লেখকের ক‌থা

সদর দরজা

ছবি ব্লগঃ 'মৌনমুখর বেলায়' এবং রেজওয়ান তানিম (আমাদের তানিম ভাই)

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রেজওয়ান তানিম (আমি তাকে তামিম ভাই বলি, তানিম নয়) একজন ব্লগার হিসাবে পরিচিত হলেও তিনি মুলত কবি, একজন কবি বলতে যা বুঝায়। শব্দের তুলিতে কবিতায় চিত্রাংকন কোন সহজ ব্যাপার নয়। নানান ব্লগে তার কবিতা পড়ে (আমি এখন আর কবিতার ভাল পাঠক নই) ছিলাম কয়েকটা কিন্তু তেমন ভাল করে বুঝে পড়া হয় নাই। কবিতা বুঝতে হলে যে মেধা ও ধৈর্য থাকতে হত তা আমার নেই বলে আমি মনে করি। এমনি এক সময় কবি তানিমের সাথে এক নজরুল সন্ধ্যায় পরিচিত হয়ে যাই এবং কবি তানিমের কন্ঠে তার রচিত একটা কবিতার আবৃত্তি শুনে বিমোহিত হয়ে যাই! আরে একি! কবিতায় তিনি কি বলে যাচ্ছেন। ভরাট গলায় তার আবৃত্তি সেদিন শুধু আমি নই, গোটা পঞ্চাশেক ব্লগের মানুষ আমরা সবাই অবাক হয়ে পড়েছিলাম। কি গলার কারুকাজ, কবিতার প্রতি কি দরদ।

এমনি করে দিন যাচ্ছিলো। এবারের বই মেলায় তার লিখিত বই আসছে শুনে ও দেখে আসছিলাম নানান ব্লগে। ফেব্রুয়ারীর ২ তারিখে বইমেলায় গিয়ে তার সাথে দেখা হয়ে গেল। তিনি জানালেন, তার বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হবে ১০ ফেব্রুয়ারীতে। আমি নুতন বইয়ের মোড়ক উন্মোচনে সব সময় থাকতে ভালবাসি এবং তাকে কথা দেই আমি থাকব। কিন্তু সেদিন আমি ভীড় ভেঙ্গে বইমেলায় যেয়ে দেখি, কবি রেজওয়ান তানিমের কবিতার বই 'মৌনমুখর বেলায়' মোড়ক উন্মোচন হয়ে গেছে। কি আর করা, কবিকে দেখেও পালিয়ে বেড়ালাম এবং পরে অবশ্য দেখা করে অনুমতি নিয়ে কয়েকটা ছবি তুলে ছিলাম।


ছবি ১


ছবি ২


ছবি ৩


ছবি ৪

কবির মুখের নিষ্পাপ ভাষা আমাকে প্রায় ভাবিয়ে তোলে। কবিরা কেমন ভাল হতে পারেন তা তাকে দেখলেই বুঝা যায়। কবির বইয়ের প্রতিটা কবিতাই ভাবিয়ে তুলবে বলে আমি মনে করি। প্রতিটি কবিতাতেই তিনি তুলে এনেছেন সেরা শব্দ, সেরা অনুভূতি। আমি ভাল কবিতাবোদ্বা হলে হয়ত আরো ভাল করে বলতে পারতাম। যারা কবিতা ভাল বাসেন, আমি নিশ্চিত তারা কবি রেজওয়ান তানিমের কবিতার বই 'মৌনমুখর বেলায়' পড়ে আনন্দিত হবেন। বাস্তবভিত্তিক, রোমান্টিক, কল্পনা - কবির উপস্থিতি প্রায় সব স্থানেই। কয়েকটা কবিতা চলুন দেখে নেই (কবির কাছে ক্ষমা চেয়ে তুলে দিচ্ছি, পাঠকের ভাবনার জন্য) -

হে রুদ্র বৈশাখ
তুমি এসেছ বলেই হে রুদ্র বৈশাখ,
হে প্রলয় নটরাজ, স্বস্তি নামে ধরাতলে ।
চিতাগ্নি হতে প্রবল খান্ডবদাহন নিয়ে ;
চৈত্রদেবীর নিদারুণ অনাচার, তুমি করো রোধ-
তোমার প্রাবল্যে সে করে পৃষ্ঠপ্রদর্শন ।
বিগত বৎসর হতে বর্ষপঞ্জি নূতন পাতায়
নেয় আশ্রয়, পূর্ণ হয় নতুনের আগমনে ।
শোনা যায় নতুনেরে বরণের গান “ এসো এসো
হে নবীন অগ্নিঝরা বৈশাখ “।
অগ্নিবানে ভস্ম হয়ে যাওয়া উসর পৃথিবী
ফিরে পায় শ্বাস, জড় দেহে তার প্রাণপ্রতিষ্ঠা
তোমারি হাত ধরে হে বৈশাখ ।
কলরোল ভুলে যাওয়া, তরুণ প্রভঞ্জন
আবারো নাচে মত্ত্ব দোলায়, গায় উড়িয়ে নেবার গান ।
মর্ত্যলোকের দশদিকে মাতম ওঠে প্রলয় বায়ুর !
ঈশান কোন হতে পুঞ্জ পুঞ্জ মেঘ নেমে আসে-
অন্ধ বেগে, আনে কালবোশেখীর ধারা।
অঝোর বর্ষণে ধুয়ে মুছে যায় লেগে থাকা
পঙ্কিলতা যত ধরণীর । দেখে তাই নবীন প্রাণে
জাগে উচ্ছাস, রক্তধারায় প্রলয় খেলা
খেলে বৈশাখ । তাই শহরে নগরে, গ্রামাঞ্চলে
কানাগলি রাজপথে, চলে লাল শাদা আর হালখাতার উৎসব ।
শুধু তোমারি জন্যে হে বৈশাখ
আমাদের ভোলাদিনের স্মৃতিগুলো,
একে একে নাড়া দেয় হৃদয়ে ।
তাই পাঞ্জাবি, ধুতি আর শাড়ি আবার শোভা পায়-
প্রৌঢ়, যুবা, শিশু রমণী সবার অঙ্গে ।
নতুন সাজে সবার ক্লান্তিহীন আনন্দ ভ্রমণ
মুখে সবার একটাই বাণী, শুভ নববর্ষ ।
বিশ্বায়নের এই তীব্র ভীষণ টানাপোড়েনের দিনে,
নাগরিক ক্লান্তিতে, ফিরে আসে আবার পুরোনো
আচার প্রথা । এই একদিনে আমরা ফিরে যাই
শত বছরের লালিত বাঙালি সংস্কৃতি দ্বারে ।
সমস্ত দিনের হাড়ভাঙা খাটুনি, হালের বলদের পিছে
দাড়িয়ে বশে আনা, অবাধ্য শক্ত জমিন । বীজ বোনা
ফলানো সোনার মতন মুঠি মুঠি ধান ।
ঘরে ফিরে মরিচপোড়া, লবন যোগে মাটির সানকিতে
বাসি পান্তার অমৃত ভোজন, আমরা এখনো অনুভব করি
নগরের মাঠে ময়দানে, তুমি এসেছো বলে হে বৈশাখ ।
অনন্ত বিস্মৃত হোক তোমার এ জয়যাত্রা, তাই মোরা
করে যাই প্রার্থনা – বারেবারে এসো ভৈরবো সুরে,
হে রুদ্র বৈশাখ ।

তুই
কত ভাল যে তোরে বাসি,
কেমনে বুঝাই?
কিসের মায়ায় যে কাছে টানস !
বুঝবার পারি না।
প্রত্যুষ সকাল , উত্তপ্ত দুপুর কী নিশীথ রাইতে
তোরেই শুধু দেহি- কল্পনায়
ভাবনায় ,চিন্তায় আমার চাইর পাশে।
বুকের মইধ্যে আমার-
লেলিহান আগুনের সাগর।
নিশিদিন তৃষ্ণার হল্কা
লাগে আমার মাথায়, তপ্ত করোটিতে হঠাৎ-
ওঠে মিলনের সাধ, অতৃপ্ত কামনা
তোরে দেইখা।
যখনি চক্ষের সামনে আমার -
দাড়াস তুই
বুকে তোলস মরণের সুনামি
সেই ঢেউয়ে
ভাইসা যাই আমি-কল্পনার কূলে।

চাইয়া দেখ্ – ঐ অচিন পাখি হইয়া
তুই উইড়া বেড়াইতাছস-
আমার মনের আকাশে,
এধার হইতে ওধার , এপার হইতে ওপার।
সে আকাশ জুইড়া
আছস খালি তুই!
সেইখানের পূর্ণিমার চান্দ-জলন্ত সুরুজ;
একমাত্র তুই।
তোর কোমল আদর, আমারে করে পাগল।
আবার তোর তেজ-
আমার কেন্ যে উদ্দীপ্ত করে,
আমি নিজেই জানি না!
সত্যিই তুই রাজরাণী, আমার গরিব খানার-
রতœ একটা, আমি তোর-
কেনা গোলাম। কেমন কইরা বল
বুঝামু তোরে
কত ভাল যে তোরে বাসি?

বাবা
ক্ষুদ্র এই পৃথিবীতে এতটুকু জীবন আমার,
তারো চেয়ে ছোট আমার চাওয়াগুলি;
জীবনের কাছে। কখনো ছুটিনি আমি-নাম,
যশ,খ্যাতি কিংবা অর্থের অন্ধ মোহে।
জীবনের প্রতি আস্থা রেখে চলেছি আজতক,
একটা স্বপ্ন বুকে করে-একজন ভাল বাবা হব আমি !
চেষ্টা করে যাব তার তরে অনন্তকাল।
আজ আমি সার্থক। আমার ছোট্ট প্লাবন
আজ আমার কানে কানে বলেছে-বাবা, তোমায় আমি
সব থেকে ভালবাসি, মা’র চেয়েও বেশি।

ভাল একজন বাবা হওয়া আমার জন্যে
অনেক কঠিন, এমনকি বিল্ গেটস হবার থেকেও!
আমি তো জানিনা, বাবারা কিভাবে
কোলে তুলে নেয় তার ছেলেকে-
অফিস ফিরে। পাড়া বেড়ানো কিংবা
চকোলেট দেবার বিনিময়ে, কিভাবে আদর চায়
অবুঝ ছোট্ট খোকার। আমার জন্মের পর
বাবাকে দেখিনি কোনদিন। মা বলতেন-
তোমার বাবা নেই। আমি ভাবতাম মারা গেছেন।
অনেক বছর ওই জেনেই ছিলাম,
একদিন একটা কুরিয়ার এল-
আমার একাকীত্বের জীবনে প্রলয়ঝড় নিয়ে!
আমি জানলাম- আমারও বাবা আছেন,
মৃত নন তিনি। তিনি জানেন,মা মারা গেছেন-
আজ তিনদিন হল। তিনি জানেন-আমি এখন
ভীষণ একা, জানেন-আমার অর্থনৈতিক দৈন্যের কথাও!

স্তম্ভিত আমি, বাস্তবতার রূঢ়তায়!
আমার জন্মপরিচয়ে তবে একরাশ কলঙ্কের বোঝা?
নস্ট ভালবাসার অভিশপ্ত ফসল আমি?
নরকের কীটের মত, জারজ সন্তান একটা।
অর্থহীন মনে হয় জীবনটাকে,
বাবার চিঠি পড়ে যায় হাত থেকে।
তার পাঠানো টাকা আর আত্নপ্রতিকৃতির
পৈচাশিক ক্রূর হাসি- আগুন ধরায় আমার মাথায় ।
ভেঙে ফেলি বাঁধানো ফ্রেম, ভাঙা কাঁচের টুকরো দিয়ে
পোচ দেই হাতে, দর দর করে ঝরে পড়ে
কালচে নষ্ট রক্তগুলো আমার।

কাঁচ ভাঙার ঝনঝন শব্দ, আমার ঘর ছেড়ে
আছড়ে পড়ে পাশের ফ্ল্যাটে। ছুটে আসে
ও ঘরের মেয়েটা । তড়িঘড়ি করে বেঁধে দেয়
আমার বিষাক্ত রক্ত ঝরা হাত। কেঁদে ওঠে আনমনে
তোমার কিছু হলে- আমার কি হবে??
ও আমায় নিয়ে যায় ডাক্তার বাবুর কাছে।
অবাক ব্যাপার রোজ আমার কলেজে যাবার পথে
চেয়ে দেখত-জানলা থেকে, কোনদিন কথা বলেনি!
আমিও বলিনি কখনো- ভাল আছ?
ফিরে আসি ডাক্তারের ওখান থেকে।
ঘরে ফিরে ও বলে, আমি আছি, তুমি একা নও,
ঈশ্বর তোমার সহায়।

পাশের ফ্ল্যাটের সেই ক্লারা , আজ আমার স্ত্রী
আমার সংসারের আলো-প্লাবন রোজারিও
বছর তিনেক বয়স, রোজ বিকেল হলেই ছুটে আসে
দরজার কাছে-কখন বাবা আসবে, বাবা আসবে!
আমি ঘরে ফিরেই ওকে বুকে জড়িয়ে বসে থাকি
অনেকক্ষণ, এরপর চকোলেটের খোঁজে
আমার পকেটে হাত চালায়। আমি বলি-বাবা,
আদর করে দাও। তখন ও আমার গালে আকে
আমার বিজয় তিলক; মনে আসে অহঁঙ্কার
আমি সত্যিই একজন বাবা; আমার সন্তানের ভালবাসা
আমি পেয়েছি। আমি একজন গর্বিত বাবা।

(আহ, কবির ভরাট কন্ঠে যদি কবিতা গুলো শুনতে পেতাম!)

কবি রেজওয়ান তানিম ভাইয়ের লেখক জীবনের সাফল্য কামনা করছি। 'মৌনমুখর বেলায়' দিয়েই যে তিনি সে সাফল্যের সিঁড়িতে উঠে পড়েন, এই কামনা করছি। শুভ হউক তার পথচলা। শুভেচ্ছা নিন কবি।

0
আপনার মূল্যায়ন: আপনি মূল্যায়ন করেন নি।
শেয়ার করুন » Facebook Twitter Delicious Digg MySpace Google Orkut Blogger Google Buzz Technorati
অথবা এই সংক্ষিপ্ত লিংক শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭০৬৭(১)    

চতুরে একটু অনিয়মিত আছি।
আপনার পোস্টে আসলাম বেশ কিছুদিন পরে।
কবিতা আমি নিজেও ভালো মতো বুঝি না। যতটুকু বুঝি সেটা নিয়ে চুপ করে থাকি পাছে নিজের অজ্ঞতা বের হয়ে যায় সবার সামনে। তবে এই কবিতা দুটি পড়ে ভালো লাগলো।

শুভকামনা রেজওয়ান তানিম আর পোস্টের জন্য উদরাজী ভাইকে সাধুবাদ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭০৬৯(২)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ আমিন ভাই। আপনার কমেন্ট দেখে আবারো কম্পিউটারের সামনে বসে পড়লাম। নাইট শিফটের কাজ শেষ বাসায় ফিরছিলাম। বাসায় যেয়ে টানা ঘুম দিতে হবে। আগামী দেড়দিন নেটে অনুপস্থিত থাকতে পারি। আপনার তো এখন সময়! হা হা হা।।

শিমুল ভাই, আমিও কবিতা এখন আর বুঝি না। মাথায় ধরে না। তবে কবি তানিম ভাইরে নিজ কন্ঠে কবিতা শুনে আমি তার ভক্ত বলে গেছি। ইউটিউবে মনে হয় তার লিঙ্ক (লিঙ্ক কেহ আবশ্যই জানবে) আছে। শুনে নিতে পারেন।

আপনার জন্য শুভেচ্ছা থাকল।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭০৬৮(৩)    

বসন্তের এই সকালে একজন কবি, তার সুন্দর কবিতা আর সদ্য প্রকাশিত কবিতার বই নিয়ে এই আলোচনা পড়ে মুগ্ধতায় আবিষ্ট হলাম। সেদিন কবি তানিমের সাথে প্রথম আলাপে এমন করেই মুগ্ধ হয়েছিলাম। হাসিমাখা মুখখানা দেখে অন্তর ভরে উঠেছিল।
ধন্যবাদ ভাই সাহাদাত উদরাজী, অতি যত্নে মৌনমুখর বেলা এবং তার লেখককে নিয়ে এমন সুখপাঠ্য পোস্টের জন্য।
কবিকে শুভেচ্ছা, তার সার্থক কবিজীবন কামনা করি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭০৭০(৪)    
লেখকের মন্তব্য

হুদা ভাই, আপনাকেও ধন্যবাদ। মালবুকা নাকি মাতলুকা খেয়ে পোষ্ট দিয়ে ঘুমিয়েছেন! এমন করা চলবে না! আমার আলুপুরির কি হল জানাবেন। আমি আর বসে থাকতে পারছি না! ঘুমাতে যাই।

কবি তানিম ভাইয়ের জন্য আমাদের প্রানের শুভেচ্ছা থাকল।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭০৭১(৫)    

মালবুকা নাকি মাতলুকা খেয়ে পোষ্ট দিয়ে ঘুমিয়েছেন!

এটা আসলে মাকলুবা। কেমন করে যেন ভুল লিখে ফেলেছি!!

খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ি নি তো! খেয়ে উঠে পোস্ট দিয়েছি, তার পরে গেছি ঘুমাতে!! আমার তো আর নাইট ডিউটি ছিল না। লাইট জ্বেলে আড্ডা দিয়ে বৌয়ের গোমড়া মুখ দেখার দুর্ভাগ্য থেকে রক্ষা পেতেই তো 'আর্লি টু বেড এ্যান্ড আর্লি টু রাইজ'। যান, ঘুমাতে যান। দেখা হবে দেড় দিন পরে।
শুভ নিদ্রা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭১০৩(৬)    

আহ! তানিম ভাই।
এই বইটা আমার পড়া শেষ!
আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে।
আমি খুব আনন্দিত হয়েছিলাম!

ধন্যবাদ ভাইয়া।
ভালো থাকবেন। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮১৪৭(৭)    
লেখকের মন্তব্য

আমি নিশ্চিত, কবি তানিম ভাই বাংলা কবিতায় একটা আসন দখল করে নিবেন।
আমাদের ভাললাগা সাথে থাকল।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭১১১(৮)    

উদরাজীর অন্য রকম লেখা কবিতার বইর আলোচনা ওয়াও..বলেছিলাম না কবিতা অনেক বালো বোঝেন প্রামাণ দিলেন তো। ;)
রেজওয়ার তানিমের জন্য শুভ কামনা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮১৪৮(৯)    
লেখকের মন্তব্য

আমি কবিতা আগে ভাল বুঝতাম, এখন আর বুঝি না! কবিতা বুঝতে বয়স লাগে!
রেজওয়ার তানিমের জন্য শুভ কামনা থাকল, আপনার জন্যও।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭১১৬(১০)    

শুভ কামনা তানিম ভাই।
সেই সাথে প্রিয় সাহাদাত ভাইকে।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮১৪৯(১১)    
লেখকের মন্তব্য

করিম ভায়া, কিছু কবিতা লেখার চেষ্টা করেন। আমি কিন্তু আপনার বয়সে বেশ কবিতা লিখেছি!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭১৫৬(১২)    

ভালো পেলাম পোস্ট।
তানিম ভাই ও উদরাজী ভাই দু'জনকেই শুভেচ্ছা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮১৫০(১৩)    
লেখকের মন্তব্য

আপনাকেও শুভেচ্ছা।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭১৫৮(১৪)    

কবিকে ভালা পাই

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮১৫২(১৫)    
লেখকের মন্তব্য

কবি তানিম আসলেই বেশ বন্ধু প্রিয় মানুষ। এক দেখাতেই বন্ধু হয়ে যান।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭১৬৩(১৬)    

কেককুক (সাতে সাত) বেলুন আস্ত হৃদয় পিলাচ

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮১৫৩(১৭)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ মান্নান ভাই।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭১৭৬(১৮)    

শুভকামনা রেজওয়ান তানিম আর পোস্টের জন্য সাহাদাত ভাইকে সাধুবাদ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮১৫৪(১৯)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ পলক ভায়া।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭১৮৬(২০)    

ক্ষুদ্র এই পৃথিবীতে এতটুকু জীবন আমার,
তারো চেয়ে ছোট আমার চাওয়াগুলি;
জীবনের কাছে। কখনো ছুটিনি আমি-নাম,
যশ,খ্যাতি কিংবা অর্থের অন্ধ মোহে।

কথা গুলো সত্যিই মন ছুঁয়ে যায়।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮১৫৫(২১)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ আবির ভায়া।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭১৮৮(২২)    

বাহ কবিতা অনেক ভালো লাগলো । দাদা ঘুম হলো ?

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮১৫৬(২৩)    
লেখকের মন্তব্য

সারারাত জাগার পর মোটামুটি ৮ ঘন্টা ঘুমাতে হয়! আমি সব বন্ধ করে ঘুমাই!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭২৩৪(২৪)    

রেজওয়ান তানিমের সাথে মেলাতেই পরিচয় আর কথা হলো। খুব সপ্রতিভ একজন মানুষ মনে হয়েছে তাকে। তার বইটা সংগ্রহ করে নেব। :)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮১৫৮(২৫)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ অনীক ভায়া, আমারো তা মনে হয়। তিনি আগামীতে অনেক নাম কামাবেন বলে আমি মনে করি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭২৫১(২৬)    

শুভকামনা

অটঃ>

হামা ভাই মাথায় হাত দিয়া কি চিন্তা করে?
এটা একটা ভাবনার বিষয়!!!!!!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮১৫৯(২৭)    
লেখকের মন্তব্য

হামা ভাই! হা হা হা।।।।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭২৬৫(২৮)    

তানিম ভাইয়ের ভক্ত হয়ে গেলাম ।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮১৬০(২৯)    
লেখকের মন্তব্য

ভাল লিখেন, ভক্ত না হয়ে উপায় নাই। আমিও তার কবিতার ভক্ত!

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৭৬৩৬(৩০)    

ধন্যবাদ এত গুলো ছবি সহকারে পোস্ট টা দেবার জন্য। ছবিগুলো সত্যি ভাল লাগল। আপনি দারুন তোলেন।

আর পোস্টের আলোচনার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

কবিতা গুলো কি কষ্ট করে টাইপ করেছেন ? তার জন্যে আলাদা ধন্যবাদ।

যারা বইটি সংগ্রহ করতে চান তাদের বলছি, বইটি পাবেন জাতীয় গ্রন্থ প্রকাশন (১১৭-১১৮ নং স্টলে)

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৮১৬৩(৩১)    
লেখকের মন্তব্য

ধন্যবাদ তানিম ভাই। বেশী ভাল ক্যামেরা নয়।
আর একটা ব্যাপার গতকাল আমাদের এক পরিচিত ব্লগার এসে আমাকে জানাল, আপনার বইটা নাকি ষ্টলে শেষ। নাই। ব্যাপারটা আমি বুঝতে পারলাম না। বই বিক্রি শেষ না তাদের কাছের স্টক শেষ। একটু দেখবেন আশা করি।

আপনার বইয়ের সাফল্য কামনা করছি।

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৯৮৩৮(৩২)    

বই শেষ হবার প্রশ্নই আসেনা কেননা এখনো অনেক কপি মেলাতে আসেনি।

হয়ত সেদিন দোকানে ছিল না।

আজ হয়ত আবার উঠানো হয়েছে। আমি দেখছি ব্যাপারটা

 
ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
#২৩৯৫৬৮(৩৩)    

বইটি কিন্তু আমি কিনে ফেলেছি, এখন শুধু সময় করে পড়া বাকী।

 

মন্তব্য করুন

এই তথ্যটি সর্বদাই গোপন রাখা হবে এবং কোন অবস্থাতেই তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
ছবি যাচাই
আপাতত: শুধু মানুষদের জন্যই আমাদের দুয়ার খোলা। পরে নাহয় রবোট, বায়োবট বা এন্ড্রয়েডদের কথা বিবেচনা করা যাবে।
3 + 3 =
এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করুন এবং সঠিক উত্তরটি উপরের ঘরে লিখুন। যেমনঃ ১+৩ এর জন্য লিখুন ৪।