সাহাদাত উদরাজী-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আজ বিকালে চতুররের বন্ধুদের আড্ডা, ছবির হাটে। আড্ডার কথা শুনলে আমার মন ভীষন আনচান করে উঠে কারণ আমি আড্ডা প্রিয় মানুষ এবং বাল্যকাল থেকে আড্ডা মেরে মেরে বড় হয়েছি! আমার আড্ডার স্থান ও বন্ধুর সংখ্যা বললে অনেকে বিশ্বাস করবেন না, প্রচুর। এখনো আমার কোন বন্ধু আমাকে ভুল বুঝে নাই কিংবা খারাপ ঝগড়া বিবাদ হয় নাই। আমার ভুল হলে আমিই আগে ক্ষমা চাই এবং সবার কাছে বিশ্বস্ত থাকতে চাই, এবং সেটা আমৃত্যু চলবে বলে আমি মনে করি। কাজে কাজেই, আমার মায়ের আমার জন্য বিশেষ আদর ছিল। তিনি আমার আড্ডা তেমন কিছু মনে করতেন না, কারণ ছোট বেলা থেকে 'ভাল ছেলে'র একটা লেভেল গায়ে প্রিন্ট মেরে রেখেছিলাম। আর যত যাই হত (সব খবর তিনি রাখতেন) তিনি আমার কাছ থেকে জানতেন, আমি আমার মায়ের কাছে সব বিষয়ে ফ্রী ছিলাম (আমার ইচ্ছার বিবাহেও তিনি বাঁধা দেন নাই, গায়ে জ্বর নিয়ে তিনি আমার বিবাহে উপস্থিত হয়েছিলেন)। তার পর, দিনের পর দিন বাসার বাইরে থেকেও কোন বিচার আচার বাসায় পৌঁছাতে দেই নাই, যাতে পিতামাতা রাগ করতে পারেন। হা হা হা।।। বিশেষ চেষ্টা চলছে সব সময়। আমার চরিত্রের বন্ধু এই দুনিয়াতে অনেক আছে! আমি একা নই!
সে যাই হোক, মুল গল্পে আসি। আমার মায়ের কাছে থেকে শিখা একটা পিঠার কথা আজ আপনাদের জানাব। এই পিঠা তিনি আমাদের এই জীবনে কতবার খাইয়েছেন তা আমি বলতে পারব না। রান্নাঘরের প্রতি আকর্ষন না থাকায় কোনদিন চেষ্টা করি নাই, কি করে এই পিঠা বানানো হয়! গত ২৫ তারিখে আমার আম্মা ইটালীতে চলে যাবার আগে কয়েকদিন আমার বাসায় ছিলেন। ২১ তারিখ রাতে (প্রায় ১টায়) আলাপের ফাঁকে হঠাত এই পিঠা কথা উঠে যায় (তিনিও জানেন আমি রেসিপি লিখি), আর দেরী না করে উনাকে নিয়ে রান্না ঘরে চলে যাই। এখানে বলা বাহুল্য, চালের ঘুরি (শব্দটা ঠিক কিনা বুঝতে পারছি না) ও একটা খোলা মাটির তাওয়া বাসায় এনে রেখেছিলেন আমার ব্যাটারী কারণ তিনিও এই পিঠা বানানো শিখতে চেয়েছিলেন অনেক আগে থেকে কিংবা পারতেন তবে কখনো সাহস করে বানান নাই। কাই বানানো দেখিয়ে, দুটো পিঠা বানিয়ে তিনি ড্রইং রুমে চলে এসেছিলেন। বাকি সব পিঠা আমি ও আমার ব্যাটারী বানিয়েছিলাম। রাত দুটায় সবাই মিলে খেজুরের রস (রাব) ও নারিকেল দিয়ে খেয়ে, চা পানের সবাই ঘুমাতে গিয়েছিলাম। আমার বুলেটও রাত জেগে থাকে। এটাও বিরাট আড্ডা! মা, ছেলে, স্ত্রী নিয়ে এমন জমজমাট সময় পাসকে আড্ডা না বলে উপায় নাই! তবে এই আড্ডার লাভ হচ্ছে, আমিও শিখে নিয়েছি একটা চমৎকার স্বাদের পিঠা বানানো। ২১ তারিখের পর আরো তিনদিন এই পিঠা বানানো হয়েছে এবং আরো চার কেজি চালের গুড়া কেনা হয়েছে!
কাজে কাজেই চতুরের এই আড্ডায় আমি যদি এই পিঠা নিয়ে হাজির হতে পারতাম তবে মনে বিরাট খুশি লাগত। সেটা পারব না, কারণ আমি যথাযত শুক্রবারের অফিসের ডিউটিতেই আছি! এই পিঠার নাম খোলা চিতই। চিতই পিঠা চিনেন না এমন বাঙ্গালী আছেন বলে আমার মনে হয় না! মাটির খোলায় এই পাতলা চিতই বানানো হয়, সহজ কাজ অনেকটা 'জগ থেকে পানি ঢেলে পান করার মত ব্যাপার'! এই চিতই পিঠা নিয়ে ক্লাস থ্রীর বইতে একটা প্রবন্ধ আছে (সময় পেলে সেটা একদিন তুলে দিব, অসাধারণ লেখা)। আমাদের গ্রামে প্রতিদিন সকালেই এই পিঠা বানানো হয় এবং সবচেয়ে বড় যে বিষয়, তা হচ্ছে এই পিঠা যে কোন তরকারী দিয়ে খাওয়া যায়, যা আছে তা দিয়ে! কিছু না থাকলে চা দিয়ে চুবিয়েও খাওয়া যায়। বেশ মজার। এক বসাতে ১০/১২টা এই পিঠা খাওয়া কোন ব্যাপার নয়! চলুন দেখে ফেলি, আমার মায়ের হাতের তৈরী আর আমাদের শিখিয়ে দেয়ার ছবি গুলো!

এক কাপ চালের গুড়া নিন (আজজাল প্যাকেটে পাওয়া যায়)। এক চিমটি লবন দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে দিয়ে কাই করতে থাকুন।

একটা হাঁসের ডিম কিংবা দেশী মুরগীর ডিম দিন। হাঁসের ডিমে পিঠা বেশ ফুরফুরে হয়।

ভাল করে মিশিয়ে মিশিয়ে প্রয়োজনীয় কুসুম গরম পানি দিয়ে দিয়ে এমন তরলে পরিনত করুন যা বেশী ঘন নয় আবার বেশী তরলও নয়।

মাটির তাওয়া গরম করুন। এক চামচ তরল কাই একটা গরম তাওয়ায় দিন এবং দুই হাতে ঘুরিয়ে সে কাই গোল করে বিছিয়ে দিন। গোল করাটা সহজ মনে হলেও তত সহজ নয়। অভিজ্ঞতায় আপনি সেরা গোলকারী হতে পারবেন। এখানে একটা বিশেষ কথা বলে নেই। মাটির তাওয়া ভাল দেখে কিনতে হবে পানিতে ভিজিয়ে, রোদে শুকিয়ে তাওয়া তৈরী করতে হবে। নতুবা চুলায় দিলে গরমে ফেটে বা বাষ্ট হয়ে নুতন সমস্যা তৈরি হবে। সুতারাং সাবধান। আমরা দুটো মাটির তাওয়া ফাটিয়েছি পরে! অল্পের জন্য ফাটা গরম টুকরা গায়ে লাগে নাই। আশা করি বুঝে নিয়েছেন!

মিনিট দুয়েকের জন্য ঢেকে দিন, যাতে পিঠার পুরু অংশেও তাপ লাগে।

পাতলা খুন্তি দিয়ে খুঁচিয়ে চারপাশ থেকে তুলে জমা করতে থাকুন।

অসাধারন। দেখতে কত সুন্দর তা বলে বুঝাতে পারব না।

বাসায় খেজুরের রসের তরল গুড় (রাব) ছিল, নারিকেল ছিল। আমরা খেতে বসে পড়লাম।

সত্যি অসাধারন, সেরা স্বাদ। আমার মায়ের হাতে। আমি নিশ্চিত, আপনারাও আপনাদের মায়ের হাতের এই পিঠা ছোট বেলায় অনেক খেয়েছেন কারণ এটা আমাদের দেশের একটা সাধারন পিঠা।
[শীতের এই সন্ধ্যার আজকের আড্ডায় আমি বাসা থেকে খুব সহজেই বানিয়ে নিয়ে আসতে পারতাম। কিন্তু সময়াভাবে পারলাম না। তবে কথা দিচ্ছি, বই মেলার এক আড্ডায় (আমি আমার ব্যাটারী, বুলেট সমেত যে দিন আসব) আপনাদের যারা থাকবেন তাদের জন্য নিয়ে আসব। হাতে আমার আগামী পুরা ফেব্রুয়ারী মাস আছে!]
অফটঃ গতকালের জন্মদিনে যারা আমার কথা মনে রেখেছেন সবার জন্য ভালবাসা থাকল। আমি একটা পিকনিকে যাবার দরুন সময় মত উক্ত পোষ্ট গুলোতে হাজির হতে পারি নাই বলে আমারো মনে কষ্ট জমে আছে। শুভেচ্ছা নিন। তবে জন্মদিন এলে ভয়ে ভয়ে থাকি, এই বুঝি আর একটা ধাপ মৃত্যুর কাছাকাছি চলে গেলাম।
মন্তব্য
মায়ের অসাধারণ মমতা, আর তাঁর হাতের পিঠা, চোখ ভিজে গেলো।
অত্যন্ত সুন্দর মুহূর্ত গুলা শেয়ার করলেন বলে অনেক ধন্যবাদ।
আর রেসিপির কথা তো নতুন করে বলার কিছুই নাই।
চতুর বাড়িতে আপনিই একজন, আমাদের সবার প্রিয় মানুষ।
অনেক শুভেচ্ছা, আপনার সাথে আমিও অফিসের কাজ করছি, তবে বাসায় বসে...
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মেঘ রোদ্দুর ভাই। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। মেঘ নিয়ে আমরা অনেক ঝামেলায় আছি! গতপরশু রাতে আমার ব্যাটারী আমাকে বলেছিল (অন্য একটা ব্লগের কমেন্ট দেখে), এত মেঘ, কে কি করে কি করে মনে রাখ! কে কি করে! হা হা হা।।।।
যাই হোক, ভাল থাকুন। আমার চাকুরীটা অনেকটা দারোয়ান টাইপ! পাহারা দেয়া, সমস্যা না হলে পুরা সময়ই আমার! কিন্তু অনেক রিস্ক নিয়ে বসে থাকি! যত মজা তত বিপদ।
আহ, ঘরে ব্যাটারী, বুলেটের সাথে বসে চাকুরী যদি করতে পারতাম! হা হা হা।।।
অসাধারণ দাদা।
এই পিঠা সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন চলছে বর্তমানে।
ভাই আমাদের ছেড়ে বাড্ডে উদযাপন করলেন?? আপনারে মাইনাস।
আমি আপনার মোবাইলেও একটা এস এম এস করেছিলাম। পাইছেন???
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ করিম ভাই। আসলে পিকনিকে চাঁদা দেয়ার সময় আমিও জানতাম না যে, এই দিনে পড়বে। জম্ম দিনে পিকনিকেও বেশ ভাল সময় কেটেছিল তবে অফিস থেকে এত ফোন পেয়েছি যে, মেজাজ একদম ভিল্লা হয়ে গিয়েছিল। ফিরতি পথে রাস্তার জামে, সারা আনন্দ মাটি মাটি লাগছিল।

বেশ সুন্দর উপহার ছিল!
ভাই উপহার বাহ বেশ।
লেখকের মন্তব্য
অনেক মজা হয়েছে। অনেক উপহার পেয়েছি। এই সামান্য জীবনে আর কি হতে পারে। আপনাদের বুলেট দৌড়ে ৩য় হয়ে পুরুস্কার পেয়েছে। উপহার দিচ্ছেন, কালপুরুষ, যিনি চতুরেও লিখে থাকেন।

দারুণ,
বাহ! বুলেট বাবা দেখি বাজিমাত কইরা দিছে

----------
তাইলে এই সেই কালপুরুষ।
ভাতিজা আসলেই বুলেট।

হা হা হা... আপনার বুলেটের কথায় দারুণ মজা পেলাম। অনেক আদর রইলো ওর জন্য। তবে শাহাদাত ভাই, আমার নিকে মেঘ এর সাথে রোদ্দুর ও আছে, মনে রাখতে সুবিধা হবে ওর।
আমাকে অনেক আগে একজন সিস্টেম অ্যাডমিন এই কথাটা বলেছিল।
‘দারোয়ান টাইপ চাকরী’ আরও মজা দিলেন...
তবে ভাই, ব্যাটারি নিয়ে বাসায় বসে কাজ করা অফিসে বসে কাজ করার চেয়ে অনেক কঠিন...
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মেঘ ভাই। হালকা একটু এডিট! ভার্চুয়ালী ব্যাটারী=স্ত্রী, বুলেট=ছেলে!
হা হা হা।। নদীর এপার আর ওপার মাত্র!
জানি তো, শেষ লাইনে আমার ব্যাটারির কথা বললাম আরকি...
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।। তা বাহিরের কাজ ঘরে নেয়া চলে না!
সবাই দেখি ব্যাটারী বানাইয়া ফেলতেছে

ওরে ঐ পিঠাতে যে কি মজাটাই না লুকিয়ে আছে

খুব উপাদেয় খাবারের রেসিপি.............চমৎকার। আপনার এবার সকল রেসিপি নিয়ে একটি মলাটবদ্ধ কিছু হয়ে যাক। একজনের বই তো দেখি ফিলিপস কোং-এ ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।
কেমন আছেন মাহবুব ভাই। আপনাকেও অনেক দিন পর দেখা গেল।
বই বের করা সহজ কাজ তবে নিজের টাকা থাকতে হয়! হা হা হা।।
খেজুর গুড় আর দুধ দিয়ে চিতই পিঠা খেতে ভীষণ মজা। অনেক খেয়েছি এই পিঠা।
লেখকের মন্তব্য
আচার্য দা,
এই পিঠা চট্রগ্রাম বিভাগের সেরা জনপ্রিয় পিঠা। প্রায় প্রতিটা বাড়ীতেই সকালে এই পিঠা হয়ে থাকে।।।
পরিবার নিয়ে কোথায় ঘুরে আসুন। ভাল লাগবে।।
আমার ঘরেও মাটির খোলা আছে। তবে ঠিক বলেছেন, মাটির খোলাকে আগুনের উপযোগি করতে বেশ খাটুনি আছে। ছোট বেলায় এই পিঠা কঁই মাছের ঝোল( মটরশুটি, নতুন আলু দিয়ে) আর মাংসের ঝোল দিয়ে খেতাম।
চালের গুড়ি হবে।*
লেখকের মন্তব্য
হা, আপা, আমরা ইতি মধ্যেই দুটো খোলা ভেঙ্গেছি! একটা এত জোরে ফুটেছে যে, আমরা ভয় পেয়েছিলাম। প্রতিটা খোলা ৩০টাকা করে কেনা হয়েছিল। এবারে ভাবছি একসাথে ৪/৫টা খোলা কিনে রাখব। এই পিঠার স্বাদ ভাল, যে কোন কিছু দিয়ে চালান দেয়া যায়!
ভুল করে ফেলেছি, আম্মা থেকে তেলের পিঠার কাই টা শিখে নেয়া দরকার ছিল। গোল গোল বড় সাধারন তেলেপ পিঠা। একটু জানলে জানিয়ে যান, খেতে খুব ইচ্ছা হচ্ছে।
ভাল থাকুন।
তেলের পিঠা অনেক সোজা রান্নাতো ভাই।
২ কাপ চালের গুড়ির সাথে ১ কাপ ময়দা, গুড় ঠান্ডা পানি দিয়ে কাই করবেন। ঘরে সুজি থাকলে ১ মুঠ সুজিও দিতে পারেন। ১ চিমটি মৌ্রী দিলে খুবই মজার ঘান হয়। গরম তেলে আধ কাপ গোলা দিয়ে আগুন কমিয়ে দিবেন। যদি দেখেন গোলা ছড়িয়ে যাচ্ছে তবে বুঝবেন গোলা পাতলা হয়েছে। তখন আরেকটু গুড়ি দিয়ে ভালো করে মাখাবেন। পিঠা বানাবার ১ ঘন্টা আগে গোলা করে রাখলে ভালো হয়। সঠিক গোলা হলে পিঠা ফুলে উঠবে। তখন উলটে দিয়ে মাঝ খানে একটা ফুটো করে দিলে পিঠার ভেতর কাঁচা থাকবেনা। আমি চিকন চামচের গোড়া দিয়ে ফুটা করার কাজটি করি।
আম্মাকে দেখেছি একটি বাঁশের টুকরোর আগাটা ছুঁচোলো করে ঐ পিঠা ফুটোর কাজ করতেন।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ রান্নাতো বোন।
নোট করে নিলাম। আমার পিঠা শেখার চেষ্টা চলবে।
গরুর মাংসের ঝোল দিয়ে চিতই পিছা খাওয়ার স্বাদ শ্রেষ্ঠ স্বাদ ! আর ভর্তার মধ্যে ধনেপাতার ভর্তা দিয়ে খেতে সবচেয়ে মজার !!

জানি ঈর্ষা করা ভালো না!! কিন্তু আমি না করে পারছি না!! চতুরের চারিদিকে শুধু আড্ডার গন্ধ পাচ্ছি!!
লেখকের মন্তব্য
আড্ডাই জীবনের একটা অংশ! পারলে আপনিও চলে আসুন। আমরা হাজির হচ্ছি।
এর মধ্য হুদা ভাই পৌঁছে গেছেন।।।
আপনি তো আর খাওয়াবেন না। বাসায় চেষ্টা করব।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বোন। আজ ব্লগে এসে আপনার পোষ্ট দেখে অত্যন্ত খুশি হয়েছি।
উদরাজী ভাই এর উদ্দেশ্যে
আসলে আপনি আপনার নিজের ভাল মনের পরিচয় দিলেন। অন্যকে ভাল বলতে সবাই পারে না। এটা একটা বিশেষ গুন।
আপনার জন্য শুভ কামনা থাকল।
গুডু বয়।
বাজারী চাউলের গুড়ো থেকে হাতে বানানো চাউলের গুড়োয় বানানি পিঠা বেশি মজাদার হয়।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।। মানিক ভাই, আপনি সত্য বলেছেন!
ঢেঁকি ছাটা চালের গুড়ায় বেশী স্বাদ হবে।
আরেকখান কথা, যা যা আনার, আশ মিটিয়ে সব নিয়ে আসুন সরলরেখা বক্ররেখা'র মোরগ... থুক্কু, মোড়ক উন্মোচনের দিনে। আমরা মনে কিছু করবো না। না হলেই বরং মাইন্ড খাইমু আমি, কয়া রাখলাম।
লেখকের মন্তব্য
মানিক ভাই, হা হা হা।।।।।
শব্দটা ঘুরি না, গুঁড়ি, চালের গুঁড়া থেকে চালের গুঁড়ি। আমার খুব প্রিয় একটা পিঠা এটা। ধনে পাতার চাটনী, সর্ষে বাটা, শুটকী ভর্তা কিংবা গরুর মাংসের ঝোল দিয়ে খেতে দারুণ মজা। আর এই পিঠা খেজুরের রসে ভিজিয়ে বা দুধ-গুড় দিয়ে জ্বাল দিয়ে বানানো হয় রসের পিঠা। ঐটাও খেতে অসাধারণ।
লেখকের মন্তব্য
গরম মশলা আপা, অসাধারন। মোটা চিতই ভাল লাগে।
চালের গুড়ি অনেক কিনেছি।
এবার আবার বানাবো।
ওরে বাবারে! খাইসে!
ক্ষুধা লেগে যাচ্ছে প্রায়!
দারুণ পোস্ট!

লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মেকানিক ভাই।
দারুণ! আড্ডা, প্রাণদায়ী আড্ডা!
- পারিবারিক আড্ডা সাংঘাতিক মজার হয়, আমি জানি! এইখানে তো পরিবার সীমিত, তবু, শুক্রবার আর শনিবার রাত্রে, দুই পুত্র, উহাদের মা এবং আমি, মুটামুটি নিয়মিতই আড্ডা দেই! ল্যাপটপটারে টিভিতে লাগায়া মুভি দেখা হয়, প্রিয় গান শোনা এবং চিল্লায়া বেসুরে গাওয়া হয়। বড়টার গিটারের পিড়িং পিড়িং শোনা হয়। খাওয়া খাদ্য তো হয়ই,- ঐটাই একমাত্র সময় যখন দুই পুত্রই চা টা বানায় খাওয়ায়! পরের সপ্তার জন্য ভালো এনার্জি পাওয়া যায়!
- ছবিরহাট জমজমাট! আড্ডা কি শেষ হবে না?
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বাপী ভাই।
আপনার পরিবারেরে জন্য শুভেচ্ছা থাকল।
হা, এমন আড্ডায় এই ধরনের পিঠা ভাল লাগে।
বন্ধু, বিকেল তিনটার দিকে তোমার চিতই পিঠার এই পোস্ট দেখে ভাবলাম ছবির হাটে গিয়ে এই জিনিস খাবো। এর আগে ছবির হাটে ফেইস বুকের বন্ধুদের এক আড্ডায় এই জিনিস খাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। কিন্তু আফসোস, আজ ওখানে চিতই পিঠা চোখেই পড়লো না। তোমার খেঁজুর রসের তরল গুড় দেখে লুল হওয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই।

লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ঈশান, লুল ভাল নয়!
ভাই ! এই ভাবে চিতই পিঠা জীবনেও খাই নাই ! ট্রাই করব ইনশাল্লাহ

ভাল লাগল
অসাধারণ পিঠা নিয়ে অসাধারণ পোস্ট!
গুড়নারকেলক্ষীর ছাড়াও হাঁসের মাংসসহও এটা খুব জনপ্রিয় আমার জেলায়।
মার কাছে শুনেছি খোলার বাইরের তলে কাদামাটি লেপে (হাফ সেন্টিমিটার বা তারও কম পুরু) রোদে শুকিয়ে নিলে নাকি ফাটার চান্স কম থাকে। আর নতুন খোলা প্রথমে একটু তেল আর লবণ দিয়ে মাঝারি আঁচে "সিজন" করে নিতে হয়।
================
রান্নাতো ভাইবোনদের কাছে অনুরোধ। শুধু ডিম-ময়দা-চিনি (দুধও থাকতে পারে, অল্প বেকিং পাউডারও হয়তবা) দিয়ে আটা করে বেলে বরফি বা ফুলের শেপে কেটে ভেজে নেয়, টিনে ভরে বেশ কিছুদিন রেখে খাওয়া যায়, কেকের মতো স্বাদের ঐটার রেসিপি চাই।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ নুশেরা আপা,
হাঁসের মাংস এর কথা বলে জিবে জল এনে দিলেন।
আশা করি পেয়ে যাবেন। রান্নাতো বোন থাকতে আমাদের চিন্তা নাই।
খেতে ইচ্ছে করছে!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বারীশ ভাই।
লেখকের মন্তব্য
বন্ধুরা সবাইকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। আবার ফিরে আসব। সময়ের বড় অভাব। যানযটে আমাদের অনেক সময় নিয়ে নিচ্ছে।
একটি বিশেষ ঘোষণাঃ সাহাদাত উদরাজীর এই পোস্টে আমার কোন মন্তব্য নেই।
কী তাজ্জব! পড়েছি, অথচ মন্তব্য ছাড়াই ছেড়ে দিয়েছি? এটা ত এত খারাপ পোস্ট নয়, পিঠাটাও খেতে ভালো। মুরগির পাতলা ঝোলে ডুবিয়ে খেতে বড়ই উমদা। তবুও কোন মন্তব্য করি নি! কী আশ্চর্য!!!!
লেখকের মন্তব্য
হুদা ভাই, এখন রাত ৪ টা ৩০। এই মাত্র চতুরে প্রবেশ করতে পারলাম।
আজ চতুরের কি হয়েছিল।
ধন্যবাদ। সব পোষ্টে মন্তব্য লাগে না!
যদিও আমার এলাকায় এটা চিতই পিঠা না তবু এটা খেতে ভালো লাগে কিছুদিন আগে এই পিঠা খাওয়ার জন্য চালের গুঁড়া কিনে বানানোর পর যা হয়েছিলো তার বর্ননা আর না দেই।শালার কোরিয়ান স্টিকি চালের গুষ্ঠি কিলাই।

লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ কাকা। অনেকদিন পর আপনাকে দেখে খুশি হলাম।
আপনার রান্নার প্রতি আগ্রহ আমার কাছে ভাল লাগে।
আপনাকে দেশ থেকে চাল পাঠাতে চাই। কেহ জানা থাকলে ঠিকানা দিন, ঢাকার মধ্যে আমি পৌঁছে দিব।
মন্তব্য করুন