সাহাদাত উদরাজী-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আজ কয়েকটা রেসিপি লিখব বলে সকাল থেকে অপেক্ষা করে আছি। কিছু ক্ষন আগে একটা রেসিপি পোষ্ট করেছি, টমেটো ভর্তা (পুড়িয়ে এবং ধনিয়া পাতা দিয়ে)। কমেন্ট দেখে বুঝা যায়, বাংগালী অত্যান্ত ভর্তা প্রিয় জাতি। আসলেই, সত্য কথা। আমি এখনো এমন একজনকে পাই নাই, যিনি বলেছেন ভর্তা পছন্দ করেন না। অবশ্য এটা হবারও কথা নয়। সে যাই হোক, আসুন আর একটা ভর্তার রেসিপি দেখি, কাঁচা মরিচ ভর্তা (রুই মাছ যোগে)। টমেটো ভর্তার রেসিপির কমেন্টে কবি মুক্তি মন্ডল ভায়া একটা পাটা পুতার ভর্তার রেসিপি দিয়েছেন (আমি সেটা চেষ্টা করব)। যে কোন ভর্তা পিষেও বানানো যায়। আমি কবি মুক্তি মন্ডল ভায়ার সাথে একমত। তিনি লিখেছেন -
পাটায় পিষে এই ভর্তাটা করলে অনেক মিহিন হয়। সবকিছু খুব ভালভাবে মিশে যায় এ জন্য খুব টেষ্ট হয়। তবে মরিচ একটু বেশি দিলে টেষ্টটা একটু উর্ধ্বগতি ধারণ করে। তবে যাদের জিভে মরিচ সই না তাদের জন্য অবশ্য আলাদাভাবেও করা যায়।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।। পাটায় বাটা ভর্তার মজাই আলাদা।
আমি স্বীকার করি। পাটায় বাটা ভর্তার মজাই আলাদা। আমার বাসায় ভর্তা বানানোর জন্য একটা আলাদা ছোট পাটাপুতা কিনার কথা অনেক দিন আগে থেকেই আমার ব্যাটারী বলে আসছেন। আমি মনে না থাকার অজুহাতে দিন পার করছি এবং নিজে হাতে মরিচ মলে ভর্তা বানিয়ে চলছি! এতে পরে হাত জ্বলে আইমিন জ্বালা পোড়া হয়। কিছু না বলে সহ্য করি। ভাল কিছু খেতে হলে, সহ্য শক্তি থাকতে হবে! এবার একটা ছোট পাটাপুতা কিনেই ফেলব! যাক বড় পাটাপুতায় পিষে এই ভর্তা বানানো হয়েছিল। ঝাল কম দেয়া হয়েছিল, কারণ এটা আমার বুলেটও খাবে বলেছিল। চলুন দেখে ফেলি, কত সহজ।

হালকা তেলে কয়েকটা কাঁচা মরিচ, কিছু পেঁয়াজ, কয়েকটা রসুন ও কিছু ধনিয়া পাতা ভেঁজে পাটা পুতায় রাখুন। সামান্য লবন (লবনের পরিমান আপনার উপর নির্ভর করবে) দিয়ে বেটে ফেল্লেও একটা ভর্তা হয়ে যাবে।

রুই মাছের একটা টুকরা ভেঁজে নিতে পারেন।

মাছের কাটা খুলে নিন এবং ভাল করে পিষে ফেলুন। ফাইনাল লবন দেখুন। হলে ওকে না হলে পরিমান ঠিক করুন। ভাল করে মেখে নিন।

ব্যস প্রস্তুত কাঁচা মরিচ ভর্তা (রুই মাছ যোগে)। পরিবেশন করুন। মরিচ/ঝাল কম দিলে বৃদ্ব/ছোটরাও অনায়েসে খেতে পারবে।
কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন
------------------------------------------------------------------------------------------
ফেব্রুয়ারী মাসে চতুরের প্রথম পাতায় রেসিপি দিলে কে কি বলবে কে জানে? ফেব্রুয়ারী মাস মানেই বই নিয়ে গবেষণা, খাওয়া দাওয়া চলে না!! তা ছাড়া প্রচুর ব্লগার এবারের বই মেলায় বই বের করছেন, তাদের প্রতিটা অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন, পোষ্ট যত বেশী সময় প্রথম পাতায় থাকবে তত ভাল লাগবে সবার, সবাই জানতে পারব। তাই ফেব্রুয়ারী মাসে কোন রেসিপি পোষ্ট প্রথম পাতায় দিব না বলে সিদান্ত নিয়েছি (নিজ পাতায় চলবে)। যাদের রেসিপি ভাল লাগে, খাবারের ছবি দেখতে ভাল লাগে তারা আমার নিজ পাতায় দেখে আসতে পারবেন।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

পূর্বের পোষ্ট - রেসিপিঃ টমেটো ভর্তা (পুড়িয়ে এবং ধনিয়া পাতা দিয়ে)
মন্তব্য
age ekTa soriye nin. tarpore poRa shur korchi.
লেখকের মন্তব্য
হুদা ভাই, আমি নিয়মের মানুষ। যে কোন নিয়মকে মন থেকে শ্রদ্বা করি। গত পোষ্ট সরিয়ে নিজ পাতায় নিয়ে গেলাম। প্রথম পাতায় একজনের দুই পোষ্ট থাকা লজ্জাকর বলে আমি মনে করি। এক বোল ভাত দশ জনের জন্য থাকলে তা ভাগ করে খেতে হয়, আগে নিজে বেশী নিয়ে নিলে অন্যদের কম পড়ে যায়, এটা আমাদের ছোট বেলার শিক্ষা।।।। হা হা হা।।।।।
তা ভর্তা কেমন লাগে?
(আপনার প্রথম ইংলিশ লেখা দেখলাম। ভাল লাগছে।)
প্রথম পাতায় আপনার দুটো পোস্ট দেখে তাড়াহুড়োতে বাংলা ইংরেজী খেয়াল ছিল না। 'প্রকাশ করুন' চাপ দেবার পরে চোখে পড়েছে।
মরিচ ভর্তার কথা নিচে দেখুন!!
মরিচে মাইনাস! এই ভর্তা চলবে না আমার, যতই রুইমাছ দেন আর টুনা মাছ দেন!!
ভর্তা যতই বানান, আলু ভর্তার মত এমন সহজে আর কোনটাই হয় না, পছন্দও করে সকলে।
লেখকের মন্তব্য
হুদা ভাই, আজকে চতুরকে 'ভর্তা নাইট' বানিয়ে দিব ভাবছি। আরো দুইটা ভর্তার রেসিপি হাতে রেডি আছে। সইতে পারবেন তো? ঝাল আসলেই আর আমাদের চলে না! বয়স আমাদের শেষ হয়েছে।
আলু ভর্তা সেরা বটে। কিন্তু মাঝে মাঝে রুচি পরিবর্তন করতে হয়। সব সময় কি বিরিয়ানী খাওয়া যায়!
ভর্তা কি ডেইলি খাই নাকি? তরি-তরকারি ভালো না থাকলেই তো ভর্তা দিয়ে কোন রকমে নাকে-মুখে গুজে পেটকে প্রবোধ দেওয়া হয়। সখের ভর্তা খাওয়া তেমন বেশি সহজ নয়!!
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।।।
কথাটা মনে ধরছে। খাঁটি কথা। মুরগী মাসাল্লাম প্রতি বেলাই খাওয়া যায়!
নারে ভাই, তাও খাওয়া যায় না। আজ দুপুরে গরুর মাংস খেয়েছিলাম, তাই রাতে চিকেন ফ্রাই খেতেও তেমন মজা পাই নি। যে কোন একবেলা হালকা খাবার খেতেই ভালো লাগে।
আর সব চতুররা গেল কোথায়? খাবারের লোভেও কেউ এদিকে আসছে না যে? ব্যাপার কী? কম্পু খুলে রেখে ঘুমিয়ে গেলো নাকি সবাই?
লেখকের মন্তব্য
দুপুরে গরু, রাতে চিকেন ফ্রাই! ওয়াও আপনার দিন যাচ্ছে বটে।
আমি আজ সকালে অফিসে এসেছি, অফিসের কাজে তোপখানা রোড়ে গিয়ে একটা হোটেলে ভাল খেয়েছি! তার পর আর কিছু খাই নাই।।।।
এখন ক্যাফে সুপারভাইজারকে একটা বকা দিলাম! নাইট শিফটে খেতে গেলে বলে, এটা নাই ওটা নাই, এটা শেষ ওটা শেষ। বলেছি রাত ১১টা ৩০শে যাব। ভাল খাবার না পেলে, রির্পোট করব! ব্যাটা ভয় পেলে হয়!
সময় মত আপনিও ঘুমিয়ে পড়ুন। আমি ঘুমাব আগামী দিন সারাদিন!
এই ভর্তা খাইছি বেশ কয়েক বার; তবে সেটা মরিচ ভর্তা মাছ সহযোগে নয়, মাছ ভর্তা পরিমাণ মতো মরিচ সহযোগে। ব্যাপক স্বাদ।
লেখকের মন্তব্য
মানিক ভাই,
মাছ বেশী, মরিচ কম। হা হা হা।।।
আসলে যার পরিমান বেশী দেয়া হয় তা দিয়েই তাকে চিনাতে হয়! বটে।।
শুভেচ্ছা।
বেশি ঝাল খেতে পারি না। অল্প ঝাল দিয়ে বানালে মনে হয় খুব একটা খারাপ হবে না।
লেখকের মন্তব্য
আচার্য ভাই, ঈশানের বউকাব্য-৩ এ আপনার একটা কমেন্ট পড়ে এখনো হাসছি।
গতকাল রাতে আমার বুলেট আমাকে জন সিনাকে চিনিয়ে দিয়েছে! হা হা হা।।।। আপনি একদম সহি কমেন্ট করেছেন।
(ঝাল খাবার দরকার নেই। ঝাল কম দেয়া হয়েছিল।)
আমার কমেন্ট পড়েছেন এবং পড়ে হাসছেন এটা জেনেই আমি পুলকিত।
ভাতিজা কেমন আছে?
লেখকের মন্তব্য
আমি বাসায় নাই বলে বেশী আনন্দে আছে। বেশী সময় টিভি দেখতে পারবে।।।। রাত জাগার অভ্যাস এখনই! এই মাত্র ফোন দিলাম।।।।। লেখা পড়া নাকি সব কমপ্লিট!
ধন্যবাদ।
উদরাজী, তীক্ষ্ণ রসবোধের জন্য শ্রদ্ধেয় আচার্যদাকে কিন্তু ইতিমধ্যেই 'রসাচার্য' খেতাব দেয়া হয়েছে।
লেখকের মন্তব্য
এটা আমি মেনে নিলাম। আমি আচার্যদার কমেন্টের ভক্ত বনে গেলাম!
সত্যি তার রসবোধ অসাধারণ। কোথায় কি বলতে হবে, তা জেনে এবং বুঝেই বলেন বলে আমার মনে হয়।
আচার্য দার সাথে সাক্ষাতে দেখা করতে চাই। কিন্তু তার প্রসঙ্গে খুব একটা বেশী জানি না। দেশে না বিদেশে তা বুঝতে পারছি না। তবে একটা ব্যাপার বুঝেছি, তিনি আমাদের মতই বিবাহিত!
দৈ দেখলে চুন ভাবেন!
সত্যি বলছো বন্ধু। আমি তোমার সঙ্গে একমত। এখানে কমেন্ট দেখ।
উদরাজী ভাই আমার সম্পর্কে অনেক বেশিই বলে ফেলেছেন। আমি খুব বেশি বুঝেশুনে কমেন্ট করতে পারি না। যখন যা মনে আসে তাই বলে ফেলি। শুধু মজা করার জন্যই অনেক কমেন্ট করি। সেগুলো যদি ভাল লেগে থাকে সেটা আমার সৌভাগ্য। আমি শুধু আপনাদের ভালবাসা পেয়েই ধন্য। ঈমা ভাইও আমার সম্পর্কে একটু বেশিই বলেন। কোন দিক থেকেই আপনাদের কাছাকাছি যাওয়ার মতও কিছুই নেই আমার মধ্যে।
---------------------------------------
আমি চট্টগ্রামে থাকি। অনেক কমেন্টে সেটা বলেছি। হয়তো আপনার চোখে পড়েনি। বিবাহিত সেটাতো জেনেছেনই। দু'টো ছোট্ট মেয়ে একটা বউ আছে আমার, একটা ছোট্ট চাকরি, ৯টা-৫টা অফিস। এইতো, এর বেশি কিছু নেই।
মরিচ ভর্তা!!
অ সা ধা র ণ!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ জামি ভাই।
ভাইয়া আপনি কি কাল ব্লগে আসবেন?
লেখকের মন্তব্য
মনে হয় না, কাল আমি সারাদিন ঘুমাব। আজ আমার নাইট শিফটে ডিউটি চলছে। আমি আগামী কাল সকাল ৮ টায় বের হয়ে যাব। কাল সারদিন চোখ মেলতে পারব বলে মনে হয় না।
এক রাত জেগে থাকলে, দুইদিন ঘুমাতে হয়। শরীরে আর কুলায় না। ২৪/১ দুপুর ১টার পর আবার ফিরে আসব।
তাহলে ২৪/১ দুপুর ১টার পর কথা হবে আপনার সাথে
আপনার ফেরার অপেক্ষায়------
লেখকের মন্তব্য
ওকে নো প্লব্লেম! চলে আসুন।।।।। আছি, থাকব।।। বেঁচে থাকলে।।।।
ইনশাল্লাহ আসবো আমি। আপনার সাথে অনেক কথা আছে

পাটাতো নয় , এখানে ব্লেন্ডারে সব করতে হয়।যাইহোক, ধন্যবাদ।
আমি কিন্তু "ফুচকা" র কথা ভুলিনি। সেটা মার্চ মাসে হলেও হবে সাহাদাতভাই !
লেখকের মন্তব্য
বোন, হা হা হা।।।
আমি ফুচকার কথা ভুলে থাকতে চাই! অনেক কঠিন কাজ। তার চেয়ে আমার অফিসের কাছে একটা ফুচকা দোকান আছে বেশ জমিয়েছে। গতকাল হুদাভাই, পলাশদা, নিয়াজ ভাই ও আমি খেয়েছি, সবাই প্রসংশা করেছে। আপনিও করবেন। চলে আসুন, আমি ফুচকা দিয়েই মেহেমানদারী করি!
শুভেচ্ছা।।।
যদিও ঝাল খুব বেশি খেতে পারি না, কিন্তু কেন যেন লোভ লাগছে এই ভর্তাটা দেখে। এটাই মনে হয় আমাদের সাহাদাত ভাইজানের রেসিপির গুণ।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ গরম মশলা আপা।
খুব একটা ঝাল দেয়া হয় নাই। তবে ঝাল না হলে আবার ভর্তা ভাল লাগে না।
আজ আরো দুটো ভর্তা রেসিপি থাকবে। আগামী কাল দেখে যাবেন বলে দাওয়াত দিয়ে গেলাম।
শুভেচ্ছা।
ভর্তাটা কালই বানাবো। ঘরে রুই মাছ আছে। ভর্তা খেয়ে যদি নাকে মুখে পানি নাই আসে তবে আর ভর্তা কিসের?
আমি তো ঝাল খেয়েই এন্টাসিড খাই। তরকারীতে মরিচ খুব কম দেই। কিন্তু ভর্তার বেলায় দরাজ হস্ত!!!!
এতক্ষণে সুরাপুকে পেলাম।
এইখানে এক জনও কাজের না। কেউই দেখি ঝাল খায়না!!!
সবগুলো ভিতুর ডিম!

বাঙালি হয়ে ঝাল খাবোনা? তাই কি হয়?
সহমত
লেখকের মন্তব্য
এক সময় আমার মত অনেক ঝাল খেত। এখন হয়ত আর শরীরে সয় না! আমি এখন ঝালে ভয় পাই।
লেখকের মন্তব্য
রান্নতো আপা, আমার ব্যাটারীও ঝাল বেশী বেশী দিতে চায়। আমি বার বার নিষেধ করি। ঝালের জন্য কি কি সমস্যা হয় তা আমার জানা আছে। বেশী ঝাল খাওয়া ভাল নয়।।।।
শুভেচ্ছা।
শুখনামরিচে ক্ষতি করে। আর কাঁচামরিচের বিচি ফেলে খেলে কোন অসুবিধা নেই। ভিটামিন সি আছে।
লেখকের মন্তব্য
ভিটামিন সি বেশী বেশী খেতে হবে দেখছি।।।।।।
বিগত কয়েকটা পোস্টেই দেখছি লিখা, কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন
উনি কে? অনুমানে মন্তব্য করে লজ্জিত হতে চাইনা।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আপা। তিনি আমার প্রিয় ব্যাটারী। পিতাঃ ইমাম হোসেন।
আমি আবার অসম্ভব ঝাল খেতে পারি। তাই জিভে জল আসতেই পারে।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।।।। কথা সত্য ঝালে লালা বেশী বের হয়!
রেসিপিটা দারুন
আমার প্রিয় একটা ভর্তা
চিংড়ি মাছ আস্ত ১০/১২টা,পিয়াজ কয়েকটা,কাচামরিচ ৫/৬টা,একটু আদা ,সাথে কিছু ধনিয়া পাতা, আর পরিমান মত লবন
ধনিয়া পাতা বাদে সবগুলি একটা ফ্রাইপেনে সামান্য তেলে লাল হওয়া পর্যন্ত ভাজতে হবে(বেশী লাল করা যাবে না)

পরে সব গুলি একটা ব্লেন্ডারে ধনিয়া পাতা সহ ব্লেন্ড করে ফেলুন
গরম ভাতের সাথে দারুন!!!!!!
চিংড়ি মাছের হাত ,পা কিছুই ফালানো যাবে না
মাছের মাথার নিচে ময়লাটা না ফালাইলে পেট খারাপ হইলে আমি দায়ী না
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ কারিমাট করিম ভাই। আপনার ভর্তার রেসিপি ভাল লাগল। ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড ভর্তা এখনো বানাই নাই। সামনে বানাতে হবে দেখছি! চতুরে আমার আর একটা চিংড়ি ভর্তা আছে, দেখে নিতে পারেন।

রেসিপিঃ চিংড়ি ভর্তা
মরিচের ভর্তা খাই না !! তবে ভাই আপনার টমেটোর চাটনির পোস্টটা অসাধারন লেগেছে !!!! আমার প্রিয় খাবার গুলার মাঝে অন্যতম !!

লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ তন্ময় ভায়া। টমেটো চাটনি আমারো ভাল লাগে।
লেখকের মন্তব্য
কই মাছ খেতে সাবধান। একবার আমার গলায় কই মাছের কাটা বিধেছিল। মনে হয়েছিল মরা পড়ব।
দুঃখিত ভাই
কই মাছ না !! মাগুর মাছ ছিল !
ভুলে কই মাছ লিখেছি 

কই মাছের কাটা আর সাইচের কারনে এই মাছটি আমার খুবই অপছন্দের মাছ
লেখকের মন্তব্য
মাগুর দেশী না বিদেশী। থাই মাগুর বেশ তবে আফ্রিকান মাগুর চলে না। আমি মিউল ইষ্টে আফ্রিকান মাগুর খেয়ে কান ধরেছি, আর জীবনেও মাগুর খাব না! সে এক মজার ঘটনা।।।।
দেশী মাগুর
আমি ভর্তা অনেক পছন্দ করি
মাছ ছাড়া মরিচ ভর্তা হয়না?
মাছের গন্ধ ভালো পাইনা
লেখকের মন্তব্য
সিষ্টার, প্রথম ছবিটার ক্যাপশন দেখুন। মাছ না দিয়েও ভর্তা বানানো যেতে পারে। অনেক ভর্তা আছে যাতে মাছ দেয়া হয় না। আর না থাকলে নাই ভেবে কাজ চালিয়ে দিতে পারেন।
ধন্যবাদ।
হ ব্রাদার আগের বার গুলায় ফেলছি
এবার খেয়াল করলাম
সমস্যা হইলো আমার বাসায় পাটাও নাই
আফসোস
লেখকের মন্তব্য
ওরে বলেন কি!
পাটাপুতা না থাকলে কি চলে! আমি আর একটা ছোট পাটাপুতা কিনব ভাবছি!
মন্তব্য করুন