সাহাদাত উদরাজী-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

বইমেলা আসলে এখন আমাদের প্রানের মেলা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বইমেলাকে ঘিরে কত শত মানুষের ব্যস্ততা, কত জীবিকা। মানুষের এই ব্যস্ততা দিনদিন যেন বেড়েই উঠছে! মানুষের জয় নিশ্চয়। চলুন কিছু ছবি দেখি।

ছবি ১

ছবি ২

ছবি ৩

ছবি ৪

ছবি ৫

ছবি ৬

ছবি ৭

ছবি ৮

ছবি ৯

ছবি ১০ - বই প্রেমিক।

ছবি ১১

ছবি ১২ - বইমেলায় প্রবেশে এমন লাইন চোখে না দেখলে বিশ্বাস হবে না। প্রায় শাহবাগ/ছবির হাট থেকে লাইন শুরু হয়েছিল।
মন্তব্য
শাড়ী চুড়ির রিনিঝিনি
বইপত্তর বিকিকিনি
মাটির জিনিসও আছে দেখি
কিছুই দেয়না আপনার চোখকে ফাঁকি!
লেখকের মন্তব্য
নয়ন দা, মুল পোষ্ট আসছে।।।।। মোড়ক উন্মোচন ও কত কি।।।। চোখ রাখুন।।।
এই পোষ্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে নিব।
এ কি করলেন সাহাদাত ভাই! ছবি ১, ২ আর ৮ দেখে তো হার্ট ফেইল করতে পারি!
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।। ১, ২, ৮ - ইস এই দিয়েই যদি জীবন চলত! ধন্যবাদ বোন।
দাদা দারুন কালেকশন।
আছেন কেমন আপনি??
লেখকের মন্তব্য
করিম ভায়া, ভাল আছি। কিন্তু ভাল কোন কাজ/কিছুতে মন বসাতে পারছি না। মনের কোথায় যে অসুখ হল, কে জানে।।।। শুভ কামনা।
অমা একি??
নিয়াজ ভাইরে কল দিব নাকি???
আমাদের চতুরের ব্যাস্ত ডাক্তার।
লেখকের মন্তব্য
না করিম ভায়া, এটা ডাক্তারের কাজ নয়! সময়ে সেরে যাবে!
হায় হায়! আমি কবে ব্যস্ত ডাক্তার হলাম?
অনেক সুন্দর লাগলো উদরাজী ভাইয়া।
শাড়ী-চুরি আর হাবিজাবির মেলায় কিছু বইয়ের স্টলও আছে দেখছি!
লেখকের মন্তব্য
পথের বই কিনছেন অনেকেই। যাদের সামর্থ্য কম আমার মত যারা, আমি পথের দোকান থেকে পুরানো ৬ টা উপন্যাস কিনেছি (বিভূতি আমলের)। পরে এক লোক বলছেন, এই বইয়ের পাতা নাকি কম থাকে।।। উপন্যাসের মাঝে মাঝে খৈ হারিয়ে ফেলার দশা হয়।
উদরাজী ভাই খৈ খেতে খেতে উপন্যাস পড়েন! কিন্তু আপনার খৈ হারায় কেম্নে? কোন চোরা নিয়া যায়?

সুন্দর কালেকশন! আরো অনেক কিছু বাদ গেছে।
আর একদিন সময় নিয়ে যেয়ে সেগুলোর ছবি তুলে সকলের সাথে শেয়ার করবার অনুরোধ থাকলো।
লেখকের মন্তব্য
হুদা ভাই, সেই সময় কোথায় পাই।
আগামীকাল দুপুরে চলেন যাই!
চুড়িগুলা পছন্দ হইছে, কিন্তু আমি তো চুড়ি পড়ি না!!!

বই মেলাতে এইসব হাবিজাবি কিনতে কে যায়????
লেখকের মন্তব্য
বোন, আমাদের এই প্রিয় দেশে সবাই আমরা লেখা পড়া জানি না! চুড়িতে হাতের সৌন্দর্য বাড়ে।
ক্যামেরার চোখ দিয়ে বইমেলা দেখতে ভালই লাগছে ।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ। আমার ক্যামেরা ভাল ক্যামেরা নয়, মাঝারি মানের। ক্যামেরার চোখে আলো একটা বিরাট ব্যাপার। শুভেচ্ছা থাকল।
ছোট ছোট ছেলেরা বাচ্চাদের ছবির বই নিয়ে বসে, আর বাচ্চাদের খেলনা তো আছেই। ভালোই লাগে বইমেলার বাইরের এই মেলা।
লেখকের মন্তব্য
হা বোন, মেলার বাইরেও মেলা! লাইনে দাঁড়িয়ে মেলা পর্যন্ত যেতে যেতে যা দেখেছি মাত্র।
চটের ব্যাগ এর ছবি গুলান কই উদারজী সাহেব?
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ জিনিয়াস ভাই, ছবির হাট থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। হাতের বা পাশ্বের ফুটপাতের ছবি এগুলো। এখানেই কোথায়ও হবে। অনেক কিছু, অনেক কথা।
ব্যতিক্রমী ছবি ব্লগ। চোখের সামনেই ছিল, অথচ কখনোই সেভাবে খেয়াল করা হয়নি।
লেখকের মন্তব্য
আপনার বইয়ের মোড়ক উন্মোচনে যেতে লাইন ধরতে হয়েছিল। হাতের বা পাশেই এসব ছিল। কত ধরণের জীবিকা।
ধন্যবাদ।
মন্তব্য করুন