সদর দরজা

হাসান মাহবুব-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হঠাৎ আমার ইচ্ছেগুলো

হঠাৎ আমার ইচ্ছে হল বলতে তোমায়
হঠাৎ আমার ইচ্ছেগুলো অবিনাশী
হঠাৎ করেই ধুসর দুপুর সবুজ নামায়
হঠাৎ করেই শহরটা আজ ভীষণ খুশি!
হঠাৎ করেই লোকাল বাসে শ্যামলিমা
হঠাৎ করেই পোড়া পেট্রল সুগন্ধী আজ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্নার্ল

যেদিন আমি অথবা তুমি, অথবা আমরা দুজনেই, তীব্রতার আকাশে উড্ডয়ন শেষে প্যারাসুট থেকে সবেগে নীচে নামতে থাকবো,
অথবা যেদিন চুম্বনের সঙজ্ঞা জানতে ফিজিক্সের চর্মঘর্ষণবিদ্যার শরণাপন্ন হব,


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হেরে যাও ববি

হেরে যাও ববি, তুমি হেরে যাও
তবুও হেঁড়ে গলায় গানটা গাও!

পকেট হাঁতড়ে দেখ মানিব্যাগ লোপাট
উঁইপোকা সাজাচ্ছে তোমার খাঁট!
পা মাড়িয়ে চলে যায় সুন্দরী
ক্ষিদে আছে, নেই কাবাব-তন্দুরী।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বৈহাসিক বৈক্লব্য

বাসের ভেতর মানুষ বাড়ছে। যন্ত্রযানটির স্থিতিস্থাপক এবং স্ফিত পাকস্থলিতে দিব্যি এঁটে যাচ্ছে ঘামে ভেজা এঁটোঝুঁটো মানুষ, বডিস্প্রে দেয়া স্যুটেড বুটেড এটিকেটঅলা মানুষ। যানটি কুমিরের পরিপাকতন্ত্রের মত হজমক্


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সুহাস এবং তার সন্দেহবশবর্তী হয়ে করা অনর্থক কাজগুলো

সুহাস এবং তার বন্ধুরা, অল্পদিনের পরিচয়েই তারা একে অপরের খুঁতগুলো পরিপূর্ণরূপে আবিস্কার করতে সক্ষম হয়েছে। সুহাস, অজ্ঞাতকূলশীলই বলা যায় তাকে, তবে বৈকালিক চায়ের আড্ডায় আসর জমাতে খুব বেশি চিন- পরিচয় হবার


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অদৃষ্টবাদী অন্ধকারে

বিকাল পাঁচটায় সূর্যের বিদায়পর্ব শুরু হলে কিছু মানুষ ফুটপাথের ধারে সাপের খেলা দেখতে মজে যায়। বেদেনী সাপুড়ের শরীরের বাঁকে সূর্য বিষণ্ণ আলো ফেলে তাকে চক্ষুমৈথুন থেকে রক্ষা করতে চায়। সাপের খেলা জমে ওঠে ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্নিফ

-স্নিফ শব্দটির ভালো বাংলা প্রতিশব্দ হয় না।
-বলেছে তোমাকে? ডিকশনারি ঘেঁটে দেখো, সশব্দে শ্বাস নেয়া অথবা কোন কিছু শোঁকা, আবার নাক সিঁটকানো অর্থেও প্রয়োগ হতে পারে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নর্দমাক্ত

লোকটি ঘুমিয়ে আছে। এই ভরদুপুরেও জনাকীর্ণ রাস্তা এবং হাইড্রোলিক হর্নের উৎপাত গ্রাহ্য না করে ঘুমোচ্ছে দিব্যি। সে ঘুমোচ্ছে একটা নর্দমার ধারে। নর্দমাটি অবশ্য শুকিয়ে গেছে, এবং তা থেকে কোনরকম বাজে গন্ধও নির্


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ্যাপি কাপল

-বাড়ি ফেরার সময় ফুল নিয়ে এসো আমার জন্যে।
-ঠিক আছে আনবো।
-রজনীগন্ধা ছাড়া যেকোন সাদা ফুল।
-আচ্ছা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রঙ, সময় ও মৃত্যু বিষয়ক

সে ছিলো সবুজ রঙা মেয়ে...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিকলনের বিপন্নতা- ফয়সল কাদের চৌধুরীর "পারভার্ট"

ফয়সল কাদের চৌধুরির "পারভার্ট" উপন্যাসের নামটি পাঠকের মধ্যে যথেষ্ট কৌতুহল জাগাবে। প্রচ্ছদে দেয়া ১৮ প্লাস ট্যাগ বইয়ের বিপননের জন্যে ভালো একটা বিজ্ঞাপন নিঃসন্দেহে। তবে যারা এখনও বইটি পড়েন নি কিন্তু ন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিষাদী অথবা বিজয়ী বর্ণশরীরের কাছে


(অ)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বেঙ্গমা বেঙ্গমী এবং ব্যাঙার্জমের গল্প

বেঙ্গমা এবং বেঙ্গমী দম্পতির মধ্যে প্রণয়ের কোন অভাব না থাকলেও তাদের একটা বড় দুঃখ ছিলো। তারা নিঃসন্তান। অবশ্য এক্ষেত্রে ভালোবাসার অপ্রতূল প্রায়োগিকতাকেও দায়ী করা যায়। কারণ তারা থাকতো দুটি আলাদা বৃক্ষে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মরা মাছের চোখ যায় যদ্দুরে

লালকুঠির মাছের বাজারটা খুব একটু জমজমাট না। বিক্রেতারা বেশিরভাগ সময় মাছ বিক্রয়ের চেয়ে মাছি তাড়াতেই ব্যস্ত থাকে। বড় মাছ তেমন একটা আনে না কেউ এখানে কেনার মানুষ নেই বলে। তবে এক নাম্বারের বিশাল মাছবাজার থে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শরব্য সমীকরণ

যেখানে আমার জন্যে কোন অরণ্য নেই, সবুজ নেই, লাজুক কিশোরীর চাহনি নেই, সেই কংক্রিটাক্রান্ত মেদবহুল শহরে আমি থাকবো না। আমার জন্যে হাত বাড়িয়ে আছে কেরোসিনের সলতের মৃদু আগুনে ডুবে থাকা গ্রামরাত্তির, আদুরে শি