সাহাদাত উদরাজী-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

মামুন হক ভাই এবং শিবলী মেহেদী ভাই। দুইজনই আমার প্রিয়। এদের দুইজনের কথাই আমার প্রায় মনে পড়ে। এক জনের কথা মনে হলে অন্যজন অটোমেটিক চলে আসে। হা ব্লগে দেখা আমার এই দুইজন প্রিয় মানুষ এক জায়গায় মিলে মিশে আছেন! আর সেটা হচ্ছে, এরা দুইজনেই টুইন বেবী ফাদার। মানে দুই জনেরই আছে দুটো করে বেবী।

মামুন ভাইয়ের মায়েরা এষা ও আয়লা।

শিবলী ভাইয়ের মায়েরা জুমানা ও সুনাতা।
আজ রেসিপি লিখতে বসে এই চার মায়ের কথা বার বার মনে পড়ছে। ফলে আজকের রেসিপি মামুন হক ভাই এবং শিবলী ভাইয়ের জন্য। পানির মত সহজ একটা হালুয়ার রেসিপি দিয়ে যাচ্ছি। আশা করি বানিয়ে আমাদের মায়েদের কাছে হাজির করবেন।
উপকরনঃ
- হাফ কাপ সুজি
- হাফ কাপের চেয়ে কম চিনি (প্রথমবার বানাতে কম দিতে পারেন, ওরা কেমন মিষ্টি পছন্দ করে তার উপর)
- চার/পাঁচ চামচ তেল, এক চামচ ঘি বা বাটার
- দুইটা দারুচিনির টুকরা, কয়েকটা কিসমিস ও কয়েকটা এলাচি।
- একটা মুরগি ডিম।
প্রনালীঃ

পরিস্কার সুজি, দুইটা দারুচিনির টুকরা, কয়েকটা কিসমিস ও কয়েকটা এলাচি নিন।

তেল/ঘি গরম করে তাতে সুজি ও মশলা দিন। নাড়াতে থাকুন, থেমে যাবেন না। সামান্য (খুব কম) লবন চিটিয়ে দিন, না হলেও চলে।

চিনি দিন। তিনকাপ পানি দিন (এখানে পানির বদলে দুধ দিতে পারেন, তাহলে আরো স্বাধ বাড়বে)। নাড়াতে থাকুন। কিসমিস ফুলে উঠবে। (ইচ্ছানুযায়ী নানা পদের বাদাম পেষ্টও দিতে পারেন)

নাড়িয়ে যান। থেমে যাবেন না। নন স্টিকি না হলে পাতিলে লেগে যাবে সুতারাং খেয়াল রেখে।

ঘনত্ব বেড়ে যাবে। এই সময় ডিম ভেঙ্গে দিন এবং ভাল করে মিশিয়ে ফেলুন। খুন্তি চাওড়া হলে নিমিষের মিশে যাবে।

জ্বাল কমিয়ে আরো ভাল করে নাড়িয়ে ভাজা ভাজা করে নিন।

ব্যস হয়ে গেল সাধারন সুজির হালুয়া। একদম খাঁটি দেশী হালুয়া।

সকালের নাস্তা হিসাবে মায়েদের মাসে এক/দুই দিন নিশ্চয় এই হালুয়া ভাল লাগবে। সুখে ও আনন্দে কাটুক মায়েদের সময়।
মন্তব্য
হালুয়া খাইতে জব্বর হইছে
লেখকের মন্তব্য
আমিও ভোট দিয়া গেলাম।
দারুণ!
-চতুরে আইজকাইল এত কম আসা হইতেসে! পুরাই দৌড়ের উপ্রে আছি!
- ভালো থাইকেন, উদরাজী ভাই!
লেখকের মন্তব্য
বাপী ভাই, আপনি এটা সহজে বানিয়ে ভাতিজাদের চমক দিতে পারেন। বেশ সুস্বাদু। চিনি দেখে দেবেন। মেরিকার চিনি নাকি বেশী মিষ্টি!
হা আপনাকে আজকাল কম দেখা যাচ্ছে। ওকে, থাকুন। আগে জীবন পরে ব্লগ।
আপনিও ভাল থাকুন। শুভেচ্ছা।
জয়, হালুয়ার জয়!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ। হালুয়ার জয় না হলে আর কিসের হয়! হালুয়ার ভাগ কে না পেতে চায়!
শুভেচ্ছা নস্টালজিক ভাই।
রেসিপি জানতাম , তবে , ডিম দিতে হয় জানতাম না

আরা ভাই , আপনার খুন্তি আর আমাদের খুন্তি একই । খুব ভাল মানে খুন্তি এটা
লেখকের মন্তব্য
ডিম দিলে স্বাদ ও পুষ্টি বাড়ে!
হা হা হা।।।।।
এক সুযোগে সকালের নাস্তাটা হয়েই গেলো।
ধন্যবাদ।
লেখকের মন্তব্য
সকালের নাস্তায় হালুয়া রুটি জমজমাট!
ধন্যবাদ করিম ভাই।।।।
ডিম দিতে হয় কেন?
লেখকের মন্তব্য
স্বাদ ও পুষ্টি।
আপনি চাইলে ডিম না দিয়েও বানাতে পারেন। দুধ দিয়ে দেখতে পারেন। মজাদার হবে।।।
ধন্যবাদ।।
বানাবো বানাবো, বানিয়ে খাওয়াবো।
ভালো কথা, আপনার ব্লগে "মুল লেখা চতুরমার্ত্রিকে http://tinyurl.com/cr3bmdg" লিংটি দিয়েছেন কিন্তু মনে হচ্ছে এই লিংটি ব্রোকেন বা রং লিংক।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ শিবলী ভাই।
জানাবেন, ওরা খেয়ে কি বলল। হা হা হা।।।।।
চাচার রেসিপি ভাল না লেগে যাবে কই!
শুভেচ্ছা।
বন্ধু, কতবার সিদ্ধান্ত নিয়েছ, তোমার রেসিপি পোস্টে আর ঢুকবো না। কারনতো আগেই বলেছি, তোমার মজার সব মেনু দেখলে খাবার-দাবারের প্রতি লোভ বেড়ে যায়, তাই….। তবে দোস্ত তোমাকে সাহস করে একটি কথা বলি, রেসিপি পোস্টের প্রতি তোমার আসক্তি এবং পক্ষপাতিত্বে আমরা কিন্তু অন্যদিক দিয়ে বঞ্চিত হচ্ছি্। আমরা তোমার মজার মজার ভ্রমণ কাহিনী, কবিতা সহ অন্য সব সৃজনশীল লেখা পড়ার সুযোগ পাচ্ছি না। তাই বন্ধ তোমাকে বলছি, নতুন নতুন রেসিপি তৈরীর পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়ের দিকেও সমান মনোযোগ দাও। শুধু রেসিপি পোস্ট নয়, আমরা তোমার কাছ থেকে সব ধরনের লেখা চাই। অনেক ধন্যবাদ বন্ধু, ভালো থেকো।
সেই পিচ্চিকাল থেকেই নাস্তার টেবিলে ভাতিজারা এই হালুয়া দেখে আসছে।
এটা ছাড়া তাদের চলে-ই না।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।।। সহজে পুষ্টিকর খাবার।।।। শিশুদের জন্য দরকারী।
লেখকের মন্তব্য
বন্ধু, তুমি এত লোড নিচ্ছ কেন?
অনেক দিন ব্লগে সময় কাটালাম, প্রায় ৬০০ ব্লগ লিখে ফেলেছি (নানা ব্লগে, নানা সময়ে।।।)। রেসিপি আমাকে যতটা পরিচিতি দিয়েছে অন্য কোন লেখা তেমন পারে নাই। হা হা হা ।।।।। তাই রেসিপি নিয়েই থাকতে চাই, চতুরে! এতে আমার দুটো কাজ হচ্ছে, এক যে কোন বাংলা খাবারের নাম নেটে/ গুগলে সার্চ করলে আমাকে পাবে, দুই বাসায় একটা আলাদা সন্মান পাচ্ছি!
অন্য লেখা লিখতে গেলে যে সময়ের দরকার তা আমার নাই। চাকুরী করে আর কত!
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। লোড কম নাও!
মামুন হকের টুইন বেবি জানতাম, শিবলী মেহেদীর তথ্যটা অজানা ছিল, আবারও ধন্যবাদ তোমাকে।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ। ভার্চুয়াল বন্ধুদের খবর এখন বেশী জানি।।।।।
বেশ মজাদার হালুয়া।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ জামি ভাই।
লে-হালুয়া! এইটা তো খুব সহজ দেখি।
লেখকের মন্তব্য
আসলেই সহজ!
বিবাহের আগে রান্না শিখে নিন। এতে সুবিধা হবে।।। ভাবী বাপের বাডী গেলে, নো টেনশন!
ছবিতে দারুণ লাগছে।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ নয়ন ভাই।।।।।
রেসিপি তো খুবই সহজ!আমার মত ফাঁকিবাজরাও চট করে বানাতে পারবে

টুইনদের দেখে বেশি ভাল লাগছে
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ব্রাদার।।।।
আমি সিস্টার
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সিষ্টার, এবার মনে থাকবে।
শুভেচ্ছা।
দারুন হালুয়া!!!! সকালে গরম গরম আটার রুটি দিয়ে এই হালুয়া কি যে মজা লাগে!!!!
টুইন বেবী দেখলেই আমার খুব ভালো লাগে।
লেখকের মন্তব্য
ওদের মনে করাই এই রেসিপির লক্ষ্য ছিল।
ধন্যবাদ সিষ্টার।
ঈশানের সাথে সহমত!
সব লেখা কি গুগুলপ্লাস আর শব্দনীড়ের জন্য?
আমাদের জন্যও তো দিতে পারেন।
রেসিপি নাহয় শুক্রবারের জন্যই থাকুক।
লেখকের মন্তব্য
রান্নাতো সিস্টার,
আমি রেসিপি লিখি শুধু চতুরমার্ত্রিকে, অন্য কোথায়ও নয়। আমার হাতে প্রচুর রেসিপি জমা হয়ে আছে, প্রতি শুত্রবার দিলে এই জন্মে সব রেসিপি দিয়ে যেতে পারব বলে মনে হয় না।।।।। তাই আমি একটু তাড়াহুড়া করছিলাম।।।।।।।
রেসিপি লিখে বেশ মজা পাচ্ছিলাম। গতকাল আর এক পদের আলু রান্না করলাম। বেশ হয়েছে।
ব্যাটারী/বুলেট বাসায় নাই! এখন আসল পরীক্ষা দিচ্ছি!
শুভেচ্ছা
ভালইতো, ট্রাই করতেই হয়
লেখকের মন্তব্য
আপনাকে নুতন দেখলাম।
শুভেচ্ছা ও স্বাগতম।
ধন্যবাদ................ সহজ তবে বেশ মজার খাবার।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সিস্টার।
বেশ কয়দিন পর আসলাম.. এসেই এখানে হাজির..আগে পুরোনো জমে থাকা গুলো পড়ি.... তারপর এটাতে... সাহাদাত ভাই কেমন আছেন ?
লেখকের মন্তব্য
আপনাকে আমার রেসিপি পোষ্ট না দেখলে ভাল লাগে না!
আপনি কেমন আছেন?
প্রায় প্রতিদিন সকালেই রুটির সাথে খেতে হয়। কন্যা খাওয়ায়, কন্যার মাও খাওয়ায় (যখন যার হেফাজতে থাকি)।
আজ সকালেও খেয়েছি, আবার এই সন্ধ্যার সমর খেলাম চতুর্মাত্রিকের কাছে। পানি না দিয়ে শুধু দুধ, তেলের বদলে শুধুই ঘি দিলে, আর কিসমিস আর ক'টা বেশি দিলে আরও ভালো লাগতো!
শুক্রবারে রেসিপি আর অন্যান্য দিনে আর কিছু দিন। ঈশান মাহমুদ আর সুরঞ্জনার সাথে গলা মিলিয়ে এই দাবী আমারও।
শুভেচ্ছা।
লেখকের মন্তব্য
পেটে সইতে পারবেন! হা হা হা।।।। বয়স হলে ঘি খেতে নাই!
যত বেশী লিখতে পারি ততই লাভ! কয় দিন বাঁচবো! রেসিপি সহজে লেখা যায়।।।। হা হা হা।।।।
ঈশানের কমেন্ট ও আমার রান্নাতো আপার কমেন্টে আমার উত্তর দেখে আসার অনুরোধ করছি।।।।
যাদের বয়স কম, আল্লাহ চাহেতো তারা অনেক খাবে। আমি আর কয়দিন, এ কয়দিনে যা পারি খেয়ে যাই।
পেটে সওয়া নিয়েই যা একটু সমস্যা! চোখ আর জিহবা সংবরণ করা সহজ নয় রে ভাই।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।
জানলাম, আজ সারাদিন আড্ডা দিয়ে কাটিয়েছেন!
শিখলাম , মনে হয় টেস্ট টাও ভাল হইছে

লেখকের মন্তব্য
খুব সহজ, ভাল লাগবে। বানিয়ে দেখতে পারেন।
রান্নায় চাই সাহস আর ধৈর্য! আর এই দুটোই আপনার আছে।।।।।
ধন্যবাদ রাফি ভাই।
শিরোনাম দেখে ভাবলাম আরে সাধারণ শ্যাম্পু সাবানের মত সাধারণ হালুয়াও এসে গেল নাকি।
পরে দেখি এটা তো সেই গরম গরম রুটি দিয়ে সকালের নাস্তার হালুয়া।
দারুচিনি এলাচ দেয়ায় আরও মজা হয়েছে।
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা ।।।। হালুয়া অনেক প্রকার, এটা বেসিক বলে সাধারন বলেছি!
আপনাকে না দিলে জমবে না।।। তবে শিশুরা আপনাকে দেখতে পারে না।।। দাতে পড়লে মুখ কালো করে ফেলে! হা হা হা।। কিন্তু আপনি ছাড়া চলেও না!
উদরাজী ভাই, আপনার জন্য আজ চারটি পরীকে দেখলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে সেজন্য।
লেখকের মন্তব্য
পরীরাই এই পোষ্টের মুখ্য বিষয়।
ধন্যবাদ আপনাকে পোষ্ট দেখার জন্য এবং এই বিষয়টা খেয়াল করার জন্য।
সাহাদাত ভাই, জিভে এখনও স্বাদটা লেগে আছে
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মনির ভাই।
শুভেচ্ছা। অনেকদিন পর আপনাকে দেখলাম।
উদরাজী ভাই অনেক দিন আপনার সাথে সাক্ষাৎ নাই।
হালুয়ার রেসিপি ভালু পাইলাম। এখনই বানাতে বসবো কিনা ভাবতেসি!!
ভালো থাকবেন।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ শিমুল ভাই।
বানিয়ে দেখতে পারেন। খুব সহজ। চিনি কম দেবেন, প্রথমবার! রুটির (না পেলে খালি চলবে!) সাথে ভাল লাগবে।
শুভেচ্ছা।
আমার বন্ধুর বউ( আমারও ব্যাচমেট) গত শবে বরাতে দিয়ে গেছিলো।
কড়া মিষ্টি হলেও বেশ ভালো লেগেছিলো। তখন রেসিপি জানছিলাম। করা হয় নাই পরে। এখন সিস্টেমেটিক ওয়েতে দেইখা নিলাম। রুটির সাথে ভালো যাবে। রুটি না থাকলেও সমস্যা নাই।আমি হইলাম ধরেন গিয়া বিক্রমপুরের লোক। আমার মিষ্টিতে সমস্যা হইলে হয় !!!
লেখকের মন্তব্য
হা হা হা।।।।।
মন্তব্য করুন