সাহাদাত উদরাজী-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

গত মাস চারেক আগে বাসায় একবার টাকি মাছের ভর্তা বানানো হয়েছিল। সেই টাকি মাছের ভর্তার রেসিপি চতুরে প্রকাশ করেছিলাম। অনেকদিন পর আবার বাজার থেকে টাকি মাছ কিনে বাসায় আবদার করলাম। আমার ব্যাটারী মাছ কাটা এবং টাকি মাছ গুলো ভেঁজে দেয়া পর্যন্ত করলেন, বাকী কাজ আমাকে করতে হল। আমার হাতের মলা ভর্তা নাকি বেশী স্বাদ হয়! যে কোন ভর্তা মলা বা মাখানোর পর হাতের আগুলের চামড়ায় জ্বলে যা আমি সহ্য করতে পারি। হা হা হা।।।। চলুন আবারো টাকি মাছের ভর্তা দেখে নেই। গতবার ধনিয়া পাতা ছিল না, এবারে ধনিয়া পাতা সহযোগে। বেশ মজার, মুখে রুচি ফিরে আসবেই!

হালকা আঁচে টাকি মাছ গুলো গা গা তেলে ভেঁজে নিন, বেশী ভাঁজা নয়। (ছবিটা আগের পোষ্ট থেকে নেয়া হয়েছে)

কয়েকটা শুকনো মরিচ তেলে ভেঁজে নিন। মরিচ ব্যবহারে সর্তকতা আবশ্যক। বেশী ঝালে আবার শারীরিক সমস্যা হতে পারে।

টিভি দেখতে দেখতে ভাল করে টাকি মাছের কাটা আলাদা করে নিন।

পেঁয়াজ কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি নিয়ে মাখানোর একটা প্লেটে লবন যোগে সব কিছু নিয়ে নিন। যত মলবেন বা মিশাবেন তত স্বাদ বের হবে। শেষে সামান্য সরিষার তেল দিয়ে আবারো ভাল করে মিশিয়ে নিন। লবন দেখে নিন। লাগলে দিন, না লাগলে ওকে।

ব্যস হয়ে গেল টাকি ভর্তা। শুধু পাতলা ডাল আর টাকি ভর্তা দিয়েই এক বেলা চালিয়ে দেয়া যায়, আরামসে।
_____________________________________________________
[ভর্তা নাইটের আগের দুটো ভর্তা দেখে আসতে পারেন। আরো ভর্তার রেসিপি আছে। এক রাতে এত আবার সইতে পারা যাবে না। তাই ক্ষান্ত দিলাম, আমিও অন্য আড্ডায় চলে যাচ্ছি।]

কাঁচা মরিচ ভর্তা (রুই মাছ যোগে)

সাধারন টমেটো ভর্তা (পুড়িয়ে এবং ধনিয়া পাতা দিয়ে)
মন্তব্য
আগে কমেন্ট করি তারপর পোস্ট পড়ি
লেখকের মন্তব্য
স্বাগতম ও শুভেচ্ছা।
ধন্যবাদ ভাই
কি বলবো ভাই !! এটিও আমার অতি পছন্দের মাছ ভর্তা !!
তবে টাকি মাছের ভুনা-ভাজা-ও খুবই ভাল লাগে
লেখকের মন্তব্য
আমার আম্মা টাকি মাছ ছোট ছোট করে কেটে পেঁয়াজ কাঁচা মরিচের ঝাল দিয়ে একটা ভুনা করতেন। এখনো মনে পড়ে। শিখতে পারলে ভাল হত। মায়ের কাছ থেকে মজার মজার রান্না শিখে নিন, একদিন কাজে লাগবেই!
শিখিতো মাঝে মাঝে

তবে মা ঘরনি আনার চিন্ত করতেছেন !! আমার কষ্ট কমে যাবে হয়তোবা
১ম
দিলাম 
লেখকের মন্তব্য
আবারো ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা।
আপনাকে আবারও ধন্যবাদ ভাই
এটাও আমার আর একটা খুব প্রিয় ভর্তা। আহ খেতে কি দারুন লাগে!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আচার্য ভায়া। টাকি মাছ ভর্তার একটা অপরিহার্য অংশ।
ভর্তা দিয়ে খেয়েই রাত কাবার! এত ভর্তা দেখে নিজেরই ভর্তা হয়ে যাবার অবস্থা!!
লেখকের মন্তব্য
হুদা ভাই, আরো দুটো ভর্তার রেসিপি ছিল। সাহসে কুলায় নাই! না জানি লোড আবার বেশী হয়ে যায়! হা হা হা।।।
জিভে পানি চলে এলো!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ।।।।।
টাকি মাছের ভর্তা!!!

কতদিন খাই না....................
লেখকের মন্তব্য
বছরে দুই একবাররের বেশী খাওয়া হয় না কারোই!
পরীক্ষা শেষে বানিয়ে নিতে পারেন, একন ভাল টাকি মাছ পাওয়া যাচ্ছে।
এই ছবি গুলা কি আপনে শুধু রেসেপি পোস্ট দেয়ার জন্য তুলেন??
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ কবি ভাই, রান্না করার সময় মাথায় থাকে বটে তবে খাবার খেতেই তৈরী হয়।
নুতন কিছু রান্না হলে ছবি তুলে ফেলি।
এত ভর্তা!
জিভে জল এলো তো!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সিস্টার।
জিভে জল চলে এলো।।।।।।।
ছবিগুলোও অসাধারণ।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ পানকৌড়ি। জলমগ্ন কেন? ডাঙ্গায় উঠুন।।।
জিভে জল চলে এলো।
মানুষকে এভাবে লোভ লাগানো ঠিক না!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ব্রাদার।।।।
ভাই আপনার নামে থানায় কেস করতে হবে ! লোভ দেখানোর দায়ে !!
লেখকের মন্তব্য
জেলে গেলে বিখ্যাত হতে পারবো তো!
আমার হাতের মলা ভর্তা নাকি বেশী স্বাদ হয়!
কি শোনাইলেন ভাইয়া?খাইতে স্বাদ জাগে
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা ।।।।।।
ভর্তা সবাই মলতে চায় না!
টাকি মাছের ভর্তা হলে কুম্ভকর্ণ আর কিছুই চায়না।
একটু আদাকুচি দিয়ে খেয়ে দেখেন। কামড়ে পড়লে ভালো লাগবে।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ রান্নাতো আপা,
আগামীবার আদাকুঁচি দিয়ে বানিয়ে আবার পোষ্ট দিব। এতে রান্নার পোষ্ট সংখ্যা বাড়বে।।।।।
গত কাল রাতে ফেইস বুকে আপনার কুম্ভকর্ন, আমাদের ভাইকে দেখলাম। গোঁফ ছাড়া উনাকে দেখেছেন কখনো!
হা হা হা। এতোদিন পরে কুম্ভকর্ণকে দেখলেন?



বিয়ের পরে একবার গোফ কামিয়েছিলো। কি বিচ্ছিরি!!!!
পুরাই মেয়েলি মেয়েলি চেহারা!
তারপর থেকে তো তার এই শখের বাহারি গোফ জোড়া আছেই!
লেখকের মন্তব্য
আমি একবার গোঁফ রেখেছিলাম! আমার ব্যাটারী আমাকে বাইরে যেতে দেয় নাই! আমাকে নাকি ডাকাতের সর্দার লাগছিল!
"সাহাদাত ভাই"
আশা করি ভালো আছেন।
""অন লাইনে সব সময় আসতে পারি না, তাই মন্তব্য ও সময় মত করতে পারি না।""
ভালো থাকবেন।।
লেখকের মন্তব্য
মনির ভাই, ব্যাপার না। ভাল থাকুন এটাই চাই। আগে জীবন।
মাছের রেসিপির সবচেয়ে কষ্টের কাজ হল মাছ কাটা-বাছা। এই কষ্টের কাজটুকু ভাবীকে দিয়ে করিয়েছেন, তাই ক্রেডিট ভাবীকেই দিলাম।
জন্মদিনের স্পেশাল রেসিপি কই?
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ গরম মশলা আপা,
হা আমি স্বীকার করি। তিনি বিষয়টা জানেন। আমি রান্না এবং ছবি তুলতে গেলে যতবার হাত ধুয়ে মুছে ক্যামেরা ধরি এটায় তিনি আমার কষ্ট বুঝেন এবং হেল্প করেন। আমি তার কাছ থেকেও শিখছি।
ভেবেছিলাম, কিন্তু পিকনিকে চলে যাবার জন্য দেয়া হয় নাই। আগামী রবিবার নাইটে আবার বেশ কিছু রেসিপি নিয়ে আসব।
টাকিমাছ ভর্তা খেতেই মজা , বানাতে না - এইটুকু বুঝে গেলাম । আপনিতো ব্যাপক পাচক দেখা যায় ।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ শিহাব ভাই।
মন্তব্য করুন