সাহাদাত উদরাজী-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

এখন লেপ/কম্বল গায়ে আমরা ঘুমাই। শীতের মাস চলছে। চারিদিকে বিবাহের ধুম! জানুয়ারী মাসে পাঁচটা বিবাহের দাওয়াত পেয়েছি (বয়সের সাথে সাথে চারপাশ থেকে দাওয়াত বেড়ে যাচ্ছে, আমার বয়সি পিতাদের ছেলে/মেয়েদের বিবাহ লাগছে)। দুটোতে গিয়েছি, সামনে আরো তিনটে! সামনের গুলোতেও যেতে হবে (না গেলে মানসন্মান থাকবে না, মুখ দেখানো যাবে না!), তবে সাধারণত আমি বিবাহের দাওয়াতে যেতে চাই না। সময় এবং টাকার কথা ভেবে! বিবাহে গেলে অনেক সময় আসা যাওয়া এবং সেখানে নানান খেজুরে আলাপ আমার ভাল লাগে না! তার চেয়ে বড় কথা প্রতি বিবাহে দাওয়াত পেলে কমের পক্ষে দুই হাজার টাকা বা তার বেশী (ভাড়া ও উপহার বাবদ) খরচ হয়, যা আমার মত চাকুরীজীবির পক্ষে বহন করা অসম্ভব ব্যাপার, আর পারি না। উপহার দ্রব্যমূল্য সহ ভাড়া সব কিছুতেই বৃদ্বি! প্রানে আর পানি নাই! গত দুই বছরে আমার ইনকাম বলতে গেলে শুন্যও বাড়ে নাই! আমি আকাশের দিকে চেয়ে আছি! (যে কথা আপনাদের বলে গেলাম তা প্রানপ্রিয় স্ত্রী/ব্যাটারীকেও বলতে পারি না! লিমিটেড ইনকামের চাকুরীজীবিদের অবস্থা এখন কেমন তা আর ভাষায় প্রকাশের নয়। কত কথা গোপন রাখতে হয়/হচ্ছে! নিজে না খেয়ে কত সময় পার করছি!)
গত সপ্তাহে এ বছরের প্রথম বিবাহের দাওয়াত খেলাম। ধানমন্ডিতে আমার বাড়ীওয়ালার বোনের মেয়ের বিবাহ! এই ধরনের বিবাহে না যাবার কথা ভাবাই যায় না! ভাবলেই 'ভাবনা'কেই তাড়িয়ে দিতে হয় ঝাড়ুপেটা করে! তবে এখন মানুষ আর বিবাহ দাওয়াতে যান না এটা বুঝতে পারি, বিবাহের দাওয়াত খেয়ে খেজুরে গল্প শুনে। এই বিবাহেও প্রচুর খাবার বেঁচে গিয়েছিল বলে জেনেছি, এতে বুঝা যায়। মানুষ আর দাওয়াতে খাবার লোভে যাচ্ছেন না। গত কয়েক বছরে আমিও দেখেছি, সব দাওয়াতেই একই খাবার। ‘এর চেয়ে আর সস্তা করা যায় না’ ভাব! পলাও, টিকিয়া, রোষ্ট, রেজালা এবং শেষে কাপ দই বা ফিন্নি। এ ধরনের সাধারন এক প্লেট খাবারের দামও নাকি ছয় শত টাকা করে রাখা হয়/ স্টিমেন্ট করা হয়! কাগজ কলমে দাওয়াত দিয়ে খাবার বানাতে হয়। বেঁচে যাওয়া খাবার পরে বাসায় কিংবা বিবাহ সেন্টার গুলো রেখে দেয়! তবে খরচ বাঁচাতে আজকাল দুই পক্ষ একাত্রে অনুষ্ঠান করে, টাকা পঞ্চাশ পঞ্চাশ করে হিসাব হয়/দেয়! বড় লোকদের ব্যাপার অবশ্য আলাদা! কিছুদিন আগে বর্তমান ক্ষমতায় থাকা এক রাজনীতিবীদের বিবাহে দেখেছি, এলাহি কান্ড! জাতীয় সংসদের সদস্য তিনি! সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খাবার দাবার চলছিলো! বলে বুঝানো যাবে না! চলুন কথা না বলে ছবি দেখি! চতুরে খাবার দাবার ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারি না!

উপহার ছাড়া বিবাহে যাওয়া লজ্জাকর কি? বিবাহে প্রবেশের সময় উপহার দিন।

দেখে শুনে একটা জায়গা নিয়ে বসে পুড়ন।

আগে পানি নিতে ভুলবেন না।

সালাত বলবেন না অন্য কিছু! সময় কোথায় সালাত বানানোর!

পোলাউ।

পার হেড একটা করে টিকিয়া।

পার হেড একটা করে চিকেন রোষ্ট।

খাসির রেজালা (এত স্টাইল করে খাসির পিস কাটা হয় যে গোশত পাওয়া কঠিন)

মিনি কাপ দই।

পান মশলার ব্যবস্থা থাকেই। যত ইচ্ছা মুখে পুরুন, হাকিম পুরী জর্দ্দা সহ।

ছবি তোলা বিবাহের একটা বিশেষ পর্ব। ছবি ছাড়া প্রমান করা কঠিন যে, তাদের বিবাহ হয়েছিল!

ঘড়ি আংটি চেইন পর্ব।

আর আপনাদের বসিয়ে লাভ নেই। বিবাহের পাত্র পাত্রী দেখে নিন। তাদের জন্য দোয়া করুন, তারা যেন তাদের আগামী জীবন সুখে ও শান্তিতে থাকে। আমিন।
(অনেক কিছু লিখব বলে বসেছিলাম, ব্যস্ততার জন্য পারলাম না। সবাই ভাল থাকুন। পাঠক/পাঠিকা বন্ধুরা, আপনারা যারা বিবাহের উপযুক্ত আছেন, বিবাহ করে ফেলুন। যত আগে বিবাহ করবেন, ততই লাভ। আজ যা কালও তা! বরঞ্চ দ্রব্যাদির মুল্য বেড়ে আপনাকে খাবার দাবার আরো কমিয়ে ফেলতে হবে!)
মন্তব্য
কমেন্ট পরে, আগে প্রথম হই।
লেখকের মন্তব্য
ওয়েলকাম বন্ধু। প্রাণঢালা ভালবাসা।
ইশ বিয়ের ছবি দিয়ে পুরা নস্টালজিক করে দিলা বন্ধু।
যদি আবার.....।
ঈশান ভাই!!!!!!
ও ভাবী আপনি কোথায়? দেখে যান আপনার ঈশান ভাই----- স্যারি, আমাদের ঈশান ভাই কি যেন বলতে চায়?
জামি ভাই, আপনে আমার পিছনে লাগছেন কেন ? আমি আপনেরে কি করছি ?


আমি বলতে চাইছি, যদি আবার.....বিবাহ খেতে পারতাম।
ঈমা আবার নিজের বিয়ের দাওয়াত খেতে চায়!
কারেকশান- 'ঈমা ভাই' হবে
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আচার্য ভাই, সন্মান দিলে সন্মান পাওয়া যায়।
লেখকের মন্তব্য
জামি ভায়া, ঈশান নিজে বিবাহ করতে চায় না! বিবাহের দাওয়াত খেতে চায়! আহ।।।।
ঈশান ভাইয়ের মনের কথা বোঝা সাধ্য কার ?
লেখকের মন্তব্য
মনের কথা বটে!
সাকিবা এবং জামি ভাই, দু'জনের অবগতির জন্য সিরাজীর মতো করে আমিও বলতে বাধ্য হচ্ছি, ভুল করে একটা করে ফেলেছি। জীবনেও আর বিয়া করুম না।
ভুল করে একটা করে ফেলেছি।
ভাবী আপনি কোথায় ? দেখেন ঈশান ভাই কি বলে?
বিবাহিতরা বউ এর সামনে এই কথা সবসময় বলে তবে প্রথম অংশটা বলে বিড়বিড় করে পরের অংশটা জোরে জোরে।
লেখকের মন্তব্য
মারপিট বাঁধাতে চায় কে বলুন!
কত সাহসী দেখলাম! বউয়ের কাছে ভেড়া!
দাদা আপ্নিও !!!!!

লেখকের মন্তব্য
কিছু বললেই মিথ্যা হয়ে যাবে!
তাই চুপ থাকিলাম!
সত্যিই ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ভায়া, এই কথা আসলেই কাউকে বলা যাচ্ছে না! কেমন আছি আমরা!
লেখকের মন্তব্য
এতক্ষনে অরিন্দম কহিল বিষাদে!
(ঈশান বেশী সাহস দেখানোর দরকার নাই!)
লেখকের মন্তব্য
বিবাহ করতে চাও না বিবাহের দাওয়াত খেতে চাও! আমি কিছু বুঝতে পারছি না! এখন বিবাহের খরচাপাতির কোন হিসাব জান! একটু ভাল বিবাহ ব্যবস্থায় ৪/৫ লক্ষ টাকা লাগে মাত্র! তার চেয়ে।।।।।।।!
বিয়া শাদির ছবি দেখি আর দীর্ঘশ্বাস ছাড়ি।
আমারো তো একদিন এই বিপদে পড়তে হবে!! ভাবতেই আরো ১টা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ি।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।। বালক ভায়া, সেরে ফেলুন। জলদি। পরে কিন্তু আফসোস করবেন আর বলবেন, ব্লগে এক বড় ভাই একটা কথা বলেছিল শুনি নাই! শুনলে কাজ হত!
কথাটা ভাই আমি বুঝি, আর কেউ তো বুঝতে চায়না।
লেখকের মন্তব্য
আমার এক বন্ধুর ছেলে মাত্র ১৯ বছর ৯ মাস বয়সে বিবাহ করে ওর বাপের রেকর্ড ভেঙ্গেছে! ওর বাপ (আমার বন্ধু) ২৪ বছরে বিবাহ করেছিল!
কেমন লাভ বুঝতে পারছেন?
দেই খেন বাপের আগে কামটা সাইরা ফালাইয়েন না।
লেখকের মন্তব্য
যে দিন আইতাছে! কে কখন কি করবে কে জানবে!
বরের ছবিটা যেন চেনা চেনা লাগতাছে?
লেখকের মন্তব্য
দেশ ভাই, খুঁজে বের করে ফেলুন। বরের সাথে আমার কথা হয় নাই। বিবাহের দিন প্রথম দেখেছি! বেচারা বেশ টেনশনে ছিল বলে অনুমান করছি! আহ।।।।
জীবনেও আর বিয়া করুম না।
লেখকের মন্তব্য
সিরাজী ভাই, ভাবীকে নিশ্চয় এই কথা অনেকবার বলেছেন এবং প্রতি উত্তরে ভাবী কি বলেছেন! জানতে ইচ্ছা হল, মিলিয়ে দেখতাম চাই! হা হা হা।।।।
আগের বাক্যটা এবার বলি- ভুল করে একটা করে ফেলেছি। জীবনেও আর বিয়া করুম না
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।।।।
(ওরে কে কোথায় আছিস আমারে ধর। স্যারের কথা শুনে পড়ে গেলাম!)
লেখকের মন্তব্য
ডাইনোসর হারিয়ে গিয়েছে, সময় মত বিবাহ করে নাই বলেই!
হারাবার আগে বিবাহ করুন!
একেবারে মনের কথা বলেছেন। কোথাও বেড়াতে যেতেও ভয় পাই। কারো বাসায় বেড়াতে গেলেও হাজার টাকা খসে যায়। দাওয়াত এড়িয়ে চলি, চক্ষুলজ্জা এখন বাদ দিয়েছি, দিতে হয়েছে বাধ্য হয়ে।
ভালো থাকুন। বেশি দেখছি না যে আজকাল?
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ হুদা ভাই। আপনার ভাবনা আমার ভাবনা মিলে গেল।
কোথায়ও গেলে নুত্যতম দুই কেজি ভাল মিষ্ঠী নিলেই ৮০০ টাকা লাগে।
খালি হাতে কোন আত্বীয়ের বাসায় যাওয়া যায় না, বয়সের সাথে সাথে লজ্জাও বাড়ছে বলে মনে হয়!
চোহারা দেখে সবাই ভাবে, টাকা পয়সায় মাশাল্লা হয়েছি, বাস্তব কিন্তু ভিন্ন! এই সরকারের আমলে শেয়ারে ধরা খেয়ে আরো শেষ হয়েছি! অনেক ব্যাথ্যা যায় না বলা!
কেমন আছেন? অনেক দিন দেখা নাই!
নাহ্, আর পারা গেলো না! উদরাজী ভাইয়ের মুখে খালি বিয়া আর বিয়া(মাথার চুল টাইন্না ছিঁড়নের ইমো হইবে)। আল্লাই জানে, মনে কী আছে(টেবিলের নিচে লুকানোর ইমো। নাকী নিজে দিল্লি কা লাড্ডু খেয়ে পস্তাতছে বলে, সবাইকে সেই পস্তানোর ভাগীদার করতে উঠে পড়ে লেগেছে একেবারে!

চিন্তা নেই। দ্রব্যমূল্যের সাথে সাথে উপহার মূল্যও বাড়বে। কাজেই, চিন্তাটা দাওয়াতিরাও করুক!
লেখকের মন্তব্য
মানিক ভাই, বিবাহের পর আপনিও কিন্তু দাওয়াত পেতে থাকবেন! দাওয়াতী হয়ে যাবেন!
শুভ কামনা।
যাক! আপনাকে অবশেষে পাওয়া গেলো!
আমি তো ভেবেছি ব্যাটারী ভাবী আর ভাতিজার বিরহে সন্নাসী হয়ে গিয়েছেন।
রান্নাতো ভাই, এক্কেরে আমার মনের কথা কইছেন ভাই! মাসে কম করে ৩/৪টা বিয়ের দাওয়াত। আর এই সব বিয়ের দাওয়াত যাওয়াতো দুরের কথা কি উপহার দেয়া হবে, কোথা থেকে টাকা আসবে এসব ব্যাপারে কুম্ভকর্ণ ঐ মুহুর্তে সম্পুর্ণরুপে বোবা এবং কালা হয়ে যান।
যা করার তা আমাকেই করতে হয়।
বিয়ের মতো আনন্দের অনুষ্ঠান আমাদের মত মধ্যবিত্য জীবনে আতংক বয়ে আনে।
এই তো গত সপ্তাহে আমার এক বন্ধুর ছেলের বিয়ে ছিলো। বউভাতে যাবো বলেও ঠিক করেছিলাম। কিন্তু তীব্র শীতের রাতে রিক্সা/সিনজি কিছুই না পাওয়ায় আর যাওয়া হলোনা।
ছেলেপক্ষ আর মেয়েপক্ষ এক সাথে অনুষ্ঠান অনেক দিন ধরেই চালু হয়েছে। ইদানিং শুনছি বিয়েতে সোনার গহনার বিষয়টি বিবেচনায় আনা হচ্ছে। আগের মতো কত ভরি দিতে হবে তা নিয়ে দর কষাকষি নাকি হচ্ছেনা। এমন হলে তো বাঁচা যায়। এখনো আমার আপনার ছেলের বিয়ে বাকি!
লেখকের মন্তব্য
আপা, অফিসের কাজের চাপ বেশী। তা ছাড়া আশে পাশে লোক বসেই থাকে! বুঝতে পারছেন।।।।।
অনেক দাওয়াতের কথা বাসায় বলাও হয় না। আমি কুম্ভকর্ন ভাইয়ের মতই হয়ে যাচ্ছি দিঙ্কে দিন! কি বলব, ব্যাটারী নিজেই উপহার কিনে। ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে। আগে আমি কিনতাম ভাল ফুলদানী ৮০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। এখন আমরা বিবাহে হাড়ি পাতিল বা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষ পত্র দিয়ে থাকি।
বিয়ের মতো আনন্দের অনুষ্ঠান আমাদের মত মধ্যবিত্য জীবনে আতংক বয়ে আনে। কথা সত্য। রুজি তো বাড়াতে পারছি না। যখন ছিল তখন তো ভাবি নাই! দিয়েছি, প্রান ভরে। এখন আর পারি না।।।।।।
যে বিবাহে যান নাই, তারা কি ভাব্লো বলুন তো? আপনাকে কিপটা ভেবেছে নিশ্চয়! শীতের কথা কে শুনবে!
একসাথে অনুষ্ঠান ভাল দিক, মানুষের কষ্ট কম হচ্ছে।
সোনার কথা ভাবলে মথা গুরে(! সিলেটী উচ্চারণ)
ছেলের বিবাহের কথা ভেবে এখনি মাথা খারাপ হবার যোগার!
শুভেচ্ছা আপনাকে।
আজকে প্রতিজ্ঞা ছিল ব্লগে ঢুকবো না। ভাব্লাম আচ্ছা শুধু কে কে লেখা দিলো দেখি । আপনারটা দেখে আর শুনে পড়া শুরু করে শেষ করে ফেললাম।
এম্নিতেই ক্ষুধা ছিল। আর এখন তো জিভে জল চলে আসলো ।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বোন। আপনার কথা শুনে খুশি হলাম।
রান্নাটা দ্রুত শিখে ফেলুন, সহজ কাজ। নিজের রান্নার মজাই আলাদা। তা ছাড়া আপনার রান্না খেয়ে আপনার বন্ধুরা যখন তারিফ করবে, তখন দেখবেন কেমন ভাল লাগে!
আর ৫ বছর বাকি আমার বিয়ের


৫ বছর
চতুরের সবাইকে দাওয়াত দিব বলে ঠিক করেছি
লেখকের মন্তব্য
ব্লগে বা নেটে পরিচয় হয়েছে এমন ৪/৫টা বিবাহ খেয়েছি। আপনারটা খেতে পারলে মনে শান্তি পাব।
ইনশাল্লাহ দাওয়াত সবাই পাবেন
আপনারা সবাই আমার খুব পছন্দের হয়ে উঠেছেন

৫ বছর পরে দাওয়াত খেতে গেলে কত খরচ হবে কে জানে? চিন্তার কথা!! হাতে করে যে কিছু নিতেই হবে! ৫ বছর ধরে এই চিন্তা টেনে নিয়ে বেড়াতে হবে, এই আর এক চিন্তা!!
দাদা একদম মনের কথা বলেছেন। চিন্তায় আছি
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।।
লেখকের মন্তব্য
হুদা ভাই, এ যে দেখছি বিরাট টেনশন!
লেখকের মন্তব্য
ব্লগারদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চাই!
তাহলে ব্লাগরদের গলায় নেমপ্লেট ঝুলিয়ে আসতে হবে , লিখা থাকবে "আমি ব্লগার"

ইসস!!
কতদিন বিয়ের দাওয়াত খাই না!!
শেষ খেয়েছিলাম ব্লগেরই একজন মেহরাব শাহরিয়ারের বিয়ে । তার ইমিডিয়েট আগে আমার নিজের বিয়ে !!!
যাউকগা খুবই লোভাতুর হইলাম ছবি দেখে।
পরেরটা কি ফারহান দাউদের হবে?
লেখকের মন্তব্য
আপা, এত ছোট মন্তব্য করে চলে গেলে চলবে না!
লেখকের মন্তব্য
আপা, এত ছোট মন্তব্য করে চলে গেলে চলবে না!
টিকিয়ারোস্টরেজালা সবকিছুর সাইজ ছোট হয়ে গেছে তাই মন্তব্যও ছোট
বোরহানি দেয় না এখন?
বাড়িওয়ালার বোনের মেয়ের বিয়েতে আপনি কত খরচ করে কী উপহার কিনলেন? একটা আন্দাজ পাবার চেষ্টা করছি আরকি।
===========
এবার মন্তব্যের সাইজ ঠিক আছে?
ফারহানের বিয়ের অনুষ্ঠান মনে হয় আমি দেশে আসার আগেই হয়া যাবে
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।।।
প্রবাসীদের মনের কষ্ট কেহ বুঝলো না!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ শিমুল ভাই।
নিজের বিবাহ নিজে খেয়েছেন জেনে ভাল লাগল!
হা হা হা।।।।।
আরাম কইরা খাইতে আড় পারলাম কই!!
বর কনে সবার শেষে বসে এই নিয়মের বলি হইয়া যখন খাইতে বইলাম দেখি সব খাবার ঠাণ্ডা। তারপরেও খাওয়া যাইতো। কিন্তু বিয়ের কনের স্বল্পাহারের বিপরীতে আমার ভুড়ি ভোজ দৃষ্টি কটু হইতে পারে এইজন্য সামলাইয়া খাইতে হইলো।
আফসুস।
লেখকের মন্তব্য
বেশ ভাল কথা বলেছেন।
আমি এমনিতেই বেশী খাই (প্রবাসে এই অভ্যাস হয়েছিল)। প্রথম প্রথম শশুর বাড়ীতে গিয়ে কম খেতাম!
আমার ব্যাটারী এখন যখন আমাকে বেশী দেয় তখন আমি হাসি!
বলি, তুমি এত কম নিচ্ছ কেন!
তার জবাব থাকে, আর মোটা হতে চাই না!
অনেক কষ্টের মাঝে সময়টা কেটেছিল লাগছে

আপনার বাড়ীওয়ালার বোনের মেয়ে মাশাআল্লাহ বড়ই সৌন্দর্য
বিবাহিত মেয়েদের লুলীয় দৃষ্টি থেকে রেহাই দেন এটলিস্ট
লেখকের মন্তব্য
আরণ্যক ভায়া, হা হা হা।।।।। কবিতা লিখার পিপারেশন এটা মনে হয়!
কবিদের জন্য সব কিছু চলে!
বিয়েতে যাইতে হবে - উপহার দিতেই হবে এটা কী কোথাও লেখা আছে ?
উপহার দিবেন না - দেখবেন অটমেটিক মানুষজন দাওয়াত দেয়া বন্ধ করে দিবে
শুন্য আরণ্যকের কমেন্টে ভুটাপ।
লেখকের মন্তব্য
আপা, ভোট দিলেন ভাল কথা, কিন্তু বাস্তবটা তো আপনি আমার চেয়ে ভাল জানেন!
খালি হাতে কিংবা কম দামের উপহারে কি বিবাহে যাওয়া যায়!
রান্নাতো ভাই আমি সব সময় যৌতুকের বিরুদ্ধে অবস্থান করেছি। মেয়ের বিয়েতে খাট-পালং বা অন্যান্য কিছুই দেইনি, পুত্রসম ২ দেবরের বিয়েতেও কিছু নেইনি। কিন্তু বিয়ের কার্ডে উপহার বর্জনীয় শব্দটি আমার ছেলে,মেয়েদের অতি উচ্ছাসের কারনে ইচ্ছে থাকা সত্বেও লিখতে পারিনি। উপহারের মোড়ক খুলার মধ্যে নাকি অনেক আনন্দ লুকিয়ে থাকে।
তাই কি আর করা! কিন্তু আমি মনে-প্রানে চাই এ ধরনের সিস্টেম চালু হোক।
আমরা মধ্যবিত্যরা মান-সম্মান নিয়ে বাঁচি।
লেখকের মন্তব্য
যৌতুক নিয়ে কৌতুক চলে না! নানান মোড়কে এটা রয়ে গেছে!
আমিও বিয়েতে শশুর বাড়ী থেকে কিছুই নেই নাই! আমার শশুর এজন্য আমাকে অনেক বেশী স্নেহ করেন।
আমি আমার মেয়ের জন্মদিনের কার্ড লিখে দিয়েছিলাম - উপহার আনার কোন দরকার নাই - আপনার উপস্থিতিই আমাদের কাছে যথেষ্ঠ।
অনেকের মতের বিরুদ্ধে গিয়েই লিখেছিলাম । তবে আফসোস - এরপরো মানুষ উপহার নিয়ে আসছে ।
মন থেকে উপহার দিলে কার না পেতে ইচ্ছে করে - তবে জোর করে যে উপহার দেয়া দেয়ি চলে - সেটা দেখলে খুব খারাপ লাগে।
আমার এক মামা - তার নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা । সে প্রতিটা বিয়ের দাওয়াত এটেন্ড করে । এবং উপহার নিয়ে যায় ।
এতো বিরক্ত লাগে ।
মানুষ এমন কেন ? সামান্য কান্ড জ্ঞান নাই মানুষের ?
আমার বাপমা তাদের মেয়েদের বিয়ের দাওয়াতপত্রে উপহার আনতে মানা করেছিলেন, মনে পড়ে গেল। কেউ কেউ ভেবেছিলেন ওটা স্রেফ কথার কথা, হাতে করে বাক্স এনে দেখেন রাখার কোন জায়গা নাই। আপুর বিয়ের সময় যারা বাক্স রেখে গেছিলেন, নামঠিকানা ধরে-ধরে ফেরত দিয়ে আসতে হয়েছিল আমাকে!
আমার বেলায় শুধু খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্যার একটা ফটোফ্রেম নিয়ে এসে সোজা হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলেছিলেন, খবরদার মেয়ে, বাপকে বলবে না!
লেখকের মন্তব্য
আরণ্যক ভাই, আপনার কমেন্ট পড়ে হাসছি! এখনো।
উপহার ছাড়া বিবাহ দাওয়াতে যাওয়া যায় না। উপহারের লিষ্ট ধরে ধরে আপনার নাম জেনে যাবে, বিরাট মজলিসে হয়ত বলে ফেলবে, অমুক এসে খেয়ে গেছে কিছু দেয় নাই! বিশাল লজ্জায় পড়ে যাবেন।।।।।। আপনি লজ্জা পেলে ব্যাপার না, কিন্তু আপনার স্ত্রী/সন্তান কি ভাব্বে।
হা হা হা।।।।।।।
আপনার বিবাহের দাওয়াতে ফী খামু, উপহার দিমু না!
লজ্জায় পড়বেন কেন ? লজ্জাতো তাদের হওয়া উচিত - উপহারের আশায় যারা দাওয়াত দিয়েছে ।
আমার বিয়েতে করতে পারিনি - তবে আমার মেয়ের জন্মদিনে ঠিকই করেছিলাম ।
আমি আসলেই মানুষকে অস্বস্তিতে ফেলতে চাই না । একটা লোকের দেবার ইচ্ছে নাই - তারপরো তার থেকে জোর করে কিছু আদায় করা - জোর জবরদস্তি লাগে ।
খুব খুব ফালতু একটা সিষ্টেম ।
লেখকের মন্তব্য
কবি ভাই! আপনি কিন্তু মাসুম! এভাবে বললে, পাবলিক আপনাকে অনেক দৌড়াবে।
(তবে একটা কথা বলে যাই, বিবাহের মেকাপে দুনিয়ার সকল পাত্রীকেই অসাধারণ সুন্দর দেখায়!)
আমি ভাবছি মালায়শিয়ান খাবার নিয়ে একটা পোস্ট দিবো। ছবি নির্ভর । সাথে টুকটাক আলোচনা ।
আপ্নারা কি বলেন?
উদারাজি ভাই, আপনার কোন পরামর্শ আছে? কেম্নে লেখাটা ভালো করা যায় ?
লেখকের মন্তব্য
একটা কেন, মাঝে মাঝেই পোষ্ট দিন। আমাদের মালয়শিয়ান খাদ্য নিয়ে জ্ঞান বাড়বে।
আমার সহমত থাকল। পোষ্ট দিন। আপনি যেমন করে ভাবেন তাই করেই পোষ্ট দিন।
শুভেচ্ছা।
আমিই প্রথমে আমার বোঁচা নাকটি গলাই। খুব ভালো হবে সাকিবা। রেসিপির রান্নাটা আপনি নিজে করবেন। তাহলে রেসিপি লিখতে আপনার সুবিধা হবে।
আমার প্ল্যান টা ছিল কিছু ছবি দেয়া। ওদের খাবার খুব কালারফুল। একটা দেখাচ্ছি।
লেখকের মন্তব্য
এমনি এগিয়ে যেতে পারেন। আগে কিছু কিছু ছবি দিয়ে তার পর রেসিপি।
চলুক।
এগুলো কি মিষ্টি নাকি?
কোন বিশেষ খাবারের রসিপি দেয়ার চে এটা মনে হয় ভালো হবে।
সুরঞ্জনা আপনার কি মতামত?
লেখকের মন্তব্য
আপনি আগে ছবি দিয়ে জমিয়ে নিন। তার পর যেখানে যাবেন সেই খাবারের রেসিপি শিখে নিয়ে নিজে বানাবেন কিংবা যে পারে তার সাথে দাঁড়িয়ে দেখে দেখে রেসিপি নিয়ে আমাদের জন্য পোষ্ট করবেন।
আমরা আছি। ভাল লাগ্লেই কিংবা সব কিছু হাতের কাছে পেলেই আমরাও চেষ্টা করব।
আমার রান্নাতো আপা নিশ্চয় ভাল পাবেন।
আপনার রান্না????
বাংলাদেশে এসে নেই, দাওয়াত না খাওয়ালে আপনার রক্ষা নাই।
ভাব্বেনা , গিফট নিয়ে আসবোনে।
লেখকের মন্তব্য
ব্যাপার না। আসুন।
গিফট লাগবে না। আসুন আগে।
কবে দিচ্ছেন মালয়শিয়ান খাবার রেসিপি
?????
আমিও অপেক্ষায় আছি । কবে দেয়া যায় বা আদৌ দেয়া হবে কিনা!
অস্তিত্ব সংকটে আছি ।
লেখকের মন্তব্য
জলদি দিন।।।।।। আমারা মজার মজার খাবার দেখি।।।
সাকিবা আপু , আপনে অপেক্ষায় থাকলে পোস্ট কে দিবে ?? সংকট কাটিয়ে পোস্ট দিয়ে ফেলুন
এটাও মন্দ নয়। তবে ছবির সঙ্গে পরিচিতি দিলে ভালো হবে। আমরা তো বুঝবোনা জিনিসটি কি। তাইনা?
লেখকের মন্তব্য
ব্যাপার না আপা, এসে পড়েন। কতদিন আড্ডা নাই! আহ।।।
লেখকের মন্তব্য
আড্ডা ভাল লাগে!
আমার বিয়া করতে মন চায় (ভেউ ভেউ করে কান্নার ইমো হবে)
লেখকের মন্তব্য
সুমন ভাই, এইডা আবার কি বললেন!
আহারে ( সান্ত্বনার ইমো হবে)
মনে হচ্ছে ভাই শেষ ইচ্ছার কথা বলতেছেন

বিয়ে করতে মুঞ্চাইতেসে।

হুম পড়লাম।
কবে যে বিয়া করুম!
খুব ইচ্ছে হয় বিয়ের দাওয়াতে যাই।
কিন্তু পারি না
আহ চতুরের খুব আপন কেউ যদি নিজ দায়িত্বে বিয়ে শাদী করতো,(যেমন ঐতিহাসিক নয়ন ভ্রাতা) আর আমাদের কে উপহার ব্যতীত যাওয়া বাধ্যতামূলক করতো তাহলে খুব আরাম করে খেতে পারতাম।
ধন্যবাদ ।
সাহাদাত ভাই,
ভালো আছেন??
মন্তব্য করুন