সুরঞ্জনা-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

সেই ছেলেমেয়েরা ছোট থাকতে ডিসেম্বর মাসে ঢাকা আসা হতো। সাভারে বাবার বাড়ীটি আমাদের তিন ভাই-বোন আর তাদের দস্যি ছানা-পোনাদের কলকাকলীতে মুখরিত হতো। আমাদের ভাই-বোনদের শুরু হতো আড্ডা। আর কান টানলে যেমন মাথা আসে, আড্ডা বললেই খাওয়া-দাওয়ার ছবিটি চোখে ভেসে ওঠে। আমার ভাবী আবার পিঠে-পুলি বানাতে খুব পছন্দ করতো। ( করবেই তো! আমারই তো বোন!
) ভাবী আমার পছন্দের হাতের সেমাই, ভাঁপা পিঠা, পুলি পিঠা বানাতো।
সেসব তো এখন অতীত। সেই বাপের বাড়ীও নেই, সেই দিনও নেই, সেই মানুষগুলোও এখন অনেক দূরে। তবুও আমি প্রতি বছর ফেব্রুয়ারীতে ঢাকা আসি। বই মেলায় একটা ঢু মারি। এবারের আসাটা হলো জরুরী তলবে। ২১ তারিখে ৮ ঘন্টার জার্নী করে ঢাকা এলাম। ২৪ তারিখে সামু ব্লগের শ্রাবণসন্ধ্যা, পারভীন, সামু্ চতুরের অদিতি কবির এলো আমার এখানে। সারাদিন ব্যাপি হিহি-হাহা চরম আড্ডা, খাওয়াদাওয়া হলো। পরদিন নিয়াজের ( ডাক্তারের রোজনামচার ) বাসায় যাওয়ার কথা। ওর সাথে ফোনে কথা হলো। " কখন আসি বলতো? " আপু আপনার যখন সুবিধা!" ওর উত্তরে চিন্তা করলাম, সকালে গেলেই তো দুপুরে খাবারের ঝামেলা ওর বউ লিসার উপরে পড়বে! সেটা এড়ানোর জন্যই বললাম, ঠিক আছে! আমি ঠিক বিকাল চারটের মধ্যে তোমার বাসায় পৌছে যাবো। হুদা ভাই, সাহাদত ভাইএর সাথেও কথা হলো। হুদা ভাই বললেন উনি যাচ্ছেন, সাহাদত ভাই বেচারা ইচ্ছে থাকলেও ডিউটিতে যেতে হচ্ছে। অপা বেচারী নিজ বাসায় মেহমান নিয়ে তখন হিমসিম।
যাক! ঠিক সাড়ে তিনটায় বাসা থেকে বের হলাম। ড্রাইভার থাকলেও আমাদের কেষ্টাকে সঙ্গে নিলাম। নাহলে আব্বা দুঃচিন্তা করে প্রেশার বাড়াবেন। বাসা খুঁজতে বেগ পেতে হয়নি। লিফটেই ডাক্তারের সরল হাস্যউজ্জ্বল মুখ দেখতে পেলাম। চির সবুজ হুদা ভাই আমার আগেই সেখানে গিয়ে হাজির! ডাক্তারের প্রেরনাদাত্রী, জীবনসংগির সাথে পরিচয় হলো! এতো মিষ্টি একটি নরম সরম মেয়ে, ডাক্তার হিসেবে কেন যেন মনেই হয়না। আড্ডা জমতে অবশ্যই দেরী হয়না। এর মাঝে গায়ে মাথায় এক গাদা কাপড় জড়িয়ে আকাশগঙ্গা হাজির। বেচারার জ্বর! আমি তো আবার টাসকি খেলাম। এও তো পুঁচকে একটা ছেলে। এমন ভারী ভারী পোস্ট, বিশেষ করে এমন নিপুন খুনী হয় কি করে ভেবে পেলাম না! 
নাস্তার টেবিল ভরা ছিলো। পেটেও তখন ছুঁচোর কেত্তন। তাই আমরা সবাই ( লিসা ছাড়া ) ঝাপিয়ে পড়লাম খাবারের উপর। গপগপ করে পাস্তা, পাকোড়া, মজাদার পুডিং সাবার করে ফেললাম!
কাচাগোল্লাটা অবশ্য ছুঁয়ে দেখা হয়নি। পেট ঠান্ডা হতেই মনে হলো আরে! খাবারের ছবি তো তোলা হলোনা! 
কি আর করা! আবার আড্ডা শুরু হলো। সাহাদত ভাই, অপার সাথে আবার ফোনে কথা হলো। জলরঙ যে হুমকি দিয়েছে সেটা তখনও আমার নজরে পড়েনি। বাসায় এসে দেখলাম। " আমি আর বাপী ভাইয়া দেশে এসে নি, তারপর আপনাদের এই আড্ডা মারা বের করবো" এ ধরনের কিছু!
সন্ধ্যা উতরে গিয়েছে। বিদায় নিতে গিয়ে তো আক্কেল গুড়ুম!
যাহ! বাব্বা! একি বলে!!! রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে তারপর ডাকুর হাত থেকে মুক্তি পাবো। এর আগ পর্যন্ত আমরা জিম্মি!
আমার তো আব্বার ভয়ে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছিলো। কয়েকবার চেষ্টা করেও আব্বাকে ফোনে পেলাম না। এদিকে রান্না ঘরে লিসা একা, সত্যি বলছি! একেবারে একা দশভুজা হয়ে রান্নাবান্না শুরু করেছে। আম সাহায্য করতে চাইলাম। মিষ্টি হেসে সে সে প্রস্তাব প্রত্যাখান করে একটি চেয়ার এগিয়ে দিলো আমার দিকে। লিসাকে দেখেই বোঝা যাচ্ছিলো শরীর বিশেষ ভালোনা। গতকালও জ্বরে ভুগেছে। কিন্তু এমন নিপুন ভাবে সে সব কাজ করে যেতে থাকলো যে আমি অবাক হয়ে গেলাম! এর মাঝে হুদা ভাই সহ ত্রিরত্ন ছাঁদ থেকে ধুঁয়া ভক্ষন করে ফিরে এলো। আবার আড্ডা!!!!!


খাওয়ার পরে ডাক্তার যেন নড়তেই পারছিলোনা!!!

খাওয়ায় ব্যাস্ত হুদা ভাই আর আকাশগঙ্গা।
আমার তাড়ার কারনেই খাবার টেবিলে তাড়াতাড়ি সবাইকে বসতে হলো। আয়োজন দেখে মনে হলো " ছেড়ে দে মা! কেঁদে বাঁচি"। পোলাও, কাবাব, চিকেন ফ্রাই, চাইনিজ ভেজিটেবল, গরুর গোস্ত আলু দিয়ে ভুনা, টমেট্যো দিয়ে চিংড়ি, জর্দা!!! উফ!!!! মনে হলো নিজের মাথার চুল ছিড়ি! 
এর মাঝে ডাকু মাঝে মাঝেই বলছিলো " লিসা আইটেম তো কম হয়ে গেলো " নরম সরম বউ পেয়ে ডাক্তার ভালোই ফায়দা লুটছে তা বেশ বুঝতে পারলাম।
যাই হোক! আবার ছবি তোলার কথা ভুলে গপাগপ শুরু হয়ে গেলো। শেষ পর্যন্ত আমি মনে করাতে লিসা কিছু ছবি তুল্লো। আর খাবার পরে হুদা ভাই অবশিষ্ট খাবারের ছবি তুল্লেন। খাবারের মাঝখানে আব্বার ফোন। আমার তো হাটু কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে গেলো। কোন মতে বললাম। " এই তো আব্বা! লিসা তো না খাইয়ে ছাড়ছেনা, আমি খেয়েই আসছি"। আকাশগঙ্গা অবাক হয়ে তাকিয়ে বল্লো, " আপু আপনি নানী হয়ে গিয়েছেন তাও আপনার আব্বার কত চিন্তা!
আমি বললাম, ভাইরে! জগতে আমি যাই হই, বাবার কাছে তো তার সন্তানই আছি। সেই ছোটোটি!!!!
টোনাটুনির ছোট্ট ছিমছাম সংসারে এত্তো এত্তো আদর আপ্যায়ন, আর এতো ভালো মানুষদের ষান্যিধ্যের রেশ গায়ে, মনে-প্রানে জড়িয়ে সবাইকে রেখে আমিই আগে বাসার উদ্যেশ্যে রওনা দিলাম। এই নেট জগতের মানুষগুলোর সাথে বাস্তবে দেখা হয়ে মনে হলো " এরা যেন আমার সেও কবেকার চেনা, কতো আপন"! এসব প্রাপ্তি জীবনের এই পড়ন্ত বিকেলে অনেক বড় প্রাপ্তি! ভালো থেকো ডাক্তার, ভালো থেকো লিসামনি, ভালো থেকো আকাশগঙ্গা, ভালো থাকুন হুদা ভাই। ভালো থাকুকন আমার না দেখা সব ভাই ও বোনেরা। একদিন হয়তো সবার সাথেই এমনি করেই দেখা হয়ে যাবে।
মন্তব্য
কী চমৎকার, প্রাণোচ্ছল আড্ডা! প্রিয় সব মুখগুলো এক হয়ে গেলে আড্ডাতো চলবেই, ননস্টপ!
নিয়াজ ভাই আর ভাবীর আন্তরিকতা, আতিথেয়তা বরাবরের মতোই মুগ্ধ করলো আমাকে।
---
সবার জন্য ভালবাসা রইলো।
লেখকের মন্তব্য
কবে হইবে তোমার সহিত আমাদেরর দেখা নয়ন,
খাইবো দাইবো মনের আনন্দে করিবো শব্দ চয়ন?
লেখকের মন্তব্য
ভাই ঈশান নিজের এই বিশাল বপুর ছবি কেম্নে দেই?
দিদি আর কেমন হবে! দিদি তো দিদি!!! মায়ের মতই!!
একদিন নিশ্চয় তোমার সাথেও দেখা হবে।
ভালো থেকো।
দেখা হবে ইনশাল্লাহ, আপা!
আড্ডা কাহানী চমৎকার হইছে। আপনার বর্ণনা এতো জীবন্ত যে, মনে হইল যেন আমিও সেখানে উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু সুরঞ্জনাদি, আপনার ছবি কই !
ভালো থাকুন। 
হবেনা, আমিও খাবো
সবাইকে একসাথে দেখে খুব ভালো লাগছে। নিয়াজ ভাই কম খাবেন, পলাশ ভাই বেশি বেশি খাবেন, আপু ১২মাস রোজা থাকবেন। হা হা হা 
লেখকের মন্তব্য
ভেংচি কাটলে কি হপে! কথাটা কইছো ভাই খাডি!!!!!
ধন্যবাদ আমীন।
ইশ !! যদি থাকতে পারতাম !!
যা হোক ভালো লাগলো ছবি আর আড্ডাবাজি।
ভালো থাকবেন।
লেখকের মন্তব্য
সত্যি! সবাই এক সাথে হলে খাওয়া দাওয়া না হলেও পেট ভরে যেতো।
তুমি দেশে এলে যদি বেঁচে থাকি তবে ইনশাল্লাহ দেখা হবে ভাই আমিন শিমুল।
তুমি এখন কই?
লেখকের মন্তব্য
কাইন্দোনা ও মনি! তুমার ঠিকাটা চুপি চুপি ফেবুতে দাও দিনি, জুদি পারি টুক কইরে চলে আসপোনে!!!!
দিলাম দি' ! রিঠা মাছের রেসেপি নিয়া আসবা কিন্তু।
লেখকের মন্তব্য
রিঠা নাহয় রেধেই নিয়ে আসবো।
কিন্তু তার আগে কথা দিতে হবে " ডাকুর মতো আটকে রেখে জিম্মি করবে না তো "?
সাক্ষী থাকুক চতুরবাসী।
রিঠা আমার ফ্রিজে আছে। রেসেপি চাই। না দি' আসছোতো আমার ইচ্ছেতে তাহলে যাওয়াটাও আমার ইচ্ছেতেই তো হওয়া উচিত। আর ডাকুর বাড়িতে তো লিসার মতো লক্ষি মেয়েটি আছে। আমার যে আছে সে ছন্নছাড়া, যাযাবর। অত কিছু হয়তো রেধে খাওয়াতে পারবো না। তবে রোজা রাখতে হবে না এটা নিশ্চিত।
লেখকের মন্তব্য
ওরে তোরা যে কেন অবুঝ হোস!!! আমার কি আর খাবার দেখে উৎফুল্ল হওয়ার বয়স আছে?
আমি তো বেঁচে থাকার জন্য খাই। নিজেকে সুস্থ্য রাখার আপ্রান চেষ্টা করি।
চৈতী আমাকে কিছু তো বলে নি। তবু ইচ্ছে করছে তার বাসার আড্ডায় থাকতে।
৩০ তারিখ সকাল ১০টায় বোটানিক্যাল গার্ডেনে চৈতীর সাথে দেখা হয়েও যেতে পারে!
লেখকের মন্তব্য
আর আমি ৩০ তারিখে সিলেটে ফিরে যাবো।
হুদা ভাই সু'দির সাথে কথা বলে আপনিও যদি চলে আসেন ধন্য হবে আমার নিবাস। কবে আসবে দি'তো এখনো কিছু জানায়নি। আমি মিরপুরে মায়ের বাসায় গেলেই ঘুরে আসি বোটানিক্যাল গার্ডেন থেকে। ২৩ আর ২৪ তারিখ দু'দিনই গিয়েছিলাম গার্ডেনে। ৩০ তারিখ আবার যাওয়া হবে কিনা জানি না।
ধন্যবাদ ভাই চৈতী।
ঠিক আছে! আমি প্রস্তুত!! সুরঞ্জনা দিনক্ষণ ঠিক করে আমাকে জানালেই আমি যথা সময়ে হাজির হয়ে যাবো।
সুরঞ্জনা স্মৃতি ঘাটাঘাটি করার কথা বলতে ভুলে গেছে!
https://picasaweb.google.com/111075677371409246470/ChoturAdda02#5690376625876756258
এত এত ভালো খাবার যার হাতে রান্না হয়েছে, তার সাথে ছবি থাকতেই হয়।
https://picasaweb.google.com/111075677371409246470/ChoturAdda02#5690382374206628274
পেজ নট ফাউন্ড।
লেখকের মন্তব্য
কুনু ছবিই দেখা যায়না!
কি লিখতে ভুলে গেলাম হুদা ভাই?
আমার তো মনে পইড়তেছেনারে ভাই!!!
আমি তো দেখতে পাই।লোকজন কেন দেখতে পায় না।
আবার চেষ্টা করুন। ট্রাই এগেইন।
"একবার না পারিলে দেখো বারবার"!
লেখকের মন্তব্য
ওহ! হ্যা, বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম,- ডাকু লিসার আকদের ছবি দেখতে গিয়ে ডাকুর দুষ্টু মার্কা মন্তব্য আর লিসার আক্ষেপ কাহিনীও জানলাম। আর অনেক ছবি দেখলাম।
খাওয়া দাওয়ার ছবি দেয়া পোষ্টে আমি কেন যে ঢুকি
লেখকের মন্তব্য
বান্দর শোন ভালো বুদ্ধি দেই। বু'রে তোর ঐখানে নিয়া যাওনের ব্যাবস্তা কর। তাপর দেখবি সব ব্লগে কেমন জ্বলা পুড়া গন্ধ বের হয়!!!

আপু, নিয়াজের মুখে সবসময় আপনাদের কথা শুনতে শুনতে কখন যে আপনারা এতো আপন হয়ে গেছেন বুঝতেই পারিনি।
আমি মোটেই সাহিত্য অনুরাগী নই। সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসেই নিয়াজ যখন ল্যাপটপ খুলে চতুর নিয়ে বসে, তখন আমি খুব বিরক্ত হই! মনে মনে আপনাদের হিংসা করি। গতকাল আপনাদের আড্ডা দেখে আমি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছি, মনে হলো নিয়াজের আশেপাশে চমৎকার কিছু ভাই-বোন আছে। রাতে নিয়াজকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তোমাদের মধ্যে বয়সের এতো ব্যবধান! অথচ আড্ডাতে কথা শুনে তা মনেই হয় নি! শুনে নিয়াজ হেসেছে, কোনো জবাব দেয়নি।
এটা আমার চতুরে প্রথম কমেন্ট, তাই এ সুযোগে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গেলাম এবং একই সাথে আমন্ত্রণ, যেকোন দিনে, যেকোন সময়ে। আপনারা সবাই খুব ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
আর আপু, হৃদয়কাড়া এই লেখাটার জন্য আপনাকে একরাশ ভালোবাসা। আমাদের টোনাটুনি যেনো সবসময় আপনাদের এরকম ভালোবাসা পায়।
(বিশেষ কৃতজ্ঞতাঃ আমি বাংলা টাইপ করতে জানি না, তাই এই টাইপিং-এর জন্য নিয়াজকে আন্তরিক ধন্যবাদ!)
লেখকের মন্তব্য
ওহ!!!! লিসামনি তোমার মন্তব্য আমার পোস্টকে আরো আকর্ষনীয় করে তুল্লো।
" বন্ধুত্ব হতে হলে সম-মনা দরকার, সম-বয়স্ক নয়" আমি এই তত্বে বিশ্বাষ করি আর সত্যি তাই!
নাহলে মা-মেয়ের, বাবা-ছেলের বন্ধুত্ব হয় কি করে?
তোমরা দুজনেই এতো বেশী আন্তরিক যে আমি লিখে তোমাদের প্রশংসা করতে পারবোনা। সে আমার মন জানে আর যারাই তোমাদের স্বান্যিধ্যে এসেছে তারাই জানেন। অনেক অনেক ভালোবাসা তোমাদের জন্য। এই আপুটা যতদিন বেঁচে থাকবে স্বস্নেহে ভালোবেসে তোমাদের কথা স্মরন করবে।
এক পৃথিবী ভালোবাসা লিসা।
বোন লিসার কমেন্টের একটা উত্তর লিখেছি! এত কমেন্টের পর গেল! এত নীচে মানি না!
আরে লিসা বোনটি, এখানে দেখে খুব ভালো লাগলো। টোনাটুনি যেখানে, সব সুখ সেখানে।
এইভাবে সকলকে আহ্বান জানিয়ে নিজের বিপদ নিজে ডেকে আনছো কেন ভাই। এ যে খাল কেটে কুমির আনা! এরা সব চতুর, করবে তোমায় ফতুর!!
বয়স?? ব্যবধান কোথায় দেখছো? আমার নিজেকে তো তোমাদের বয়সীই মনে হয়, যখন তোমাদের সংস্পর্শে আসি। আর তাইতো নিজের স্বার্থেই তোমরা আমার এত আপন।
তোমাদের দু'টিকে দেখলেই প্রাণ জুড়িয়ে যায়। এক জোড়া ফুল তোমরা দু'জন।
@লিসা ভাবী>> আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা, ভাবী।
ব্লগে না থাকলেও, অনেক চেনা আপনি আমাদের।
টোনা ও টুনির জন্য শুভ কামনা নিরন্তর।
যাক, আমার নাম নেওয়াতে তোমাকে ধন্যবাদ দিবো কি না চিন্তা করছি! তুমি খুব চমৎকার লিখো, চতুরে রেজিস্ট্রেশন করে ফেলো!(তাহলেই হয়েছে!!!)
লেখকের মন্তব্য
ডাক্তার আর গ্যাস দিতে হবেনা! গ্যাস দেওয়া যে ভালোই জানো তা বুঝে গিয়েছি।
আর এই করে তুমি লিসাকে অনেক খাটিয়ে নাও। 
হে হে হে হে ----কি যে বলেন না আপু! লিসা তো সব কাজ এমনি এমনি করে!
লেখকের মন্তব্য
চতুরে রেজিষ্ট্রেশন করলে আপনার জনপ্রিয়তায় ধ্বস নামতে পারে - কমেন্ট থ্রেড তাই সাক্ষ্য দেয়
আরণ্যক ভাইয়ের কমেন্টে ভুটাপ
লেখকের মন্তব্য
আরে তাই হয় নাকি? আর হলেই বা মন্দ কী!!!!!
আপু, আপনার লেখা পড়ে আমি অভিভূত। আপনাদের সাথে গত বিকেলটা আমার একটা অসাধারণ বিকেল ছিলো।
কি বলবো বুঝতে পারছি না। খুব ভালো থাকুন, আপু।
লেখকের মন্তব্য
ডাক্তার তোমাদের জন্য ভালোবাসা আর শুভেচ্ছা নিরন্তর!!!!
লিসা আপু, চুপে চুপে বলে যাই, খাবারটা কিন্তু আসলেই খুব ভাল ছিল। আবার--------
লেখকের মন্তব্য
জ্বর কমেছে আকাশগঙ্গা?
আরে, ভাবী স্লামালিকুম। কেমন আছেন?
---
সুর'পার পোস্টে লিসা ভাবী কমেন্ট করে একেবারে ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলেন!
লেখকের মন্তব্য
নয়ন, তোমারে আর পায় কে!!!
লিসাকে ভাবী ডেকেছ? ব্যাস! এখন থেকে লিসার হাতের খাবার তোমার জন্য ফ্রী।
লিসার খুব দুঃখ ছিলো ওকে কেউ ভাবী ডাকেনা।
ইয়াহুহুহুহুহু!
তাহলেতো এখন আমারই সময়!
ভাবীর হাতের লোভনীয় সব খাবার! ইয়াম্মি!
আমার জন্যে ফ্রী! আপনি বলছেন তো আপা?
লেখকের মন্তব্য
অবশ্যই!!!! পরীক্ষা করে দেখতে পারো!
ঠিকাছে আপা।
আমি আগেই চরম ভাবে সন্দ কর্ছিলাম, ডাক্তার আর ডাক্তারের বউ ভালো লোক। কিন্তু সেই সন্দ এমন নির্মম ভাবে সত্য প্রমানিত করে দিয়ে ডাক্তার আর ডাক্তারের বউ এমন চরম ভালো লোক হিসেবে প্রতীয়মান হৈবো, সেডা আমার শত্রুও সন্দ কর্তে পারেনাই।
এত পছন্দের অতিথি কমেন্ট আর পাইনাই। প্লাস।
লেখকের মন্তব্য
বোন লিসা, আপনার কমেন্ট পড়ে আমি হাসছি। আমার ব্যাটারীও এক সময় আপনার মত ভাবত। পরে যখন ওকে ব্লগ পড়ালাম, বেশ কিছু ব্লগের আড্ডা, পিকনিকে নিয়ে গেলাম তখন আপনার মত করেই ভাবে। আমি এখন যদি বলি ব্লগের আড্ডায় যাচ্ছি, সে তখন খুশি হয়। আর আমি যখন চতুরে রেসিপি দেয়ার জন্য রান্নাঘরে প্রবেশ করলাম, এখন তো কথায় নাই!
একটু আগে ফোন দিয়েছিলেন, আজ আমাকে চাইনিজ সব্জি রান্না শিখাবেন। আমি যেন তাড়াতাড়ি বাসায় যাই। আমি একটা নুতন রেসিপি পাব।
বাসায় অনেক ধরনের সব্জি আছে, প্লাস আপনার টেবিলে সব্জি দেখে গতকাল রাতে বলেছিলাম। আমি বাসায় ফিরে চায়নিজ সব্জি রান্না দেখব/ শিখে ফেলব।
ভাল রান্না শিখিয়ে দিন আমাদের নিয়াজ ভাইকে। আরো কাছে কাছে পাবেন! রান্নার লোভেই বাসায় থাকবে।।।।।।হা হা হা।।।
ভাল থাকুন বোন।
বলেন কী ভাই , আপ্নারা সবাই দেখি বিরাট লাকি!! আমার বউয়ের তিনটা সতীন আছে একটা ব্লগ, একটা ফেসবুক আড়েকটা কেলা (ফুটবল, ক্রিকেট)।
এই তিনটার ব্যবহার তো আমি লুকায়া করি!!
লেখকের মন্তব্য
লুকিয়ে রাখো বলেই সতিন মনে হয়, বউকে বুঝিয়ে বলো, তোমার ব্লগ পড়াও দেখবে লিসা আর সাহাদত ভাবীর মত সেও খুশী মনে মেনে নিয়েছে।
লিসার মন্তব্যে ভোট দেয়ার জন্য এই পোস্টে এলাম। নইলে
লেখকের মন্তব্য
উরে আল্লাহ!!! নুশেরাবু খ্যাপসে ক্যা?

এটা একটা আড্ডা। অথচ সবাই কেমন খাওয়া নিয়ে কথা বলতে শুরু করেছে দেখেছেন!! এত ভালো আর সাত পাওয়ার মত পোস্ট পড়ে কারো কী আর একটা আড্ডা আয়োজনের কথা মনে পড়ছে? না, মোটেই না। আর খাওয়ার কথা? ঠিক আছে, আড্ডা বাদ দিয়ে তা'হলে খাওয়ার ব্যবস্থাই হোক। তাও কী কেউ করবে? কেউ কী আসবে এগিয়ে। শুধু শুধু সবাই খাওয়া নিয়ে হিংসা করতে পারদর্শী!! কী তাজ্জব!!!
আড্ডা দিন, খাবার জোগাবে ভূতে!!!
লেখকের মন্তব্য
চতুরের একটা খোলামেলা আড্ডা হলে কিন্তু ভালোই হতো হুদা ভাই!!!!
চতুরেরা কে কোথায়? এসো এগিয়ে, হয়ে যাক খোলামেলা আড্ডা!
এই শীতকালে ঢাকাঢুকা আড্ডা হৈলে বিবেচ্য, আগানে বাগানে খোলামেলা আড্ডাইলে নিউমোনিয়া।
লেখকের মন্তব্য
কঠিন খাঁটি কথা!!!
নাজমুল ভাই আমি হাজির!
আপনি এমন একটা আড্ডার ডাক দেন।
আমি কেন? নবীনরা সব কোথায়?? তাদের ডাকের অপেক্ষায় থাকি সব সময়।
অপেক্ষায় থাকলাম। কোন একদিন হয়তো আমিও দাওয়াত পাবো।

লেখকের মন্তব্য
হয়ে যাক আড্ডা!!!!
নিশ্চয় হবে।
ইস! কী মিস করলাম রে আপা! আড্ডা, খাওয়া, সাক্ষাৎ!

লেখকের মন্তব্য
সত্যিরে!!! অপা! ভিষন মিস করেছি তোমায়, চৈতী সোনাকে।
ইনশাল্লাহ আগামীতে দেখা হবে।
ইনশাল্লাহ আপা।
এখন কী হবে আর কাঁদিলে?????
সামনে বইমেলায় সম্ভবত বেশীরভাগ চতুরের সাথেই সাক্ষাৎ হয়ে যেতে পারে। চতুরের নিজস্ব দুটি বই বেরুচ্ছে, একটি গল্প সংকলন, আরেকটি বারোয়ারী উপন্যাস। (ভীড়ের মধ্যে আমিও চেষ্টায় আছি, নিজের নাম ঢুকাতে)
নিয়াজ ভাইয়ের আড্ডায় টনিক আছে। উনার সাথে আমার দেখা হয়েছিল সেই সিরাজঞ্জে। দিনভর জার্নির ক্লান্তি উনার আড্ডার তোড়ে এক নিমেষেই ভ্যানিশ!
সামনে ঢাকায় আসলে নিয়াজ ভাইয়ের বাসায় হামলা হবেই - আশা করছি আক্রমণকারী হিসেবে সাথে অন্তত পলাশ, নয়ন আর জিসান (নীল বালক)-কেও পাব।
লেখকের মন্তব্য
এবছর ফেব্রুয়ারীতে আমি আসতে পারবো কিনা কে জানে!
আমার ছেলে ৬ বছর পর দেশে আসার কথা!
তবে অবশ্যই সবার আড্ডার কথা জেনে খুব খুশী হবো।
ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ আসবেন। সাথে ভাইসাহেবকেও আনবেন।
আমি সবসময়ই রেডি!
ফয়সাল ভাই, পাশেই পাইবেন আক্রমণকারী হিসাবে।
অতি লোভনীয় আড্ডা!
সুখময় পোষ্ট ভালো লেগেছে!
লেখকের মন্তব্য
মন-মানসিকতায় মিল থাকলে আড্ডা প্রানবন্ত হয় লাবনী।
হয়তো কখনো তোমার সাথেও দেখা হয়ে যেতে পারে।
ইনশাল্লাহ! দেখা হয়ে যাবে! তখন আরো জমিয়ে আড্ডা হবে! তখন পুডিং বানিয়ে খাওয়াবো আপনাকে! এটা ভালো বানাতে পারি তো! (সবচেয়ে সহজ)
লেখকের মন্তব্য
আদ্দা প্রানবন্ত হলে খাবার মোটেই জরুরী নয়।
তবে ভালোবেসে কেউ খাওয়ালে সেটা তো আর খাবার থাকেনা, "অমৃত " হয়ে যায়!
আমি ভালোবেসেই খাওয়াবো! দেখবেন, মিষ্টি কম ভালোবাসা বেশি!
আমিও যে পুডিং খুব পছন্দ করি!
সুরঞ্জনা একা খাবে কেন?
আমি বাদ?
সে কী কথা, লাবনী?
না না !
আপনি বাদ না! আপনার জন্যও পুডিং রাখবো
কবে? কবে?? কখন??? কোথায়?????
খুব মজা হয়েছে, তাই না আপু!!!
লেখকের মন্তব্য
খুব খু-উ-ব মজা হয়েছে পাহাড়কন্যা।
না, এইবার আর মাইনাচ ঠেকাইতে পার্লাম না। কইশ্যা মাইনাচ!

খাবারের যে তালিকা দেখছি, গঞ্জ তো গঞ্জ, দিল্লি থাকলেও তো হাট্টা দিতাম সঙ্গে সঙ্গেই খাবারের প্রতি যার চরম অনীহা, গর্তজীবি সেই আমিও!
আরেক মাইনাচ, সু'পুর ফডো নাই বলে।
লিসা ভাবীকে পিলাচ।
নিয়াজ ভাইয়ের সার্বক্ষণিক ফুটে ওঠা হাসি এবং মানুষকে আপন করে নেবার ক্ষমতা আদতেই ঈর্ষণীয়।
গত সপ্তাহে সারাদিন এক সাথে ছিলাম আমরা। কমসে কম দশবার ধন্যবাদ পাওনা হইসিলো নিয়াজ ভাইয়ের। হুদা ভাইয়ের তিন বার পাওনা হইসিলো। একবারও দেই নাই কাউরেই। কেনো দেবো! একটি বারের জন্যেও মনে হয়নি, চেনাজানাটা অল্প দিনের। মনে হয়েছে, অনেক কালের চেনা আপনজন।
লেখকের মন্তব্য
ইন্নালিল্লাহ!!! ফডু নাই দেইখা মাইনাচ????
সবার সাথে যখন দেখা হবে তখনই তো দেখে নিতে পারবে রে ভাই।
আর নাহলে হুদা ভাই আর ডাক্তারের ফ্রেন্ড লিষ্টে ঢু মারো।
মন্তব্যের ঘরে হুদা ভাইয়ের দেয়া লিংকে ঢু মেরে ফডু পেয়ে গেছি, বড়াপা!
মানিক ফটো পায়, অন্যেরা কেন পায় না? বিস্ময়!!
দিতে থাকো মাইনাচ! তোমারডি শেষ হওয়ার পর আমাত্তে নেও, যতডি লাগে! মাইনাচ, মাইনাচ, মাইনাচ - সবরে মাইনাচ!
লেখকের মন্তব্য
পিলাচ পিলাচ পিলাচ তোমগোরে স্পবপ্তেরে পিলাচ। তুমরা যত মাইনাচ দিবা আমি দিমু পিলাচ।
আড্ডা বেশ জমেছিল বোঝাই যায়।

তবে খাবার-দাবারের ছবি দেওয়াটা ঠিক হয় নাই।
লেখকের মন্তব্য
খাবারের ছবিই তো আড্ডার সাক্ষ্য বহন করে।
আপু, আপনার লেখা পড়ে আমি অভিভূত। আপনাদের সাথে গত বিকেলটা আমার একটা অসাধারণ বিকেল ছিলো।
কি বলবো বুঝতে পারছি না। খুব ভালো থাকুন, আপু।
জনাক পকাদের জয় হোক, ভালবাসা ছড়িয়ে পড়ুক সীমানা ছাড়িয়ে।
লেখকের মন্তব্য
ঠিক বলেছ তারার হাসি। জোনাকেরা সব ছড়িয়ে পড়েছে কেমন করে!!!
আমি এই পোস্ট পড়তে চাই নাই, তাও পড়ে ফেলছি

অবশেষে মাইনাস
লেখকের মন্তব্য
মাইনাস মানেই পিলাস।
তোমরা দেশে এলে আড্ডা হবে চরম আকারে! ইনশাল্লাহ!!! 
বেশি আড্ডা ভালো না
আড্ডা দিয়ে কি লাভ ?
লোকজন লেখালেখি বাদ দিয়া কেন যে আড্ডা দেয় বুঝি না
লেখকের মন্তব্য
তাই তো!!!

তা, ২৩ তারিখে জম্মেস আড্ডা দিলো কিডা কিডা?
কাল রাতেই একবার এসে দেখে গেছি নিয়াজ ভাই কি কামডাই না করলো আমাদের ছারা।
খবর আছে নিয়াজ ভাই। হুদা ভায়েরও রক্ষা নাই।
পোষ্ট এর দিক বিবেচনা করে আপুকে এবারের মত ছাড় দেয়া হলো। সে সাথে আকাশগঙ্গা কে তাঁর সারল্য মাখা মুখখানার জন্য ছাড়। আর সবাই কে পস্তাতে হবে।
আড্ডা সেরাম হইছে।
লেখকের মন্তব্য
আমি বাঁইচা গেছি!!!!!!
কিন্তু
আমার তো ভাই রক্ষা নাই!
কোথায় যাই, কোথায় পালাই??
আমরাও দাওয়াত পাইতে চাইইইইইইইইইইইই!!!!!!!!!
লেখকের মন্তব্য
আমি তো ভেবেছিলাম ভেবু আমায় দাওয়াত দিবে? "আশায় আশায় দিন যে গেলো আশা পুরন হলোনা"!
কবে? ভেবুর ওখানে কবে??
আপুউউউউউউউউ
লেখকের মন্তব্য
কী রে এ এ এ এ এ!!!!
মাইলাশ পড়ে থাকলো রাস্তায়।
লেখকের মন্তব্য
থেঙ্কু শাওন বিলাই!!!
সুরঞ্জনা'পা, এটাকে ব্লগর ব্লগর বলে না, এটাকে বলে 'ভালবাসার কাব্য'!
পোস্ট সরাসরি প্রিয়তে!
প্রিয়তি প্রিয় লিসা ভাবীর মন্তব্যে, পঞ্চমবারের মত ভোট আপ।
রাত আরেকটু ঘন হয়ে আসলে, নিরালায় এসে আবারো কমেন্ট করে যাবো, ইনশাল্লাহ!
পোষ্টের রেস অনেক দিন চলবে। আমিও প্রিয়তে নিয়ে নিলাম। আবার আসবো।।।।।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ সাহাদত ভাই।
লেখকের মন্তব্য
ঠিক বলেছ অমিতা। এটা " ভালোবাসার কাব্য"ই!!!
ভালো থেকো অনেক, অনেক।
আমি শুধু খাওয়ার লোভেই বাংলাদেশে উনাদের বাসায় যেতে চাই
লেখকের মন্তব্য
ফেবুতে ছবি দেখেছিলাম। এখানে পড়লাম। বেশ আড্ডা দিলেনতো আপু।
লেখকের মন্তব্য
হুম, অনেক প্রানবন্ত আড্ডা!
"ভালোবাসার কাব্য"-- খুব ভালো লাগলো আপু, কথাটা।
অটঃ আমার মনের মানুষঃ একটি ভালোলাগা চলচ্চিত্র, কিন্তু...... -এই লেখাটা কি আরেকবার কষ্ট করে পড়ে বলবেন, এখন কেমন হলো? কেনো, তা পরে বলবো।
বিদেশীদের কথা কেও মনে রাখেনারে পাগল.. (এইটা নিজেরেই নিজে বললাম, এবং আরও যারা নিজ দেশ ছেড়ে ভিনদেশে আছেন) !

আমগো মতন অভাগা গো লাইগা অন্তত ব্যথাতুর দুইটা লাইন পোষ্টে থাকা দরকার ছিল !
খাবার দাবারের এইরম ছবিরে সবসময় মাইনাস !
খাবার যিনি তৈরি করেছেন, উনারে প্লাস !
লেখকের মন্তব্য
কে বলেছে মনে রাখেনা। যারা দূরে থাকেন, বিশেষ করে দেশের বাইরে, আমরা যারা দেশে থেকে ব্লগিং করি তারা আপনাদের অনেক মিস করি।
চৈতী'র বাসায় একটা আড্ডা হইলে আমিও যাইবার পারি। চৈতী আমার পছন্দের ব্লগার কবি। অনেকদিন আমার বনানী'র সরকারি বাসায় বহুত আড্ডা দিছি ব্লগারদের সাথে নিয়া। অনেকদিন কোন আড্ডা দেইনা। এইবার অন্যের বাসায় আড্ডা দিবার মুন্চায়। সুরঞ্জনার সাথে দেখা হওয়ার এই একটা সুযোগ। আড্ডা হইলে আমারে একটু ডাইকো। নিজে যাইচা আড্ডার দাওয়াত লইতাছি। হগ্গলে ভালা থাইকেন।
কালপুরুষ দাদা আড্ডা হইলে অবশ্যই আইসা পড়েন, খুব খুশি হবো এলে। তবে আড্ডা নির্ভর করছে সু'দির সময়ের উপর, দি কেন জানি না সম্ভাব্য আড্ডাটারে ঝুলাইয়া রাখছে।
লেখকের মন্তব্য
চৈতী সোনা আমি আড্ডাটা দিতে না পেরে নিজেই খুব মনোকষ্টে আছি। কোন ভাবেই সময়কে ট্যাকল করতে পারছিনা। বোনও রাগ করছে। জোর করছে আরো থাকার জন্য। কিন্তু তোমার দুলাভাই নিজেও অসুস্থ মানুষ, ছুটা কাজের লোকের উপর ভরসা করে রেখে এসেছি। তাই থাকতে পারছিনা।
ইনশাল্লাহ এর পর ঢাকা এলে প্রথম আড্ডা তোমার বাসাতেই দাদাসহ হবে। কথা দিলাম।
কাল পুরুষ দা, আপনার কাছে একটা আড্ডা পাই! আপনার ছাদে কথা ছিল, কিন্তু হয় নাই!
লেখকের মন্তব্য
দাদার বাসায় ছাদের আড্ডা আর দাদার হাতের রান্না তো খুবই বিখ্যাত ও জনপ্রিয়!
লেখকের মন্তব্য
দাদা, বিশাষ করবেন কিনা জানিনা, আজও ছোট বোনের সাথে আপনার বাসার আড্ডার গল্প করছিলাম। অদিতিও তখন সামনে ছিলো। কথাটা উঠেছিলো " কালাইএর রুটি নিয়ে " কাল রাতেও কালাই রুটি খেয়েছি, আজ অদিতিকেও খাওয়ালাম। আর বৃহত্তর রাজশাহীর মানুষ হিসেবে আপনাকে কালাই রুটি চিনাতে হবেনা তা বিলক্ষন জানি। চৈতীর বাসায় আড্ডাটা দিতে আমি খুবই আগ্রহী। কিন্তু সময়টাকে মোটেই ঠিক করতে পারছিনা। আমি সিলেট যাবো পরশু। কাল ভাগ্নীটি মেডিকেলের হোস্টেলে চলে যাবে। তাই বুঝতেই পারছেন বেরুনো কেমন অমানবিক হবে।
ইনশাল্লাহ এর পর ঢাকা এলে আড্ডা হবে।
ইশ!!!!

কি আড্ডাটাই না দিলেন আপনারা!লোভনীয় সব খাবার দাবার!
নাজমুল ভাইয়ার লিঙ্ক থেকে লিসা ভাবিকে আর সুরঞ্জনাপুকে দেখলাম
সু'দি, কোন সমস্যা নেই। আগামিবার ঢাকা এলে অবশ্যই একটা জম্পেশ আড্ডা হবে। এখন থেকেই প্রস্তুত হয়ে রইলাম।
আচ্ছা, আড্ডা আর খাওন-দাওন পোস্টে না মাইনাস দেয়ার নিয়ম?
লেখকের মন্তব্য
হুম।
আমিও এই মাত্র একটা এগ রোলের পোস্টে মাইনাস দিয়া আসলাম! 
একজেকলি।
দ্যান মাইনাস।
মাইনাচ
মাই লাশ।
লেখকের মন্তব্য
লেখকের মন্তব্য
আমাকে বললে না কেন? যোগ দিতাম তোমার সাথে।
লেখকের মন্তব্য
মন্তব্য করুন