সাহাদাত উদরাজী-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

বইমেলায় যেতে আমার খুব ভাল লাগে। সময় পাস ও আড্ডা দুটোই চলে একসাথে। কত কি দেখি, কত কথা চারিদিকে জমা হয়ে থাকে, নিজের মনের রাজাদের অবস্থা আমার! যাই হোক, গতকাল আমাদের চতুরের শব্দপুঞ্জ ভাইয়ের 'পারভার্ট' বইয়ের মোড়ক উন্মোচন আমাদের আড্ডা দেয়ার এক নুতন সুযোগ নিয়ে আসছিল, কে মিস করবে! এমন আড্ডার সুযোগ মিস করা যায় না। বাসা থেকে ব্যাটারী/বুলেটকে কিছু না বলেই (বার বার বই মেলার কথা আর কত বলব!) বের হয়ে ছিলাম। এসে এমন ভীড় দেখে লাইনে দাঁড়িয়ে বুঝতে পারছিলাম, আর মোড়ক উন্মোচন দেখা হবে না! কিন্তু ভাগ্য থাকলে ঠেকায় কে? সাক্ষী হয়ে গেলাম ইতিহাসের! কথা না বলে চলুন ছবি দেখি।

ছবি ১ - আড্ডা চলছেই।

ছবি ২ - এলিয়েন এসেছিলেন মাটির এই পৃথিবীতে!

ছবি ৩ - শব্দভাই ছাত্র/ছাত্রীদের জনপ্রিয় শিক্ষক, তা আমরা প্রমান পেলাম। চতুরের ব্লগারের চাইতে ওরাই সংখ্যায় বেশী ছিল।

ছবি ৪ - তুমুল আড্ডা।

ছবি ৫ - শব্দভাইয়ের বাবা ছিলেন সেরা অতিথি।

ছবি ৬ - কবি মহাদেব সাহা বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেছিলেন। ভীড়ের কারনে কাছে যেতে পারি নাই। ঠিক এই সময়ে লেখকের মুখের কিছু ছবি তোলার ইচ্ছা ছিল, পারি নাই!

ছবি ৭ - শব্দ ভাইয়ের এক ছাত্রের কারবার দেখুন! ভিডিও করছিলো, বেশ!

ছবি ৮ - এর পরই চলে লেখকের অটোগ্রাফ পর্ব। কমেন্টে অনেক ছবি তুলে দিব, লেখকের নানান ভঙ্গী আছে আমার কাছে।

ছবি ৯ - আহ মিষ্টি! কে কয়টা খেয়েছে!

ছবি ১০ - লেখককে মিষ্টি মুখকরন! অনেকের মিষ্টি খাবার দৃশ্য আছে, কমেন্টে তুলে দিব। দেখে ভাল লাগবে।

ছবি ১১ - একটা ছবি না দিয়ে পারলাম না! ঠিক মিষ্টির পুর্বেই আমাদের আর একজন ডাক্তার এসে হাজির! পুরা আড্ডাবাজ মানুষ যাকে বলা যায়!

ছবি ১২ - লেখকের সময়।

ছবি ১৩ - আমাদের আড্ডা চলবেই। যাই, আড্ডাবাজদের নামের একটা তালিকা বানাতে হবে, কারা কারা উপস্থিত ছিলো!
শব্দপুঞ্জ ভাইয়ের লেখক জীবনের সাফল্য কামনা করছি। 'পারভার্ট' দিয়েই যে তিনি সে সাফল্যের সিঁড়িতে উঠে পড়েন, এই কামনা করছি। শুভ হউক তার পথচলা।
------------------------------------------------------------------------------------
[ছবি ব্লগঃ বইমেলার বাইরে।।।।।। দেখে আসতে পারেন, সামান্য কিছু ছবি।]
মন্তব্য
দারুণ প্রাণোচ্ছ্বাস, টের পাওয়া যায় ছবিতেই! শাওন, হালিম, ঈশান, হুদাভাই, নিয়াজ, শব্দপুঞ্জকে দেখে ভাল লাগছে।
বই আর মিষ্টির জন্য আন্তঃমহাদেশীয় হাহাকার
=======================
কবির নাম মহাদেব সাহা, শাহ নয়।
=======================
অন্যপ্রসঙ্গ। শিপনের পোস্টে আপনার মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু জিজ্ঞাসা ছিল। একটু দেখবেন সময় করে।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আপা, আশাকরি আগামীতে আপনার বই নিয়েও আমরা এমন একটা কারবার করব।
কবির নামের বানান ভুল করার জন্য লজ্জিত হলাম। ঠিক করে দিলাম। শুভেচ্ছা থাকল।
কারবার পরে, আগে শিপনের পোস্টের কমেন্টস্ট্রিমটা মনে করে দেইখেন ভাই
লেখকের মন্তব্য
আপা, আমি মেধাহীন, মাঝারি মানুষ! কিছু আর কি বলব! ওই পোষ্টে যেতে এখন ভয় হচ্ছে! নিজের দিয়ে অন্যের কথা ভাবি। অনেক সময় সেই কথা সঠিক হয় না!
কী মুশকিল, কী জানতে চাইছিলাম সেটা তো দেখবেন!
বই কেনা, বাজেট, অর্থসঙ্গতি ইত্যাদি বিষয়ে আপনার মতামতে আপত্তি করেছি ভাবছেন? আরে না, প্রশ্ন একদম অন্য বিষয়ে।
=====================
@ মানিক- নিজে কয়টা মিষ্টি খেয়েছিলেন?
নিজে খাবার সময় পাইনি তেমন একটা, নুশেরাপু। বিতরণে নিয়োজিত ছিলাম। বন্ধুদের মাঝে বিতরণ করতেই খুব খুশি এবং আনন্দ লাগছিলো আমার, আপু। তবুও সুযোগ বুঝে খেয়ে নিয়েছি দুইটা।
আপনি এবং অনুপস্থিত চতুর জোনাকরা উপস্থিত থাকলে আরও খুশি হতাম বিতরণ করে।
নিজের ফয়সল ভাইয়ের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বই; বইটা সে মেঘাপু, হুদা ভাই, জলাপু, নয়ন ভ্রাতা ... সহ সকল চতুর বন্ধুদের উত্সর্গ করেছেন, আপু। মানে, আমরা চতুররাই অনেক আপনজন তার কাছে। বিষয়টা আমাদের সবাইকে খুব আপ্রুত করেছে।
লেখকের মন্তব্য
আমার মনে সন্দেহ হচ্ছে, আমি তিনটা সাইজ করেছি! দুটো লাল, একটা সাদা!
আপনার আবেগাপ্লুত হওয়ার মুহূর্তটা আমার অনেকদিন মনে থাকবে!
লেখকের মন্তব্য
শব্দ ভাই, হুদা ভাইয়ের তোলা এই ছবিটা বেশী সুন্দর হয়েছে।

সাহাদাত ভাই, আপনার তোলা সবগুলো ছবি আমাকে ইমেইল করে দিতে পারবেন? যদি ওতে আপনার খুব কষ্ট না হয়? প্লীজ!
লেখকের মন্তব্য
ভয়ে আপা ভয়ে থাকি। উত্তর সেখানে দিয়ে এসেছি, দেখে নিবেন আশা করি। শিমুল ভাইয়ের সাথে কিছু কথা চলতে পারত। উক্ত বিষয়ে বইমেলার পর লিখা বা আলোচনা করা যেতে পারে। হা হা হা।।।
মিষ্টি বিতরণ এবং মিষ্টি সবার মুখে তুলে দেবার ফটোসেশনের দায়িত্বে ছিলাম আমি।


সবচে বেশি অসুবিধার সম্মুখিন হয়েছি, নিয়াজ ভাইয়ার ফটোসেশনে। উনি ক্যামেরা ক্লিক করার আগেই পুরো মিষ্টি গিলে ফেলসিলেন কপ করে!
ফটোসেশনে সবচে' শান্ত মডেল ছিলো, একু। তার ছবিটা নিতে অনেক সময় নিয়ে ফেলে ফটোগ্রাফার উদরাজী ভাই। একু মিষ্টি মুখে নিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলো ঠাঁয়, সঞ্চালক আমার মতো।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।। অনেক চতুরের ছবি ছাপানো যাবে না। তবে রেকর্ড আছে। আমাদের হালিম ভাই, সেরা মিষ্টি খাদক। যদিও আমি দেখি নাই!
মানিক ভাই, আপনার কিছু ছবি তুলতে চাই। আগামীবার দেখা হলে সেই সুযোগ দিবেন বলে রাখলাম।
বিপদে ফেলে দিলেন দেখি, উদরাজী ভাই! আমি সবসময় ফাঁকি দেই ক্যামেরার চোখকে।

ঠিক আছে, পরের বার হবে।
লেখকের মন্তব্য
আপনার ছবিতো সুন্দর আসে, মেঘাপার সাথে একটা দেখলাম। বেশ ভাল উঠেছে।
আমার ছবি কিছুটা খারাপ আসে, উদরাজী ভাই। অনেকের যেমন ফটোজেনিক ফেস হয়, আমার তেমনটা নয়।

আয়-হায়, মেঘাপু'র সাথে আমার ছবি কখন কে তুললো, এটাই তো জানতাম না! আপনার কাছেই প্রথম শুনছি, উদরাজী ভাই। আর, ভালোই বা হলো ক্যাম্নে! রাত্রী জাগরণজনিত কারণে আমার চোখ তো গর্তে বসা দেখলাম।
নুশেরাবু, আপনার জন্য মেঘাপু তাঁর বইয়ের একটি কপি আমার হাতে পাঠিয়েছেন। আপনার কাছে কীভাবে পৌঁছাব? এছাড়া সরলরেখা বক্ররেখা - যদি এখনও সংগ্রহ না করে থাকেন, আমার কাছ থেকেই পেতে পারেন। আর আমার বইটাও, আপনি চাইলে, একসাথে বেঁধে দিতে পারি। কিন্তু আপনার কাছে বইগুলো পাঠাই কীভাবে?
আমারও ইচ্ছা ছিল পারভার্টের মোড়ক উন্মোচন আড্ডা নিয়ে পোস্ট দেবার। পলাশ আর আপনার যন্ত্রণায় দিতে পারলাম না।
ঠিক আছে, দেখা যাবে!!!
লেখকের মন্তব্য
হুদা ভাই, ব্যাপার না। দিয়ে দিন। আমরাই তো! আমিতো অনেক সময় নিয়ে পোষ্ট দিলাম!

মিষ্টি খেয়েছিলেন! গঙ্গার জোরাজুরির পর কি হল, মনে নেই!
লিখতে ইচ্ছা করে। লেখার সময় আর কিছুতেই এগুতে পারি না। তাই শেষ পর্যন্ত সব ছবি ফেবুতে দিয়ে দায় এড়াতে চাই।
মিষ্টি খেয়েছিলাম, তবে ঐ একটাই। পানির অভাব বোধ করেছিলাম।
নাজমুল ভাই, প্লিজ আপনিও পোস্ট দিয়ে দিন। আড্ডা পোস্টতো দেওয়া যায় যত খুশী ইচ্ছে মত!
লেখকের মন্তব্য
হুদা ভাই হুদাই!
ভালো বললেন, নাকি মন্দ কিছু?
শুধু ছবিই দিলেন? ঘটনার বর্ণনা বিস্তারি দিতেন যদি, তা'হলে বেশ হতো।
ছবিগুলো তো বেশ ভালো এসেছে। বাকীগুলোও দিয়ে দিন।
[দু'একটা ছবি চুরি হবে এখান থেকে, বলে রাখলাম কিন্তু!]
লেখকের মন্তব্য
হুদা ভাই, নিয়ে নিন। যা খুশি। হা হা হা।।।
আপনার ছবি আমি সব সময়ই ভাল তুলতে পারি। আপনার ক্যামেরা ফেইস সুন্দর।।।। আপনার শুধু মুখের কিছু ছবি আমার কাছে আছে।।।। মেইলে পাঠাব বলে ভাবছি।।।।।
ছবি নিয়ে আমার ফেবু এ্যালবামে দিয়ে দিলাম।
হাসালেন!! আমার ক্যামেরা ফেইস সুন্দর???
পাঠিয়ে দিন। ই-মেইল ঠিকানা কি আছে আপনার কাছে, নাকি দেবো?
ছবিগুলো দেখে খুব ভাল লাগছে। শব্দ ভাইয়ের জন্য শুভকামনা।
লেখকের মন্তব্য
আচার্য দা, আড্ডায় আপনার কথা আলোচনা হল। আপনার রসবোধের কথা সারা চতুরে ভরে যাচ্ছে।
আড্ডার মাঝেই আমাদের রান্নাতো বোন সুরঞ্জনা আপা ফোন করেছিলেন। সবার সাথে যে কি কথা! একেই বলে মোবাইল আড্ডাবাজ!
আপনার কথা শুনে হঠাৎ কেমন ভড়কে গেলাম। আমার মত সামান্য একজন মানুষের কথা আপনাদের মত এত বড় বড় মানুষের আলোচনায় এসেছে শুনে তো ভড়কে যাবারই কথা। তবে সত্যি বলছি আমি ব্লগেই বাচাল, লাইভ খুব একটা আড্ডা দিতে পারি না।
লেখকের মন্তব্য
আচার্য দা, আমি নিজেও আগে এমন ছিলাম। এখন মরার সময় এসে গেছে তাই আর লজ্জা পাই না! সবার সাথে আড্ডা দেই! আপনার কমেন্ট পড়ে মনে হচ্ছে, 'আমরা আপনাকেই খুজছি'!
কেন ভাই আমাকে কেন খুঁজছেন? আমি আবার কী দোষ করলাম?
আপনাকেও আন্তরিক ধন্যবাদ আচার্যদা!
অনেক অভিনন্দন শব্দপুঞ্জের জন্য। বইয়ের সাফল্য কামনা করছি।
উদরাজী ভাই, আপনার কল্যাণে আনন্দযজ্ঞে আমিও যোগ দিলাম, হোক না ছবি দেখে!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বোন। আপনি আমাদের দেখে যাচ্ছেন! হা হা হা।।।।
আসলেই এটা একটা আনন্দ। মহা আনন্দ। জীবনে বেশী বার আসে না।
হাহাহা! ক্যামেরা নিয়ে যে ভূমিকায় নেমেছেন! আমি তো ভয়েই আধমরা! এলিয়েনের মত আমাকেও যদি গর্ত থেকে টেনে বের করে আনেন! বোরখা কেনা ফরজ হয়ে গেল দেখছি!
প্রচন্ড গরম আর মানুষের ভিড়কে উপেক্ষা করে মুখ ও মাথা ঢেকে রেখেছিলাম আমি, অপাপু। তাও বাঁচতে আর পারলাম কই! ধরা ঠিকই খেলাম!
অনেক ধন্যবাদ অপাপু। আপনার সাক্ষাত হলে খুবই ভাল লাগত।
শব্দপুঞ্জ ভাই এর জন্য অনেক শুভ কামনা রইলো ।
আশা করি খুব শীঘ্রই আপনাদের সবার সাথে দেখা হবে, কোন এক চতুর আড্ডায় ।
আর সাহাদাত ভাই, পোস্টটার জন্য ধন্যবাদ। ভালো লাগলো ছবিগুলা দেখে। যদিও তেমন কাউকে চিনিনা।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ব্রাদার। ব্যাপার না। আপনি আসার আগে আমাদের জানালেই আমরা একটা আড্ডার ব্যবস্থা করব, আড্ডা টীম রেডি আছে। কিন্তু আমাদের জন্য বিদেশী চকলেট নিয়ে আসতে হবে!
শুভেচ্ছা।
এটা কি আড্ডাতে আসার পূর্ব শর্ত নাকি ?
আচ্ছা নিয়ে আসবো নে।
আপনি প্রথমে বললেন, আপনার জন্য বেশী করে আনবো। ওকে। 
অনেক ধন্যবাদ রোদ্দুর ভাই। আপনি দেশে আসার আগে একটু আওয়াজ দিয়েন, বিদিশি চক্কু মিসাইতে চাইনা!
লেখকের মন্তব্য
শুধু আড্ডা মেরেই এক জীবন পার করা যায়!
এলিয়েন!


চমত্কার দুর্দান্তিস পোষ্ট, উদরাজী ভাই।
আমি দিনপুঞ্জি আকারে লিখছি। লেখাটা বড় হয়ে যাচ্ছে আকারে।
দেরি হবে দিতে দুয়েকদিন।
লেখকের মন্তব্য
ব্যাপার না! লিখে পোষ্ট করে ফেলুন। আমরা পড়তে চাই।
এলিয়েন মানিক ভাই, আপনার আকীকার পার্টি কই?
আপনার দিনপঞ্জীর অপেক্ষায় রইলাম।
বইমেলায় চতুরদের বই আর আড্ডা নিয়ে কত সুন্দর সুন্দর পোস্ট যে পাচ্ছি। আপনাকে এজন্য এত্তগুলো
লেখকের মন্তব্য
গরম মশলা আপা, আড্ডার ছবি দিয়ে আসলে লোকজনদের আড্ডামুখী করতে চাই।
মেঘ অদিতি আপাকেও চ্রম আড্ডাবাজ মনে হল!
মনে হওয়ার কিছু নাই, উনি আসলেই চ্রম আড্ডাবাজ এবং আপনার পটেনশিয়াল প্রতিদ্বন্ধী। উনার রন্ধনশৈলীর সাথে আছে ব্যাপক ক্রিয়েটিভিটি - উনার বাসায় সেমাই-বড়া খাওয়ার সময় টের পেলাম।
লেখকের মন্তব্য
সেমাই বড়া! মাথা অঊলাইয়া গেছে! খাবারের নাম শুনলেই আমার যা হয়!
আমাকেও নেয় নি। দুই ডাক্তার ফাঁকিবাজ!!
সেইরাম অচাম বড়া!!! স্বপ্নে পাওয়া রেসিপি ত্থিকা মেঘাপু বানিয়েছিলেন। নিয়াজ ভাই সাক্ষী।
মাইনাস, মাইনাস, মাইনাস।।।।
শব্দপুঞ্জ তো পুরাই সেলিব্রিটি হয়ে গেছে।
অনেক শুভকামনা তাকে। 
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সিষ্টার, দিমুনি ছবি ছাপাইয়া!

মজাই আলাদা।
ওয়ালাইকুম সালাম একুপু! (লজ্জায় ফর্মালিনমুক্ত টমেটো হওয়ার ইমো)
বরাবরের মতই ফাটাফাটি ছবি আর ক্যাপশন!!!!


আরও অনেক, অনেক ছবি চাই, প্রিয় সাহাদাত ভাই!
[মানিক ভাইয়া কি ক্যামেরা এড়াতে ঘোমটা দিয়েছিলেন?]
লেখকের মন্তব্য
বোন, এজীবনে কত কি! কারো ছবি উঠাতে চাইলে পালায়, আমাদের মানিক ভায়াও আমন, জুলিয়ান ভাইতো আমাকে আগেই বলেছিল, আমার ছবি উঠাবেন না! আমি তবু তুলেছি! সৌদি গেলে চান্সে ছাপাইয়া দিমু! কিছু করতে পারব না! হা হা হা।।।
দেখা হলে আপনিও রক্ষা পাবেন না!
সাহাদাত ভাই কি রেসিপির কনসাল্টেন্সীর পাশাপাশি "পাপারাজ্জি"শিপের টের্নিং নিতাছেন?
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।
আরো ভাল ক্যামেরা কিনতে হবে দেখছি!
ভীড়ের কারণে ঢুকতে দেরি হওয়ায় মোড়ক উন্মোচন এবং মিষ্টি খাওয়া, দুটোই মিস করলাম!
সর্বনাশ!
লেখকের মন্তব্য
নয়ন দা, তাও দেখা তো হয়েছে!
এত ব্যস্ততার মধ্যেও চলে আসার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা আর ধন্যবাদ নয়ন। খুব খুশি লাগছিল তোমাকে দেখে।
লেখকের মন্তব্য
নয়ন ভায়া, এযাবৎ ভাল আড্ডা দিয়েছেন!
নতুন কাজে ঢুকেছি ! সব মিস , সব মিস , সব মিস !
কি আর করা । অনেক অনেক ভালো লাগলো ।
পারভার্ট এর জন্য শুভকামনা । অভিনন্দন শব্দপুঞ্জকে ।
লেখকের মন্তব্য
আগুন্তুক দা, আমি নিশ্চিত ছিলাম, আপনি আসবেন। যাই হোক, নুতন চাকুরীর জন্য শুভেচ্ছা (আমাদের একটা আড্ডা পাওনা হয়ে গেল, খাবার দাবার চাই!) বেসরকারী চাকুরীতে কাজ শুরু হয় সন্ধ্যায়, শুক্রবারে অফ ডে অনেক কোম্পানিতে চলে না!
বিবাহ করলে কি হবে ভাবুন, প্রায় সব মিস হয়ে যাবে!
বিবাহের কথা শুনে শুনে

আগন্তুক ভাইয়ের বেহাল দশা! বিয়ের পর বউ না আবার বলে বসে,
শুভকামনার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
লেখকের মন্তব্য
চাকুরী বেছে নিলে ভাল করবে! হা হা হা।।।।
এই পোস্টে প্রথম কমেন্ট করেছি আমি! বিশ্বাস না করলে সময় দেখতে পারেন! অথচ কী এক অজ্ঞাত কারণে আমার সে কমেন্ট চলে এসেছে অনেক নিচে। চতুর্মাত্রিকের এ হেন কারসাজিতে (নাকি যান্ত্রিক গোলযোগ?) বড়ই বিস্মিত!! কেমন যেন একটু আতঙ্কিতও বোধ করছি!!! কোনদিন যেন আমার কমেন্ট অন্যের নামে বা অন্যের কমেন্ট আমার নামে চলে আসে? তখন ভেজালটা লাগবে কেমন, চিন্তা করে দেখুন!!!
[কে জানে এই কমেন্ট আবার কোনখানে চলে যায়? দিলাম সবার শেষে!]
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।। কমেন্ট করে তা আবার এডিট করবেন না, তা হলে মাঝে কেহ চলে আসতে পারে! আমার এমন বহু পোষ্টে হয়েছে!
এডিট না করেই তো এই হাল! করলে না জানি কী হতো??
অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছি নাজমুল ভাই, আপনাকে পেয়ে। আমার বাবা অবশ্য আফসোস করেছেন, উনার নাকি আপনার সাথে আরও কিছু কথা বলার ইচ্ছে ছিল, হয়ে উঠেনি।
লেখকের মন্তব্য
আসলে আমাদের সবার জন্য আরো একটু নিরিবিলি জায়গার দরকার ছিলো। অনেক কথা সবার বলা হয়ে উঠে নাই।
আমারও খুব ইচ্ছা ছিল তেমনই। ভিড়ের যন্ত্রণা আর বসার জায়গার অভাব, দুটোই এত প্রকট যে সে ইচ্ছা বাস্তবায়ন হওয়ার কোন সম্ভাবনা ছিল না। হয়তো আবারো দেখা হবে কোন একদিন!
ইনশাল্লাহ!
ভাই আছি সাথে।
উপস্থিতি জানান দিলাম।
বাকি কথা কাল হবে।
লেখকের মন্তব্য
আড্ডা চলবেই। আজ আমিও যাচ্ছি।।
নিয়াজ ভাইকে মিষ্টি খাওয়াচ্ছে প্রিয় পলাশ দা।
বাহ চমৎকার আথিতিয়তা।
উদরাজীভাই, আমার ইমেল আইডি কি ভুলে গেলেন?
লেখকের মন্তব্য
সকালে অফিসে এসেই আপনার ইমেল খুঁজতে আমার ইমেইল এডেস বুকে গেলাম। মেঘ নামে ৫টা ইমেইল আইডি আছে, তখন থেকে ভাবছি! কারে পাঠাইয়া কার কাছে ধরা খামু! কর্নফাম করেন আগে।।।।
আপনার ছবি সুন্দর আসছে (ভাবছি কপিরাইট চাইব! হা হা হা।।)
লেখকের মন্তব্য
কারিমাট ভাই, আড্ডা আড্ডা আড্ডা!
কালকের আড্ডাটা আসলেই খুব জম্পেস আর প্রাণবন্ত ছিল।
শব্দপুন্ঞ্জ ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার ব্যাপক আগ্রহ ছিল।
আগ্রহ মিটলো, কিন্তু ওনার ব্যস্ততার জন্য সেভাবে কথা হলো না।
ভবিষ্যতে হয়তো অন্য কোন আড্ডায় অতৃপ্তিটা পুষিয়ে নিব।
সে পর্যন্ত ভালো থাকুন ফয়সল ভাই, ভালো থেকো আমার প্রিয় সব বন্ধুরা।
লেখকের মন্তব্য
ঈশান, তুমিতো এখন আড্ডা স্টার!
আগামী শুক্রবার আবারও আড্ডা, ঈশান, দুপুরের পরপরই চলে এসো বইমেলায়, দুর্ভেদ্য ভিড় জমবার আগেই।
এই আফসোসটা আমারও রইল, অনেকের সাথেই সেভাবে ঠিক আড্ডানো সম্ভব হয় নাই। তবে আশা করছি, অদূর ভবিষ্যতেই আবার কোন আড্ডায় দুঃখটা পুষিয়ে নেয়া যাবে।
অনেক অনেক ভালো লাগলো সেদিন!
দুটা মিষ্টি খেয়েছি
অনেক শুভ কামনা রইল।
শুভেচ্ছা-
আপনার পাঠ প্রতিক্রিয়া জানাবেন কিন্তু।
কখনও ভাবিনি পারভার্ট এর জন্য শুভকামনা জানাতে হবে!
জোক্স এপার্ট,
ফয়সালের সাথে আজই দেখা হলো, খুব ভালো লাগলো।
আন্তরিক কামনা করি পারভার্ট পাঠকপ্রিয়তা পাক।
অনেক ধন্যবাদ নস্টালজিক ভাই। আপনার পাঠ প্রতিক্রিয়া জানার অপেক্ষায় রইলাম।
শুভকামনা শব্দ
ভাললাগছে ছবিগুলো দেখে
থেংকু উদরাজী
ধন্যবাদ জলাপু। এই বই প্রকাশের বেশ খানিকটা কৃতিত্ব আপনারও বটে।
সাহাদাত ভাইয়া, আপনাকে যে লাল গেঞ্জিতে একেবারে হিরো হিরো লাগছিলো সেটা বলছেন না কেনো?
পারভার্টের জন্য শুভ কামনা রইলো।
সাহাদাত ভায়ের বয়স অনেক কমে এসেছে।
লাল গেঞ্জিতে।
আসলেই।
নুশেরাপুর আন্তঃমহাদেশীয় হাহাকারে যুগ দিতে দেরী হয়া গেলো বলে সবাই পেটেরপীড়া থেকে বাঁইচ্যা গেলেন(বলেন আলহামদুলিল্লাহ!) যদিও ফটুকের সবাইরে চিনি না তাপরও ফটুকের আড্ডাবাজি ভালু পাইলাম। নয়নমিয়ার ফটুক নাই ভাইটি? তার ফটুক থাকলে দিয়ালানদি। পারর্ভাটভাই, থুরি শব্দভাইরে ধুমাইয়া অভিনন্দন শুভেচ্ছা। উদরাজীভাইরে ধইন্যা।
চেরাগালী ভাইরেও ওয়ালাইকুম অভিনন্দন, শুভেচ্ছা।
আমি কিন্তু বেশি মিষ্টি খাইনাই, মাত্র তিনটা।
যা খাওয়ার খাইছে হালিম ভাই আর উদরাজী ভাই। হালিম ভাই গপাগপ করে চারটা খাই ফেললো, আর উদরাজী ভাই তো লাল মিষ্টী শেষ করে অন্য গ্রুপ থেকে সাদা মিষ্টি ধার করে খেলো।
মিষ্টি নিয়ে একটা মজার ঘটনা আছে, আমার হাতে মিষ্টি থাকার কারনে আমিই শুধু জানি। আর কেউ জানেনা।
হা হা হা - মিষ্টি নিয়াও তাহলে মজার ঘটনা আছে! তাত্তাড়ি কয়া ফালান মানিক ভাই!
আপনার ছবি নাই কেনু
লেখকের মন্তব্য
আমার ছবি ভাল উঠে না! তা ছাড়া নিজের ছবি নিজে ক্যামনে তুলি! যারে আমার ছবি তুলতে দেই, বাসায় যেয়ে 'দেখি আর কান্দি'! তাই ছবি তুলি না!
হি হি হি
ফেবুর ইভেন্টস্ এ কথা দিছিলাম উপস্থিত থাকব, ছিলামও কিন্তু ততক্ষনে সব শেষ। মিস করলাম। দুঃখিত শব্দপুঞ্জ।
সাক্ষাত পাইলে ভালই লাগত। শেষদিকে কয়েকজনের সাথে পরিচয় হইল, অঙ্ক, তানিম - প্রমুখ। আপনি ছিলেন কই? আমরা তো মেলায় শেষ পর্যন্ত ছিলাম।
যাহোক, আপনার পাঠ প্রতিক্রিয়া জানার অপেক্ষায় রইলাম।
আর মুখ ব্যাজার কইরা কী হপে সু'দি? বরং এক কাজ করেন, ঢাক-ঢোল পিটায়া একদিন ঢাকায় আসেন, ধুম আডদায় যত দুঃখ সব ভুইলা যাই!
সাহাদাত ভাই, অনেক অনেক শ্রদ্ধা, ভালবাসা আর ধন্যবাদ এই অসামান্য আন্তরিকতার জন্য। আমি জানি আরও অনেক ছবি আপনি তুলেছিলেন। যেগুলোয় অন্য ব্লগারের অনুমতি প্রয়োজন, সেগুলো বাদে বাকীগুলো কি আপনি একটু কষ্ট করে আমাকে মেইল করে দেবেন? (ঠিকানাঃ foisal99@gmail.com)
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ফয়সল ভাই। আপনি অনেকের জবার দিয়ে আমার ভার মুক্ত করলেন, খুশি হলাম। পোষ্টের ধারাবাহিকতা আমিও ধরে রাখতে পারছিলাম না।
হা, আগামী কাল পাঠিয়ে দিব।
(হা, আপনি ঠিক ধরেছেন। আনুমতি বা রাগ করতে পারেন যে জন্য অনেকের ছবি দেয়া হয় না।)
লেখকের মন্তব্য
ছবি গুলো পাঠিয়ে দেয়া হল। আশাকরি পেয়েছেন।
পেয়েছি, অনেক অনেক ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা সাহাদাত ভাই!
মন্তব্য করুন