সাহাদাত উদরাজী-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

সরলরেখা বক্ররেখা এখন বইমেলায়! আজ সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় মোড়ক থেকে বের হয়ে এসেছে। চতুরে এ নিয়ে আর বেশী কিছু বলার নাই, সবাই সব জানেন। মোট ১২ জন ব্লগার/লেখকের মধ্যে ৮ জন উপস্থিত ছিলেন। ব্লগার আকাশগঙ্গার শ্রদ্বেয় পিতা বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন। পিতাপুত্রের আনন্দ এই বইয়ের জন্য আর একটা বিশেষ সুন্দর দিক হয়ে থাকবে চিরদিন। কথা অনেক হবে আগামীতে, চলুন ছবি দেখি। শুভকামনা সরলরেখা বক্ররেখা।

ছবি ১

ছবি ২

ছবি ৩

ছবি ৪

ছবি ৫

ছবি ৬

ছবি ৭

ছবি ৮

ছবি ৯

ছবি ১০

ছবি ১১

ছবি ১২

ছবি ১৩

ছবি ১৪

ছবি ১৫

ছবি ১৬ - আমাদের সরলরেখা বক্ররেখা।
The Dazzling Twelve:
১. নাজমুল হুদা -তিনি এই উপন্যাসটির প্রথম পর্ব লেখেন।
২. আকাশগঙ্গা (মিজানুর রহমান পলাশ)-তিনি এই উপন্যাসটির দ্বিতীয়, অষ্টম এবং দ্বাবিংশ থেকে শেষ পর্ব পর্যন্ত লেখেন।
৩. ডাক্তারের রোজনামচা (এস এম নিয়াজ মাওলা)- তিনি এই উপন্যাসটির তৃতীয়, সপ্তম এবং সপ্তদশ পর্ব লেখেন।
৪. জুলিয়ান সিদ্দিকী-তিনি এই উপন্যাসটির চতুর্থ ও ষষ্ঠদশ পর্ব লেখেন।
৫. সাহাদাত উদরাজী- তিনি এই উপন্যাসটির পঞ্চম পর্ব লেখেন।
৬. শব্দপুঞ্জ ( ফয়সল কাদের চৌধুরী) -তিনি এই উপন্যাসটির ষষ্ঠ ও ত্রয়োদশ পর্ব লেখেন।
৭. পাপতাড়ুয়া (সোহেল মাহমুদ)-তিনি এই উপন্যাসটির নবম পর্ব লেখেন।
৮. নাঈফা চৌধুরী অনামিকা -তিনি এই উপন্যাসটির দ্বাদশ, অষ্টাদশ, বিংশ ও একাবিংশ পর্ব লেখেন।
৯. ময়ূখ রিশাদ (আরিশ)-তিনি এই উপন্যাসটির দশম পর্ব লেখেন।
১০. আমিন শিমুল - তিনি এই উপন্যাসটির একাদশ পর্ব লেখেন।
১১. অপাংক্তেয় (নাহিদ আফরোজ)- তিনি এই উপন্যাসটির চতুর্দশ পর্ব লেখেন।
১২. জ.ই মানিক - তিনি এই উপন্যাসটির পঞ্চদশ ও ঊনবিংশ পর্ব লেখেন।
বিঃ দ্রঃ লালকালিতে লেখা ব্লগার/লেখকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেন নাই। তাদের জন্য আমাদের ভালবাসা থাকল। বিশেষ ধন্যবাদ ফয়সাল রাব্বী ও সিষ্টার একু'কে যারা অনুষ্ঠানে থেকে (আর কেহ ছিলেন কিনা বলতে পারছি না) বিশেষ উৎসাহ দিয়েছেন আমাদের। তাছাড়া 'শব্দনীড় ব্লগ' থেকে অনেক ব্লগার এসে আমাদের উৎসাহ যুগিয়েছেন, তাদের প্রতিও ভালবাসা থাকল।
মন্তব্য
এই পোস্টের অপেক্ষায় ছিলাম।
ডাক্তারের পোস্টের পর মনে কেমন যেন একটা অবিশ্বাসের ভাব হচ্ছিল, আসলেই কি এই দক্ষযজ্ঞ এত অল্প সময়ে সম্ভব!!!
দেখালেন বটে আপনারা!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আপা। ঠিক করে দিলাম। আসলে বাজার করে করে মাথা আর ঠিক নাই, বই কখনো বাজারে হতে পারে না! আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ, আশা করি আগামীতেও আমাদের অনুপ্রেরণা এবং পাশে থাকবেন। আপনার কাছে এই বই নিয়ে একটা লেখা চাই, যা আপনার চোখে পড়বে তাই লিখবেন। শুভেচ্ছা।
এই বই হাতে পেতে আমার অনেক সময় লাগবে, হয়ত বছর পেরিয়ে যাবে। তবু যখনই পাব, পড়ব এবং অবশ্যই এটা নিয়ে লিখব।
শব্দনীড়ের ব্লগারদের জন্য শুভেচ্ছা।
আশা করি, প্রকাশনা উৎসব ও তৎসংশ্লিষ্ট আড্ডা নিয়ে অবিরাম ক্লিশে ও উচ্ছ্বাসভাসানিয়া লেখা পোষ্ট করার বদলে কোনো ব্লগার এই বইটার একটা যুক্তিপূর্ণ ও নির্মোহ আলোচনা লিখবেন।
লেখকের মন্তব্য
মুহিত ভাই, নিশ্চয় কেহ এগিয়ে আসবেন।
মুহিত নিজেই লিখতে পারে তো! এই বয়সে এমন পাঠাভিজ্ঞতা বিরল, তাছাড়া পত্রপত্রিকায় ওর রিভিউ নিয়মিতই আসছে।
চেষ্টা করবো আপু
চেষ্টা নয় মুহিত হাসান, লিখতেই হবে এবং অবিলম্বে। এটা আমাদের দাবী নয়, অধিকারও বটে।
দেখলাম।
শব্দপুঞ্জ ফয়সল ভাই ছিলো নাকি মেলায় ???/
সবাইকে শুভকামনা।
লেখকের মন্তব্য
শিমুল ভাই, আমরা আপনাদের মিস করছি। আপনারা থাকলে আরো ভাল লাগত। তবে ৮ জন মিলেও ছবি তুলতে পারা যায় নাই! একজন ছবি তুলতে চান না, অন্যজনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না।
শব্দ ভাইকে দেখে আমরা সবাই অবাক হয়েছিলাম। তিনি অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, অসাধারণ।
ভাইয়া ভাষায় প্রকাশ হীন আনন্দ।
আমি বিকেল থেকেই এই পোষ্টের অপেক্ষাই ছিলাম।
এখন শুধু বই হাতে নেয়ার অপেক্ষা।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ করিম ভাই,
আমারো এটা প্রথম অভিজ্ঞতা। মনে একটা হালকা খুশি হচ্ছে।
শুভেচ্ছা।
শুনেছিলাম ফয়সল ভাইয়ের পরীক্ষা ছিলো।
যাক। সরলরেখা বক্ররেখার জন্য শুভকামনা।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ জামি ভাই।
হা ফয়সল ভাই, হঠাত এসে আমাদের চমক দিয়েছিলেন।
সরলরেখা বক্ররেখার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা। লেখক ভাইয়া-আপুনিদের শ্রমের ফসল দেখে অনেক ভাল্লাগছে। আশাকরি বইটা পাঠকদের মন কাড়তে পারবে।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ নিলয় ভায়া। বিশেষ ধন্যবাদ যায় ডাক্তার ভাইদের কাছে।
দারুণ ব্যাপার! আবারও অভিনন্দন চতুরের দুর্দান্ত দ্বাদশকে!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বাপী ভাই। আসলেই এটা একটা কঠিন চেষ্টা।
শুভেচ্ছা নিন।
ইয়ে ইয়ে আমি স্পেশাল থ্যাঙ্কু পাইসি

লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সিষ্টার একু।
বাহ, কি দারুণ মুমেন্ট, অ সা ধা র ণ!!!!!!!!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মিতা ভাই। আসলেই এটা একটা কঠিন চেষ্টা। নানা মতকে এক মত করা বেশ কঠিন কাজ।
শুভেচ্ছা।
হায় হায় হায়।। আমি কত্ত বড় মিস করলাম।
তবে কুশি লাগতেছে। চতুরের সবাই রে


আমার তো
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মেঘ রঙ! মেঘ চাই সাথে বৃষ্টি।
এই মেঘ রঙ মেয়েটা মাঝে মাঝে একটু উঁকি দিয়ে আবার কোথায় যেন হারিয়ে যায়? কী ব্যাপার? আজকাল ব্লগের প্রতি এমন বিমাতাসুলভ মনোভাব পোষণ করার কারণ কী?
সত্যিই রে ভাই, তোমাকে খুব মিস করছি! লেখাপড়ার চাপ কী খুব বেশি এখন?
ভালো থেকো।
অভিনন্দন আপনাদের সবাইকে ।
লেখকের মন্তব্য
আগন্তক ভায়া, আপনার উপস্থিতি কাম্য ছিল।
বইটা কেনার দিন একেবারে চলে আসবো । আপনাদের অটোগ্রাফ পাওনা রইলো ।
লেখকের মন্তব্য
আগুন্তুক ভাই, আমার মনে হয় না আর ৮ জনকে একসাথে করা যাবে। কঠিন ব্যাপার।
আমি পেয়েছি পাক্কা ৮জনের অটোগ্রাফ।
লেখকের মন্তব্য
আজ আমাদের সময় টিভিতে সাক্ষাতকার নিয়েছে! মাত্র তিনজন একসাথ হতে পেরেছি! সোহেল ভাই পরে এসে আফসোস করেছেন। বুঝেন অবস্থা!
আসলে ভাইয়া সব কিছু মিলাইয়া অনেক চাপে আছি। আর লিখতে পারি না ইদানিং।
তবে আবার ফিরছি এই বার যাব না। ব্লগ না লিখি কিন্তু থাকব। মানে আগেও ছিলাম পড়তাম কিন্তু চুপচাপ এখন আবার কথা বলব।

লেখকের মন্তব্য
আমরা শুনতে চাই।
বাহ! বেশ আয়োজন!
আপনাদের সব্বাইকে ইয়া বড় বারটা অভিনন্দন!
==========
থাকার ইচ্ছে ছিলো, ব্যস্ততার কারণে যাওয়া হলোনা।
লেখকের মন্তব্য
নয়ন ভায়া, আপনার সরব উপস্থিতিও কাম্য ছিল।
ইশ ! জানলে যেতাম । আপনাদের সবাইকে দেখার ভীষণ ইচ্ছে !

লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বোন। ব্লগে অনেক প্রচার করা হয়েছিল। শুভেচ্ছা থাকল।
চতুরের আগামী আড্ডায় আসবেন আশা করি।
অভিনন্দন, সাহাদাত ভাই! আমি তো আসলে অনেকেরই মুখচ্ছবি চিনি না।
আচ্ছা, ছবি ২ তে podium-এ দাঁড়িয়ে কে? ফয়সল ভাইয়া?
ছবি ৩ এ জুলিয়ান ভাই?
ছবি ৪ আর ৫ এ তো চতুরাড্ডার ফোটো থেকেই জানি নাজমুল ভাই আর আপনি।
ছবি ৪ এর মাঝের সারির (আমার হাতের) একেবারে বামে কি সোহেল ভাইয়া?
ছবি ৬ এ নিয়াজ ভাইয়ার ঠিক পেছনেই লাল সালোয়ার-কামিজে কি লিসা ভাবী?
ছবি ৭ এ পলাশ ভাইয়ার বাম পাশে কি উনার আব্বু?
ছবি ৯ এ ফয়সল ভাইয়ার পাশে কি মানিক ভাইয়া?
ছবি ১০ এ নাজমুল ভাইয়ের সাথে কি জুলিয়ান ভাই?
ছবি ১১ তে লিসা ভাবীর (উনি কি লিসা ভাবী?) সাথে কারা?
-----
ছবি আপলোওড করবার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ! এতক্ষণ বইমেলাতেই মন পড়ে ছিলো!
আপু, আমি হতভম্ব!!!!
সবগুলোই সঠিক। শুধুমাত্র ৩ নং ছাড়া। উনি অন্যপ্রকাশের মাসুম ভাই।
আর ছবি ১১ তে লিসার সাথে আমার বন্ধুরা।
আমি আসছি আবার।
হতভম্ব হওয়ার কিচ্ছু নেই!
আট ভাই চম্পাকে বোন পারুলরা (আর ভাই শিমুল) চিনতে পারবে না, এও বুঝি সম্ভব!
লেখকের মন্তব্য
না, এটা হতে পারে না।।।
একশতে একশত, প্রিয় অমিতাপু।

সারছে! আমি তো খুব কৌশলে ফাঁকি দিচ্ছিলাম ক্যামেরার লেন্সকে। যাতে আবার পূর্ণ অবয়ব না আসে। এইটা তুললো কখন! যদিও শাটার টেপার আগেই পাশ ফিরিয়েছি মুখ।
লেখকের মন্তব্য
মানিক ভাই, আমরাও মোটামুটি আপনার মত। তবে এটা একটা মজার স্মৃতি বলে কয়েকটা ছবি জরুরী ছিল।
আশা করি আগামী আড্ডাতে আরো ছবি তোলা হবে।
লেখকের মন্তব্য
অসাধারণ বোন। চবিতে ক্যাপশান দিতে ইচ্ছা হয় না। অনেকে এটা পছন্দ করেন না। যেমন জুলিদা কিছুতে ক্যামেরায় আসতে চান না, আমিও চাই না। আর বেশ কয়েকজন্তো জায়গামত থাকেনি। সোহেল ভাই, এত নিভৃত যে বলার কিছু নাই, তার উপস্থিতি বুঝাও কঠিন। আমি খুজেও তাকে পাই নাই। মাঝে মাঝে দেখি আবার দেখি নাই! ছবিতে দুইজন মিস।
আমিও ছবি তুলি না, পেট আর মাথার টাকের জন্য! তবে ভাবছি মাথায় পরচুলা পরা ধরব, তার পর ছবি উঠাব।
শুভেচ্ছা থাকল।
বুজি, আসল আমি। কুনু ভেজাল নাইক্যা।
লেখকের মন্তব্য
আপনার বুজি আপনার মুখে সিগারেট দেখলে পিডাবে!
আমি ভাবতে ছিলাম, মোড়ক উন্মোচন করবে কে?
কিন্তু, পলাশের বাবা করবেন, এমন ভাবনার ধারেকাছেও আসতে পারিনাই।
এই ব্যাপারটায় খুবই খুবই ভালো লাগলো।
আর, আরেকটা মজার ব্যাপার, ছবির মুখগুলাতে আনন্দ আর উৎসাহের ভাবটা পুরাপুরিই উপন্যাস লেখা সময় কালীন লেখকদের উৎসাহের ছাপ ধরে রাখছে।
আমি মনে হয় বিদেশে বসবাসরত লেখকদের উত্তেজনাটাও উপভোগ করতে পারতেছি।
পুরা ফেনোমেনাটাই অসাম।
লেখকের মন্তব্য
শাওন ভাই, পলাশের বাবাকে আমি কাছ থেকে দেখেছি। অসাধারণ। আর পলাশ ওর বাবার সাথে কি কি মজা করছিল তাও বেশ জমজমাট ছিল। আমার বাবা নেই বলে, বার বার বাবার মুখ দেখছিলাম। মাতাপিতা সন্তানের জন্য একটা বিরাট ছাতা, যার নাই সে বুঝে।
আশাকরি পলাশ এবার বাড়ী থেকে আরো বেশী টাকা (হাত খরচ) পাবে! হা হা হা।।। পলাশ, বার বার ওর বাবাকে বলছিলো, বাবা তোমার ছেলে ইঙ্গিনিয়ার হবার আগে লেখক হয়ে গেছে!
এই ধরনের স্মৃতি সব পিতার থাকা জরুরী।
সবাইকে অভিনন্দন
লেখকের মন্তব্য
আপনার অনুপস্থিতি আমাদের কাঁদিয়েছে। কারণ আপনি দেশে ছিলেন। ফয়সাল ভাই এসে যেমন চমক দিয়েছেন, তেমনি আপনাকেও আমরা আশা করছিলাম।
অভিনন্দন আপনাকেও।
আর আমার অনুপস্থিতি কি কাউকেই কাঁদালো না?

আমি বৈদেশে থাকি বলে কি এতই অবহেলা?
ভুটাপ
লেখকের মন্তব্য
এই ভোট কাউন্ট হবে না।।।।
লেখকের মন্তব্য
তিনি দেশে থেকেও আসেন নাই বা পারেন নাই! আপনাদের জন্যতো আমরা কেঁদেই চলছি সিষ্টার। কবে আসবেন?
গতকাল টিভিতে কথা বলতে গিয়েও আমাদের লজ্জা হচ্ছিলো এই ভেবে যে, আমাদের আরো সদস্যরা নাই। আমরা একক ভাবে যত কথাই বলি না কেন, এর কৃতিত্ব আমাদের সবার।
লজ্জা দেবার জন্য এই মুহুর্তে এক কাপ চা জরিমানা করা হল! চিনি কম হতে হবে।।।।
ভুটাপ!
শুভকামনা
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ করিম ভাই।
চতুর থেকে বই বেরিয়েছে ? খুব ভালো লাগছে। বই মেলায় যদি যেতে পারতাম তবে নিজ হাতে কিনতে পারতাম। বই ও চতুরের সবার মঙ্গল কামনা করছি।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মারজুক ভায়া। আপনার বই কবে বের হবে?
এ যে কী সুখ অনুভুতি, সম্ভব নয় ভাষায় প্রকাশ করা।
প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করছিলাম তাড়িয়ে তাড়িয়ে।
অন্তরনামা ব্লগের ব্লগারগণ উপস্থিত ছিলেন, উদরাজী ভাই। পরে এসে যোগ দেন কবির ভাই(কবির য়াহমদ)।
তার কেনা বইয়ে আমরা সচিত্র অটোগ্রাফ দেই!
লেখকের মন্তব্য
মানিক ভাই, আশাকরি এবার নিয়মিত দেখা হবে।
অন্তরনামা ব্লগের ব্লগারগনের জন্যও ভালবাসা থাকল।
আমার শেষের আড্ডায় থাকলে ভাল হত।
যাই হোক, আগামীতে আশা করি দেখা হবে।
(শুক্রবার সন্ধ্যায় কবির ভাইয়ের সাথে দেখা হয়েছে)
লেখকের মন্তব্য
মানিক ভাই, আশাকরি এবার নিয়মিত দেখা হবে।
অন্তরনামা ব্লগের ব্লগারগনের জন্যও ভালবাসা থাকল।
আমার শেষের আড্ডায় থাকলে ভাল হত।
যাই হোক, আগামীতে আশা করি দেখা হবে।
(শুক্রবার সন্ধ্যায় কবির ভাইয়ের সাথে দেখা হয়েছে)
দারুন ব্যাপার স্যাপার ।
অনেক অনেক অভিনন্দন জড়িতদের সবাইকে
লেখকের মন্তব্য
শুভেচ্ছা শূন্য ভাই।
আর কটা দিন ছুটি বাড়িয়ে দিতে পারতেন।
বাহ্ । বেশ জমজমাট একটি প্রকাশনা উৎসব হলো দেখছি ।
অফিস থেকে বাসায় ফিরেছি চারটায়।
একবার ভেবেছিলাম যাবো। প্রবল আগ্রহ ছিল।
পরে ভাবলাম পাঁচটায় রওনা দিলেও পৌঁছতে পৌঁছতে ছটা।
ততক্ষণে নিশ্চয়ই প্রোগ্রাম শেষ হয়ে যাবে।
এখন জানলাম মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে ছটায়।
ইশ্ গ্রেট মিস! যেতে পারল প্রিয় কিছু চতুরের সঙ্গে পরিচয় হতো।
যাই হোক সরলরেখা বক্ররেখার ব্যাপক সাফল্য কামনা করছি।
অভিনন্দন সেই সব বন্ধুদের, যাদের দীর্ঘদিনের ঐকান্তিক শ্রম এবং প্রচেষ্টার
সফল বাস্তবায়ন ঘটলো আজ এই সুন্দর ভিন্নধর্মী বইটি প্রকাশনার মাধ্যমে।
সব বন্ধুকে ভালোবাসা।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ঈশান,
আমি অফিস থেকে ৪ ঘন্টার ছুটিতে গিয়েছিলাম এবং আবার অফিসে ফিরে আসছিলাম।
এবার একদিন বই মেলায় দেখা হবে নিশ্চয়। এবং বই মেলা থেকে হেঁটে বাড়ী ফিরব! এক সাথে।
র জন্য শুভকামনা।

বইমেলায় এসেই সরল বক্র রাস্তা পেরিয়ে স্টলে চলে আসব আশা রাখি
সবাইকে অভিনন্দন।
ছবিগুলোর জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বোন।
আশা করি, বইটা পড়ে দেখবেন।
শুভেচ্ছা।
বিশাল অ ভি ন ন্দ ন সংশ্লিষ্ট সবাইকে ।
খুব দ্রুত বইটি স্টলে নিয়ে এসে আপনারা আসলেই চমৎকার কাজ করেছেন !
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ শিপন ভাই,
দুই ডাক্তারের প্রচেষ্টা না হলে এটা সম্ভব ছিল না।
আপনার বই কবে আসছে।
এ অর্জন, গৌরবের আনন্দের উদ্বেলতার।
----------
মিনি অফ টপিক: অন্য প্রকাশকে ধন্যবাদ মিলন'র বই থিকা দুই বই দূরে সরলরেখাকে সিংহাসিত করার জন্য। আরো কয় বই পরে রাখলেও পারত।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ পদ্ম ভাই।
অন্য প্রকাশের সামনে ভীড় দেখে টাস্কি খেতে হয়। হুমায়ুন আহমেদের বই মুড়ির মত কাটছে। আমি শুক্রবার বিকালে প্রায় ঘন্টা খানেক দাঁড়িয়ে দেখছিলাম। আমাদের বই ডিসপ্লের চান্স দেখি না! তারপরও শুনেছি (নিয়াজ ভাইয়ের কাছে) আমাদের বই নাকি বেষ্ট শেলারের তালিকায় আছে। ব্লগে দেখেই সবাই খুঁজে বের করছে।
অভিজ্ঞতাঃ স্টলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলাম, একজন বই কিনছেন। সাহস করে এগিয়ে যেয়ে পরিচয় দিতে পারি নাই! হা হা হা।।।।
সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন !
আচ্ছা ছবি ৫ এ যে ভদ্রলোক কথা বলছে উনি কে
লেখকের মন্তব্য
কবি ভাই, ছবি তুলতে ভয় পাই। যা চোহারা।
আপনার মত পিছে হাট ছবি তুলব আগামীতে।
দারুন ব্যাপার ছবি দেখে খালি আফসোস আর আফসোস।
অভিনন্দন সবাইকে।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ কাকা।
আপনাকেও শুভেচ্ছা।
দারুন! দারুন!!
জড়িত সবাইকে অভিনন্দন।
লেখকের মন্তব্য
আচার্য দা, শুভেচ্ছা।
সাহাদাত ভাই,
চমৎকার।
ভালো থাকবেন।।।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মনির ভাই।
শুভেচ্ছা।
মোড়ক উন্মোচনে থাকতে পারার কথা ছিল না, হঠাৎ করেই চলে আসতে পেরে ভাল লাগলো ভীষন, ধন্যবাদ সবাইকে, অভিনন্দন।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ রাব্বি ভাই। আপনার উপস্থিতি আমাদের সাহস যুগিয়েছে।
অভিনন্দন।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ রিপন ভাই।
খুব চমৎকার অনুষ্ঠান হয়েছে, তাই না উদরাজী ভাই? যেতে পারিনি বলে ভীষণ খারাপ লাগছিলো! লেখা পড়ে ও ছবি দেখে মন খারাপের রেশটা আরো ঘনীভূত হলো। যাই হোক, সফল আয়োজনের জন্য সকলকে উষ্ণ অভিনন্দন!!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আপা, আমরা আপনাকে মিস করেছি। আপনি ধারে কাছে থেকেও আসলেন না! আজ আবার শুনলাম, আপনি নাকি কোনদিনও আসবেন না! ১২জন মিলে চা খাবার ইচ্ছা আসলে কোনদিন পুরন হবে না। আজ নিয়াজ ভাই অনেক চেষ্টায় মাত্র ৪ জনকে একসাথ করতে পেরেছেন। আগামী বুধবার সময় টিভিতে রাত সাড়ে ৮টা ও পরদিন বেলা ১২টা ৩০মিনিটে আমাদের দেখাবে। আশা করি দেখবেন।
যাই হোক, আপনি যেখানে থাকুন ভাল থাকুন, এটাই কামনা।
আপনাকেও অভিনন্দন।
বিষ্যুদবার অফিস না করে উপায় ছিল না। হুদা ভাই আর নিয়াজ ভাইকে জানিয়েছিলাম। ওনারা আমার গলার আওয়াজে নিশ্চয় বুঝেছিলেন যে, ঠাণ্ডায় কেমন বেহাল ছিলাম ওই দিন। গত দু'দিন বিছানায় কাটিয়েছি উদরাজী ভাই। আজ একটু সুস্থ বোধ করছি।

-------------
অবশ্যই দেখবো। চা খাবো না শুধু, আপনার বানানো চিতই পিঠাও খাবো!
--------------
বইমেলায় প্রতি বছর কমপক্ষে বার তিনেক যাই। এবারো যাবো। এ রকম বদনাম কে করলো, বলেন দেখি? তবে এ কথা সত্য যে, আমি হচ্ছি কুয়ার ব্যাঙ! কুয়ার মধ্যেই যত ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ! আড্ডানোর যোগ্যতা একেবারেই নেই! নতুন লোকজনের সামনে যেতে কেন যে এত ভয় পাই!
লেখকের মন্তব্য
বোন, আমিও সারা জীবন এমন কুয়োর ব্যাঙ হয়ে কাটিয়েছি। এখন একটু আধটুকু বের হই মাত্র। কিছু বন্ধুদের কাছে একটু পরিচিত হতে চাই মাত্র।
উদরাজী ভাই, আপনার এই পোষ্ট টা আমার লেখায় লিঙ্ক দিয়েছি।
লেখকের মন্তব্য
ব্যাপার না, আমি আপনার একটা লেখা অনেক জায়গায় দিয়েছি, তবে মুল লেখকের নামে আপনার নাম দিয়েছি! বই প্রচার আর কি!
খুব ভালো লাগলো।
পলাশের বাবাকে দিয়ে মোড়ক উন্মোচন, একটা দারুন কাজ হয়েছে।
খুব ভালো লাগছে।
আপনাদের সবার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা!
লেখকের মন্তব্য
হা বোন, ব্যাপারটা নিয়ে এখন আমরা রীতিমত গর্ব করছি। ভাল হয়েছে। এটাই মিষ্টি স্মৃতি।
শুভেচ্ছা আপনাকেও।
অনেক অনেক অভিনন্দন আর শুভেচ্ছা রইল সরলরেখা বক্ররেখার জন্য।
বইমেলায় গিয়েছিলাম। ঘুরে ঘুরে স্টল দেখতে দেখতে সাথের মানুষটাকে বললাম অন্যপ্রকাশ থেকে এবার বারোজন ব্লগারের লেখা একটা উপন্যাস বের হচ্ছে। ঠিক তক্ষুণি কানে এল সেই বারোজনের নাম। ছুটে গেলাম বটতলায়। কিন্তু ক্যামেরাম্যানদের ভিড়ে কিছুই দেখা যায় না। স্টেজে উঠে গেলাম, যাহ, ততক্ষণে মোড়ক উন্মোচন শেষ। আকাশগঙ্গা গভীর মনোযোগে বইয়ে অটোগ্রাফ দিচ্ছে। নাজমুল ভাই ব্যস্ত হয়ে ছুটাছুটি করছেন। উদরাজী ভাই মোড়ক উন্মোচনের পরেও কিভাবে যেন চকচকে মোড়কসহ একটা বই বগলে করে ভিড় থেকে বের হয়ে এলেন। আমার সাথে চোখাচোখি হলেও তিনি তার মোবাইল বের করে কাকে যেন ফোন করতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। আমি একটু এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখলাম পরিচিত মুখ দেখা যায় কি না। চটপটি ডাক্তারের মুখটা একবার মনে হয় চোখে পড়ল। একুকে এইবারও ডার্লিং ছাড়াই ঘুরাঘুরি করতে দেখলাম। আফসোস।
ও হ্যাঁ, যখন বইমেলা ঘুরে দেখে বের হয়ে যাচ্ছিলাম ফুচকা খাওয়ার উদ্দেশ্যে, তখন দেখলাম আমাদের সামনেই একটা ছোটখাট দল যাচ্ছে, যেখানে চটপটির ডাক্তার অতি উৎসাহে কি যেন বলতে বলতে সবাইকে লিড করে নিয়ে যাচ্ছে। মনে হয় চটপটি খেতেই যাচ্ছিল সবাই। তবে দলটা চলে গেল টিএসসির দিকে, আর আমরা এগিয়ে গেলাম দোয়েল চত্বরের দিকে।
লেখকের মন্তব্য
গরম মশলা আপা, এটা আপনি কি করলেন? এটা ঠিক নয়!
আমাকে কি 'তামিল ছবির ভিলেন' মনে হয়েছে? দেখেছেন যখন বলে যান!
শুভেচ্ছা আপনাকে।
হা হা হা। কাজটা কি খুব বেঠিক হয়েছে? এটাই তো মজার, আমি সবাইকে চিনি, আমাকে কেউ চেনে না। সামনে থেকেও অদৃশ্য মানবী। তবে ভাবছি এরপর থেকে আপনি না আবার যাকে তাকে গরম মশলা ডেকে বসেন।
আচ্ছা পরের প্রশ্নে আসি। প্রথম কথা হল তামিল ছবি আমি দেখি না, দ্বিতীয়ত, তামিল ছবির ছিটেফোটা ট্রেইলার যে দুই একটা দেখেছি তাতে তো মনে হয়েছে ঐ এলাকার সবার মুখে পেল্লায় গোঁফ থাকে। আপনার যেহেতু তা নেই, সেহেতু তামিল ছবির ভিলেন বা নায়ক কোনটাই আপনাকে বলা চলে না।
লেখকের মন্তব্য
গভীর রাতে হাসছি।।।।।।
দাচিল আপুকে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন মাইনাস! খুব খারাপ লাগছে, আমাদের এত কাছে, একদম পাশে ছিলেন, আর একটু কথাও বললেন না! ব্যাপক অভিমান করলাম!
লেখকের মন্তব্য
গরম মশলা আপা কাজটা ভাল করেন নাই! আমিও বলছি!
দারুচিনিকে মাইনাস, লবঙ্গকেও মাইনাস।
খুব কষ্ট পেলাম, খুব।।
সরলরেখা বক্ররেখা অন্যপ্রকাশের সব চাইতে উপরের তাকে রাখা। সামনে এককপিও নেই। আজ সকালের চিত্র।
অনেক দেরীতে পড়লাম সাহাদাত ভাই! আসলে, ঢাকা থেকে ফিরেই ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। এখনও তাড়াহুড়োর মধ্যেই আছি। আপনার পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ। সুন্দর স্মৃতিগুলো জমা থাকলো এখানে। মাঝে মঝেই উলটে পালটে দেখা যাবে এই পোস্ট - আমাদের অভিযানের সফল নোঙর ফেলার ছবিগুলো।
লেখকের মন্তব্য
শব্দ ভাই, আপনার কমেন্টে এই পোষ্ট আরো শক্তিশালী হল।
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।
সরলরেখা বক্ররেখা-র সাহসী বারো-কে আমার অনেক অনেক অভিনন্দন!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ ব্রাদার।
এটা না পড়ে মরে যাওয়াটা ঠিক হবে না আমার
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ মজনু শাহ ভাই।
বইটার প্রচ্ছদ করে কিন্তু আমি টিমেরই একজন। লাল নীল রঙে আমার নামটা নাই কেন উদরাজী ভাই?
লেখকের মন্তব্য
ইয়েস বোন, আপনি সঠিক আছেন। আপনি আমাদের দলেই একজন। আপনি না থাকলে এত সুন্দর প্রচ্ছদ হত না। আপনাকে ধন্যবাদ। কিন্তু কথা হচ্ছে আপনারা সবাই যদি এত লুকিয়ে থাকেন তবে কি করে হবে? চোখের সামনে কেউ আসতে চান না ফলে অনেক সময় পরিচিত নাম গুলোই অপরিচিত হয়ে উঠে।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন। আপনাকে সেদিন আমরা আশা করছিলাম। আগামীতে আপনাকে আরো বইয়ের প্রচ্ছদ করতে হবে সুতারাং এগিয়ে আসবেন বলে আশা করি।
শুভেচ্ছা থাকল। আগামীতে আর ভুল হবে না! হাসুন প্লিজ।।।।
দেশে ছিলাম না যে। আমি তখন কলকাতা বুক ফেয়ারে গেছি আমার বই নিয়ে। থাকলে নিশ্চয়ই আসতাম।
অভিনন্দন। প্রিয়তে নিলাম। দেশে বলে রেখেছি, কিনে পাথাবে বলেছে। অপেক্ষা আর শেষ হচ্ছে না।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ বোন।
অভিনন্দন সবাইকে। ছবি গুলো দারুণ হয়েছে।
আচ্ছা এটা কোন স্টলে পাওয়া যাবে?
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ পানকৌড়ি ভাই, অন্যপ্রকাশ স্টলে।

সরলরেখা বক্ররেখা-র সবাইকে আমার অনেক অনেক অভিনন্দন!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ জাভেদ ভাই। কেমন আছেন? অনেক দিন পর আপনার কমেন্ট পেলাম।
বইমেলায় কোন বইপত্র বের হচ্ছে না! কবিতার বই বের করতে পারেন।
আপনার তো অনেক লেখা আছে।
মন্তব্য করুন