেজন্যই। আশা করি ভবিষ্যতে বিরত থাকবো তোমার কমেন্ট নিয়ে কমেন্ট করা থেকে।

পরে ব্যাখ্যার জন্য ধন্যবাদ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯৫৭০(৯)    

হুম, খুব সম্ভব, আমার কমেন্টের ভাষাটা রুড হৈয়া গেছে, যদিও বক্তব্যটা একই থাকবে যেকোনো সময়ই।
আপনি আমার কমেন্টের ব্যাপারে খেয়াল রাখেন বা না রাখেন, ঐটা বাদ দিয়াই, আমি দুখিত, এমন আচরন করা সাধারনত আমার স্বভাব না।
এমন সুন্দর একটা পোষ্টে তর্ক করোবোনা, ভালো থাইকেন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০০২৭০(১০)    
লেখকের মন্তব্য

বোধ করি আমিও আপনাকে বুঝাতে সক্ষম হইনি আমার মূল বক্তব্য। :(

আমি বোঝাতে চেয়েছি বাংলাদেশের সুবিধা বঞ্চিতদের বেশিরভাগেরাই কিন্তু আলোকিতার মতোন ভুক্তভোগী। সমাজ এবং পরিবারের চাপে এরা অতলে হারিয়ে যায় কেউ সে খবর রাখে না। আমি বোঝাতে চেয়েছি আজো সমাজের কাছে অধিকার চেয়ে ফিরতে হয় তাদের। আমার লেখাতেই আছে সমাজের "না" শুনতে শুনতে হাপিয়ে উঠার কথা। সেই "না" কে "হ্যাঁ"তে রূপান্তরিত করার আকুতি ছিলো সমাজের কাছে। কিন্তু সহানুভূতি আদায়ের কোন ইচ্ছেই ছিলো না। কারণ আমি বিশ্বাস করি আলোকিতারা "অন্যরকমভাবে সক্ষম"। প্রয়োজন শুধু সর্বোত্র প্রবেশের সুবিধা এবং প্রাপ্য নাগরিক অধিকার। খেয়াল করবেন একই লেখার শেষেই আছে কয়েকটি প্রশ্ন যার উত্তর কেবল মাত্র আপনারাই দিতে পারেন যারা এই সমাজের অংশ। এই উত্তরগুলোই তৈরি করবে আগামীতে অন্যরকমভাবে সক্ষম এই মানুষগুলোর বাসযোগ্য বাংলাদেশ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০০৩২২(১১)    

আপনার বক্তব্যে কোনো সমস্যা ছিলো বৈলা মনে হয়না, বা আমার বোঝাতেও। মূলত, আমার কমেন্ট টা আপনার পোষ্টের একটা সম্পুরক কমেন্ট ছিলো, প্রতিক্রিয়া না। আপনার পোষ্টও ভালো লাগছে, সাথে সাথে আমি শক্তির প্রকাশ টাও দেখতে চাইছি, আমার মত কৈরা।
কিন্তু, রোবোটের কমেন্ট আমার বক্তব্যের অর্থ সম্পর্কে উল্টা ধারনা তৈরী করছে, আর আমার প্রতিক্রিয়ার কারনও সেইটা।
আপনি কমেন্টে কোথাও বুঝাইনাই, যে কেউ সহানুভুতি আদায় করার চেষ্টা করছে।
যাই হোক, ব্যাপারটা নিয়া যতই প্যাচাবো, পোষ্টের সৌন্দর্য্যটা নষ্ট হবে।
আপনাকে ধন্যবাদ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯০৬৫(১২)    

(স্বাগতম)
:কুক:

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯৪২৮(১৩)    
লেখকের মন্তব্য

হাততালি :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯০৬৯(১৪)    

সুস্থ-স্বাভাবিক (মেইনস্ট্রিম অর্থে) মানুষের জন্যই আমাদের চারপাশের পৃথিবী অনেক সময় অনিরাপদ ও অমানবিক। সেখানে অন্যরকম কারো জন্য জীবনযাপন নিঃসন্দেহে অনেক বেশি কঠিন ও কষ্টসাধ্য। মানুষের করুণা দূরে থাক সহমর্মিতারও খুব বেশি প্রয়োজন হতো না; মানুষের চেহারায় মানবিকতাহীন দানবেরা যদি না থাকতো।

সর্বতো শুভকামনা সাবরিনা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯৪৩১(১৫)    
লেখকের মন্তব্য

আমার ব্লগে আপনাকে দেখে খুব-ই ভালো লাগছে। অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু চমৎকার মন্তব্যের জন্যে। ভালো থাকুন, অনেক ভালো। নিরন্তর শুভকামনা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯০৮৩(১৬)    

অবশ্যই আমরা স‌হযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবো! সুস্থ-স্বাভাবিক হই আর প্রতিবন্ধী হই, সবার আগে আমার পরিচয়, আমি একজন মানুষ। তাহলে আরেকজন সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য হাত বাড়াবো না কেন?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯৪৩২(১৭)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ আপনাকে :)

ভালো -তে থাকুন। ভালো -তে রাখুন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯০৮৪(১৮)    

নুশেরাবু'র সাথে আমিও বলি - সর্বতো শুভকামনা সাবরিনা। ভাল থাকুন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯৪৩৩(১৯)    
লেখকের মন্তব্য

নিরন্তর শুভকামনা :)
ভালো -তে থাকুন। ভালো -তে রাখুন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯১০২(২০)    

আমি ভালো আছি। বরাবরই আমি ভালো থাকারি চেষ্টা করি

এটাই হচ্ছে একজন মানুষের ইচ্ছা শক্তির শুভ প্রকাশ।
আপনি ভালো থাকুন সর্বদা, শুভকামনা রইল।
চতুরে স্বাগতম।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯৪৩৫(২১)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ :)

ভালো -তে থাকুন। ভালো -তে রাখুন।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#৯৯৫০৫(২২)    

চতুর্মাত্রিকে স্বাগতম। আমাদের পরিবারের একজন হয়ে যান। শুভকামনা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#১০০২৭৩(২৩)    
লেখকের মন্তব্য

যথা সাধ্য সম্ভব চেষ্টা থাকবে :)

অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভালোতে থাকুন এবং আলোতে রাখুন।

 

মন্তব্য করুন

এই তথ্যটি সর্বদাই গোপন রাখা হবে এবং কোন অবস্থাতেই তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
ছবি যাচাই
আপাতত: শুধু মানুষদের জন্যই আমাদের দুয়ার খোলা। পরে নাহয় রবোট, বায়োবট বা এন্ড্রয়েডদের কথা বিবেচনা করা যাবে।
12 + 5 =
এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করুন এবং সঠিক উত্তরটি উপরের ঘরে লিখুন। যেমনঃ ১+৩ এর জন্য লিখুন ৪।