সুরঞ্জনা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

সময় টিভিতে আমাদের পরিবারের তিন সদস্যের সাক্ষাতকার দেখাবে এ খবটা জানার পর থেকেই উৎসুখ হয়ে ছিলাম দেখার জন্য। আমি টিভি দেখিনা। কিন্তু আমার ভাই বেরাদরদের না দেখে থাকি কি করে? মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটায় টিভির সামনে বসে থেকে হতাশ হয়ে যখন মেয়ের কাছে হতাশা ব্যাক্ত করলাম, খেলাম ঝাড়ি!
বুধবারের অনুষ্ঠান আপনি মঙ্গলবারে কি করে দেখবেন?
ঝাড়ি খেয়েও মনটা খুশীতে ফুরফুরা হয়ে উঠলো। যাক বাবা! মিস হয়নি তাহলে।
গতরাতে মেহমান বিদায় করে হুড়মুড় করে টিভি চ্যানেল পাল্টাতে গিয়ে ঘড়ির কাটা পোনে নয়টা। সাক্ষাতকার পর্ব শেষ!
আজ ঠিক দুপুর বারোটা থেকেই সময় টিভি চ্যানেলের সামনে গ্যাট হয়ে বসে থাকলাম। অবশেষে দেখা পেলাম ত্রিরত্নের। প্রথমেই আমার রান্নাতো ভাই সাহাদত উদরাজী ভাই চটপট, সপ্রতিভ ভাবে বারোয়াড়ী উপন্যাস সরলরেখা বক্ররেখা নিয়ে তার বক্তব্য পেশ করলেন। সরলরেখা বক্ররেখার সুচনা যার হাত দিয়ে আমাদের সেই অতি প্রিয় নাজমুল হুদা ভাইকেও স্মরন করলেন। আমি তো টাস্কিত!
আমি হলে তো টিভি ক্যামেরার সামনে ভ্যাবলা হয়ে যেতাম। বোঝা গেলো টিভি ক্যামেরার সঙ্গে উনার পুরোনো সখ্যতা আছে।
এর পরে আমাদের পুচকা আকাশগঙ্গা পলাশ। সে তার স্বভাব অনুযায়ী হড়বড় করে বক্তব্য রাখলো। কিন্তু আমাদের ডাকু হিরু রিয়াজ থুক্কু! নিয়াজের বক্তব্য না দেখিয়েই অন্য দিকে ক্যামেরা চলে গেলো। মনে মনে ক্যামেরাম্যানকে বলছি
নাহ! এর পরে আমাদের নায়ক রাজ নিয়াজএর বক্তব্য পেশ করা হলো। তবে এটা সরলরেখা বক্ররেখা নিয়ে নয়। নতুন লেখকদের বই প্রকাশের বিড়ম্বনা নিয়ে উনি বক্তব্য রাখলেন।
আমাদের ত্রিরত্ন বার বারই ব্লগ কথাটি উচ্চারন করেছেন কিন্তু চতুরমাত্রিক ব্লগ কথাটি কেনো বল্লেন না তা বুঝলাম না। আমাদের চতুরের কথা বার বার শুনতে চেয়েছিলাম! যাক! হয়তো নার্ভাস হয়েই এমনটি হয়েছে।
জয়তু চতুর পরিবার! 
মন্তব্য
বুবু, আমি ভাবছিলাম, তুমি ছবি দিবা।মানে ডিভ্যুটাই ছাপাই দিবা।।।
আমি একটু ডাক্তার হিরু আর আমার প্রাণপ্রিয় রান্নাতো ভাই উদরাজী ভাইকে দেখব।।। সে কি আর হইবেক
ডাক্তার ভাই বিড়ম্বনার কথা বলল কেনু??

ভক্তের ভিড়ে কি আটকা পড়েছিলেন???
আাকাশ গঙ্গা ছোটু ভাই কি হড়বড় ক রে কি বুলেছিলেন জানতে মুঞ্চায়
লেখকের মন্তব্য
ভিড্যু দিমু আমি?
হায় আল্লাহ! কয় কি?! এতো দিনে আমারে চিনছো? আমি যে কি চিজ! 
সময় টিভি চ্যানেল খুঁজতে খুঁজতেই ১০ মিনিট খায়ালাইছি! ভিড্যু ক্যাম্নে করে তাই ছাই জানি?
তয় ভিড্যু না আইয়া কি পারে? আইলে দেখবা রান্নাতো ভাই কি সুকৌশলে সরলরেখা বক্ররেখা দিয়ে উনার নোয়াপাতি ভুড়িকে আড়াল করেছেন।

ডাক্তাররে মনে হয় নায়ক রিয়াজ মনে কইরা সবতে আটকাইয়া রাখছিলো মনে লয়!
কত কথা, আমি আর সামনে আসছি না! মাথার চুল, চোহারা এবং ভূড়ি নিয়া অনেক বিপদে আছি!
এবার মনে হচ্ছে শাপলা আর চিংড়ি'র রেসিপিটা দিয়ে দিতেই হবে!
লেখকের মন্তব্য
জলদি জলদি দ্যান তো ভাই!
শাপলা আমারে কয়, শাপলা চিংড়ি বলে কোন রেসিপি নাই। আমি বলে মিছা কইছি!
আমি দেখিনাই!! কোনভাবে দেখা যাবে কি আপা? য়্যুটিউবে আপ্লোডাইবেনা?
লেখকের মন্তব্য
ঐ ত্রিরত্ন গেলো কই? হেগোরে জিগাও!
আমি নিজেই মিস করে ফেলেছি! (কমেন্ট নীচে আছে)
লেখকের মন্তব্য
ত্রিরত্ন কই গেলা? উত্তর দিয়া যাও!
আমি গতকাল আর আজ, দুইবার-ই দেখেছি, বড়াপু। বহুদিন পর টিভি দেখলাম। তাও আবার আমাদেরকে ঘিরেই নির্মিত অনুষ্ঠান।


সরলরেখা বক্ররেখার উপস্থাপনাটা দারুণ দারুণ দারুণ লেগেছে আমার কাছে।
এ বছরের সবচেয়ে আলোচিত বই, বারোজন ব্লগারের একটি উপন্যাস, বলার পরে বইয়ের প্রচ্ছদটা যেভাবে উড়ে এলো পার্শ্ব থেকে পর্দার মাঝখানে এবং উপস্থাপিত হলো, এক কথায় মুগ্ধ আমি।
নিয়াজ ভাইয়ের অংশ আসার আগেই যখন ক্যামেরা সরে গেল, নিয়াজ ভাইয়ের সাথে পরিচিত আমার দুই বন্ধুও তখন মন খারাপ করেছিল একটু একটু। আমি তখন বললাম, অপেক্ষা কর, বিষয়ারীভাবে উপস্থাপিত হবে মনে হয় পরে। এবং তাই হলো।
আরেক্কান কথা, আমাদের উদরাজী ভাইকে কিন্তু তামিল ছবির ভিলেন ভিলেন নয়, নায়ক নায়কই লাগছিলো টিভি পর্দাতে।
লেখকের মন্তব্য
আরে আমাদের রান্নাতো ভাই তো ফাটাফাটি!!!
না আমার সাহিত্যিক হবার কাজ নেই! আর টিভির সামনে যামু না!
রেসিপি নিয়েই ভাল আছি (চোহারা দেখাতে হয় না!)
মানিক ভাই, ব্যাপারটা মানতে পারলাম না! হা হা হা।।।।
মুখের একহাত সামনে ক্যামেরা ধরলে কথা বলা মুশকিল!
(আমার মিস হয়ে গেছে)
সুর' আপা আর উদরাজী ভাই আপনারা দু'জনে মিলে টিসিএলে রান্নার অনুষ্ঠান করতে পারেন। সেইখানে আমাকে খুন্তি/হাতা জোগানোর পার্ট দিয়েন!
টিসিএলে মাত্র! হা হা হা।।।।
তবে এটা নিশ্চিত আমাদের অনুষ্ঠান জমবে! আরে আপনাকে পাট না, কিছু রান্না করে দেখিয়ে দিতেও বলা হবে! রেডি থাকেন।।।
ইউটিউবে কেউ যদি না আপলোডান তাইলে কেমনে কি! পিলিজ লাগে!
ভিড্যু দেন
ভিড্যু দেন
ভিড্যু দেন 
লেখকের মন্তব্য
আম্মো কই পিলিজ লাগে!
ভিড্যু দেন
ভিড্যু দেন
ভিড্যু দেন 
আশাকরি ইউটিবের লিংক পাওয়া যাবে।
লেখকের মন্তব্য
আশায় বাধি ঘর!
লেখকের মন্তব্য
ভিডিও র লিঙ্ক চাই
লেখকের মন্তব্য
ভিডিও র লিঙ্ক চাই
এই ভিডু দেখতাম ছাইইইইইইইই! নাইলে ক্ষমা নাই!
১০০০ ভাগ সহমত
লেখকের মন্তব্য
ত্রিরত্ন কই গেলা?
প্রান বাঁচাতে ভিড্যু দাও এল্যা!!!
আহা! কি মধুর কবিতা!
নিয়াজ ভাই পিকনিকের কাজে ব্যস্ত। তিনি দেখেছেন কিনা বুঝতে পারছি না।
শনিবার যাচ্ছি। এত তাড়াতাড়ি ভিড্যু লিংক মনে হয় না পাওয়া যাবে। মিস হয়ে গেল।
লেখকের মন্তব্য
আমারও মিস হয়ে গেছে
কিন্তু বারো জন বিখ্যাত লেখকদের মধ্যে মাত্র তিনজন কেন?

সবাইকে কাটগড়ায় দাঁড় করানো হোক
সবার জন্য শুভকামনা।
লেখকের মন্তব্য
কাটগড়ায় দাড় করিয়ে কটকটি খাইতে দেওয়া হউক!!!
আমরা আবার সবার সাক্ষাৎকার নিব
কই? কই?? কই কটকটি???
খাইবার চাইইইইই...
এই যে একজনরে পাইছি। কাটগড়ায় থুক্কু সাক্ষাৎকার দেবার জন্য প্রস্তুত হোন
কটকটি বুঝায়া দেন আগে।
ঐটা বুঝানো আমার ডিপার্টমেন্ট এ পড়ে না। আমি শুধু প্রশ্ন করব আপনাদের
কইলেই হইলো! সু-পু কটকটি দিতে বলেছে।
আপনার জন্য প্রথম প্রশ্ন:
বলেন তো আপনাকে প্রথম কোন প্রশ্নটি করা যায়!
তেলাপোকার কয়টা পা, এইটা নাকী?
লেখকের মন্তব্য
এই নাও কটকটি। কটকটি খাইয়া আদালতের রায়ের অপেক্ষা করো।
সাক্ষাতকার অনুষ্ঠানে থাকো নাই কেনো?
থেংকু, বড়াপু।
আমি তো গর্তজীবি। ক্যাম্নে যাই ক্যামেরার সম্মুখে! প্রকাশনা উত্সবেও তো আমার ছবি নাই কোনো! দাঁড়িয়ে ছিলাম নিচের ধাপে। যখন নাম এ্যালাউন্স করলো, মঞ্চে ছিলাম না তখনও আমি। আর ফাঁক দিয়া ঘুরতেয়াছিলাম সারাক্ষণ শুধু। আমি সবাইকে দেখতেয়াছিলাম, আমারে কেউ দেখতে পাচ্ছিলো না। খুঁজতেও ছিলো বার বার। মজা পাইতেয়াছিলাম। শেষ সময়ে উদরাজী ভাইয়ের চোখে পড়ায় টেনে তুলছে মঞ্চে। দুয়েকটা ছবিতে যা উপস্থিতি আছে, আমার অগোচরে তোলা সেসব!
তাছাড়া, খবরটাও অনেক পরে পাই আমি।
ঠিকাছে, পরেরবার না হয় আমিই দেবো স্বাক্ষাত্কার।
আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে!

--------------
(কানে কানে একটা কথা বলি সুরঞ্জনা'পা, আপনি যে কি সুগভীর মমতায় চতুর পরিবারের সবাইকে জড়িয়ে রেখেছেন, চতুরের জন্য আপনার ভালবাসাটুকু আমার কাছে অপার্থিব মনে হয়। সপ্ত নক্ষত্র দিয়ে তার মূল্যায়ন করতে যাওয়া ধৃষ্টতা বৈ নয়!)
লেখকের মন্তব্য
আরে! কি যে বলো অমিতা!
ভালোবাসবার মতো মানুষদের ভালো না বেসে কি পারা যায়?
চুপচাপ পড়ে গেলাম।
বোন নাঈফা, আপার কারনে আমি টিকে গেছি বলে আমি মনে করি। ব্লগে কোন ছেলে রেসিপি দিয়ে টিকে থাকতে আমি দেখি নাই। আমার অভিজ্ঞতায় কিছু কাঁটাও আছে! কিন্তু আপার ভুমিকার কারনে আমি সেইফ, তিনি যখন আমাকে রান্নাতো ভাই বলেন তখন আমার গর্ব লাগে, আমি আরো এগিয়ে যাই!
(আপনিও কম নন। সুন্দর এই দুনিয়ার আপনিও সুন্দর মানুষ।)
দুইজনকেই শুভেচ্ছা।
দেখবো বলে বুধবার রাত পৌনে আটটা থেকেই টিভির সামনে বসে ছিলাম। উদরাজী ভাই খুব সুন্দর করে গুছিয়ে বলেছেন। আকাশগঙ্গা কোথায় কোথায় গতি থেমে গিয়েছিল, আবার কিভাবে শুরু হল- তার বর্ণনা করেছেন। সরল-বক্রের ভূমিকাটি ভাষ্যকার অত্যন্ত চমৎকারভাবে বলেছেন। নিয়াজ ভাইকে দেখতে না পেয়ে একটু হতাশ লেগেছে।
-অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ আপা আমাদের সার্বক্ষণিক সঙ্গ দেয়ার জন্য।
লেখকের মন্তব্য
ঠিক বলেছ অপা। ভাষ্যকার খুব সুন্দর করে ভূমিকাটি বলেছেন।
পরিবারের বয়োজ্যাষ্ঠ সদস্য হিসেবে এটা তো আমার কর্তব্য।
আরো বেশী কিছু করার ইচ্ছে থাকলেই অনুকুল পরিবেশের কারনে পারছি কই?
বইমেলায় ইচ্ছে থাকা সত্বেও যেতে পারছিনা।
আপা, আপনি আমাদের যে মমতায় বেঁধে রেখেছেন সে ঋণ শোধের ক্ষমতা কারুরই নেই।
ঘর গোছানো ক'দিন পর করলেও হবে। আমিও এখন হাল ছেড়ে দিয়েছি। যখন ইচ্ছে হবে তখন বস্তা খুলবো! থাক না এলোমেলো, আমি নিজেও তো আউলাঝাউলা।
- জলদি চলে আসেন। বই মেলায় আপনার সাথে দেখা হবে। সরল-বক্রের কয়েক কপি আপনাকে উপহার দেব।
লেখকের মন্তব্য
ঘর গোছানোর খ্যাতা পুড়ি! শুধু কুম্ভকর্ণের ঘর পরিপাটি হলেই হলো।
আসল সমস্যা কাজের লোকের। নতুন যায়গায় নতুন ছুটা বুয়াকে রেখে আসি কি করে?
এদিকে আবার ২৭ তারিখ অষ্ট্রেলিয়া থেকে আমার ব্লগাতো বোন দিশা আসবে আমার এখানে বেড়াতে। সাথে অদিতি, শ্রাবণ সন্ধ্যারও আসার কথা।
তবে ছোট বোন ইতি ইতিমধ্যেই সরলরেখা বক্ররেখা কিনেছে। ওকে বলেছি সংকলনও যেন বেশী করে কিনে। আমাদের চতুরের ইজ্জাত কা সাওয়াল হ্যায়! সে বলেছে, " জো হুকুম!
আমিও ২৭ তারিখে সিলেট যাবো কিনা ভাবছি!
লেখকের মন্তব্য
চলে এসো অপা। এখানে একটি দারুন ব্লগাড্ডা হয়ে যাবে!
আহ রে।।।।। খালি আড্ডা!
আপা, আগামী কাল বিকাল থেকে বইমেলায় থাকব।
হামা ভাই, শিপন ভাইয়ের বইয়ের মোড়ক দেখব। আড্ডা জমবে বলে মনে হচ্ছে।
লেখকের মন্তব্য
হয়তো ভিডিও এসে যাবে।
ধন্যবাদ আপনার মেসেজের জন্য। আপনাকে দিয়ে টিভিতে কথা বলানো দরকার ছিল! হা হা হা।।।
আমাকে বলেছেন উদরাজী ভাই? তাইলে গর্তে লুকাবে কে? মিডিয়া বহুত খতরনাক। আমি তার আশেপাশে নাই!
এই না হলে ভাই-বোন!
-আমি ক্যামেরার সামনে গেলে আফগানিস্তানি বোরখা পড়েই যেতাম!
প্রকাশনা উত্সবেও আমি সুচাতারুভাবে ক্যামেরার লেন্স ফাঁকি দিচ্ছিলাম, অপাপু। টিভি রিপোর্টার মাইক্রোফোন ধরসিলো মুখের সম্মুখে আমার প্রতিক্রিয়া জানতে, হাত ঝাঁপ্টা দিয়ে সরিয়ে দিসি আমি।

নিয়াজ ভাই বলে দেখেন, 'লজ্জা তো নারীর ভূষণ, ক্যামেরা দেখে তুমি লজ্জা পাও কেনো?'
ক্যাম্নে বোঝাই কারণটা তখন! তাইতো বললাম, 'লজ্জার কিছু নয়, আত্মমগ্ন ক্ষ্যাপাট; নিমগ্ন গর্তজীবি হবার অনেক হ্যাঁপা। পূর্বশর্তও অনেক তার!'
আমাকেও ভুল বুঝেছিলেন উনি! আমি নানা উছিলায় এতদিন এই যজ্ঞে সবার সামনে উপস্থিত হওয়াটা ঠেকানোর চেষ্টা করেছি। আর টিভিতে মুখ দেখানো? আমার পক্ষে একেবারেই সম্ভব নয়! ওনাকে সমুদ্র সৈকতের লাল কাঁকড়াদের দেখিয়ে আনতে হবে একবার! প্রতিকূল পরিবেশে ওরা যেমন দৌড়ে গর্তে লুকায়, আমার অবস্থাও তাই!
একদম মনের কথা!
আপনাদের দিয়ে হবে! একটাই 'পালিয়ে থাকা!'
মিস হয়ে গেল!...
নিয়াজ ভাইয়ের পোষ্টে করা মন্তব্য এখানে তুলে দিলাম!
পোষ্ট দিয়ে লজ্জিত করে ফেললেন যার কারনে আমি এই পোষ্ট প্রিয়তে নিয়ে নিলাম এবং একটা প্রিন্ট করে বাসায় নিয়ে গেলাম। এবার যদি আমার ব্যাটারী/বুলেট পড়ে!
*******************************************************
দুটো রেসিপি আমার নিজপাতায় আছে, দেখে যাবার আমন্ত্রন জানিয়ে গেলাম। ভুনাতে আপনার ফর্মুলা মনে ছিল, তবে পুরা খেয়াল রাখতে পারছি কিনা জানি না! এক বেগুনে দুই রান্না!
রেসিপিঃ বেগুন ভুনা (ডিম আছে মামা)
রেসিপিঃ বেগুন ভর্তা (অসাধারন একটা আইটেম কিন্তু সহজ)
উপরে আমার মন্তব্য দ্রষ্টব্য, উদরাজী ভাই। ওইখানে আপনার প্রশংসা করা হয়েছে। ওইটা ভাবীরে দেখাইলে আফসোস খাইবো, মিস করেছে বলে।
আরে না!
'ইষ্ট এন্ড ওয়েষ্ট, হিন্দী ইস বেষ্ট!' এটা ভাল শোনায়।
আমি তো ভেবেছিলাম আপনি আজকে দেখতে পারবেন! আহহারে! খুউউব মন খারাপ হল, উদরাজী ভাই। সময় চ্যানেল বাসায় ক্লিয়ার আসছিল না। ভাবছিলাম রেকর্ডিং করে রাখবো, যে কারণে তাও হল না।
আপা, আপনার মেসেজ পেয়ে দুনিয়াতে ফিরে আসছিলাম। আমরা মাঝে মাঝেই অনেক কটু ব্যবহারে পড়ে যাই, এমন কটু কথাই ওই লোকটা আমাকে শুনাচ্ছিলেন। অথচ আমাদের দোষ ছিল না।
শুভেচ্ছা।
ইসরে! হুদা ভাইকে প্রোগ্রাম শুরুর আগে ফোন করেছিলাম। এখন মনে হচ্ছে ওটা আপনাকেই করা উচিত ছিল! তাহলে ঐ দুষ্টু লোকটার হাত থেকে আপনি বাঁচতেন আর প্রোগ্রামো মিস হত না!
লেখকের মন্তব্য
ইসরে! লজ্জা কি ভাবে দিলাম ভাই? বড় বোনের প্রতিক্রিয়া জানালাম শুধু!
তবে ত্রিরত্নকে বকাও দিতে ইচ্ছে করছিলো " চতুর ও অনুপস্থিত অন্য লেখকদের নাম না নেয়ার জন্য!" এটুকু বকা দেয়ার দাবী আমার আছে বলেই মনে করি।
হ, বড়াপু। ব্যাপক মাইনাচ। এত্তো খুশি ছিলো, এত্তো খুশি ছিলো যে আমাদের নামটাও একবারও কারও মনে পড়ে নাই!
আরে না রে মানিক ভাই! মুখের একহাত সামনে ক্যামেরা ধরলে নিজের নামও মনে থাকার কথা নয়! ওদের কি ঝুম লেন্স ছিল না!
তুমি তো এমনিতেও ...

~স্বপ্নজয়~ ভাই, মুখের একহাত সামনে ক্যামেরা ধরে এটা আমার প্রথম অভিজ্ঞতা! ক্যামেরা দেখেও স্বাভাবিক থাকা কঠিন বটে!
লেখকের মন্তব্য
দেখলেন রান্নাতো ভাই? এই শয়তান বান্দরটা সেই অষ্ট্রেলিয়া থেকে মেসেজ দিয়েও আমায় জ্বালায়!
ওরে বুইড়া টম!
বরাবরের মতো মিস করলাম, গ্রেট মিস।

বন্ধু উদরাজী,
তুমি ইচ্ছে করলে এক 'গুলিতে দুই পাখি' মারতে পার।
সময় টিভির রিপোর্টার ভাই জানকে 'ম্যানেজ করে
আগে ভিড্যুটা্ হাসিল কর। তারপর ওইটা ইউটিউবে আপলোড করে চতুরে লিন্কু দাও।
এতে একদিক যেমন আমরা চতুর বাসীগণ টিভির পর্দায় তোমাদের কারিশমা যৌথ কারিশমা দেখে ধন্য হবো;
অন্যদিকে ব্যাটারি ভাবীর কাছেও তোমার মর্যাদা আরো আকাশচুম্বী হবে বলে বিশ্বাস ।
ঈশান, এত সময় 'সময় টিভি'র থাকতে পারে! আমাদের মত মানুষের কই!
তোমার বুদ্দির তারিফ করে গেলাম। আকাশচুম্বী শব্দটা বেশ লাগল! অনেকদিন পরে শুনলাম!
লেখকের মন্তব্য
ঈশানের মন্তব্যের সাথে একমত!
ভুটাপ!
কথা বলার টাইম নাই। তবু বলি-
চতুর্মাত্রিকের নাম না বলার জন্য তিন জনকেই মাইনাস।
তিনজনে বারোজনের দায়িত্ব পালন করায় বিরাট একটা পিলাচ।
আমাকে স্মরণ করায় সাহাদাত উদরাজীসহ তিনজনকেই ডবল পিলাচ (নিজের নামটা শুনে খুব খুশি লেগেছে আমার)।
পোস্ট দেবার জন্য সুরঞ্জনাকে সাততারা (পোস্টেই দিলাম)।
সব্বাইকে শুভেচ্ছা।
বিরাট ব্লগ লিখছেন মনে হয় হুদা ভাই! টাইম নাই কেন?
আমারতো মনে হয় আমি 'চতুরমার্ত্রিকের ব্লগের আমরা ১২ জন ব্লগার' বলে শুরু করেছিলাম।।।।। ব্যাপারটা বুঝতে পারছি না।
মাইনাস, প্লাস, প্লাস মাইনাস! কিছুই বুঝতে পারছি না!
(হাটে হাড়ি ভাঙ্গিয়া দিমু নি! ফোনে কি কইছেন কইয়্যা দিমু!)
লেখকের মন্তব্য
হুম, ১২জন ব্লগার বলে শুরু করেছেন তা মনে আছে। কিন্তু চতুরের নাম নিতে ভুলে গেছেন।
আর আমাদের পুচকা যখন বলা শুরু করলো তখনও দেখলাম সেও ভুলে গিয়েছে।
জলদি হাড়ি ভাঙ্গেন। লাঠি এনে দিবো নাকি?
আপা লাঠি ধারে কাছে রাখেন, লাগবে আওয়াজ দিমুনে! হাড়ি ভাঙ্গন লাগতে নাও পারে!
আপাতত বড় ভাইয়ের মতি গতি দেখি!
হ, কইতেয়াছিলেন, সপ্তম পর্বের পর খানিকটা থমকে যায় উপন্যাস। অষ্টম পর্ব শেষ হিসাবেই দেয়া হইছিলো। পরে কয়েকজন ব্লগার এগিয়ে আসে, অভিমানের সুর টের পেয়ে।
সেই কয়েকজন ব্লগারটা কে কে? সুযোগও আসছিলো নামগুলো বলার। বেমুলাম গায়েব। আমার মতো শর্ট টার্ম মেমরী লস! খ্যাক খ্যাক...
লেখকের মন্তব্য
ঠিক বলেছ মানিক। ঠিক এই জায়গাতেই আমি নামগুলো আশা করেছিলাম।
হয়তো সময়-সল্পতার জন্য নাম নেয়া হয়নি। পরের বার আর এই ভুল হবেনা।
আমি দেখতারিনাই ই ই ই ------
কেউ কি ইউট্যুবে দিবো?
শাওন ভাই, টিভি রিপোটার ভাইজানরা এখানে একটা ভাল ব্যবসা করে! হা হা হা।।। টাকা দিলে প্রোগ্রাম দিয়ে দেয়!
হ, আম্মো দেক্সি, রেড্যুতে
আম্গো দেশের রেড্যুতে মনিটর নাইক্কা!
ভিড্যু চাইইইইইইইইইইইইই!
একটু দেরীতেই চোখে পড়লো পোষ্টটা। আজ সারাদিন অপারেশন থিয়েটারে ছিলাম। একটু আগে রুমে এসেছি।
অনষ্ঠানটা সম্পর্কে বলি।
প্রথমেই আমাদেরকে বলা হয়েছে, তিনজনকে তিনটি প্রশ্ন করা হবে।
১। কিভাবে সরলরেখা - বক্ররেখা শুরু হলো?
২। সরলরেখা - বক্ররেখার বিষয়বস্তু কি?
৩। নতুন লেখক হিসেবে বই ছাপাতে কি কি সমস্যা হয় এবং উত্তরনের উপায় কি?
প্রথমটা উদরাজী ভাইয়া, দ্বিতীয়টা পলাশ আর তৃতীয় প্রশ্নের উত্তরটা আমি দেই।
আমার যতদূর মনে পড়ে, উদরাজী ভাই এবং আমি দুইজনেই, চতুর্মাত্রিক ব্লগের নাম, বারোজন ্লগারের কথা, পাঠকদের কথা, সবকিছুই বলেছি। ব্যাপারটা হলো অনেক কিছুই কেটে দেওয়া হয়েছে বা এডিট করা হয়েছে। এমনকি আমার কথা বাকী দুইজনের সাথে না দেখিয়ে বিষয়ারীভাবে দেখিয়েছে। ব্যাপারটা আমার কাছে ভালো লাগেনি। তবে ভূমিকাটি খুব সুন্দরভাবে বলায় মাফ করে দিয়েছি। আরেকটি কথা, যারা বইটি কিনেছে, তারা দেখেছেন- বইয়ের ভূমিকায় এবং মলাটের আড়ালে--দুই জায়গাতেই চতুর্মাত্রিক নামটা দেওয়া আছে। তাই আমি খুব আশা করেছিলাম,সবাই আমাদের উপর আস্থা রাখবেন! তাই এখন মাইনাসগুলি প্লাস আশা করছি!!!
ভিডিওটি আমি ঢাকায় এসে কালেকশন করে ইউটিউবে দিয়ে লিঙ্ক দিয়ে দিবো।
সুরঞ্জনা আপুকে অসংখ্য ধন্যবাদ এই পোষ্টটি দেওয়াতে।
আমি হাসপাতালের কিছু কাজে চরম ব্যস্ততার মধ্যে আছি। ঠিকমতো সময় না দিতে পারার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
আহা, লোকজন মাইনাস দেয়ার তেমন একটা চান্স পায়না, দিলৈ নাহয় কিছু!
আর নাম সবার মনে আছে, থাকবে, এইটা সবাই জানে, এইটা হৈলো ঘরের লোকের সাথে "তুই আমারে বড়টা দিলিনা" টাইপ খুনসুটি!
শাওন ভাইয়া, না না কিছু না কিছু না! আমি শুধু বলতে চেয়েছি, আমরা অবশ্যই চতুরের নাম বলবো, এই বিশ্বাসটা রাখা উচিৎ।
বইমেলায় আসছেন কবে?
সবাই বিশ্বাস রাখছেই, তারপরও ওরাম কৈরা কৈছে, কোনো সমস্যা? নাই!!
হুম, কালকা যামু, তনুজার বই প্রকাশ, পরশু যামু সবার যেইডা বই, সেডার মোড়ক। আসবেন কবে আপনে?
হা হা হা, আপনার সাথে কথায় পারা যাবে না!!
শুক্রবার এবং শনিবার মেলায় থাকবো।
হ, কথায় পার্বেন্না, নিওরি সার্জারীতেও নাও পার্তে পারেন!!
কাল পরশু ২ দিন অন্তত দেখা হবে তাইলে মেলায়।
লেখকের মন্তব্য
বিলাইরে ভুটাপ।
এক্কেরে খাডি কথা!
ঘরের মানুষ কথা না কইলে কইবো ক্যাডা?
লেখকের মন্তব্য
ডাকু, তোমাদের উপর আস্থা নেই এমন কথা এ পরিবারের কেউই বলতে পারবেনা।
এডিটের খপ্পরে পড়েই চতুর ও অন্য ব্লগারদের নাম বাদ পড়েছে নিশ্চয়!
ঠিক বলেছ, চমতকার ভাবে ভাষ্যকার ভূমিকা উপস্থাপন করেছেন বলে তাদের মাফ করে দেয়া যায়।
আমি সিলেটে থেকেই সরলরেখা বক্ররেখা সহ চতুর পরিবারের বইগুলো বেশী বেশী করে কিনাচ্ছি। বোনের কান ঝালাপালা করছি।
আগে দায়িত্ব পরে ব্লগিং!
শুভ কামনা!
আপু, কেমন আছেন? আপনি মেলায় আসবেন কবে? আপনাকে মেলায় দেখতে চাই।
এই সব কিছুই তো কপালে নাই আমার
ভিড্যুটা কেউ দয়া করে পোস্টাইলে দেখতে পাবো
এই সব কিছুই তো কপালে নাই আমার
ভিড্যুটা কেউ দয়া করে পোস্টাইলে দেখতে পাবো
এই সব কিছুই তো কপালে নাই আমার
ভিড্যুটা কেউ দয়া করে পোস্টাইলে দেখতে পাবো
লেখকের মন্তব্য
দেখা যাক কার দয়ার শরীর!
আহা রে!
আপনি সামুতে আছেন না???
ভুটাপ সাহাদাত ভাই।
মন্তব্য করুন