সাহাদাত উদরাজী-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

মাছটাকে আসলে সবাই বলে কাইক্যা মাছ। আমিও জানতাম কাইক্যা! মনে একটু সন্দেহ হওয়াতে এদিক ওদিক ফোন করি, যাদের উপর ভরসা করা যায়। জানা গেল এই মাছের ভাল নাম 'কাকিলা'। বেশ মিষ্টি নাম, কোকিলের কাছাকাছি! পাব্লিকের মুখে মুখে 'কাইক্যা' হয়ে গেছে। আরো জানা গেল এই মাছকে খুলনা অঞ্চলে বলে 'কাকলে'। বাজারে এবং বড় গোসারি শপে আজকাল এই মাছ অনেক দেখা যায়। দামেও বেশ। এই মাছ আমি সর্ব প্রথম আমার শশুর বাড়ীতে খেয়ে প্রচুর মজা পেয়েছিলাম। সে দিনের কথা, আমার ব্যাটারী আমাকে প্রায় বলে থাকেন। এখনো আমরা হাসি। মাছটা মাথা ফেলে এমন করে ভেঁজে বেগুন দিয়ে রান্না হয়েছিল যে, আমি খেতে বসে চিন্তে পারি নাই। সবার সামনে আমার ব্যাটারীকে জিজ্ঞেস করে ফেলি, এটা কি মাছ? সবাই হেসে উঠে। বাঙ্গালীর পোলা যদি দেশী মাছ না চিনে তবে আর কি চিনবে? আমি মাছটা আগে থেকেই চিনতাম, কিন্তু আমাদের পরিবারের কেহ এই মাছ খেত না। বাড়িতে পুকুরে এই মাছ দুই একটা ধরা পড়লেও ফেলে দেয়া হত, আমার মা/দাদুও এই মাছ সহ্য করতে পারতেন না। এখন আফসোস লাগে! কি স্বাদের মাছ, ওনারা খেত না!
যাই হোক কয়েকদিন আগে বাজার থেকে এই কাকিলা মাছ কিনে নিয়ে আসি (আগেও বেশ কয়েকবার কিনেছি, তবে খুব কম, বছরে ২/৩ বার হয়ত হবে)। আমার ব্যাটারী এই মাছ খুব পছন্দ করেন, আমিও। দুইজনে মিলে রান্না করতে লেগে গেলাম। মাছ গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। একভাগ দোপেয়াজো মার্কা রান্না, অন্যভাগ বেগুন দিয়ে রান্নার জন্য রেখে দেয়া হয়েছিল। চলুন কাকিলার দোপেয়াজো মার্কা রান্নাটাই আজ দেখে ফেলি। যে কোন ছোট মাছ এভাবে রান্না করে ফেলতে পারেন।

মাচ কেটে ভাল করে ধুয়ে নিন।

ছোট হলে দুইভাগ,বড় হলে তিনভাগ করে কাটুন।

সামান্য লবন ও হলুদ দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে নিন।

গরম তেলে হালকা ভেঁজে নিন।

ভাজা মাছ গুলো তেল থেকে তুলে রাখুন (এই পর্যায়ে কয়েক পিস খেয়ে সাবাড় করতে পারেন, আমার মত)

ফাঁকে ফাঁকে পেঁয়াজ, টমেটো, কাঁচা মরিচ ও ধনিয়া পাতা কেটে রাখুন।

বেঁচে থাকা তেলে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ দিয়ে একটু ভাঁজুন।

হাফ কাপ পানি দিন, টমেটো দিন এবং সামান্য মরিচ গুড়া, হলুদ গুড়া ও লবন দিয়ে আবার ভাল করে কষিয়ে নিন (এটা সাধারন মাছ রান্নার ঝোলই)।

কষানো হয়ে গেলে কাকিলা মাছ (হালকা ভাজা) দিয়ে দিন। ভাল করে নাড়িয়ে দিন। ছোট মাছ নাড়াতে বিশেষ সতর্কতা জরুরী। নতুবা মাছ ভেংগে যাবে!

কিছুক্ষন (মিনিট ১৫) ঢেকে রাখুন। উলটে দেখে নিন।

ধনিয়া পাতা ও আরো কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিয়ে দিন। কয়েক মিনিট রেখে নামিয়ে ফেলুন।

ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। (শিশুদের এই মাছ একা খেতে না দেয়াই ভাল, কাকিলা মাছের কাঁটা তেমন নেই, তবে শিরদাঁড়া মার্কা কাঁটা যা আছে তা বেশ শক্ত, সুতারাং সাবধান)

পরিবারের সবাইকে নিয়ে বসে এমন একবাটি মাছ কিছুই না। মাছ খান আর ছোট বেলার স্মৃতিচারন করুন কিংবা শশুরবাড়ীতে জামাইকে এই মাছ পরিবেশন করা যায় কিনা তা নিয়ে আপনি একটা গুরুত্ব পুর্ন ভাষন দিতে পারেন! বিরোধী দলীয় নেত্রী এরপর আপনাকে কেমন জ্বালাময়ী ভাষণ বা ব্যাখ্যা দিচ্ছে তা রেকর্ড করুন!
কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন
সর্বশেষঃ কাকিলা মাছ নিয়ে নেটে দেখতে যেয়ে অনেক কিছু দেখলাম। মাছটা জাপানেও পাওয়া যায়! জাপানীরা শুধু পুড়িয়ে এই মাছ খায়।

মন্দ হবে না দেখছি। রান্নায় এত কিছু করা কি দরকার! হা হা হা।।।।
মন্তব্য
আমার খিদাটা বাড়াইয়া দিলেন ভাই।

-----
ও আমার ভাবী আপনার রেসিপি থেকে রান্না করা শুরু করছে
লেখকের মন্তব্য
জামি ভাই, শুভেচ্ছা নিন।
আপনার কমেন্ট দেখে মনে ভাল হয়ে গেল। আপনার ভাবীকে সালাম জানাবেন।
1st হইতে পারলাম না!

লেখকের মন্তব্য
আফসোস করা চলে না! অদ্ভুত ভাই।
সাতক্ষীরাতে বেড়াতে গিয়ে এই মাছ খাওয়া হয়েছিল।
লেখকের মন্তব্য
খেতে কেমন লেগেছিল ব্রাদার।
ভাল মাছ, রান্নার গুনে আরো বেশী স্বাদ হয়।
লেবু দিয়ে খেলে স্বাদ বহুগুণে বেড়ে যায়
, ছোট মাছ লেবু দিয়ে খাওয়ার স্বাদই আলাদা । তখন মনে হয় জান্নাতের কোনো খাবার খাচ্ছি ! ! !

লেখকের মন্তব্য
বা হ বা হ।।।।।।
আসলেই যে কোন খাবারি জান্নাতের।
খাবারের স্বাদ বুঝা যায় না দুই সময়ে ১। ভীষন ক্ষুধার্ত অবস্থায় খেলে ২) কঠিন নেশার পর খেলে।
হা হা হা।।।
অন্য খাবার তো আছেই ! কিন্তু ছোটা মাছের ঝোল তরকারির সাথে লেবু ---- অসাধারণ !! আমার তো এখনই জ্বিভে জল এসে গেল

সিলেটে এই মাছ কাইক্যা মাছ বলে। আম্মা বলতেন, কাকলে। এই মাছ আমারা দুজনেই খুব পছন্দ করি।
মাঝের শক্ত কাটার জন্য এ মাছ আপনি যেভাবে কেটেছেন সেভাবে কেটেই মাঝ খানের কাটাটা আলাদা করে ফেলে দিন। তারপর ভাজা, ভুনা যাই করুন না কেনো আমার ভাস্তেও মনের সুখে খেতে পারবে।
এ নিয়ম আমি এক সিলেটি পরিবারে শিখেছি। বড় কাকলে হলে এমনি রান্না করি। আর ছোট, মানে চিকনগুলোর মাঝের কাটা ফেলে ভেজে রান্না করি। আপনিও করে দেখতে পারেন।
আমাদের এখানেও কাইক্যা মাছ বলে এটাকে
আমার উপর রেগে আছেন নাকি ? 
আপু কেমন আছেন ??
লেখকের মন্তব্য
আরে তন্ময় ভায়া, আমার রান্নাতো আপা এত সহজে রাগে না। তবে সব সময় শ্রদ্বা রেখে কথা বলতে হবে। আমাদের যাদের বয়স হয়ে গেছে আমরা এখন শ্রদ্বা চাই। আমাদের কাছে সন্মান অনেক বড় ব্যাপার।
শুভেচ্ছা নিন।
রান্নাতো ভাই ঠিক বলেছেন। আমি নাকি ভিষন রাগী মানুষ এটা আমার ছেলে-মেয়ে, স্বামী, আত্মিয়মহলে বলে। কিন্তু আমি কিন্তু অকারনে কখনই রাগিনা। আর আমার সেন্স অফ হিউমার যথেষ্ট ভালো। তাই ব্লগের ঠাট্টা নিতে পারবোনা এমন বেরসিক মোটেই নই।
রাগ কেনো করবো তাই তো বুঝলামনা তন্ময়?
আপনাদের আমি অনেক সম্মান করি , ভালোবাসি

তাই মনে হচ্ছিল রেগেছেন কোনো অদৃশ্য কারণে 
আপনাকে আমার পোস্টে অনেক দিন পাচ্ছি না !
না, তন্ময়, কয় দিন ধরে প্রচন্ড মাথা ব্যাথায় কষ্ট পাচ্ছি। তারপরও নেটে না এসে থাকতে পারিনা বলেই আসি। সায়নাস, চোখের পাওয়ারের সমস্যা, হাই বিপি সব মিলিয়ে আমার অবস্থা ছেড়াভেড়া!
তাই সামনে যা দু/একটা পোস্ট পাই তাতেই ঢু মেরে চলে যাই।
সময় করে তোমার পোস্ট দেখবো।
ক্ষমা করবেন আপু , আপনাকে ভুল বুঝেছি !!

লেখকের মন্তব্য
রান্নাতো বোন, দেখেন হুদা ভাই আবার চন্দ্রবিন্দু লাগিয়েছেন।
বয়সিরা এই মাছ পছন্দ করবেই করবে! হা হা হা।।।। যত বয়স বাড়ছে তত এই ধরনের খাবার খেতে প্রান চাইছে!
মাছের কাঁটা ফেলার আপনার সিস্টেম জেনে ভাল লাগল। আগামীতে এইভাবে ফেলে দিব। আপনার ভাস্তেকে আমি অনেক পিস খাইয়েছি। ও ছোট বেলা থেকে মাছ বেশী পছন্দ করত। এখন দেখি আবার এটা খামু না ওটা খামু না করে! মাঝে মাঞ্ঝে মন লয়, পিটাই!
ধন্যবাদ আপা।
অনেক আগে পড়েছিলাম, এই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Xenontedon cancilla. বাংলা কাঁকিলা থেকে cancilla, চন্দ্রবিন্দু না থাকলে হয়তো এর নাম হতো cacilla।
লেখকের মন্তব্য
এখন আর ঠিক করতে পারব না! ফোনে বলেন নাই কেন! চন্দ্রবিন্দুকে ভাষা থেকে উঠিয়ে দিলে কেমন হবে!
আমাদের মত টাইপিস্টরা মনে আনন্দ পেত!
কোন দরকার নেই ঠিক করার! আপনি যেটা লিখেছেন, সেটাই ঠিক আছে।
অপ্রয়োজনীয় হলে চন্দ্রবিন্দু আপনা-আপনিই উঠে যাবে কালক্রমে, উঠিয়ে দিতে হবে না।
হা হা হা। চন্দ্রবিন্দু বসাতে আমার ভিষন আলসেমি লাগে। কমেন্ট লেখার সময় মন বলছিলো হুদা ভাইএর নজর মোটেই এড়াবেনা। উনি ঠিকই চন্দ্রবিন্দু বসিয়ে দিবেন।
কি আশ্চর্য!!! পিটাবেন কেনো? এ বয়সে এমনই হয়। নিজের ইচ্ছে-অনিচ্ছেগুলো মাথাচাড়া দিয়ে উঠে।
ভুলে গেলেন রবিবাবুর ফটিকের কথা। বয়সটাই তো এমন! আর ঠিক এ বয়সেই ওদের সাথে খুব সাবধান হয়ে কথা বলতে হয়। অল্পতেই ওদের ইগো আহত হয়। তাই বুঝিয়ে শুনিয়ে মানানোর চেষ্টা করুন।
সময় মত ঠিকই জায়গায় চলে আসবে।
আমি এই মাছ মোটেও পছন্দ করি না। অবশ্য আমার তেমন বযসও হয় নাই।
কাঁকলে মাছ হাতে নিয়ে ঠোঁট দুটো উপর-নীচ করে একটু পর্যবেক্ষণ করুন। কী, কুমীরের মত লাগে না?? ছোটবেলায় আমাদের ছোট নদী মাথাভাঙ্গায় এই মাছ পানির সমান্তরালে সাঁতরাতে দেখলে আমরা কুমীরের বাচ্চা মনে করে ভয় পেতাম।
সেই সেকালে শীতের দিনে মা এই মাছ তেল-মসলা দিয়ে জ্বাল দিয়ে রেখে দিতেন। সকালে ঝোল জমে থাকতো। গরম না করে রাতের ঠাণ্ডা ভাত আর এই মাছের নাস্তা কি যে ভালো লাগতো একেক দিন!
সুলিখিত সুস্বাদু পোস্ট।
লেখকের মন্তব্য
কাঁকলে মাছ! চন্দ্রবিন্দু লাগাতে হবে!
মাথাভাঙ্গা নদীর কথা শুনে শুনে মনে হয় এই নদীটা আমার নদী।
অনেকদিন আগে আগোরায় অনেক বড় বড় এই মাছ দেখেছিলাম। মনে হয় সামুদ্রিক কাঁকলে মাছ! কুমিরের ছোট ভাই হবে!
কেমন আছেন?
অনেক আগে পড়েছিলাম, এই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Xenontedon cancilla. বাংলা কাঁকিলা থেকে cancilla, চন্দ্রবিন্দু না থাকলে হয়তো এর নাম হতো cacilla।
চন্দ্রবিন্দু না লাগালে কোন ক্ষতি আছে বলে মনে হয় না।
ভালো আছিরে ভাই!
ব্যাস্ততা কমলে জানাবেন। কফি খেতে যাবো বিকেলে।
লেখকের মন্তব্য
দিনে কাজের চাপে কয়েক সাপ্তাহের জন্য আমার নাইট শিফটের ডিউটি বন্ধ হয়েছে। যে কোন দিন এসে পড়ুন বেলা ১২টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে।
দেখে যান আমাদের কাজ কারবার!
দুপুরে গেলে তো আবার তেহারি খাওয়াতে হবে, মেলা খরচ!
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা ।।।।।।।।
আপনাদের সাথে মনের কথা আলোচনা না করলে আর কার কাছে করব! যে সব কথা বাসায়ও বলা যায় না!
তেহারী নয়, ষ্টারের কাবাব খাওয়াবো, চলে আসুন।
বন্ধু ,তোমার মনের কথা কাবাব খেতে খেতে আমিও শুনতে চাই।
খেতে এলাম।
ভালো আছেন তো?
শুভকামনা জানবেন।
লেখকের মন্তব্য
স্বপ্নবাজী ভাই, ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। আমি ভাল আছি। তবে ব্যস্ত একটু।
আপনি কেমন আছেন?
এইত চলে যাচ্ছে!
লেখকের মন্তব্য
ভাল থাকুন। শুভকামনা সব সময়ের জন্য।
ওহ! যেমন ছবি, তেমন বর্ণনা, তেমন রম্য!
আমার আব্বুজীকে অনেক আদর আর ভালবাসা পৌঁছে দেবেন, সাহাদাত ভাই!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সিস্টার।

আপনার আব্বুজী আজকাল এমন সব দুষ্টামী করছেন যে, আমার ঘরে থাকাই দায় হয়ে পড়ছে।
ওকে থামান! থামতে বলুন।
দেখুন, রান্নাতো ভাই। এবার কিন্তু সত্যি আমি রেগে যাবো!
ভাস্তে আমার থামবে কেনো? ওর বয়সে আপনি কি থেমে ছিলেন?
নাকি ওর মত ইট-পাথরের এই শহরে বন্দী ছিলেন?
খাঁচায় বন্দী পাখীর ছানাটির একটু ছটফটানি সহ্য করুন না ভাই। আর ক'দিন?
এবার আর চন্দ্রবিন্দুকে অগ্রাহ্য করতে পারলাম না।
হা হা হা! সুরঞ্জনা'পাকে ভুটাপ দিলাম!
আমার আব্বুজীর চেহারা ভীষণ মিষ্টি, মাশাল্লাহ!

---------------
সুরঞ্জনা'পা, শরীর কেমন আছে আপনার আজকে? অনেক শুভকামনা।।
সন্ধ্যার পর থেকে মাথা ব্যাথা কিছুটা কম।
কাল চোখের ডাক্তারের কাছে যাবো।
লক্ষী বোনটি আমার, ঠিকই খেয়াল করেছ আমার অসুস্থতার বিষয়টি।
এইনা হলে পরিবার! অনেক অনেক ভালো থেকো সোনা আপুটা!
ভাতিজা আপনার অতীত ছবি নিয়ে এসেছে মনে হচ্ছে!
ঠিক, তন্ময় ঠিক ! কমেন্টে ভুটাপ।
ধন্যবাদ ঈশামাহ ভাই
উদরাজী ভাই অনেক দিন পর আপনার রেসিপি পোষ্টে কমেন্ট করছি।
ভালো লাগছে। কেমন আছেন আপনি??
মাছ অসাধারণ হইছে। স্বাদ জিবে লেগে আছে।
লেখকের মন্তব্য
করিম ভাই, আপনাকে আজকাল দেখা যাচ্ছে না।
পর্ব গুলো কোথায়? ছাড়ুন।
শুভেচ্ছা।
আছি ভাই আছি।
একটু ব্যাস্ততার মাঝে সময় যাচ্ছে।
পর্বের কথা আর বইলেন্না।
ফ্রি হয়ে দেয়ার চেষ্টা করবো।
ধন্যবাদ ভাই।
আর একটা কথা সাহাদাত ভাই খুব শিগ্রই আপনার সাথে দেখা করার ইচ্ছে আছে।
লেখকের মন্তব্য
ফোন দিয়ে আসবেন। আমার আবার উলটাপালটা টাইমে ডিউটি!
এসে পড়ুন। ব্যাপার না।
মনে হয় ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে হতে পারে, দেখা যাক।
লেখকের মন্তব্য
আসুন। ব্যাপার না।
ধন্যবাদ ভাই সুন্দর রেসিপির জন্য। তবে এই মাছ আমি কোরিয়াতে অনেক ধরেছি। কোরিয়ান ভাষায় এই মাছ কে বলে "কংচি"।
তবে এই মাছ শীত কালে সমুদ্রে অনেক দেখা যায়। এবং বরশি দিয়ে ধরা হয় । তবে কোরিয়াতে কাঁচা খেয়েছি সস দিয়ে। খুবই টেস্ট। খুব বড় সাইজের হলে মাঝের কাটা ফেলে দেওয়া হয় আর ছোট গুলি কাটা সহ খাওয়া হয়। স্বাদের দিক থেকে অন্য যে কোন মাছের চেয়ে আমার খুবই প্রিয় এই মাছ।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মুস্তাফিজ ভাই। জাপানে থাকলে কোরিয়াতেও থাকার কথা।
চতুরে রেজি করে ফেলুন। মাঝে মাঞ্ঝে ব্লগ লিখে সময় কাটান।
কংচি - বেশ নাম বটে।
শুভেচ্ছা থাকল। আশা করি মাঝে মাঝে আমাদের দেখে যাবেন।
এই মাছটা ছোটবেলা খেয়েছি আজ আপনার লেখা পড়ে আবারো খেতে ইচ্ছা করছে কিন্তু এই্এলাকায় এখন পাওয়া যায় না। ধন্যবাদ।
লেখকের মন্তব্য
জিল্লুর ভাই, আমি আপনাকে আর কেন ব্লগে কমেন্ট করতে দেখি নাই। এই প্রথম দেখলাম। ভীষন খুশি হলাম। মাঝে মাঝে অন্যের বল্গে কমেন্ট করলে আরো প্রিয় হবেন নিঃসন্দেহে।
শুভেচ্ছা থাকল।
সাহাদাত ভাই , জিল্লু ভাই আমার ব্লগে কমেন্ট করেন , যখন তিনি চতুরে আসেন
খাওয়ার ব্যাপারে আমি শত ভাগ বাংলাদেশী ।
এই মাছের ঝোল টা পেলে আমি দুই প্লেট ভাত খেতাম। অনেক মজা করে।
লেখকের মন্তব্য
যে কোন মাছ (ছোট) এভাবে রান্না করে দেখতে পারেন। ভাল লাগবে।
সিরাজগঞ্জের মানুষ এই মাছকে বলে কাইকলা। তবে এই জীবনে এটি ছুয়েও দেখিনি। ঘেন্না করি এমন মাছের একটি এটি। তবে আজ তোমার ছবি গুলো দেখে জিভে একটু জল এসে গেলো।
লেখকের মন্তব্য
আরে লিটু যে, তোমরা দেখছি খাঁটি বাংলা ব্লগে আইস্যা পড়লা!
আরে বাংলা লেখার মজাই আলাদা। কিছু কিছু ব্লগ লিখো, থামে ফেল ক্যান।
দেখো এখন বয়স হয়েছে আর বাছাবাছি করে ভাবীকে জালাত্বন দিয়ো না!
শুভেচ্ছা। নিয়মিত দেখতে চাই।
এই মাছ আগে প্রচুর দেখা যেতো বাজারে। এখন একটু কম দেখা যায়।
এই মাছ এতোদিন খাইতাম না আমি। তবে, আপনার রান্না দেখে লোভ হচ্ছে খুব।
লেখকের মন্তব্য
বিয়ের পর নিশ্চয় খাবেন!
না, মাছ টা খুব স্বাদের, খেয়ে দেখবেন আশা করি।
রেসেপির দেওয়ার একদিন আগে ব্লগে খবরটা জানাবেন?
দেখবেন হুড়হুড় করে আপনার বাসায় কেমনে চলে যাই।
ভাই , আমাকে সাথে নিয়ে যায়েন
আমিও আপনার সাথে যেতে চাই , খেতে 
লেখকের মন্তব্য
অপেক্ষার ফল ভাল হয়!
লেখকের মন্তব্য
কোন দিন কি রান্না হবে আমিও আগে থেকে জানি না! রাত ১০টা ঠিক হয়, সে সময়েই রান্না। কখনো আমি রান্না করি কখনো আমার ব্যাটারী রান্না করেন!
ছবি আর রান্নার বর্ননা খুবই আকর্ষনীয় হয়েছে উদরাজী ভাই। কাইক্যা মাছে এর রান্না আমার আপু বেশ কবার করেছে। রেসিপিতে সাত তারা।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ লিটিল সিষ্টার।
শুভেচ্ছা।
আমি খুব একটা মাছ ভক্ত না, ছোট মাছতো একেবারেই না।
কিন্তু আপনার রান্না দেখে খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করছে।
এ মাছটাকে অসহ্য লাগতো কিন্তু এটার শুটকী ভাল লাগতো।
আপনি একটা রেষ্টুরেন্ট ওপেন করলে পারেন, উদরাজী ভাত মাছের হোটেল
আপনার কারণে শুদ্ধ নামটা জানা হলো
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সিস্টার তানবীরা, কেমন আছেন? অনেক দিন পর আপনাকে দেখে যারপরনাই খুশি হলাম।
অহনা সিরিজ শুরু করে চুপ হয়ে গেছেন কেন। প্রতি সাপ্তাহে এক/দুটা পোষ্ট দিতে পারেন।
কাকিলার শুটকী খাই নাই! শুটকীর কথা বলে জিবে জল এনে দিয়েছেন।
আইডিয়া মন্দ না, আমাকে একটা ব্যবসা বের করতেই হবে। চাকুরী আর চাই না! হয়েছে অনেক!
ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা কমেন্ট করার জন্য। আবারো দেখে যাবেন।
লেখকের মন্তব্য
হা, আর একটু ধনিয়া পাতা হলে ভাল হত!
কাইক্যা মাছের শুদ্ধভাষার নাম আজই জানলাম। কতদিন খাইনা কাইক্যা মাছ। ইচ্ছা করছে এক প্লেট গরম ভাত নিয়ে বসতে, মাছের ছবি দেখতে দেকতে ভাত খাই। দারুণ রে ভাই দারুণ!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ছোট বোন। আপনার নাম দেখি আর প্রবাসী বোনের কথা মনে পড়ে।
শুভেচ্ছা।
আমার শেষ পোস্টে আমাকে স্মরণ করার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন আর খুব ভালো থাকবেন।
লেখকের মন্তব্য
ব্যাপার না। ভাল আছেন জেনে ভাল লাগল।
শুনেছি রাশিয়াতে নাকি বেশ ঠান্ডা পড়ছে, ভাল থাকুন।
দারুণ হল ভাইয়া। ছোট মাছ খেতে ভালো লাগে। আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ পাহাড় কন্যা।
শুভেচ্ছা নিন।
উদরাজী ভাই, কাকিলা মাছ আমি আজ প্রথম দেখলাম--তারমানে বুঝতেই পারছেন আমি এই মাছ খাই না, আসলে আমি কোনো মাছই খাই না (৩ টা ছাড়া)---হা হা হা
লেখকের মন্তব্য
মাছ না খেলে পড়ে সমস্যায় পড়ে বুঝবেন।।।
ও ।।। আপনি তো ।।।।।
মাছের মত স্বাদ আর কি আছে?
রান্না যখন হয়েই গেছে, গরম গরম খেতে বসে যাই।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।।।।
এইটার আরেকটা নাম কি চেঁউয়া মাছ?
লেখকের মন্তব্য
নয়ন দা, এই নাম আমার জানা নাই। দেখা যাক, যারা জানেন তারা কি বলেন।
না, এটা চেঁউয়া হবে কেন? চেঁউয়া নরম মাছ, এটা বেশ শক্ত। চেঁউয়ার লম্বা ঠোঁট নেই, কিন্তু কাঁকলে মাছের ঠোঁট অনেক লম্বা আর দাঁতবিশিষ্ট, হা করিয়ে ধরলে কুমিরের মুখের মত লাগে দেখতে! আবার হতেও পারে! একই নামে বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন মাছের পরিচিতি গড়ে উঠতে পারে!!
লেখকের মন্তব্য
হুদা ভাই, নেটে চেউয়া মাছ নিয়ে অনেক দেখলাম। না চেউয়া মাছ আলাদা মাছ বলেই আমার মনে হচ্ছে। চেউয়া মাছের ছবি পাই নাই তবে একটা নিউজ দেখলাম। নোয়াখালীর মেঘনা উপকূলে প্রচুর চেউয়া মাছ। নিঝুম দ্বীপে প্রচুর চেউয়া মাছ পাওয়া যায়। দেখা যাক অন্য কেহ জানেন কি না।

হ্যা, দেখা যাক অন্য কেহ জানেন কি না।
মন্তব্য করুন