সাহাদাত উদরাজী-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আমি শুধু রান্না করি বা শিখছি তা নয়। মাঝে মাঝে কিছু কিছু নুতন কাজও করে যেতে চাই (হা হা হা।।।। যদিও দুনিয়াতে আর নুতন বলে কিছু নাই, নুতন আবিস্কার বলে কিছু নাই)। তবুও আমি মনে করি, নুতন নুতন এক্সপেরিমেন্টে যোগ হতে পারে নুতন কিছু, নুতন ভালবাসা। আমাদের দেশ নানা বর্নের, নানা ধর্মের। নানা শ্রেনীর মানুষের বসবাসে আমাদের এই স্বপ্নপুরী, প্রানপ্রিয় বাংলাদেশ।
ধরা যাক, হিন্দু বৌদ্দ খ্রীষ্টান মুসলমান ও আরো নানা ধর্মের সবাইকে এক জায়গায় কোন এককাজে ডাকা হল (ধরা যাক সেখানে নারী পুরুষ, ছেলে মেয়ে, বুড়ো বুড়ী, যুবক যুবতী মানে 'আবালবৃদ্ববনিতা' সবাই আছে) এবং তাদের এক বেলা খাওয়াতে হবে। তা আপনি কি করবেন? নানান ধর্মের মানুষকে আলাদা আলাদা রান্না করে খাওয়াবেন! কিংবা কি রান্না করলে কেহ উচ্চবাচ্য না করে খেয়ে উঠবে? (সমস্যাঃ সবাই সব কিছু খায় না, ছেলে খেলে বুড়ো খাবে না, দাঁত নাই বলে) হা, এমন চিন্তা থেকেই আমার আজকের রেসিপি। আমার মনে হয় এই রান্নায় বাংলাদেশের কেহ 'না' বলতে পারবে না, গরম ভাত কিংবা রুটির সাথে প্রান ভরে খেয়ে উঠে বলবে - বেশ ভাল লাগল। আমি নিশ্চিত। আগেই বলে নিচ্ছি, এটা আমার নিজস্ব রেসিপি। বানাবেন হাত খুলে, ভালবাসা মিশিয়ে। সবার জন্য, সকলের জন্য। রান্না করা পানির মত সহজ কিন্তু খেতে অসাধারণ স্বাদ।
উপকরনঃ (আমি গোটা চারেক লোকের জন্য বানিয়েছিলাম)
- হাফ কেজি নুতন গোল আলু (আলু খাবে না কে?)
- পেঁয়াজ কুঁচি (এক কাপ)
- রসুন বাটা (দুই চা চামচ)
- আদা (এক চা চামচ)
- জিরা গুড়া (এক চিমটি)
- সরিষা বাটা (এক চা চামচ)
- মরিচ গুড়া (দেখে বুঝে, যেন বেশী ঝাল না হয়)
- হলুদ (হাফ চা চামচ)
- তেল (পরিমান মত)
- লবন (পরিমান মত)
- ধনিয়া পাতা (সামান্য)
- কাঁচা মরিচ (দুই তিনটা)

নুতন আলু নেবেন। সাইজ মত। বেশী ছোট নয় আবার বেশী বড় নয়। চামচ দিয়ে চামড়া ছিলে পরিস্কার করে নিন।

মাঝামাঝি করে আলু কাটুন এবং ফুটানো পানিতে সামান্য লবন সহযোগে ভাল করে সিদ্ব করে নিন।

গরম পানি থেকে নামিয়েই ভাল করে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। এতে আলুর রং পাকা হবে। তার পর পানি ঝরিয়ে নিন।

কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজের বেরেস্তা বানিয়ে নিন। সামান্য লবনে পেঁয়াজের রং ভাল হবে।

বাচা তেলে কিছু পেঁয়াজ কুঁচি সহ এবার একে একে সব মশলা দিন, লবন দিন এবং ভাল করে কষিয়ে নিন। মশলা থেকে তেল উঠে গেলে বুঝবেন ভাল মশলা কষানো হয়েছে।

এবার চাছে রাখা আলু ঢেলে দিন।

ভাল করে আলু মিশিয়ে আবারো কষান।

পানি (গরম পানি দেবেন, পরিমান আপনার ইচ্ছার উপর, যারা ঝোল বেশী চান তারা বেশী দেবেন) দিয়ে দিন এবং আগুন বাড়িয়ে জ্বাল দিন।

ঝোল আপনার মন মত হলে, পুনরায় লবন দেখে নিন। লাগলে দিন না লাগলে 'ওকে' বলুন। এই পর্যায়ে বেরেস্তা দিয়ে দিতে পারেন।

কাঁচা ধনিয়া পাতা ও কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিন।

ব্যস হয়ে গেল সব ধর্ম, সব বর্ন, সব জাতি, নারী পুরুষ এবং আবালবৃদ্ববনিতার জন্য বিশেষ তরকারী।

পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। বসে পড়ুন। যা যা পছন্দ। এই তরকারী গরম ভাতের সাথেও চলে আবার রুটি, চাপাতি, পরোটার সাথে দারুন।

কথা হচ্ছে, এই রেসিপির কি নাম? হা আমি নাম দিয়েছি, বুলেট আলু। আমার ছেলের নামের সাথে মিলিয়ে। বুলেট আলু খেয়ে আপনি নিজেও বুলেট হয়ে যাবেন!
আমি আশা করি আপনারা রান্নাটা নিজে একবার করে দেখবেন। সব কিছুতো হাতের কাছেই, নুতন আলুতে বাজার এখন ভরপুর, দাম ১৫/২০টাকা কেজি। মোটামুটি হাফ কেজি বুলেট আলু রান্নায় খরচ হতে পারে ২৫/৩০টাকা। চারজন পেট পুরে খেতে পারা যাবে। তবে খেয়ে বলতেই হবে, ইয়েস ইট ইস বুলেট পটেটো! শুভেচ্ছা সবাইকে।
মন্তব্য
পড়লাম ও ছবি দেখলাম। রেসিপি সংক্রান্ত আপনার পোস্টগুলো চমৎকার এবং কাজের। বুলেট নাম দেখে বেশি মনোযোগ এলো। জানলাম ভাতিজার নাম বুলেট। তাকে আমার আদর দেবেন। শুভকামনা।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মাহবুব ভাই, শুভেচ্ছা।
আমার ছেলেকে আমি ভার্চুয়ালী বুলেট ডাকি।
শুভেচ্ছা আবারো।
সর্বনাশ, আমার সিক্রেট রেসিপিটা আপনে পাইলেন কেম্নে? আমি এই জিনিস মাঝে মাঝে রান্না করি তো :।
লেখকের মন্তব্য
কেমন আছেন স্বপ্নজয় ভাই? দুনিয়াতে আসলে নুতন কিছু নাই! সব পুরাতন!
শুভেচ্ছা নিন।
ঐ বান্দর! আবার মিছা কথা? তোর সিক্রেট কেমতে হইলো? ২ বচ্ছর আগে ফেবুতে এই আলুর দমের ছবি আর রেসিপি দিছিনা?
হা হা হা হা-----
আলু আমার খুব প্রিয়। ধন্যবাদ উদরাজী ভাইয়া।
লেখকের মন্তব্য
ধরা যাক, হিন্দু বৌদ্দ খ্রীষ্টান মুসলমান ও আরো নানা ধর্মের সবাইকে এক জায়গায় কোন এককাজে ডাকা হল (ধরা যাক সেখানে নারী পুরুষ, ছেলে মেয়ে, বুড়ো বুড়ী, যুবক যুবতী মানে 'আবালবৃদ্ববনিতা' সবাই আছে) এবং তাদের এক বেলা খাওয়াতে হবে। তা আপনি কি করবেন? নানান ধর্মের মানুষকে আলাদা আলাদা রান্না করে খাওয়াবেন! কিংবা কি রান্না করলে কেহ উচ্চবাচ্য না করে খেয়ে উঠবে? (সমস্যাঃ সবাই সব কিছু খায় না, ছেলে খেলে বুড়ো খাবে না, দাঁত নাই বলে) হা, এমন চিন্তা থেকেই আমার আজকের রেসিপি। আমার মনে হয় এই রান্নায় বাংলাদেশের কেহ 'না' বলতে পারবে না, গরম ভাত কিংবা রুটির সাথে প্রান ভরে খেয়ে উঠে বলবে - বেশ ভাল লাগল। আমি নিশ্চিত।
হা হা হা।।।।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।। আলুর দম একটা শাহী খাবার।
আমার এসব রান্নাবান্নায় কি কাম? ্আমিতো চুরি কইরা সাইরা ফেলাই খাওন।
বজ্জর ধুর চুরি জব্বর হইছে
আমার কমেন্ট ১নাম্বারে আছিলো পিছে চইলা গেল কেমতে ?

লেখকের মন্তব্য
ব্যাপার না! কমেন্ট কমেন্টই। যে স্থানেই থাকুন, ভাললাগার বিষয়।
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা নিন।
আপনের জায়গা চুরি হইছে চোরা ভাই
ওই চোরা মিয়াঁ, কই গেসিলেন?? আপনার এক ভ্রাতাকে চতুরে পাওয়া গেসে।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।।। সাব্বাস নিলয় ভায়া সাব্বাস।
নিন আলু নিন, পরোটা নাকি রুটি।
এটার সাথে পরোটাই যায় বেশি। ঝোল ঝোল তো তাই।
বুলেট আলু। নামটা বেশশ।
লেখকের মন্তব্য
আর লাগলে বলুন।

বুলেট আলু। বাহ বেশ।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ করিম ভাই,
আপনার কৌতুক পড়ে হাসতে হাসতেই এই লিখাটা লিখছিলাম।
শুভেচ্ছা নিন।
ভাই আমি মানিনা মানবোনা।
আমার মন্তব্য ছিলো ২য় তে।
ভাই কিছু সময় হাসাইলাম ভালোই লাগছে।
সত্যিয় অসাধারণ ভাইয়া। আমার রুটি দিয়ে খেতে ইচ্ছে করছে!! আর হে, বুলেট নামটা বেশ পছন্দ হয়েছে

লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আমীন ভায়া।
শুভেচ্ছা।
আমি তো জানতাম এটাকে "আলুর দম" বলে !
লেখকের মন্তব্য
আলুর দম ভিন্ন জিনিষ। মশলা ভিন্ন। পুরাতন আলুতে করা হয়।
ধন্যবাদ।
আমি তো নতুন আলু দিয়েও আলুর দম করি।
মসলার মধ্যে গরম মসলা আর ঘি দেই।
ঐ যে আবার আমারে নিয়া টানাটানি শুরু হইছে। বুলেট আলু পছন্দ হইল না বুঝি, এখন আমারে চটকাইয়া আলুর দম বানানির টেরাই করতেছেন। উদরাজী ভাই, এর একটা বিহিত করেন।
আরে! গরম মসলা ছাড়া কি আলুর দমের মান থাকে?
আচ্ছা ভইন, অহন থাইকা তুমারে আর ছ্যাচা দিমুনা। তবুও তুমি থাকো। তুমি না থাকলে আমাগো চতুর সুবাসিত হইবো ক্যামতে?
লেখকের মন্তব্য
দারুচিনি ছাড়া চলবে না।
(আমি কিন্তু কম ব্যবহার করি)
লেখকের মন্তব্য
আলুর দমে গরম মশলা লাগে। আমি কিন্তু বুলেট আলুতে গরম মশলা দেই নাই। সরিষা বাটা দিয়েছি!
এ যে দেখি বিশাল কারবার
লেখকের মন্তব্য
রাজিন ভায়া, ধন্যবাদ। আপনাকে দেখে খুশি হলাম। পার্টি কোথায়? সময় কিন্তু চলে যাচ্ছে!

আলু পার্টি হলেও চলবে।
পার্টি


হমম পার্টি খাইবার মন চায়
লেখকের মন্তব্য
ডেট পড়ছে!
ভালই হইল আমি আগে শুধু আলু সিদ্ধ খেতাম...এইবার....।ধন্যবাদ ....শুভ চেতনার প্রকাশ ঘটুক ।
লেখকের মন্তব্য
ভাইজান, পদ্ম ভাইয়ের কমেন্টের জবাব কি দিলেন?
কোন কিছু আরো সুন্দর করে ভাবুন। এতে মানুষের ভালবাসা পাবেন, ক্ষতি নাই - লাভ ছাড়া।
যাই হোক ভাবছি আপনি আরো সুন্দর মনের হয়ে আমার ব্লগে আসবেন।
শুভেচ্ছা।
সেই পোস্ট গায়েব, সব মন্তব্যসহ। অতএব, লা-জবাব।
লেখকের মন্তব্য
আমার তিনটা মন্তব্য কমে গেল!
আমার ভাই তোমার ভাই,
হুদা ভাই, পদ্ম ভাই।।
(আমি নাকি ভোটের রাজনীতির কমেন্ট করেছি!)
আমি জবরদস্ত একখানা কমেন্ট লিখেছিলাম। সেটা 'প্রকাশ করুন' বাটনে চাপ দিতেই 'হারিয়ে গেছি, এইতো জরুরি খবর' হয়ে গেছে রে ভাই! দুঃখ করে আর কী হবে??
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।
(এ নিয়ে কত কমেন্ট হারালেন!)
হাত খুলে কাজ করবে কী দিয়ে! খোলেই বা ক্যাম্নে! ভালোবাসা আইটেমটা কোন্ দোকানে কিনতে পাওয়া যায়, জলদি জলদি বলেন, উদরাজী ভাই! kg খানেক দরকার আমার!
লেখকের মন্তব্য
মানিক ভায়া, আমি ভাল বলতে পারব না। আমাদের নাজমুল হুদা ভাই আমার চেয়ে ভাল বলতে পারবেন! বিশেষ করে, ভালবাসা কারে কয়!
শুধু কেজি খানেক মাত্র!
হ্যা, আমার একটা ভালোবাসার কারখানা আছে। পাইকারি দামে পাওয়া যায় ভালোবাসা। তবে কেজি খানেক বিক্রি করা হয় না।
লেখকের মন্তব্য
মুল্য তালিকা চাই!
এজেন্ট হব তাই!
অপেক্ষা করুন। অতিশীঘ্রই টেণ্ডার আহবান করা হবে!!
২ টন লাগবে ভাই। কত পড়বে?
মণ হিসাবে, মণ দরে বিক্রয় হয় শুধু!
মন দিয়ে কিনতে হয়।
এখানে কেজি চলে না, চলে না টন-হন্দর।
এ যে শুধুই মনের বন্দর!!
লেখকের মন্তব্য
মনের জন্য মন। ন নাকি ণ!
মন দিয়ে বুঝুন। মন খুলে দেখুন।
কর্ম সারছে! একমুঠো ভালুবাসাই দুষ্পাপ্য যেখানে, জোগাড় করতে প্রাণ ওষ্ঠাগত, সেইখানে ফ্যাক্টরী খুলে মনকে মনকে ভালুবাসার সঞ্চালন! মান কীরাম, জানবার মুঞ্চায়!
আমি ভাই হতদরিদ্র। kg খানেক হলেই জিন্দেগী চলে যাবে।
হুদা ভাই বিরাট ব্যবসায়ী। আমি কয়েক টন কিনি উনার কাছ থেকে, আপনি আমার থেকে কিনে নিয়েন ১ কেজি। চিন্তা কইরেননা, আপনার লাইগা ইশ্পিশাল অফার্। ১ কেজি কিনলে আরেক কেজি ফ্রী। ১ কেজি ব্যবহার করবেন আরেক কেজি সেফটি।
উপরে একবার বলেছি। তবু আবারও বলি -
মণ হিসাবে, মণ দরে বিক্রয় হয় শুধু!
মন দিয়ে কিনতে হয়।
এখানে কেজি চলে না, চলে না টন-হন্দর।
এ যে শুধুই মনের বন্দর!!
বুলেট আলু! নামটাই তো কি ভয়ঙ্কর।
আমার ভাবী একই ভাবে সাথে ডিম দিয়ে রান্না করে।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ জামি ভাই।
হা অনেক বাসায় আলু ডিম রান্না হয়। আমাদের বাসায়ও মাসে এক/দুবার হয়। যখন বাসায় বাজার থাকে না।
আপনার ভাবীকে সালাম জানাই, যিনি কষ্ট করে আপনাদের জন্য রান্না করেন। আশা করি ঊনাকে সাহায্য ও সহযোগিতা করবেন সব সময়।
শুভেচ্ছা।
বড় ভাইয়ের উপদেশ শিরোধার্য। আমি সময় পেলেই তাঁকে সাহায্য করি।
ভালো থাকবেন।
লেখকের মন্তব্য
খুশি হলাম ব্রাদার। রান্না জানাটা গর্বের বিষয়।
পৃথিবীর সেরা দশটা ভাল বিষয়ের মধ্য একটা হল 'রান্না'।
ভাল থাকুন।
ব্যাপারটা যেহেতু খাওয়াদাওয়া সম্পর্কিত, ভালো না হয় পারে?
আলুর টুকরাগুলো আরো ছোট করে দিলে কেমন হয়?
লেখকের মন্তব্য
তখন 'চরা আলু' বলতে হবে! আলু বেশী বড় নেই নাই! যদিও ছবিতে বড় দেখাচ্ছে!
দাঁত না থাকলেও এই আলু আপনি খেতে পারবেন! আপনার কথাও ভাবা হয়েছে।
শুভেচ্ছা হুদা ভাই।
কে বলেছে আমার দাঁত নেই? তাকে কাছে পেলে দেখিয়ে দেব, দাঁত কাহাকে বলে, কত প্রকার ও কী কী????
ইসসিরে! আলুর দমরে এক্কেরে ভাতিজা বানায়ে দিলেন?
আমি অবশ্য আলু আস্ত রাখি। আর সিদ্ধও দেইনা। আলুটা কাঁটা চামচ দিয়ে কেঁচে নেই। তারপর লাল করে ভেজে রান্না করি। আমার মেয়ে অবশ্য আপনার মতই আলুটাকে সিদ্ধ দিয়ে নেয়। আর সে নেয় ছোট ছোট আলু।
আমারটা খেয়ে দেখেন কেমন হয়েছে। নামানোর আগে গরম মসলা আর এক চামচ ঘি দিয়েছি।
আমার রান্নাতো ভাইএর এই রান্নার প্রতি ভালোবাসার কথা আমি অনেকের কাছেই গর্ব করে বলি। আমার খুব ভালো লাগে। অনেকেই মনে করেন, "রান্না? সেতো মেয়েদের কাজ"। এ ধারনাকে তুড়ি মেরে চতুরে আপনার ধ্বজা উড়িয়ে দিয়েছেন। সত্যি আপনাকে স্যালুট!!!!
দেখছু নি, শুধু রেসিপি দিয়া মন ভরে না, আমারে রাইন্ধা আইনা সবাইরে সাধতেছে। থাকুম না আর এই দুনিয়ায়।
লেখকের মন্তব্য
আহ রে!
(আপনি কেন এই নিকটা ব্যবহার করেন তা জানতে চাই! হা হা হা।।।)
বিশেষ কোন কারণ নাই। নামটা পছন্দ, এইটুকুই।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সিষ্টার, আপনি সঠিক কথা বলেছেন। তবে চতুরের বেশির ভাগ পাঠক/লেখক কিন্তু বিষয়টা মেনে নিয়েছেন (কয়েকজন অবশ্য যে কোন ব্লগেই রেসিপি মেনে নিতে পারেন না)। বিষয়টা আমার কাছে ভাল লাগে। আমার টার্গেটের কথা আমি বহুবার বলেছি।
মায়েরদের/বোনদের (স্ত্রী সহ) কয়েক হাজার কোটি কারনের জন্য আমাদের আজীবন সন্মান করতে হবে। এর মধ্যে একটা কারন হচ্ছে 'রান্না'। একবার ভেবে দেখুন, কত কষ্ট করেই না আমাদের জন্য তারা রান্না করেন। আমরা তো খেয়েই চলছি।
আমি মনে করি সব ছেলেদের রান্না জানা বা করা উচিত। এতে ক্ষতি কি।
আমার ব্যাটারী নানা জায়গায় গর্ব করে বলেন, আমি ভাল রান্না করতে পারি। আমিতো দেখি না কেহ আমাকে খারাপ বলে। আমার ছেলেতো আরো এক ধাপ এগিয়ে বলে, বাবা তুমি রান্না করলে আমারো ভাল লাগে।
(আপনার আলুর দমের ছবি দেখে খুশি হলাম, ঝাল বেশী খাবেন না।)
ভাই, সবগুলা আপনি একা খাছেন নাকি অন্যদেরও দিছেন
আমাদের মেন নাই , আপনের পেট ব্যথা করবে কইলাম 
লেখকের মন্তব্য
তন্ময় ভায়া, আপনি লেট করে ফেলছেন।

প্রায় শেষের পথে।
কাঁইদেন না তন্ময় ভাই। রাজী ভাই তো উচ্ছিষ্ট টুকু আপনার জন্য রেখে দিয়েছেন।
লেখকের মন্তব্য
আবার রান্না হলে দুইজনকেই ডাকা হবে। চিন্তার কারন নাই।
আপনের ডাকার কথা শুনলে মনে হয় ১৩ বছর
আপনে খান ওইটা
দেখেই বোঝা যাচ্ছে খেতে কতটা মজা হবে! আমার মনে হলো যেন এর সুবাসটাও পেলাম।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ অদ্ভুত ভায়া, আসলেই ভাল রান্না। সকলের জন্য। 'না' বলতে পারবে না কেহ।
শুভেচ্ছা।
নাহ্, আমি খাবার-দাবারের মধ্যে নাই, এমনিতেই ভুঁড়ি বাইর হইয়া যাইতেছে। বউ হুমকি দিসে 'ভুঁড়িওয়ালা'র সঙ্গে সে বাইরে যাবে না। এখন ভুঁড়ি সাইজে আনার জন্য বাতাস খাইয়া বাঁচার চেষ্টা করতেছি। বউ ছাড়া আমার জীবনে আর কোন নারী নাই, সে যদি বিট্রে কইরা বসে যামু কার কাছে ! অতএব দোস্ত, আমারে খাবার-দাবারের লোভ দেখাইও না।

লেখকের মন্তব্য
ঈশান, সামনে যে দিন আসছে, আলুই একমাত্র খাদ্য হবে। আলু দিয়ে নানা পদ বানানো যায়। ভাবীকে বলে দেখতে পার।
লেখকের মন্তব্য
ঈশান, হুদা ভাইয়ের সব কথা আমলে নেয়ার দরকার নাই!
তবে এই কথাটি আমলে নিতেই হবে।
সুপার সাহাদাত ভাই
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সিষ্টার। শুভেচ্ছা। রান্নাটা অনেক সুপার হয়েছিল। নিমিষেই সাবাড়!
কাঁইদেন না তন্ময় ভাই। রাজী ভাই তো উচ্ছিষ্ট টুকু আপনার জন্য রেখে দিয়েছেন।
২৫ টাকায় জটিল খাবার!!!! ভাবছি আলু বুলেট ব্যবসা শুরু করে দেব। কেউ পার্টনার হতে চাইলে আওয়াজ দেন!
ব্যবসা করবেন ভালো কথা। কিন্তু আগেতো রাজী ভাইয়ের কাছ থেকে ' বুলেট আলুর' প্যাটেন্ট কিনে নিতে হবে।
আমিও আছি সাথে। ডাক দিয়েন।
লেখকের মন্তব্য
শুরু হয়ে যাক! তার পর আরামবাগের কাগুর বুদ্দি নিয়া কেইস করব!
ইসসস!! ছবিগুলো দেখে আমার মনে পড়লো লাঞ্চের পর থেকে চা ছাড়া আর কিছুই খাওয়া হয়নি। কেন যে এমন সব জিভে জল আনা ছবি দেন!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সুমন ভাই।
আমার জন্যে পোস্ট লিখসেন(আমি তো সবার মধ্যেই পড়ি), রেসিপি দিসেন, কৃতজ্ঞতা জানবেন সাহাদাত ভাই।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।।।।।
খাঁটি পয়েন্টে হাত দিয়েছেন।
এই রেসিপিটা আসলেই সবার জন্য!
ভাই কি পোস্ট দিলেন, নতুন নতুন ব্যবসায়ী তৈরী হয়ে যাচ্ছে। বুলেট আলুর ব্যবসা করতে চাইছে।
লেখকের মন্তব্য
আগে শুরু হয়ে যাক। পরে দেখে নিব।
(কাগুর বুদ্দি মাথায় আছে!)
এই রান্নাটা আমি নিজেও কয়েকবার করসি

লেখকের মন্তব্য
আলু কেমন লাগে? বলে যান!
ধন্যবাদ সিষ্টার।
সাহাদাত ভাই, বুলেট লেখা দেখে ভয় পাইছিলাম!!!
তয় সবটুকু পড়ে সাহস পেলাম......হাহাহাহাহাহাহাহ...
জিভে জল জমে আছে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মনির ভাই।
অনেক দিন পর দেখলাম। কেমন আছেন?
শুভেচ্ছা।
মন্তব্য করুন