সাহাদাত উদরাজী-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

(আজ ২১শে ফেব্রুয়ারী। যাদের প্রানের বিনিময়ে আমরা আমাদের ভাষা পেয়েছি, আজ খুশিমনে আমাদের ভাষার বই কিনতে পারছি, এই পোষ্ট লিখার সময় তাদের স্মরণ করছি। তাদের জন্য ভালবাসা থাকল, থাকল লাল সালাম। সালাম, রফিক, জাব্বার, বরকত সহ নাম না জানা সেই সব বীরদের আজ বারবার মনে পড়ছে। তোমরা ভাল থেকো বন্ধু, যেখানেই আছ।)
কি করে সময় চলে যায়! মনে হচ্ছে এইতো সেদিনের কথা গত বছর আমি ও আমার ছেলে বইমেলায় গিয়েছিলাম (এ বিষয়ে অন্য একটা ব্লগে পোষ্ট লিখেছিলাম, বাপ ছেলের বই মেলা ভ্রমন - বইমেলা ২০১১। দেখতে দেখতে বছর পার। এবারের বই মেলাও আমার ছেলেকে নিয়ে যেতে হয়েছিল (বছরে একবার বইমেলায় নিয়ে যেতেই হয়, বড় হয়ে উঠছে, দুনিয়া দেখছে)। এবার বইমেলা ভ্রমনে আমার ছেলের সাথে ছিল তার মা, তিনি গত বার আমাদের সাথে বের হন নাই। এবার বাসা থেকে বের হতে আমি বলি, আমি তোমাদের বডিগার্ড হিসাবে থাকব, তোমরা তোমাদের ইচ্ছামত কিনবে এবং আর এই হচ্ছে বাজেট! ব্যস।।।।। বলা যেতে পারে - মা ছেলের বই মেলা ভ্রমন, বইমেলা ২০১২! ব্যাটারী, বুলেট!
ঢাকার শহর নিয়ে আর কি বলব! রামপুরা থেকে বইমেলা পৌছার কাহিনী বলেই হয়ত এই পোষ্ট শেষ করে ফেলা যাবে। আমাদের মত পরিবারের বাহন একমাত্র রিক্সা! আর সে রিক্সা এই পথে বন্ধ, সে পথে বন্ধ এবং হঠাত করে এই রাস্তায় ঘুরিয়ে দেয়া তো সেই রাস্তায় ঘুর! রামপুরা থেকে কাকরাইল রিক্সা নিয়ে শান্তি নগরে নেমে যেতে হল, পুলিশ আর রিক্সা যেতে দিচ্ছে না! হেঁটে রাস্তা পার হয়ে দেখি, কিছু রিক্সা চলছে। আবার একটা নেই, মাৎস্য ভবনের সামনে পর্যন্ত, বাকি পথ মানে ইঙ্গিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট দিয়ে উদ্যানের মধ্যে দিয়ে হেঁটে টিএসসিতে যাব। হাটা পথ কম নয়। কিন্তু মাৎস্য ভবনের সামনে এসে রিকশাচালক ভাইকে অনুরোধ করলাম, দোয়েল চত্বরের কাছাকাছি নামিয়ে দেয়া যায় কিনা! বেচারার মায়া হল, রিক্সা না চলা পথে সাহস করে আমাদের দোয়েল চত্বরে নামিয়ে দেন। কিন্তু তাতেও প্রায় দেড়ঘন্টা লেগেছিল, দেড় ঘন্টা রিক্সার সিটে (!সিটের উপরে, কেমনে বুঝাই) বসে আমার অবস্থা কেমন তা আর কি বলব! বডিগার্ডের চাকুরীতো!

শুরুটা কোথায় থেকে করবে!

মনে হয় একটা পছন্দ করেছে!

কয়েকটা বই কিনে ব্যাগে নিয়েছে (বই কিনতে এমন ব্যাগ না নিয়ে গেলে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়, বুদ্দি আছে। বাসা থেকেই ব্যাগ।)

এখানে মনে হয় বই পছন্দ নিয়ে হালকা মা ছেলের ঝগড়া! (বাসায় নিয়ে দিবো নে!)

গরমে পড়ছে বোধ হয়! বইয়ের দামের গরম না আবহাওয়া! পাশের কিশোর কি একা বইমেলায় এসেছিল!

রাতের আলো জ্বলমল!

দোকানীদের ঝগড়াও দেখার মত। কুদুস মুততে গিয়া এত দেরী করছে ক্যান? কাষ্টমার বই না দেখে চলে যাচ্ছে!

বই মেলার সেলস গার্ল। ভাল সেজেগুজে থাকে। এবারের বইমেলায় প্রায় সব স্টলে দেখেছি।

ডোরেমনে হার্ড ব্রেক! (আমাদের শিশুরা এখন সমিরন করিমনকে চেনে না, ওরা চেনে ডোরেমন! - বন্ধু ঈশান মাহমুদের চতুর স্ট্যাটাস)। অফটপিঃ আমার এবারে হার্ডব্রেক ছিল, ব্লগারের লিখিত বইয়ে!

বই আর বই!

বাসায় এনে সাজিয়ে রাখল!

ব্যাটারীও দুটো বই কিনলেন (বই দুটোর নাম বা কভার পেইজে বাংলা লিখলে কি কম বিক্রয় হত! প্রশ্ন তোলা যায়, বাংলা একাডেমী কি বাংলাকে যথাযত সন্মান দেয়?) আমরা নাকি প্রয়োজন বুঝি না! তবে তার আক্ষেপ, তিনি বই কিনতে পারেন নাই! কিন্তু কিনবেন কি করে, অন্যপ্রকাশে কি প্রবেশ করা যায়! লবি রহমানের রান্নার বই আর হুমায়ুন সাহেবের বই ছাড়া কি চলে!

চান্সে আমিও আজ একটা বই কিনেছি!
(ঠিক ৮টা ১৫ মিনিটে বইমেলার আলো নিবে যায়। অনেকেই হয়ত প্রবেশ করছিলেন। আমার এক অফিস কলিগের সাথে দেখা হল, মীরপুর থেকে আসতে আসতেই মেলা বন্ধ! মেলায় বেশ কয়েকজন ব্লগারের সাথে দেখা হল। কুহুক ভাই জানালেন, হুদা ভাই এসেছেন? আমি মহা খুশি, বুলেট ব্যাটারীকে কোথায়ও বসিয়ে হুদাভাইয়ের সাথে চা খাব! ফোন দিলাম, না তিনি মেলায় আসেন নাই! কুহুক ভাই ভুল! পরে দেখা হল, আমার ব্লগের দাদু ভাইয়ের সাথে (যারা তাকে চিনেন তারা আমার সাথে স্বীকার করবেন)! তিনিও দেখতে হুদা ভাইয়ের মত! হয়ত এখানেই লেগেছিল প্যাঁচ! আমাদের ইচ্ছা ছিল, মেলা থেকে বের হয়ে শহীদ মিনারে রাত ১২টা পর্যন্ত থাকব। শহীদদের স্মরণ করব। কিন্তু আমাদের মত সাধারন জনগণের জন্য কোথায় কি! ভিভিআইপিদের জন্য পুরা এলাকা সিল করে দেয়া হয়েছে সন্ধ্যা ৭টা থেকেই! মনে দুঃখ নিয়ে আমরা বাসায় ফিরি।)

বইমেলা যাবার আগে হালকা ফটো সেশন! (ছবিটা বুলেটের প্রবাসে থাকা ফুফুদের জন্য দেয়া হল।)
মন্তব্য
১
লেখকের মন্তব্য
প্রথম হবার জন্য ধন্যবাদ বাপী ভাই। আশাকরি আপনিও একদিন আপনার দুই পুত্র ও ভাবীকে নিয়ে এমনি বইমেলায় আসবেন। ভাল লাগবে। শুভেচ্ছা আপনার জন্য, আপনি পিতা হিসাবে একজন অসাধারণ সেটা বুঝতে পারি!
১-এর গূঢ়ার্থ কী, বাপী ভাইয়া?

এরকম কূটনৈতিক চাল মানি না, মানি না! হাহাহা।
অনামিকাকে ভুটাপ!
মানিনাআআআআআ
মানবোনাআআআআ!!!!
নাঈফাপা, ১ এর গুঢ় অর্থ এতটাই গুড়া(ছোট অর্থে), ওইটা জাইনা কী আর হবে!
অসাধারণ! দারুণ লাগলো এই লেখা! ভিন্টাজ উদরাজী!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বাপী ভাই। পরিবার নিয়ে কোথায়ও ঘুরে বেড়াতে বেশ ভাল লাগে, কিন্তু নানান পরিস্থিতি (টাকা কড়ি সহ) আমাদের সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে।
কবে দেশে আসছেন। একটা আড্ডা বসাব আপনি আসলেই! আড্ডার সভাপতি হুদা ভাই রাজী আছেন!
হাহাহা! দেশে যাবো, আড্ডা দেবো - আমার স্বপ্ন তো আপনি জানেনই! এই বছর হবে না, আগামী বছর একটি ছোট্ট সফর দেয়া যায় কি না ভাবছি! "নানান পরিস্থিতি" - বোঝেনই তো!
- সপরিবারে বইমেলা ভ্রমণের স্মৃতি আছে, ফ্রিজে রাখা ডিমের মতন ঘুমায় ছিলো। আপনের পোস্ট সেই ডিমে টোকা দিয়া স্মৃতির ডিমের সুস্বাদ ওমলেট বানাইছে। সেই ওমলেট চাখতেসি এখন!
- স্বস্তিময় হোক আপনার সময়।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বাপী ভাই। হা হা।।।
অবশ্যই রাজী, উদরাজী কথিত রাজী নয়, তবে ঊনরাজী বা নিমরাজী! সভাপতিত্ব ধাতে সইবে না।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।। হুদাভাইকে থাকতেই হবে।
লেখকের মন্তব্য
ফারুক ভায়া, বুইঝ্যা শুইন্যা, কোথায় কি লিখতে বা বলতে হবে!
শুনেছি বিবাহের আগে নাকি মানুষ মানুষ হয় না, প্রয়োজনে বিবাহ করে নিয়ে তার পর ব্লগে!
বুঝাইতে পারলাম কিনা কে জানে।
শুভেচ্ছা থাকল।
বেশ জটিল বুঝ। বোধগম্য হওয়া কঠিন তবে অসম্ভব না।
লেখকের মন্তব্য
ফারুক ভায়া, একটা জরিপ চালিয়ে দিতে পারেন!
শুভেচ্ছা, উদরাজী ভাই ।
বুলেটতো খুবই কিউট !
ইয়ে..ব্যাটারি-বুলেটের রহস্যটা উন্মোচিত করলেন না ?
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ শিপন ভাই।
এমনি এমনি পেয়ার মহবতে তাদের আমি এই নামে ঢাকি! তবে তারাও মাইন্ড করে না!
(আপনার বই, দুই দফা পড়ে এখনো ভাবছি)
ভাবছেন, মানে কী ভাবছেন ?
পজেটিভ -নেগেটিভ যে ভাবনাই আসুক লিখে দিন !
পাঠ পরবর্তী আপনার অনুভূতিটা দেখি।
আমি গতকাল বের হয়ে বইমেলা পৌঁছাতে পারি নাই এই রাস্তা ওই রাস্তায় কানামাছি খেলার কল্যাণে। রিক্সা ঘুরিয়ে দেওয়া হলো দৈনিক বাংলার মোড়ে। আর তো জ্যাম ঠেলে এগোতে পারি না। চোখের সামনে একটা বিকেল সন্ধ্যার চেহারা নিলো, তারপর রাত।
লেখকের মন্তব্য
আপা, বলেন কিছু! আমাদের সামান্য অবসর সময় তাও হারিয়ে যাচ্ছে! আমি হতাশ হয়ে পড়ছি। কত সময় যে নষ্ট করে ফেলছি! বাঁচব কতদিন!
আব্বুজী, আব্বুজী, আমার আব্বুজী!!!


বুলেটের "দুবাই থাকা ফুফু"...তিনি কি দুবাই থাকেন? তাহলে তো উনার ঠিকানা নিতেই হয়!
আমি কিন্তু আরেক "আবু ধাবী থাকা ফুফু"...হাহাহা।
---
চমৎকার সব ছবি! ভাবীর কথা আজ রাতেই লিখবো (আপনার অন্য আরেকটা ব্লগে মন্তব্য করার ইচ্ছা আছে এই নিয়ে, অনেকদিন থেকেই ভেবে রেখেছি, লেখা হয়নি)!
বইগুলো দেখে লোভ লাগলো। ইশপের গল্প আমার কাছে বিশ্বের সেরা গল্পের অন্যতম মনে হয়।
---
দেশে কবে যাব কোন ঠিক-ঠিকানা নেই। কিন্তু, যাদের সাথে না দেখা হলে অপূর্ণতা থেকে যাবে মনে, তাদের মধ্যে একজন হল আমার আব্বুজী!
অনেক অনেক আদর!!
ভাবী আর আপনার জন্য আন্তরিক শ্রদ্ধা আর নিরন্তর শুভকামনা।।
লেখকের মন্তব্য
হা, বোন। দুবাই আর আবু দুবাই! ধাবী! আমার কাছে এক মনে হয়! হা হা হা।।।
আপনার কমেন্ট পৌঁছে যাবে।।।।
শুভেচ্ছা।
তার মানে আমিই সেই সুখী ফুফু! অনেক গর্ববোধ করলাম!!
দ্বিতীয় শ্রেনীতে পড়া লাবণ্য'র (আমার মেয়ে) আঁকা ছবি আব্বুজীর জন্য উপহার হিসেবে আপলোড করে দিচ্ছি।
(আমি নিজে একটা সরলরেখাও টানতে পারি না, নইলে আমিই ছবি এঁকে পাঠাতাম।)
অনামিকা আপু আমি আগেই বুঝতে পেরেছিলাম যে ছবি আপনার জন্য।
কিন্তু পরে আপনার মন্তব্য পড়ে ভরকে গেলাম।
আব্দুল করিম ভাই,
প্রথমবার পড়ে আমার নিজের কথাই মনে হয়েছিলো। তারপর হঠাৎ মনে পড়লো যে খালাম্মা (বুলেটের দাদীমা) বাংলাদেশে এসেছিলেন বেড়াতে কিছুদিন আগে, তারপর বুলেটের ফুফু'র কাছে বিদেশে চলে গেছেন। তাই, ভাবলাম হয়তো, আব্বুজী'র আরেক ফুফু দুবাইতে থাকলেও থাকতে পারেন। এসব চিন্তা করেই মন্তব্যটা লিখলাম।
--
এই মাসে আপনি বইমেলাতে যাবার সুযোগ পেয়েছিলেন কী?
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।।
(ফুফুদের ঝগড়া থামাতে 'প্রবাসী ফুফু'দের বানিয়ে দেয়া হল!)
আপু আমি ৯,১০ তারিখ মেলায় ছিলাম।
সোনামুখী সুঁইয়ের মোড়ক উন্মোচনে।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বোন। লাবণ্য'র আঁকা দেখে আমি চমকে উঠলাম। অসাধারণ আইডিয়া। খুব খুব সুন্দর হয়েছে!
(অবাক হবার মত ছবি)
দারুণ, দারুণ।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মানিক ভায়া। আমরা কিন্তু আগামী শুক্রবারেও আড্ডা দিব। হা হা হা।।।
সবই কপাল!

আমি একটু দৌড়ের উপর আছি এখন। না হলে আমিও ছুটে যেতাম এক দৌড়ে।
লেখকের মন্তব্য
মানিক ভায়া, আগে কাজ/মাল! পরে আড্ডা! এই নীতি মেনে চলুন! হা হা।।।।
(আমি আগে আড্ডা বস্থায় থাকি!)
ভাবীর একটা ও ক্লিয়ার বা সামনাসামনি পিক নাই। আফসোস ।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।। বোন, হুজুর মানুষ! ছবি তোলা নিষেধ আছে! টের পাইলে খবর আছে!
দারুণ একটা সফর দিলেন!
শুভেচ্ছা রইল।
ভালো থাকবেন।
লেখকের মন্তব্য
হা।।। পথে পথেই যায় বেলা। ধন্যবাদ পথিক!
পথে পথে তো আমি থাকবো। আপনি কেনও?
চমৎকার প্রিয় ভাই।
ভাই কি ভাবছেন???
আমি আপনার আর ডাকু ভায়ের পাঠ প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আছি।
লেখকের মন্তব্য
করিম ভায়া, বইটা নিয়ে এখনো ভাবছি। আরো সময় লাগবে।
ঠিক আছে দাদা।
সময় নেন।
কিন্তু লিখতে হবে।
চমৎকার পোস্ট।বাবুটা মাশাল্লাহ হ্যান্ডসাম আছে
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বোন।
সুন্দর পোস্টটা দেখে বাচ্চাবেলা মনে পড়ল।
যদিও মক্কার মানুষ হজ পায়না টাইপ অবস্থা আমার।


ছোটবেলায় আব্বু আমাকে আর আম্মুকে নিয়ে ছুটির দিনে বইমেলায় যেত।এত খুশির দিন ছিল সেটা!ভাবতাম,আমি যদি প্রতিদিন বইমেলায় আসতে পারতাম!এখন আমার হলের পাশেই বইমেলা।
তারপরেও রোজ আশপাশ দিয়ে তো হাঁটতে পারি
ব্যাটারি ভাবি আর বুলেটের জন্য
ভাইয়াকে দারুণ পোস্টের জন্য
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বোন। আসলেই। আমারো এমন অনেক মিস হয়েছে, এখনো হয়। হাতের কাছে কাজ হয় না, অথচ দুরের কাজ করে ফেলি অনায়েসে!
"সাহাদত ভাই"
বুলেট বাবুর জন্য অনেক অনেক আদর ও শুভেচ্ছা।
ভালো থাকবেন।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মনির ভায়া। শুভেচ্ছা।
বইমেলায় যাই নাই গতকাল, তবুও আমি আছি এই সফর বিবরণীতে! নিজেকে দারুন সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে। উদরাজী ভাইয়ের ফোন পেয়ে মনে হচ্ছিল, তক্ষুনি ছুটে চলে যাই। কিন্তু সময় আমাকে আটকে দিয়েছিল।
হুদা ভাইয়ের সাথে চেহারার মিল থাকা দাদু ভাইয়ের সাথে পরিচিত হবার বাসনা জাগছে।
বইমেলায় আসা-যাওয়ার বিড়ম্বনা নিয়ে আকর্ষণীয় পোস্ট কিন্তু আসলেও দেওয়া যায়। তবে তাতে সমস্যা কমার কোন সম্ভাবনা নেই।
সপরিবারে বইমেলা দর্শন বেশ উপভোগ্য, পোস্ট পড়ে কিছুটা হলেও তা অনুভব করলাম।
দুঃখ লাগছে এই ভেবে যে, গতকাল বইমেলায় গেলে ভাবীর সাথে সাক্ষাৎ হতো, বুলেট বাবাজীকে আদর করতে পারতাম! এক্ষণে আমি দূর্ভাগা।
লেখকের মন্তব্য
আসলেই হুদা ভাই, সময়ের কারনে কত কিছু যে করি না! অনেক সময় ইচ্ছা করেই বসে থাকি!

বাংলা প্রায় প্রতিটা ব্লগেই আমাদের এমন একজন প্রিয় ভাই দেখা যায়! আপনি আর শব্দের মুক্তিযোদ্বা ভাইকে একসাথে করতে পেরেছি! আমু'র দাদুভাইয়ের ছবিও একদিন ছাপিয়ে দিতে পারব! উনার সাথেও আমার পরিচয় আছে, গতকালও কথা হয়েছে! তিনি পরিবারের অনেকে নিয়ে এসেছিলেন, বেচারা ভীড়ে পরিবারের মহিলা সদস্যাদের আলগে রাখছিলেন। দৃশ্যটা দেখার মত ছিল।।।।।
আগামী শুক্রবার ফ্রী থাকলে চলে আসবেন। দেখা হবে।
ছবি কিন্তু চুরি করলাম!
শুক্রবারে যা ভিড় হয়! তবু চেষ্টা করবো।
লেখকের মন্তব্য
চেষ্টা করলে খুশি হব।
ভাবছি দুপুরের পরপরই চলে যাবো বইমেলায়। শাহবাগ থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে বইমেলায় পৌঁছাতেই শরীরের শক্তি শেষ হয়ে যায়। আড্ডা দেবার শক্তি থাকে না, রসদের তেমন যোগান নেই।
দেখা হবে।
লেখকের মন্তব্য
আগামী শুক্রবার মানে ২৪/০২/২০১২। হা আমি আছি।
ফোন দিয়েন।
আমাদের ভাতিজা তো সেইরকম হ্যান্ডসাম। দারুণ হল আপনাদের পারিবারিক মেলাদর্শন।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।। বাপের শরীরে নাই গোস, ছেলের মুখে হিটলারী মোছ!
আমিও কিন্তু বয়স কালে।।।।।।।।।।।।।।।। না থাক কমু না!
এখনি ব্যায়াম করে শরীর সিক্সপেক বানাতে চায়! কি যুগ যে আসল! হা হা হা।।।
ধন্যবাদ আপা।
গত বছর পিতা-পুত্রের বইমেলা ভ্রমণের ছবি পোস্ট দেখেছিলাম, এবার দেখলাম মা ও ছেলের ছবি পোস্ট। পিতা ছিল এখানে ক্যামেরা ম্যান আর গাইডের ভূমিকায়। আমার মেয়েকে এনে পোস্টটি দেখালাম। সে আমার কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নিয়েই ছাড়লো যে, আগামী বৃহস্পতিবার অথবা শুক্রবারে তাকে মেলায় নিয়ে যেতেই হবে। আমি অবশ্য আরো আগেই নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তার মা ভিড়ের কথা বলে তাকে এতদিন ব্যাপক ভাবে নিরুৎসাহিত করেছে। তার মার ধারনা, আমার সঙ্গে একা ছাড়লে আমি নাকি মেয়েকে ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে ফেলবো। মেয়ে ইতিমধ্যেই কি কি বই কিনবে তার একটি লিস্টও করে ফেলেছে, আমি অবাক হয়ে দেখলাম, তার মধ্যে ডোরেমনও আছে।
আমার স্ট্যাটাসটি তোমার পোস্টে শেয়ার করায় আমি সন্মানিত বোধ করছি, অনেক ধন্যবাদ বন্ধু ।
লেখকের মন্তব্য
ঈশান, ভীড় থেকে বাঁচতে সকালের দিকে কিংবা বেলা ৩টার দিকে যেতে পার। ভীড়ের জন্য আমরা অনেক স্টলে যেতে পারি নাই।
ডোরেমন পেয়ে ছেলে এমন ঠেক দিয়েছে যে, আমি না থাকলে হয়ত ওর মা'র হাতে 'ভাত' খেত!
একদিন স্বপরিবারে বের হয়ে পড়। ভাল লাগবে। ধন্যবাদ।
(গত বছরের পোষ্টটা উক্ত ব্লগ থেকে আজই কপি করে এখানে এনে রেখেছি। তুমি ও হুদা ভাইয়ের বেশ কমেন্ট ছিল।)
বাপ ছেলের বই মেলা ভ্রমন (বইমেলা ২০১১)
খালি হুদা ভাই আর ঈশানদার কথা কইলেন , আমার মন্তব্যওতো ছিলো ।
তবে, অবাক হইছি যে তথ্যটা জাইনা, ওরা আপনেরে ব্যান করছে । আমরা ক'জনতো এমনিতেই চলে আসছি ।
সেটা কিছুটা হয়তো আপনি জানেনও । ওরা ব্যান করলো ক্যান বলেনতো ! এখানে বলতে না চাইলে, এফবিতে মেসেজ দিয়েন ।
লেখকের মন্তব্য
শিপন ভাই, সরি। আমি সবার নাম খেয়াল করি নাই। অনেকদিন পর সেই ব্লগে গিয়েই কপি করে নিয়ে আসছিলাম।
আমি ফান টাইপের কয়েকটা ছবি দিয়ে ছিলাম, সেটা তারা বলছিলো অশ্লীল। পোষ্টটা বাদ দেয়া কিংবা আমাকে সতর্ক করে দেয়া যেত। আমি একদিন পরে (নাইট শিফটের পর) এসে দেখি আমাকে ব্যান করা হয়েছে যা আর এখনো খোলে নাই। যাই হোক, আল্লাহর দুনিয়াতে জায়গার অভাব নাই! বন্ধুর অভাব নাই। আমি এখন অনেক ব্লগেই লিখি।
লেখালেখিই আমাদের একমাত্র পরিচয়। লিখেই নিজকে টিকে রাখতে হয়। আমার লিখাই আমাকে বাঁচিয়ে রাখবে, অন্য কিছুতেই নয়।
সবাই ভাল থাকুক, শুভকামনা।
হাহাহাহা ব্যাপক মজা পাইছি পড়ে । :হাসতে হাসতে শেষ:
দোকানীদের ঝগড়াও দেখার মত। কুদুস মুততে গিয়া এত দেরী করছে ক্যান? কাষ্টমার বই না দেখে চলে যাচ্ছে!
সাহাদাত ভাইয়া কেমন আছেন ?
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সিস্টার।
আসলে আমরা এখনো লিখি এক আর বলি আর এক! ভাষাকে এখনো আমরা বুঝতে পারি নাই।
উদরাজী ভাই, সালাম।
আমার বই কিনেন না কিনেন- কোনো ব্যাপার না। ছবিটা যে দিলেন- এ জন্য সালাম। আমি পারতে কাউকে সালাম দিই না।
লেখকের মন্তব্য
সিরাজী ভাই, আগে সালামের জবাব দিলাম। এটা কি বললেন! আপনার বই কিনতে গিয়ে আমার ব্যাটারীর সাথে কত মজা করলাম! আমারে কয় সত্যি তোমার বন্ধু লিখছে! আমি কই হা! তার পর তিনিই টাকা বের করে দিলেন! তার পর রাতেই তিনি বই শেষ করেছেন। আমি অফিসে আসার পথে বাসে এবং অফিসে পড়ে শেষ করলাম। কিছু রিভিঊ লিখে ফেলার ব্যবস্থাও করে ফেলেছি! এই নিন আবারো ছবি।।।।
আপনার বইয়ের একটা লাইন পড়ে আমার ব্যাটারী হাসতে হাসতে শেষ! আমি সাথে সাথে দাগিয়ে নিয়েছিলাম।।।।। লাইনটা হচ্ছে।।।
৩২ নং পাতায়
'বেদিশা' শব্দটা নাকি একদম আঞ্চলিক!
আর পরিকীয়া শব্দটার অর্থ আমাকেই বুঝিয়ে দিতে হয়েছিল, যা আপনি থেকে জেনেছিলাম!
আপনাকে আরেকটা সালাম। আর ভাবীকে শুভেচ্ছা।
লেখকের মন্তব্য
আপনাকে বুঝাতে পেরে মনে হালকা শান্তি লাগছে। এবার বাসায় যাই! শুভেচ্ছা থাকল।
ভাই আপনি জিনিয়াস।
লেখকের মন্তব্য
আরে না!
ভাই লজ্জা পাইলেন মনে হয়??
হাহাহা।
বর্ণনাও চমৎকার হইসে।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ নয়ন ভায়া। আগামী শুক্রবারের আবারো আছি! আগেই বুকিং।
শুক্রবারেতো ভয়াবহ অবস্হা হয়! মানুষ আর মানুষ!
লেখকের মন্তব্য
এছাড়া আর সময় কোথায় পাই!
মা ছেলের বইমেলা ভ্রমন পড়ে খুব ভালো লাগছে ভাইজান। ছবিগুলোও খুব সুন্দর হয়েছে। ঢাকা শহরের রিক্সা ভ্রমন মানে ভুলভুলাইয়া ভ্রমন।
ইদানীং মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যেতে আমারও ঠিক ঐ অবস্থা হয়।
আমরা থাকি সিদ্ধেশ্বরীতে, মেয়ের স্কুলও সিদ্ধেশ্বরীতে, সিদ্ধেশ্বরী থেকে সিদ্ধেশ্বরী যেতে আমাকে প্রথমে যেতে হয় শান্তি নগর মোড়ে এখানে স্কুলের বাচ্চা বলে ট্রাফিক একটু নমনীয়। সামনে কর্ণফুলী মার্কেটের পাশ দিয়ে সার্কিট হাউস রোড হয়ে ডিএফপির সামনের রাস্তা দিয়ে যাই বেইলীরোড পার হয়ে ভিকারুননেসা স্কুলের পাশের রাস্তা দিয়ে তবেই বড় বড় খানা খন্দ পার হয়ে তবেই পৌঁছাতে পারি স্কুলে। কতৃপক্ষ রহস্য জনক কারণে দীর্ঘদিন যাবৎ সিদ্ধেশ্বরীর ভেতরের সব কটি রাস্তায় বড়বড় পরিখা খনন করে রেখেছে। অচীরেই হয়তো দেখবো এইসব পরিখায় কুমির পালনের টেন্ডার ছাপা হয়েছে পত্রিকায়।
লেখকের মন্তব্য
আরে আপা, আর বলবেন না! বাচ্চাকে স্কুলে দিয়ে আসতে হয় আমাকে। রামপুরা থেকে ফুয়জুর রহমান! কি যে ঝালায় আছি! এখন পুরা রামপুরা রাস্তা কাটা হচ্ছে। মানুষের কষ্ট না দেখলে বুঝা যায় না!
এমন গালি দিতে ইচ্ছা হয়, গালি শুনে মুর্দা উঠে গেলেও ওদের মনে হয় টনক নড়বে না!
জীবন শেষ করে দিচ্ছে আমাদের।
অনেক ভালো লেগেছিল আপনাদের সুখী পরিবার দেখে ।
বুলেট , ব্যাটারী এবং রেসিপিরাজ - পার্ফেক্ট ফ্যামিলি । অনেক অনেক শুভকামনা আপনাদের জন্য ।
লেখকের মন্তব্য
মেলায় আপনার সাথে দেখা হয়ে ভাল হল! ব্যাটারীর কাছে প্রমান করতে পেরেছি, আমাকেও কেউ কেউ চিনে! হা হা হা।। আপনার পরিচয় দিয়েছি এভাবে, স্যুপ নুডুলস বানিয়ে এই কবি চেষ্টা করেছিলেন একবেলা!
সাহাদাত উদরাজি ভাই, আপনার বইমেলা ভ্রমন পড়ে খুব বই মেলায় যাইতে ইচ্ছা করতেছে।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ভায়া, বইমেলাতে না গেলে আর কোথায় যাবেন? ঘুরে আসুন।
ভাই, এখন দেশে নাই। ইনশাল্লাহ আগামী মেলায় দেখা হবে।
বুলেট তো সেই রকম পাটের ছবি তুলছে একটা!

বইগুলোও চমৎকার
লেখকের মন্তব্য
ধনব্যাদ তারিক ভায়া। শুভেচ্ছা নিন।
ভাতিজা আমার পুরাই হিরু! ঝাক্কাস!!!

আরে! দেখতে হবে না, ব্লগাতো চাচা, ফুফুগুলো কেমন!
ভাতিজার সংগ্রহে উপেন্দকিশোর দেখে খুব ভালো লাগলো।
আর ভাবীর কথা কী বলবো! মাশাল্লাহ!!!
ভাতিজা কিন্তু পুরাই বাপকা বেটা হয়েছে!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ রান্নাতো বোন। হা হা হা।।।।
ওর ছবি তোলা আসলে অনেক কষ্টের কাজ। রাজী করাতেই মাথার ঘাম পায়ে যায়!
বাহ্ চমৎকার! অন্য কারো হাতে ক্যামেরা দিয়ে তিনজনের একটা ছবিও রাখতেন।
ভাতিজাকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে নিয়ে যেতে পারেন।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বোন, আমার ছবি কখনোই ভাল আসে না। আমি অনেকের ছবি তুলে প্রশংসা পাই, এটাই আমার কাছে ভাল লাগে।
আর একটু বড় হলে (১০ পার হউক) বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সদস্য বানিয়ে দিব। আমাদের এলাকায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভাম্যমান লাইব্রেরী আসে, এখনো ভাল পাঠ করতে চায় না। তবে অভ্যাস গড়ে উঠছে বলে মনে করছি।
শুভেচ্ছা।
মা-ছেলের বইমেলা ভ্রমণের কাহিনী বড়ই সুস্বাদু হয়েছে। ভিন্ন পরিপ্রেক্ষিত থেকে বইমেলার একটা আবেদন ও উপযোগিতা উপলব্ধি করতে পারলাম। অনেক ধন্যবাদ উদরাজি ভাই। পরিবারের সকলের জন্য শুভ-কামনা।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ রায় ভাই। পরিবার নিয়ে একবার হলেও এই ধরণের মেলায় যাওয়া উচিত। এতে সবার মাঝে একটা সুন্দর ভালবাসা জন্মে। দরদ বাড়ে একে অপরের।
শুভেচ্ছা।
ব্যাপক আড্ডা হইয়া গেলো দেখি

লেখকের মন্তব্য
হা, পারিবারিক আড্ডা বটে!
উদরাজী ভাইয়া, আমি কিন্তু অনেক আগেই এই পোষ্ট দেখছি কইলাম! বুলেটকে তো একেবারে নায়ক নায়ক লাগতাছে!
লেখকের মন্তব্য
হা, নিয়াজ ভাই, দোয়া করবেন।
প্রিয় ডাকু ভাই আপনি যে অনেক আগেই এই পোষ্ট দেখেছেন সেটাতো দেখতেই পাচ্ছি।
একদম শেষে!
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।। আজকাল নিয়াজ ভাই হেভী লেট!
মন্তব্য করুন