সাহাদাত উদরাজী-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

ঠিক এই মুহুর্তে আমার কিছু প্রিয় মানুষ আড্ডা মারছেন। ঢাকা শহরের দুটো জায়গায়। একটা আড্ডার স্থান টিএসসি অন্যস্থান মনিপুর পাড়া। আমি এই দুই স্থানের মাঝামাঝি আটকে আছি! সারা দেশ যেখানে আজ বন্ধ, আমরা কিছু লোক আছি জরুরী সার্ভিস নিয়ে! ঈদ চাঁদের সময়ও আমরা এমন একটা অবস্থায় থাকি। কিন্তু কথা হচ্ছে, আমাদের মত চাকুরেদের কি আড্ডা মরার মন নেই, আমাদের মন কি আড্ডা দিতে চায় না। হা, আমি একজন তুখোড় আড্ডাবাজ। আড্ডাবাজীতে আমার চেয়ে সেরা আর কে আছে? কিন্তু দায়িত্বের কথা ভেবে বসে আছি। ইচ্ছা হচ্ছে একটু আড্ডা দিয়ে আসি কিন্তু অন্য মন বলছে ঠিক এই সময়ে যদি কোন ঘটনা ঘটে! কাজেই নিশ্চুপ হয়ে আছি। বন্ধুরা বেশ কয়জন ফোন করেছেন, আমি লজ্জায় কিছু বলতেও পারছি না। আবার ভাবছি আমার কথা কে বিশ্বাস করবে? আরো সব চেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে আমি আজ সকালে অফিসে এসেছি, আমার ডিউটি শেষ হবে আগামী কাল সকাল ৮টায়। মানে পুরো ২৪ ঘন্টা আমাকে অফিসে থাকতে হবে। আবার ঘুমাতেও পারব না। কাজে কাজেই আজ সারা রাত আছি বা থাকব জেগে!
আজকের আবহাওয়া বেশ চমৎকার। শীতের তীব্রতা কিছুটা কমেছে। কিছু ক্ষন আগে সামনের রাস্তায় দেখে এলাম। তবে বন্ধের দিন বলে যানযটের পরিমান যেন আরো বেশী। সবাই আড্ডাদিতে যাচ্ছে। ঠিক এই সময়ে টিএসসিতে আড্ডামারা বন্ধুরা আমার পুরাতন বন্ধু ওরা ফেইসবুকে নোটিশ দিয়ে আড্ডার আয়োজন করছে। আর মনিপুরায় আছেন, আমাদের প্রিয় চতুরের আড্ডাবাজ বন্ধুরা। মনিপুরে আজ ভীষন খাওয়া দাওয়াও হবে বলে মনে হচ্ছে। সে যাই হোক, আড্ডার একটা উপকরণ হচ্ছে খাওয়া দাওয়া। আড্ডা দিতে দিতে নানা পদের খাবার দাবার খেতে হয়। আবহাওয়া এবং আড্ডার পরিবেশ দেখে মনে হচ্ছে আজ মনিপুরে একটা আইটেম থাকবেই থাকবে। হা, তা যদি হয় সব্জি খিচুড়ি। কেমন হবে? খিচুড়ির সাথে শুধু ডিম ভাজি হলেই পেট পুরে খাওয়া যায়। চলুন দেরী না করে খিচুড়ি রেসিপি দেখে নেই। যারা আড্ডায় খিচুড়ি খেতে পারছেন না, তারা আশা করি নিজেরাই বানিয়ে নেবেন।
উপকরনঃ
- দুই কাপ চাল (পোলাউ চাল হলে ভাল, না থাকলে ঘরের চালেই চলবে)
- কিছু নানা পদের সব্জি (এক কাপ হলে ভাল)
- হাফ কাপ মুসরী ডাল
- হাফ কাপ মুগ ডাল
- ১ চা চামচ আদা
- ১ চা চামচ রসুন
- হাফ কাপ পেঁয়াজ কুঁচি
- হাফ চা চামচ হলুদ
- হাফের (একটু বেশী) চেয়ে বেশী চামচ মরিচ গুড়া
- কয়েকটা এলাচি
- দুই/তিন টুকরা দারুচিনি
- তেল (পরিমান মত)
- কাঁচা মরিচ
- লবন (পরিমান মত)
প্রনালীঃ

চাল ডাল মিশিয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ধুয়ে/ ঝরঝরে করে পানি নামিয়ে নিন।

সব্জি কেটে ধুয়ে রাখুন। আপনার ইচ্ছা মত কয়েক পদের সব্জি নিতে পারেন (সব্জি না থাকলে আলু দিতে পারেন)।

হাড়িতে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুঁচি ভাজুন, এর পর আদা ও রসুন দিয়ে আবারো ভাজুন। এলাচি ও দারুচিনি দিয়ে দিন।

তেল উঠার আগে হলুদ ও মরিচ দিয়ে ভাল করে ভেজে নিন।

চাল ডালের মিক্স দিয়ে কিছু ক্ষন আবারো ভাজুন।

এবার পরিমান মত পানি দিন (গরম পানি দেয়া ভাল), বসা ভাত রান্না করতে যেমন পানি লাগে তেমনি (পানি বেশী হয়ে গেলে খিচুড়ি গলে যাবে, সুতারাং । লবন দিন এবং দেখে নিন। ঝোল কটা লাগলে বুঝবেন লবন হয়েছে।

এক বার পানি/ঝোল ফুটে উঠলে সব্জি দিয়ে দিন।

নেড়ে দেখে নিন। পানির পরিমান দেখে নিন। লাগলে পানি দিতে পারেন। আবার লবন দেখে নিন। কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিন।

ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। মিনিট বিশেক লাগতে পারে (চাল ভেদে)

ঠিক এই রকম হয়ে যাবে। চাল ঠিক মত আছে কিনা দেখে নিন।

ব্যস হয়ে গেল সব্জি খিচুড়ি। মাঝে মাঝে খিচুড়ি মন্দ নয়। মুখের রুচি পরিবর্তন হয়!
কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন
মন্তব্য
আজ দুপুরেই খেলাম। আমার বেশ মজা লাগে।
দুইদিন আমাকে রান্না করতে হবে। কেউ নেইতো। আপনার পোস্টগুলোই ভরসা।
----------------
বেশ কয়েকদিন পর আপনাকে দেখছি। ভালো লাগছে।
লেখকের মন্তব্য
ব্যাপার না জামি ভাই।
রান্নায় লাগে সাহস আর ধৈর্য। সর্বপরি ভালবাসা।
ব্যস হয়ে যাবে। এক বার রান্নায় মন বসে গেলে দুনিয়ার সব কিছু মাটি মনে হবে।
শুভেচ্ছা আপনাকে। শুভকামনা থাকল। কেমন করলেন জানাবেন। খুশি হব।
তোমার ভাই,
আমার ভাই,
সাহাদাত ভাই, সাহাদাত ভাই।।
সাহাদাত ভাই, এই কয়দিন অনেক মিস করেছিলাম আপনাকে!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সিষ্টার।
কাজের চাপে আসতে পারছিলাম না। আগে কাজ তো! হা হা হা।।।
অনেক রেসিপি জমা আছে। কখন কি দিবো ভাবছি আবার এদিকে মনে হচ্ছে ব্লগে (আমি চতুরেই রেসিপি পোষ্ট লিখি) রেসিপি পোষ্ট বেশী হয়ে যাচ্ছে (অন্য ব্লগেও লিখব ভাবছি)।
একটা হালকা লজ্জাও পাচ্ছি। সব মিলিয়ে চুপ থাকতে হল কয়েকদিন। আসা করি বুঝতে পারছেন।
এখন মনিপুরায় ভীষন আড্ডা চলছে। কিন্তু জবাব পাচ্ছি না। অপেক্ষায় আছি/থাকব সারা রাত।
ধন্যবাদ সিষ্টার।
এইটা ভালো রেসেপি।
মনিপুরায় কে কে আড্ডায়, উদরাজী ভাই; আমাদের রাইখা?
লেখকের মন্তব্য
ফাঁস করে দিতে চাই না! হা হা হা।।।।। দেখি ওনারাই বলেন কি না! কে কে?
কইশ্যা মাইনাচ আমাদের রাইখা আড্ডাবাজদের!
লেখকের মন্তব্য
এত নিরবে আড্ডা চলে কি করে!
দেখো মানিক, তুমি কিন্তু সিরাজগঞ্জে!
বুঝলাম! ঘটনা তাহলে এই।

তাহলে ঠিক আছে। জয় হোক আড্ডার।
লেখকের মন্তব্য
মানিক ভায়া, আপনার প্রোফাইলের ছবি দেখে ভয়ে আছি! বিবাহের ডেট পড়েছে নাকি!
নাকি কাজটা সেরে ফেলেছেন?
আরে না! এইটা হইবারি পারে না! কী যে কন না, উদরাজী ভাই!
এই বেশ ভালো আছি!
লেখকের মন্তব্য
দেখেন, লুকিয়ে পরে ধরা খেলে কিন্তু জামিন পাবেন না! হা হা হা।।।।।
সম্ভবনা নাই, অদূর ভবিষ্যতে, উদরাজী ভাই।
হা হা হা। সাহাদাত ভাইয়ের মন্তব্যে ভোট দিলাম!
আগে কেন প্রোফাইল ছবি ভালমত খেয়াল করতে পারিনি, তাই ভাবছি!
৬৭ শব্দে লেখক পরিচিতির বদলে আমি প্রোপিক পাল্টাই দিসি, অমিতা আপু!
উদরাজী আপনাকে ভীষন মিস করেছি, আপনিও কিন্তু হেভি জিনিস মিস করেছেন
লেখকের মন্তব্য
টেবিলের খাবারের ছবি দেখে বুঝতে পারছি!
আড্ডায় হাজির!
সাহাদাত ভাই কেমনাছেন? একটু অনিয়মিত হয়ে গিয়েছিলেন বুঝি!
যাক, নিয়মিত থাকুন এখন থেকে।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ নয়ন দা।
আমি ভাল আছি। আপনি কেমন আছেন?
ভাই, ভাল আছি।
২৪ ঘন্টা একটানা কাজ? হায়াল্লাহ!
বাসার সবাই কেমন আছে? ভাস্তের দুষ্টুমি কমেছে না বেড়েছে?
লেখকের মন্তব্য
আমাদের কাজের ধরন বা মালিকের ধরন এমনি! তিনি বেশী বুঝেন, আমরা কম! রাতে ফোন করে হয়ত বলবেন, ঘুমাবে না (যদিও, আমি নাইট শিফটে ঘুমাই না)। হা এই ধরনের একটানা কাজ শরীরের জন্যও কষ্টকর। কিন্তু উপায় নাই। চাকুরী মানে চাকর! সে যাই হোক। ধন্যবাদ।

পিতা পুত্রের আড্ডা।
ওললে আমার গুচি গুচি মিষ্টি সোনা আব্বুজী! আমার হয়ে আব্বুজীটাকে আদর করে দিয়েন, সাহাদাত ভাই।
আমার প্রিয় ভাস্তের সবচেয়ে প্রিয় খাবার কোনটা?? জানাবেন আমাকে, প্লীজ।
মনে আরও অনেক আশা আছে, অন্যদিন বলবো... হা হা হা।
সতত শুভকামনা ভাবী ও আপনার জন্য।।
লেখকের মন্তব্য
সিস্টার, এই কমেন্ট ওকে পড়তে দিব, দেখি ও কি বলে? আপনাকে জানাব।
সেটাই!
জীবনটা একটা বাঁশবাগান! উঠতে বসতে বাঁশ! প্রতিদিনই বাগানে নতুন বাঁশ গজায়!
---
ভাস্তের হাতে কি পিএসপি নাকি? সারাদিন কি ওটা নিয়েই কাটায়?
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।। ভালোই বলেছেন? এই অদৃশ্য বাঁশের কথা কাউকে বলাও যায় না!
চাইনিজ গেইম কনসাল, অনেকটা পিএসপির মত। পিএসপির সব গেইম ওপেন ও খেলা যায়! আগামী কাল পরীক্ষার ফলাফল ঘোষনা হবে!
ভাইস্তা, হোপ ফর দ্য বেস্ট!!
---
সাহাদাত ভাই, ভাল থাকুন অবিরত!
খুব সাধারন খাবারগুলোই আপনার রেসিপিতে অতি লোভনীয় দেখায়,ভাইয়া।
রাঁধব ভাবছি
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ।
আড্ডাতে আমিও আছি।
শরীর খারাপ ভাবটা কিছুটা কমছে হঠাৎ করেই। আপনার চব্বিশ ঘন্টা ডিউটির কথা শুনে দেশে আমার পুরান চাকুরির কথা মনে পড়ে গেলো।
সবজি খিচুরি ভালো পাই। আমি নিজেও ভালোই রান্না করতে পারি তো এই আইটেম !!!
আড্ডা চলুক এইকানে।
শিমুল ভাই, আপনার অসুস্হতা কমেনি? এখন কেমন বোধ করছেন?
ব্যথা আগের চেয়ে কম, এখন কিছুটা ভালো আগের চেয়ে।
লেখকের মন্তব্য
কি হয়েছিল শিমুল ভাই।
অসুস্থতা কমেছে জেনে, ভালো লাগলো, শিমুল ভাই।
জেনে ভাল লাগল।
লেখকের মন্তব্য
শিমুল ভাই, আজি আমি আপনার শরীরের অসুস্থ্যতার কথা জানলাম। আশা কর এখন ভাল আছেন। শরীরের প্রতি যত্ন নেবেন।
আমার যা হয়েছিলো আমাদের নিয়াজ ভাইয়ের ভাষায় সেটা হলো মাসকিউলো স্কেলিটাল পেইন। বড়ো সমস্যা না কিন্তু অস্বস্তিকর। এখন একটু ভালো।
আপনিও ভালো থাকুন ভাইয়া।
যাক, ব্যথা কমেছে শুনে ভালো লাগলো। তবে ঘুমানো এবং ল্যাপটপ ব্যবহার একটু ঠিকভাবে করা উচিত, তা না হলে আবার----
লেখকের মন্তব্য
আপনার কাছে আমাকেও একবার দেখাতে হবে! ভিজিট আশা করি ফী হবে!
কি যে বলেন উদরাজী ভাইয়া! ফি-এর কথা বইলা কেনো যে আমায় লজ্জা দিলেন
লেখকের মন্তব্য
নিয়াজ ভাই, ডাক্তারদের নিয়ে আমার সিরিজের কথা মনে আছে? আমি সিরিজটা লেখা থামিয়ে দিয়েছি, কয়েকদিন ধরে ভাবছিলাম আবার শুরু করি। কিন্তু আপনার মত ভাল ডাক্তারের দেখা পেয়ে যাই বলে আর লিখতে ইচ্ছা হয় না।
লিখেন ভাইয়া। আপনাদের লেখায় যদি যারা নামেই ডাক্তার, কাজে নয়--তাদের যদি ঘুম ভাঙ্গে সেটাই তো লাভ, তাই না?
আপনি কি ভেবেছেন আমি ভয় পাবো? পরাজয়ে ডরায় না বীর, বুঝেছেন? অতএব, আমি রান্না করেত না পারলেও বীর!
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।।
আপনাকে ক'দিন ব্লগে না দেখে চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। আজ কথা বলে নিশ্চিন্ত হলেও পুরোপুরি খুশী হতে পারলাম কই।
ঠিক ঘড়ির কাঁটা ধরে বিকাল ৪টায় মনিপুরে গিয়েছিলাম। ফিরলাম এই আধ ঘন্টা আগে। এত্তো এত্তো খাবার খেয়ে পেট আইঢাই করছে।
যদি জানতাম রাতের জন্য এতো মজাদার খাবার থাকবে তাহলে বেকুবের মতো বিকেলের নাস্তা খেতাম না।
খিচুড়ী ছিলোনা। তবে প্রথমেই মিষ্টি, নরম-সরম লিসামনির হাতের পাস্তা, পুডিং, সবজি পাকোড়া, কাচা গোল্লা এসব খেয়ে বিদায় নিতে গিয়ে তো আর ছাড়া পাইনা। এদিকে আব্বাকে একা রেখে গিয়েছি সে কারনে তাড়াতাড়ি " পোলাও, চিকেন ফ্রাই, সবজি, কাবাব, চিংড়ি ভুনা, গরুর গোস্ত ভুনা, মজাসার জর্দা খেয়েই আসতে হলো। নাস্তার ছবি তোলার কথা মনেই পড়েনি। আমার কোন দোষ নাই। আমার ক্যামেরা নাই।
ডিনারের পরে অবশ্য লিসার অসাধারন রান্নার কিছু নমুনা ও আমাদের ডাক্তারের অসম্ভব মেহমানদারীর কিছু নমুনা হুদা ভাই ও আকাশগঙ্গা তুলেছে। ছবি পেলে কাল পোস্ট দিবো। আপনাকে অনেক মিস করেছি।
লেখকের মন্তব্য
যাক আড্ডার কথা জানা গেল। ভাল লাগল। আমি আপনাদের বলতেও পারছিলাম না আবার সইতেও পারছিলাম না!
যাক, আপনারা মজা করেছেন এটাও ভাল লাগল।
নাস্তাঃ
- পাস্তা,
- পুডিং,
- সবজি পাকোড়া,
- কাচা গোল্লা
- চা।
রাতের খাবারঃ
- পোলাও,
- চিকেন ফ্রাই,
- সবজি,
- কাবাব,
- চিংড়ি ভুনা,
- গরুর গোস্ত ভুনা (কোরবানীর গরু)
- মজাদার জর্দা
মাথা ঘুরছে!
হোয়াট এ মিস!
তাইতো বললাম হেভি মিস করেছেন
লেখকের মন্তব্য
আর বলবেন না!
খুব লজ্জা পেয়ে গেলাম আপু

আপনিতো কিছুই খেলেন না! মনে হয় রান্না ভালো হয় নি। আসলে আমি রান্না করিনিতো
লেখকের মন্তব্য
আপনার রান্না খেতে চাই!
আপনে নিজে দাওয়াৎ খাওয়ান না আবার খেতে চান ?? ! ! ! কি হাস্য কর কথা

ডাক্তার যদি ঘুনাক্ষরেও টের পেতাম যে রাতে এই ভুরিভোজের আয়োজন আছে তবে কি বিকেলে ই-ইয়া বড় এক পিস পুডিং, খান-চারেক পাকোড়া, আর পাস্তা খেয়ে ক্ষিদে নষ্ট করি?
লিসার মতো রাধুনী পেয়ে তুমি রান্না শিখছ না! ভেরী ব্যাড!
কোন সাহায্যকারী নেই, লিসা একা হাতে সব করেছে। আমি অবশ্য সাহায্য করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ঐপুতুল মেয়েটি আমায় দিলে তো!!!
লেখকের মন্তব্য
আপা, যা দেখলাম আর বুঝলাম। খুব কম সময়ে বোন লিসা নানা পদের খাবার বেশ সুন্দর করেই বানিয়েছেন।
পুরা ধন্যবাদ যায় বোন লিসার কাছে।
প্রায়ই খাই ! বাসায় গ্যাসের সমস্যা , তাই সবকিছু রাইস কুকারে দিয়ে রান্না করে ফেলে আম্মু

লেখকের মন্তব্য
আজ কাল রান্নায় এটা সত্যি সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ঢাকার অনেক স্থানে এখন গ্যাস সংকট।
পেসার কুকার, রাইস কুকার না হলে সামনে আমাদের চলবেই না।
ধন্যবাদ তন্ময়।
টিএসসিতে তুমুল আড্ডা সে সঙ্গে প্রয়াত 'দলছুট' গায়ক সঞ্জীব দার জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত কনসার্ট উপভোগ করে এই মাত্র বাসায় ফিরলাম। আমরা সবাই তোমাকে খুব মিসাইছি। বন্ধু-আড্ডা-গানে মন ভরলেও পেট ভরেনি। চতুরে ঢুকে তোমার সব্জি খিচুড়ি দেখেই পেট অর্ধেক ভরে গেল বন্ধু। বাকি অর্ধেকটা খেলে ভরতো।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ঈশান। আসলে আমার কোপাল ভাল যাচ্ছে না। শুধু ভাবছি, কি করা যায়।
তোমাদের সাথে থাকলে ভাল লাগত। গিয়াস ভাই সহ সবার সাথে দেখা হলে ভাল লাগত।
সে যাই হোক নেক্স টাইম, দেখা হবেই। আড্ডা চলবেই।
শুভেচ্ছা। সঞ্জীব দা ভাল মানুষ ছিলেন।
আজকের মনিপুরের আড্ডায় আপনাকে মিস করেছিলাম শাহাদাত ভাই, আপনি থাকলে অনেক ভাল হতো, কি আর করা আশা করি নেক্সট টাইম থাকবেন।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আকাশগঙ্গা ভাই।
আমি আসলে বলতেও পারছিলাম না, আবার সইতেও পারছিলাম না। আমি মোটামুটি বন্দি।
যাই হোক আবার দেখা হবে কোথায় না কোথায়ও।
শুভেচ্ছা। খাবারের ছবি সহ পোষ্ট দিন।
দেরী সয় না। হুদা ভাইকে দেখে রাখবেন।
হুদা ভাইকে দেখে রাখতে হবে কেন? এই লোক কী ভয়ানক, না কি ভয়ঙ্কর কোন কিছু?
[ধন্যবাদ ভাই উদরাজী, আমাকে নিয়ে এত উদ্বিগ্ন হবার তেমন কিছু নেই!]
লেখকের মন্তব্য
রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন! আপনাকে রাগলে ভাল দেখায়, এটা কেহ আপনাকে বলেছিল কোনদিন?
এ রাগ রাগ নয়, আরো রাগ আছে!!!
লেখকের মন্তব্য
আর আপনি!
খাওয়া শেষে টেবিলে এটুকুই মাত্র ছিল, বাকীটা রান্নাঘরে। যারা যেতে পারেন নি, তারা এখন শোকসভা করতে পারেন।
চিকেন ফ্রাই ২টা এখনও আছে দেখা যাচ্ছে

লেখকের মন্তব্য
ছবি দেখা যাচ্ছে না।।।।। শুধু দেখতে পারছি - DEC 25, 2011।।।।। হা হা হা।।।।
তন্ময় দেখতে পায়, আমি দেখতে পাই,
কেন দেখতে পান না উদরাজী ভাই?
দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া করার কিছু নাই,
রাত হয়েছে অনেক, এখন তবে যাই, ঘুমাই!!
[এখানে দেখুন, দেখা যেতে পারেঃ http://www.flickr.com/photos/57712716@N02/6569769019/in/photostream ]
লেখকের মন্তব্য
আমি আছি সারা রাত!
উদরাজী ভাই কঠিন মাপের কিপটা , তার প্রমাণ দিচ্ছেন ! !
আহারে আমরা যাই নাই বইলা কতো খাবার নষ্ট হইতেছে।
আসেন 'শোকসভা'য় শরিক হই। 
লেখকের মন্তব্য
ঈশান, আজ ফুচকা কিংবা চটপটি খাও নাই!
ভাপা পিঠা খেয়েছি।
লেখকের মন্তব্য
বাহ।।।। নারিকেল, গুড় বেশী না কম!
আমিও কয়েকদিন আগে রাস্তার ধার থেকে খেয়েছিলাম।
ভাল হয়েছিল।
মেন্যু-এর ছবি দেখেও শান্তি!

লেখকের মন্তব্য
হা, আমারো তা মনে হয়।
সবজি, চিংড়ি, সালাদ, গরুর গোস্ত ছিলো অসাধারন মজার রান্না। আর হ্যা, জর্দাটাও! আমি পোলাও সাধারনত খাইনা। কিন্তু লিসা সত্যি অসাধারন! আমাদের ডাক্তার আসলেই খুবই লাকি ম্যান! আর হবে নাই বা কেনো? ডাক্তারের মতো এতো ভালো মানুষের বউ যদি এমন না হতো তাহলে কি মানাতো?
লেখকের মন্তব্য
রাজার জন্য রানী।
দোয়া করি সময় কাটুক আনন্দে।
চমৎকার!
হুদাভাইর একটা ক্লাসিক পোস্ট আছে খিচুড়ি নিয়ে, মনে পড়ে গেল!
ছবিতে বেগুনী রঙের সবজিটা কী?
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সিষ্টার। কেমন আছেন? অনেকদিন পর আপনাকে দেখে ভাল লাগল।

Purple leaf Cabbage Vegetable
ছবিঃ নেট থেকে।
নুশেরা, ওটা শব্জি নয় রে ভাই, গো-মাংস! কেউ নিতে চায় না, তাই পড়ে আছে বাটি ভরা।
আমি একটু রাইস কুকার প্রিয়।
ভাত খিচুড়ি, পোলাও, সবই ঐটাতে সেরে ফেলি বড়ই ফাঁকিবাজ।
আজকের আড্ডার খবরে মেজাজ খুবই খারাপ আছে
লোকজনের এইসব আর স হ্য হয়না
লেখকের মন্তব্য
আসলে সবই কোপাল!
রাইস কুকারের ভাত খুব ঝরঝরে হয়!
দেখে খিদে পেয়ে গেল।

লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ নিলয় ভায়া।
নুতন কোন লেখা চোর ধরতে পেরেছেন। এবার ধরতে পারলে পুরুস্কারের ব্যবস্থা থাকবে।
শুভেচ্ছা।
নারে ভাই। পারি নাই। তবে চোখ কান খোলা আছে। পুরষ্কার আপনার হাতের রান্না হলে খুশি হই।
লেখকের মন্তব্য
ব্যাপার না। লেখা চোর আমার প্রানের দুশমন! ওদের ধরিয়ে দিন।
আমি খিচুরি ভালা পাই
দুইবার নিজে চেষ্টাইছি দুই বারই লবন ফেল করছে।
লেখকের মন্তব্য
ব্যাপার না খেয়ালী মন ভাই।
আসা করি আগামীতে লবন সহ সব কিছু ঠিক হবে।
চেষ্টা থামাবেন না।
আয়হায় রে! ডানে বামে, উত্তরে-দক্ষিণে এত্তো এত্তো আড্ডা হইলো কিছুই জানলাম না
এই পুষ্টে সময় মতো আসলেও খানিকটা আড্ডাইতে পারতাম। বিপদে পড়লে প্রায় এই জিনিসটা রেঁধে কাজ চালানো হয়। আপনার
হুদাভাইয়ের এরাম ফটুক দিয়ে আমাদের ভুখাপেটরে(এইটা চ্রম মিছাকথা) উস্কে দেবার জন্ন তিবরো নিনদা জ্ঞাপন করলাম। 
খিচুড়ি দেখতে তো সেইরাম হইছে ভাই
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বাতিঘর ভাই।
আসলে বছরের শেষ আড্ডা চলছে চারিদিকে। যেখানে যাই আড্ডার প্রস্তাব। এবার পিকনিকে যেতে হবে কমের পক্ষে ৬/৭ বার। বুঝেন অবস্থা।
শুভেচ্ছা।
বলেনকি! ৬/৭ বার পিকনিক
এতোগুলো পিকনিক না করে সবগুলোকে একটায় পরিণত করে
ফেলার রেসিপি নাই আপনার কাছে?
লেখকের মন্তব্য
না পারব না, বেশী আড্ডাবাজদের যা হয় আর কি!
কারো আছে ৬/৭টা পিকনিক, কারো ফাটা কপালে একটাও নেই!! হায়রে কপাল!!!
লেখকের মন্তব্য
আসলেই হুদা ভাই, না গেলে নয়। না গেলে ভাব্বে আমি এড়িয়েছি। ব্লগের তো ৩/৪ জায়গায় যেতেই হবে। বন্ধুত্ব একটা বিরাট ব্যাপার।
বাতিঘর, চ্রম্মিছা ভুখাপেট চেরাগালির নিন্দা জ্ঞাপনে চ্রম শরমিন্দা হইছি।
তাইলে আর কি, ইয়া আলি বলে পিকনিকে ঝাপাইয়া পড়েন
উদরাজীভাই, অফিসে আপনি একাই নাকি আরো সহকর্মী বন্ধুরা আছেন?
নিরাপত্তা ব্যবস্হা কেমন আপনার ওখানে? খাওয়া দাওয়া কই করেন?
চা চু খাওয়ার ব্যবস্হা আছে নাকি?
লেখকের মন্তব্য
আমি একা নই। অনেকে আছে। কেউ কেউ ঘুমাচ্ছে। দেখে ও না দেখার ভান করছি।
নিরাপত্তা ১০০ ভাগ ভাল। মাঝে মাঝে কফি চাইলে দেয়, তবে আমি বেশী পান করি না। ক্যাফে আছে।
এটা হাসপাতাল, আশা করি বুঝেছেন।
জ্বী এইবার সব ফকফকা। তাইলে তো চিন্তার কিছু নাই। আপনি বিন্দাস থাকেন গো ভাই।
আমি ডরাইছিলাম একা আছেন ভেবে। ভালো থাকা হোক।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ। চতুরে মনে হচ্ছে আপনি আর আমি আছি। হা হা হা।।।।
আমি একটু রাউন্ডে যাচ্ছি, পুরো ঘুরে আসতে হবে। সাথে দুইজন গার্ড থাকবে।।।।।
ভাল থাকুন।
মুটামুটি মাইল দুই লম্বা একটা দীর্ঘশ্বাস এই মাত্র ছাড়লাম! এখন আবার আরেকটা ছাড়তেসি, এইটা আরও লম্বা! দুঃখে আমার জবান বন্ধ! মুখে কথা নাই!
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।। বাপী ভাই আমার যাবার সময় হল। যেতে যেতে হাসতে হাসতে কম্পিউটার ছেড়ে উঠে যাচ্ছি।
আজ রাত ভাল কাটল।
দিনও ভালো কাটুক, ঘুম হোক ভালো!!!
জলরঙ আমায় হুমকী দিয়েছে। তুমি আর ও দেশে এসে নাকি এই আড্ডার শোধ নিবে।
আর আড্ডায় মন-প্রান খুলে তোমার বদনাম করলাম আর্কি!!!!!
আপা, আপনার কানে কানে কইঃ আমি তো জলের হুমকীর ভয়েই গেলাম না! খালি শুনলাম বাপী ভাই নাকি সাথে আছে। বাপী ভাইয়ের যা সাহস! নইলে আমি কী ডরাই সখী জলরঙ তোমারে!
-এই সব ছবি দেখি আর খালি খিদা লাগে!
খেয়ে সাহস বাড়াতে হয়, আড্ডায় বসে গাড্ডা মারা শিখতে হয়। আরে কোথায় জলরঙ আর কোথায় বাপী! দূরের বাদ্য লাভ কী শুনে- - - ??????
বাদ্য-বাজনা দূর থেকে শোনাই ভালো, হুদা ভাই! দূরে থাকলে যা বাজনা, ঘাড়ের উপর এসে পড়লে সেইটাই বাজ! খিয়াল কইরা! এক মাঘে --- ইত্যাদি!!!
ভয় দেখাচ্ছেন? এ্যা, আমাকে ভয় দেখাচ্ছেন? ও ভয়ে কম্পিত নহে আমার হৃদয়!!!!
বাতাস ছুটুক, তুফান উঠুক - - -
[ভাই, আমি নিরীহ মানুষ, খালি খালি ভয় দেখান ক্যান, এমনিতেই ডরে ডরে থাকি ----]
লেখকের মন্তব্য
ভাল বলেছেন।।।।। ভয় পান না!
লেখকের মন্তব্য
বাপী ভাই, আসলেই এক মাঘে শীত যায় না!
উদরাজী ভাই এটা কিন্তু মেনেনিতে কষ্ট হচ্ছে, মাত্র ৮থেকে১০ ঘন্টা নেট এর বাইরে ছিলাম। এর মধ্যেই আপনি আইসা আড্ডা জমাই দিছেন। তাও আবার আমি সে আড্ডা চরম ভাবে মিস করলাম।

লেখকের মন্তব্য
সরি করিম ভাই, আপনি লেট না! আসলে রাত জেগে আর কি করার আছে।
শুভেচ্ছা। আড্ডার দিন আরো আছে সামনে।
ধইন্যা বস!
খিচুরী রাঁন্ধুম এখন!
লেখকের মন্তব্য
নির্ম ভাই, কেমন রান্না করলেন জানাতে ভুলবেন না। পানি দিতে সাবধানতা জরুরী। আর তেমন কিছু না।।।
আশা করি ভাল করেছেন।।।।
মন্তব্য করুন