সাহাদাত উদরাজী-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

দুপুরে বাসা থেকে বের হতে বেশ গরম লাগছিলো। তবুও সুয়েটার হাতে নিয়ে বের হয়েছিলাম। শীত কাল বটে! যাই হোক এই বিকেল সন্ধ্যায় আসুন আলুচপ দেখে জিবে জল আনি। বেশী কিছু বলার দরকার আছে বলে আমার মনে হয় না। ছবি দেখেই আপনারা নিজে বাসায় বানাতে পারবেন।

ছবি ১ - আলু সিদ্ব ও পেঁয়াজ মরিচ তেলে ভেঁজে নিন।

ছবি ২ - সামান্য লবন দিয়ে ভাল করে মেখে নিন।

ছবি ৩ - অন্য বাটিতে বেশনে সামান্য হলুদ মরিচ গুড়া নিন।

ছবি ৪- সামান্য পানি দিয়ে ঘন করে নিন (যদি ঘরে ডিম থাকে তবে একটা দিতে পারেন। না হলে নাই!)

ছবি ৫ - আলু ভর্তা দিয়ে চপ সাইজ করে নিন।

ছবি ৬ - বেশনে চুবিয়ে গরম গরম তেলে ভাজুন।

ছবি ৭ - আপনার যেমন ইচ্ছা। পোড়া পোড়া না হালকা!

ছবি ৮ - পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। বিকালের নাস্তায় বেশ লাগবে।
মন্তব্য
লেখকের মন্তব্য
হামা ভাইয়ের বিবাহ উপলক্ষে আলুচপের রেসিপি/ছবি (পুরা রেসিপি বলা যাবে না, অন্য একটি ব্লগে) দিয়েছিলাম। তাই এখানে এনে তা রেখে দিলাম। কারো কাজে লাগলে খুশি হব।
দাদা আমার পোস্ট এ আসেন। শুধু আলুর চপে হবেনা। আর কিছু খাবার দাবার দিয়ে যান । নাহলে কিন্তু

লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সিষ্টার। নিজপাতায় এসে কমেন্ট করে যাবার জন্য আরো আরো শুভেচ্ছা।
পুরাই জিভে জল এসে গেলো ভাই। খুব প্রিয় ১টা জিনিস। আমার মা এর মাঝেখানে মাঝে মাঝে মাংশ দিয়ে দেয়, সেটা নিয়ে ১দিন পোষ্ট দিবো আপনাকে ডেডিকেট করে।
লেখকের মন্তব্য
ওয়াও। পুরা নুতন রেসিপি হতে পারে খাল্লামার চপটা! শুনেই জিবে জল! অপেক্ষায় থাকলাম।
আমি আলুর চপ দুইভাবে করি। ১. কোলবালিশের আকৃতির করে ভেতরে মাংস বা ডিমের পর দিয়ে ডিমে ডুবিয়ে ভাজা,
২. আলু পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, ধনে পাতা দিয়ে মাখিয়ে রসমালাইর আকৃতিতে গড়ে নিয়ে ময়দার বেসনে ডুবিয়ে ভাজি। (ময়দার সাথে বাটা মসলা, টেস্টিং সল্ট, সয়াসস দিই)
আপনার রেসিপি দেখলে বেশ লাগে।
লেখকের মন্তব্য
হা আপনার দুটোই অসাধারণ। কমেন্টেই জিবে জল এসে গেল!
আমার রেসিপির টার্গেট হচ্ছে, যারা রান্না করতে চায়! এই ধরনের দেখে শুরু করলে একদিন আপনার মত কোলবালিশ আকারের চপও বানাতে পারবে।
ধন্যবাদ সিস্টার। কেমন আছেন?
লেখকের মন্তব্য
আমার ভাই, তোমার ভাই,
হুদা ভাই, হুদা ভাই।
এই জিনিষ ভালো। খেতে মজা পাই।
লেখকের মন্তব্য
আমার ভাই, তোমার ভাই,
হুদা ভাই, হুদা ভাই।
মন্তব্য করুন